ভারতের উপর শুল্ক বৃদ্ধি: বিশ্বায়নের (পড়ুন আমেরিকার)জটিল রাজনীতি?
ভারতের শুল্ক বৃদ্ধি, বিশেষ করে কৃষি পণ্যে, তা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আলোচনায় তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। একদিকে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে এটিকে দেশের কৃষকদের স্বার্থরক্ষা, স্থানীয় কৃষি-শিল্পকে রক্ষা এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর একটি বৈধ কৌশল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। অন্যদিকে, কিছু বিশ্লেষক ও বক্তার দাবি, এই শুল্ক বৃদ্ধি আসলে ভারতের কৃষি জমির উপর আমেরিকার (বা পশ্চিমা পুঁজির) নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে একটি প্রতিরক্ষামূলক চাল মাত্র। এই প্রবন্ধে আমরা এই দাবিটির গভীরে প্রবেশ করে বিষয়টির ঐতিহাসিক পটভূমি, অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব এবং বাস্তবতার নিরিখে তার যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করব।
১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: কৃষি বাণিজ্য, বিশ্বায়ন ও ভারত
ভারতের কৃষি বাণিজ্য নীতি বুঝতে হলে এর ঐতিহাসিক গতিপথ বোঝা জরুরি। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ছিল ভারতের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। সবুজ বিপ্লবের মাধ্যমে সেটি অর্জিতও হয়। তবে ১৯৯০-এর দশকের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (WTO) যোগদান ভারতের কৃষি বাজারে আমূল পরিবর্তনের সূচনা করে।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ও কৃষি চুক্তি (AoA): WTO-এর কৃষি চুক্তি তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে: বাজার প্রবেশাধিকার (Market Access), অভ্যন্তরীণ সহায়তা (Domestic Support) এবং রপ্তানি ভর্তুকি (Export Subsidies)। উন্নত দেশগুলো, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, তাদের কৃষকদেরকে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিত (এবং দেয়)। এর ফলে তাদের উৎপাদিত পণ্য (যেমন: গম, ভুট্টা, সয়াবিন, ডেইরি) আন্তর্জাতিক বাজারে খুবই কম দামে বিক্রি করা সম্ভব হতো। ভারত ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ এটিকে "ডাম্পিং" হিসেবে দেখে এবং তাদের নিজস্ব কৃষকদের রক্ষায় শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধার আশ্রয় নেয়।
বহুজাতিক কোম্পানির প্রবেশ ও বীজের অধিকার: ১৯৯০-এর পর থেকেই Monsanto (বর্তমানে Bayer-এর অংশ), Cargill, Archer Daniels Midland-এর মতো বহুজাতিক কোম্পানিগুলি ভারতের কৃষি বাজারে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে বিনিয়োগ শুরু করে। বিশেষ করে জেনেটিকালি মডিফায়েড (জিএম) বীজ, বিশেষত বিটি কপাসের (সূতি) প্রবর্তন, ভারতের কৃষিতে আমূল পরিবর্তন আনে। এর মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন বাড়লেও, কৃষকরা বীজের জন্য এই কোম্পানিগুলির উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, কারণ জিএম বীজ সংরক্ষণ করে পুনরায় ব্যবহার করা যায় না। এখানেই "কৃষি জমির উপর নিয়ন্ত্রণ" বিতর্কের বীজ নিহিত। নিয়ন্ত্রণ শুধু জমির মালিকানায় নয়, বরং পুরো "কৃষি মূল্য শৃঙ্খলে" (Agricultural Value Chain) – বীজ, সারের দাম থেকে শুরু করে ফসলের বিপণন ও প্রক্রিয়াকরণ পর্যন্ত।
২. বাণিজ্য চুক্তির রাজনীতি: যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও ভারতের প্রতিরোধ
ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক সুদীর্ঘকাল ধরেই উত্তাপ ও শীতলতার মধ্যে দোদুল্যমান। বিশেষ করে কৃষি পণ্য নিয়ে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে মার্কিন উদ্বেগ লক্ষণীয়।
মার্কিন অভিযোগ ও WTO-তে মামলা: যুক্তরাষ্ট্র বারবার অভিযোগ করে যে, ভারত তার কৃষি পণ্য (যেমন: দুগ্ধজাত পণ্য, মুরগির মাংস, শুকরির মাংস, আপেল, বাদাম) এবং শিল্প পণ্যের উপর যে উচ্চ শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা (যেমন: স্বাস্থ্য ও উদ্ভিদ স্বাস্থ্যবিধি বা SPS পদক্ষেপ) আরোপ করে, তা WTO নীতির পরিপন্থী। মার্কিন পক্ষ দাবি করে, ভারত তার বাজার খুলে দিলে তাদের কৃষকরা লাভবান হবে। ভারতের বাজারে মার্কিন সয়াবিন তেল, বাদাম, আপেলের ব্যাপক প্রবেশ ঘটলে স্থানীয় উৎপাদকদের উপর কী প্রভাব পড়বে, সে আশঙ্কাই ভারতের শুল্ক নীতির মূলে থাকে।
দ্বিপাক্ষিক চুক্তির লুকানো শর্ত? কিছু বিশ্লেষকের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র ভারতের সাথে বড় ধরনের বাণিজ্য চুক্তির (যেমন সম্ভাব্য FTA) আগ্রহ দেখায়, যার একটি মূল শর্তই হল ভারতের কৃষি বাজার খোলা। অন্যদিকে, ভারতের কাছে কৃষি একটি "স্পর্শকাতর" খাত (WTO-র পরিভাষায় Special Products), যা খাদ্য নিরাপত্তা, কৃষকের জীবিকা এবং গ্রামীণ সামাজিক স্থিতিশীলতার সাথে জড়িত। তাই যেকোনো মূল্যে এটি উন্মুক্ত করে দেওয়া সরকারের পক্ষে রাজনৈতিকভাবে অসম্ভব।
সরাসরি জমির মালিকানা ভারতীয় আইনে বিদেশীদের জন্য (প্রায় সবক্ষেত্রে) নিষিদ্ধ। “মালিকানার অধিকার” এখানে ব্যবৃহিত অর্থে :
বীজ ও ইনপুট বাজারে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ: যদি মার্কিন বা বহুজাতিক কোম্পানিগুলি বীজ, কীটনাশক, প্রযুক্তির বাজার দখল করে, তাহলে কৃষক তাদেরই ক্রীতদাসে পরিণত হবেন। ফসলের দাম ও উৎপাদন খরচ তারা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণন শৃঙ্খলে কর্তৃত্ব: যদি কোম্পানিগুলি ফসল ক্রয়, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং খুচরা বিক্রির চ্যানেল নিয়ন্ত্রণ করে, তাহলে কৃষকদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ক্ষমতা কমে যায়।
চুক্তি চাষের মাধ্যমে পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ: বহুজাতিক কোম্পানি সরাসরি জমি কিনতে না পারলেও, চুক্তি চাষ (Contract Farming) এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট ফসল চাষের শর্ত, দাম ও গুণমান কোম্পানি নির্ধারণ করে। এটিও এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ।
সুতরাং, শুল্ক বৃদ্ধি এই শৃঙ্খলে বহুজাতিক কোম্পানিগুলির প্রভাব ঢোকার গতিকে মন্থর করার একটি হাতিয়ার।
৩. শুল্ক বৃদ্ধির অর্থনৈতিক যুক্তি ও কৌশলগত উদ্দেশ্য
ভারতের শুল্ক নীতি শুধু প্রতিরক্ষামূলক নয়, কৌশলগতও বটে।
কৃষক আয় বৃদ্ধি ও আমদানিতে প্রতিস্থাপন: উচ্চ শুল্কের ফলে আমদানিকৃত পণ্যের দাম স্থানীয় বাজারে বেশি হবে, ফলে স্থানীয় উৎপাদকদের সাথে প্রতিযোগিতার সুবিধা হারাবে আমদানিকৃত পণ্য। এটি 'ইমপোর্ট সাবস্টিটিউশন'-কে উৎসাহিত করে এবং স্থানীয় কৃষকদের জন্য বাজার রক্ষা করে। উদাহরণস্বরূপ, ডাল, ভোজ্যতেল, ফল-মূলে শুল্ক বৃদ্ধির পেছনে এই যুক্তি কাজ করে।
বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস: যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি বিশাল। ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে মূলত আমদানি করে বাদাম, আপেল, ডেইরি, বিমান, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও হাইড্রোকার্বন। কৃষি পণ্যে শুল্ক বৃদ্ধি করে ভারত এই ঘাটতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে, পাশাপাশি বাদাম, আপেলের মতো পণ্যে স্থানীয় উৎপাদন (উদাহরণ: কাশ্মীরি আপেল, মহারাষ্ট্রের বাদাম) বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি করে।
খাদ্য নিরাপত্তা ও স্বয়ংসম্পূর্ণতা: কোভিড-১৯ মহামারি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী সরবরাহ শৃঙ্খল বিঘ্নিত করে দেখিয়ে দিয়েছে যে, অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যপণ্যে বিদেশী আমদানির উপর অত্যধিক নির্ভরতা জাতীয় নিরাপত্ত্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। ভারত তার গম, চাল, ডাল, পেঁয়াজের মজুত ও উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও বজায় রাখতে চায়। শুল্ক একটি নীতি-হাতিয়ার যা এই লক্ষ্যকে এগিয়ে নিতে সহায়ক।
৪. প্রতিপক্ষের দৃষ্টিকোণ: বৈশ্বিক বাণিজ্যের নিয়ম ও "সংরক্ষণবাদ"-এর অভিযোগ
যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য কৃষি রপ্তানিকারক দেশগুলো ভারতের শুল্ক নীতিকে "অত্যধিক সংরক্ষণবাদী" এবং বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম লঙ্ঘনকারী হিসেবে চিত্রিত করে।
বাজার প্রবেশাধিকারের বাধা: তাদের যুক্তি হল, ভারতের শুল্ক হার বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চের একটিতে পরিণত হয়েছে, যা ন্যায্য প্রতিযোগিতাকে ব্যাহত করে। তারা দাবি করে, ভারত যদি সত্যিকার অর্থে বিশ্বায়নে বিশ্বাসী হয়, তবে তার বাজার আরও উন্মুক্ত করা উচিত।
কৃষকদের জন্য উপকারিতা নয়, রাজনৈতিক স্বার্থ: প্রতিপক্ষ আরও দাবি করে যে, উচ্চ শুল্কের সুবিধা শেষ পর্যন্ত ভারতের ধনী কৃষি কর্পোরেশন বা মধ্যস্বত্বভোগীদেরই বেশি হয়, সাধারণ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকরা ততটা লাভবান হয় না। বরং, আমদানিকৃত সয়াবিন তেলের দাম কমলে বা উচ্চ উৎপাদনশীল বীজ সহজলভ্য হলে ক্ষুদ্র কৃষকরা উপকৃত হতেন।
বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে মিলনস্থল: মার্কিন কৌশল হল WTO-তে চাপ সৃষ্টি এবং দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে ভারতকে শুল্ক কমাতে বাধ্য করা। ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ (TPP) বা যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তি (USMCA) এর মতো চুক্তিগুলিতে কৃষি বাজার খোলার কঠোর শর্ত থাকে। ভারতের সাথে সম্ভাব্য চুক্তিতেও যুক্তরাষ্ট্র অনুরূপ শর্তারোপের চেষ্টা করে।
৫. ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও কৃষক আন্দোলনের প্রভাব
ভারতের শুল্ক নীতি সম্পূর্ণরূপে বাহ্যিক চাপ দ্বারা নির্ধারিত হয় না; দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও জনমত এতে গভীরভাবে প্রভাব ফেলে।
কৃষক আন্দোলনের শক্তি: ২০২০-২০২১ সালের কৃষক আন্দোলন ভারতের রাজনীতিতে কৃষি নীতির প্রাধান্য ফের কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। কৃষক সংগঠনগুলি সরাসরি বহুজাতিক কোম্পানিগুলির (বিশেষ করে বীজ ও খুচরা বাণিজ্যে) প্রবেশের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা দাবি করে যে এটি শেষ পর্যন্ত কৃষকদের জমি হারানোর দিকে নিয়ে যাবে (ঋণের জালে জড়িয়ে)। সরকার কৃষকদের এই শক্তিশালী ভোটব্যাংকের অসন্তুষ্টি সহজেই আমলে নিতে পারে না। সুতরাং, শুল্ক বৃদ্ধি একটি রাজনৈতিক বার্তাও বটে, যা কৃষকদেরকে বলছে: "তোমাদের স্বার্থ রক্ষায় আমরা সজাগ।"
৬. বাস্তবতা পরীক্ষা: শুল্ক কি আসলে কার্যকর রক্ষাকবচ?
এখন প্রশ্ন আসে, শুল্ক বৃদ্ধি কি আসলে ভারতের কৃষি জমি ও কৃষকদের বহুজাতিক পুঁজির কবল থেকে রক্ষা করতে পারছে?
সীমাবদ্ধতা: শুল্ক শুধু আমদানিকৃত পণ্যের দাম বাড়ায়। কিন্তু যদি দেশীয় উৎপাদন বাড়ানো না যায়, বা দেশীয় সরবরাহ শৃঙ্খল অদক্ষ থাকে, তাহলে উচ্চ দামের বোঝা শেষ পর্যন্ত ভোক্তাকেই বহন করতে হবে। মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে।
বাইপাস করার পথ: বড় বহুজাতিক কোম্পানিগুলি সরাসরি রপ্তানির পরিবর্তে ভারতেই উৎপাদন ইউনিট স্থাপন করে শুল্ক এড়াতে পারে (যেমন Pepsi, Coca-Cola)। সেক্ষেত্রে শুল্ক সরাসরি বাধা হয়ে দাঁড়ায় না।
প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ: শুল্ক শুধুমাত্র পণ্য আমদানিতে বাধা দেয়। কিন্তু প্রযুক্তি হস্তান্তর, বীজের পেটেন্ট, ডিজিটাল কৃষি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ – এসবের বিরুদ্ধে শুল্ক কোনও ঢাল নয়। এর জন্য দরকার শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, প্রতিযোগিতা আইন এবং কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ।
৭. উপসংহার: কৌশলগত স্বার্থরক্ষা বনাম ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি রপ্তানি বৃদ্ধির আগ্রহ এবং বহুজাতিক কৃষি ব্যবসার বিশ্বব্যাপী বিস্তার একটি অত্যন্ত বাস্তব ঘটনা। ভারত তাদের জন্য একটি বিশাল বাজার। ভারতের কৃষি মূল্য শৃঙ্খলে তাদের কর্পোরেট নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর একটি স্বাভাবিক বাণিজ্যিক আগ্রহ রয়েছে। উচ্চ শুল্ক সেই আগ্রহকে বাধাগ্রস্ত করে।
শুল্ক বৃদ্ধি, শুধুমাত্র প্রতিহত করার জন্য নয়। এটি ভারতের সামগ্রিক রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতা, খাদ্য নিরাপত্তার চিন্তা এবং কৃষকদের (এবং ভোটারদের) দাবির একটি বহিঃপ্রকাশ।
কৃষকের সার্বভৌমত্ব ও আয় নিশ্চিত করাতে শুল্ক বৃদ্ধি একটি প্রতিরক্ষামূলক ও অপর্যাপ্ত হাতিয়ার মাত্র। এর পাশাপাশি দেশীয় কৃষি অবকাঠামো, সঞ্চয়স্থান, বিপণন, কৃষি গবেষণা এবং কৃষকদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা জাল শক্তিশালী করা অনেক বেশি জরুরি।
শুল্ক হল ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার ঢাল ভারতের কৃষির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে শুল্ক প্রাচীরের পাশাপাশি নিজস্ব উৎপাদনশীলতা, উদ্ভাবন এবং কৃষক-বান্ধব নীতির উপর, যাতে বহুজাতিক কোম্পানির অংশগ্রহণ হয় নিয়ন্ত্রিত ও দেশীয় স্বার্থের অধীনস্থ।
নাহলে পেছনে .........................