এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ৩১ মার্চ ২০২৬ ১১:২৮551429
  • পরবর্তীতে আমিও উচ্চমাধ্যমিকে সেই একই কলেজে ঢুকি এবং পেছনের বেঞ্চে ছেলেদের সঙ্গে বসতাম তো বটেই, অ‍্যাসেম্বলি হলে বাঁদিকের বেঞ্চিতে মেয়েদের জন‍্য অলিখিতভাবে নির্দিষ্ট জায়গায় না বসে, ডানদিকের সারির ছেলেদের জন‍্য নির্দিষ্ট বেঞ্চে বসতাম। কয়েকজন অর্থোডক্স লেকচারার আড়চোখে দেখে যেতেন, কিছু বলতে সাহস করেন নি। মেয়েদের জন‍্য আলাদা কমনরুম ছিল, ওটার সংলগ্ন টয়লেটে গেছি। কমনরুমে বসি নি। ক‍্যান্টিনেও কমন দিকটায় বসেছি বরাবর। মেয়েদের জন‍্য আলাদা একটা ঘুপচি ঘর ছিল, সেখানে মেয়েরা যেত।
    ফিজিক্স কেমিস্ট্রি ম‍্যাথেম‍্যাটিক্স ডিপার্টমেন্টে কোনো মহিলা লেকচারার ছিলেন না। 
    বেশ প্রগতিশীল কলেজ যদিও। 
  • . | ৩১ মার্চ ২০২৬ ১১:১৮551428
  • ৫২-৫৩ তে তো আমার মা ও স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়ত। তখন সেইম ঘটনা প্রোফেসর দের সঙ্গে ক্লাসে ঢোকা ও বের হওয়া, সব মেয়েরা ফার্স্ট বেঞ্চে বসত। মেয়েদের সংখ‍্যা ছেলেদের তুলনায় খুবই কম ছিল সেকালে।
  • | ৩১ মার্চ ২০২৬ ১০:৩৩551427
  • বি, হ্যাঁ দলাই লামা তো ওরকমই সোজা এসে অরুণাচল দিয়ে ঢুকেছিলেন।  লাসায় বেড়াতে যাবার খরচ মারাত্মক আর গুচ্ছ পারমিট লাগে। sad
     
    . | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৩:০৫ 
    একদম্মম্ম। 
     
    এখন হঠাৎই চারদিক জঙ্গল হয়ে গেছে এটা পড়ে বেশ মজা পেলাম।  ১৯৮৩ সালে যখন শ্রীরামপুরে স্কুলে যেতে শুরু করি স্টেশান থেকে ৩ নম্বর বাসে যেতাম। অল্প কদিনের মধ্যেই শিখে গিয়েছিলাম ফোল্ডিং ছাতা একহাতে ধরে কাঁধের কাছে ফেলে রাখতে হবে।  পার্ভার্টগণ ঝুঁকে এসে ঘষাঘষি শুরু কতলেই বোতামে আলতো চাপ। ব্যাসস ছাতা পুরো গদাম করে গিয়ে ঘষুতে পার্টির থুতনিতে।  আমি হাওড়া সাবওয়েতে একজনকে ল্যাঙ মেরে গড়িয়ে দিয়েছিলাম সে হল গিয়ে ১৯৯০।  আমরা অনেকেই সেফটিপিন খুলে সোজা করে ব্যাগের সবচেয়ে সামনের চেনে রেখে দিতাম। পারোলিন লিখত এখানে বহু আগে। ও বলেছিল ব্লেড আধখানা করে হাতের ফাঁকে রাখার কথা। পরে কলকাতার কিছু মেয়ের কাছেও শুনেছি ব্লেড হাতে না নিয়ে ডেলি প্যাসেঞ্জার টাইমে বাসে উঠতেই পারত না। আমার মায়েরা কলেজ যেত ৫২-৫৩ নাগাদ। সেই সময়ে প্রফেসারদের পেছন পেছন ক্লাসে যেত আবার প্রফদের পেছনে বেরিয়ে মেয়েদের কমনরুমে ঢুকত। ক্লাসের বেঞ্চে বসার আগে বাড়তি সতর্কতা ছিল বেঞ্চে লালকালি মাখানো আছে কিনা দেখে নেওয়া। 
    বিধানসভাতেও  বামপন্থী বিধায়কেরা কংগ্রেসের কোন এক বিধায়কের চেয়ারে লালকালি মাখিয়ে রেখেছিল। উনি না দেখে বসেন। বক্তৃতা দিতে বা উত্তর দিতে উঠে দাঁড়ালে ওই বাম বিধায়কেরা মহিলা বিধায়কের দিকে আঙুল তুলে অশ্লীলভাবে হেসে ওঠে। 
    ৭৭এর পরে কোন এক সময় কংগ্রেসী বিধায়কেরা বামপন্থী মহারানী কোঙারকে বিধানসভার মধ্যেই বেশ্যা বলে অভিহিত করেন। 
    কাজেই কোন্সময় কোনদিকেই পার্ভার্শান কিছু কম পড়ে নাই। 
  • b | 117.238.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৮:১৭551426
  • কিন্তু মুখুজ্জে ক্যাটারারের উপর এনাদের এত রাগ কেন ? 
  • b | 117.238.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৭:২৫551425
  • "৩০ মার্চ ২০২৬ ২২:৫৯"
    আর গুয়াহাটি থেকে টানা উত্তরে হাঁটলেই লাসা ! একেবারেই কাক উড্ডয়নম  যথা । 
     
    এ জন্মে আর হল কই ?
  • ! | 198.244.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৭:২০551424
  • আরে এইরকমই মেন্টালিটি সব! এই দেখুন না গুরুর সম্পাদক, ইনি যেখানেই রেপ হয়, এপোলোজিয়া দিতে দৌড়ে যান। সেই তরুণ তেজপাল কেসে ইনি বলতেন লিফটের মধ্যে অত তাড়াতাড়ি কি করে রেপ করবে। মিটু মুভমেন্টকে ইনি আগাগোড়া দুচ্ছাই করে গেছেন। আরজিকরে ১৫০ গ্রাম বীর্য নিয়ে প্রবন্ধের পর প্রবন্ধ নাবল। এগুলো তো সুস্থ মানসিকতা থেকে আসেনা। এবার গুরুর ঘুঘুদের এসব নিয়ে সমস্যা নেই, কেননা এগুলো সম্পাদক সমীপেষু।
  • . | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৬:৫১551423
  • একদম। সঠিক কথা।
    আমি কাল সেলাই ইস্কুলের ভেতরে হঠাৎ খেয়াল করলাম যে প্রত‍্যেকেই প্রায় মেয়ে কেবল এক কি দুজন কুইয়র।
    ইদানীং ভারতের একটা বিজ্ঞাপনে লেডিস কা সাবুন সজোরে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে মর্দোঁ কা সাবুন মাখার দৃশ‍্য দেখাচ্ছে।
    বছর কয়েক আগের ঘটনা, লাঞ্চ ব্রেকে বাড়ি যাচ্ছি। ট্রামে উঠতেই দেখি সে ট্রামে বাঘুর এক বন্ধু রয়েছে। আদি সুইস। আমায় দেখে বলে — কোথায় যাচ্ছো?
    — লাঞ্চ করতে বাড়ি যাচ্ছি।
    — সে কি বাড়িতে রান্না করছে? ( বন্ধুর মুখে কৌতুকের হাসি)
    — হ‍্যাঁ ( যেন কিছুই বুঝিনি এমন ভাব করে)
    — বাহ বাহ।
    সে নেমে গেল।
    আমি ঘরে পৌঁছে বাঘুকে বললাম ঘটনাটা। বাঘু বলল, ওরা এইরকমই, কুয়োর ব‍্যাঙ, পুরোনো স্টিরিওটাইপেই আটকে আছে।
     
    কাজে কাজেই মরাল অফ দ‍্য স্টোরি হচ্ছে  এ জিনিস দুনিয়ার সর্বত্র।
  • lcm | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৫:৫৭551422
  • আগে লিখেছিলাম. .. এখনও অনেক দূর ... গ্লোরিয়া স্টাইনেম এর সেই বিখ্যাত উক্তি - 
    "We've begun to raise daughters more like sons... but few have the courage to raise our sons more like our daughters." ― Gloria Steinem
  • &/ | 151.14.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৫:৪৩551421
  • সেই ক্যারাটে শেখা, তাইকোয়ান্ডা শেখা, লঙ্কার গুঁড়ো রাখা, সেই যেযিত্সুর প্যাঁচ শেখা----সেই কতকাল আগে আমাদের কৈশোরে শুনেছি। এখনও শুনছি। মানে যার যার জান মাল সে সে সামলাও। আরে আইনকানুন সভ্যতা তাহলে এইগুলো সব আইওয়াশ? তারচেয়েও বড় কথা, ওইভাবে তাইকোয়ান্ডা চালিয়ে সত্যিই কি আদৌ কেউ বাঁচতে পারে যদি অপরদিকে থাকে দলবদ্ধ গুণ্ডারা? ডাক্তার মহিলা তো হাই সিকিউরিটি জোনে ছিলেন।
    আসলে এগুলোও একধরণের ভয় দেখাবার ব্যব্সা সমাজের। সামলে থাক, সুমলে থাক, ওই আসছে জুজু।
    কই, শৈশব কৈশোর থেকে একসঙ্গে সমানে সমানে ছেলে ও মেয়েদের শিক্ষাদীক্ষা খেলাধুলো সম অধিকার শিক্ষা এইসবের ব্যব্স্থা তো করে না! ভালনারেবল উভয়েই হতে পারে, স্ট্রং উভয়েই হতে পারে, সেইরকম শিক্ষা তো দেয় না? পরস্পরের পাশাপাশি দাঁড়িয়ে 'ও আমার সহনাগরিক' এই শিক্ষা তো দেয় না? বরং ছেলেগুলিকে শেখায় মিসোজিনি আর মেয়েগুলোকে শেখায় সাবমিসিভ হওয়া। প্রত্যক্ষে, পরোক্ষে, সমস্ত বিনোদনে বিজ্ঞাপনে সূক্ষ্ম ও স্থূলভাবে।
    ভালো সামাজিক পরিবেশ আকাশ থেকে পড়ে না, তৈরী করতে হয়।
  • :|: | 2607:fb90:bd4b:9211:407b:908f:c121:***:*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৫:৩০551420
  • দুঃখের কথা হলো যে বিষয়গুলোতে ডিসিশন নিতে চাই এবং শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে সেসব বিষয়ে বিবেচনাও বেশ ভালোই আছে (লজ্জার মাথা খেয়ে নিজেকেই বলতে হচ্ছে মর্মপীড় সাক্ষী) সেই সওওব সিদ্ধান্তই ট্রাম্প বা উনিজি নিয়ে নেন। যে সব ঝড়তি পড়তি ব্যাপার পড়ে থাকে যেমন পায়ের উপর পা তুলে বসবো কিনা সেই সেই রকম হাজার পঁয়ত্রিশেক সিদ্ধান্ত নিজেকে নিতে হয়। দুনিয়া জালিম বলে জালিম! :(
  • lcm | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৪:৫৪551419
  • সবসময় "অধীনে" ঠিক নয়  ... মানে, প্রতিদিনের প্রায় ৩০ হাজার ডিসিশনের কিছু যদি নিজেকে নিতে না হয় ... সেটার পজিটিভ দিকও তো থাকতে পারে .. ডিসিশন ফ্যাটিগ কমাতে একটু হেল্প হল ... 
  • &/ | 107.77.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৪:৪৯551418
  • হ্যাঁ, অনেকে তত্বাবধায়কের অধীনে থাকা পছন্দ করে। দায়িত্বের ভার কম। 'আমি তো জানিনা, উনি যা করেন'। কোনো কোনো ভক্তজনেরও ওরকম বক্তব্য।
  • kk | 2607:fb91:4c8b:e2ab:c90f:6be2:2d37:***:*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৪:১২551417
  • আবার অনেকে বাবা মায়ের আওতায় থাকাটাই উপভোগ করেন। ওভার প্রোটেকশনও অ্যাটেনশনেরই তো একটা রকম ফের। সেটা পেতে অনেকেই পছন্দ করেন। আমার এক বৌদি প্রায়ই বলেন -- "উফ্ফ, তোর দাদার জ্বালায় আর পারিনা। কোত্থাও আমাকে একলা যেতে দেবেনা। এমনকি অফিসে গিয়েও চোদ্দবার ফোন করে খোঁজ নেবে আমি কখন কী করছি। কী যে বিরক্ত লাগে!" এই কথাগুলো বলার সময় গর্ব আর হাসিতে তাঁর মুখ ঝলমল করে। সব মানুষ আলাদা রকম। কার কিসে ভালোলাগা কে বলতে পারে!
  • lcm | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৩:৫৩551416
  • নেবে নেবে ... নিজেই ডিসিশন নেবে ... একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার সিদ্ধান্ত নেয়... তার অনেকগুলিই - remotely conscious - মানে আপনি আপনিই হয়, গভীর চিন্তাভাবনা ছাড়াই - automatic or subconscious rather than deeply considered ... এই যেমন ধরুন, পায়ের ওপর পা তুলে বসব, যদি তাই বসি, তাহলে ডান পা বাঁ পায়ের ওপর, নাকি ... ডিসিশন ফ্যাটিগ - আমরা সবাই এর সঙ্গে ডিল করি ... জেনে, বা, না জেনে ... 
  • &/ | 151.14.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৩:৪২551415
  • রঞ্জনদা, হ্যাঁ ওই গানটাই। ঃ-) পুরো গান কোথাও পাওয়া যায় কিনা কেজানে! বঙ্কিম সেই সময়ের অনেক বৈরাগী বৈষ্ণবদের গাওয়া গানের কিছুটা কিছুটা নিজের লেখার মধ্যে তুলেছেন, জিনিসগুলো এতটাই জীবনযাপনের অঙ্গের মতন ছিল। অন্যরকম সময়, অন্যরকম পরিবেশ।
  • &/ | 151.14.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৩:২৯551414
  • নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে শেখা একটা বিরাট ব্যাপার। স্বাধীনতা তো একটা কথার কথা না। নিজের সিদ্ধান্ত নিজ দায়িত্বে নেওয়া, তার ফলাফল নিজে মোকাবিলা করা।
    এমন বেচারাদেরও দেখেছি সারা জীবন নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারল না। বে থা হয়ে ছেলেপিলে হয়ে গেছে, তাও 'হ্যাঁ গো এটা করবো, হ্যাঁ গো ওটা করবো?' এইরকম করে করে বৃদ্ধা অভিভাবিকার কাছ থেকে অ্যাপ্রুভাল নিত। বলতে গেলে ওদের জীবনের সব সিদ্ধান্তই ওদের হয়ে গ্রহণ করে দিল সেই বেচারা বুড়ি। শেষে এদের সেই ছোটো ছোটো ছেলেপিলে যখন বড় হয়ে কালেজে ঢুকল, বুড়ি তখন নিশ্চিন্ত হয়ে স্বর্গে গেল। তখন ওরা এই ছেলেপিলেদের কাছ থেকে হ্যাঁরে এটা করব, হ্যাঁ রে ওটা করব করতে লাগল।
    বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবার সামর্থ্য একটা শিক্ষা, কেউ কেউ এটা শেখেই না। তার ফলে কত যে ঝামেলা তৈরী হয় তার হিসেব নেই।
  • . | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০৩:০৫551413
  • এরকমটাই তো স্বাভাবিক হওয়া উচিত।
    ভোটাধিকার প্রাপ্ত অ‍্যাডাল্ট একজন মানুষ সবকিছুতে বাবামায়ের হাত ধরে চললে সে একলা চলতে শিখবে কবে?
    বাচ্চারা যেমন কোল থেকে নেমে নিজে হাঁটে, তেমনি একটা বয়সের পরে বাবামার সারভেলেন্স কাটিয়ে উঠতে হয়।  
  • একক | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০২:৪২551412
  • সেরকম কিছু বদলায় নি। এখনো কুটিঘাট বা বাগবাজার গঙ্গার ধারে সন্ধেবেলা ছেলেমেয়েরা দলবেঁধে গ্যাঁজায়। প্রেম করা বলছিনা। দলবেঁধে হই হল্লা। গিরিশের সামনে দাঁড়িয়ে একাই টিকিট কেটে নাটক দেখতে ঢোকে কত মেয়ে। 
  • . | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০২:২০551411
  • মানালিকে একটা ঘটনা বলি।
    তোমার এখন যা বয়স, তার চেয়েও বছর দুয়েক কম তখন আমি। একটা ক্লাবের বন্ধুদের সঙ্গে দিঘা গেছি বাসে করে। সারাদিন হৈচৈ, কেউ কেউ বিয়ার খেলো, কেউ কেউ সমুদ্র স্নান। গায়ের কাপড় গায়েই শুকোলো সকলের। তারপরে ঝোলভাত খেয়ে ফেরা। ফেরার রাস্তার মাঝখানে বাস খারাপ হলো। বাস মেরামতের পর কোলকাতা ফিরতে ফিরতে রাত একটা। মধ‍্য কোলকাতার সেই ক্লাব থেকে আমাদের বাড়ি উত্তর কোলকাতায় সেই গভীর রাতে ড্রপ করে দেবে এক দাদা, তারপরে সে তার বাড়ি যাবে। পুরোটাই ট‍্যাক্সিতে হবে। আমাকে বাড়িতে ড্রপ করল, কিন্তু দরজায় কড়া নেড়েই চলেছি ( সেকালে কলিং বেল ছিল না, বাড়িতে ফোনও ছিল না), কেও দরজা খোলেনা এমন ঘুম দিচ্ছে সকলে। দোতলার বারান্দা লক্ষ‍্য করে এক আধসা ঢিল টিল ছুঁড়লাম। নো রেসপন্স। ফের দুজনে সেই ট‍্যাক্সিতেই ব‍্যাক টু মধ‍্য কোলকাতার সেই ক্নাব। পরদিন ভোরে আবার বাড়ি গেলাম দুজনেই। তখন সদর দরজা হাট করে খোলা। কেও চিন্তা করে নি। হাসাহাসি হোলো। তারপর চা সিঙাড়া জিলিপি। বোধহয় রবিবার ছিল সেদিন।
    এরকম অনেক ঘটনা আছে।
    টিন এজেই এর পরে দেশ ছেড়েছি। হোস্টেলে থেকেছি টানা দশ বছর। তখন ফোন ছিলো না বাড়িতে। চিঠি ছিল একমাত্র যোগাযোগ এর উপায়। মোটামুটি পনেরো দিন লাগত চিঠি পৌঁছাতে। 
    বিশ্বাস করবে কি না জানি না, অনেক শান্তিতে ছিলাম। বুক ভরা সাহস নিয়ে বেঁচেছি। সর্বক্ষণ সমস্ত কিছুর স্টেটাস আপডেট রিপোর্ট করতে হতো না। হুলিয়ে প্রেম করেছি। নিজের জীবন নিজের কন্ডিশনে বেঁচেছি। একটা পয়সাও বাড়ি থেকে নিই নি কোনও দিন।
    এখন বোধহয় সব কিছুই বদলে গেছে।
  • Manali Moulik | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:৪২551410
  • &/ হ‍্যাঁ হ‍্যাঁ। গুলিয়ে গেছিলো দুটো। সো সো স‍্যরি
  • Manali Moulik | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:৪১551409
  • &/ | 151.14.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:২৮55140
     
    সহমত। স্পেশালি বিনোদিনী সেইরাত্রে বিহারীর কাছে যে ব‍্যবহার পেয়েছে সেটা আমার ভালো লাগেনি। বিশেষ করে এই উক্তিটি অত‍্যন্ত জ্বালাদায়ক, "আপনি যদি নির্বোধ, মূর্খ, সরলা বালিকা হতেন, তবেও চলতো কিন্তু ষ্টেজের নায়িকাকে মঞ্চে মানায়, তাকে ঘরে লওয়া চলে না।"  এবং এর পরেও বিহারীর প্রতি বিনোদিনীর একপ্রকার আত্মসমর্পণ, যার প্রধান কারণ মহেন্দ্রর অস্থির ও ক্ষণভঙ্গুর চরিত্র। এটা কোথাও গিয়ে একটা খচখচ করে মনে বিঁধে আছে। যেন মহেন্দ্র ও বিহারীর এই দুই নৌকায় ক্রমাগত ভাসমান থাকা ছাড়া বিনোদিনীর কোনো কাজ নেই, কোনো নিজস্ব সত্তা নেই।
  • একক | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:৩২551408
  • ছোটব্যালায় মানুষ একটু নেম ড্রপ করে। কথায় কথায় কোট করে। এই করে একবার একটা দোকান তুলে দিয়েছিলুম সে গপ্পো আপনাদের বলিনি?  
     
    সে কলেজের ও আগের কাহিনি।  কাগজখেকো গরুর মত বই পড়ি আর ওগড়াই তখন। কোথাও কোনো পুস্তকমেলা এমনকি বইএর দোকান দিলেও, বন্ধুরা আমাকে ডেকে নিয়ে যায়,  কিছু একটা পাকা পাকা মন্তব্য করবো, তাতে সবার চোখ ঘুরে যাবে বলে। 
     
    তো এহেন মদমত্তপাঠকযৌবনে,  কোত্থেকে এক ক্ষুদ্র দোকানদার এসে আমাদের হাউজিং এর কমিউনিটি হলের ধারে একটি বইয়ের দোকান দেয়। এবং তার আস্পর্ধার বলিহারি যাই,  দোকানের নাম দেয় : ক্লাসিক বুকস। 
     
    যথারীতি, আহবান পেয়ে এই শর্মার গমন,  এদিক ওদিক দু-চারটি বই ঘেঁটে,  গোল সোনালী ফ্রেমের কাঁচ মুছতে মুছতে, দোকানিকে জিগ্যেস : কাঁদিদ নেই?  
     
    : কী দি? ! !! 
     
     - কাঁদিদ। ভলত্যারের। 
     
    ( তখনও, সত্যি বলতে সেকেন্ড চ্যাপ্টারের পর পড়িনি। ফাউন্ড ইট কিন্ডা বোরিং)। স্ট্রেট ফেসে বলে আসি :  সাইকেল পাম্প করার দোকান দিন। বেশি চলবে। দোকান টা সত্যি উঠে যায় কদিন বাদে।  
     
     
    তো এই হচ্চে ছোটব্যালা। এগুলো একটা বয়েসে মানুষ করবে এটাই দস্তুর। বাজনা শিখেই কেও ইম্প্রোভাইজ করে নাকি। কিছুদিন পপুলার কর্ড আর স্কেলশেপ বাজাতে দিন :)) বাচ্চারা যে বইপত্র পড়চে এটাই একটা ভালো ব্যাপার তাই না! 
     
  • &/ | 151.14.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:৩০551407
  • এই রে! ওটা আপনাদের হবে।
    মাস মাস মাইনে দিন হবে। ঃ-)
  • &/ | 151.14.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:২৮551406
  • আর যে বিনোদিনী সেই আমলে ইংরেজ মহিলার কাছ থেকে লেখাপড়া শিখেছে, তাকে ধরে বেঁধে কিনা একটা রোগগ্রস্ত লোকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে দিলেন! সেই লোক পটল তুলে বিনোদিনীকে বিধবা বানিয়ে দিল, এইটেই তার ফাংশান। তার পরে বিনোদিনীকে ওরকম করে একটা ফ্যামিলিতে এনে... আরে বাবা, তোদের ব্রাহ্ম স্কুল আছে মেয়েদের, সেখানে ওকে শিক্ষিকা করে ঢুকিয়ে মাস মাস মাইনে দে, সে রাণীর হালে ঠাকুরচাকর রেখে থাকুক!
  • &/ | 107.77.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:১৯551405
  • বঙ্কিমের ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাসগুলি যত উচ্চমানের, সামাজিকগুলো তার ধারেকাছেও না। বরং বিধবাবিবাহের বিরুদ্ধে একরকম বায়াস যেন রয়েছে মনে হয়। নইলে সেই আমলে অমন সব জমিদার ধরণের লোকেরা এমনিতেই দুই তিন চারটে বিয়ে করত, সমাজে কোনো গোলমাল হত না। এক বিবাহের আইন তো অনেক পরে হল।
  • &/ | 107.77.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:১৩551404
  • কৃষ্ণকান্তের উইলে ভ্রমর, রোহিণী, গোবিন্দলাল, আরও অনেকে ....
  • kk | 2607:fb91:4c8b:e2ab:69b1:a863:cebc:***:*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:১০551403
  • উপ্স, স্যরি! চোখের বালির মহেন্দ্র বলছেন! আচ্ছা আচ্ছা।
  • kk | 2607:fb91:4c8b:e2ab:69b1:a863:cebc:***:*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০১:০৯551402
  • বিষবৃক্ষে কুন্দনন্দিনী, সুর্য্যমুখী, কমলমণি। আর নগেন্দ্র। মহেন্দ্র আনন্দমঠে।
  • &/ | 107.77.***.*** | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০০:৫৫551401
  • কৃষ্ণকান্তের উইলে আছে রোহিণী, বিষবৃক্ষ অন্য কাহিনি
  • Manali Moulik | ৩১ মার্চ ২০২৬ ০০:৪৭551400
  • রঞ্জন স‍্যার, চোখের বালি ; ঠিক কতোখানি বিষবৃক্ষের ছায়া? এটি জানার আমার প্রচন্ড ইচ্ছা কিন্তু দুটো পড়েও সেভাবে মেলাতে পারিনি। চোখের বালির ভূমিকায় বিশ্বকবি লিখছেন, "পুরাতন মঞ্চের চরিত্রে আর কাজ চলিবে না, নতুন জীবনের কারখানায় আগুনের জ্বলুনিতে হাতুড়ির পিটুনিতে নব‍্য মানুষ গঠনে প্রচেষ্ট হইতে হইবে।" আর রিসেন্ট বুদ্ধদেব বসুর "উত্তরসাধক" -এ পড়লাম তিনি মেনে নিতে পারেননি বিনোদিনীর পরিণতি। তাই এটি জানতে চাইলাম। বিষবৃক্ষ নিয়ে মহেন্দ্র ও বিনোদিনীর কাড়াকাড়ির উল্লেখ তো আছেই কিন্তু রোহিণীর সঙ্গে বিনোদিনীকে মেলানো যায় কী? সময় পেলে একটু জানাবেন প্লিজ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত