এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • নীল সামিয়ানা  - ২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৪ নভেম্বর ২০২৬ | ১৬ বার পঠিত
  • ( ২ )
     
     
    কাউন্সিলার কল্লোল দত্ত হাতে ব্যাগ নিয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি দেখেশুনে থমকে দাঁড়িয়ে গেলেন।তিনি ত্রিকালের কথা অনেক শুনেছেন। কিন্তু নিজের চোখে এই প্রথম দেখলেন। আকাশের নীল সামিয়ানার নীচে হৈমন্তী রোদ্দুর খেলা করছে। কল্লোল দত্ত হাঁ করে তাকিয়ে রইলেন। তার মনে বড় আশা জাগতে লাগল তার সব বাধ্যবাধকতা, অক্ষমতা এই রোবটটা ঢেকে দিতে পারবে।

    শুভাশিস সম্মোহিত হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। সে বলল, ‘ সপ্তপর্ণী গাছটা ও..ই দিকে ..... ওখানেই আমার ঘর।ওদিকে গেছে লোকগুলো.... ‘
    ত্রিকাল বলল, ‘ ঠিক আছে। এখানে বস ..... কোথাও যেতে হবে না।’
    ত্রিকাল বটতলায় সিমেন্টের বেদীতে বসে পড়ল। হাত ধরে টান মেরে শুভাশিসকেও বসিয়ে দিল। শুভাশিস ধপ করে বসে পড়ল।
    —- ‘ কিন্তু ওদিকে তো ..... বড্ড চিন্তা হচ্ছে..... পাখিগুলো ....’
    ত্রিকাল ঠিক মানুষের মতোই নিশ্চিন্ত করল — ‘ চিন্তা করো না.... ওরা এখানেই আসবে। ‘
    — ‘ কারা ? ‘
    —- ‘ পাখিগুলো ‘

    বাড়ির বাইরে এসে পার্কের মধ্যে গাছতলায় বসে আছে ত্রিকাল, এমন এতদিনে কখনও ঘটেনি। মহাদেব আর দীনবন্ধু ত্রিকালকে খুঁজতে খুঁজতে সেখানে এসে হাজির। ইন্টিগ্র্যাল ডিভাইস সবে লাগানো হয়েছে। সেটা সফল হল কিনা এখনও পরীক্ষা করা বাকি। কিন্তু ত্রিকাল ওই ছেলেটার সঙ্গে বেরিয়ে এল ! ওই শুভাশিস নামের ছেলেটাই তো সেদিন এসেছিল গাছগুলোয় ইলেকট্রিক আলো জ্বালানোর ব্যাপার নিয়ে।দীনবন্ধু বললেন, ‘ ত্রিকাল বোধহয় আর একবার কিছু এক্জিকিউট করতে চলেছে। আর ত্রিকালের এক্জিকিউশান সবসময়ে নোবল এক্জিকিউশানই হয়। দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি ঘটে।‘
    অনেকেই পার্কের পাশের রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। একটা রোবট বটগাছ তলায় বসে আছে, এমন অদ্ভুত দৃশ্য তারা কখনও দেখেনি। যদিও অনেকেই ত্রিকালকে চেনে এবং তার কান্ডকারখানার কথা শুনেছে। কিন্তু এভাবে পার্কের গাছতলায় বসে থাকা ! বিশ্বাস করতে পারছিল না ওরা।
    দীনবন্ধুবাবু মহাদেবকে বললেন, ‘ দূর থেকেই দেখা যাক বুঝলে .....’
    —- ‘ হ্যাঁ সেটাই ভাবছি ..... এই এইখানটায় বসি .... ‘, বলে মিত্রবাড়ির বাইরের রোয়াকে বসলেন।
    শুভাশিস মৃদু গলায় আর একবার তার উদ্বেগের প্রসঙ্গটা তুলল। সকলেই দেখতে পেল ত্রিকাল শুভাশিসের মাথায় হাত রাখল। শুভাশিসের মাথায় কেমন এক প্রশান্ত তরঙ্গ খেলা করতে লাগল।
    বেলা আড়াইটে বাজতে চলল। শুভাশিসের বৌ জয়ন্তী ঘরে ফিরে অপেক্ষা করে করে হয়রাণ হয়ে শেষে রেশান দোকানের দিকে গেল, যদি ওখানে তার বর গিয়ে থাকে ডিজিটাল কার্ডের খোঁজ খবর করতে। সেখানে গিয়ে দেখে ভোঁ ভাঁ। রেশান অফিস অনেকক্ষণ আগে বন্ধ হয়ে গেছে।সে একবার কল্লোল দত্তর বাড়ির দিকে গেল। ওখানে মাঝে মাঝে যায় শুভাশিস একটা কাজ পাওয়ার জন্য ধরাধরি করতে। যদিও আজ পর্যন্ত কাজের কাজ কিছুই হয়নি। সে যাই হোক, কল্লোলবাবুর বাড়ি পর্যন্ত যেতে হল না। বটতলা পার্কের পাশ দিয়ে পা চালিয়ে হনহন করে হাঁটছিল জয়ন্তী। থমকে গেল সে। দেখল কল্লোল দত্ত মিত্র বাড়ির রোয়াকে বসে পা দোলাচ্ছেন। তার একটু তফাতে বসে আছেন দুই বৈজ্ঞানিক মহাদেব আর দীনবন্ধুবাবু। দেখে জয়ন্তী কেমন যেন রহস্যের গন্ধ পেল। ডানপাশে পার্কের দিকে ঘাড় ঘোরাল। দেখে যে, বটগাছটার তলায় তার স্বামী শুভাশিস বসে বসে একইভাবে পা দোলাচ্ছে আর তার পাশে বসে আছে মহাদেব ভটচায্যের কলের মানুষ ....ত্রিকাল না কি যেন নাম। ওকে একবার দেখেছিল মহাদেববাবুর বোন অনুপমার কাছে ভেটকি মাছ বিক্রি করতে গিয়ে।
    ভর দুপুর বেলায় এমনি দৃশ্য দেখে তার চোখ কপালে উঠল। সে ভাবল, নানারকম চিন্তা ভাবনায় শুভাশিসের মাথা খারাপ হয়ে গেল না। সকালের দিকে যে ভিড়টা ছিল সেটা এখন অদৃশ্য। সে জোর পায়ে হেঁটে শুভাশিসের সামনে গিয়ে দাঁড়াল। বলল, ‘ তোমার কি এই বয়সেই ভীমরতি ধরেছে না কি ? ‘ এই দুপুরবেলায় নাওয়া নেই খাওয়া নেই এখানে বেকার বসে বসে কি করছ ?’
    তারপর ত্রিকালের দিকে দেখিয়ে বলল, ‘ আর ইনিই বা এখানে এলেন কি করে ? এর মালিক তো ওই মিত্রবাড়ির রকে বসে আছে।’
    শুভাশিস খুব স্বাভাবিকভাবে বলল, ‘ একে ওই গাছ আর পাখিগুলোর কথা বলেছি। মানে... ঠিক বলিনি .... বুঝে নিয়েছে আমার মনের কথা। ইনি সব বুঝতে পারে। বলেছে কোন চিন্তা নেই।’
    জয়ন্তী বলল, ‘ আচ্ছা দেখা যাক কি হয়। এসব আবার হয় নাকি !সে যাক,তুমি চট করে একবার ঘরে গিয়ে খেয়ে এস। ভাত আর গাঁটিকচুর তরকারি করেছি। তাড়াতাড়ি এস..... আমি চললাম .... ‘। জয়ন্তী পিছন ফিরল। ঘরের দিকে হাঁটা লাগাল। ছেলেমেয়ে দুটো না খেয়ে বসে আছে। পিছন থেকে শুভাশিসের গলা কানে এল—
    ‘ আমি এখন যেতে পারব না। রাত্রে খাব গাঁটিকচু। ’

    দেখতে দেখতে হেমন্তের বেলা মরে এল। ধূসর হয়ে এল আলো।
    বাতাসে হাল্কা শীতের টান লাগছে পলে পলে।
    কোথা থেকে খবর পেয়ে বিশাখা মিত্র আর তার দলবল যেমন, সৌমিত পাইন, স্বরূপ সরকার...... এরা কজন বটতলায় এসে হাজির। একটু তফাতে দাঁড়িয়ে রইল ওরা।
    গাছে গাছে ব্যাক্টেরিয়ার মতো লেগে থাকা আলোগুলো জ্বলে উঠল বলে।
    পাখির দল বাতাসে পাক খাচ্ছে অনবরত দিশাহারা হয়ে, ঘর খুঁজে না পেয়ে। তাদের বিভ্রান্ত কাকলি শুভাশিসের কানে ব্যাকুল বিলাপের মতো শোনাতে লাগল।
    সে এই মুহুর্ত্তটার আশঙ্কাতেই এতক্ষণ প্রহর গুনছিল। সে প্রবল উৎকন্ঠায় ব্যাকুল হয়ে দাঁড়িয়ে উঠল।
    ত্রিকাল তাকে ধরে বসিয়ে দিল না। সে নিজেও দাঁড়িয়ে উঠল। কয়েক পা হেঁটে মাঠের মধ্যে একটা জায়গায় গিয়ে দাঁড়াল। কত পাখি দিশাহারা চক্কর কাটছে ধূসর সামিয়ানার নীচে মৃদুল বাতাসে।
    ত্রিকাল দুটো হাত ওপরে তুলে দাঁড়িয়ে রইল। অদৃশ্য এক সুগন্ধ প্রবাহ সঞ্চারিত হতে লাগল পরিমন্ডল জুড়ে। বাতাসে ভাসতে লাগল বৃষ্টি ভেজা বুনো লতাপাতার গন্ধ, সুদূর কোন নদীর কলস্বন। পাখির ঝাঁক যেন হঠাৎ সম্বিৎ ফিরে পেল। এক অপ্রতিরোধ্য টানে, এক নিশ্চিত আশ্রয়ের আকর্ষণে একের পর এক উড়ে আসতে লাগল ত্রিকালের দিকে। বাস্তুহারা, ঘর হারানো কত পাখি ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে বসতে লাগল ত্রিকালের শরীরে। তার সারা শরীর ঢেকে গেল নানা গড়নের, নানা রঙের পাখিতে। যারা বসার জায়গা পেল না ওর গায়ে, সেই পাখিগুলো পরম নিশ্চিন্তে ঘন হয়ে বসে রইল ত্রিকালের পায়ের কাছে।
    মহাদেব নীচু স্বরে দীনবন্ধুকে বললেন, ‘ নতুন ডিভাইসটার কোন ট্রায়াল হল না, কিন্তু ....’
    দীনবন্ধু বললেন, ‘ এই তো ট্রায়াল হয়ে গেল ..... আর কি ...... ‘

    আঁধার ঘন হয়ে আসছে ক্রমশ:।
    বিশাখা মিত্ররা হাঁ করে তাকিয়ে আছে সম্মোহিত হয়ে। বাকপটু কল্লোল দত্ত মাঠের একধারে অন্ধকারে নির্জনে দাঁড়িয়ে রইলেন বাকরুদ্ধ হয়ে।
    শুভাশিস ত্রিকালের কাছ ঘেঁসে দাঁড়িয়ে আছে যেন এক গভীর স্বপ্নে আবিষ্ট হয়ে।কি জানি কেন চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে জল অবিরল ধারায়।
    সপ্তপর্ণী গাছটার পাতায় ক ফোঁটা শিশির পড়ল। নেচে উঠল এক গুচ্ছ পাতা।
    কল্লোল দত্ত এবং বিশাখা মিত্র দুজনেই ভাবলেন, এরকম অন্তত এক হাজার রোবট দরকার। অবশ্য তাদের ধ্বংস করার পদ্ধতিও রাষ্ট্র বার করে ফেলবে মুনাফার লোভে এটা এরা ভালভাবেই জানে।
    মহাদেব আর দীনবন্ধু বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলেন। ভাবলেন, কাল সকালের আগে ত্রিকাল বাড়ি ফিরবে না এটা নিশ্চিৎ। মহাদেববাবু বললেন,
    ‘ এক্জিকিউশানটা তা’লে নোবলই হল..... কি বল ? ‘
    —- ‘ হ্যাঁ ..... সে ব্যাপারে আমি কনফিডেন্ট ছিলাম। ‘

    গাছে জ্বলে ওঠা আলোগুলো নিভে গেল আচমকা।
    ইলেকট্রিক্যাল কনট্রাকটার দীপচাঁদ পাল ভাবল —- আরে .... কেসটা কি হল ! কানেকশান তো বরাবর আছে।

    ত্রিকালকে ঘেঁসে অন্ধকারে মিশে বসে আছে কত রঙের শতেক পাখি। ভোরের আলো ফুটলে ওরা ফের উড়ে যাবে আলোয় মাখা আকাশের নীল সামিয়ানার নীচে।
    শুভাশিস বটতলার নীচে গিয়ে বসল। তাকিয়ে রইল আর এক বটবৃক্ষ ত্রিকালের দিকে।

    **************************************★**********

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন।