এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  ভ্রমণ  ঘুমক্কড়

  • পায়ের তলায় সর্ষে: লংডং

    Shuchismita
    ভ্রমণ | ঘুমক্কড় | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ | ৪০০ বার পঠিত
  • লন্ডনে গিয়ে একটা নাটক, বা ব্যালে, বা একটা কনসার্ট শুনবো এমন একটা ইচ্ছে মনে দানা বাঁধছিল। খুবই কম দিনের জন্য যাওয়া। তার মধ্যে বেশি কিছু সম্ভবও নয়। উপরন্তু যাওয়ার সপ্তা তিনেক আগে একটি পারিবারিক বিপর্যয়ে যাওয়াই অনিশ্চিত হয়ে গেল। শেষ পর্যন্ত যাওয়া হল। কিন্তু অন্যত্র যাওয়ার আগে যেমন পড়াশোনা করে খোঁজখবর নিয়ে যাই তার কিছুই হয়ে ওঠেনি এবার। তবু শেষ পর্যন্ত যখন প্লেনে চেপে বসলাম তখন আবার ফিরে এল শো দেখার তীব্র আকাঙ্খা। 

    আমাদের লন্ডন যাওয়া আঁচ করে ফেসবুক নিয়মিত বিজ্ঞাপন দেখিয়ে যাচ্ছিল। ম্যাথিউ বোর্নের সোয়ান লেকের ট্রেলার এভাবেই দেখে ফেললাম। সোয়ান লেক আগে দেখেছি আস্তানায় থাকার সময়। আস্তানা অপেরার প্রোডাকশন ছিল। শিল্পীরা অনেকেই রাশিয়া থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত। খুবই ভালো লেগেছিল। ম্যাথিউ বোর্নের কাজটা সেই ধ্রুপদী পরিবেশনার চেয়ে বেশ কিছুটা আলাদা। সাদা চোখে প্রথম তফাৎ হিসেবে যা চোখে পড়ে তা হল সোয়ানের ভূমিকায় ছেলেরা নেচেছে। বস্তুত ট্রেলারে ছেলে সোয়ানদের নাচ এবং তাদের পোষাক পরিকল্পনা দেখেই আমি ঠিক করি যেভাবে হোক এই কাজটা দেখতে হবেই। পালকের ধুতি পরা উন্মুক্ত উর্ধাঙ্গের ছেলেরা খালি পায়ে ব্যালে নাচছে। রাজহাঁসের গরিমা, ঔদ্ধত্য এবং লালিত্যের এমন আশ্চর্য প্রকাশ আমি আগের সোয়ান লেকে দেখিনি। 

    দেখতে তো চাই, কিন্তু টিকিট পাই কোথায়! প্লেনে ওঠার দিন দেখেছিলাম আমরা যে সময়টায় থাকবো সেই গোটা সপ্তাহ জুড়ে একটা মাত্র দিনেই দুটো টিকিট পড়ে আছে। রানীর টাকায় তার দাম ১৬৮। সাহস করে টিকিট কাটতে পারিনি। লন্ডনে পৌঁছে ভাবলাম যদি এখন দেখতে না পাই, সারা জীবনে আর সুযোগ আসবে না। ম্যাথিউ বোর্নের এই প্রোডাকশন তৈরী হয়েছে ১৯৯৫ সালে। লন্ডনে টানা চলেছে। ঘুরেছে পৃথিবীর অনেক দেশেই। কিন্তু আমি থাকি আমেরিকার গ্রামে। সেখানে সুযোগ কোথায়! বেশি টাকা দিয়েই টিকিট কাটবো মনস্থ করে দেখি শেষ টিকিটও ফুরিয়ে গেছে। অগত্যা ঠিক করলাম শোয়ের দিন থিয়েটারে চলে গিয়ে হত্যে দেব। বলব যে বহু দূর থেকে এসেছি, দেখার সুযোগ করে দিন। এসব ভাবলাম বটে, কিন্তু মোটেই আশা করিনি যে এই ভাবনা সত্যি হবে। কনফারেন্স ভেনুর খুব কাছেই একটি থিয়েটারে সোয়ান লেকের টিকিট বিক্রি করে। কিন্তু শো-টা হয় আরেকটু দূরে অন্য একটা থিয়েটারে। আমরা কাছের থিয়েটারটিতেই শো শুরুর এক ঘন্টা আগে গেলাম। তারা আশা দিলে দূরের থিয়েটারে যাবো। কিন্তু এখন ইন্টারনেট জমানায় টিকিট কাউন্টার খোলে শো শুরুর মোটে আধঘন্টা আগে। রইলাম দাঁড়িয়ে। আধঘন্টা আগেও দেখি টিকিট কাউন্টার আর খোলেনা। ওদিকে অন্য থিয়েটারটা যেতে হাঁটা পথে আধঘন্টা লাগে। আর লন্ডনের ট্রাফিকে বাসে যেতেও মোটামুটি একই সময় ধরে রাখতে হবে। দারোয়ানের কাছে কেঁদে পড়লাম। সে গিয়ে টিকিট কাউন্টারে বলল। জানা গেল ১৫ পাউন্ডে দাঁড়িয়ে দেখার টিকিট পাওয়া যায়। আমরা তাতে রাজি। কিন্তু সময়ে পৌঁছতে পারবো কিনা সন্দেহ। শো শুরু হয়ে গেলে ন্যায্য কারণেই হলে ঢুকতে দেবে না। এই সপ্তাহেই ডেভিড টেনান্টের ম্যাকবেথে এই নিয়ে গোলমালের খবর পড়েছি। ইন্টারভ্যালের পরে একজন দর্শক ঢুকতে দেরি করেছে। দরজা তো ততক্ষণে বন্ধ। কিন্তু সে লোক নাকি অনেক চেঁচামেচি শুরু করেছিল। এসব কান্ডে নাটক বন্ধ ছিল খানিকক্ষণ। আমরা তো কোনোমতেই শো-তে বিঘ্ন ঘটানোর কথা ভাবতেও পারবো না। তাই দ্বিধায় পড়েছিলাম টিকিট কাটবো কিনা। মিঠুন জোর করে কেটে নিল। আমি ডাকলাম উবের। শো শুরুর সাত মিনিট আগে পৌঁছলাম। যেখানে দাঁড়াতে বলল সেই জায়গাটা ভারী পছন্দ হল। স্টেজের ডানপাশের দেওয়াল ঘেঁষা ব্যালকনি। সেখান থেকে প্রতিটি নৃত্যশিল্পীর পায়ের কাজ, মুখের অভিব্যক্তি চমৎকার দেখা যায়। অর্কেস্ট্রায় যাঁরা বাজাচ্ছেন তাঁদেরও দেখা যায়। আমার নজর অবশ্য স্টেজ থেকে নড়েনি। মিঠুন বাজনা দেখতে ভালোবাসে। ওর জন্য খুবই ভালো ছিল জায়গাটা। আমরা বসে দেখলে এত ভালো সিট পেতাম না।

    পরের দুঘন্টা যে কিভাবে কেটে গেল জানিনা। আমি যে দাঁড়িয়ে আছি দুঘন্টা, পায়ে ব্যথা করছে - এসব কোনো বোধ ছিলই না। লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স একেই বলা উচিত। পূর্ণ সূর্যগ্রহণ দেখার মত, মেরুজ্যোতি দেখার মত, প্রথমবার তুতানখামুনের মুখোস দেখার মত এক অনুভূতি। একটা চমকপ্রদ শো দেখতে যাচ্ছি, যেখানে ছেলেরা রাজহাঁসের ভূমিকায় নাচবে - এটুকু জানা ছিল। যা দেখলাম তা এই চমকটুকুর অনেক ঊর্ধ্বে। একাকীত্ব, ইডিপাস কমপ্লেক্স, এলোমেলো জীবন নিয়ে বিধ্বস্ত এক উদ্দেশ্যহীন রাজপুত্রের কাছে অন্য এক জগৎ থেকে রাজহাঁসেরা উড়ে এল। দ্বিতীয় অঙ্কের শুরুতে চাইকোভস্কির সেই অনবদ্য সুর - যা চলতি কথায় সোয়ান থিম নামে পরিচিত - সেই সুরটার সময় পূর্ণ চাঁদ আর লেকের পটভূমিতে প্রধান রাজহাঁস স্বপ্নের মত স্টেজের বামদিক থেকে ডানদিক থেকে ভেসে যায়। আমার রবীন্দ্রনাথ মনে পড়ে - "হে একা সখা, হে প্রিয়তম, রয়েছে খোলা দুয়ার মম, সমুখ দিয়ে স্বপনসম যেও না মোরে হেলায় ফেলে"। 

    শো যখন শেষ হয়, হাততালিতে হল ফেটে পড়ে। আমি এতটাই আচ্ছন্ন, হাততালি দেওয়ার শক্তিটুকুও ছিলনা তখন। ঘোরের মধ্যে আমি আর মিঠুন বেরিয়ে এলাম। লন্ডনে এসে শ্রেষ্ঠ সঞ্চয় এটাই। সেদিনের স্ট্যান্ডিং টিকিটে উৎসাহ পেয়ে আরেকদিনও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লা মিজারেবল দেখেছি। আরেকদিন শুনেছি লন্ডন ফিলহারমোনিকের ক্রিসমাস ক্যারল। স্ট্যান্ডিং টিকিট যে সত্যিই পাওয়া যায় এমনটা জানা থাকলে হয়ত ডেভিড টেনান্টের ম্যাকবেথটাও চেষ্টা করে দেখা যেত। কিন্তু ততদিনে ম্যাকবেথের শেষ শো হয়ে গেছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • hu | 72.24.***.*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:৫৪744327
  • আজকাল গুরুতে ছবি দিতে হলে কি করতে হচ্ছে?
  • hu | 72.24.***.*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:৫৭744328
  • hu | 72.24.***.*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:০১744329
  • hu | 72.24.***.*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০১:০৫744330
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০২:৩০744331
  • অসাধারণ অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে।
     
    দাঁড়িয়ে দেখার ব‍্যবস্থার কথা আগে শুনিনি। ভাগ‍্যিস ছিল/আছে।
  • kk | 172.58.***.*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৩:০৬744332
  • হু,
    আমার স্বভাবের অনেক মাইল বিপরীতে গিয়ে তোমাদের খুব খুব হিংসে করলাম।
  • hu | 72.24.***.*** | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ০৮:১৩744333
  • আমার বাবার কাছে শুনেছি শম্ভু মিত্রের নাটক দেখেছেন দাঁড়িয়ে। ব্রিটেনে এই ব্যবস্থা আছে আমারও জানা ছিল না। ডেভিড টেনান্টের পেজে দেখেছিলাম যে ম্যকবেথের কিছু কম দামের টিকিট রিলিজ হয় শোয়ের দিন। কিন্তু সেগুলো যে সত্যি করেই পাওয়া সম্ভব এ বিশ্বাস ছিল ন। 
     
    কেকে, হিংসে একটুও নিলাম না। কোনো দিন দেখা হয়ে যাবে নিশ্চয়ই। 
  • | ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৯:০৫744336
  • দারুণ ব্যপার হুচি। yes
  • aranya | 2601:84:4600:5410:49ef:2329:a175:***:*** | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ০০:৩৬744338
  • বাঃ 
  • . | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৬:০১744339
  • অপূর্ব অভিজ্ঞতা। 
    ভালো ব‍্যালে দেখতে হলে মস্কোর বালশোয় থিয়েটারে একবার ঢুঁ মারার অনুরোধ করি। আর ভালো শেক্সপিয়র এর নাটকের জন‍্য যেমন লন্ডনে গ্লোব থিয়েটার তেমনি স্ট‍্যাডফোর্ট আপন এভন শহরেও প্রচুর থিয়েটার আছে,  ওটা শেক্সপিয়র শহর বলা হয়, ওখানে এতরকমের শেক্সপিয়র নাটক এত নব নব ভার্শানে অভিনীত হয় যে বলে বোঝানো শক্ত। দাঁড়িয়ে দেখবার অপশন সবখানে নাও থাকতে পারে, তবে প্ল‍্যান করে গেলে আগেই অনলাইনে টিকিট কেটে রাখা ভালো। যে সমস্ত প্লে সেরকম কমন নয়, সেসবও ওখানে নিয়মিত অভিনীত হয়। থিয়েটার লাভার্সদের জন‍্য (ইংল‍্যান্ডে) এই দুটো শহর হচ্ছে খনি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন