এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   সমাজ

  • বর্তমান বাংলাদেশ!!!

    দীপ
    আলোচনা | সমাজ | ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩৯২ বার পঠিত | রেটিং ১ (১ জন)
  • সুষুপ্ত পাঠকের কলমে বর্তমান বাংলাদেশ! 
    নুনুস সরকার ও ধর্মোন্মাদ গর্দভকুল বাংলাদেশকে ধ্বংসের পথে নিয়ে চলেছে! আন্তর্জাতিক শক্তি কূটনৈতিক স্বার্থে উপমহাদেশে আগুন জ্বালাচ্ছে, সেই আগুনে জ্বলছে বাংলাদেশ! এখনো সচেতন না হলে কিছু করার নেই, ধ্বংস‌ই এদের চূড়ান্ত নিয়তি! হয়তো সেই রক্তক্ষয়ী ধ্বংসের মধ্যে দিয়েই নতুন বাংলাদেশ তৈরি হবে!
    -------------------------------------------------------------------
     
     
    কয়েকদিন আগের একটা লেখায় আমি বলেছিলাম, আমার খারাপ লাগছে দেশের প্রধান দুই মিডিয়া প্রথম আলো ডেইলি স্টারের অস্তিত্ব আর থাকবে না। কেন বলেছিলাম গতকাল রাতে এই দুই পত্রিকা অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়া থেকে বুঝতে পেরেছেন। কারা আগুন দিয়েছে? এতদিন ৩২ নম্বর থেকে মুক্তিযুদ্ধ, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী থেকে সমর্থক, সকলের বাড়ি প্রতিষ্ঠানে আগুন দাতাদের পরিচয় করিয়ে দিতো এই প্রথম আলো ডেইলি স্টার – “ছাত্রজনতা”! এই বর্বর জঙ্গি জনগোষ্ঠিকে’ ছাত্রজনতা পরিচয় করিয়ে সমস্ত ফৌজদারী অপরাধকে পত্রিকা দুটি বৈধতা দিয়ে গেছে। গতকাল সেই ছাত্রজনতাই প্রথম আলো ডেইলি স্টারে আগুন দিয়েছে। তাদের আজকের প্রকাশনা বন্ধ রয়েছে। কথিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে তাদের একদিনের জন্য প্রকাশনা বন্ধ থাকেনি। অথচ কয়েকদিন আগেই প্রথম আলো সম্পাদক দম্ভ করে বলেছিলেন, আওয়ামী লীগ পালিয়েছে আর তিনি দেশের প্রধান মিডিয়া হিসেবে দাঁড়িয়ে আছেন।

    যদি আপনাদের স্মরণে থাকে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান এক অনুষ্ঠানে ইনুছের প্রেস সচিব, এনসিপির নাহিদ সার্জিসদের হাত ধরে বাহবা দেয়ার মত চাপড়ে দিয়ে হাসতে হাসতে বত্রিশ দন্ত বিকশিত করার ভিডিও। মনে আছে প্রথম আলোর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে মতিউর রহমান বলেছিলেন, প্রথম আলো ধ্বংস করতে চেয়েছিল আওয়ামী লীগ এখন শেখ হাসিনা ভারতে আর প্রথম আলো বাংলাদেশের প্রধান মিডিয়া। বর্তমান ইনুছ সরকার ও এনসিপি এবি পার্টি তথা কিংস পার্টিগুলোর মিডিয়া পার্টার হিসেবে প্রথম আলো নিউজকে কখনো চেপে গেছে, কখনো বিকৃত করেছে, কখনো বায়াস নিউজ করেছে। এমনকি জরিপে ইনুছ সরকারের উপর জনগণ সন্তুষ্ট বলেও প্রচার করেছে। নিশ্চয় প্রথম আলো বিগত ১৭ বছরের তুলনায় গতকাল সবচেয়ে ভালো অবস্থায় ছিল। প্রথম আলো গণভবনে ঢুকতে দেয়া হতো না আর গতকাল প্রথম আলোতে আগুন দিয়েছে। মতিউর রহমান চালাক চতুর বলে গতকাল রক্ষা পেয়েছেন, কিন্তু নুরুল কবীর মনে হয় ততটা চালাক চতুর নন। কাজেই ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে নুরুল কবীর গতকাল তাদের কাগজের অভিধা হিসেবে “ছাত্রজনতার” হাতে ক্যালানি খেয়েছেন সেনাবাহিনীর সামনেই!

    ওসমান হাদীকে প্রথম আলো, ডেইলি স্টার, নিউ এজ যে পরিমাণ কভারেজ দিয়েছে, এ মবস্টারকে জাতীয় বীর বানিয়েও সেই হাদী সমর্থক বা গোষ্ঠির হাতে গতকাল প্রথম আলো ডেইলি স্টার ভষ্মিভূত হয়েছে। আর নুরুল কবীর সাংবাদিকতার শেষ জীবনে এসে মার খেলেন। কথিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা কল্পনাও করতে পারতেন না নুরুল কবীরের উপর কেউ হাত তুলতে পারে, প্রথম আলো অফিসে আগুন দিতে পারে। এই নুরুল কবীর তার নিউ এজ পত্রিকায় মাদ্রাসার ছাত্রদের চাকরি দিতেন। তিনি ইনক্লুসিভ মানে সমাজে মৌলবাদী প্রগতিশীল নারীবাদী নারী বিদ্বেষী, অসাম্প্রদায়িক, সাম্প্রদায়িক সকলকে মিলে চলতে হবে এমনটায় বিশ্বাস করতেন। গতকাল তাঁকে এই মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের ইনকিলাব জনতাই জিন্দাবাদ করে দিয়েছে! সমাজ কখনো সাম্প্রদায়িক নারীবিদ্বেষীদের নিয়ে ইনক্লুসিভ হতে পারে না। এটি গতকালের পর কি তারা বুঝতে পারবে?

    জ্বি না। আপনারা লিখে রাখেন, মতিউর রহমান, মাহফুজ আনাম, নুরুল কবীর এরা মার হজম করার পর এই ঘটনার পিছনে ভারতের স্বার্থ দেখতে পাবে এবং ডক্টর ইনুছের পাছা রক্ষার জন্য যা যা করার দরকার তাই করবে। আজকের প্রেক্ষাপট তৈরি করতে তাদের তিরিশ বছরের বেশি সময় লেগেছে। ডক্টর ইনুছকে তৈরি করার দায়িত্ব ছিল প্রথম আলো ডেইলি স্টারসহ সুশীল সমাজের হাতে। ফলে তাদের আর পিছন ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই।

    ছায়ানটে হামলা করেছে জুলাই যোদ্ধারা। এগুলো হচ্ছে তাদের চোখে কালচারাল ফ্যাসিস্ট। পরশুদিন হাসনাত আবদুল্লাহ এই কালচারাল ফ্যাসিস্টদের প্রতিহত করার ঘোষণা দিয়েছিল। তার পরদিন ছানানট পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। সারারাত ধরে কালচারাল ফ্যাসিস্ট নিধন ও ভারতীয় দুতাবাস, কর্মকর্তাদের বাড়িতে হামলা চলেছে আর ইনছ সরকার বসে বসে মজা দেখেছে। ছাত্রলীগের একটা লাঠির বাড়ির জন্য যদি শেখ হাসিনা দায়ী হন তাহলে এগুলো জন্য ডক্টর ইনছ দায়ী নন? এই হাসনাত সার্জিস নাহিদ আসিফদের উস্কানি দায়ী নয়? বাংলা সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্রের উপর মৌলবাদের ক্ষোভ তো সকলের জানা। জুলাই যোদ্ধা বলতে যে এই সকল মৌলবাদীদের বুঝায় এটি এখনো যারা স্বীকার করবে না তাদের নুরুল কবীরের মত ক্যালানি খাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

    বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ এখন বাংলাদেশের হাতে নেই। এটাকে গৃহযুদ্ধের দ্বারপ্রান্ত বলে। এটার জন্য দায়ীদের একদিন বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। কিন্তু সেসব পরের কথা। এখন বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক মহল ধমকধামক না দিলে এই দেশটা আর রক্ষা পাবে না। ইন্দিরা গান্ধীর এক থ্রেটে ৭৫ পরবর্তী সম্ভাব্য গৃহযদ্ধ রুদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি আর ইন্দিরা গান্ধী এক কথা নয়।

    একটা কথা বলি, ইনুছ সরকার একটি করে দিন থাকবে আর বাংলাদেশ গৃহযুদ্ধ জড়ানোর পথে একটি করে পা বাড়াবে। সমাধান আমাদের কাছেই আছে। একটি নিরপেক্ষ তত্ত্ববধায়ক সরকারের হাতে ইনুছ সরকার ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশের সমস্ত দল; আওয়ামী লীগসহ একটি নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করাই এই দেশটিকে বাঁচাতে পারে। নইলে সিরিয়া আফগান ইউক্রেন মিলে একটা ক্যারিকেচার চরিত্র পাবে বাংলাদেশ!

    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2401:4900:713b:9d73:8469:b942:f619:***:*** | ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১০:৫২746394
  • ওরা তসলিমার ফাঁসির দাবিতে দেশ জুড়ে জিহাদি তাণ্ডব চালিয়ে ছিল, 
    দেখেছি কিন্তু প্রতিবাদ করিনি। 
    ওরা তসলিমার মাথার মূল্য ধার্য করেছিল, 
    শুনেছি কিন্তু প্রতিবাদ করিনি। 
    কারণ তসলিমা তো রাখঢাক করে কিছু লেখে না, 
    ধর্মের নিন্দে করলে এমন তো হবেই! 
    --
    এরপর ওরা মুক্তচিন্তকদের কুপিয়ে মারতে শুরু করলো, 
    রাজীবকে মারলো, 
    এরপর অভিজিৎকে,
    এরপর ওয়াশিকুরকে, 
    এরপর অনন্তকে, 
    এরপর নিলয়কে, 
    এরপর দীপনকে, 
    এরপর সামাদকে। 
    দেখেছি, কিন্তু প্রতিবাদ করিনি। 
    কারণ ওরা ইসলামের সমালোচনা করেছিল, 
    কী দরকার ছিল করার, কী দরকার ছিল
    মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার! 
    --
     
    ওরা আসিফকে কোপালো, ওরা টুটুলকে কোপালো, 
    ওরা আসাদকে জেলে দিল, 
    ওরা মাসুদকে দেশছাড়া করলো,
    ওরা ইমরানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালো,
    শুনেছি কিন্তু প্রতিবাদ করিনি, 
    শত শত মুক্তচিন্তক প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে যাচ্ছে দেশ থেকে, 
    দেখেছি কিন্তু প্রতিবাদ করিনি। 
    কারণ উচিত শিক্ষাই তো পেয়েছে! 
    নাস্তিকতার প্রচার করতে গিয়েছিল কেন? 
    মুখ বুজে থাকলেই তো অঘটন ঘটে না। 
    --
    ওরা হিন্দুদের বাড়িঘরে আগুন দিল,
    মন্দির ভাঙল, দোকানপাট লুঠ করলো, 
    জমিজমা কেড়ে নিল,
    নিরপরাধ হিন্দুকে খুন করলো, 
    হিন্দু নেতাকে জেলে ঢোকালো
    প্রতিবাদ করিনি। 
    ওরা বৌদ্ধদের বাড়িঘরও জ্বালিয়ে দিল
    প্রতিবাদ করিনি। 
    ওরা আদিবাসিদের নির্যাতন করলো, 
    প্রতিবাদ করিনি। 
    হিন্দুরা, বৌদ্ধরা, আদিবাসিরা যখন দেশ থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল, 
    দেখেছি, প্রতিবাদ করিনি। 
    কারণ সংখ্যালঘু তো সারা বিশ্বেই ভোগে, 
    এ তো নতুন কিছু নয়। 
    আমি মুখ বুজে ছিলাম। 
    --
    দশকের পর দশক আমি মুখ বুজে ছিলাম। 
    আমি সাবধানী আধুনিক, 
    কথাই তো আছে সাবধানের মার নেই। 
    প্রয়োজনে জিহাদিদের কার্যকর্মে হাততালি দিই, 
    বন্ধুও পাতিয়েছি দু'একজনের সঙ্গে, 
    যেন কেউ আমার প্রগতিশীলতা, আমার নাস্তিকতা, 
    কোনও ফাঁক-ফোকর দিয়ে দেখার চেষ্টা না করে।  
    তারপরও, আশ্চর্য, তারপরও আমার দিকে ওরা ধেয়ে আসছে
    আমার বাড়িঘর ভেঙে ফেলছে, আমি চিৎকার করছি, 
    কিন্তু কেউ আসছে না আমাকে রক্ষা করতে! 
    ওরা আমার টুঁটি টিপে ধরেছে, 
    আমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করছে,
    আমি আতঙ্কে আর্তনাদ করছি, 
    কিন্তু হায়, চারদিকে কেউ নেই আমাকে বাঁচাতে আসার!
     
    লিখেছেন তসলিমা নাসরিন।
  • দীপ | 2402:3a80:1971:17fa:578:5634:1232:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:২৮746401
  • সব কিছু গুলিয়ে দেবেন না -এটা নষ্টামি :

    বাংলাদেশে দীপু দাস কে অর্ধমৃত করে  গাছে টাঙিয়ে জ্বলন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হল। শুধু তাই নয় হাজার হাজার ওহাবী সালাফিপন্থী মুসলিম এই ঘটনা দাঁড়িয়ে থেকে সমর্থন করল। কারণ দীপুদাস হিন্দু। এই মর্মান্তিক হৃদয় বিদারক ঘটনায় আমরা স্তম্ভিত।  একই সঙ্গে এই ঘটনাকে লঘু করার একটা প্রয়াস আমি কিছু সুশীল চালাক ব্যক্তিদের মধ্যে লক্ষ্য করছি। এটা বিপজ্জনক। অনেকেই এই ঘটনার অভিঘাতকে নষ্ট করার জন্য আখলাক, আফরাজুল এর মত কয়েকটি উদাহরণ টেনে বলতে চেয়েছেন - সংখ্যালঘু নির্যাতনের দিক থেকে ভারত ও বাংলাদেশ সমান । এই ধরণের বিপজ্জনক মনোভাবকে বেআব্রু করা দরকার। 

    ভারতে সংখ্যালঘুদের উপর কিছু হৃদয় বিদারক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা  নিশ্চয় ঘটেছে। কিন্তু সেক্ষেত্রে সংখ্যাগুরু হিন্দু সমাজের ব্যাপক লোক প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে। অর্থাৎ বৃহত্তর হিন্দু সমাজ সেখানে এই ঘটনা প্রতিহত করতে এগিয়ে এসেছে। তাঁরা চুপ করে থাকেননি।যেটা পাকিস্তান বা বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঘটেছে। 

    ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমান সমাজের দিক থেকেও অনেক হিন্দু লোকের উপর নারকীয় হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছে। নবীকে অসম্মান করার অজুহাত তুলে সংখ্যাগুরু হিন্দু সম্প্রদায়ের কানোয়ারলাল নামক দর্জিকে জবাই করে তার ধড় মুন্ড আলাদা করে দেওয়া হয়েছে। এই কিছুদিন আগে ওয়াকফ আইনের প্রতিবাদে মুর্শিদাবাদের দুজন হিন্দু ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে সংখ্যালঘু বর্বরদের হিংসার কারণে তসলিমা নাসরিনকে কলকাতা ছাড়তে হয়েছে। অর্থাৎ ভারতে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের উপর সংখ্যালঘু মুসলিমদের অত্যাচারেরও একটি বিরাট ইতিহাস রয়েছে। 

    সেই দিক থেকে দেখতে গেলে,বাংলাদেশে কিন্তু হিন্দু বৌদ্ধদের টুঁ শব্দ করার জো নেই।
    সর্বোপরি বাংলাদেশে ও পাকিস্তানে হিন্দুরা নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে। সেখানে এথনিং ক্লিনসিং চলছে। এই চিত্র কী ভারতে দেখা যাচ্ছে? ভারতে কী মুসলিমরা নিশ্চিহ্ন হওয়ার পথে? না,ভারতে বরং উল্টোটিই ঘটছে -বরং কোথাও কোথাও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, সংখ্যাগুরুদের নিশ্চিহ্ন করার পথে এগিয়ে গেছে।

    একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে বাংলাদেশের বৃহত্তর মুসলিম জনগন, শুধুমাত্র ধর্মের কারণে হিন্দুদের নিশ্চিহ্ন করতে চায়। তাদের ভারত বিরোধিতা আসলে হিন্দু বিরোধিতা। কাফের বিরোধিতা। ছায়ানটের মত প্রতিষ্ঠানের উপর আক্রমণ আসলে শরিয়া প্রতিষ্ঠার জন্য আক্রমণ।

    ভাবের ঘরে চুরি করলে বিপদ। শরিয়া সালাফিপন্থী মুসলিম মৌলবাদী জনগোষ্ঠী কিন্তু শুধু হিন্দুদের টার্গেট করবে এমন নয়। একে একে এরা উদার মুসলিম সহ সকল মুক্ত চিন্তক ও নাস্তিকদেরও নিশ্চিহ্ন করে দেবে। তাই গুলিয়ে দেবেন না। এটা নষ্টামি।

    ওসমান মল্লিক
  • দীপ | 2402:3a80:1971:17fa:578:5634:1232:***:*** | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫ ১১:৪০746402
  • বাংলাদেশের সকল হিন্দুর জন্য সতর্কতা 
     
    "একটি সত্য ঘটনা | নিরাপত্তার জন্য ভিক্টিমের পরিচয় গোপন রাখা হলো
    ঘটনা সিলেট বিভাগের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে । হিন্দু ছেলেটির বয়স ২১-২২ হবে। গ্রামেই থাকে। গ্রামের হিন্দু-মুসলিম সকলের সাথেই খুব ভালো আচরণ তাঁর। তাঁর বাবা-মা'ও খুব ভালো এবং ধার্মীক। হিন্দু-মুসলিম অনেকেই তাঁকে তাঁর আচরণের জন্য ভালোবাসে। কোনোদিন কারো সাথে ধর্মীয় বা অন্য কোনো বিষয় নিয়ে বাক-বিতণ্ডায় জড়ায় নি। এদিকে সেসময় দেশের বিভিন্ন স্থানে কিছুদিন ধরেই ধর্মীয় অবমাননা দেখিয়ে অনেক বেশি মব ভায়োলেন্স হতো। সে সময় তার গ্রামেই ছিলো সে। সে গ্রামের বাড়ির রাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছিলো। তাঁর এলাকার এক সহপাঠী মুসলিম তার নাম ধরে দূর থেকে ডাক দিলো। পরিচিত বলে সে ঐ লোকটার কাছে যায়। ছেলেটি খুব সনাতন সংস্কার মেনে চলতো। তাকে দেখলেই বুঝা যেতো। এসব দেখেই মুসলিম লোকটা হিন্দু ধর্মীয় বিষয় নিয়ে তাকে প্রশ্ন করেন। হাতে সুতা কেন, গলায় মালা কেন ইত্যাদি। সে শ্রদ্ধার সাথে বিনম্রভাবে সুন্দরভাবে সবকিছুর উত্তর দেয়। নবী নিয়ে কোনো কথাই হয়নি। কিন্তু ৪-৫ মিনিট পর হটাৎ কোনো কারণ ছাড়াই মুসলিম লোকটা চিল্লায়ে উঠলো "এই কুত্তার বাচ্চা তুই নবী মোহাম্মদকে গালি দিলি কেন"। এরপর ঐ মুসলিম লোকটা আরও ৫-৬জনকে সাথে সাথে ডেকে আনে। এরপর তাদেরকে বলে এই ছেলেটা নবীকে গালি দিয়েছে। এরপর ছেলেটার কলার ধরলো। মাপ চা বেটা, তওবা কর! এরপর বললো তুই আমাদের এলাকার ছেলে বলে এবং তোর বাবার দিকে তাকিয়ে তোরে ছেরে দিলাম। যদি আর কখনও এমন কিছু করিস, তাহলে খারাপ কিছু হবে। এরপর হিন্দু ছেলেটি প্রাণ নিয়ে কোনোরকম বেচে আসে। এরপর ঘটনা স্বাভাবিক বলেই মনে হয়। কিন্তু সন্ধ্যা নেমে আসতেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠে। ঐ লোকগুলি বাজারের সবাইকে প্রচার করে "অমুক হিন্দু ছেলে, আমাদের নবীকে অপমান করেছে"। এরপর বাজারের ৩০০/৪০০ লোক নিয়ে তার বাড়িতে হামলা করে। ঐ ছেলেটি প্রাণের ভয়ে স্থান ত্যাগ করেছিলো উত্তেজিত মুসলিম জনতা আসার আগেই। এরপর তাকে না পেয়ে তার ঘরে ২ দফায় হামলা , ভাংচুর চালায়। বলে যায়, ঐ হিন্দু ছেলেকে যদি আমাদের হাতে তুলে দেওয়া না হয় তাহলে তার অন্য ভাইকে তারা তুলে নিয়ে যাবে ও হত্যা করবে। পরে প্রশাসন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন। 
     
    এরপর ঐ হিন্দু ছেলেটি ৪/৫ মাসের মতো নিজেকে আত্মগোপণে রেখেছিলো। কিন্তু এখনও ভয়ের মধ্যেই দিন কাটছে।"
  • দীপ | 2402:3a80:1975:df24:678:5634:1232:***:*** | ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ ২২:৩৭746408
  • 'মীরাক্কেল' থেকে যার উত্থান, যে মঞ্চ তাকে নাম, খ্যাতি, অর্থ আর কোটি মানুষের ভালোবাসা দিয়েছে- সেই আবু হেনা রনিকে আজ দেখা যাচ্ছে ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী মিছিলে! 
     
    উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর সাথে সুর মিলিয়ে যে ভারতবিদ্বেষ তিনি ছড়াচ্ছেন, তা দেখে অবাক হওয়া ছাড়া আর কোনো পথ থাকে না। এটা রাজনীতি, নাকি চরম পর্যায়ের কৃতঘ্নতা?
     
    মীরাক্কেলের মঞ্চ রনিকে কেবল পরিচিতি দেয়নি, তাকে আজকের 'আবু হেনা রনি' হিসেবে গড়ে তুলেছে। ভারতের মাটি ও মানুষ তাকে আপন করে নিয়েছিল।
     
    যখন স্বার্থ থাকে তখন ভারতের মঞ্চে দাঁড়িয়ে হাততালি কুড়ানো, আর স্বার্থ ফুরোলেই উগ্রপন্থীদের সাথে মিলে বিষোদগার করা- এই দ্বিচারিতা বাংলাদেশের সমাজের রনির মত শ্রেণীর মানুষের মজ্জাগত হয়ে দাঁড়িয়েছে।
     
    যে দেশ থেকে জীবনের সেরা অর্জনগুলো এলো, আজ সেই দেশের বিরুদ্ধেই রাজপথে স্লোগান? এই ধরনের 'ডাবল স্ট্যান্ডার্ড' বা দ্বিচারিতা সত্যিই লজ্জাজনক।
     
    যাদের উত্থান অন্যের হাত ধরে, তারা যখন সেই হাতটিকেই কামড় দিতে চায়, তখন সেটা আর দেশপ্রেম থাকে না- সেটা হয় চরম বেঈমানি।
  • দীপ | 2402:3a80:198b:29ef:678:5634:1232:***:*** | ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৩৭746412
  • সুরসাধক আলাউদ্দিন খাঁর প্রপৌত্র সিরাজ আলি খান বাংলাদেশে অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের বর্তমান উত্তপ্ত অবস্থা দেখে প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত ভারতে ফিরে এসেছেন।
     
  • দীপ | 2402:3a80:197f:4eff:878:5634:1232:***:*** | ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৪746463
  • খোকন চন্দ্র দাশকে আপনি ব্যক্তিগতভাবে হয়তো চেনেন না, কিন্তু এইরকম মানুষ আপনি সম্ভবত অনেককেই চেনেন। খুব বেশী পড়ালেখা করেননি, হয়তো এইচ এস সি পাশ করেছেন বা বিএসসি। বাজারের একটা ওষুধের দোকান খুলেছেন, ওষুধ বেচেন, সাথে বিকাশ রকেট এইসব, গ্রামীণ ফোনের রিচার্জ। এদের দোকানে লোকজন আসে, জ্বর বা মাথাব্যাথা হলে কয়েকটা প্যারাসিটামল নিয়ে যায়, মাঝে মাঝে কয়েকজন বসে একটু আড্ডা দেয়। এই তো। আমি ওদেরকে চিনি। প্রভাবশালী কেউ নয়, কিন্তু সকলেই চেনে, সকলের সাথে হেসে কথা বলে, দোকানে খবরের কাগজ রাখে। ডামুড্যার খোকন এইরকমই একজন, বয়স হয়েছিল পঞ্চাশ।   
     
    গতকাল নাকি পরশু রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ীতে ফিরছিল খোকন। পথে এক জায়গায় ওকে থামায় একদল সন্ত্রাসী। খোকনকে ওরা ছুরিকাঘাত করে। সাথে করে পেট্রোল নিয়ে এসেছিল সন্ত্রাসীরা, খোকনের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। প্রাণ বাঁচাতে খোকন দৌড়ে রাস্তার পাশে একটা জলাশয়ে ঝাপ দেয়। এর মধ্যে লোকজন চলে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। মাথা ও মুখে জ্বলে গেছে অনেকখানি জ্বলে গেছে খোকনের। উন্নত চিকিৎসার জন্যে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে, অনুমান করি ঢাকা মেডিক্যালের শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিটেই পাঠানো হয়েছে। খবরের কাগজে যা লিখেছে তাতে অনুমান করা যায় না খোকন বাঁচবে কিনা।
     
    প্রথম আলোর খবরটা মন্তব্যের ঘরে দিয়ে দিচ্ছি। ওরা লিখেছে খোকন দাশের স্ত্রী ওদের প্রতিনিধিদের জানিয়েছে যে খোকনের সাথে কার দুশমনি ছিল না। বেচারি জানেনা কেন ওর স্বামীকে হত্যা করতে চেয়েছে লোকগুলি। খোকন নাকি ঘাতকদের দুইজনকে চিনতে পেরেছিল। কামনা করি খোকন যেন বেঁচে থাকে, যেন প্রাণে বেঁচে যায় এই যাত্রায়। রাজনীতি করে না খোকন দাশ, রাজনৈতিক কারণে যে ওকে কেউ হত্যা করতে চাইবে সেই সম্ভাবনাও নাই বললেই চলে। তাইলে কেন একদল লোক খোকন দাশকে হত্যা করতে চাইবে? একটা সম্ভাবনার কথাই মাথায় ঘুরছে, কেবল হিন্দু হওয়ার কারণেই কি খোকন দাশকে হত্যা করতে চেয়েছিল ওরা? 
     
    যদি কেউ বলে এই কথাটা, যে কেবল হিন্দু হওয়ার কারণেই বিপন্ন হয়েছে খোকনের প্রাণ, তাইলে কি আপনি তাকে খুব বেশী দোষ দিতে পারেন? আমার তো মনে হয় না। দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতি দেখুন, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেখুন, ভাবুন, আপনিও বলুন।
     
    ইমতিয়াজ মাহমুদ 
  • দীপ | 2402:3a80:1979:97a8:778:5634:1232:***:*** | ০৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৩৮746472
  • গায়ে পেট্রোল ঢেলে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল আগুন। জীবনযুদ্ধে হার মানলেন বাংলাদেশের হিন্দু ব্যবসায়ী খোকনচন্দ্র দাস।
     
    সংবাদসূত্র 
  • দীপ | 2402:3a80:198d:1aeb:778:5634:1232:***:*** | ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১২746475
  • হিন্দু হওয়ার অপরাধে পীরগঞ্জের ধনেশ্বর বর্মনের জমি কেড়ে নিচ্ছে মুসলমানরা। কেউ হিন্দুদের পাশে নেই, গণমাধ্যম নেই, প্রশাসন নেই। সহৃদয় মানুষেরা পাশে থাকুন। ভিক্টিমের পরিবারের সংগে যোগাযোগের ঠিকানা : ধনেশ্বর বর্মন, পিতা :ধরনী কান্ত বর্মন, গ্রাম ঘোষপুর,ডাকঘর-শানের হাট, উপজেলা পীরগঞ্জ, জেলা রংপুর। মোবাইল - 01314128509/ 01786963157
  • কামাল পাশা | 219.***.*** | ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৮746476
  • দিফেছাগলটা অ্যাতো ঘিনঘিনে নোংরা কেন?  
  • দীপ | 2402:3a80:198d:2fef:778:5634:1232:***:*** | ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৩746492
  • চূড়ান্ত অসভ্য, বর্বর নাহলে কেউ অপরের ধর্মস্থানে এসব লিখতে পারেনা! 
     
    অবশ্য এদের জাতভাইদের এবারেও দেখা যায়!
    এরা অন্যদের ধর্মস্থানে শুয়োর ঢোকাতে যায়, অন্যে পূজা করলে এদের খুব সমস্যা হয়!
     
     
     
  • দীপ | 2402:3a80:198d:2fef:778:5634:1232:***:*** | ০৬ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৪৪746493
  • এখানেও দেখা যায়!
  • দীপ | 2402:3a80:1971:dead:578:5634:1232:***:*** | ০৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৩৯746504
  • আধুনিক প্রগতিশীল বাংলাদেশ! 
     
  • দীপ | 2402:3a80:1971:17a3:578:5634:1232:***:*** | ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৩:২১746512
  • পৌষ পার্বণ হারাম?
    এই ফতোয়া আসলে বাংলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ। 

    পিঠে খাওয়া হারাম?
    নতুন ধানের উৎসব হারাম?
    শীতের শেষে ফসল ঘরে তোলার আনন্দ হারাম?

    না, হারাম নয়।
    হারাম হলো বাংলার সংস্কৃতির ওপর এই মৌলবাদী হামলা।

    বাংলাদেশে কিছু ইসলামিস্ট গোষ্ঠী আজ পৌষ পার্বণকে টার্গেট করেছে।
    ফতোয়ার নামে হুমকি, পোস্টার, আতঙ্ক—সবই চলছে।
    লক্ষ্য একটাই:
     সংখ্যালঘুদের চুপ করানো
    বাংলার সাংস্কৃতিক পরিচয় মুছে ফেলা

    স্পষ্ট করে বলি—
    পৌষ পার্বণ কোনো হিন্দু ধর্মীয় আচার নয়।
    এটা বাংলার কৃষিজ সভ্যতার উৎসব।
    যে বাংলায় মুসলমান কৃষকই যুগ যুগ ধরে পিঠে বানিয়েছে, ধান কেটেছে, উৎসব করেছে।

    আজ যদি পৌষ পার্বণ “হারাম” হয়,
    কাল পয়লা বৈশাখ হারাম হবে।
    পরশু ভাষা হারাম হবে।
    তারপর সবকিছু—খাবার, গান, পোশাক—একটার পর একটা নিষিদ্ধ হবে।
  • দীপ | 2402:3a80:1977:dd96:678:5634:1232:***:*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:১০746742
  • "জরুরী প্রয়োজনে অনেক সময় এক বিভাগের শিক্ষকও অন‍্য বিভাগে ক্লাস নেন। তো এমনি এক স্কুলে বাংলা টিচার হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় তার জায়গায় ধর্মের টিচার আসলেন ক্লাস নিতে। তো বই খুইলা বাক‍্য দেখলেন- 
    'কপোল ভিজিয়া গেলো নয়নের জলে!' কপোল মানে গাল। মানে চোখের পানিতে গাল ভিজে গেছে। 
     
    কিন্তু হুজুর বললেন বইয়ে ভুল আছে। কপোল না, এটা কপাল হবে। তো এক ছাত্র জিগাইলো স‍্যার, চোখের পানি কপালে যাইবো ক‍্যামনে। স‍্যার শিবির করা লোক। মাথায় চোরাবুদ্ধি। কইলেন একটা লাইন বাদ পড়ছে। পুরাটা হইবো- 
    "কপাল ভিজিয়া গেলো নয়নের জলে, 
    দুই ঠ‍্যাং বাঁধা ছিলো তমালের ডালে।"
    মানে গাছের ডালে। 
     
    তো জামাতে ইসলামী এখন ধর্ম শিখানো বাদ দিয়া আমাগো ইতিহাসের ক্লাস নিতেছে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস। আমাগো গাছের ডালে দুই ঠ‍্যাং বান্ধা। তাই চোখের পানিতে কপাল ভিজা যাইতেছে। 
    পোড়া কপাল!"
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন