এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • এই ভোটে আমি ছোটলোকের জয় চাই

    Wriju Ayanesh লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ এপ্রিল ২০২৬ | ৯২ বার পঠিত
  • কালই শেষ পর্যায়ের ভোট। ফলাফল কী হবে আমার জানা নেই। কিন্তু যাই হোক মানে যদি আপাতত ফ্যাসিস্ট শক্তি হারেও, তাহলেও হিন্দু বাঙালির এই অংশটিকে ইতিহাসের মাপ করা উচিত না। এরা হল মেকলে আর ঔপনিবেশিক সাঙ্গোপাঙ্গদের লীলায় জন্মানো শিক্ষিত এলিট বাঙালি ভদ্রবিত্ত সম্প্রদায়। (কিছু ব্যতিক্রম অবশ্যই রয়েছে। সেটা স্বাভাবিক ভাবেই এই লেখায় ধর্তব্য নয়।) এককালে যাদের জন্ম চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আঁতুড়ঘরে, যারা চরিত্রে রেন্টিয়ার, স্বভাবে বাবু, মগজে ঔপনিবেশিক উচ্ছিষ্টভোজী। ইতিহাসে এরা বারবার স্বমহিমায় প্রকাশিত হয়েছে। মন্বন্তরে এরা গরিব মুসলমান ও নিম্নবর্গ বাঙালির ঘর ভাঙা লুঠের টাকায় কলোনির ঘর ভরিয়ে রায়বাহাদুর হয়েছে। মন্বন্তরোত্তরে রেন্টের মহিমা কমে আসতেই ডেপুটির চাকরির লোভে ইংরিজি শিখেছে। তাই দিয়ে আবার ইউরোপিয়ান জাতীয়তাবাদের মডেল বানিয়েছে যাতে স্বাধীনতাউত্তর কালেও উচ্চবর্ণ এলিটিজম ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে। ইউরোপীয় মডেলের অনুকরণেই এরা বাংলার অনুপম গ্রামীণ শিল্প ও করিগরিকে ভোগে পাঠিয়েছে। এরা নিজের কর্তৃত্ব হারানোর ভয়ে দেশভাগ সমর্থন করে বাংলার একটি খণ্ডে হলেও নিজের শ্রেণিকর্তৃত্ব কায়েম রাখতে চেয়েছে। তেতাল্লিশের মন্বন্তরে অভুক্ত উলঙ্গ মৃতদেহের স্তূপ ডিঙিয়ে ফার্পোতে টুয়েলভ কোর্স কন্টিনেন্টাল খেতে গিয়েছে। গ্রামগুলো যখন শকুনের আড্ডায় পরিণত হয়েছে তখন এদের গোলাঘর উপচে উঠেছে (চিত্তপ্রসাদ স্মর্তব্য)। তেভাগার আগুনে যখন পাশেই সোনারপুর, ভাঙড়, ক্যানিং-নামখানা জ্বলছে তখন এরাই ফোর্ড আর বুইকের মাপে গাড়িবারান্দা সেট করেছে। মাঝখানে কিছুকাল এরা খানিক স্তিমিত হয়ে থাকলেও মন্মোহনীয় অর্থনীতির মন্থিত অমৃতে পুনরায় চাঙ্গা হয়ে এরা ব্র্যান্ড বুদ্ধ হিসেবে আবার বিপুলে আত্মপ্রকাশ করে। যতই এদের সন্তানসন্ততি দেশে বিদেশের ‘ডেভেলপড’ প্রান্তগুলিতে নিওলিবেরাল ডেপুটির চাকরিতে সেটল করতে থাকে ততই এদের নিজের ‘ছোটলোক’ রাজ্যের প্রতি বিরক্তি ও একইসঙ্গে গুজরাট মডেলের প্রতি আসক্তি দুইই অসম্ভব বাড়তে থাকে। অধুনা মমতা ব্যানার্জি নামক বস্তির মহিলাটির প্রতি অসামান্য পুরুষতান্ত্রিক ঘৃণা, সাবঅল্টার্ন ছোটোলোক বাঙালির প্রতি বংশগত বিদ্বেষ ও ভয়ংকর ইস্লামোফোবিয়া মিশিয়ে নিয়ে ক্রমে ব্র্যান্ড বুদ্ধ ডক্ট্রিন অবশেষে তার মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছে ব্র্যান্ড হিন্দুত্বে।
     
    রেন্টিয়ার ভদ্রলোক হিন্দু বাঙালি নিজের সুবিধার্থে ব্রিটিশ উপনিবেশকে নৈতিক লেজিটিমেসি দিয়েছিল, মুসলমানদের তাঁবে থাকা যায় না বলে দেশভাগ জনিত অবর্ণনীয় উদ্বাসনকে নৈতিক লেজিটিমেসি দিয়েছিল। আবার বিংশ শতাব্দী পার করে তারাই ব্র্যান্ড বুদ্ধের হাওয়ায় ড্রাকোনিয়ান জমিদখলকে নৈতিক লেজিটিমেসি দিল, এখন তারাই প্রান্তিক মানুষকে বেনাগরিক করে দেওয়ার নিষ্ঠুর ফ্যাসিস্ট চক্রান্তকে নৈতিক লেজিটিমেসি দিচ্ছে।

    আমার কাছে কিন্ত এটাই ভদ্রবিত্তের স্বাভাবিক পর্বান্তর। এরা যে কীভাবে একসময় সেকুলার সাজার ভড়ঙ ধরেছিল তা ঈশ্বর-ই জানেন। বাঙালি যখনই একদিকে মধ্যযুগের ভক্তি ও পীর-মাজার সঞ্জাত নিবিড় সিঙ্ক্রেটিক সংস্কৃতি ও একই সঙ্গে বিপুল জনজাতির প্রকৃতিকেন্দ্রিক আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যকে জলাঞ্জলি দিয়ে ইউরোপীয় মডেলের যান্ত্রিক সেকুলারিজমকে নকল করতে শুরু করেছে তখন থেকেই এই বিপদের বীজ বোনা শুরু হয়েছে। পশ্চিমা সেকুলারিজমে যেমন হোয়াইট সুপ্রিমেসি আর জায়নবাদ তার অন্তরবস্তুতে সযত্নে নিহিত থাকে এদের মধ্যেও তেমনি অন্তরবস্তুতে নিহিত ছিল চোরা ব্রাহ্মণ্যবাদ। এখন পালে হাওয়া পেয়ে সেই মনুবাদী ফল্গুধারা হৈ হৈ করে বেরিয়ে এসেছে।
     
    মনে রাখতে হবে তিরিশের হিটলারি ফ্যাসিজম থেকে আজকের এই ফ্যাসিজম কিন্তু অনেক আলাদা। এই ফ্যাসিজম উপর থেকে ইমপোসড নয়, এর কার্যপ্রণালী হল ইনউইদিন। সেই ইনউইদিন বিষ প্রক্রিয়ার সবচেয়ে জোরালো অনুঘটক হল আজকের এই বাঙালি এলিট ভদ্রবিত্ত ক্লাস যাদের, ঘাড়ে-পাউডার-ওলা রবীন্দ্রচর্চায় না ভুলে, অনেক কাল আগেই চিহ্নিত করা উচিত ছিল। জানি না হয়তোবা তাহলে বহুত্ববাদ বিরোধী ফ্যাসিস্ট দুষ্ট গ্রহটি বাংলায় অন্তত এতটা জাঁকিয়ে বসতে পারত না। কিন্ত সে তো হয়নি বরং এরাই ক্রমশ বাংলার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে। আর এমনকি নিচের সারির, গ্রাম মফস্বলের উচ্চাকাঙখী বাঙালি মধ্যবিত্তের মননেও স্বাভাবিক রোল মডেল হয়ে উঠেছে। অথচ সংস্কৃতিমন্য বাঙালি তো ভাবেনি যে বাংলাভাষা টিঁকে আছে সে তো শুধুই ছোটলোকের মুখে মুখে - বাংলার ধর্মব্যাখ্যা নিহিত আছে এখনো সে তো ছোটলোকের বনবিবির থানে।

    ইতিহাস থেকে বাঙালি শিক্ষা নিয়েছে কি! বোধহয় না। আশেপাশের মানুষজনদের দেখে আর চমকে উঠছি না। এরাই তারা। ফ্যাসিজমের কুঠার আমাদের গলা প্রায় ছুঁয়ে ফেলেছে। তারা উল্লসিত। তিরিশ লক্ষের মতো মানুষ বেনাগরিক হয়ে গেলেন। তারা উল্লসিত। ছোটোলোক কাজের মেয়েদের বাড় বেড়েছে, কাজে মন নেই, এবার 'ডোল' বন্ধ হলে এরা আবার লাইনে আসবে। তারা উল্লসিত। কন্ধমালে গুলি চালিয়ে আদিবাসীদের গ্রাম খালি করা হচ্ছে। তারা উল্লসিত। হিন্দুত্ববাদী বঙ্গীয় শীর্ষনেতা অন-ক্যামেরা বাংলায় গাজা ট্রিটমেন্ট নামিয়ে আনবে বলছে। তারা উল্লসিত। মুসলমানদের খুবই বাড় বেড়েছে, এবার বুলডোজার দাওয়াই শুরু করে তাদের সীমান্তের ওপারে ছুঁড়ে ফেলা হবে। তারা উল্লসিত। আমি অবাক আর হই না। আমি তো ছোট থেকেই এদের চিনি।

    এই ভোটে যদি মমতা যেতেনও, তবু বিপদ রয়ে যাবে। কারণ সংখ্যায় কম হলেও বাংলার সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্রাহ্মণ্যকেন্দ্রে এরাই থেকে যাবে। আবার এর উল্টোদিকে যারা আছে বলে অন্তত দাবি করে তাদের খুব একটা বেশি আলাদা বলে আজকাল আর সত্যিই মনে হয় না। আরজি করের মর্মান্তিক ঘটনায় যখন শহরের রাস্তায় রাত দখল হচ্ছিল, যে আন্দোলন অতি সঙ্গত ছিল, সেখানেও আমি নিজে জানি একটা বড় অংশ যত না নিহতের জন্য ব্যথিত ছিল, ঘটনাটিকে, তার চেয়েও বেশি ছোটোলোক মমতার প্রতি ঘৃণাবর্ষণের সুযোগ হিসেবে দেখেছিল। কারণ এদেরই আমি দেখেছি বিলকিস বানোর ঘটনায় মুসলমানদের টাইট দিতে পেরে ভেতরে ভেতরে অতিশয় আনন্দিত। জানি এমন তো হবারই, তবু খারাপ লাগে বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে। যখন যাদবপুরের স্বনামধণ্য 'প্রগতিশীল' বামপ্রার্থীর ইন্টারভিউতে দেখি তাঁর কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত সহযোগী উদিয়মান তরুণ কমরেড নিজের, প্রার্থীর ও প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর একই উচ্চবর্ণ পদবির ত্রিভুজ লিডারশিপের প্রসঙ্গ আনেন, এবং একই সঙ্গে ঘোষণা করেন বাংলার ক্ষমতায় এবার শিক্ষিত ভদ্রলোকের প্রত্যাবর্তন দরকার, তখন বোঝা যায় সেই বিষাক্ত ভদ্রবিত্ত বীজের ঝাড় বামে ডানে কতদূর পর্যন্ত অন্তরবস্তুতে জায়মান।
     
    না, মমতা ব্যানার্জী শেষপর্যন্ত জয়ী হলেও ফ্যাসিজমের বিপদ যাবে না। সারা দেশে ইতিমধ্যেই তা গভীরে প্রতিষ্ঠিত। শুধু একটি লাভ হবে। আগামীতে বাংলা যদি একটি ফ্যাসিস্ট পরগনায় পরিণত হয় তাহলে তার রাজাকারের ভূমিকায় কারা ছিল তা এখনই চিহ্নিত হয়ে যাবে।বাঙালি এলিট ভদ্রবিত্তের প্রগতিশীলতার পার্মাফ্রস্ট গলে গিয়ে তার অন্তর্নিহিত শতাব্দীপ্রাচীন মারণ ভাইরাসগুলি বেরিয়ে পড়ার ফলে আগামীর সাপেক্ষে তাকে এবার চিহ্নিত করা সহজ হবে। এদের তৈরি করা শতাব্দীপ্রাচীন প্রবল হেজিমনি থেকে বাংলার সাধারণ মানুষের, বাঙালির আপন দেশজ সংস্কৃতির নিদেনপক্ষে নিষ্কৃতির একটা সম্ভাবনা, আশা করা যায়, তৈরি হবে।
     
    তাই আমি সর্বান্তকরণে অন্তত এই ভোটে, 'ছোটলোকের' জয় চাই।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 2607:fb91:458:55c1:f507:497:c429:***:*** | ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ০৪:০১740331
  • দুর্দান্ত। এর চেয়ে স্পষ্ট করে বলা অসম্ভব।
    এমন জোরালো লেখার জন্য -- অকুন্ঠ অভিনন্দন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন