বিজ্ঞানের খাতা, অবিজ্ঞানের যা-তা : সঞ্চারী গোস্বামী
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি | ০২ জানুয়ারি ২০২৬ | ১১১ বার পঠিত
... একটা বিষয় মনে রাখবেন, এই যে সূর্যের ঘোরার কথা বলা হচ্ছে, এটা কিন্তু পৃথিবী থেকে যেমন দেখা যায়, সেটা, অর্থাৎ সূর্যের এই ঘোরাটা আসলে আপেক্ষিক। আমরা জানি, যে সূর্যের চারপাশে পৃথিবী ঘোরে, তাই আমাদের মনে হয় পৃথিবীর চারপাশে সূর্য ঘুরছে। আর্যভটের হিসাব যেহেতু পুরোটাই অবজারভেশন নির্ভর, তাই সেখানে পৃথিবী সূর্যের চারপাশে ঘোরার সময়কালকে বছর না বলে, সূর্য পৃথিবীর চারপাশে ঘোরার হিসেবেই বছরের হিসেব করা হয়েছিল। এবার পরের অংশগুলোর একটু হিসেব করা যাক – ৪৩ লক্ষ ২০ হাজার দিয়ে এই পৃথিবী যতবার ঘোরে বলা হয়েছে , অর্থাৎ ১৫৮২২৩৭৫০০, সেই সংখ্যাটাকে ভাগ করুন। দেখা যাবে ভাগফল মোটামুটি ওই ৩৬৬.২৫৮৬৮-র কাছাকাছি হচ্ছে (দশমিকের পরের অংশ নিয়ে আপাতত ভাবতে হবে না, ৩৬৬ টা দেখুন)। এই ভাগফলটা মানে কী? এক sidereal year-এ পৃথিবী কতবার পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘোরে, অর্থাৎ নিজের চারপাশে কতবার ঘোরে, সেটা। এই সংখ্যাটা হিসেব করে যা বেরোল, তা আমরা যে এক বছরের কথা জানি তার দিনসংখ্যার থেকে সামান্য আলাদা। কেন? সেটা বুঝতে গেলে sidereal year কে বুঝতে হবে, এ আসলে আমাদের হিসেবের এক বছর নয়। তবে আপাতত sidereal year-এর জটিলতায় যাচ্ছি না, বরং একটু সহজ হবে যা বুঝলে সেটায় যাই।...