এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নিউ আর এস এস

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ নভেম্বর ২০২৫ | ৩১৩ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • New RSS

    ১. যাঁরা বিশ্বাস করতে ভালোবাসে, ১৯৪৬ এর দাঙ্গা কেবল মুসলিম লিগের গুন্ডারাই করেছিল। 
    (এমন দাঙ্গা করেছিল, ৪৪% মুসলিম কমে ১০% হয়ে গিয়েছিল। এমন তাদের দাপট ছিল!) 

    ২. মুসলমানদের পশমিন্দা মুসলিম আছে। কারণ এলিট মুসলমানরা তাদের উন্নতির জন্য চেষ্টা করেনি। 
    (রাষ্ট্রের কোনও দায়িত্ব নেই! কারণ এলিটদের তো লাখ লাখ কোটি টাকা। তারাই কর তোলে। কর দেয় না।) 

    ৩. বিজেপি তৃণমূলের মতোই একটা দল। বিজেপি এলেও যা তৃণমূল থাকলেও তা। 
    (অন্য রাজ্যে বিরোধীদের ওপর বুলডোজার চালানোর খবর তারা জানেন না। জানলেও মানেন না)। 

    ৪. বিজেপির বিরুদ্ধে বলা মানেই চটিচাটা। 
    নিজস্ব কোনও মত থাকতে কারও পারে না। 
    শুধু তেনাদের আছে। 

    ৫. সংখ্যালঘু তোষণ চলছে রাজ্যে। তাই বিজেপি বাড়ছে।
    (ভারতের বাকি রাজ্যে কেন বাড়ছে, জবাব পাবেন না) 

    ৬. রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বলতে হবে রাতদিন। কারণ এই রাজ্যে বাস করি। 
    (কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বলতে হবে না। কারণ রাজ্যটা দেশের বাইরে।)

    ৭. ইরান বাংলাদেশের মহিলাদের নিয়ে বেশি বেশি করে বলতে ও লিখতে হবে।
    (এখন আফগানিস্তান বাদ। কারণ তারা মিত্র হইয়া গ্যাসে গিয়া)। 
    হাথরস ইত্যাদি নিয়ে না বলাই ভালো। 

    ৮. সংখ্যালঘু আক্রান্ত বা তাদের সমানাধিকার নিয়ে বলা মানে মুসলমান!

    RSS খারাপ New RSS ভয়ঙ্কর
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Anindya Rakshit | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১০:২৮736274
  • স্বপ্ন দেখি, একদিন এরা নিষিদ্ধ দল হিসেবে ঘোষিত হয়েছে ... "আমার কিন্তু স্বপ্ন দখতে আজও ভালো লাগে ..." 
  • দীপ | 2402:3a80:1975:53aa:678:5634:1232:***:*** | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১২:৫০736281
  • প্রত্যক্ষদর্শীর চোখে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ ও অগণিত শরণার্থীর ইতিহাস।
    এই ইতিবৃত্ত আমরা যেন ভুলে না যাই!
    লিখলেন আমেরিকাপ্রবাসী কুলদা রায়।
    --------------------------------------------------------------------

    ফিরে দেখা একাত্তর

    সময়টা জুন মাসের মাঝামাঝি।  সাংবাদিক জন সার গিয়েছেন করিমপুরে। বৈষ্ণব ভক্তিবাদের প্রবক্তা চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্মস্থান পশ্চিম বঙ্গের নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের এই গ্রামটি পাকিস্তান সীমান্ত থেকে মাত্র তিন মাইল দূরে। এখানে রাস্তা দিয়ে সীমান্ত পার হয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ আসছে পূর্ব পাকিস্তান থেকে। পাক হানাদার বাহিনীর বর্বর গণহত্যার শিকার হয়ে এরা হারিয়েছেন এদের স্বজন, গবাদিপশু, ঘরবাড়ি, সহায়সম্পদ। ধারাবাহিক মৃত্যুর তাড়া খেয়ে এইসব ভয়ার্ত মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে জন্য ভারতে ছুটে আসছে। সরাসরি গুলির হাত থেকে ঈশ্বরের দয়ায় এরা বেঁচে এসেছে। কিন্তু নতুন করে পড়েছে নতুন নতুন মৃত্যুর ফাঁদে। এদের পিছনে মৃত্যু। সামনে মৃত্যু। বায়ে মৃত্যু। ডানে মৃত্যু। সর্বত্রই মৃত্যুর ভয়ঙ্কর থাবা এদের তাড়া করে ফিরছে।

    সাংবাদিক জন সার করিমপুরের রাস্তায় দেখতে পেলেন অসীম দৈর্ঘের লম্বা শরণার্থী মানুষের মিছিল। তাদের কারো কারো মুখে রুমাল গোজা। একটা লোকের কাছে তিনি গেলেন। কোনোভাবে রুমালটি মুখ থেকে সরিয়ে লোকটি শুধু বলতে পারলেন, কলেরা। কলেরা। আর কিছু বলার নেই। পিছনে পাক সেনাদের গুলি। আর সঙ্গে কলেরা। সামনে অন্ধকার। কোথায় চলেছে তারা—কেউ জানে না। মৃত্যুকে সঙ্গী করে তবু তারা এগিয়ে চলেছে।

    করিমপুরের মধ্যে দিয়ে যে রাস্তাটি চলে গেছে কোলকাতা বরাবর, তার বামদিকে শরণার্থী শিবির। এখানে আশ্রয় নিয়েছে ১৫০০০ মানুষ। এই শরণার্থী শিবিরে কলেরা নির্মমভাবে হানা দিয়েছে। ৭০০ জন ইতিমধ্যে মারা গিয়েছে। বাকীরা শিবির ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু পালাবে কোথায়? কলেরাও তাদের সঙ্গে চলেছে। খোলা জায়গায় পড়ে আছে মরা মানুষ।

    জন সার দেখতে পাচ্ছেন-- ঝাঁকে ঝাঁকে শকুন নেমে এসেছে। তীক্ষ্ণ ঠোঁট দিয়ে ছিড়ে খুড়ে খাচ্ছে মরা মানুষের দেহ। তাদের চোখ চক চক করছে। কিন্তু মৃত মানুষের সংখ্যা এত বেশী যে শকুনের খেয়ে শেষ করতে পারছে না। শকুনদেরও খাওয়ায় অরুচি এসে গেছে। মরা মানুষের গা থেকে ছিঁড়ে খুঁড়ে ফেলেছে জামা কাপড়। তাদের অনেকের তখনো গা গরম। সবেমাত্র মরেছে। পথে ঘাটে নালা নর্দমায়—সর্বত্রই কলেরায় মরা মানুষ পড়ে আছে। জন সার দেখতে পেয়েছেন একটি শিশুর মৃতদেহ। শিশুটির গায়ে একটি শাড়ির অংশ পেঁচানো। তাঁর হতভাগী মা পেঁচিয়ে পুটুলি বানিয়েছে। ট্রাকের চলার সময় অসুস্থ শিশুটি মারা গেছে। চলন্ত ট্রাক থামেনি। মৃত ছেলের জন্য ট্রাক থামানো কোনো মানেই হয় না। আরও অনেক মৃতপ্রায় মানুষ এই ট্রাকেই ধুঁকছে। আগে পৌঁছাতে পারলে হয়তো কোনো হাসপাতাল পাওয়া যেতে পারে। তাদের সুযোগ মিলতে পারে চিকিৎসার। বেঁচেও যেতে পারে। এই আশায় সময় নষ্ট করতে কেউ চায় না। শিশুটির পুঁটুলি করা মৃতদেহটিকে ট্রাক থেকে রাস্তার পাশে ধান ক্ষেতে ছুড়ে ফেলা দেওয়া হয়েছে।

    একটি ওয়ান ডেকার বাসের ছবি তুলেছে জন সারের সঙ্গী ফটোগ্রাফার মার্ক গডফেরি। বাসটির হাতল ধরে ঝুলছে কয়েকজন হতভাগ্য লোক। আর ছাঁদে বসে আছে--সব মিলিয়ে জনা সত্তর জন। কেউ কেউ বমি করছে। কারো কারো মুখে রুমাল চাপা। কেউ কেউ রুমালের অভাবে হাতচাপা দিয়েছে। ছাঁদের মানুষের বমি জানালা দিয়ে বাসের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। আর বাসের মধ্যের বমি জানালা দিয়ে বাইরে ছিটকে পড়ছে। পথে। ঘাটে। মাঠে। খালে। জলাশয়ে। হাটন্ত মানুষের গায়ে। বমির সঙ্গে জীবনবিনাশী কলেরার জীবাণু। এইসব হতভাগ্য মানুষের চোখ গর্তের মধ্যে ঢোকানো। আর তার মধ্যে জ্বল জ্বল আতঙ্ক। বাসভর্তি করে কলেরা চলেছে। বাইরে পড়ে আছে একটি মৃতদেহ।

    ‘এই সব মানুষ এত বেশী সংখ্যায় মরেছে যে আমরা গুনতে পারিনি। গোনা সম্ভব নয়।‘ একজন স্বেচ্ছাসেবক সাংবাদিক জন সারকে বলছেন, এরা জানে না তারা কোথায় যাচ্ছে। তারা চলছে তো চলছেই। তীব্র রোদে হাঁটতে হাঁটতে তারা ক্লান্ত—অবসন্ন। তৃষ্ণার্ত হয়ে পথের পাশ থেকে আঁজলা ভরে কলেরাদুষ্ট পানি পান করছে। তারা এত দুর্বল হয়ে পড়ছে যে, আক্রান্ত হওয়ার পর একদিনও টিকতে পারছে না। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছে।
  • দীপ | 2401:4900:743c:45a5:3bfe:a3fb:9740:***:*** | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:৫০736284
  • শ্রদ্ধেয় রমেশচন্দ্র মজুমদার তাঁর বাংলাদেশের ইতিহাস (চতুর্থ খণ্ড) গ্রন্থে কলকাতা দাঙ্গা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। রমেশচন্দ্রের আলোচনা অত্যন্ত তথ্যনিষ্ঠ ও প্রামাণ্য। 

    কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা মৌলানা আজাদ স্পষ্টভাবে সুরাবর্দীর অপদার্থতা ও নিষ্ক্রিয়তাকে এই দাঙ্গার জন্য দায়ী করেন। তাঁর মতে সুরাবর্দীর মদতে পুলিশপ্রশাসন ও মিলিটারিকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়।

    স্টেটসম্যান পত্রিকাও অনুরূপ মন্তব্য করে।

    তদানীন্তন উচ্চপদস্থ পুলিশ অফিসার পঞ্চানন ঘোষালের স্মৃতিচারণা এর অন্যতম তথ্যনিষ্ঠ বিবরণ। তাঁর লেখা থেকে পুলিশপ্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার সুযোগে উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে মারামারির বর্ণনা পাওয়া যায়। 

    রমেশ মজুমদারের লেখা থেকে জানা যায় ১৬ তারিখ মুসলিম লীগের গুণ্ডারা প্রশাসনের সক্রিয় মদতে একতরফা দাঙ্গাহাঙ্গামা করতে থাকে। কিন্তু ১৭ তারিখ থেকে অবস্থা পরিবর্তিত হয়। হিন্দুরাও একজোট হয়ে পাল্টা মার দিতে থাকে। ফলে নিরীহ মুসলিমরাও আক্রান্ত হতে থাকেন। ১৮ তারিখ দুইপক্ষের দাঙ্গাহাঙ্গামায় অবস্থা আরো গুরুতর হয়ে ওঠে। অবশেষে ব্রিটিশ অফিসারদের চাপে ১৮ তারিখ সন্ধ্যায় সুরাবর্দী মিলিটারি নামিয়ে অবস্থা সামাল দিতে চেষ্টা করেন। ১৯ শে আগস্ট, সকাল থেকে অবস্থা মোটামুটি স্বাভাবিক হতে শুরু করে। যদিও উভয় সম্প্রদায়ের চোরাগোপ্তা আক্রমণ আরো দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে।

    ততোক্ষণে কম করেও ৪-৬ হাজার মানুষ মৃত, অসংখ্য আহত, একের পর এক বাড়ি লুণ্ঠিত।
  • Mridha | 2601:803:8081:5e50:bdc6:d173:e6c6:***:*** | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:১১736286
  • হিন্দু কুশপুত্তলিকা

    আমাদের ভারতীয় আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য,  যা মানুষকে সর্বপ্রথম  উদার হবার শিক্ষা দেয় , চেতনার বিকাশ তো অনেক পরের ধাপ, তার সম্বদ্ধে এক ভয়ানক ধারণা  সৃষ্টি  এবং প্রচার করা হয় - কিছু উদভ্রান্ত অপরিণাম দর্শী মানুষের অতিসক্রিয়তায়  যাদের না আছে নিজের সংস্কৃতি শেখা বা জানার ইচ্ছা বা প্রয়াস না আধ্যাত্বিক চর্চার অন্তরের তাগিদ।  এখানে  ইচ্ছে করেই হিন্দু ধৰ্ম লিখলাম না, হিন্দু  Identity তো আমাদের সংস্কৃতিকে  বিদেশ থেকে দেগে দেওয়া পরিচয়, এখন আর মেনস্ট্রিমের   অজানা নয় যে  আজ আমরা যেমন পাশ্চত্য সংস্কৃতি কে ওয়েস্টার্ন কালচার বলি সেই রকম সিন্ধু নদীর এই দিকের সংস্কৃতি কে পারসিয়ান আর তাদের থেকে শুনে রোমানরা হিন্দ বলত কারণ ওদের স উচ্চারনের ব্যবহার কম ছিল। 

    সেদিক থেকে দেখতে গেলে যেই উদ্দেশ্য নিয়ে কমুনিজমকে ইমপ্লান্ট করা হয়েছে ভারতের  মাটিতে  তা অনেক অংশেই সফল।  ব্রিটিশ কারাগারে অল্পবয়সি বন্দীদের এই সব পুস্তিকা এগিয়ে দেওয়া হত তারা যেই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে জীবন পন করতে বসেছিল তাকে কাউন্টার করতে । সেদিনের আঠার বছর বয়েসের ভাবাবেগের উর্বর মস্তিষ্ককে ব্যবহার করে যেই বীজ বসানো হয়েছে একশ  বছর আগে তার প্রভাব আমাদের জীবনের প্রান্তভাগেও , এত জীবন দেখার পরেও রয়ে গেছে। 

    আমার তো মনে হয় এর থেকেও বড় কন্সপিরেন্সি হচ্ছে যে ভাবে হিন্দু নামে একটা স্ট্র ম্যান ( কাকতাড়ুয়া ) সর্বজনিত ভাবে মনে যে ভাবে  গেঁথে দেওয়া হয়েছে।  তার চরিত্রায়ন এই রকম করা হয়েছে যে -  মনুস্মৃতি হচ্ছে তার ম্যানুয়াল, সে হচ্ছে সতীপ্রথার সমর্থক ,  সমাজের বড় অংশকে  শূদ্র নাম দিয়ে তাদের শোষণ করে এসেছে যুগ যুগ ধরে , মেয়েদেরকেও  শোষণ করে চলে ধর্মের নামে , সমস্ত রকম সাম্যের পরিপন্থী , কু সংস্কারগ্রস্থ , ব্যাকডেটেড, পিতৃতান্ত্রিক ভাবনা আর রগচটা পৌরুষই সম্বল একটা ক্রিয়েচার।  তার পারে আমাদের নামের সঙ্গে ধৰ্ম লিখতে হয়েছে হিন্দু।  এরপর তাকে নিজের শিকড়ের  বিরুদ্ধগামী করতে আর কিছু কি করতে হয়।  

    অথচ সত্য হচ্ছে হিন্দু নামটাও কেউ একটা দেগে দিয়েছে তাদের নিজেদের ভাবধারার ভিন্নতা প্রকাশ করার প্রয়োজনে। 
    রামমোহন আর সতীদাহ নিয়ে বাঙালী শিক্ষিত মানসিকতায় যে ন্যারেটিভে গেঁথে দেওয়া হয়েছে , তা খুবই ধংসাত্মক, আমি একটা আলোচনাতে এটা লিখেছিলাম - তুই কী চাস , আমাদের পরবর্তী প্রজন্মও নিজেদের শিকড় সম্পর্কে এই ধারণাই পোষণ করুক ? রাম কী করেছিল আমার জানা নাই , রামমোহন কী করেছিল তা বইতে পড়েছি।  কিন্তু নিজের বংশের ইতিহাসে বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে মাতৃসম করে আগলে রাখার আর অসময়ে পারলগকগত ভাইয়ের সন্তানদের নিজ সন্তানের সমান মনে করে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত চলার দৃষ্টান্ত আমাদের পরিবারের বেশ কয়েকটি  আছে , কিছু রামমোহনের আগেরও ......আমি নিশ্চিন্ত সব বাঙালী পরিবারের মধ্যেও আছে "......সেটাই আমাদের গর্বের ইতিহাস.....আমাদের ভারতের ইতিহাস

    এবার আসি ভারতীয় সমাজের জাতিভেদের প্রসঙ্গে , দূর্বলকে সামাজিক অত্যাচারের বাইরে আসার প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে তার বিশ্বাস জাগ্রত করা সে দূর্বল নয়।  তাহলে তার জন্য বাইরে থেকে কাউকে ন্যয় করে দিতে হবে না , সে নিজেই  তার জীবন তৈরী  করে নিতে পারবে , ভারতীয় আধ্যাত্বিকতা সেই শিক্ষাই দেয় , তুমি পাপী তাপী দুর্বল নয়........তুমি অমৃতের পুত্র , তোমার মধ্যেই অসীম শক্তি সুপ্ত তাকে জাগ্রত করার বিভিন্ন পথ, প্রকৃতি অনুযায়ী চিনে নেবার দিক দেখানোই  সনাতন ধৰ্ম। সে তো শূদ্র আর ব্রাহ্মণ সম্বন্ধে  এই কথা বলে যে :

    जन्मना जायते शूद्रः संस्कारात् द्विज उच्यते।
    शापानुग्रहसामर्थ्यं तथा क्रोधः प्रसन्नता ।|

    তাহলে কী করে জাতিভেদ ভারতীয় সংস্কৃতিতে  বংশানুক্রমে শোষণ করার একটা সামাজিক ব্যবস্থা হতে পারে ?
  • dc | 2401:4900:7b98:7342:c9b2:e4ff:8154:***:*** | ২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৮:২৭736290
  • দেখেছো, দীপচাড্ডি একা সামলাতে পারছে না। আইটি সেল থেকে আরও গৌমাতা পাঠানো হয়েছে।  
  • দীপ | 2402:3a80:1971:17fa:578:5634:1232:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:০১736899
  • “গানের অনুষ্ঠানে হেনস্থারর শিকার গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তী! পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের একটি স্কুলের অনুষ্ঠানে ঝামেলা। অভিযোগ, ‘জাগো মা’, গানে আপত্তি তোলেন আয়োজকরা। দাবি করেন গাইতে হবে ‘ধর্মনিরপেক্ষ গান’ (!!!)। তা থেকেই ঝামেলার সূত্রপাত। থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন গায়িকা।

    জানা গিয়েছে, শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর সাউথ পয়েন্ট পাবলিক স্কুলে গানের অনুষ্ঠান ছিল লগ্নজিতার। সেই অনুষ্ঠানে কয়েকটি গান গাওয়ার পর, ‘জাগো মা’ গানটি গাওয়া শুরু করেন গায়িকা। অভিযোগ, আপত্তি জানান স্কুলের অন্যতম মালিক মেহবুব মল্লিক। তাঁর দাবি, ধর্মনিরপেক্ষ গান গাইতে হবে। অভিযোগ, সেই সময় মেহবুব স্টেজে উঠে গায়িকাকে মারধর করতে যান। এরপরই গায়িকার পক্ষ থেকে ভগবানপুর থানায় একটি অভিযোগ জানানো হয়েছে।

    অনুষ্ঠানের আয়োজক স্বার্থক ভট্টাচার্য বলেন, “লগ্নজিতা চক্রবর্তী ৬-৭টি গান গাওয়ার পরে দেবী চৌধুরানী সিনেমার ‘জাগো মা’ গানটি গাইছিলেন। সেই সময় ভগবানপুরের সাউথ পয়েন্ট পাবলিক স্কুলের মালিক মেহেবুব মল্লিক মঞ্চে উঠে শিল্পীকে মারধর করতে যান। তাঁর দাবি, সেকুলার গান হোক। এসব গান চলবে না। ভরা মঞ্চে হেনস্তা করা হয় শিল্পীকে। থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করে ওকে গ্রেপ্তার করুক।”

    ভগবানপুর থানার ওসি শাহেনশাহ হক বলেন, “স্কুলের একটি অনুষ্ঠান ছিল। সেই সময় একটা ঝামেলা হয়েছে। অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।” পূর্ব মেদিনীপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মিতুনকুমার দে বলেন, “একটা অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। স্থানীয় থানার ওসি ও অন্যান্য আধিকারিকদের কোনও গাফিলতি আছে কিনা, তা দেখতে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। গায়িকার সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হয়েছে।”

    -সংবাদসূত্র
  • Mridha | 2601:803:8081:5e50:ecea:834f:e37f:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৭:২৮736909
  • সুতোর টাইটেলটা বদলে গেছে  হঠাৎ , এই ধরনের সুতোয় বাকবিতণ্ডায় যাবার মত সময় ঈশ্বর আমাকে দেয় নি , পরিবার কর্তব্য পালনেই  আমি ক্লান্ত , দেশ জাতি উদ্ধারের সময় সুযোগ নেই , ইচ্ছে থাকলেও। একটু লেখা অভ্যাস , সেটা করতেই কখন সখনো আসি ,  এই রকম একটাতে আমার নাম দেখে আশ্চর্য হলাম।  ভেবে ছিলাম ইগনোর করব , ভাবলাম উত্তরটা রেখে প্রস্থান করাটা সমীচীন মনে হল। 
     
    মূল বিষয়ে আসার আগে একটু ভনিতা করে নেই , এখানে ইচ্ছে করেই দ্বন্দ শব্দ ব্যবহার করলাম না , টানা পোড়েন শব্দের উৎস বাংলার 'তন্তু বয়ন' বা 'তাঁত বোনা' । তাঁত হল কাপড় বোনার একটি যন্ত্র যাতে সূতা কুণ্ডলী আকারে টানটান করে ঢুকিয়ে দেওয়া থাকে। লম্বালম্বি সুতো গুলিকে টানা এবং আড়াআড়ি সুতোগুলিকে পোড়েন বলা হয়। বস্ত্রের অস্তিত্বের জন্য দুটোই সমান প্রয়োজনীয় ।

    আমার মনে হয়, ভগবান বা ঈশ্বর একটা অনুভূতি ( experience ) , ভগবান বিশ্বাসের বুনিয়াদ শুধু  ধর্মপথে চললে আমার পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো হবে , বা মরলে স্বর্গে যাবো তার জন্য শুধু  নয় বা উত্তরিকার সূত্রে পাওয়া তাই সবসময় তাকে আদর করতে হবে সেই জন্য ও  নয় , এই সবের বাইরে এক  ঐশ্বরিক উপলব্ধির জন্যও। There  is difference between understand and realize, if you understand something next influence can change it but if you realize something , you will back it even if the entire world goes against it. Religious experience কখনো কখনো  মানুষের জীবনের এক  নতুন দিক খুলে দেয়।  সেই জন্যই যে কোন ধৰ্ম দৰ্শিত পথ বা কারো কথা মেনে মানুষ যখন সেখানে মুহূর্তের জন্যও  পৌঁছতে পারে, তখন তার বলা সমস্ত বাক্যই সত্য মনে করে কারণ আগে কখনো অন্য  কোন কিছু  সেই উপলব্ধির দিকে তার দৃষ্টি আকর্ষিত করতে পারে নি। সেই জন্যই আমরা আপাতঃ ভাবে ধৰ্ম বা ধর্মগুরুদের এত অন্ধ ভক্ত দেখতে পাই।  ।  সে ওশো , ইস্কন থেকে আজকের রাম -রাহিম , নিত্যানন্দ এইরকম অনেকেই  ধরা যেতে পারে  , ইচ্ছে করে অন্য ধর্মের নাম নিলাম  না। কিন্তু সব প্রচলিত ধর্মের মধ্যেই এর  উদাহরণ আছে। বাইরে থেকে আমরা কেবলই আশ্চার্য হয়ে যাই মানুষ কি করে এই রকম অন্ধ , মূর্খ বা গর্দভ হয়ে যায় , আর নানা রকম যুক্তি সাজাতে থাকি। 

    যুক্তিবাদী আর বিশ্বাসবাদী  বিতর্কের অসুবিধাটা এই খানেই। যুক্তিবাদীরা ঐ অনুভূতি recognize না করেই বিশ্বাসের অসত্য আর ভণ্ডামো তাড়ানোর সৎ প্রচেষ্টা করে। বিশ্বাসীরা যুক্তির পথে বার বার নাস্তনাবুদ হয় , আবার নিজের উপলব্ধি যা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের অনেক পসিটিভ দিক খুলে দিয়েছে তাকে অস্বীকারও করতে পারে না, আর  তার থেকে তৈরী হয়  আক্রোশ । এখানেই ভারতীয় অধ্যাত্বিকতা প্রাসঙ্গিক , সে বলে - যত মত তত পথ। 
    বিশ্বে খুব কম প্রচলিত ভাবধারাই  আছে যে নিজের বিশ্বাসে অটল থেকে বলতে পারে যে আমার বিশ্বাস যেমন ঠিক সব জীব জগতের সবার  বিশ্বাসও ঠিক , না বাজারের প্রচারিত  সেকুলার বা atheist মতবাদও নয় ,সব ধর্মের অসারতা প্রচার করতে করতে আমরা নিজের অজান্তে ধৰ্ম না মানার ও একটা ধৰ্ম আর তার থেকে প্রসূত আরেকটা দল বানিয়ে ফেলি। ইচ্ছে করে নাস্তিকঃ বললাম না।

    In Indian spiritualism Nastik never considered as sinner how many other places we  do,  in the contrary Nastik has its own place of honor in Indian spiritualism. Nastik philosophy is not truly western atheisms , in atheist school of thought one will go against anything in name of god, but Nastik philosophy one try to justify what people are celebrating as God, He cannot be there! That’s of course true because very few can comprehend god or divinity at every single moment of one’s life, and its not possible to express true nature of God by literature or any other mean, so quite possible our personal god, can be a distorted form of god…so advocating and prescribing it for everybody cannot be acceptable…… so what true Nastik tries to express, is also a kind of seeking…so should have a place of respect in this spirituality. I intentionally did not use the word Hinduism, because this terminology saw the sunlight only after and by other religions to classify their identity. (  হিন্দু  Identity আমার  মনে হয় বিদেশ থেকে দেগে দেওয়া পরিচয়, এখন আর মেনস্ট্রিমে  অজানা নয় যে  আজ আমরা যেমন পাশ্চত্য সংস্কৃতি কে ওয়েস্টার্ন কালচার বলি সেই রকম সিন্ধু নদীর এই দিকের সংস্কৃতি কে পারসিয়ান আর তাদের থেকে শুনে রোমানরা হিন্দ বলত কারণ ওদের স উচ্চারনের ব্যবহার কম ছিল  )

    এখানেই ভারতীয় অধ্যাত্বিকতার উৎকর্ষতা , where highest value has been given in seeking or self realization not practicing or adopting or preaching or converting.....যেটা অন্য ধর্মের মানুষকে টেনে  নিজের ভাবনার ( ধর্ম বা পন্থা ) দল বৃদ্ধি করতে উৎসাহিত করে না ……..বা  আমার রাস্তা আমার জন্য ঠিক তোমার রাস্তা তোমার জন্য বলে বিতর্ক থামিয়ে দেয়  না..…...পরন্তু যুক্তি দিয়ে বোঝাতে পারে তুমি তোমার বিশ্বাস বা অবিশ্বাস আর প্রকৃতি নিয়ে চলে যেই লক্ষে পৌঁছবে...আমারও  পথের অন্তিম লক্ষ্য  সেই একই।  যদি তোমার পথের ও সত্যিকারের লক্ষ্য তাকে বোঝা বা জানা অন্যথায় নিজেকে জানা ই হয়..অন্য কিছু নয়……...আমাদের পথের শেষ ও অভিন্ন। "তু না জানে আস পাস হ্যাঁয় খুদা " আর "আছো অনিল আনলে চির নভ নীল " এ ভাষায় ভিন্নতা আছে ভাবে নেই। সেই আধারেই বিবেকানন্দ বলতে পেরেছিলেন মানুষ সত্য থেকে সত্য তর্ তে যায় , অসত্য থেকে সত্যে নয়। 
     
     
  • dc | 2401:4900:7b95:cf5b:697c:cf21:3baa:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:২২736911
  • "যুক্তিবাদী আর বিশ্বাসবাদী  বিতর্কের অসুবিধাটা এই খানেই। যুক্তিবাদীরা ঐ অনুভূতি recognize না করেই বিশ্বাসের অসত্য আর ভণ্ডামো তাড়ানোর সৎ প্রচেষ্টা করে।"
     
    এটা বোধায় পুরোপুরি ঠিক হলো না। আমি নিজে একজন যুক্তিবাদী আর নাস্তিক, তাই আমি যুক্তিবাদীদের হয়ে বলতে পারি :-) আমি যেটা বুঝেছি, অবশ্যই আমার বোঝা ভুল হতে পারে, সেটা হলো, যুক্তিবাদীরা ইন্ডিভিজুয়ালের বিশ্বাস বা অনুভুতি  অস্বীকার করেন না, তার কারন যুক্তিবাদীরা কোন একজন ব্যাক্তির বিশ্বাসকে খুব একটা গুরুত্ব দেননা। যুক্তিবাদ বা বিজ্ঞান বা সায়েন্টিফিক মেথড এর একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রপার্টি হলো পিয়ার রিভিউ প্রসেস। অর্থাত আমরা কোন একটা ফেনমেনন অবসার্ভ করলাম, তারপর সেটাকে ব্যাখ্যা করার জন্য হাইপোথিসিস তৈরি করলাম (যে হাইপোথিসিস এর উত্তর হ্যাঁ অথবা না দুইই হতে পারে), তারপর অনেকে মিলে অনেকভাবে সেই হাইপোথিসিস টেস্ট করলো, তারপর যদি সেই হাইপোথিসিসকে নেগেট করা না গেল তো সেটাকে থিওরি হিসেবে গ্রহণ করা হলো। তবে থিওরি হিসেবে গ্রহণ করার পরেও সাধারনত প্রসেসটা থেমে থাকে না, নিরন্তর সেটা নিয়ে নতুনভাবে পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া হয়। অর্থাত বিশ্বাসবাদ আর যুক্তিবাদের একটা বড়ো পার্থক্য, আমার মতে, ব্যাক্তি বনাম সমষ্টির। বিশ্বাসবাদীদের কাছে একজন মানুষের বিশ্বাসই বড়ো, কিন্তু যুক্তিবাদীর কাছে পুরো প্রসেস, আর একটা জেনারাল কনসেনসাস, বড়ো। 
     
    এই প্রসঙ্গে কার্ল সাগানের কনট্যাক্ট গল্পটার কথা উল্লেখ করতে পারি। সাগান নিজে যুক্তিবাদী ও এথেইস্ট ছিলেন, কিন্তু এই গল্পটায় বিশ্বাসবাদীদের আর যুক্তিবাদীদের দ্বন্দটা খুব সুন্দর ভাবে দেখিয়েছিলেন, কোন দলকেই পরিহাস না করে। গল্পটার একটু অংশ কোট করলাম। প্রথম বাক্যটা একজন বিশ্বাসবাদীর, পরের প্যারাটা তার বন্ধু একজন যুক্তিবাদীরঃ 
     
     "I want to know about your myths, your religions. What fills you with awe? Or are those who make the numinous unable to feel it?"
    "You make the numinous also. No, I know what you're asking. Certainly we feel it. You recognize that some of this is hard for me to communicate to you. But I'll give you an example of what you're asking for. I don't say this is it exactly, but it'll give you a flavor of our numinons. It concerns pi, the ratio of the circumference of a circle to its diameter. You know it well, of course, and you also know you can never come to the end of pi. There's no creature in the universe, no matter how smart, who could calculate pi to the last digit--because there is no last digit, only an infinite number of digits. Your mathematicians have made an effort to calculate it out to... none of you seem to know.. Let's say the ten-billionth place. You won't be surprised to hear that other mathematicians have gone further. Well, eventually--let's say it's in the ten-to-the-twentieth-power place--something happens. The randomly varying digits disappear, and for an unbelievably long time there's nothing but ones and zeros."
  • সত্যেন্দু সান্যাল | 2401:4900:88ab:e38f:6ad8:d6c2:2f58:***:*** | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:২০736959
  • নিউ আর এস এস এর স্যাঙাত হিসেবে বাংলাদেশের তৌহিদি জনতার সুশাসন ও স্মর্ত্তব্য
     
    হটপস://ওওও।ইউটুবে.কম/ওয়াচ?ভি=ঝপবে২৫থগু 
     
  • সত্যেন্দু সান্যাল | 2401:4900:88ab:e38f:6ad8:d6c2:2f58:***:*** | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:৩১736966
  • This is the youtube link, which got garbled
     
     
     
     
     
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন