একটি চুতিয়া জাতির চারটি প্রশ্ন ও উত্তর -
প্রশ্ন নং ১) বাংলাদেশের একমাত্র শত্রু ভারত উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
উত্তর : এটি আসলে আমাদের ঈমানের অংশ। আমরা যেমন করে আল্লাহ ও তার রসূলকে বিশ্বাস করি তেমন করে ভারতকে শত্রু মনে করি। আল্লাহর প্রমাণ যেমন কোন যুক্তি দিয়ে সম্ভব নয় তেমন ভারত আমাদের শত্রু সেটাও যুক্তি দিয়ে সম্ভব নয়। আমাদের তেমন কোন ঐতিহাসিক প্রমাণ না থাকলেও এটি বিশ্বাস না করলে ঈমান থাকবে না। কোনদিন বাংলাদেশের কোন অংশ দখল না করে, তাদের সৈন্য আমাদের দেশে কখনোই আগ্রাসন না চালিয়েও আমাদের ঈমানী শত্রু হচ্ছে ভারত। ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে ৪টি। কিন্তু উপমহাদেশের ইসলামের স্তম্ভ হচ্ছে ৫টি। এই শেষ স্তম্ভটি হচ্ছে হিন্দু ও ভারত বিরোধীতা। এটায় বিশ্বাস না করলে ঈমান থাকবে না।
প্রশ্ন নং ২) পাকিস্তান আমাদের বড় ভাই কেন ও কিভাবে?
উত্তর : কারণ একমাত্র ভাই ভাই হলেই সম্ভব হাজার বার পুটকি মারলেও মনের মধ্যে রাগ গোস্বা এক সময় চলে যাবেই। ২৩ বছর এক সংসারে ছিলাম আমরা। বড় ভাই পাকিস্তান উঠতে বসতে বলতো, হালা কমজাতের মুসলমান! বলদের মত খাটায় মুনাফাটা বড় ভাই রেখে দিতো। পরে যখন সংসারে অশান্তি লাগলো গণহত্যা, ধর্ষণ, লুটপাট করে স্তব্ধ করে দিলেও বড় ভাই পাকিস্তানের প্রতি আমাদের কোন ক্ষোভ নাই। কারণ কবি বলেছেন, ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন, বিচ্ছিন্ন হয়েছিল শুধু ইন্দিরা গান্ধী কারণ!
প্রশ্ন নং ৩) ভাব সম্প্রসারণ : সৌদি কইছে চুদির ভাই আনন্দের আর সীমা নাই।
উত্তর : আলোচ্য কবিতার লাইনে কবি যদিও বলছেন সৌদি আমাদের চুদির ভাই ডাকে, কিন্তু সৌদি হচ্ছে আমাদের বড় আব্বা! আব্বা তার সন্তানকে ভাই ডাকে কিভাবে। যাই হোক, সৌদি আমাদের মিসকিন ডাকলেও খুশি লাগে। এজন্যই বাংলা সিনেমার একটা গান আছে, মন্দ হোক ভালো হোক, বাবা আমার বাবা, পৃথিবীতে বাবার মত আর আছে কেবা! যদিও বাবা হিন্দুদের ডাক, আমরা বলবো আব্বু, আব্বা। আমাদের ভাষা যেন হিন্দুদের থেকে আলাদা হয় তাই স্বাধীনতাকে বলবো আজাদী, ন্যায় বিচারকে বলবো ইনসাফ, বিপ্লবকে বলবে ইনকিলাব, জাতিকে বলবো কওম। আমাদের জাতীয় সংগীতে আম গাছের কথা আছে। এই জন্য বলি এটা ভারতীয় বয়ান। মুসলমানদের গাছ হচ্ছে খেজুর গাছ। আমরা গাইবো খেজুর গাছের গান। তবু সৌদিরা আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করবে এতে আমাদের অপমানিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ আব্বু অপমান করলে সেটা ধরতে নাই!
প্রশ্ন নং ৪) চুতিয়া কি? আমাদেরকে চুতিয়া বলা হয় কেন?
উত্তর : চুতিয়া হচ্ছে তারা যারা নিজেরা মুসলিম কান্ট্রি ইসলামী কান্ট্রি বানায় কিন্তু অন্যকে ধর্মনিরপেক্ষ হতে বলে। চুতিয়ার একটা বড় উদাহরণ হচ্ছে দেওবন্ধ মাদ্রাসা। তারা একবার গণমোনাজাতে ভারতে সেক্যুলার দল যেন নির্বাচনে জিতে দোয়া করেছিল। অথচ তারা বিশ্বাস করে গজওয়াতুল হিন্দ করে ভারতে ইসলামী শাসন কায়েম হবে! আমাদেরকে এজন্য সারাবিশ্বে চুতিয়া বলা হয় কারণ আমরা পাকিস্তান আফগানিস্তান সাপোর্ট করি কিন্তু যেতে চাই ইউরোপ আমেরিকা! আমরা কথায় কথায় বলি ৯০ ভাগ মুসলমানদের দেশে এটা চলবে না ওটা চলবে না কিন্তু ৯৫ ভাগ খ্রিস্টান হিন্দু বৌদ্ধদের দেশে সমান অধিকার চাই! আমরা শরীয়া শাসন চাই কিন্তু কেউ আফগানিস্তান সৌদি আরব থাকতে চাই না! এটাকেই বলে চুতিয়া।
#indian #Bangladesh #Pakistan
©সুষুপ্ত পাঠক