এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাঁকসিদ্ধ মুর্গি | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৪৮559284
  • সোশাল মিডিয়াও এক রকমের আলমারি, তার মাথায় বাস্তুশাস্ত্রীয় ধুলোময়লা জমতে দেওয়া উচিত নয়, তাতে বাস্তুর ওপর ভয়ঙ্কর কুপ্রভাব পড়তে পারে!
     
    বাস্তু মানে, বাস্তুতন্ত্র আর কী!
  • রহিত | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৫৭559283
  • উত্তমদা বলতেন তুই একদিন অনেক উঁচুতে উঠবি, ইউ উইল গো টু দ্য টপ, টু দ্য টপ, টু দ্য টপ! কিন্তু সেদিন আমি দেখে যেতে পারবো না রে! সত্যিই তাই হল, উত্তমদা চলে গেলেন, সেবার আমি টিকিট না পেলেও পরের বার টিকিট পেয়ে এমপি হলাম, পরে আমিই তো মন্ত্রী হয়ে মেট্রো স্টেশনের নাম দিলাম --- আগের সরকার কী করেছিল? ওঁর বডি নন্দনে আনতেও দেয়নি!

    মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি
  • Manali Moulik | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:২৯559282
  • নতুন পাবলিকেশন
     
    বলিউড ভারতীয় রাজনীতিতে soft diplomacy কে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে ও তার পথগুলি কী কী ভাবে নন-অ‍্যালায়েনমেন্ট পর্ব থেকে কংগ্রেস সিষ্টেম ভেঙে পড়ার পর পরিবর্তিত হলো, তেমনই নিও-লিবেরাল পর্বে তা নতুন রূপে এলো।
  • albert banerjee | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৩৩559281
  • //তোদের মতো ভিখিরিদের সিম্প্যাথির থোড়াই কেয়ার করে// মুখের ভাষাটা খুব খারাপ খুব খারাপ
  • :|: | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৮:২৮559280
  • অনেক ধন্যবাদ ছটা ৫৭।
    একমত। উজ্জ্বল আলোতে যেমন ব্ল্যাক স্পট থাকে তেমন নিকষ অন্ধকারেও থাকে আলোকবর্তিকা। সেটুকুই ভরসা।
  • r2h | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৬:৫৭559279
    • :|: | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৫১
    • ... কতটা পয়সা ...
     
    পয়সা... হুম... এইটা আসলে আমার ঠিক মাথায় ঢোকে না। এত এত টাকা কীভাবে দেওয়া নেওয়া হয়। কী করেই বা ঢুকবে, আমাকে তো আর কেউ দিচ্ছে না। যাই হোক, মানে কী হয়, এমন তো আর না যে সাহাবাবু একটা ছোটহাতি বোঝাই নোট নিয়ে এসে বললেন, সরকারবাবু, এলুম গ। আর পেটিএম কি গুগুল পে তো আর করবে না, তাহলে দাগ থেকে যাবে। তো ঐ ঋণমকুব টাইপের ব্যাপার। বা হয়তো এরোপ্লেনমন্ত্রীকে বলে দিল, ওহে, গোঁসাইবাগানের ভুতো খুব ভালো সেবা করেছে, ব্যাবাক এয়ারপোর্টে রাতদিন ওর চ্যাঁচামেচি দেখানোর বন্দোবস্ত করে দাও। বা হয়তো কেউ অনেক স্টক টক কিনে নিল। কী জানি কী হয়।

    যাগ্গে, সে কোন কথা না। একটা তো কর্পোরেট পলিসি থাকেই। সেখানে নানান খেলা। কিন্তু আবার আভ্যন্তরীন গোষ্ঠীও থাকে। এইটা আসলে গেরুয়া গুণ্ডামি নিয়ে পুলিশ রিপোর্টের বয়ান দেখে মনে হল। সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদকীয় দপ্তরের দু'জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আমি নিশ্চিত গুরুর কেউ কেউ ওই দু'জনকে চেনেন, এবং এটাও নিশ্চিত যে তাঁদের কারো কারো ইন্টিগ্রিটি নিয়ে চেনাশুনোরা নিঃসংশয় হবেন। তো, তার মানে কী, ভেতরে কিছু কিছু সুস্থ ও মুক্ত চিন্তার মানুষ বরাবরই আছেন, তাঁরা তাঁদের সাধ্যমত করেন। এবার ঐ ভেতর থেকে লড়াইটাও বিরাট ব্যাপার। মানে খুবই বড় ব্যাপার- অনেক কিছু স্টেক থাকে। এবং এঁরা না থাকলে যেটুকু স্যানিটি অবশিষ্ট তা আর থাকতো না। তো গেরুয়া গুন্ডামি লিখেছে মানে টাকা পায়নি- এই কথা বলা মানে ভেতরের ঐ অংশটাকে অস্বীকার, হয়তো অসম্মানও করা, যাঁরা ঝুঁকি নিয়ে বন্ধুর পথে চলেছেন। পুরো যন্ত্রটা গোলেমেলে কিন্তু তার মধ্যে আলোকবর্তিকা কারো কারো হাতে, সরকারি সিস্টেম নিয়েও আমার ঐ মনে হয়। এইসব ভাবতে ভাবতে শিন্ডলার্স লিস্ট ইত্যাদিও মনে পড়ে গেল।
    এবার সেইসব লড়াই জায়গা পাবে কিনা, ছাপা হবে কিনা, একের পাতায় বড় করে না সাতের পাতায় ছোট করে- সে আরেক। বর্তমান মূলধারার মিডিয়া দায়িত্বপালন করছে না এটা আমি মনে করি, কিন্তু ভেতরে আড়ে ছোট বহরে বিরাট লড়াইপত্র থাকে। সেইসব লড়াই, সাহস, মানুষ - ভরসা।

    মুশকিল হল যত দিন যাচ্ছে, ঐ অর্থনীতি মার্ক্ষ সাহেব ইত্যাদি ইত্যাদির নিয়মেই বোধহয়, রূপহীন কায়াহীন আকারহীন পলিসি প্রসেস ইত্যাদি ব্যক্তির উদ্যোগকে আবছা করে দিচ্ছে, ক্ষমতার বিপক্ষে গেলে।
     
    এবার এও হতেই পারে যে সাহাবাবু ছোট হাতি নিয়ে যাননি বলে ই খবরটা ছাপতে দিয়েছে, না হলে চেপে দিত। কে জানে। সে যাই হোক, যাঁরা এই দুঃসময়ে যক্ষপুরীর ভেতরেও আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন তাঁদের অভিবাদন আরকি। প্রতিষ্ঠান নিয়ে যতই সন্দেহ থাকুক।

    তবে পাঁচের পাতায় হলেও লিখেছে চমৎকার। আর শেষ অনুচ্ছেদে, আমার পড়ে মনে হল তৃণও মনে করি না- এখানে তৃণকে কতিপয় অপরিশীলিত প্রাকৃত শব্দ দিয়ে প্রতিস্থাপন করলেও বেশ একটা জোশ হয়ঃ)

    অধ্যাপক পাত্র মশাইয়ের দেওয়াল থেকে কপি করে দিই বরং রিপোর্টটা।

    ***

    চতুর্থ স্তম্ভ অমলিন-ই

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দু'দল ছাত্রের মধ্যে গোলমালের রাতে বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় হুঙ্কার দিয়েছিলেন, 'তাণ্ডব হবে'। পরের দিন সেই 'তাণ্ডবে'র অভিঘাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক ভেঙে পড়েছিল। আর সেই ঘটনার সংবাদের সঙ্গে থাকা শিরোনামের জেরে এ বার আক্ষরিক অর্থেই 'রং-বাজি' হল আনন্দবাজার পত্রিকার দুয়ারে! পত্রিকার মূল ভবনের সামনে বিক্ষোভকরে থামের গায়ে দেওয়া হল গেরুয়া রঙের পোঁচ। ঘটনাস্থলে কেবল দাঁড়িয়ে থেকেই 'রাজধর্ম' পালন করল পুলিশ!

    আনন্দবাজার প্রতিষ্ঠান ও তার দফতরের গায়ে রং লাগানোর চেষ্টার অভিঘাত অবশ্য ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুত ও দূরে দূরে। গেরুয়ার পোঁচ মুছে পুরনো সাদা রং দ্রুতই ফিরিয়ে আনা হয়েছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষের তরফে। তবে তার চেয়েও দ্রুত এই পেশি আস্ফালনের প্রয়াসের খবর ছড়িয়ে গিয়ে প্রতিবাদ এসেছে নানা মহল থেকে। একযোগে সরব হয়েছে সব বিরোধী দল, নিন্দায় মুখর হয়েছে সাংবাদিকদের সংগঠনও। শাসক বিজেপি যদিও এই ঘটনার 'দায়' অস্বীকার করেছে। শাসক পক্ষের বেশির ভাগ নেতা-মন্ত্রীই মন্তব্য এড়িয়ে গেলেও পর্যটন ও পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ অবশ্য বলেছেন, "কাজটা ঠিক হয়নি।"

    যাদবপুরে হামলার ঘটনার পরে সংবাদের শিরোনাম নিয়ে প্রবল আপত্তি প্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বলেছিলেন, ক্ষমা না-চাইলে গেরুয়া বসন পরে প্রতিবাদ হবে। সেই ধারা মেনেই আনন্দবাজার পত্রিকা দফতরের সামনে মঙ্গলবার বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এক দল গেরুয়া বসনধারী।

    'বয়কট আনন্দবাজার' প্ল্যাকার্ড নিয়ে কয়েক জন বিক্ষোভকারী এসে এ দিন দুপুরে প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে আনন্দবাজারের মূল ভবনের সামনে জড়ো হয়েছিলেন। পুলিশের ঘেরাটোপের মধ্যেই ভবনের মূল ফটকের উপরে গেরুয়া একটি উত্তরীয় ঝুলিয়ে দিয়ে তাঁরা বিক্ষোভ-অবস্থানে বসেন। তাঁরা দাবি করেন, "আনন্দবাজার পত্রিকা সরকারের সমালোচনা করতেই পারে। মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনাও করতে পারে। কিন্তু গেরুয়া রংকে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। পুলিশের কথা মেনে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শুধরে না-নিলে পরে বড় প্রতিবাদ হবে!" হিন্দিভাষী বিক্ষোভকারীরা বাংলায় আনন্দবাজারের খবর ও শিরোনাম নিয়ে নানা ধরনের পর্যবেক্ষণ পেশ করেন, সংবাদ কর্তৃপক্ষকে 'দিমাগি নকশাল' আখ্যাও দেওয়া হয়। কিছু ক্ষণ অবস্থানের পরে মূল ফটকের পাশের দুই থামে গেরুয়া রঙের পোঁচ লাগিয়ে 'আনন্দবাজার হায় হায়' স্লোগান দিতে দিতে বিক্ষোভকারীরা চলে যান। বহিরাগত লোকজন এসে পত্রিকা দফতরের দেওয়ালে রং লাগাচ্ছে দেখেও পুলিশ অবশ্য বাধা দেয়নি। অনেকেই মনে করিয়ে দিচ্ছেন, অতীতে বাম এবং তৃণমূল কংগ্রেস জমানায় আনন্দবাজারের সামনে একাধিক বার বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হলেও বাড়ির গায়ে হাত পড়েনি।

    বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব অবশ্য দাবি করেছেন, দলের তরফে এমন কোনও বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়নি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের বক্তব্য, "কারা করেছে, কী করেছে, জানি না। পুরো বিষয়টা না-জেনে মন্তব্য করতে পারব না।" তবে মন্ত্রী শঙ্করের মতে, "আমরা দেওয়ালে নয়, মনে গেরুয়া রং করতে এসেছি। তাই যারা এই কাজ করেছে, সমর্থন করছি না। এই কাজটা ঠিক হয়নি। যে কাজ ভালবেসে করতে হয়, সেই কাজ জোর করে করা যায় না!"

    যে শিরোনামের জেরে বিক্ষোভ, তার জন্য ইতিমধ্যেই আদালতে মামলা ও থানায় অভিযোগ হয়েছে। সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মহিলা সাংবাদিকদের সংগঠন আইডব্লিউপিসি-র তরফে বলা হয়েছে, 'কোনও মহারাজ বা দক্ষিণপন্থী সংগঠনের সঙ্গে রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসকের বক্তব্য মিলে যাচ্ছে, এটা খুব উদ্বেগের কথা। স্বাধীন ও অবাধ সাংবাদিকতার জন্য এটা অনুকূল পরিবেশ নয়, গণতন্ত্রের জন্য ভাল লক্ষণও নয়।" একাধিক প্রেস ক্লাব সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের চেষ্টার প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    বিরোধীরাও এক সুরে প্রতিবাদ জানিয়েছে। কালীঘাটপন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্রের মন্তব্য, "বিজেপির গুন্ডারা আনন্দবাজার ভবনের গায়ে গেরুয়া রং দিচ্ছে আর পুলিশ তাদের পাহারা দিচ্ছে! গেরুয়া গুন্ডামি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বলতে হবে!" তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সাংসদ সৌগত রায়, দোলা সেনেরা পরে প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে ঘুরে গিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

    একই ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, পলিটবুরোর সদস্য নীলোৎপল বসু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, কলকাতার নেতা কল্লোল মজুমদার, কৌস্তভ চট্টোপাধ্যায়েরা। সেলিম বলেছেন, "যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের আক্রমণের পরে আনন্দবাজার পত্রিকায় যে শিরোনাম করেছিল, তার জন্য এই হিন্দুত্ব বাহিনী পুলিশের সামনে গেরুয়া রং করেছে। গুন্ডামির সাক্ষ্যই রেখেছে ফের! 'রং-বাজি' করেছে। ছবিতে দেখলাম, ঘটনাস্থলে পুলিশ নীল-সাদা ছাতা নিয়ে দাঁড়িয়ে। ছাতার রং এখনও বদলায়নি, কিন্তু ছাতির রং বদলে ফেলেছে।" প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন ও নিউ ডেমোক্রেসি, এসইউসি, ফরওয়ার্ড ব্লক-সহ বিভিন্ন দলের নেতৃত্ব।

    পত্রিকা দফতরে 'হামলা'য় দোষীদের শাস্তি দাবি করে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের মন্তব্য, "গেরুয়া রঙের অবমাননা এরা নিজেরাই করছে। গেরুয়া হল ত্যাগ এবং তিতিক্ষার প্রতীক। গেরুয়ার তাৎপর্য বুঝতে গেলে আগে অন্তরে ত্যাগ ও তিতিক্ষার অনুভূতি আনতে হয়।"

    দিনভর অসংখ্য পাঠক ফোনে, বার্তা পাঠিয়ে ও সমাজমাধ্যম মারফত পত্রিকার দফতরে 'অসভ্যতা'র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাঁরা মনে করিয়ে দিয়েছেন, সেই ব্রিটিশ আমল থেকেই যুগে যুগে আনন্দবাজার প্রতিষ্ঠান ক্ষমতাবানের রোষের পরোয়া না-করে সংবাদ পরিবেশন করে এসেছে। সংস্কৃত শ্লোকে যাকে বলে 'তৃণায় মন্যে' (আক্ষরিক অর্থ, তৃণ মনে করি, আর ব্যঞ্জনার অর্থে তৃণও মনে করি না), তা-ই থেকেছে এই ধরনের আস্ফালনের প্রতি বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মনোভাব। এই পাঠকই পত্রিকার শক্তি। দেওয়ালে গা-জোয়ারি রঙের পোঁচ যাকে ছুঁতে পারে না!
  • কতটা পয়সা | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৫:১০559278
  • ভোটের আগে দেওয়া হয়েছিল ১০০ কোটি, তখন সুর একরকম ছিল, এখন আবার দরাদরি চলছে, তাই 'গেরুয়া গুন্ডামি' ইত্যাদি সুর চড়েছে।
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:১৯559277
  • GDP নিয়ে হেভভি তর্কাতর্কি চলছে দেখছি।
    আপনারা কেউ খেয়াল করেননি, ভারতের রেটিং ছিলো BBB.
    প্রাজ্ঞ ব্যক্তিরা জানেন, BBB অর্থ Bullshit Baffles Brains.
    এদিকে রবীন্দ্রনাথের কথা মাথায় রেখে জাপানিরা এসে গেছে।
     
     
    জাপানিরা যদি আসে, চিঁড়ে নিক, দই নিক
    জিডিপি গ্রোথ রেটে আস্থা রেখেছে ঠিক
  • ' | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:০১559276
  • আনন্দবাজার তোদের মতো ভিখিরিদের সিম্প্যাথির থোড়াই কেয়ার করে। সরকার বাড়ি থেকে ডিরেক্ট অমিত শার সঙ্গে হটলাইনে ডিল করে নেবে।
  • ক | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:০০559275
  • আসলে গ্রোথ তো ০%।
  • :|: | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৫১559274
  • ২৩টা ছয় -- কতটা পয়সা পেলে এমন করা যায় সেটা একটি প্রশ্ন বটে। ছিছি।
  • r2h | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:০৬559272
  • হুঁ আমিও তাই ভাবছিলাম। ছাপা কাগজে নাকি পাঁচের পাতায় বেরিয়েছে। অনলাইনে একটা খবর দেখলাম, প্রিমিয়াম বলে তালা দেওয়া।
  • :|: | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৫৬559271
  • ইন্টারেস্টিং! আবাপের আপিসের খবর অন্য মিডিয়া করছে অথচ অনলাইন আবাপে কিছুই তো দেখছি না!
  • albert banerjee | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৫১559270
  • //@বাকসিদ্ধা দি, আমাকে কিছু সাজেষ্ট করুন//
    বাকসিদ্ধা এটা আপনার প্রথম কথোপনের ডাক প্লিস বাকসিদ্ধা আমি ওই ভুতের কাহিনী টা লিখতে চাই ইনফ্লেশন হররর সরি হরর আপনি কথার দয়া করে জবাব দেবেন।
  • lcm | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫২559268
  • ইন্ডিয়ার জিডিপি গ্রোথ রেট -
  • b | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৪২559265
  • "পশ্চিমের সাংবাদিক, ইকোনমিস্টরা 'হিন্দু রেট অফ গ্রোথ' বলে নীচুচোখে দেখত"
    ঐটির কয়েনেজ সম্ভবত: দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিকসের অধ্যাপক রাজ কৃষ্ণা-র।
  • ক | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৩৮559264
  • অনেক অনেক দিন আগে এইখানেই লিখেছিলাম, ১৯৭০ র দশকে ভারতের জিডিপি গ্রোথকে পশ্চিমের সাংবাদিক, ইকোনমিস্টরা 'হিন্দু রেট অফ গ্রোথ' বলে নীচুচোখে দেখত, কারণ সেটি এতই কম বাড়ত, মোটামুটি ৩%। লিখেছিলাম যে, এই ভাজপা যারা হিন্দু হিন্দু করে তারা নিশ্চয় ভারতের জিডিপি বৃদ্ধিকে সেইখানে নিয়ে যাবে। তো আজ দেখা যাচ্ছে, আমার সেই কথা মিলেই গেছেই, দেশ পেছন দিকে এগোচ্ছে, ৩% বৃদ্ধিতে। এও তো লিখেছি, চাট্টি খবর পড়লেই বোঝা যায়, দেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তো ঐ ৩% তারই প্রমাণ। কথা হল দেশের লোকে কতখানি যন্ত্রণা ভোগ করবে, কতদিন, এই সাতিশয় শয়তানদের জন্য ?
  • albert banerjee | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫:১৩559263
  • বাক্‌সিদ্ধা গার্গী খনি খনি আচ্ছা বাক্‌সিদ্ধা গার্গীকেই ভুত দেখতে পায় ?
  • প্যালারাম | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:১২559262
  • গতকাল #AnandabazarPatrika-র অফিসে যারা হামলা চালিয়েছিল, তারা সক্রিয় #BJP কর্মী। তাদের মধ্যে একজন BJYM-এর স্থানীয় কমিটির সভাপতি। এই ঘটনায় দলের কোনো যোগ নেই বলে বাংলার বিজেপি মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার যে দাবি করেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। #AltNews-এ শীঘ্রই বিস্তারিত প্রতিবেদন আসছে। #AltNewsFactCheck
     
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:৩৪559261
  • Ranjan | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:২৬
    যদিও শাস্ত্রে বৈদুতিন যন্ত্রের উল্লেখ নেই, "বিদ্যুৎ" কথাটি কিন্তু ঋক বেদ এ আছে।
    ১.৬৪.৫ সূত্র নিম্নসংলগ্ন হৈল ~
     
    ई॒शा॒न॒कृतो॒ धुन॑यो रि॒शाद॑सो॒ वाता॑न्वि॒द्युत॒स्तवि॑षीभिरक्रत। दु॒हन्त्यूध॑र्दि॒व्यानि॒ धूत॑यो॒ भूमिं॑ पिन्वन्ति॒ पय॑सा॒ परि॑ज्रयः ॥
    ईशानकृतो धुनयो रिशादसो वातान्विद्युतस्तविषीभिरक्रत। दुहन्त्यूधर्दिव्यानि धूतयो भूमिं पिन्वन्ति पयसा परिज्रयः ॥
    īśānakṛto dhunayo riśādaso vātān vidyutas taviṣībhir akrata | duhanty ūdhar divyāni dhūtayo bhūmim pinvanti payasā parijrayaḥ ||
     
    এর অর্থ অবশ্য এই নয় যে বৈদিকেরা এর রহস্য বুঝতেন।
  • Manali Moulik | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৫৯559260
  • @বাকসিদ্ধা দি, আমাকে কিছু সাজেষ্ট করুন
  • Ranjan | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:২৬559259
  • শাস্ত্রে বৈদ্যুতিন यंत्र?
    कालिदा গো!
  • বাক্‌সিদ্ধা গার্গী | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:০৯559258
  • প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই আলমারির উপর বিবিধ জিনিস রাখার চল রয়েছে। জায়গা বাঁচানোর লক্ষ্যেই এমনটা করে থাকি আমরা। শাস্ত্র বলছে, আলমারির উপর জিনিসপত্র রাখায় কোনও ভুল নেই। তবে কী রাখা হচ্ছে, না হচ্ছে সে দিকে নজর রাখা জরুরি।
     
    আলমারির উপর কোন জিনিসগুলি রাখা যাবে না?

    খালি ব্যাগ: আলমারির উপর অনেকেই খালি ব্যাগ বা স্যুটকেস রেখে দেন। শাস্ত্রমতে এই কাজ করা অনুচিত। খালি ব্যাগ বা স্যুটকেস হল শূন্যতার প্রতীক। তা আলমারির উপর রাখা মানে নেতিবাচক শক্তিকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করা। তাই আলমারির উপর খালি ব্যাগ বা স্যুটকেস রাখা এড়িয়ে চলতে হবে।

    পুরনো বাতিল জিনিস: অনেক বাড়িতে আলমারির উপরের অংশ খারাপ, বাতিল জিনিসপত্র রাখার জন্য ব্যবহার করা হয়। শাস্ত্রমতে এটি করাও উচিত নয়। আলমারির উপরিভাগ নষ্ট বা বাতিল জিনিস রাখার জন্য ব্যবহার করলে নিজেরই ক্ষতি হয়।
     
    খারাপ বৈদ্যুতিন যন্ত্র: বাস্তুশাস্ত্র বলে খারাপ বৈদ্যুতিন যন্ত্র যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলতে। সেটিকে আলমারির উপর কোনও মতে জমিয়ে রাখা যাবে না। এতে বাড়ির অমঙ্গল হয়। দুর্ভাগ্য সঙ্গ ছাড়ে না।

    পুরনো জামাকাপড়: বহু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে বাতিল জামাকাপড় আলমারির উপর জমিয়ে রাখা হচ্ছে যাতে পরে গিয়ে তা কোনও কাজে লাগানো যেতে পারে। এই কাজটি করাও মোটে বাস্তুসম্মত নয়। এতে বাস্তুর উপর কুপ্রভাব পড়ে। পুরনো জামাকাপড় যত তাড়াতাড়ি বাড়ি থেকে সরিয়ে ফেলতে পারবেন, ততই মঙ্গল।
     
    ধুলোময়লা: আলমারির উপর ধুলোময়লা জমতে দেওয়া যাবে না। সেটিকে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। রোজ সম্ভব না হলেও, সপ্তাহের একটা দিন আলমারির মাথা পরিষ্কার করা আবশ্যিক।
  • wow | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৫১559257
  • পঞ্জাব ইউনি ইলেকশনে জেনজিরা নাকি বিজেপির হাঁটু কাঁপিয়ে দিয়েছে?
  • অথঃ পশ্চিমবঙ্গ কথা | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৭:৩৮559256
  • বিনীত নিবেদন এই যে EPW সম্প্রতি একটি পশ্চিমবঙ্গ স্পেশাল বের করছে, সেথায় স্বাধীনতার পর থেকে এবঙ্গের অধোগতি, চিরকালীন কেন্দ্রের চক্রান্ত ও অশিল্পসুলভ মনোভাব - এই ন্যারেটিভ ঘেঁটে দেখা হয়েছে। এবং, এর মধ্যের অসরল বক্তব্যসমূহ আলোচিত হয়েছে।
     
    সুধী পাঠকবৃন্দ যদি ঐ সংখ্যা কুক্ষিগত করে থাকেন, তাহলে সেখানকার বক্তব্যের সারাৎসার চন্ডালদিগের সাথে শেয়ার করলে যৎপরোনাস্তি খুশি হয়ে যাই।
     
    আগাম ধন্যযোগ।
  • albert banerjee | ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৬:৩৫559255
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০১:৪৬
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত