এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সওগাত

    Raktim C. লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৬ নভেম্বর ২০২৬ | ৬৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • আপন মনে নিজের দোকানটায় ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন প্রতাপ বাবু। দোকান না বলে বেশ বড়সড় একটা লাইব্রেরি বলা চলে। বছর পাঁচেক আগে পাশের উঠে যাওয়া গয়নার দোকানটা কিনে নিয়ে পরিধিটা আরেকটু বাড়িয়েছিলেন। জমজমাট মেইন মার্কেটের মধ্যে একটা দৃষ্টান্তমূলক বইয়ের দোকান গড়ে তুলতে পেরেছিলেন তিনি। বাজারে আরও বেশ কয়েকটা বইয়ের দোকান আছে বটে, কিন্তু পাঠ্যবই ছাড়া তারা তেমন কিছু রাখে না।
    "সওগাত" প্রতাপ বাবু শুরু করেছিলেন বছর তিরিশেক আগে। চালের ব্যবসায় বেশ কিছু টাকা কামিয়ে, বড় সাধ করে। এটা শহরের প্রথম দিকের "বুকশপ"। নিজের পড়াশোনা অবশ্য বেশিদূর গড়ায়নি। অভাবের সংসারে ক্লাস এইট পাস করেই কাজে নামতে হয়েছিল। প্রথমে মিষ্টির দোকানের বয়, তারপর একটা চলতি হোটেলের ক্যাশিয়ার। সেখান থেকে ওই হোটেলের মালিকেরই ইন্ধনে চালের ব্যবসায় হাত পাকানো, সঙ্গে সুদের কারবার। কিন্তু পরিশ্রমী, মেধাবী মানুষটার মন পড়ে থাকত বইয়ের জগতে। সেই কবে ছোটবেলায় পাঠাগারে বসে পড়ে ফেলেছিলেন "স্থানীয় সংবাদ", তারপর "দত্তা"। "কড়ি দিয়ে কিনলাম" শুরু করেও শেষ করতে পারেননি। তবু নেশাটা ছাড়েননি। সঙ্গে পেয়েছিলেন দেবীদাসকে, সাধারণ পাঠাগারের অসাধারণ কেরানিকে। অভাবের দিনেও তিনি হাতে হাতে বই জুগিয়ে গেছেন।
    পঁচিশ বছর বয়সে প্রতাপ বাবু বিয়ে করলেন সরমাকে। যোগ্য সঙ্গী বৈকি। দশ বছর দাঁতে দাঁত চেপে দুজনে টাকা কামালেন। সন্তানভাগ্য দেননি ঈশ্বর, তাই ভালোবাসায় ভাগও পড়ল না।
    দশ বছরের মাথায় হাতে যখন কিছু জমল, কথাটা প্রথম পাড়লেন সরমাই। এক শীতের রাতে হ্যারিকেনের আলোয় হিসেবের খাতা মেলাতে মেলাতে মুখ না তুলেই বলেছিলেন, "চালের বস্তা তো অনেক গুনলে, এবার একটু বই গোনো।" প্রতাপ বাবু হেসে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। বই বেচে আবার পেট চলে নাকি! কিন্তু কথাটা মাথা থেকে নামল না। রাতে চোখ বুজলেই দেখতে পেতেন কাঠের তাক, তাতে সার দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে মলাটের পর মলাট। নাকে এসে লাগত নতুন কাগজের সেই গন্ধ, যা চালের গুদামের ধুলোয় কোনোদিন পাওয়া যায় না।
    দেবীদাস তখন অবসরের মুখে। খবরটা শুনে চশমার ফাঁক দিয়ে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলেন, কিছু বলেননি। তারপর বলেছিলেন, "নাম দিও 'সওগাত'। বই তো উপহারই হে। যে পায়, সে-ই জানে।" নামটা সেদিনই পাকা হয়ে গেল। প্রথমবার মাল তুলতে দেবীদাসই সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন কলেজ স্ট্রিটে। চেনা প্রকাশকদের ঘরে ঘরে ঘুরিয়েছিলেন। কোন বই চলবে আর কোন বই শুধু রাখতে হয় বলে রাখা, সেই তফাতটা হাতে ধরে শিখিয়েছিলেন।
    শুরু হয়েছিল মোটে দুটো আলমারি আর একটা কাচের শো-কেস দিয়ে। প্রথম দিনে বিক্রি হয়েছিল তিনখানা বই। তার একটা "আবোল তাবোল", কিনেছিল এক ঝাঁকড়া চুলের বাচ্চা, বাবার আঙুল ধরে। প্রতাপ বাবু দাম নিতে গিয়েও থেমে গিয়েছিলেন। শেষে নিয়েছিলেন ঠিকই, তবে দু'টাকা কম। সরমা পরে খাতায় লিখে রেখেছিলেন, "প্রথম দিনের লোকসান: দুই টাকা। লাভ: অগণিত।" সুদের কারবারটা ওই বছরই গুটিয়ে ফেলেছিলেন প্রতাপ বাবু। বই আর সুদ একসঙ্গে রাখা যায় না, এ কথা কেউ তাঁকে বলেনি, নিজেই বুঝেছিলেন।
    তারপর দাপটের সঙ্গে চলতে লাগল সওগাত। দেবীদা প্রায় একার হাতে খদ্দেরের দল গড়ে দিলেন। নিপাট ব্যবসার শহরে বাড়তে লাগল বইপড়ুয়ার সংখ্যা। আসতে শুরু করল শহরের এলিট মহল। সরমার হিসেবের খাতা তাড়াতাড়ি ফুরোতে লাগল। অপ্রত্যাশিত সাফল্য! পাঁচ বছরের মধ্যেই দোকান উঠে এল মেইন মার্কেটে। সওগাতকে ঘিরে গড়ে উঠল ছোটখাটো এক সাহিত্যসভা। হাই স্কুলের হেডমাস্টার তরুণ বাবু তার নাম দিলেন "রোয়াক"। জুটে গেল কয়েকজন উঠতি কবিও। জমে উঠল প্রতাপ-সরমার বড় সংসার। রাস্তার ওপারে চায়ের দোকান দিয়ে ব্যবসা দাঁড় করিয়ে ফেলল চানু।
    তারপর সবকিছু যেন বদলে গেল। সরমা চলে গেল করোনায়। তার আগেই চলে গিয়েছিলেন তরুণ বাবু, আর রোয়াকের বেশির ভাগ সদস্যও। থেকে গিয়েছিলেন শুধু দেবীদা। অশীতিপর সেই ভীষ্ম রোজ সন্ধেবেলা এসে বসতেন প্রতাপ বাবুর পাশে। সবাই ছেড়ে যায় না। কেউ কেউ ছেড়ে যেতে পারে না।
    বিক্রি কমল। এখন বিক্রি হয় শুধু সিলেবাসের বই। আস্তে আস্তে প্রতাপ বাবুও যেন মরতে বসলেন। দোকানের রোজকার বেচাকেনা রাজু আর অরুণের হাতে ছেড়ে দিয়ে তিনি নিজে ভেতরে বসে বই পড়তেন।
    আজ রাজু আসেনি। শীতের পড়ন্ত বিকেলে আকুতাগাওয়ার সংকলনটা তাক থেকে নামিয়ে আনলেন প্রতাপ বাবু। জাপানি সাহিত্যের সংগ্রহটা আরেকটু বাড়ানো যেত, কিন্তু কার জন্য? ধীর পায়ে গিয়ে কাউন্টারের পেছনের চেয়ারে আরাম করে বসলেন। ফ্লাস্ক থেকে ঢাকনায় কফি ঢেলে স্বস্তির একটা চুমুক দিলেন। হঠাৎ কী মনে করে বিক্রির খাতাটা তুলে নিলেন। পাঠ্যক্রমের বাইরের শেষ বই "সেই সময়", বিক্রি হয়েছে মাস পাঁচেক আগে। হতাশ হয়ে হাসলেন প্রতাপ বাবু, তারপর মন দিলেন জাপানি ছোটগল্পে।
    ঘুমটা ভাঙল রাজুর ধাক্কায়।
    "কাকাবাবু!"
    নিজেকে সামলে নিয়ে প্রতাপ বাবু বললেন, "তুই যে বললি আসবি না!"
    "দেবী কাকাকে কলকাতা নিয়ে যাচ্ছে, কাকাবাবু!"
    "কে নিয়ে যাচ্ছে?"
    "ওঁর ছেলেরা।"
    "ওমা, কেন? শরীর খারাপ নাকি? দু'দিন তো আসেনওনি!"
    "আপনি বাইরে আসুন কাকাবাবু, ওদের গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে।"
    প্রায় ছুটেই বাইরে এলেন প্রতাপ বাবু। একটা স্করপিওর পেছনের সিটে বসে আছেন দেবীদা, চোখে জল। জানলা দিয়ে হাত বাড়িয়ে প্রতাপ বাবুর হাতটা জড়িয়ে ধরলেন।
    "ভালো থেকো। ওরা আর আমাকে এখানে রাখবে না। বলছে, এই অজ পাড়াগাঁয়ে আমি নাকি আর বাঁচব না। তুমি ওদের বোঝাও, সওগাত ছাড়া মানুষ বাঁচে নাকি!"
    গাড়িটা ধুলো উড়িয়ে বাজারের মোড়ে মিলিয়ে গেল। ক্লান্ত, ভারী পায়ে সওগাতে ফিরলেন প্রতাপ বাবু।
    "রাজু, আজ দোকানে তালা দিস না।"
    "কেন কাকাবাবু?"
    "আহ্, কথা বাড়াস না! ক্যাশবাক্সটা বাড়িতে পৌঁছে দে।"
    রাজু চলে যাওয়ার পরও প্রতাপ বাবু অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইলেন। বাজারের দোকানগুলোর ঝাঁপ একে একে নামতে লাগল। জ্বলে রইল শুধু সওগাতের আলো, আর রাস্তার ওপারে চানুর উনুনের আঁচ।
    উঠে গিয়ে ভেতরের আলমারি থেকে নামালেন একটা পুরোনো খাতা। মলাট ফেটে গেছে, কোণগুলো মুড়ে গেছে। এটা সরমার প্রথম হিসেবের খাতা। প্রথম পাতায় গোটা গোটা অক্ষরে লেখা, "প্রথম দিনের লোকসান: দুই টাকা। লাভ: অগণিত।"
    লেখাটার দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। সওগাত ছাড়া মানুষ বাঁচে না, দেবীদা বলে গেলেন। কিন্তু মানুষ ছাড়া কি সওগাত বাঁচে? এতগুলো বছর তিনি শুধু বসে থেকেছেন, অপেক্ষা করেছেন কেউ আসবে বলে। লোক ডেকে আনতেন তরুণ বাবু, ডেকে আনতেন দেবীদা, ওপার থেকে চা আনাতেন সরমা। তিনি নিজে কোনোদিন কাউকে ডাকেননি।
    উনুন নিভিয়ে চা নিয়ে এল চানু। "আজ এত রাত অবধি, কাকাবাবু?"
    "বোস চানু। কাল সকালে একটা কাগজ লিখে দেব, তোর দোকানে টাঙিয়ে দিবি।"
    রাত গড়াল। একটা সাদা কাগজে মোটা কালিতে প্রতাপ বাবু লিখলেন:
    রোয়াক আবার বসবে।
    প্রতি রবিবার, সন্ধে ছ'টা, সওগাতে।
    চা: চানুর দোকান। বই: আমাদের। বক্তা ও শ্রোতা: আপনি।
    তারপর কাউন্টারে মাথা রেখে কখন ঘুমিয়ে পড়েছেন, টের পাননি।
    রবিবার সন্ধেয় এল মোটে পাঁচজন: রাজু, অরুণ, চানু, স্কুলের বাংলার এক দিদিমণি, আর বছর কুড়ির একটি মেয়ে, কাঁধে কাপড়ের ঝোলা। মেয়েটি একটু ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল, "কাকু, 'কড়ি দিয়ে কিনলাম' আছে? দুটো খণ্ডই? অনেক জায়গায় খুঁজেছি।"
    প্রতাপ বাবু থমকে গেলেন। পঞ্চাশ বছর আগে পাঠাগারের কোণের বেঞ্চে ফেলে আসা অর্ধেক-পড়া গল্পটা যেন দরজা ঠেলে ফিরে এল। তাক থেকে দুটো খণ্ডই নামিয়ে আনলেন। নতুন পাঠকের হাতে বই দেওয়ার আগে দেবীদা প্রথম পাতাটা নিজে উল্টে দিতেন। প্রতাপ বাবুও তাই করলেন।
    "এক কাজ করো," বললেন তিনি, "প্রথম খণ্ডটা তুমি নিয়ে যাও, দ্বিতীয়টা আমি পড়ি। আমারও শেষ করা হয়নি। পরের রবিবার দুজনে মিলিয়ে নেব।"
    মেয়েটি হাসল। "দাম কত, কাকু?"
    প্রতাপ বাবু সরমার খাতাটা টেনে নিলেন। শক্ত করে চেপে ধরে বললেন, " রোয়াকে বই বিক্রি হয়না হে!" অস্ফুটে বললেন, "আমি আর বই বেচবোনা, সরমা!"
    রাতে দোকান বন্ধ করার আগে কলকাতায় ফোন করলেন। ওপাশে দেবীদার গলা ভাঙা, কাঁপা। "কী খবর, প্রতাপ?"
    "রোয়াক বসেছে, দেবীদা। পরের রবিবার তুমিও থেকো, ফোনে।"
    ওপাশে অনেকক্ষণ কোনো শব্দ নেই। তারপর খুব আস্তে শোনা গেল, "বলেছিলাম না? সওগাত ছাড়া মানুষ বাঁচে না।"
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন।