এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • সুভাষের বৈপ্লবিক রাজনীতি এবং কিছু অর্ধ সত্য নিয়ে আলোচনা

    দেবাদিত্য রায়চৌধুরী রানা লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ৬৮ বার পঠিত
  • আজ সেই পুণ্যদিবস - ২৩ই জানুয়ারী। এবং এই সাল অর্থাৎ ২০২৬ হলো বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনী সাল। বিধানসভা নির্বাচন এবং সুভাষের রাজনীতিকে কেন একযোগে আনলাম তার কারণ আবারো চারিদিকে শুরু হয়েছে (ঠিক ২০২১ এর মতন) অর্ধ সত্য তুলে ধরার কুরাজনীতি। বাঙালি আইকনদের কেন্দ্র করে অর্ধ সত্য তুলে ধরার ন্যারাটিভ কে কাউন্টার করা খুব জরুরি। কাউন্টার করার পথ হলো সম্পূর্ণ uncluttered সত্যকে তুলে ধরা।
     
    সুভাষ বোস এবং তার রাজনৈতিক জীবনকে নিয়ে আলোচনা করতে গেলে আমরা অনেক সময়ে কিছু বেঠিক অতিসরলিকরণ করে ফেলি। কিছু রাজনৈতিক আলাপ আলোচনা জরুরি সেই বিষয়ে। 
     
    প্রথমেই সরলিকরণের একদম সঠিক জায়গা গুলো দেখে নেওয়া যেতে পারে। কংগ্রেসের অন্দরের দক্ষিণপন্থী, গান্ধীবাদী এক অংশের প্রভাবে সুভাষবাবুর বিপ্লবী রাজনৈতিক পথ ক্রমশই কংগ্রেসের অন্দরে কোনঠাসা হয়ে পরে। এই অংশের প্রভাব মূলত আর্থিক resources, জাতীয় বুর্জোয়া শ্রেণীর প্রভাব, ব্রিটিশদের সাথে "some sort of mediation" এইসবই বোঝাচ্ছি। কংগ্রেসের সাধারণ কর্মীরা কোন দিকে ছিল সেটা হরিপুরা অধিবেশন এবং তারপর ত্রিপুরী অধিবেশন থেকে পরিষ্কার ছিল। সেই সময়ে গান্ধীজি কংগ্রেসের father figure হলেও সুভাষবাবুর প্রভাব ছিল সবচেয়ে উজ্জ্বল, আপোষহীন, dynamic, accepted এবং বিপ্লবী। 
     
    সুভাষবাবু ছিলেন unapologetically Socialist politically, a rather radical সোশ্যালিস্ট। আজীবন পন্ডিত নেহেরু ছিলেন গান্ধীবাদী। নেহেরুকে তার সময়ের একাংশ এবং পরবর্তী সময়ের কিছু ইতিহাসবিদ যতই সমাজতান্ত্রিক ঘরানার বলে চালানোর চেষ্টা করুক, নেহেরু স্পষ্টরূপে ছিলেন Fabian Socialist (অর্থাৎ ঐ gradual reform হবে টুকটুক করে, মানে কোনোদিনi হবেনা আরকি) tends towards State Capitalist and not a radical Socialist by any stretch of imagination। ব্রিটিশদের কাছে এই Fabian Socialism অনেক বেশি পছন্দের বাঁ acceptable ছিল in comparison to Subhas' radical breed of revolutionary Socialism। মতাদর্শগত ফারাক বিভেদ ছিলই সুভাষবাবু এবং নেহেরুর। এর ফলে ঐ "প্রভাবশালী" অংশের (এবং ব্রিটিশ রাজের) সমর্থন প্রত্যক্ষ ও পরক্ষভাবে নেহেরুর চিন্তাধারাই পায়। এগুলো মূলত প্রতিটা ভারতবাসী, মূলত বাঙালির জানা। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যেগুলোকে ইচ্ছাকৃত ধামাচাপা দিয়ে লুকিয়ে রাখা হয়, অতীতে কংগ্রেসর দ্বারা, এবং বর্তমানে বিজেপির দ্বারা। 
     
    গান্ধীজির ঘরানার রাজনীতির একমাত্র বড় প্রভাবশালী নেতা কিন্তু নেহেরু নন। দেশীয় পুঁজিপতিদের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ ছিলেন সরদার ভাল্লাবভাই প্যাটেল। প্যাটেল ছিলেন বিড়লাদের, যামুনালাল বাজাজদের অত্যন্ত কাছের মানুষ। কংগ্রেসের অন্দরের ফিনান্স পুরোটাই দেখতেন এই মানুষটি, কারণ কংগ্রেসের ফান্ডিংকে কুক্ষিগত করে রাখার এক প্রবণতা ছিল সেই মতিলাল নেহেরুদের সময় থেকেই। সেই ধারাই বহন করতেন প্যাটেল সাহেব।
     
     এর সাথে একটি খুব বড় ঘটনা হলো সরদার প্যাটেল এর দাদা ভিথালভাই পাটেলের দলিল সংক্রান্ত আইনি জটিলতা। ভিথালভাই নিজের সম্পত্তি, resources দিয়ে যান সুভাষবাবুকে যাতে উনি স্বাধীনতা সংগ্রামকে সঠিক পথে নিয়ে যেতে পারেন এই বলে। এটাই দলিলে লেখা ছিল। কিন্তু দলিল বাস্তবায়ন এর সময়ে সরদার প্যাটেল আইনি জটিলতা তৈরী করেন। এক ব্রিটিশ পেটোয়া জজসাহেব (জাস্টিস Wadia) রায় দেন যার দ্বারা সুভাষবাবুর পক্ষে ভিথালভাইয়ের সম্পত্তি ব্যবহার করা অসম্মানজনক এবং অসম্ভব হয়ে ওঠে। এই ঘটনা একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক যার দ্বারা আমাদের বোঝা সম্ভব যে ব্রিটিশ রাজ, জাতীয় পুঁজিপতিরা এবং তাঁদের স্নেহধন্য নেতারা কতটা সুভাষবিরোধী ছিলেন। শুধু তাই না, স্বাধীনতা সংগ্রামের রেডিকাল পথের ও বিরোধী ছিলেন এনারা তাই এনাদের চক্ষুশুল সুভাষ ও সুভাষের রাজনৈতিক পথ। 
     
    সুভাষবাবু রেডিকাল সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন। ওনার post-independence socioeconomic idea of India র একটা বড় জায়গা ছিল ভারতের শিল্পের রাষ্ট্রীয়করণ (Nationalization of Industries), redistribution of land, land reforms, abolition of Zamindari system ইত্যাদি। Socialism এর দ্বারা দেশের বেরোজগারীকে, দারিদ্রকে, অশিক্ষাকে অনেকটাই মোকাবিলা করা যেত মনে করতেন সুভাষবাবু। সুভাষবাবু এই কথাগুলো বহু জায়গায় স্পষ্টোভাবে বলেছেন, লিখেছেন, সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো হরিপুরা কংগ্রেস অধিবেশন।কিন্তু এটাতো মোটেই বিড়লা, বাজাজদের ভালো লাগার কথা না। গরীবের সম্পদ লুট করে বানানো সম্পত্তি (production mechanism) হট করে সরকার দখল নিয়ে ব্যবহার করবে গরীবের জন্যে এতো মোটেই পুঁজিপতিদের ভালো লাগার কথা না। ইতিহাস সাক্ষী যে কিভাবে বিড়লারা প্রতিনিয়ত সুভাষবাবুর রাজনীতির বিরোধ করে গেছেন কলকাতাতেই বসে। বিড়লারা বারবার গান্ধীজিকে পত্র পাঠিয়েছেন সুভাষবাবুর নামে দোষারোপ করে। এইগুলো আবারো প্রমাণ করে কিভাবে আমাদের দেশের হাতে গোনা কিছু পুঁজিপতি, তাঁদের স্নেহধন্য নেতাদের দিয়ে এবং গরিবের থেকে লুঠ করা সম্পদ দিয়ে সুভাষবাবুকে কোনঠাসা করে বাধ্য করেন বিকল্প সংগ্রামের পথ বেছে নিতে। 
     
    নেহেরুকে দোষারোপ এর অংশটা সর্বজনজ্ঞাত এবং সর্বজনস্বীকৃত এবং ১০০% সত্য। কিন্তু সর্দার প্যাটেল, বিড়লা, বাজাজদের অংশটা সাধারণ বাঙালির কাছে খুবই উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে লুকিয়ে রাখেন আজকের কেন্দ্রের শাসকরা। তারা নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়িত করতে সুভাষ এবং প্যাটেলকে hyphenate করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। তারা প্রতিনিয়ত সুভাষবাবুর socioeconomic রাজনৈতিক চিন্তাকে মানুষের থেকে সরিয়ে রাখতে বদ্ধপরিকর। কিন্তু ইতিহাস থেকে স্পষ্ট যে রাজনৈতিকভাবে hyphenate করতে গেলে করতে হয় নেহেরু, প্যাটেল, বিড়লা, বাজাজদের। এই hyphenation এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভাবে লড়েছিলেন সুভাষবাবু। তাই সরলিকরণ না করে বোঝা জরুরি যে সুভাষবাবুর সাথে যে অন্যায় ঘটেছিলো that was political in nature and driven by all kinds of socioeconomic reasons। 
     
    এছাড়াও আমরা সকলেই মোটের উপর ওয়াকিবহাল কিভাবে সুভাষবাবু চিরকাল হিন্দু মহাসভা এবং মুসলিম লীগের ধর্মকে রাজনীতি তে টেনে আনার ঘোর বিরোধী ছিলেন। উনি প্রত্যক্ষ ও পরক্ষ ভাবে হিন্দু মহাসভার বিভেদকারী রাজনীতিকে সর্বসময় মাঠে নেমে বিরোধ করেছেন এবং হিন্দু মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের কাছে আবেদন করেছিলেন এই নক্কারজনক ধর্মভিত্তিক রাজনীতিকে প্রত্যাখ্যান করার জন্যে। আজ সুভাষবাবুর এই রাজনৈতিক শিক্ষা ও আবেদন আমাদের স্বরণে রাখা আরো বেশি জরুরি যখন ধর্মের বিভেদকারী কারবারিরা তাঁদের বিষাক্ত নিশ্বাস ছড়িয়ে দিতে নেমে এসেছে রাজনৈতিক ময়দানে। 
     
    সাথে এটাও জরুরি মনে রাখা সুভাষবাবুর রাজনৈতিক জীবন এলগিন রোড থেকে বেরিয়ে আফগানিস্তান হয়ে জার্মানি চলে যাওয়া দিয়ে শুরু নয়। ওনার দুই দশকের সংগ্রামময়, বৈপ্লবিক, বৈচিত্রময় রাজনৈতিক জীবন রয়েছে এই দেশের মাটিতে, বাংলার মাটিতে। সেটা নিয়ে আরো অনেক বেশি চৰ্চা জরুরি। 
     
    স্বাধীনতার পূর্বের এবং অনেক ক্ষেত্রে পরের রাজনীতিতে কংগ্রেসি ঘরানার নেতারা (আজ সেই ঘরানার নেতারা অনেকেই কেন্দ্রের শাসক ক্যাম্পে ) লুটেরা পুঁজিপতিদের বিরোধী নেতাদের কোনঠাসা করে দেওয়া নতুন না। বহু ক্ষেত্রেই বাংলার আইকনদের ও রাজনীতিবিদদের দিল্লির মসনদে বৈমাতৃক আচরণের শিকার হতে হয়েছে।  সুভাষবাবুর  আগে এই অন্যায় হয়েছে দেশবন্ধুর সাথে। তাকে কোনঠাসা করে জাতীয় রাজনীতি থেকে ব্রাত্য করে দেন মতিলালরা (পন্ডিতজির পিতা) । সেটা নিয়ে না হয় আরেকদিন আলাপ হবে।
     
     
    References -
     
    1.https://share.google/4wJqUynFG98crem6X
     
    2.https://share.google/iEOz74dhDdpuLk1ec
     
    3.https://www.netajisubhasbose.org/post/the-will-of-vithalbhai-patel
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:e02c:9145:85df:***:*** | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০০:২৬738063
  • বেশ 
  • Ranjan Roy | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০২:৫১738064
  • পড়লাম।
    নেতাজির চিন্তাধারায় লিবারেল ওয়েলফেয়ার স্টেটের ধারণা দেখতে পাচ্ছি।  কিন্তু "র‍্যাডিক্যাল সোশালিজম" কোথায়?
     
     
    আপনার ফুট নোটের সাহায্যে ডক্টর অর্পিতা মিত্রের লেখা পড়ে বলছি।
  • &/ | 107.77.***.*** | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:২২738065
  • এঁদের  নামগুলি  আসলে  কী ?  বল্লভ  না  ভল্লব ? ভিথাল  না  বিতাল ? না অন্য  কিছু ?
  • &/ | 107.77.***.*** | ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ ০৪:২৪738066
  • ইনি কি হিসাবে   ভাল্লাব  ভাই  লিখলেন ?  এ আই ?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন