এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বেঁচে থাকাটাই  বিলাসিতা

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ অক্টোবর ২০২৬ | ৬৫ বার পঠিত
  • 01 | 02 | 03
    মাঝি বলে। তার গলা ভাঙা। তার হাত ফাটা। তার পিঠে চাবুকের দাগ। দাগ। দাগ। দাগ। পুরনো দাগ। নতুন দাগ। কালচে দাগ। লাল দাগ। দাগের উপর দাগ। দাগের নিচে দাগ। দাগ। দাগ। দাগ। সে বসে আছে নদীর ধারে। নৌকা নেই। জাল নেই। দাঁড় নেই। শুধু আছে জল। জল। জল। আর সেই জলে তার প্রতিবিম্ব। প্রতিবিম্ব। প্রতিবিম্ব। প্রতিবিম্ব দেখে সে হাসে। হাসি? না। হাসি না। হাসি শুকিয়ে গেছে। কান্না? না। কান্না শুকিয়ে গেছে। শুধু শূন্যতা। শূন্যতা। শূন্যতা। সে বলে – আমি মাঝি ছিলাম। আমার নৌকা ছিল। আমার জাল ছিল। আমার নদী ছিল। আমার গান ছিল। নদীর গান। জলের গান। ঢেউয়ের গান। মাছের গান। আমি গাইতাম। আমার নৌকা ভাসত। আমার জাল পড়ত। আমার জাল উঠত। মাছ উঠত। মাছ বাজারে যেত। বাজারে দাম মিলত। দাম পেলে খাবার কিনতাম। খাবার খেলে পেট ভরত। পেট ভরলে গান গাইতাম। গান গাইলে নদী হাসত। নদী হাসলে ঢেউ হাসত। ঢেউ হাসলে নৌকা হাসত। সবাই হাসত। সবাই। সবাই। সবাই। কিন্তু তারপর কর এল। কর। কর। কর। কে আনল? সে আনল। সে। সে। সে। যে সিংহাসনে বসে। যে মুকুট পরে। যে দশ মাথা। যে দশ মুখ। যে দশ হাত। সে বলল – নৌকা থামাও। জাল ফেলো না। মাছ ধরো না। আগে কর দাও। কর। কর। কর। কর কী? আমি জানি না। আমি শুধু জানি কর দিলে খাবার কমে। খাবার কমলে পেট ভরে না। পেট না ভরলে গান আসে না। গান না এলে নদী হাসে না। নদী না হাসলে ঢেউ হাসে না। ঢেউ না হাসলে নৌকা হাসে না। নৌকা না হাসলে আমি হাসি না। আমি না হাসলে আমার বউ হাসে না। আমার বউ না হাসলে আমার ছেলে হাসে না। আমার ছেলে না হাসলে আমার মা হাসে না। আমার মা না হাসলে দেবতা হাসে না। দেবতা না হাসলে বৃষ্টি আসে না। বৃষ্টি না এলে নদী শুকায়। নদী শুকালে মাছ মরে। মাছ মরলে আমি মরি। আমি মরলে আমার বউ মরে। আমার বউ মরলে আমার ছেলে মরে। আমার ছেলে মরলে আমার মা মরে। সবাই মরে। সবাই। সবাই। সবাই। কে মারল? সে মারল। সে। সে। সে। যে কর আনল। যে নৌকা থামাল। যে জাল নিল। যে মাছ নিল। যে গান নিল। সে। সে। সে। যুদ্ধ? যুদ্ধ কে চায়? আমি চাই না। আমার বউ চায় না। আমার ছেলে চায় না। আমার মা চায় না। আমার পাড়ার লোক চায় না। কেউ চায় না। কিন্তু যুদ্ধ এল। এল। এল। কে আনল? সে আনল। তার লোভ আনল। তার গর্ব আনল। তার দশ মাথা আনল। তার দশ মুখ আনল। তার দশ হাত আনল। তার দশ কর আনল। আর আমি? আমি যুদ্ধে যাইনি। আমি লড়িনি। আমি পালাইনি। আমি মরিনি। আমি শুধু বেঁচেছি। বেঁচেছি। বেঁচেছি। বেঁচে থাকা কি কম? বেঁচে থাকা কি বিলাসিতা? হ্যাঁ। হ্যাঁ। হ্যাঁ। বেঁচে থাকা বিলাসিতা। আমার কাছে বিলাসিতা। কারণ আমার পাড়ার অনেকেই বাঁচেনি। তারা মরেছে। নদীতে। মাঠে। ঘাটে। বাজারে। রাতে। দিনে। ভোরে। সন্ধ্যায়। তারা মরেছে। আমি বেঁচেছি। কেন? জানি না। হয়তো ভাগ্য। হয়তো কর। না। না। না। কর নয়। কর তো মারে। আমি বেঁচেছি কারণ আমি কর দিইনি। পারিনি। আমার কিছু ছিল না। দেওয়ার মতো কিছুই ছিল না। তাই আমি বেঁচেছি। আমার নৌকা গেছে। আমার জাল গেছে। আমার গান গেছে। আমার নদী শুকিয়েছে। কিন্তু আমি আছি। আছি। আছি। এই নদীর ধারে বসে। এই শূন্যতার মধ্যে। এই বিলাসিতায়। বেঁচে থাকার বিলাসিতায়। বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা।

    কৃষক বলে। তার হাত শক্ত। তার পা মাটি। তার পিঠ রোদে পোড়া। তার চোখে মাটির রং। সে বসে আছে তার জমির ধারে। জমি নেই। ফসল নেই। লাঙল নেই। বলদ নেই। শুধু আছে মাটি। মাটি। মাটি। শুকনো মাটি। ফাটা মাটি। পোড়া মাটি। সে মাটি হাতে নেয়। মাটি ঝরে পড়ে। ঝরে পড়ে। ঝরে পড়ে। সে বলে – আমি কৃষক ছিলাম। আমার জমি ছিল। আমার ফসল ছিল। আমার লাঙল ছিল। আমার বলদ ছিল। আমার হাল ছিল। আমার বীজ ছিল। আমার ঘাম ছিল। আমি বীজ বুনতাম। বৃষ্টি নামত। বৃষ্টিতে বীজ ভিজত। ভিজে বীজ ফুলত। ফুলে ফল আসত। ফলে ধান হত। ধান কেটে ঘরে আনতাম। ঘরে ধান রাখতাম। ধান দেখে হাসতাম। হাসি দেখে বউ হাসত। বউয়ের হাসি দেখে ছেলে হাসত। ছেলের হাসি দেখে মা হাসত। মায়ের হাসি দেখে উঠোন হাসত। উঠোনের হাসি দেখে গাছ হাসত। গাছের হাসি দেখে পাখি হাসত। পাখির হাসি দেখে আকাশ হাসত। সবাই হাসত। সবাই। সবাই। সবাই। কিন্তু তারপর কর এল। কর। কর। কর। কে আনল? সে আনল। সে। সে। সে। যে সিংহাসনে বসে। যে মুকুট পরে। সে বলল – ধান দাও। অর্ধেক ধান দাও। না। না। না। অর্ধেক নয়। তিন ভাগের দুই ভাগ দাও। না। না। না। তারও কম। চার ভাগের তিন ভাগ দাও। না। না। না। আরও। আরও। আরও। আমি বললাম – কী থাকবে? সে বলল – কী থাকবে কেন? আমি বললাম – খাব কী? সে বলল – খাবি না। আমি বললাম – ছেলের খাব? সে বলল – না। আমি বললাম – বউয়ের খাব? সে বলল – না। আমি বললাম – মায়ের খাব? সে বলল – না। আমি বললাম – তাহলে? সে বলল – তাহলে মর। মর। মর। আমি মরি না। আমি বাঁচি। বাঁচতে গেলে কর দিতে হয়। কর দিতে গেলে ধান দিতে হয়। ধান দিতে গেলে ফসল দিতে হয়। ফসল দিতে গেলে জমি দিতে হয়। জমি দিতে গেলে বাপের সম্পত্তি দিতে হয়। বাপের সম্পত্তি দিতে গেলে বাপের স্মৃতি দিতে হয়। বাপের স্মৃতি দিতে গেলে আত্মা দিতে হয়। আমি আত্মা দিতে পারি না। তাই আমি জমি দিই না। জমি না দিলে কর দিই না। কর না দিলে চাবুক। চাবুক খেলে পিঠ ফাটে। পিঠ ফাটলে রক্ত ঝরে। রক্ত ঝরলে জমি ভিজে। জমি ভিজলে ফসল হয়। ফসল হলে ধান হয়। ধান হলে কর দিতে হয়। কর দিলে আবার বাকি থাকে। আবার কর দিতে হয়। আবার। আবার। আবার। এই চক্র। এই ফাঁদ। এই খেলা। এই লীলা। কে খেলায়? সে খেলায়। সে। সে। সে। যুদ্ধ? যুদ্ধ কে চায়? আমি চাই না। আমি চাই শুধু বৃষ্টি। বৃষ্টি। বৃষ্টি। বৃষ্টি এলে বীজ ভিজবে। বীজ ভিজলে ফসল হবে। ফসল হলে ধান হবে। ধান হলে খাবার হবে। খাবার হলে ছেলে হাসবে। ছেলে হাসলে বউ হাসবে। বউ হাসলে মা হাসবে। মা হাসলে আমি হাসব। আমি হাসলে জমি হাসবে। জমি হাসলে মাটি হাসবে। মাটি হাসলে বৃষ্টি হাসবে। বৃষ্টি হাসলে সবাই হাসবে। সবাই। সবাই। সবাই। কিন্তু যুদ্ধ এল। এল। এল। কে আনল? সে আনল। তার লোভ আনল। তার দর্প আনল। তার ভাই আনল। তার দশ মুখ আনল। তার ভাই বিরোধ করলো। আর আমি? আমি যুদ্ধে যাইনি। আমি লড়িনি। আমি পালাইনি। আমি মরিনি। আমি শুধু বেঁচেছি। বেঁচেছি। বেঁচেছি। বেঁচে থাকা কি কম? বেঁচে থাকা কি বিলাসিতা? হ্যাঁ। হ্যাঁ। হ্যাঁ। বেঁচে থাকা বিলাসিতা। আমার কাছে বিলাসিতা।। আছি। আছি। এই শুকনো মাটির ধারে বসে। এই ফাটা মাটির মধ্যে। এই বিলাসিতায়। বেঁচে থাকার বিলাসিতায়। বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা।

    মুটে-কুলি বলে। তার কাঁধে দাগ। তার মাথায় দাগ। তার পিঠে দাগ। তার পায়ে দাগ। দাগ। দাগ। দাগ। ভারী বোঝার দাগ। ভারী বোঝার দাগ। ভারী বোঝার দাগ। সে বসে আছে বন্দরের ধারে। বন্দর আছে। জাহাজ আছে। পণ্য আছে। কিন্তু তার কাঁধে বোঝা নেই। নেই। নেই। কারণ বোঝা নিতে গেলে শক্তি লাগে। শক্তি পেতে খাবার লাগে। খাবার কিনতে টাকা লাগে। টাকা পেতে কাজ লাগে। কাজ পেতে বন্দর লাগে। বন্দর আছে। আছে। আছে। কিন্তু কাজ নেই। নেই। নেই। কারণ কর বেড়েছে। কর বাড়লে বণিক কমে। বণিক কমলে পণ্য কমে। পণ্য কমলে বোঝা কমে। বোঝা কমলে কাজ কমে। কাজ কমলে টাকা কমে। টাকা কমলে খাবার কমে। খাবার কমলে শক্তি কমে। শক্তি কমলে বোঝা নেওয়া যায় না। বোঝা না নিলে কাজ নেই। কাজ না থাকলে টাকা নেই। টাকা না থাকলে খাবার নেই। খাবার না থাকলে শক্তি নেই। শক্তি না থাকলে বোঝা নেই। এই চক্র। এই ফাঁদ। এই খেলা। এই লীলা। কে খেলায়? সে খেলায়। সে। সে। সে। যে কর বাড়ায়। যে বণিক মারে। যে পণ্য নেয়। যে বোঝা নেয়। যে সব নেয়। সে বলে – আমি কুলি। আমি বোঝা বই। আমি কাঁধ দিই। আমি পিঠ দিই। আমি ঘাম দিই। আমি রক্ত দিই। আমি জীবন দিই। আমি সব দিই। কিন্তু আমি কী পাই? পাই কর। পাই চাবুক। পাই ফাঁসি। পাই ক্ষুধা। পাই তৃষ্ণা। পাই মৃত্যু। আর সে? সে কী পায়? সে পায় মুক্তা। পায় মশলা। পায় সোনা। পায় বন্দর। পায় বাণিজ্য। পায় সিংহাসন। পায় মুকুট। পায় সব। পায়। পায়। পায়। কেন? কেন? কেন? কারণ সে রাজা। না। রাজা নয়। রাজা মানে কী? রাজা মানে রক্ষক। সে রক্ষক না। সে শোষক। শোষক। শোষক। শোষক। যে শোষে। যে সব শোষে। যে রক্ত শোষে। যে ঘাম শোষে। যে শ্রম শোষে। যে জীবন শোষে। সে। সে। সে। যুদ্ধ? যুদ্ধ কে চায়? আমি চাই না। আমি চাই শুধু কাজ। কাজ। কাজ। কাজ পেলে টাকা। টাকা পেলে খাবার। খাবার পেলে শক্তি। শক্তি পেলে বোঝা। বোঝা পেলে কাজ। এই চক্র। এই চক্র ভালো। এই চক্র আমার। এই চক্রে আমি বাঁচি। কিন্তু যুদ্ধ এল। এল। এল। কে আনল? সে আনল। হ্যাঁ। হ্যাঁ। হ্যাঁ। বেঁচে থাকা বিলাসিতা। আমার কাছে বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা।

    তিনজন একসাথে বলে। একসাথে। একসাথে। একসাথে। আমরা তিনজন। তিনজন। তিনজন। মাঝি। কৃষক। মুটে-কুলি। আমরা তিনজন। তিনজন। তিনজন। আমরা এক নই। আমরা দুই নই। আমরা তিন। তিন। তিন। কিন্তু আমাদের কথা এক। এক। এক। আমাদের দুঃখ এক। এক। এক। আমাদের যন্ত্রণা এক। এক। এক। আমাদের শূন্যতা এক। এক। এক। আমাদের বিলাসিতা এক। এক। এক। বেঁচে থাকা। বেঁচে থাকা। বেঁচে থাকা। আমরা বেঁচে আছি। আছি। আছি। এই যুদ্ধে। এই রক্তে। এই আগুনে। এই ছাইতে। এই করের ভার। এই করের পাথর। এই করের শিকল। আমরা বেঁচে আছি। কারণ আমরা কিছু দিইনি। কারণ আমাদের দেওয়ার মতো কিছু ছিল না। কারণ আমরা কিছু পাইনি। কারণ আমাদের পাওয়ার মতো কিছু ছিল না। আমরা শুধু আছি। আছি। আছি। আর এই থাকা। এই থাকা। এই থাকা। এটাই বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা। কারণ বেঁচে থাকা মানে কর দেওয়া না। বেঁচে থাকা মানে চাবুক না খাওয়া। বেঁচে থাকা মানে ফাঁসি না পাওয়া। বেঁচে থাকা মানে মৃত্যু না। আর মৃত্যু না মানে বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা। কে জানে? কে জানে? কে জানে? সে জানে। সে। সে। সে। যারই সিংহাসনে বসে। যারা মুকুট পরে। যারা জানে না। সে জানে না। সে জানে না। কারণ তারা কখনো মাঝি ছিল না। তারা কখনো কৃষক ছিল না। সে কখনো মুটে-কুলি ছিল না। সে কখনো ক্ষুধার্ত ছিল না। সে কখনো তৃষ্ণার্ত ছিল না। সে কখনো কর দেয়নি। তারা কখনো চাবুক খায়নি। তারা কখনো ফাঁসি পায়নি। তারা কখনো মরেনি। তাই সে জানে না। জানে না। জানে না। বেঁচে থাকা কী। বেঁচে থাকা কত কঠিন। বেঁচে থাকা কত মূল্যবান। বেঁচে থাকা কত বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা। বিলাসিতা।

    আর আমরা? আমরা জানি। জানি। জানি। আমরা জানি বেঁচে থাকা কী। আমরা জানি কর কী। আমরা জানি লোভ কী। আমরা জানি মোহ কী। আমরা জানি যুদ্ধ কী। আমরা জানি শান্তি কী। আমরা জানি ভালোবাসা কী। আমরা জানি ঘৃণা কী। আমরা জানি ক্ষুধা কী। আমরা জানি তৃষ্ণা কী। আমরা জানি রোদ কী। আমরা জানি বৃষ্টি কী। আমরা জানি নদী কী। আমরা জানি মাটি কী। আমরা জানি বন্দর কী। আমরা জানি জাহাজ কী। আমরা জানি পণ্য কী। আমরা জানি মুক্তা কী। আমরা জানি মশলা কী। আমরা জানি সোনা কী। আমরা জানি সবকিছু। কারণ আমরা সবকিছুর ভিতরে আছি। কারণ আমরা সবকিছুর নিচে আছি। কারণ আমরা সেই ভিত। যে ভিত না থাকলে দেয়াল পড়ে। যে দেয়াল না থাকলে ঘর থাকে না। যে ঘর না থাকলে রাজা থাকে না। যে রাজা না থাকলে সিংহাসন থাকে না। যে সিংহাসন না থাকলে মুকুট থাকে না। যে মুকুট না থাকলে সে থাকে না। সে। সে। সে। কিন্তু তারপরও সে জানে না। জানে না। জানে না। কারণ সে কখনো ভিত ছিল না। সে কখনো নিচে ছিল না। সে কখনো মাঝি ছিল না। সে কখনো কৃষক ছিল না। সে কখনো মুটে-কুলি ছিল না। সে কখনো আমরা ছিল না। আমরা। আমরা। আমরা। আর আমরা যদি না থাকি, সে কী? সে শূন্য। শূন্য। শূন্য। আমরা তার শূন্যতা। আমরা তার সবকিছু। বা কিছুই না। কিছু না। কিছুই না। কিছু না।
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
    01 | 02 | 03
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন।