এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • পুজোর ডায়েরি: ২০১১

    chanDaal
    অন্যান্য | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ | ১০৩৬৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • titir | 128.*.*.* | ২৮ অক্টোবর ২০১১ ০১:১৫485038
  • শ্রাবণী,
    বম্বে রোড ধরে কোলাঘাট,পাঁশকুড়া পেরিয়ে আমাকে আরো একটু পশ্চিমে যেতে হয়। তোমার লেখার সঙ্গে বড্ড একাত্মবোধ করি। কি সহজে ফিরে দাও সেই হারিয়ে যাওয়া দিনগুলোকে। আমার ভালোলাগাটা তোমায় লিখে বোঝাতে পারব না।
    তোমার যাদু কলম দিয়ে অনেক অনেক লেখো।
  • shrabani | 59.*.*.* | ২৮ অক্টোবর ২০১১ ১০:৪৪485039
  • তিতির,
    বুঝতে পারি, আমারও যে লিখতে লিখতে একই রকম মনে হয়! শুধু আগে যদি বুঝতাম, কত মানুষ চলে গেল, তাদের কত কথা, তখন মন দিয়ে শুনে রাখিনি, এখন আফশোষ করি!:(
  • madhuchhanda paul | 14.*.*.* | ২৮ অক্টোবর ২০১১ ১২:৫০485040
  • ছোটবেলা ২
    বাড়িতে রাখা কিছু অদ্ভুত জিনিষ দেখে দেখে অভস্ত্য ছিলাম আমরা ছোট থেকে, কখন মনে সে গুলো নিয়ে প্রশ্ন ওঠেনি, যেমন বাড়িতে অনেকদিন ধরে থাকা একটা আসবাব দেখে আমরা সেটা নিয়ে ভাবিনা সেরকম !
    আমাদের দোতলার কলঘরের জানলায় একটা মানুষের মাথার আস্ত খুলি ওপরের চোয়ালের দাঁত সমেতরাখা ছিল অনেকদিন পর্যন্ত। , ওটা আমার এক জ্যাঠামশাইয়ের সংগ্রহ কাউকে ভয় দেখনর জন্যে, ওটার চোখে ব্যাটারি দিয়ে আলো লাগান হয়েছিল শুনেছি। আমাদের কোন রকম বিকার ছিলনা, দিব্যি যাওয়া আসা করতাম। আমাদের ডিসপেনসারি আর বাড়ির মাঝখানে একটা দরজা ছিল ওটা খোলাই থাকতো সবসময় ডিসপেনসারিতে ঢুকেই একটা শোকেশের ওপরে একটা বড় কাচের জারের মধ্যে একটা অপুষ্ট, অপরিণত মানব ভ্রূণ chemicale ডোবান। অআমরা দুপুরবেলা, বিশ্রামের জন্য বাড়ির সবাই ওপরে চলে গেলে ফাঁকা ডিসপেনসারি তে ঢুকে হলদে টিনের কৌটো থেকে glucose খেতাম, কিছু মনেই হতনা ও একটু ঘাড় বেঁকিয়ে বসে থাকতো।
    আমরা এর মধ্যেই বড় হয়েছি, আমার মার কিন্তুঅনেকদিন মামারবাড়িতে কাটিয়ে বাড়ি ফিরতে খুব খারাপ লাগত। মা বলত জন্তু জানর এর গন্ধে মার অসুবিধে হত। অবাড়িতে ঢূকেই বাইরের উঠনে পায়রাদের ঘর। কাঠের কাঠামোয় জাল দিয়ে ঘেরা বেশ বড় ঘর একটা। , ওটা ছিল আমাদের সব চাইতে বড় জ্যাঠামশাএর সম্পত্তি, অনেক রকম পায়রা ছিল, আমাদের শোবার
    ঘরের পেছনের বারান্দা ছিল ঐ উঠোনের দিকে, মাঝে মাঝে জ্যাঠামনি আমাদের ঘরের দিকে মুখ তুলে আমদের দুই বোনের নাম ধরে ডাকতেন আর আমরা দুড়দাড় করে নেমে আসতাম, পায়রার ডিম সেদ্ধ খেতে।। পায়রার ডিম সেদ্ধ হলে আমরা খেতাম আর পায়রার খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হত, ওদের পুষ্টি হবে বলে। পায়রার ডিম খেতে মুরগীর ডিমের মতই, দেখতে একটু অন্যরকম সাদা অংশটা স্বচ্ছ।
    মধুছন্দা পাল।
  • nb | 14.*.*.* | ০৬ নভেম্বর ২০১১ ১২:২৪485041
  • ভাঙ্গা গড়ার সাতকাহন

    ষষ্ঠীর সন্ধ্যে থেকেই মায়ের মন খারাপ,বলেন নি কিছুই তবুও যেন চোখের দিকে তাকালে, গালের ভাঁজের কাপনে, সন্ধ্যেতে আনমনা হয়ে বসে থাকা সবই যেন মুখর হয় মায়ের আজ মন কোথায় আনমনা হয়েছে। অতক্ষুনি দাদার ফোন এল, "বিল্বষষ্ঠী করছ, কাকিমা,আমাদের সব কেমন ছন্নছাড়া হয়ে গেল'যে জলটুকু সারাদিন চেষ্টা করে ধরে রাখা ছিল তা গড়িয়ে পড়ল বললেন, 'হ্যাঁ, মনে মনে করছি। এই তো উঠোনে বেল গাছের ডাল পোতা হয়েছে। অআমরা ছ 'জন জা ঘিরে বসেছি। 'আর কিছু বলা হল না।

    বাড়ীতে পুজো হত। পুজো থেকেও বেশি সারা পরিবারের মিলন মেলা। অসেখানে ধর্ম কতটুকু ছিল জানিনা। তাবে প্রবাসে থাকা বাড়ির ছেলেটি আসবে, মেয়েরা আসবে শশুরবাড়ি থেকে, পিসিরা আসবেন। সকলে এলেই ছুটে ছুটে বেরনো, সে সকাল, বা রাত দুপুরই হোক। অতারপর তো হই হই। অসকলের তদারকি। দিদিদের ফাই ফরমাশ খাটা। অবোনপো বোনঝি আমাদের জিম্মায়। মায়েরা সারাক্ষন রান্নাঘরে, আর আমাদের কপালে বকুনি।অজাঁদরেল জ্যেঠামশাই চুন থেকে পান খসলেই শব্দবান। বাবা তটস্থ। বেশ মজা লাগত। অদাদারাও ভয়ে কাঁটা।

    বাড়িতে মূর্তি তৈরি হত। পুন্যদার সঙ্গে থাকতে হত। অপুন্য পাল বাড়ির পাশেই থাকত। অএটা দাও,ওটা দাও। অপুরান কাপড় দাও,তাতে মাটি লেপ দিয়ে কাঠামোর গায়ে আটকে দেয়া যাতে করে মাটি না ফাটে। দেখতাম কি নিমগ্ন ভাবে খড় বাঁশের কাঠামো থেকে আস্তে আস্তে মাটি দেয়া,একটু একটু করে গোড়ে তোলা একটি অবয়ব, শেষে ষষ্ঠীর দিন চক্ষুদানে গিয়ে শেষ হত। পুন্যদাকে মনে হত জাদুকর। একটু একটু করে মানস প্রতিমা রূপ দেয়া।

    ষষ্ঠীর দিন বিকেলে ঠাকুমা সকলের জন্য কেনা নতুন কাপড়ের ট্রাঙ্ক নিয়ে বসতেন।অএকে একে বড় থেকে ছোট সকলে যার যার প্রাপ্য জামা কাপড় নিয়ে যেতেন। মায়েদের সকলের একই দামের শাড়ী। বাচ্চাদের,ভাইদের একই রকম ব্যবস্থা। মনে আছে একবার লীলালেস বেরোল। অচলে এল লীলালেসের থান। তৈরী হল আকাশী রং-এর জামা সবা র জন্যে। ভীষন রকম সাম্যবাদ মানা হত। বড়লোক বাপের মেয়ে বা ছেলে হলেই দামী জামা কাপড় পাবে সেটি হবার জো ছিল ন।

    সপ্তমীর সকাল শুরু হত বাড়ির ছোট ছেলেদের ঘুম থেকে তুলে ফুল তুলতে পাঠান দিয়ে। ভোর চারটেতে উঠতে হতো। সকালের আলো ফুটতেই ফুলের বোঝা নিয়ে সবাই ফিরল। ডালায় সবরকমের ফুল। এবার এগুলোকে গুছিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের, মেয়েদের।অসাজিয়ে রাখা ভাগ ভাগ করে। অতারপর মালা গাথা।অতিরিশ চল্লিশখানা মালা গাথতে হত। এর মধ্যে সকলে যে যার মত বিভিন্ন রকমের কাজ খুঁজে নিত।অকারোকে বলতে হত না। এক অদ্ভুত শৃঙ্খলা। অদুর্গাঘরের কাজ বড়দের তদারকিতে হত।

    বাড়ির বা বাইরে থেকে আসা বয়স্ক মহিলারা গীত গাইতে বসে যেতেন। একেবারে দুর্গার আগমন, জাগানি, বিল্ববরন প্রতিটি পর্যায়ের গান। মধ্যে মধ্যে অঞ্জলি ইত্যাদি নিয়ম কানুন চলছে। দুপুরের ভোগ পরিবেশনের দায়িত্ব পড়ত ছেলেদের ওপর। অতার মধ্যে আত্মীয় স্বজনদের আসা যাওয়া খুনসুটি। যারা হয়ত সারা বছরে আসতে পারতেন না তারাও একবার ঢুঁ মেরে যেতেন। এই পুজোর সুবাদে অনেকের সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়া, অনেকের সঙ্গে নতুন করে পরিচয় হওয়া। অএমনকি দু চারটে বিয়ের সম্বন্ধ, পাত্রি দেখাও ঘটে যেত। বাড়িতেই সব বয়েসের সঙ্গি জুটে যেত। অতাই জায়গায় জায়গায় আড্ডা জমত সন্ধ্যের পর। দেখা যেত গোল গোল হয়ে এক এক ঘরে এক দল সমবয়স্কদের মজলিশ চলছে। যদিও মা, জ্যেঠিমা, কাকিমারা সেই রাত বারটায় রান্না ঘর থেকে ছুটি পেতেন। তাদের আড্ডাখানা ছিল রান্নাঘর। অকি আনন্দ, হাসি, কলরব। হাতে হাতে কাজ করে যাওয়া। অকোন ক্ষোভ নেই, আক্ষেপ নেই, অনাবিল আনন্দ, মহামিলন ঘটেছে। তিন দিন ধরে এই নিরলস কর্মকাণ্ড চলেছে।

    দশমীর দিন এল।অযেন বাড়ির মেয়েটি পিত্রালয় থেকে শ্বশুরঘর যাবে। মায়েরা এই তিনদিন নতুন কাপড় পরার সময় পাননি। অসেদিন পরলেন। অমেয়েকে যাত্রা করালেন চোখের জলে। মায়ের ঘর শূন্য মেয়ের যাত্রা। ট্রাকে তোলা হল প্রতিমাকে। অজ্যেঠামনি সুর ধরলেন,

    মারে ভাসাইয়া জলে

    কি ধন লইয়া যাইমু ঘরে

    ঘরে গিয়া মা বলিব

    কারে গো, ও মা।

    হিমালয়ের যত নারী

    তারা কান্দে গৌরি গৌরি

    কান্দিয়া কান্দিয়া

    ধরণী লুটায় গো, ও মা।

    তাই মা আজ ভাঙ্গা যৌথপরিবারের স্মৃতিচারনায় চোখ ভাসান। অখুঁজে বেড়ান মহামিলনের সোপানগুলো। সোনাঝরা দিনগুলোয় ঝাপ দিয়ে খোঁজেন চেনা মুখ। আর বিড়ম্বিত হয় ষষ্ঠীর বিকেল।

    :::::::

    Like··UnfollowPost·Share·Delete

    SujataBhattacharjee, AlokBiswas, DebaniSharmaand3otherslikethis.
    AnupamDasSharma দৃশ্যায়িত হলো যেন। এমন নির্ভেজাল শারদ আনন্দ আজ গল্পগাথা। প্রায় বিলুপ্ত যৌথ পরিবারের মতই।
    October3at10:19pm·Unlike·1
    NanditaBhattacharjee ঠিক বলেছ অনুপম কত সাধারন অথচ কত অসাধারন ছিল তার আনন্দ,,,,,
    October3at10:22pm·Like·2
    AnupamDasSharma আমি খুব অভাববোধ করি। আমাদের যৌথ পরিবার কালের গ্রাসে পরমানু। পড়ে বুকের ভেতরটা মুচড়ে উঠলো। কি অফুরান আনন্দ গমগম করতো সে সময় !!
    October3at10:26pm·Unlike·1
    NanditaBhattacharjeevishonsotyi,,,ajkalkarbacchaderjonyosotyikostohoi.6mashboyeshthekeoonekecrechethake.kivayanokdinelo.
    October3at10:28pm·Like·1
    AnupamDasSharmaThiktai..Bachhagulojantrikhoyejachhe.Magojastroartoirihobena...
    October3at10:29pm·Unlike·1
    DebabrataAcharjee দক্ষিণ ভারতের কোন এক প্রান্তে, ফ্লাট বাড়ীর এই লিভিং রোমে বসে আমি ঠিক বুঝতে পারছি উনার দু:ক্ষটা। ভাঙ্গা গড়ার সাতকাহনে আমরা হারিয়ে ফেলেছি অনেক কিছু...
    October4at12:56am·Unlike·2
    NanditaBhattacharjeethikbolechodebabroto,,,,amrachutchi,,,,
    October4at12:57am·Like
    DebabrataAcharjee কোথায় যে ছুটছি সেটা কি আমরা জানি? শুধু ছুটেই চলেছি।
    October4at1:00am·Like
    DebabrataAcharjee মাঝে মাঝে বাউল হতে ইচ্ছে করে..
    October4at1:01am·Like·2
    NanditaBhattacharjeethikjotrototrobichoronkora, ,,,monmelediyajekhanekhushiberiiyepora,,,,,,
    October4at1:02am·Like·1
    ChandraniPurkayasthathik..amarotaimonehoy...nijeraiminlifeniyechuttechutteajjaninakuthayamargontobyo..ekmechanicaljibonkiamargontyobyohotepare? taibhabi..na..seijibonamichaina...taholekenochutchi.....othocho..abaramarswopnoguloamaketariyetariyenijecholeseiodbhutgontobyerdike.....amaraBisorjonnatokerrajahoyeuthchinato????????????????
    October4at9:34am·Unlike·1
    NanditaBhattacharjeeeitanaporenniyeitoamaderjibon,,,eipurepurechola,,,
    October4at9:35am·Like·1
    AlokBiswasbah! phonerringtoneitonoreuthlobishnna, tumikathabole, dekeuthlekakimake.sundarcchabieakecchonandita.
    October4at9:36am·Unlike·1
    NanditaBhattacharjeethikalok,,,khubmisskoribarirpujoarjouthoparibar,,,,,,
    October4at9:40am·Like·1
    KamalbandhuChatterjee যাক,যা গ্যাছে তা যাক ........'' নো হি তে দিবসা:''
    October4
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই প্রতিক্রিয়া দিন