এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব   শোনা কথা

  • পার্টস অব স্পীচ

    বোদাগু
    বাকিসব | শোনা কথা | ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ১৯৩৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রাজনৈতিক 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৩৬746784
  • কিন্তু এটা তো এস আই আর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের থ্রেড মূলতঃ। আর দুুচারটে নোট।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:555c:6e0f:9321:***:*** | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৮746798
  • ওয়ার এর খবরঃ 
     
     
    প্রসঙ্গতঃ দূরদর্শন এখন প্রচার করছে এই ভাবে যে কমিশন কত অসহায়, কতিপয় মানুষের অসততার কারণেই এত ডিসক্রিপান্সি। তাদের অসহায় শয়তানিতে ওদিকে কোটি লোকের হয়রানির একশেষ। নাগরিককে নিজেকে ভরতে হবে এনুমারেশন ফর্ম বলে কোনো বস্তুরই কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি আছে কিনা তাই নিয়ে যেখানে সংশয়। 
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:245d:cd1:d43f:***:*** | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৭746801
  • Outlier cases নিয়ে সরকারি প্রচার ও এম্বেডেড রিপোর্টিং অব্যাহত। 
    আজ হিয়ারিং এর শেষ দিনে ৫ লক্ষ গোটা রাজ্যে হিয়ারিং এ আসেননি জানা যাচ্ছে। হ্যাঁ হতে পারে এর একটা অংশ ভুয়ো ভোটার কিন্তু আরো অনেক কিছু হতে পারে, ভাইরে আজেম আসতে পারেন নি, স্বল্প শিক্ষিত/অসচেতন খবর রাখেন না হতে পারে এমন ভালে প্রচার করা হচ্ছে অনুপস্থিত মানেই অপরাধী বা বিদেশী নাগরিক।
     
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:7c75:f6f6:d85d:***:*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১০746805
  • হিয়ারিং পর্বের শেষে সামারি তা আপাতত এই, বলছে আনন্দবাজার টিভি
     
     
    - ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার হিয়ারিং এ আসেন নি।
    - দেড় লক্ষের ডকুমেন্ট স্ক্রুটিনি বাকি।
    - ২৮ ফেব্রুয়ারি খসড়া তালিকা বেরোবে। সেটা বের করে খুব কম লোকে যাতে আপীল করতে পারে সেটা ভেবে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দেবে ধরে নেওয়া যায় এটাই বিহারের প্লে বুক। 
     
    বিজেপি পন্থী ইন্টারনেট নিউজ পোর্টাল থেকে জানা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদে ২ লক্ষ ৬৮ হাজার মানুষের নামর তালিকা নাকি ঘুরছে, এক পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে সর্দার, দাস, বিশ্বাস এই নিমিনবর্গিয় পদবীগুলি নাকি সন্দেহজনক, কারণ এই পদবীগুলি লোকে ব্যবহার করে নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা হিন্দু হয়ে যাচ্ছে। 
     
    বাংলার নামের সঙ্গে ন্যূনতম পরিচয় থাকলে প্রশাসন ও কমিশনের জানা উচিত পদবী এবং উপাধির ফ্লুইডিটি অতি সাধারণ বিষয়।
     
    মোটামুটি আন্দাজে বলা যায় ৫৮ লক্ষকে আনম্যাপ করে বাদ দেওয়ার চেষ্টী করা হয়েছে, তাদের হিয়ারিং এ কিছুটা কমবে, সংখ্যাটা এর পরে পাঁচ লক্ষ যারা হিয়ারিং এ আসেন নি বা আসতে পারনে নি তাদের বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকবে। 
     এক কোটি বত্রিশ লক্ষের লজিকাল ডিসক্রিপান্সি নিয়ে অনেক নাটক হয়েছে ঃ 
    - কখনো খবর এসেছে সংখ্যাটা ৯৮ লক্ষে নেমে এসেছে
    - কখনো বলা হয়েছে লজিকাল ডিসক্রিপান্সির নোটিশ যেয়েছেন ১ কোটি ২ লক্ষের মতো।
    - কখনো মাধ্যমিক  অ্যাডমিট কার্ড নেওয়া হয়নি, পরে অর্ডার বেরোনোর পরে কত সমাধান হয়েছে জানা যায় নি। 
    - ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে গুজব চলছে। 
    - আরেকটা নতুন নাটক হয়েছে বলা হচ্ছে যেসব বিএলও-রা কোনো কারণে গ্রহণযোগ্য না এরকম ডকুমেন্ট আপলোড করেছেন তাঁদের শাস্তি দেওয়া হবে।
     
    ইত্যাদি। এবং আউটলায়ার, ধরুন দুজনকে পাওয়া গেল যাদের আত্মীয়দের বয়স মিলছে না তাদের নিয়ে বিরাট খবর হবে। এই গোটা সংশয়টাই তৈরি হয়েছে নাগরিকত্ব এর এজেন্ডাকে সামনে রেখে সামারি জেলা বা ব্লক ভিত্তিক ডেটা সেট, মানুষের সামনে না এনে। কয়েক হাজার আউটলায়ার কেসের জন্য কোটি মানুষের হয়রানি।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:4081:2a3:513e:***:*** | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪১746809
  • শ্রী জিম নওয়াজের লজিকাল.ডিসক্রিপ্যান্সির সাংবিধানিক ও আইনি বৈধতা সংক্রান্ত রিটঞপিটিশন বাতিল হয়েছে, জিম নওয়াজৃর হ্যান্ডেলে র পোস্ট।
     
     
    “করু মুতালিবা ক্যায়সে আপনে খুন কা উনসে;
    ওহী কাতিল ওহী মুন্সিফ ওহী মেরি গোহি হ্যায়।”
    অর্থাৎ, নিজের রক্তের দাবি (বিচার) আমি তাদের কাছে কীভাবে করব? যেখানে হত্যাকারীও সে, বিচারকও সে এবং সাক্ষীও সে।

    গতকাল আমার রিট পিটিশনটি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেছেন-
     “In Article 32 you want us to determine who is your father, mother etc. This is a mockery of Article 32 plea.” 
    অর্থাৎ, আর্টিকেল ৩২-এর অধীনে আমি নাকি তাঁদের কাছে আমার বাবা-মায়ের পরিচয় জানতে চেয়েছি এবং এটি এই সাংবিধানিক অনুচ্ছেদের সাথে একটি তামাশা!

    মাননীয় প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যটি কেবল বিভ্রান্তকর নয়, এটি আমাদের ন্যায়বিচারের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানের এক চরম ঔদ্ধত্য এবং বিচারিক দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ। আমি আদালতের কাছে আমার পারিবারিক পরিচয় যাচাই করতে যাইনি। বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষের পক্ষে আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সেই অমানবিক ও অঘোষিত শ্রেণিবিন্যাসকে, যাকে তারা নাম দিয়েছে “Logical Discrepancy”। এই অদ্ভুত শব্দবন্ধের কোনো আইনি ভিত্তি নেই, কোনো গেজেট নোটিফিকেশন নেই, এমনকি কোনো সংসদীয় আইনও নেই। অথচ এই মায়াবী ক্যাটাগরির দোহাই দিয়ে আমাকে সন্দেহজনক ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করে নোটিশ পাঠানো হয়েছে। 

    আমার প্রশ্ন ছিল অতি সাধারণ, 
    রাষ্ট্র কি কোনো নিয়ম প্রকাশ বা 'প্রমালগেট' না করেই নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করতে পারে? কিন্তু আমার প্রশ্নের আইনি ব্যাখ্যা এড়িয়ে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বরং নির্বাচন কমিশনের অসাংবিধানিক প্রশাসনিক খেয়ালখুশির পাহারাদারে পরিণত হয়েছে।

    আমার দাবির সপক্ষে আমি সুপ্রিম কোর্টেরই নিজস্ব ঐতিহাসিক জাজমেন্টের নজির ব্যবহার করেছিলাম। 'Mohinder Singh Gill v. CEC (1978)' মামলায় এই আদালতই বলেছিল যে, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কোনোভাবেই সংসদীয় আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। আবার 'Harla v. State of Rajasthan (1951)' মামলায় স্পষ্ট করা হয়েছিল যে, কোনো নিয়ম জনসমক্ষে ঘোষিত না হলে তা জনগণের ওপর প্রয়োগ করা আইনত অবৈধ। আমার পিটিশনটি এই অকাট্য আইনি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও প্রধান বিচারপতি এমন এক পর্যবেক্ষণ দিলেন যার সাথে মামলার মূল বিষয়ের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি সুকৌশলে বিষয়টিকে একটি সাধারণ পরিচয় যাচাইয়ের মামলা হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে মূল সাংবিধানিক প্রশ্নটিগুলো ধামাচাপা দিলেন। এটি কি একজন বিচারপতির বিচারবুদ্ধির অভাব, নাকি স্বৈরাচারী নির্বাচন কমিশনকে সুরক্ষা দেওয়ার সুপরিকল্পিত কোনো কৌশল?

    সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, আমার আইনজীবী যখন বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন যে, আমরা নোটিশের তথ্য নয় বরং নোটিশ পাঠানোর ‘অবৈধ প্রক্রিয়া’ বা প্রসেসকে চ্যালেঞ্জ করছি, তখন আদালত সেই যুক্তি খণ্ডন করার নূন্যতম প্রয়োজনও বোধ করেনি। প্রধান বিচারপতি আমার পিটিশনের একটি আইনি পয়েন্টকেও ভুল প্রমাণ করতে পারেননি, বরং তাঁর ‘ডিসক্রিশন’ বা বিশেষ বিবেচনার ক্ষমতা ব্যবহার করে কোনো আইনি ব্যাখ্যা ছাড়াই মামলাটি বাতিল করে দিয়েছেন। যেখানে রাষ্ট্রের অসাংবিধানিক আচরণের বিরুদ্ধে আর্টিকেল ৩২ আমার শেষ আশ্রয় হওয়ার কথা ছিল, সেখানে সেই রক্ষকই আজ বিদ্রূপের বাণে আমাকে বিদ্ধ করে প্রমাণ করল যে, ভারতের সাধারণ নাগরিক আজ নিজ দেশে পরবাসী এবং বিচারহীন।

    এই মামলা খারিজের ফলে ভয়াবহ কিছু ফলাফল দাঁড়িয়ে গেল-
    সুপ্রিম কোর্ট PIL-কে প্রাইমারি আর ব্যক্তিগত রিটকে সেকেন্ডারি করে দিল, অথচ আইনত ঠিক উল্টো হওয়া উচিত ছিল।  PIL নামক ছায়া-মামলা যেখানে দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুনানিতে গুরুত্ব পায়, সেখানে রক্তমাংসের ভুক্তভোগীর জীবন-মরণ সমস্যা আজ ব্রাত্য। রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে কার্যত সংবিধান ও আইন বহির্ভূত অসীম ক্ষমতা প্রদান করা হলো, যেখানে তারা কোনো নিয়ম প্রমালগেট না করেই জনগণের উপর অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারবে। অভিযোগকারীকেই আজ সেই অভিযুক্ত কর্তৃপক্ষের সামনে নতজানু হতে বাধ্য করা হলো, যারা নিজেরাই আইনলঙ্ঘনকারী। আর আদালত কোনো যুক্তি বা আইনি ব্যাখ্যা ছাড়াই, নিছক নিজের খুশিমতো সংবিধান প্রদত্ত আর্টিকেল ৩২ অনুযায়ী প্রাপ্ত একটি অধিকার সর্বস্ব বৈধ মামলা বাতিল করল।

    এখানে ‘মকারি’ আমি করিনি। আমি Article 32 অনুযায়ী আমার সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করেছি। মকারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট নিজেই, পিটিশনের সঙ্গে সম্পর্কহীন মন্তব্য করে, নিজের প্রতিষ্ঠিত নজির উপেক্ষা করে এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার আবেদনকে ব্যক্তিগত পরিচয় যাচাইয়ের মতো সস্তা বিষয়ে নামিয়ে এনে। সুপ্রিম কোর্টে আজ আমার পরাজয় হয়নি, পরাজয় হয়েছে সংবিধানের, পরাজয় হয়েছে আম্বেদকরের স্বপ্নের এবং সবচেয়ে বড় পরাজয় হয়েছে ভারতের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারের। আম্বেদকর বলেছিলেন, আর্টিকেল ৩২ হল সংবিধানের ‘হৃদয় ও আত্মা’, আজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ১ নম্বর এজলাসে সংবিধানের 'হৃদয় ও আত্মা' প্রধান বিচারপতির নিষ্ঠুরতায় প্রাণ হারাল।

    পুনশ্চঃ রায় এখনো আপলোড হয়নি। আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। রায় হাতের পেলেই আমরা রিভিউ পিটিশন করবো। আমি জানি, রিভিউ পিটিশন করে পক্ষপাতদুষ্ট সুপ্রিম কোর্টের থেকে আমি ন্যায় বিচার পাবো না। এরপরে আমি রিভিউ করবো। কারণ আমি চাই, বর্তমান সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক নির্লজ্জতা ও বেহায়াপনা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকুক।✊
     
    "
  • Bratin Das | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:৫৩746811
  • কালকে ভোট নিয়ে বোধি দার সাথে অনেক জ্ঞান গর্ভ আলোচনা হল....
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন