মধ্যবিত্তের সমস্যার বাইরে পা রাখলে, এই এখানেই যে মধ্যবিত্তরা, আমার ছোটব্যালার সিপুএম কই গ্যালো রে বলে কাঁদচেন, তারাই আবার গাল দেবেন। মানে, আমিও দেবো।
লোকে চায় টা কী?? পরিবেশ নিয়ে বড়সড় আন্দোলন করে রামসার জলাভূমির উপর যে এই নিউটাউন নামক ইঁটের তইরি ধাপার মাঠ টা হয়েচে, সেটার অধিকাংশ বিল্ডিং এ ডিমলিশন অরডার জারি করা হোক??
ওরে প্রথমে যে কটা সারভিসেস কোম্পানি হাতে গোনা আচে, সেগুলো উঠে যাবে :))) এইসব চুল্কাতে গিয়ে দেবাশিস সেন সরলো, জল শোভন কে নিয়ে এলো পট্টি জুড়তে।
লোকে কি চায়, এই সময়ের সবচে বড় রাক্ষস হল গিগ ইকোনমি, যার দরুন রাত দুটোয় বিরিয়ানি বসিয়ে আট মিনিটে জায়ফল আনাই, সেসব উঠে যাক?
সিপিএম শ্রমিকের স্বার্থ দেখতে শুরু করলে কি হবে কোনো আন্দাজ আচে? এই কোম্পানিগুলোকে চাপ দেবে পিএফ-ইএসাই এর জন্যে, ইউনিয়নবাজি করবে। ব্যাস আন্দোলনের চোটে গীগ ইকিনমি সায়েস্তা, পবর রিটেইল মারকেট ও হাঁসের পেছনে।
আপ্নারা কি সত্যি এসব চান না কী? কেও বাল এসব চায় না। পাগল নাকি!
আমরা একটা পাতি সোশ্যাল ডেম গোছের পার্টি চাই যার কোনো আইডিওলজিক্যাল হ্যাংকি প্যাংকি নেই, জাস্ট ইস্যুভিত্তিক পসচারিং করবে আর ক্ষমতায় এসে পাঁচ বছর একটু কম চুরি করবে। ব্যাস, তারপর তারাও ডাকাত হয়ে যাবে। আবার অন্য পাট্টি কে আনবো।
ডিসি ও মনে হয় এটাই বলচে। সারা দেশে এটাই চলছে। আমিও তাই চাই। এবার এই ছকে সিপিএম ফিপিএম এই ফিট করে না। বাই ডিজাইন আলাদা :)
আপনাদের সিপুএম এর পেছনে লেবার দিতে দেকলে পেড্রোকে মনে পড়ে।
এক জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে গরুর দুধ দোয়ার কম্পিটিশন হচ্চে। সবাই বালতি বালতি দুধ দুয়ে স্কোর তুলচে। পেড্রো ও ঢুকেচে তাঁবুতে, আর বেরোয় না। আর বেরোয় না।
অনেএএএক ক্ষন বাদে হাঁপাতে হাঁপাতে এক্টাই মাত্র ছোট বালতি নিয়ে বেরিয়ে পেড্রো, বিচারকের সামনে রাখলো। ঘেমে গলদঘর্ম। হাত ফাত লাল হয়ে গেচে। সবাই দ্যাখে, বালতির তলায় দু মাগ মত থকথকে কী।
গম্ভীরভাবে আড়চোখে তাকিয়ে পেড্রো বিচারক কে বল্লো : ইট ওয়াজ আ বুল।।
সিপিএম ইজ আ বুল।