এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • টনক ( যন্ত্র, স্বাতন্ত্র্য ও জাহাজের খোঁজে এক আদার ব্যাপারী)

    Sudipta Adhikary লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | ১৪ বার পঠিত
  • ১
    বঙ্কুবাবুর বন্ধু?
     
     
    ছাদের ঘরে ১৭ বছরের ভাইপোটা গাঁজা টানছিল। ভাবলাম দিই শালাকে দু'ঘা বসিয়ে, তারপর ভাবলাম—বাস্তবতার যা অবস্থা কেউ যদি ঘন্টা দুয়েকের ছুটি নিতে চায় তাকে বিশেষ দোষ দিতে পারি না।
    একদিকে UNESCO ক্রমাগত বিপদঘন্টা বাজাচ্ছে—এই দশকের মধ্যে পরিবেশ নীতির আমূল পরিবর্তন না করলে পরের দশকে হক্কলের হোলসেল হাঁপানি এবং গায়ে ফোস্কা। আর বিশ্ব নেতাদের কেউ সেই বিপদঘন্টাকে এলার্ম ক্লকের মত চাপড়ে পাশ ফিরে ঘুম লাগাচ্ছেন, আর কেউ সেটাকে ডিনার বেল ভেবে নিয়ে ছুরি কাঁটা নিয়ে দৌড় দিচ্ছেন আর্কটিকের দিকে—বরফ গলে যে নতুন জমি বেরোবে সেটা তো আর ফেলে রাখা যায় না।
    আর একদিকে? এলিয়ান ইনভেশন!
    না, ভিন গ্রহের সবুজ বাঁটুল স্পেসশিপ নিয়ে লেজার ছুঁড়তে আসেনি। এই এলিয়ানরা বেরিয়ে এসেছে আমাদের কম্পিউটার ল্যাবগুলো থেকে। প্রথমদিকে আমরা প্রায় তাচ্ছিল্য করেই যার নাম দিয়েছিলাম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স—হুঁঃ ব্যাটার নকল বুদ্ধি। আসলে নব্বইয়ের দশকের আগে ইন্টারনেট সর্বজনীন না হওয়ায় AI কে ট্রেনিং দেওয়ার মত ডাটা এতো অপর্যাপ্ত ছিল না, কম্পিউটারও ছিল খুব জগদ্দল ঢিমে গতির জীব। "Windows '98"-র গতি যদি কারও মনে থাকে তাহলে '70-এর জানালা যে কি ছিল একবার নিজেই ভেবে দেখুন। সুতরাং শুরুর দিকে বেশ উৎসাহ আশাবাদ থাকলেও AI-এর সত্যিকারের সম্ভাবনাকে আমরা একটু আন্ডারেস্টিমেটই করেছিলাম।
    আজকে যে সত্তাটি আমাদের ফোনে বসে অঙ্ক কষে দিচ্ছে, আমাদের ড্রোনে বসে মিসাইলের লক্ষ্য ঠিক করে দিচ্ছে আর বিশ্বের অর্থনৈতিক পরিকাঠামোর স্নায়ুতন্ত্র হয়ে উঠছে, সে কোনো আকাঙ্খা অনুভব করে না। তার দুঃখ, কষ্ট, ভয়, আনন্দ কিচ্ছু নেই। অথচ সে গান লিখে আমাদের মুগ্ধ করতে পারে, রোগ-ভোগের সঠিক নিদান দিতে পারে। এইসব দেখে আমরা তার প্রতি মাঝেমাঝেই মনুষ্যত্ব অর্পণ করছি বটে, কিন্তু এই অনুভূতিহীন বুদ্ধিমত্তা পৃথিবীর বুকে, আমরা প্রথম দেখছি।
    সত্যি বলতে ঐ ভিনগ্রহী সবুজ বাঁটুলদের সঙ্গে বরং আমাদের মিল বেশি। তাদের মৃত্যুভয় আছে, তারা জীবনের মানে খোঁজে, সহ সবুজ বাঁটুলদের প্রতি সহমর্মিতা অনুভব করে। তাদের চিন্তা-ভাবনাগুলো অনুভূতি-প্রাণ, তাদের সিদ্ধান্তগুলো সামগ্রিক আত্ম-সংরক্ষণ চেতনা থেকে উদ্ভূত।
    আর যার হাতে আমরা অন্ধের মত একে একে অর্থনৈতিক, সামরিক, রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তান্তর করে চলেছি সে কী ভাবে চিন্তা করে? কী ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়? AI টেক্সট বুক থেকে quote করছি:
    "The agent's decision-making process can be characterized as the computation of a function that maps percept histories to actions so as to maximize the expected value of a performance measure, given the agent's prior knowledge and percept sequence."
    —Artificial Intelligence: A Modern Approach by Stuart Russell & Peter Norvig (4th ed.)
    কী? কিছু বুচ্ছেন না? এলিয়ান শোনাচ্ছে?
    ধরুন আপনি একদল চাইনিজ শ্রমিককে Apple-এর সোয়েট শপ থেকে ধার নিয়ে একটা ঘরে বন্ধ করে রেখেছেন। তাদের কাছে বাংলা ভাষার যাবতীয় বই, চিঠী, কবিতার খাতা, ডাইরির পাতা সব দেওয়া আছে কিন্তু কেউ তারা বাংলা বোঝে না। এবার আপনি একটি বাংলা প্রশ্ন দরজার তলা দিয়ে ঢুকিয়ে দিলেন। তারা যদি অসংখ্য কম্বিনেশন ট্রাই করতে করতে বাংলা হরফ সাজিয়ে সঠিক উত্তর দিতে পারে তবেই তাদের খাবার দেওয়া হবে এবং উত্তরের কোয়ালিটির উপর খাবারের কোয়ালিটি নির্ভর করবে—মানে একটা ফিডব্যাক রেসপন্স তারা পায়। ধরে নিন তারা কয়েকটা অ্যাসেম্বলি লাইন বানিয়ে নিজেদের মধ্যে কাজ ভাগ করে নিয়েছে। এক দল মজুত তথ্য, প্রশ্ন, উত্তর, ফিডব্যাকের ওপর পরিসংখ্যান কষে, সেই পরিসংখ্যান অনুযায়ী একদল তাদের মধ্যে কো-রিলেশন টানে, আবার একদল ফিডব্যাকের ভিত্তিতে এরর রিডাকশন করে (সঠিক জায়গায় রবীন্দ্রনাথ quote করে বিরিয়ানী পেয়েছিল, ভুল জায়গায় করে পান্তা ভাত)। এইভাবে তাদের যত প্রশ্ন করা হবে তারা তত ভালোভাবে শিখবে কী করে বাংলায় উত্তর দিতে হয়, প্রশ্নোত্তরের পিছনের উদ্দেশ্য-বিধেয় কিসসু না বুঝেও। কনটেক্সট তাদের কাছে ডাটা স্ট্রাকচার মাত্র, বাঙালি হিসাবে বাঁচার অভিজ্ঞতা নয়। এবার আপনি চাইনিজ আই ফোন শ্রমিক দের জায়গায় বসিয়ে দিন সিলিকন ট্রানজিস্টর(ছোট্ট ছোট্ট on-off সুইচ) দিয়ে তৈরী নিউরন এর মত অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভার্চুয়াল কম্পিউটার তাহলেই পেয়ে যাবেন আধুনিক A.I কি ভাবে 'চিন্তা' করে (জন সিয়ার্ল তাঁর আর্গুমেন্টে আমাদের চাইনিজ জেলে পুরেছিলেন, আমি চিনাগুলোকে বাংলা জেলে পুরে দিলুম। ব্যোম কালী!)
    বোধশক্তিহীন শীতল দক্ষতা। আপনি ভাবছেন, তুমি কে হে বাপু ডোনাল্ড ট্রাম্প এলে? এলিয়ান যদি দক্ষ হয় প্রবলেমটা কোথায়? এমনিতে তো গাধারা সব ভোট দিয়ে শয়তানদের ক্ষমতায় আনছে, সভ্যতা তো প্রায় ধ্বংসই হতে চলল। যে কোনো রকম দক্ষতাই এই অবস্থার চেয়ে অনেক বেশি বাঞ্ছনীয় নয় কি?
    শুনে খুশি হবেন পৃথিবী আপনার সঙ্গে একমত, অন্ততঃ পৃথিবী যারা চালাচ্ছে তারা আপনার সঙ্গে একমত। না, তারা এবিষয়ে একমত নয় যে আমরা জান-মাল আঁকড়ে গ্যাঁট হয়ে থাকব আর সর্বমঙ্গলময় AI এসে শয়তানদের কান ধরে গদি থেকে নামিয়ে কী করে স্বর্গরাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে হয় তার উপায় আমাদের ফোনের নোটিফিকেশনে পাঠিয়ে দেবে। তারা এ বিষয়ে একমত যে বোধশক্তিহীন দক্ষতা যে কোনো পোষা গুণ্ডা বা অন্ধ ভক্তের চেয়ে অনেক বেশি বাঞ্ছনীয়। পোষা গুণ্ডাদের মাঝে মাঝে বিবেক গজিয়ে ওঠে, অন্ধ ভক্তদের চক্ষু। তাছাড়া ব্যাটাদের প্রাণের ভয় আছে, মাঝে মাঝে মাল খাওয়াতে হয় এসব গুচ্ছ ঝামেলা। এতদিনে কর্তারা মনের মত এমন একটি শাগরেদ্ পেয়েছেন যে হাত কচলে বলে না "মানুষ মাত্রেই ভুল হয় স্যার, এবারের মতন মাপ করে দিন।"
    এই যেমন ইরানে—ধরুন দুপুর বেলা বাজার করে গাড়ি চালিয়ে বাড়ি ফেরার সময় মাথার হিজাবটা সরিয়ে একটু AC-র হাওয়া খাচ্ছেন। ফোনে কিছুক্ষণের মধ্যেই ম্যাসেজ চলে আসবে—আপনার নাম এই, গাড়ীর নম্বর এত, হিজাব আইন ভঙ্গ করার কারণে আপনার গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করা হলো, রাস্তার ধরে গাড়ি থামিয়ে পুলিসের জন্য অপেক্ষা করুন। এইযে আপনার মাথায় হিজাব নেই বলে আপনাকে ফ্ল্যাগ করে, আপনার সনাক্তকরণ করে, ফোন নম্বর খুঁজে আপনাকে ম্যাসেজ করা ও পুলিশকে ইনফর্ম করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে সুদক্ষ AI. কোনো খোচর পোষার দরকার নেই যে ব্যাটা ফাঁকি মেরে বিড়ি ফুঁকবে আর খোলা চুল দেখে হিজাবের কথা ভুলে অন্ধকার বিদিশার নিশার উপমা টানবে।
    মানুষের অন্ধকারতম প্রবৃত্তিগুলোর হাতে উঠে এসেছে তাদের সকল স্বপ্নপূরণের "আশ্চর্য চিরাগ।" আমাদের কর্তৃত্বের আকাঙ্খা সেটাকে হাতে নিয়ে ঘষছে আর ট্র্যাফিক অপটিমাইজেশন টুল বদলে যাচ্ছে মাস সার্ভিলেন্স টুলে। সে চিরাগ যখন আমাদের ভয়, ক্রোধ, আগ্রাসনের হাতে ঘষা খায় গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম বদলে যায় অটোনমাস মিসাইল টার্গেটিং সিস্টেমে।
    সোশ্যাল মিডিয়ায় সবাই মিলে ঝাঁপিয়ে যোগ দিয়েছিলাম পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে আবার যোগাযোগ হবে বলে। ভেবেছিলাম নতুন বন্ধু করব কামচাটকায়। ভেবেছিলাম ব্রাজিল ওয়ার্ল্ডকাপে আট গোল খেলে করাচীর ইকবালের সঙ্গে ডিজিটালি গলা জড়িয়ে হাপুস নয়নে কাঁদব। ভেবেছিলাম খুঁজে নেব একে অপরের মধ্যেকার আনন্দ–বেদনার সেই তারগুলো, যেগুলো পৃথিবী জুড়ে একসুরে বাজে।
    তার বদলে খুঁজে নিচ্ছি একে অপরের জাগুলার ভেইন।
    আমাদের ঘেন্না, ধর্মান্ধতা, বর্ণবিদ্বেষ ও সর্বোপরি লোভের হাতে চিরাগের দৈত্যের উপহার—“গহীন মিথ্যা” যে অডিও-ভিজুয়াল ব্যাক-আপ সহ বুক ঠুকে সত্যের সঙ্গে এক আসন দাবী করে। আপনার ঘেন্নার মাপে মাপে বানানো আপনার রাগের সঙ্গে টিউন করা পাইকারি হারে তৈরি মিথ্যে ছবি, ভিডিও, ভয়েস রেকর্ডিং। আর আপনার আদিম প্রবনতা গুলোকে উস্কে দিতে এই মিথ্যাকে আলোর গতিতে ছড়িয়ে দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়া এলগরিদমগুলো। যাতে আপনি উত্তেজিত হয়ে নিজেকে উন্মোচন করে দেন আপনার লাইক-শেয়ার-কমেন্ট এর মাধ্যমে। আপনার সম্পর্কে এই সম্মিলিত তথ্য এখন ডলার পাউন্ডের চেয়েও মহার্ঘ। এই তথ্য বিশ্লেষণ করেই টার্গেটেড বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনাকে বেচা হচ্ছে সাবান থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মতবাদ পর্যন্ত।
    মাঝখান থেকে কিছু নচ্ছার নষ্টামি করতে গিয়ে ক্যামেরায় ধরা পড়ে "ওটা তো deepfake ছিল" বলে পাশ কাটাচ্ছে। যখন মানুষ নিজের ইন্দ্রিয়জ উপলব্ধি গুলোকেও আর বিশ্বাস করতে পারে না তখন সত্য আর প্রমাণ সাপেক্ষ থাকে না তা হয়ে দাঁড়ায় অনুভুতি নির্ভর, গোষ্ঠী নির্ভর। যা আপনার পূর্বকল্পিত ধারণা গুলোকে আরো জোরালো করে, যা আপনার গোষ্ঠী বিশ্বাস করে, তাহাই সত্য।
    অক্সফোর্ড ডিকশনারি এই প্রবণতার নাম দিয়েছে "Post-truth" বাংলা ডিকশনারি বোধহয় "৺সত্য" লেখে।
    আমাদের পকেটের ফোনটি কে হাল্লার মন্ত্রীর গুপ্তচর আর হীরক রাজার মগজধোলাই যন্ত্রের হাইব্রিডে পরিণত করে দিয়ে কর্তারা বিশ্বজোড়া স্থায়ী স্বৈরতন্ত্রের স্বপ্নকে সত্যি করার ব্লু প্রিন্ট দেখতে পাচ্ছিলেন চোখের সামনে। কিন্তু AI ল্যাবগুলো থেকে ভেসে আসছে এমন কিছু খবর যা তেনাদেরও উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
     
     
    (বাকিটা যদি লিখতে পারি আগামী সংখ্যায় বলব খনি )

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:৫৬743267
  • ভালো লাগলো এই পর্বটা। ডামিরাও বুঝতে পারবে এমন সহজবোধ্য করে লেখা। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন।