সুতোর টাইটেলটা বদলে গেছে হঠাৎ , এই ধরনের সুতোয় বাকবিতণ্ডায় যাবার মত সময় ঈশ্বর আমাকে দেয় নি , পরিবার কর্তব্য পালনেই আমি ক্লান্ত , দেশ জাতি উদ্ধারের সময় সুযোগ নেই , ইচ্ছে থাকলেও। একটু লেখা অভ্যাস , সেটা করতেই কখন সখনো আসি , এই রকম একটাতে আমার নাম দেখে আশ্চর্য হলাম। ভেবে ছিলাম ইগনোর করব , ভাবলাম উত্তরটা রেখে প্রস্থান করাটা সমীচীন মনে হল।
মূল বিষয়ে আসার আগে একটু ভনিতা করে নেই , এখানে ইচ্ছে করেই দ্বন্দ শব্দ ব্যবহার করলাম না , টানা পোড়েন শব্দের উৎস বাংলার 'তন্তু বয়ন' বা 'তাঁত বোনা' । তাঁত হল কাপড় বোনার একটি যন্ত্র যাতে সূতা কুণ্ডলী আকারে টানটান করে ঢুকিয়ে দেওয়া থাকে। লম্বালম্বি সুতো গুলিকে টানা এবং আড়াআড়ি সুতোগুলিকে পোড়েন বলা হয়। বস্ত্রের অস্তিত্বের জন্য দুটোই সমান প্রয়োজনীয় ।
আমার মনে হয়, ভগবান বা ঈশ্বর একটা অনুভূতি ( experience ) , ভগবান বিশ্বাসের বুনিয়াদ শুধু ধর্মপথে চললে আমার পরীক্ষার রেজাল্ট ভালো হবে , বা মরলে স্বর্গে যাবো তার জন্য শুধু নয় বা উত্তরিকার সূত্রে পাওয়া তাই সবসময় তাকে আদর করতে হবে সেই জন্য ও নয় , এই সবের বাইরে এক ঐশ্বরিক উপলব্ধির জন্যও। There is difference between understand and realize, if you understand something next influence can change it but if you realize something , you will back it even if the entire world goes against it. Religious experience কখনো কখনো মানুষের জীবনের এক নতুন দিক খুলে দেয়। সেই জন্যই যে কোন ধৰ্ম দৰ্শিত পথ বা কারো কথা মেনে মানুষ যখন সেখানে মুহূর্তের জন্যও পৌঁছতে পারে, তখন তার বলা সমস্ত বাক্যই সত্য মনে করে কারণ আগে কখনো অন্য কোন কিছু সেই উপলব্ধির দিকে তার দৃষ্টি আকর্ষিত করতে পারে নি। সেই জন্যই আমরা আপাতঃ ভাবে ধৰ্ম বা ধর্মগুরুদের এত অন্ধ ভক্ত দেখতে পাই। । সে ওশো , ইস্কন থেকে আজকের রাম -রাহিম , নিত্যানন্দ এইরকম অনেকেই ধরা যেতে পারে , ইচ্ছে করে অন্য ধর্মের নাম নিলাম না। কিন্তু সব প্রচলিত ধর্মের মধ্যেই এর উদাহরণ আছে। বাইরে থেকে আমরা কেবলই আশ্চার্য হয়ে যাই মানুষ কি করে এই রকম অন্ধ , মূর্খ বা গর্দভ হয়ে যায় , আর নানা রকম যুক্তি সাজাতে থাকি।
যুক্তিবাদী আর বিশ্বাসবাদী বিতর্কের অসুবিধাটা এই খানেই। যুক্তিবাদীরা ঐ অনুভূতি recognize না করেই বিশ্বাসের অসত্য আর ভণ্ডামো তাড়ানোর সৎ প্রচেষ্টা করে। বিশ্বাসীরা যুক্তির পথে বার বার নাস্তনাবুদ হয় , আবার নিজের উপলব্ধি যা তাদের ব্যক্তিগত জীবনের অনেক পসিটিভ দিক খুলে দিয়েছে তাকে অস্বীকারও করতে পারে না, আর তার থেকে তৈরী হয় আক্রোশ । এখানেই ভারতীয় অধ্যাত্বিকতা প্রাসঙ্গিক , সে বলে - যত মত তত পথ।
বিশ্বে খুব কম প্রচলিত ভাবধারাই আছে যে নিজের বিশ্বাসে অটল থেকে বলতে পারে যে আমার বিশ্বাস যেমন ঠিক সব জীব জগতের সবার বিশ্বাসও ঠিক , না বাজারের প্রচারিত সেকুলার বা atheist মতবাদও নয় ,সব ধর্মের অসারতা প্রচার করতে করতে আমরা নিজের অজান্তে ধৰ্ম না মানার ও একটা ধৰ্ম আর তার থেকে প্রসূত আরেকটা দল বানিয়ে ফেলি। ইচ্ছে করে নাস্তিকঃ বললাম না।
In Indian spiritualism Nastik never considered as sinner how many other places we do, in the contrary Nastik has its own place of honor in Indian spiritualism. Nastik philosophy is not truly western atheisms , in atheist school of thought one will go against anything in name of god, but Nastik philosophy one try to justify what people are celebrating as God, He cannot be there! That’s of course true because very few can comprehend god or divinity at every single moment of one’s life, and its not possible to express true nature of God by literature or any other mean, so quite possible our personal god, can be a distorted form of god…so advocating and prescribing it for everybody cannot be acceptable…… so what true Nastik tries to express, is also a kind of seeking…so should have a place of respect in this spirituality. I intentionally did not use the word Hinduism, because this terminology saw the sunlight only after and by other religions to classify their identity. ( হিন্দু Identity আমার মনে হয় বিদেশ থেকে দেগে দেওয়া পরিচয়, এখন আর মেনস্ট্রিমে অজানা নয় যে আজ আমরা যেমন পাশ্চত্য সংস্কৃতি কে ওয়েস্টার্ন কালচার বলি সেই রকম সিন্ধু নদীর এই দিকের সংস্কৃতি কে পারসিয়ান আর তাদের থেকে শুনে রোমানরা হিন্দ বলত কারণ ওদের স উচ্চারনের ব্যবহার কম ছিল )
এখানেই ভারতীয় অধ্যাত্বিকতার উৎকর্ষতা , where highest value has been given in seeking or self realization not practicing or adopting or preaching or converting.....যেটা অন্য ধর্মের মানুষকে টেনে নিজের ভাবনার ( ধর্ম বা পন্থা ) দল বৃদ্ধি করতে উৎসাহিত করে না ……..বা আমার রাস্তা আমার জন্য ঠিক তোমার রাস্তা তোমার জন্য বলে বিতর্ক থামিয়ে দেয় না..…...পরন্তু যুক্তি দিয়ে বোঝাতে পারে তুমি তোমার বিশ্বাস বা অবিশ্বাস আর প্রকৃতি নিয়ে চলে যেই লক্ষে পৌঁছবে...আমারও পথের অন্তিম লক্ষ্য সেই একই। যদি তোমার পথের ও সত্যিকারের লক্ষ্য তাকে বোঝা বা জানা অন্যথায় নিজেকে জানা ই হয়..অন্য কিছু নয়……...আমাদের পথের শেষ ও অভিন্ন। "তু না জানে আস পাস হ্যাঁয় খুদা " আর "আছো অনিল আনলে চির নভ নীল " এ ভাষায় ভিন্নতা আছে ভাবে নেই। সেই আধারেই বিবেকানন্দ বলতে পেরেছিলেন মানুষ সত্য থেকে সত্য তর্ তে যায় , অসত্য থেকে সত্যে নয়।