যে কথাগুলো আমাদের সামনে বলা হত নাছোটবেলায় একটা জিনিস খুব লক্ষ করতাম—বড়রা আমাদের সামনে সব কথা বলত না।আমরা ভাবতাম, বড়রা বোধহয় এমনিই আস্তে কথা বলে। এখন বুঝি, কথারও বয়স হয়। কিছু কথা শিশুদের বয়সে বলা যায় না, কিছু কথা পাড়ার দেওয়ালের বয়স পেরোলেও বলা যায় না। আর কিছু কথা এমন, যেগুলো বললে পাশের বাড়ির লোক শুনে ফেলতে পারে।সেই সময় পাড়ার দেওয়ালগুলোও যেন কথা বলত। কোথাও সাদা রঙের ওপর কালো অক্ষর, কোথাও লাল রঙে লেখা কিছু শব্দ। আমরা পড়তে পারতাম, কিন্তু সব বুঝতাম না। বড়দের মুখের দিকে তাকিয়ে আন্দাজ করতাম, লেখাগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ।রাজনীতি শব্দটাও তখন আমার কাছে খুব পরিষ্কার ছিল না। ... ...
আমি বেঁটে আর খাটো। মোটের ওপর মোটা মাথা,পেট রোগা অনেকটা হসন্ত-এর মতো ... ...
#ধারা ১ আজকাল কোনও কিছুর নাম না থাকলে আমার বেশ ভালো লাগে। নাম থাকলেই তার একটা পরিচয় হয়, পরিচয় হলেই তার হিসেব হয়, আর হিসেব হলেই মানুষ জানতে চায় — কতটা লাভ, কতটা লোকসান, কার কৃতিত্ব, কার ব্যর্থতা।আমাদের ছোটবেলায় এসব ছিল না। পুজোরও একটা নাম ছিল না। কাকা হেসে বলতেন, “পুজোর আবার নাম কী?” কথাটা তখন বুঝিনি। এখন বুঝি, নাম না থাকলেও কিছু কিছু জিনিস খুব গভীরভাবে থেকে যায়। যেমন গন্ধ। যেমন ভোরবেলার ঠান্ডা জল। যেমন মায়ের শাড়ি দুভাঁজ করে পরা। যেমন বাড়ির উঠোনের স্থলপদ্ম। যেমন দাদাদের হাত ধরে প্যান্ডেলে যাওয়া। আর যেমন একটা উপনগরী — যার নাম বাটানগর।আমি সেই উপনগরীর ... ...