এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • প্রাইভেট ইস্কুলের খরচ ও শিক্ষার সামগ্রিক মানের তুলনামূলক আলচনা

    একক
    অন্যান্য | ১১ মার্চ ২০২০ | ২২৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • একক | 14.***.*** | ১১ মার্চ ২০২০ ১২:৩০729923
  • এই কাগজের কাটিঙ্গ টা নেটে ঘুরচে। কতোটা নিখুঁত জানি না।

    এবার প্রশ্ন হল, লোকের মাইনে বেড়েচে, সব জিনিসের দাম বেড়েচে, পাল্লা দিয়ে শিক্ষার খরচ বেড়েচে, এ নতুন যুক্তি না; কিন্তু

    শিক্ষাদানের মান কি এই দামি ইস্কুল গুলোতে আশানুরুপ? টাকা দিয়েও কি স্টান্ডর্ড আউট্পুট পাওয়া যাচ্চে?

    শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী রা কি উচিতমত বেশি মাইনে পাচ্চেন নাকি, এসি - প্রোজেক্টর এসোবে পয়্সা বেরিয়ে যাচ্চে?

    আলোচনা হোক।
  • pi | 172.69.***.*** | ১১ মার্চ ২০২০ ১৯:০৬729924
  • খরচ তো খুব বেশিই কিন্তি হিসেবগুলো মনে হয় ভুলভাল আছে। এই যেমন এটা পড়লাম,
    "La Martiniere for Boys এ আমার ছেলে পড়ে।দু লাখ সাতচল্লিশ হাজার টাকা প্রতি বছর দিতে হলে,ওখানে পড়ানোর সামর্থ্য আমার ছিলোনা। কেন যে এমন মিথ্যে কথা এই কাগজগুলো লেখে বুঝতে পারিনা।বার্ষিক লেখার মানে কি? মানে প্রতি বছর এত টাকা লাগে।আমার ছেলে Lower Nursery থেকে একই স্কুলে পড়ছে।এই বছর ISC পরীক্ষা দিচ্ছে।2019---2020 শিক্ষাবর্ষে স্কুলে সর্বমোট দিতে হয়েছে Rs 87,000/.
    আর একটা কথা ICSE র পর ClassXI এ ভর্তি হতে স্কুলের ছেলেদের admission fees বলে কিছু দিতে হয়না।
    কি উদ্দেশ্যে এমন মিথ্যে লেখা হয় কে জানে?"
  • pi | 172.69.***.*** | ১১ মার্চ ২০২০ ১৯:০৭729925
  • দিল্লির মডেল নিয়ে কেউ বিস্তারিত লিখলে ভাল হত।
  • একক | 14.***.*** | ১১ মার্চ ২০২০ ২৩:০৭729926
  • তারমানে কাগজে ভুলভাল রিপোর্টিঙ্গ করেচে।

    এক্চুআল খরচ গুলো কেমন?
  • PaniWala Pokemon | ১১ মার্চ ২০২৫ ১৩:২৫744526
  • স্কুলগুলো এত টাকা নেবে তারপরেও বাড়িতে বাচ্চাদের পড়তে হবে কেন? স্কুল যদি টিউশন ফি নেবে তাহলে একটা বাচ্চাকে বাড়িতে কেন পড়াতে হবে? তাহলে টিউশন ফি দেওয়ার মানে কী? 
  • স্বাতী রায় | ১১ মার্চ ২০২৫ ১৬:৩৮744527
  • আমার দুই সন্তান এর একজন ক্লাস ওয়ান থেকে আরেক জন নার্সারি ওয়ান থেকে হেরিটেজ এ পড়েছে। ২০২২-২৩  এ যেমন একজনের বার্ষিক খরচ ছিল আড়াই লাখ। কিন্তু এই আড়াই লাখের একটা বিশদ বিবরণ দেওয়া দরকার। এর মধ্যে স্কুলে দিনে তিনবার খাওয়া, বই খাতা স্টেশনারি, স্কুল বাসের ফি থেকে যাবতীয় সকল ফি included। ওরা ভোরবেলা স্কুলে যেত, ক্লাস টেন অবধি বিকেলে ফিরত। বাড়িতে খেত বলতে শুধু ডিনার আর সকালবেলা দুটি বিস্কুট নিয়ে ছুটতে ছুটতে গিয়ে স্কুল বাসে উঠত। আর বাকি সব নিউট্রিশন এর চাহিদা স্কুলে মিটত। আমাকে কোন দিন মাথা ঘামাতে হয়নি। আমাদের দায়িত্ব ছিল খালি ইউনিফর্ম কিনে দেওয়া আর রোজ এক বোতল জল দিয়ে দেওয়া ( সেও বাঙালি বাবা মার অভ্যাস বলে ) । বাড়ির সামনে থেকে বাসে উঠত, সামনে এসে নামত। আর সারাবছর কোন রকম কোন খরচ আমাদের ছিল না, এক্সকারসন এ গেলে সেই পয়সা ছাড়া। আজ স্কুলে এই লাগবে, কাল ওই লাগবে - এই সব কিচ্ছু ভাবতে হয়নি। বাচ্চাদের পিছনে এর বাইরের খরচ প্রায় ছিল ই না। 
     
    একজনের বেলায় ক্লাস ইলেভেনের আগে কোন টিউশন লাগেনি। ইলেভেন এও বোর্ডের জন্য লাগেনি, লেগেছে কম্পিটিটিভ পরীক্ষার জন্য। অন্যজনের বেলায় ইলেভেন টুয়েলভে র  কম্পিটিটিভ পরীক্ষার কোচিং ছাড়া টেন থেকে টুয়েলভ ইংলিশ এর টিউশন লেগেছে, সেটাও  মূলত আমরা নিজে রা তখন দিনে চৌদ্দ ঘন্টা অফিস করি বলে, আর শেক্সপীয়ার আমার অন্তত কোথাও আটকালে এক্সপ্লেইন করার ক্ষমতা ছিল না বলে। তবে বড় জনের বেলায় তো ক্লাস ফাইভ অবধি স্কুলেই বই খাতা থাকত, বাড়িতে কিছু আনতই না। ছোট জন একটা দুটো বই আনত বটে, কিন্তু আমাকে পড়া নিয়ে মাথা ঘামাতে হয়নি একটুও। 
     
    এছাড়া কি কি পেয়েছে স্কুল থেকে? ছোট বেলা থেকে স্কুলে মার্শাল আর্ট শিখেছে, সুইমিং শিখেছে, নাচ গান শিখেছে, আর অজস্র বিষয়ে এক্সপোজার পেয়েছে - তার মধ্যে পটারি থেকে আর্চারি, রাইফেল শুটিং কী নেই।  বিভিন্ন বিষয়ের ক্লাব পেয়েছে, বন্ধুরা মিলে প্রাণের আনন্দে অজস্র এক্সট্রা করিকুলার একটিভিটি তে মেতে থেকেছে। স্কুল থেকে অজস্র জায়গায় গিয়েছে, বিভিন্ন ইভেন্টে পার্টিসিপেট করতে, কতদিন পুরো স্কুলে থেকেছে সেটাই আমার কাছে ধাঁধা, আর কী যে করেনি সেও প্রশ্ন, যাকে বলে হেসে খেলে মজা করে শৈশব কৈশোর কাটিয়েছে। আর তারপরেও পড়াশোনাটা মোটের উপর শিখেছে।
     
    আর অভিভাবক হিসেবে আমার ভীষন ভাল লেগেছে যখন দেখেছি স্কুল কিন্তু সময়ের কাজ সময়ে করতে শিখিয়েছে, জেন্ডার নিয়ে কিছু উল্টোপাল্টা সিগন্যাল এলেও  ( যেমন মেয়েরা ছোট স্কার্ট পরবে না) সেগুলো নিয়ে প্রশ্ন করার জায়গাও দিয়েছে, ছেলেদের ও বাচ্চা বয়সে ট্যাবু ভেঙে নাচ শিখিয়েছে, প্রচুর সুযোগ দিয়েছে লিডারশিপ স্কিল তৈরির,  ছোট্ট থেকে দল বেঁধে এগোতে শিখিয়েছে, কাউকে তোমার দ্বারা হবে না বলে নাকচ করে দেয়নি, খুব ছোট্ট কিছু ভাল কাজ করলেও সেটা নজর এড়ায় নি, এক কথায় খুব পজিটিভ আর কেয়ারিং  এনভায়রনমেন্ট পেয়েছে। আর প্রচুর স্বাধীনতা পেয়েছে। যুক্তি দিয়ে তর্ক করার পরিবেশ পেয়েছে।  ছোট্ট ছোট্ট ক্লাসে সব সময় টিচার রা পার্সোনাল অ্যাটেনশন দিয়েছেন । যে কোন দরকারে টিচার রা ফোন করেছেন, কাউনসেল করেছেন, আমরাও তাদের ওপেনলি প্রশ্ন করতে পেরেছি। আমি খুবই কৃতজ্ঞ ওদের কাছে। 
     
    একটা ইনস্টিটিউটের সব তো সোনা বাঁধান ঝকঝকে হয় না,  আর purely academically বিচার করলে হয়ত এই স্কুল অসাধারণ নয়,  কিন্তু সব মিলিয়ে আমি অন্তত অভিভাবক হিসেবে খুব ই সন্তুষ্ট।  প্রথম ভর্তি করার সময় আমি শুধু বিশাল বিশাল খেলার মাঠ দেখে ভর্তি করেছিলাম। কারণ চেয়েছিলাম বাচ্চারা খেলে ধুলে হাত পা ছড়িয়ে বড় হোক। প্রথম জন যে স্কুলে নার্সারিতে ভর্তি হয়েছিল তাতে কোন খেলার মাঠ ছিল না, আর এক এক সেকশনে  ৮০ জন বাচ্চা ছিল। সেটা আমার অসহনীয় লেগেছিল। স্রেফ সে কারণে জেদ করে সবার মতের বিরুদ্ধে গিয়ে বড় জনের স্কুল পাল্টে ছিলাম। তখনও হেরিটেজ থেকে একটাও ব্যাচ ক্লাস টেন দেয়নি। তখন ও আমার ধারণা ছিল পড়াশোনা তো বাড়ির এফোর্টেই করতে হবে। এই স্কুল সেই ধারণা কিছুটা হলেও বদলেছে। সব কিছু এত টা ভাল মানের পাব সেটা আমার এক্সপেক্টেশন এর বাইরে ছিল। 
     
    ফিজ নিয়ে চোখ কপালে ওঠাই স্বাভাবিক, আমারও উঠেছিল। আমি দশ টাকা দিয়ে স্কুলে পড়া পাবলিক। কাজেই প্রথমে খুব হিসেব করেছিলাম।  কিন্তু ওভার অল যা পেয়েছি, আমার আর কিছু চাওয়ার নেই। আমি খুব খুশি যে এই স্কুল কে সিলেক্ট করেছিলাম। আমার সন্তানরা জিনিয়াস ছিল না, হয় ও  নি, কিন্তু একটা মোটামুটি ভাল শৈশব কৈশোর পেয়েছে এটা আমি আমার  নিজের ছোটবেলার সঙ্গে তুলনা করে বুঝি। 
  • r2h | 208.127.***.*** | ১১ মার্চ ২০২৫ ১৯:২৩744528
  • স্বাতী রায়ের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার গল্প ভালো লাগলো।

    বড় মাঠ, নানান অ্যাক্টিভিটি, সারা দিনের সুষম খাদ্য - একটা স্কুলের জন্য এগুলি স্বপ্ন - আমাদের দেশে প্রাথমিক বা মাধ্যমিক শিক্ষায় যা বাজেট, তাতে সরকারি স্কুলে এগুলি সর্বত্র কোনভাবেই সম্ভব না, কিন্তু বাজেট বাড়ানো সম্ভব না, তা আমি মনে করি না; অন্যদিকে, হুজুর সরকার মাই বাপ, কারখানা বানানোর জন্য জমি অধিগ্রহণ হয়, স্কুল কলেজের জন্য কেন হতে পারে না -সেটা আমি জানি না, পলিসিমেকাররা নিশ্চয় জানেন। বা, সরকারি স্কুলে সরাসরি সরকারি খাদ্য ভাণ্ডার থেকে চাল ডাল তেল নুন ডিম মাছ মাংস আসবে না কেন - ইত্যাদি।

    ততদিন, এই রকম সুযোগ সুবিধে পেলে অভিভাবকরা চাইবেনই এসব জায়গায় যেতে। আজ থেকে তিরিশ বছর আগে এসব ছিল না, মোটামুটি ভালো পড়াশুনো লাইব্রেরি ল্যাব শিক্ষক শিক্ষিকা থাকলে সেটাকেই সব থেকে ভালো মনে হত। এখন সেসব থাকলেও তার ওপর ফজলিতর আছে।
    সুতরাং তিরিশ বছর আগের মানে ফিরে গেলেও সরকারি স্কুলগুলি ধুঁকবে বলেই মনে হয়, অন্তত যেসব জায়গায় সুযোগ আছে; অন্য কিছু করতে চাইলে আজকের মানে করা ছাড়া উপায় নেই।
  • স্বাতী রায় | ১১ মার্চ ২০২৫ ২৩:৩১744529
  • @r2h আমার নিজের যেটা মনে হয় বাজেট যেমন একটা সমস্যা, তেমনি অভিভাবক কি চাইছেন আর স্কুলের কর্তৃপক্ষ কি চাইছে সেগুলোও নির্ধারণ করে একটা স্কুলের পরিবেশ কি হবে। উভয় পক্ষের গতানুগতিকতার বাইরে বেরোতে না চাওয়া ও সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ কে খুব গণ্ডিতে আটকে ফেলে। 
    যাই হোক আমি একটা তথ্য ভুল দিয়েছিলাম, আমার বড় টি ইংলিশের সঙ্গে অংকের ও টিউশনি নিয়েছে - যেহেতু এখানে টিউশন ফি এর এফেকটিভনেস কে একটা তুলনার প্যারামিটার ধরা হয়েছে, তাই সে বাবদে আগের তথ্য ভুল বার্তা দিচ্ছিল তাই সংশোধন করলাম। 
  • &/ | 151.14.***.*** | ১১ মার্চ ২০২৫ ২৩:৪৩744530
  • বাহ, এ তো খুব ভালো স্কুল! রাজীব গান্ধীর ছেলেপুলেরা এমন স্কুলেই তো পড়ত!!!!
  • . | ১২ মার্চ ২০২৫ ০৩:৩২744532
  • ডুন স্কুলের ফিজ অনেক বেশি। মুসৌরীর স্কুলের ফিজ সম্ভবত আরও বেশি। ওসব স্কুলে ভর্তি করাতে গেলে কেবল টাকা ভরলেই হয় না। ওকট্রী বলে একটা ইন্টারন‍্যাশানাল ইস্কুল ছিল এখন উঠে গেছে, বছরে পনেরো হাজার ডলার করে নিতো। 
  • . | ১২ মার্চ ২০২৫ ০৪:২৮744533
  • হেরিটেজ ইস্কুল সম্ভবত ২০০২ এর দিকে শুরু হয়। স্বাতীর অভিজ্ঞতা ভালো জেনে ভালো লাগল। তবে আমার অভিজ্ঞতা অন‍্যরকম। আমাকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল তখন মেয়েকে ঐখানে ভর্তি করানোর জন‍্য। তখন আমি সবে এখানে এসে মোটামুটি থিতু হচ্ছিলাম, পরিবারকে আনার জন‍্য সবরকম ভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম, যেহেতু পরিবারের আর্থিক দিকটার দায়িত্ব পুরোটাই আমার ওপর ন্যস্ত ছিল বরাবর। অতগুলো টাকা দিয়ে ইস্কুলে পড়ালেখা করানোর কোনওরকম মানসিক প্রস্তুতি আমার ছিল না। নিজে বরাবরই অবৈতনিক (ইস্কুল টু ইউনিভার্সিটি) শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে গেছি বলেই আমার অ‍্যালার্জি ছিল এত খরচের প্রতি। কিন্তু এত বেশি চাপ আসছিল ( সম্ভবত এল ডোরাডো য় লিখে দিয়েছি এখন মনে নেই) যে আমি এখানে কাজের চাপে, নতুন পরিবেশে, নতুন ভাষার দুনিয়ায় ঐ ইস্কুলের চিন্তায় দিনকে দিন অশান্তিতে কাটিয়েছি। তখন মেয়ে দোলনা ইস্কুলে পড়ছিল। আমায় নাজেহাল করবার জন‍্য এমন প‍্যাঁচ কষা হলো, যে দোলনা থেকে মেয়েকে প্রায় তাড়িয়েই দিচ্ছিল। তখন বাধ‍্য হয়ে কোনওমতে ছুটি নিয়ে দেশে গেলাম। দোলনার আন্টিমাসির সঙ্গে দেখা করে মেয়েকে ফের ক্লাস করতে দেবার পারমিশন পাই। তারপরেও চাপ এত বেড়ে গেছল যে মেয়েকে নিয়ে এলাম। এখানে অবৈতনিক ইস্কুলে সে পড়াশোনা করতে লাগল। যখন যে শহরে থেকেছি বা এক পাড়া থেকে অন‍্য পাড়ায় গেছি ইস্কুল বদলে গেছে। তবে মেয়ে মানুষের মতো মানুষ হয়েছে না অমানুষ হয়েছে সেটা তো অন‍্য ব‍্যাপার, ইস্কুল এজন‍্য দায়ী হয় না। ঘুরে ফিরে কম বেশি একই রকমের জ্ঞান হয় তা সে যে ইস্কুলেই পড়া হোক না কেন — এই আমি এরকমটা ভাবি। ভুল হতে পারি। যে কারণে বোর্ডের পরীক্ষায় ফার্স্ট সেকেন্ড হওয়া নিয়েও আমার মনোভাব অন‍্য। সেই নিয়ে নাচানাচি করাটাও বোকা বোকা ছেলেমানুষী মনে হয়। আমার মেয়ে দীর্ঘদিন কোনও ইস্কুলে ভর্তি হতে পারেনি নানান সামাজিক কারণে। শিক্ষা জিনিসটা তো অধিকারের মধ্যে পড়ে না, বাধ‍্যবাধকতার মধ‍্যেও না ভারতবর্ষতে। তখন অনেকেই চিন্তা ঢুকিয়ে দিয়েছে মাথায়, তোমার মেয়ের সাত বছর বয়স অথচ ইস্কুলে যায় না? তুমিতো পরে ওকে কোথাও ভর্তি করাতে পারবে না! আমি ওসব গায়ে মাখি নি, মনেও নিই নি। তখন বেঁচেবর্তে থাকাটা অগ্রাধিকার পেয়েছে। অন্ন বস্ত্র বাসস্থান। স্বাস্থ্য তার একটু পরে। শিক্ষা আরও বেশ দূরে। 
    ছসাত বছর অবধি লেখাপড়া না শিখলে যে পুরোপুরি মূর্খ হয় না কেউ, পরে শুরু করলেও ক্ষতি হয় না, তার প্রমাণ পেয়ে গেছি। আমার সাধ এবং সাধ‍্য দুটোই কম ছিল।  তবে কম্পিটিশনের বাজারে বাচ্চাকে ছেড়ে দেবার বিপক্ষে বরাবর থেকেছি। নম্বর পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা মারামারির মধ্যে রাখি নি বাচ্চাকে, দরকার ও হয় নি। ভাগ‍্যক্রমে  এখানে সিস্টেম অন‍্যরকম। ফার্স্ট সেকেন্ড ও নেই। কে টপার, কে লাস্ট, কেউ জানে না, কনসেপ্ট ভিন্ন। অবশ্য এসবের সঙ্গে ভালো একজন মানুষ তৈরি হবার 
    সম্পর্ক থাকে না। আমার ব‍্যক্তিগত ধারণা ইস্কুল সবকিছু শেখাতে পারে না। মানুষ শেখে পরিবেশ থেকে। অনেক অনেক বই পড়ে অনেক নলেজ জমাতে পারে, কিন্তু সেইসব নলেজের কতটা মানুষকে মানুষের মত মানুষ বানাতে পারবে, সেটা আমি জানি না। এখানে কোনও ইস্কুলেই ইউনিফর্ম নেই। যার যেমন খুশি যার যেমন আছে সে তেমনটাই পরে ইস্কুলে যায়। 
     
  • r2h | 165.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ০৭:১৫744534
    • স্বাতী রায় | ১১ মার্চ ২০২৫ ২৩:৩১
    • ......গতানুগতিকতার বাইরে বেরোতে না চাওয়া ও সামগ্রিক শিক্ষার পরিবেশ কে খুব গণ্ডিতে আটকে ফেলে... 
     
    সে তো বটেই। তবে ঐ খোলামেলা, সুশৃঙ্খল পরিবেশ - সাধ্যের মধ্যে হলে ওগুলি বোধহয় সকলেই চাইবেন, কিন্তু এতটাই দুর্লভ, যে ভাবনাতেই আসে না।
    আমাদের পাড়ায় কেন্দুয়া মহেন্দ্রনাথ স্কুল - খারাপ স্কুল কিছু না। বেশ সুন্দর দালান বাড়ি ঝকঝকে, দেওয়ালে ছবি আঁকা, বাইরে বোর্ডে নানান নোটিশ পত্র দেখে বোঝা যায় শিক্ষক শিক্ষিকারা জাগরূক। কিন্তু দালান ঘেঁষা দেওয়াল, সামনে ব্যস্ত রাস্তা, পেছনে মাছ বাজার, তারপরেই নর্দমা। অষ্টপ্রহর গাড়ি ঘোড়া রিক্সার ভেঁপু সে এক বিকট কেওস। যাদের সাধ্য আছে তাঁরা ঐ স্কুলে কেনই বা পাঠাবেন।
    গ্রাম মফস্বলের স্কুলে বরং তাও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটু খোলামেলা, মাঠ টাঠ থাকে।
    কিন্তু সেগুলি একে তো স্কুলে পাঠানোর ক্ষেত্রে প্রাথমিক বিবেচ্য না, আর হলেও ঐ, দুঃসাধ্য।

    তবে সরকারি স্কুল বিমুখতার, স্কুলের খরচের সঙ্গে মান - এইসব বিচার করতে গেলে বোধহয় কাটিঙের স্কুলগুলি ধরে লাভ নেই, এগুলি সবই মোটামুটি নামকরা ভালো স্কুল।
    কৌতূহলের বিষয় হল, অনেক উল্টোপাল্টা জালি স্কুল আছে, যেগুলির লক্ষ্য প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়ারা। সেসব জায়গা খুবই গোলমেলে, কিন্তু দামী স্কুলে পাঠানোর সাধ্য নেই এমন অনেক অভিভাবক সরকারি স্কুলে না পাঠিয়ে ওসব জায়গায় পাঠান। পবতে হয়তো তাও কম, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ - ওসব জায়গার খবর পড়ি মাঝে মাঝে, নিজেও দেখেছি কিছু।
  • স্বাতী রায় | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩৪744536
  • @r2h হয়ত সব সময় সব অভিভাবকের চাওয়া এক রকম হয় না। বস্তুত আমি এক বছর একটা ততটা একাডেমিক রেজাল্ট ভাল না, কিন্তু বিশাল মাঠ ওলা ক্রিশ্চান মিশনারী স্কুলে পড়েছি। তারপর সেখান থেকে ছাড়িয়ে এনে একটা সম্পূর্ণ মাঠ বর্জিত সারদা মিশনের স্কুলে ভর্তি করা হয়। পরে যখন বড় হয়ে জানতে চেয়েছি কেন এই সিদ্ধান্ত, যা বুঝেছি বাচ্চাদের যে খেলা ধুলো লাগে এটা খুব বেশি অভিভাবকদের চিন্তায় ছিল না। বরং আদর্শ ভারতীয় হিন্দু নারী হওয়াটা বেশি ভাবনায় ছিল।  একেক অভিভাবক একেক রকম চান, সকলের ভাবনাও আলাদা, পরিস্থিতিও আলাদা। সব মিলিয়ে যে ব্রড প্যাটার্ন তৈরি হয় তাই দিয়েই মনে হয় সরকার চলে। 
     
    ফার্স্ট জেন লার্নার কে টার্গেট করা যে স্কুল গুলোর কথা শেষে এল, সেইগুলো কলকাতাতেও মাশরুমের মতন আছে। তারা অভিভাবকের আসপিরেশন আর ততটা না বোঝা কে ভাঙিয়ে খাচ্ছে। আর এই  স্কুল গুলোর ব্যবসা বাড়ানোর জন্যই সুচারু ভাবে রটানো হয়েছে এইডেড স্কুলে পড়াশোনা  কিচ্ছু হয় না। অথচ খুব ভাল করে খোঁজ নিলে হয়ত বোঝা যাবে, আমাদের প্রজন্মে হরে দরে যা পড়ানো হত,  হয়ত তার থেকে অনেকটা খারাপ হয়ে গেছে এমন টা নয়। আমার কাজিনরা দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জায়গার গ্রামে গঞ্জে ছোট শহরের বিভিন্ন স্কুলে পড়েছে বলে সেই কানে  শোনা অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি যে তখনও খুব ভয়ানক ভাল কিছু পড়ানো সব জায়গায় তো হত না। আর কিচ্ছু না বুঝিয়ে কোনক্রমে নোটস গিলিয়ে মুখস্থ করিয়ে পাশ করিয়ে দেওয়ার প্রবণতা ছিল বেশ কিছু স্কুলেই। আমাদের সময়েও কলকাতার ভাল স্কুল গুলোর থেকে এই  ধরনের স্কুল গুলোর বিপুল মানসিক দূরত্ব ছিল। সেই তফাৎ কালে দিনে আরো বেড়েছে। 
  • কিন্তু | 2401:4900:775b:a09d:3055:569a:5685:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৬:২৬744537
  • ধুস, উপায় থাকলে কেউ সর্কারি স্কুলে পড়াবে না বা সরকারি হাস্পাতালে যাবে না। গেলে এলিট বাংলা মিডিয়ামে যাবে বা ব্যবস্থা করে সরকারি হাসপাতালে ভাল বেড। এসব নিয়ে আলোচনা করে লাভ আছে ? উপায় নেই, তাই লোকে সরকারিতে যায়। যে এবার মাধ্যমিকে ফার্স্ট হবে সেও কালে কালে সংসারী হয়ে কলকাতায় এলে বেসরকারিতেই যাবে। যারা এলিট বাংলায় পাবে না, আড়াই লাখি স্কুলের পাবে না তারা সাধারণ বেসরকারিতে যাবে। যুক্তি - তক্ক অনেক দেবে। সে তো বামফ্রন্ট আমলে নেতারা তাদের ছেলেদের ইংরেজী মিডিয়ামে পড়ায় কেন বলে দলে তর্ক হত। যারা আবার বেসর্কারিতে যাবে মাইনেটা বেশী লাগলে কোর্টে কেস করবে, এখন যেমন একটা চলছে। সিপিএমের ডিজিটাল লড়াকুরাও ডিপিএসে যাবে, অভিষেক বন্দ্যোর মেয়েও তেমনি কোথাও।
  • r2h | 134.238.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৯:১১744538
    • স্বাতী রায় | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩৪
    • ...সকলের ভাবনাও আলাদা, পরিস্থিতিও আলাদা। সব মিলিয়ে যে ব্রড প্যাটার্ন তৈরি হয় তাই দিয়েই মনে হয় সরকার চলে। ...
     
    সত্যি।
    আর ছোটদের শিক্ষা বিষয়ে, তারা কী করে আনন্দ পাচ্ছে, সেটা বিবেচনার একেবারে শেষে পড়ে থাকে।
     
    • ... এই  স্কুল গুলোর ব্যবসা বাড়ানোর জন্যই সুচারু ভাবে রটানো হয়েছে এইডেড স্কুলে পড়াশোনা  কিচ্ছু হয় না। অথচ খুব ভাল করে খোঁজ নিলে হয়ত বোঝা যাবে, আমাদের প্রজন্মে হরে দরে যা পড়ানো হত,  হয়ত তার থেকে অনেকটা খারাপ হয়ে গেছে এমন টা নয়। ...
     
    একেবারেই, তাই মনে হয়।
    উত্তর ভারতের নানান স্কুলের খবর পড়ি, নয়ডায় থাকতে খোরা বস্তির প্রান্তে দেখতাম অস্বাস্থ্যকর খালের ধারের গলিতে হতশ্রী দালানে অমুক ইংলিশ মিডিয়াম পাবলিক স্কুল, তমুক ইংলিশ মিডিয়াম নার্সারি স্কুল। জানি না সেসব জায়গায় পাড়াশুনো কেমন হত, দিল্লিতে আপ সরকারের সরকারি স্কুলের হাল বদল নিয়ে অনেক কথা হল, ভোটে কোন প্রতিফলন দেখা গেল না, ত্রিপুরাতে বাম সরকার রাজ্য সরকারি স্কুলগুলি নিয়ে খুবই ভালো কাজ করছিল, বিজেপি এসে সব কেন্দ্রীয় অথবা সম্ভবত ক্রমে বেসরকারি করার লক্ষ্যে এমন ঘন্ট পাকিয়েছে যে গ্রামে পাহাড়ে স্কুলছুট ও ফলত শিক্ষার্থীর অভাবে বন্ধ হওয়া স্কুলের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান, কিন্তু তাতে ভোটে অন্তত কোন প্রভাব পড়ে না।
  • কিন্তু | 2401:4900:7083:cdec:817c:b608:8e19:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৯:২৬744539
  • এডেড স্কুলে নিয়ে রটানো 'খেয়ে' ফার্স্ট জেনরা যেখানে সেখানে, সেটা তাদের না বোঝা আর অ্যাসপিরেশন আর আমি আমার ছেলেকে খোলা মাঠ দিলাম আর ঘোড়ার পিঠে চাপালাম, সেটা অভিভাবকের সুচিন্তিত মত। এরকম তো লোকজন মীন করছে মনে হচ্ছে। ধ্বক লাগে এসব লিখতে। দ্বিচারিতাটা বোঝেন, লোকের বোধবুদ্ধিকে সন্দেহ করাটা বোঝেন ?
  • r2h | 134.238.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৯:৪৩744540
  • ওহো দ্বিচারিতা হল বুঝি? কী সর্বনাশ। দ্বিচারিতা, অনতত গুরুর পাতায় খুবই কঠিন পাপ।

    অ্যাসপিরেশন তো সবারই, আর তার সবই যে সবসময় সুচিন্তিত তা না। মধ্যবিত্তের অ্যাস্পিরেশনে বদল ঘটে গিয়ে বাংলা মাধ্যম স্কুল থেকে বিমুখ হওয়া - তার কতটা সুচিন্তিত, কতট বাস্তব, কতটা পার্সেপশন, কতটা ফোমো - সে তো গবেষণার বিষয়।

    তবে প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়াদের ক্ষেত্রে একটা বড় চ্যালেঞ্জ থাকে - তাদের বাড়িতে পড়াবার, পড়া দেখিয়ে দেওয়ার লোক থাকে না, অবিভাব্করা নিজেরা শিক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত না হওয়ায় সেই বিষয়ে জ্ঞান থাকে না। এই জ্ঞানটা স্কুল, শিক্ষাপদ্ধতি নির্বাচ করার ক্ষেত্রে ক্রিটিকেল হতে পারে।
    এটা বাস্তব সমস্যা, এটা অস্বীকার করার মধ্যে পলিটিকেল কারেক্টনেসের বাসনা থাকতে পারে, কিন্তু কোন গৌরব বা বাস্তবতা আছে বলে মনে হয় না।
  • না তো কী | 2401:4900:7089:6652:91c7:e9ed:7c36:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ১৯:৫৬744541
  • নালার ধারের স্কুলে যে পড়াচ্ছে সে হয়ত সেখানেই থাকে, আর নালার ধারে সরকার স্কুল নিয়ে যেতে পারেনি। কলকাতায় সব থেকে বেশী মাইনের স্কুলে যে পড়ায়, যে স্কুলের ইউএসপিঈ হল, বাড়ির লোককে পড়াশোনা নিয়ে ভাবতে হবে না, তার আরো একটু ছোট অপশনও ছিল। সে সেখানে যায়নি কারণ তার পরিবেশ চাই। অথচ প্রথমজন বোকা, আমি বুদ্ধিমান। আমি টাকা দিয়ে নিশিন্তি কিনি না, ওরা ইংরেজীর পেছনে ছোটে। এর থেকে দ্বিচারিতা আর কোথা। এরপর আমার চৌকশ ছেলে অশোকা ইউনি যাবে অথচ আমি ক্রিটিকাল, ওরা চিন্তা না করে ইত্যাদি। আলোচনাটা নিজেদের মধ্যেই রাখা ভাল।
  • r2h | 134.238.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২০:০১744542
  • আচ্ছা আচ্ছা বেশ।
    নিজেদের মধ্যে মানে ব্যক্তিগত, চ্যাট, মেসেজ টাইপ? না, তা আর কী করে হবে। চিনিই না কাউকে। এখানেই হচ্ছে তো।

    প্রথমজনকে বোকা মনে হয় না কেউ বলেছে, আমি তো বলিইনি।
    শিক্ষার্থী মনের আনন্দে পড়াশুনো করবে, স্বাবলম্বী হবে, জীবনে যা করতে চায় মোটামুটি সেরকম দিকে এগুতে পারেবে -এইটুকুই তো। তারপর আর কে বোকা কে চালাক তাতে কীই বা আসে যায়।
  • আহা | 2401:4900:7089:6652:6806:f789:8804:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২০:১৪744543
  • বোকা মানে কী আর সে তেমন বোকা, সেও তো করে খাচ্ছে। ঐ ফার্স্ট জেন বলে তাকে বোকা বানানো হয়।

    কিন্তু আমি চিন্তা করি, কীভাবে পড়ানো উচিত, সরকারের কী করা উচিত, ছেলেমেয়েদের কী চাই সব বুঝি। কিন্তু যে স্কুল এসে বলে আপনাকে কিছু ভাবতে হবে না, সে স্কুলে যাই বা নাম দেখে যাই। কিন্তু সেটা অবশ্যই আমাকে বোকা বানানো নয়।

    আর 'নিজেদের' মানে ঐ আর কী, এখানে আমি - আপনি যারা খুব ভাবিটাবি তাদের কথাই বলা হয়েছে, তারা যা করে সেসব নিয়ে লিখুন, নালার ধার, ফার্স্ট জেন এনে কী হবে। বড়জোর চিন্তাশীল বোকামি।
  • r2h | 134.238.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২০:৪৯744544
  • কী মুশকিল, খালি রাগ করে বাঁকা বাঁকা কথা বললে যে কিছুই বোঝা যায় না।
    আপনার বক্তব্যটা কী? প্রথমত, প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়াদের অভিভাবকরা বুদ্ধিমান? হ্যাঁ, সে তো অবশ্যই। প্রথাগত পড়াশুনো না জেনে, বা সুবিধাবঞ্চিত অবস্থা থেকে, অনেক সময় টিঁকে থাকাই বড় দায় হয়ে পড়ে; তার ওপর ছেলেমেয়েদের স্কুল শিক্ষায় পাঠানো, চিন্তা করে স্কুল নির্বাচন করা - এগুলি অত্যন্ত কঠিন কাজ। বুদ্ধি, বাস্তবতাবোধ, উদ্যম - অনেক কিছু না থাকলে এ হয় না।

    দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা, হালহকিকত প্রথম প্রজন্মের পড়ুয়াদের জন্য সুবিধাজনক ও সহযোগিতামূলক?
    এই জিনিসটা নিয়ে সন্দেহ আছে। তবে এর সপক্ষে আপনার কোন বক্তব্য থাকলে তা জানতে আগ্রহী।

    শিক্ষিত মধ্যবিত্ত- স্কুল বলছে আপনাকে কিছু ভাবতে হবে না - এখানে একটা ক্যাচ আছে। নিম্ন বা উচ্চবিত্ত জানি না, কিন্তু মধ্যবিত্তদের একটা বড় রেঞ্জ, দেখতে না হলেও খোঁজ খবর রাখে, দরকারে নাক গলাতে পারে। আমাদের প্রজন্মের অনেকে ইঁদুর দৌড়ের সংস্কৃতি দেখে নিজেদের পরের প্রজন্মের শিক্ষার অভিজ্ঞতাকে একটু আনন্দময় করতে চান, সাধ্য থাকলে।

    তো, কোন অভিভাবক চালাক আর কে বোকা, এই নিয়ে তো কোন তর্ক নেই। সব মিলিয়ে স্কুল শিক্ষা ব্যবস্থা কতটা সহযোগিতামূলক, সঠিক দিশা নির্বাচন করা কতটা সহজ বা কঠিন, কতটা ইনক্লুসিভ - সেইসব নিয়ে ধন্দ।

    আগে যেমন সরকারী বা অনুদানপ্রাপ্ত বা অবৈতনিক স্কুলগুলি প্রাথমিক বাছাই হওয়াতে সেখানে সমাজের সব অংশের শিক্ষার্থীরা যেত ও একটা পূর্ণ সমাজচিত্র দেখতে পেত, এখন গরীব, মধ্যবিত্ত, বড়লোকের স্কুল আলাদ হয়ে যাওয়াতে সেটা হয় না, আর হয়তো এর একটা বিষবৎ ফল হবে আগামী কয়েক দশকে।

    এই তো।
  • হাসি | 2401:4900:7063:cb9:1038:45fc:26f5:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:১৬744545
  • উপায়, মানে টাকা, ঐটি থাকলে সবই সুবিধেজনক, সহযোগিতামূলক, তাদেরই দাবী, তাদেরই শখ ও ইচ্ছেপূরণ , নাক গলানো। ঐটি না থাকলে সবেতেই অসুবিধে, বাঁচা থেকে মরা , মাঝে পড়াশোনা ও কাজ। ফার্স্ট জেনরা এখানেই ঘা খেয়েছে।

    তো এসব কি নতুন কথা ? সেই জন্যই তো moneyই সভ্যতার honey।

    এ কথা বলার জন্য বিবিধ আলোচনা, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, ঘুরেফিরে ? কার কাজে লাগে ? যারা করছে তারা তো অন্যদিকে গেছে। নিছক অব্জেক্টিভ আলোচনা, সমাজ চিন্তা ?

    কিন্তু সমাজ চিন্তা করে আমি - আপনি করি কী ? যাব তো সেই ডিপিএস বা হেরিটেজ। নাকি দেশের কী হইল, বাংলার কী হইল বলে অশ্রুমোচন ?

    এত সব লেখারই দরকার হত না। কিন্তু এডেড স্কুল নিয়ে সুচারু প্রচার আর হেরিটেজ স্কুল নিয়ে আমি খুব খুশী, এসব পড়ে কুলকুলিয়ে উঠলাম।

    (নাক যারা গলাতে পারে না, তারা আবার টিউশনে দেয়। কিন্তু সে তো আমিও দিই বা স্কুল থেকেই দিয়ে দেয়, সেই জন্য সকাল থেকে সন্ধ্যে স্কুলেই।

    দুই দলের মধ্যে তফাতটা যে কোথায়, সে তো এখনো বুঝলাম না। হ্যাঁ, একদল সুখ কিনছে, ভবিষ্যতও পকেটে বলে ভাবছে, অন্যদল অত শিওর নয়।)
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:১৭744546
  • ধরুন একটা লোক নানা app এর ভাড়া ক্যালকুলেশন করে উবার, যাত্রীসাথী, ওলা, ইনড্রাইভার সব দেখে হলুদ ট্যাক্সি করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল, আর একজন হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে হন্তদন্ত হয়ে সামনে একটা হলুদ ট্যাক্সি যাচ্ছিল, তাতে চড়ে বসল এই দুটোর মধ্যে ফারাক আছে।
     
    দুজনেই ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে পড়াচ্ছে মানে দুজনেই সমান ভাবনা চিন্তা করে সেদিকে ছুটেছে ব্যাপারটা তা নাও হতে পারে। এই মতটা শুনতে পলিটিক্যালি ইনকারেক্ট হলেও এটা বেশ খানিকটা সত্যি। নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। অনেক শ্রমজীবী মানুষ স্কুল নিয়ে পর্যাপ্ত খোঁজ না নিয়েই, ইংলিশ মিডিয়াম তকমা দেখে সন্তানকে পড়তে পাঠিয়ে দেন। সেই সব স্কুলে না আছে ভালো শিক্ষক, না আছে ভালো পড়ার পরিবেশ, না আছে কিচ্ছু। শুধু নিম্নবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মধ্যে ইংলিশ মিডিয়াম এর জন্য তৈরি হওয়া চাহিদাকে এনক্যাশ করার জন্য খোলা। সেখানকার পড়াশোনার মান সরকারি স্কুলের তুলনায় অনেক খারাপ।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:১৯744547
  • এখানে একটা ডিস্কেলেইমার আছে, সরকারি স্কুল বলতে মোটামুটি গড়পড়তা সরকারি স্কুলের কথা বলছি, প্রত্যন্ত গ্রামের দিকে অনেক সরকারি স্কুল আছে, যাদের ন্যূনতম পরিকাঠামোটুকু নেই, তাদের কথা অবশ্যই বলছি না।
  • না তো | 2405:201:802c:7858:6463:74c3:2382:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:২৭744548
  • দুজনের ইং মিডিয়ামে পড়াচ্ছে না। এখন ইং মিডিয়ামের বাবারও বাবার কাছে পড়াচ্ছে, টাকা আছে বলেই পড়াচ্ছে। অন্যজনের উপায় কম বলে ইং মিডিয়ামে ঢুকেছে।

    কেউই সরকারিকে বিশ্বাস করে না। কিন্তু প্রথমজন সরকারকে কী করতে হইবে, সেসব জানে, লেখাপত্তরও করে, যেন তার নাতি - পুতি সরকারের খুব উন্নতি ঘটলে সরকারের স্কুলে ফিরে যাবে। অন্যজন, এসবে bothered ই নয়, যাতে সুবিধে মনে হচ্ছে তাতেই পাঠাবো।
  • ** | 2405:201:802c:7858:6463:74c3:2382:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:৩০744549
  • ** দুজনেই
    ** একজন
  • হে হে | 2405:8100:8000:5ca1::22:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:৪৬744550
  • স্বাতীরায়ের পোস্ট দেখে কারো কারো খুব জ্বলবে  ভেবেছিলাম।  ঠিক জ্বলেছে। ইদিকে এত্ত জ্ঞানমারানির সুমায় গাঁড়ে এট্টুস দম নেই যে নাম না হোক অন্তুত একটা নিক তো নিবি। পরাণে এত্ত ভয় নিয়ে  আংলি কত্তে আসিস। laugh
  • r2h | 134.238.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:৪৮744551
    • হাসি | ১২ মার্চ ২০২৫ ২১:১৬
    • ...টাকা, ঐটি থাকলে সবই সুবিধেজনক, সহযোগিতামূলক...
      তো এসব কি নতুন কথা ? সেই জন্যই তো moneyই সভ্যতার honey।
      এ কথা বলার জন্য বিবিধ আলোচনা, শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য, ঘুরে...
      দুই দলের মধ্যে তফাতটা যে কোথায়, সে তো এখনো বুঝলাম না। ...
     
    হ্যাঁ সে তো বটেই। সেটা হওয়া উচিত না। এবার সেটা সবাই জানে বা পুরনো কথা বলে তা আর বলা যাবে না, এমনটা আমি মনে করি না।

    দুই দলের মধ্যে তফাৎ প্রিভিলেজের।
     
    • ...কার কাজে লাগে ? যারা করছে তারা তো অন্যদিকে গেছে। নিছক অব্জেক্টিভ আলোচনা, সমাজ চিন্তা ?

      কিন্তু সমাজ চিন্তা করে আমি - আপনি করি কী ? যাব তো সেই ডিপিএস বা হেরিটেজ। নাকি দেশের কী হইল, বাংলার কী হইল বলে অশ্রুমোচন ?
     
    আমরা কিছু করছি না। আমাজনের জঙ্গল সাফ হচ্ছে, তার পক্ষে বা বিপক্ষে আমার কোন প্রত্যক্ষ অবদান নেই। তবে তা নিয়ে মতামত আছে। 
    তো কী আর করা যাবে।
     
    এমনকি ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার আমি উপভোক্তাও না। নিজে যখন পড়াশুনো করেছি তখন ছিলাম, সেও বেশ কয়েক দশক আগের কথা। সেসব দিনকাল ব্যবস্থা সবই চুকেবুকে গেছে। তো, কী আর করবো? কিন্তু তাতে মতামত থাকা আটকায় না। এবার হতেই পারে এমন নিস্ফলা মতামত দিয়ে লাভ কী। তাহলে তো ইতিহাসের কোন ঘটনা নিয়েও মতামত থাকা উচিত না, লাভ কী? লাভ কিছু নেই। 
     
    আবার হয়তো আছেও।
    আমারা কী করি, মানুষ কী করে, আপনি কী করেন - এই প্রশ্নটা আমি অন্তত, খুবই মিসলিডিং, পিছিয়ে দেওয়া, প্রতিরোধমূলক বলে মনে করি। এগুলি ব্যক্তিমানুষের কাজ না। ব্যবস্থার কাজ। আমি সচেতন থাকতে পারি, কিন্তু সেই সচেতনতা অনুশীলন করতে গিয়ে সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে পারি না।
    সকলের জন্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করে দেওয়াটা রাষ্ট্রের কাজ। 

    আমার সচেতনতা সেই ব্যাপারটাকে প্রভাবিত করলেও করতে পারে - এমন অতি ক্ষীণ আশা হয়তো থাকে।
  • ঠিকই তো | 2405:201:802c:7858:6463:74c3:2382:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২৩:১৩744552
  • সন্তানের ভবিষ্যত, তাকে এগিয়ে দেওয়া, তার সুযোগ তৈরী ইত্যাদি। কিন্তু প্রথমতঃ, সে তো সবাই ভাবে, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত, ফার্স্ট জেন থেকে নেক্সজেন, নিজেদের উপায় মত। বোধবুদ্ধির তফাত না করাই ভাল। আর দ্বিতীয়, কী হওয়া উচিত সে জেনে সে বস্তু কি কাজে পরিণত করার উপায় নেই , বর্তমান পরিস্থিতিতেই নেই ? নাই থাকতে পারে বা লোকে ভাবছে নেই, দুটোই সরকারিতে অনাস্থা, অথবা নিজের উপায় আছে যখন তখন ওসবে কেন যাব। সব মিলিয়ে ঐ, আলোচনাগুলো হেহে ব্যাপার, টাইমপাস। যারা যত ওঠে তারা রাষ্ট্রর কর্তব্য ইত্যাদি বলে কিন্তু সেসবের সঙ্গে যোগটোগ নেই। যাদের যোগ আছে, তারা অত বলেটলে না, নিজের সুবিধে খোঁজে, গভঃ এর সঙ্গে দেওয়া - নেওয়া করে।
  • r2h | 165.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৫ ২৩:২৮744553
  • বোধবুদ্ধির তফাতের কোন ব্যাপার আদৌ কোথাও কিছু হয়নি। সুযোগ সুবিধাজনিত অভিজ্ঞতার তফাত আছে, সেটা নিতান্ত বাস্তব। ঐ প্রতিবন্ধটাকে অস্বীকার করতে চাওয়াতে, আবারও, পকাকাঙ্খা থাকতে পারে, কিন্তু বাস্তবতা বা গৌরব নেই।

    টাইম্পাস, তা হবে। তবে অনর্থক টাইমপাস নিয়ে এতটা সময় খরচ করলেন, সেটা একটা ভালো ব্যাপারঃ)
    যে যার মত যেমন খুশি থাকুক, সেসব নিয়ে আমরা ভেবে কী করবো, এমন ভাবলে সময়ের সদ্ব্যবহার হয় - তাতে অনেকেই দ্বিমত হবেন না, তা ঠিক!
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন