ভারতীয় দণ্ডবিধির কীসব ধারায় রেপ ভিকটিমের নাম মুখে আনা বা লেখা ভয়ঙ্কর রকমের পাপ। সেই পাপের শাস্তি দুবছরের জেল।এখন কোশ্চেন হচ্ছে যে, কেন পাপ?
উত্তরটা ভেরি ইজি। সোশাল স্টিগমা থেকে ভিক্টিম কে রক্ষা করা।
আরে বাঁড়া যে ভিক্টিম মরে গিয়েছে পুড়ে ছাই হয়ে টোটাল ভ্যানিশ, তার ওপরেও স্টিগমা চাপাবি?
চাপাবে। কারণ দুটো ।
এক, যারা আইন বানায়, তারাও এতে বিশ্বাস করে যে রেপ হওয়াটা হেবি লজ্জার। সেই ফুল অউর কাঁটে টাইপ উকিল, যে নির্ভয়ার কেসে রেপিস্টদের জন্য ডিফেন্ড করছিল, তার বয়ান, বিবিসিতে দেখেছি ২০১৫ সালের মার্চ মাসে। ওই ডকুমেন্টরি ভারতে ব্যান করা ছিল বলে শুনেছি।
এরাই তো জেনারেল পাবলিক, আইন প্রণেতা টু রক্ষক, সব একই গামলার মাল।
দু নম্বর পয়েন্টটা পার্সিপেলিস বইটা পড়লে বোঝা যাবে। শিশু মার্জান যখন বড়ো হয়ে ঈশ্বর হতে চেয়েছিল, তার ঠাকুমাকে সে বোঝাতে লেখেছে, সে কোন জিনিসটা নিষিদ্ধ করে দেবে ঈশ্বর বনে গেলে। সম্ভবত বুড়ো হওয়া বা অসুস্থ হওয়া, এই দুটোর মধ্যে একটা, এখন হাতের কাছে বইটা নেই তাই মনে পড়ছে না।
তা, এই আইনও সেরকম। নাম ভ্যানিশ হয়ে যাবার ভয় থাকলে কি আর জ্যান্ত ভিক্টিমেরা আইনের দ্বারস্থ হবে? বিচার চাইবে? তাকে কে সারাটা জীবন নাম হীন হয়ে বাঁচতে হবে, এমনকি মরে গেলেও শ্রাদ্ধবাসরে তার নামোচ্চারণ হবে না। তার চেয়ে রিপোর্ট না করাই ভালো অপশন। রিপোর্ট না হলে, রেপ হয় নি। সব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে।