এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 2607:fb91:686:844d:c9ff:d658:41f0:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২১:০৯550192
  • ভাগ্যিস! আঠারোটা তিন ওখানেই থেমেছেন। একটা এসহেচওলা ফোর লেটার বসলে ... ;)  
  • Manali Moulik | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:৪৮550191
  • গিগ শ্রমিকদের ইউনিটি তৈরী হওয়া ভীষণ প্রয়োজন। আর ষ্ট্রং ইউনিয়ন না থাকার ফলে মানুষের ক্ষমতা কমেছে, কর্পোরেট শোষণ বেড়ে গেছে। সিএসআর রেখেই ষ্ট্রং ইউনিয়ন এই তথাকথিত কর্পোরেট কোম্পানিগুলোতে গঠন করতে হবে। জল-জঙ্গল-জমিনে হস্তক্ষেপ করার কথা যেন সরকার এবং বাবুমশায়রা স্বপ্নেও না ভাবতে পারে। এরকম একটা পার্টি চাই।
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৭550190
  • শ্রমিকের সরকার কৃষকের সরকার অথচ কারখানা বন্ধ হয়ে শ্রমিক সাফার করছে, কীরকম অদ্ভুত প্যারাডক্স
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:৩৩550189
  • দীঘায় তিনোর তৈরী মন্দির হল, আর একটা কোথায় যেন হবে, সেই ব্যাপারে কেউ কিছু তো বললেন না দেখি . বামেরা ?
  • lcm | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:২৮550188
  • ১৯৭৭-৯৭ ... সবকিছু তেমন রঙিন ছিল না.... বাবুয়ার বাবা কাজ করত জুটমিলে... লেবার স্ট্রাইক হয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক কারখানা... ওদেরটাও বন্ধ হল, বাবুয়ার বাবা-মা আলুরদমের দোকান দিল ... কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষার রেজাল্ট বেরোতে এক বছর লাগত... বাবুয়া বিএসসি-র পরে চাকরির চেষ্টা শুরু করল... লোনে একটা অটো কিনল... বাবুয়া একবার আমাকে অটোতে করে ফ্রি তে ঘুরিয়ে আনল...
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:২৮550187
  • পশ্চিমবঙ্গে  উচ্চবর্ণ  নিম্নবর্ণের  সূক্ষ্ম  সামাজিক  রাজনীতি  ছিল , আছে , সম্ভবত  থাকবেও . নাহলে  শীর্ষেন্দু  এখনও  গলা  উঁচিয়ে  বুলডগ নেড়িকুত্তার  সঙ্গে  উচ্চবর্ণ  নিম্নবর্ণের  তুলনা  টানেন , লোকে  গদ্গদচিত্তে  শোনে  ও  সমর্থন  করে 
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:১৭550186
  • ১৯৭৭ থেকে ১৯৯৭, এই সময়টাই যা একটু ..... তারপরও টেনেটুনে ২০০৫ অবধি নেওয়া যায় .... তারপর  
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:১০550185
  • কুয়াপাহাড় ই  বা কীরকম আম ?
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:০৯550184
  • আশুদাগি আম কীরকম ? তাড়াতাড়ি দাগ হয়ে যায় ?
  • &/ | 107.77.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ২০:০৮550183
  • কাঁঠালের  আমসত্ত্ব  
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:89df:31e9:be83:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫৪550182
  • সেসবও না, স্রেফ আমসত্ত্ব। 
  • lcm | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:৪৯550181
  • শহুরে মধ্যবিত্তরা শুধু ফজলি, ল্যাংড়া আর হিমসাগর...
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:89df:31e9:be83:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:৪০550180
  • "শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্তদের বড় অংশ তো রিক্সাচালকের ঝাড় খেয়ে বা গৃহসহায়িকার মাইনে কাটতে না পেরে লালপার্টি ছোটলোকদের মাথায় চড়িয়েছে বলে গজগজ করতো! "
     
    আমার তো মনে হয় শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্তদের ভোট কোনকালেই ম্যাটার করতো না, এখনও করে না - সেটা তিনো, বিজেপি, লালপাট্টি সকলেই জানে। সব রাজ্যেই, পবতেও, সমস্ত সোশিও ইকোনমিক ক্যাটেগোরির যতো লোক ভোট দেয়, তাদের মধ্যে শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্তদের % কতোটুকু? যখন সিপিএমকে হারিয়ে দিদি ক্ষমতায় এলো, তখন কি শিক্ষিতদের ভোটে জিতেছিল, নাকি পুরো পবর মেজরিটি ভোটার ভোট দিয়েছিল বলে জিতেছিল? শিক্ষিত শহুরেরা টকিং পয়েন্ট জেনারেট করে, কিন্তু ভোটের ফল নির্ণয় করে বলে মনে হয়না। 
  • lcm | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:৩৭550179
  • মালদার আম -
    ফজলি, হিমসাগর (ক্ষীরসাপাতি), গোপালভোগ, লক্ষ্মণভোগ, ন্যাংড়া, আম্রপালি, মল্লিকা, দুধকোমল, মেঘলাল, আলতাপেটি, উলটকোমল, টিকিয়াপরী, বাতাসা, জিলিপিগাড়া, কুমারখা, দমকা, গঙ্গাপ্রসাদ, ফুনিয়া, কুমড়োজালি, দিলখুস, কুয়াপাহাড়, কলাগুটি, শীষাবাড়িগুটি, আশুদাগি  ... ... 
  • সিএস | 2401:4900:3bfd:49f4:6c5b:ad1a:cc5b:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:২০550178
  • ৭০ - ৮০ দশকের পাবলিক সেক্টর আর আধা সরকারি সেক্টর, সে ছিল বামপন্থার স্বর্ণযুগ, ইন্দিরা আমলে কং এর বাঁয়ে যাওয়া। সত্যি কী হয়েছে, কী ছিল সেসব সংসথার, উৎপাদন কী ছিল, কী বানাতো ? হ্যাঁ, সরকারের টাকায় এক - দুই প্রজন্মের উন্নতি হয়েছে বটে। জিনিসটা ঘুরে এসেছে, একইভাবে নয়, কিন্তু ঐ সরকারি স্কীম আর ভাতার মধ্যে দিয়ে ঘুরে এসেছে। যারা আগের ব্যবস্থার ফল পেয়েছে, তারা এই ঘুরে আসা বুঝছে না, ভিক্ষে টিক্ষে বলছে। কিন্তু এই ঘুরে আসাটা বৃত্তাকার নয়, একই রকমের নয়, কারণ, কী যেন বলে, ইতিহাসের গতিপথ রৈখিকও নয়, বৃত্তাকারও নয়, স্পাইরাল ! যুবভাতার জন্য ছেলেরা কেমন চুটছে, দেখেছেন কী ?
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:dde:b62f:74a:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:১৯550177
  • আরে দীপচাড্ডিও পোস্ট করেছে! laugh​এই টাইপের লোকগুলো ব্যাঙ্গালোরে ভর্তি। খানিক আলবাল বকে তারপর বলে হিন্দু খতরেঁ মে হ্যায়, তাই বিজেপিকে সাপোর্ট করে। 
  • r2h | 134.238.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:১০550176
    • dc | ১৬ মার্চ ২০২৬ ০৭:৫৮
    • ...অনেক রাজ্যেই নিয়ম করে ক্ষমতা বদল হয়, একটা পার্টি একবার বা বড়োজোর দুবার ক্ষমতায় আসে... রেগুলার ক্ষমতা বদল হয়, তাতে পার্টিগুলোও সচল থাকে, সাধারন মানুষও সব সরকার থেকেই কিছু কিছু বেনিফিট পায়। 
     
    ঐ নিয়মিত বদলটার জন্যই বদল হয় হয়তো। সিপিয়েমের চৌতিরিশ বছর, তার ভালো ও মন্দ, সাফল্য ও ব্যর্থতা -সব মিথ হয়ে গেছে, এই হল মুশকিল। কেউ ভাবে সিপিয়েমের জন্য সোনার বাংলা ছারখার হয়ে গেল, কেউ ভাবে সিপিয়েমের আমলে বাংলা ছিল ধন ধান্য পুষ্প ভরা বিজ্ঞানচেতনায় টইটুম্বুর সাম্যবাদী সত্যবাদী সরল সাঁতারু। তো বেশিরভাগ মানুষ সিপিয়েমের জন্য সোনার বাংলা ছারখার হয়ে গেল যারা ভাবে- তারা তো কিছুতেই ভোট দেবে না। যদি ভাবতো আর পাঁচটা রাজনৈতিক দলের মত কিছু ভালো কিছু মন্দ করেছে, তাহলে হয়তো ভালো মন্দের হিসেব কষে ভোট দেওয়ার কথা ভাবতো। আবার যারা ভাবে বিজেপি এলে হিন্দুত্বের ধ্বজা উড়বে, তাতে মূল্যবৃদ্ধি শিক্ষা স্বাস্থ্য নিরাপত্তা চুলোয় যাক- তারা বিজেপিকেই দেবে। আর তৃণমূলের, দিদিভ্কতদের কথা আলাদা, বাকি লোক ঐ দুই দলকে দেবেনা বলেই দেয় - সেই লেসার ইভিল, যা শুনলে সিপিয়েমের লোকেরা ভীষন রাগ করে।

    এবার চৌতিরিশ বছর সিপিয়েম হারেনি, সে দোষ তো আর সিপিয়েমের না। আবার এখন যে জিতছে না, সে দোষও অন্য দলের না।
     
    • একক | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৩
    • ... এখানেই যে মধ্যবিত্তরা,  আমার ছোটব্যালার সিপুএম কই গ্যালো রে বলে কাঁদচেন,  তারাই আবার গাল দেবেন। ...
      সিপিএম শ্রমিকের স্বার্থ দেখতে শুরু করলে কি হবে কোনো আন্দাজ আচে?  এই কোম্পানিগুলোকে চাপ দেবে পিএফ-ইএসাই এর জন্যে,  ইউনিয়নবাজি করবে।  
     
    এইটা তো ভীষন সত্যি কথা। শিক্ষিত শহুরে মধ্যবিত্তদের বড় অংশ তো রিক্সাচালকের ঝাড় খেয়ে বা গৃহসহায়িকার মাইনে কাটতে না পেরে লালপার্টি ছোটলোকদের মাথায় চড়িয়েছে বলে গজগজ করতো! আমি একটা ছেলেকে পড়াতাম, কলকাতার নামকরা ইমি স্কুল, তখন ক্লাস এইট, সে বছর উমাতে জেলার স্কুলগুলি খুব ভালো ফল করেছে, প্রথম দশের মধ্যে বেশ কিছু, সে দেখি বলে সিপিয়েম তো গ্রামের স্কুলে বেশি বেশি নাম্বার দেয়। শুধোলাম কী করে জানলে? বললো মা বাবা, পাড়ার সবাই তো বলে।

    তো ঐ আরকি, আমরা শ্রমিক আন্দোলন চাই না, এমন চাই যে ট্রেড ইউনিয়ন ও শিল্পপতির সম্পর্ক হবে রাইকিশোরী ও শ্যামরায়ের মত, কৃষকের অধিকার চাই না, কিন্তু সিপিএম চাই। সে কী আর হয়!
  • সিএস | 106.196.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:১০550175
  • এই যে একক লিখলেন, যে এখানে সবাই সিপিএম চাইছে, আমাকে ঐ চাওয়া থেকে বাদ রাখবেন ! ছক আলাদা না কীসব যেন। চাইওয়া না, হবেও না, যে সিপিএম আবার ফিরে আসবে। উত্তর ভারতের পুরোন কংদের দেখুন গিয়ে, মনে করে দিকে দিকে কং ফিরবে। মনে করেন নাকি যে সব আর হবে ? সেরকমই এ রাজ্যে, ওসব হয় না। ইতিহাসে তার ভূমিকা সিপিএম পালন করেছে, মাওবাদীরা যেমন লালগড় আর অবুঝমাড়ে থেকে কিচুউই করেনি। অনর্থক পণ্ডশ্রম। যেন ভাবছি সিপিএম এলে সবাই নিশ্চিন্ত হবে, মাথার ভার লাঘব হবে, ওরকম হয় না। সিপিএমকে নিয়ে পেপার লেখা হতে পারে, গল্প - উপন্যাসও হবে না, বাস্তবে তো নয়ই। 
  • nb | 51.8.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:০৫550174
  • এককবাউয়ের মতো শাইনিংরা দেশটাকে বেচে দিতে পারলেই খুশি হয়। তৃতীয় বিশ্বের দেশে বসে যদি শ্রমিকের অধিকার না দেখা হয়, তাহলে কোথায় হবে? এইসব গিগ ইকনমি-ফিকনমির নাম করে চূড়ান্ত এক্সপ্লয়টেশন চলছে। নিউ ইয়র্কের মেয়রকেও পলিসি আনতে হচ্ছে। হোয়ার ইজ দ্যাট পলিটিক্স ইন ইন্ডিয়া? সিপিয়েম থাকবে কিনা জানি না, তবে আগামী দিনের পলিটিক্স সোশালিজম। নইলে ঝিনচ্যাক ছাড়া কিছু থাকবে না।
  • দীপ | 2402:3a80:1989:274f:578:5634:1232:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৯:০০550173
  • সারাদেশে সুনির্দিষ্ট বেতনকাঠামো প্রয়োজন। সরকারি হোক বা বেসরকারি অফিস; সবাইকে সেই বেতনকাঠামো মেনে চলতে হবে।
    এক‌ইসঙ্গে সুনির্দিষ্ট শ্রম‌আইন প্রয়োজন।
    আটঘন্টার বেশি কাজ করানো চলবেনা; একান্ত প্রয়োজনে ওভারটাইম করালে যথাযথ প্রাপ্য দিতে হবে। সপ্তাহে একদিন ছুটি থাকবে।
    বিনা কারণে ছাঁটাই চলবেনা! 
     
    কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দল এসব নিয়ে চিন্তিত নয়, বরং কর্পোরেটগোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করে থাকে। সেজন্যই দিনের পর দিন কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকার নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধ রাখে, আর সেই সুযোগে কর্পোরেটগোষ্ঠী যা খুশি তাই করতে থাকে।
    কেউ বলে সপ্তাহে সত্তর ঘন্টা কাজ করতে হবে, কেউ বলে রোববার বাড়িতে বসে কি করবেন?
    সরকারের মদতে এরা একেবারে লাগামছাড়া হয়ে গেছে!
     
    রাজনৈতিক নেতা, কর্পোরেটগোষ্ঠী, উচ্চপদস্থ আধিকারিক; এই দুষ্টচক্র সাধারণ মানুষকে লুটেপুটে খাচ্ছে!
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:dde:b62f:74a:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:৪৯550172
  • একক, হ্যাঁ, সোশ্যাল ডেম ঘেঁষা, কিছুটা লং টার্মে ভাবে, একটু বুঝে শুনে খায়, আর কমিউনাল না, এইটুকুই তো চাওয়া :-) দেশে অনেক রিজিওনাল পার্টিই এরকম আছে, পবতেই বা কেন থাকতে পারেনা? পবতে তিনটে পার্টি, যাদের মধ্যে তিনোরা ​​​​​​​হলো মহাচোর, ​​​​​​​আর ​​​​​​​বিজেপিকে সমর্থন ​​​​​​​করার ​​​​​​​তো প্রশ্নই ​​​​​​​নেই, ​​​​​​​তাই ​​​​​​​আমি ​​​​​​​চাই ​​​​​​​সিপিএম ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​সেন্সিবল ​​​​​​​পলিসি ​​​​​​​নিক আর ​​​​​​​ভালো ​​​​​​​করে ​​​​​​​প্রচার ​​​​​​​করুক, ​​​​​​​লোকে ​​​​​​​যাতে ​​​​​​​কনফি ​​​​​​​পায়। 
     
    আর ​​​​​​​আইডিওলজির কথা ​​​​​​​তো ​​​​​​​অনেক ​​​​​​​দূর ​​​​​​​কি ​​​​​​​বাত। ​​​​​​​খেয়াল ​​​​​​​করে ​​​​​​​দেখো ​​​​​​​আমরা ​​​​​​​এমনিতেই ​​​​​​​পোস্ট-আইডিওলজিকাল পৃথিবীতে বাস করি, সারা পৃথিবীর একটা দেশেও এমন কোন পার্টি পাবে না যারা লয়্যাল টু দেয়ার আইডিওলজি (অবশ্য আরেসেসের নিজস্ব কমিউনাল আইডিওলজি আছে কিছুটা)। কাজেই সিপিএমের থেকেই বা আইডিওলজি এক্সপেক্ট করবো কেন?  
  • P | 2402:3a80:4318:f02:778:5634:1232:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:২০550171
  • এর সাথে আর একটি বিষয় বলার প্রয়োজন আছে। এই বাম মনোভাবাপন্ন কিছু মানুষ অনেক দিন ধরে ডিএ ডিএ করে চেচাচ্ছিলেন, এই বিষয়টাও পশ্চিম বঙ্গে বামেদের বিপরীতেই যাবে। কারন বর্তমান রাজ্য সরকারের আমলে, রাজ্য সরকারি কর্মচারী দের বেতন খুব একটা খারাপ না। অন্য দিকে পশ্চিম বঙ্গে জিনিস পত্রের দামও তুলনামূলক কম। 
     
    কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ, যারা বেসরকারি ক্ষেত্রে কাজ করেন, তাদের আর্থিক স্বার্থের জন্য কোন চিন্তা ভাবনা, আমার চোখে পড়েনি। প্রায় সব অর্থনীতিবিদই মনে করেন, একটি মিশ্র অর্থ-ব্যবস্থায় সরকারি চাকরির বেতনের চেয়ে বেসরকারি চাকরির বেতন বেশি হওয়া উচিৎ। কারন সরকারি চাকুরেরা চাকরির নিরাপত্তা ভোগ করেন। কিন্তু বেসরকারি চাকরির ক্ষেত্রে চাকরির নিরাপত্তার বিষয়টা থাকে না। এ ক্ষেত্রেও সামাজিক নিরাপত্তা ও অধিক বেতনের সুবিধা একটি বর্গের মধ্যেই সীমাবদ্ধ হল। এবং আরো বেশি মাত্রায় হল। 
     
    এর ফলে সমাজের অন্য বর্গের মধ্যে খারাপ প্রভাব পড়বে। পাবলিক সার্ভেন্ট পাবলিক থেকে বিচ্ছিন্ন হবে। এবং ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হবে। কারন সরকারি চাকুরেরা এই ভাবে এলিট হতে থাকলে আস্তে আস্তে তারা শপিং মল মূখী হবে। পরোক্ষ ভাবে মূল্যবৃদ্ধি হবে। সরকারি ক্ষেত্রে দুর্নীতি বাড়বে। কারন অল্প কিছু লোকের জন্য বেশি অর্থ খরচ করলে, সরকারি নিয়োগ কম হবে। কারন সরকারের খরচ বাড়বে। ফলে অস্থায়ী কর্মীর সংখ্যা বাড়বে। 
     
    সরকারি ব্যবস্থা স্বচ্ছ রাখার উপায়টা ছিল। কম বেতনের অধিক স্থায়ী সরকারি নিয়োগ। এবং যে সব সরকারি ক্ষেত্রগুলি সমাজে ভ্যালু অ্যাড করে, তাদের বেতন বাড়ান। যেমন ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার, গবেষক, শিক্ষক, ইত্যাদি।
  • | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৯550170
  • ডিসি, 
    কিন্তু এই সময় ছাড়া তো কাউকে সেভাবে বাগে পাওয়া যায় না। তিনোমুলেরটা একটু বাদে এসে লিখছি।
  • | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৭550169
  • আজ সকালে ছুরিকাঁচি ধার দেনেওলাকে দিয়ে বঁটি ধার ধার দিইয়েছিলাম, তাতে তেল মাখাচ্ছি তখন পাড়ায় কিছু লোক হইচই করছে শুনলাম। তা সে তো  হয়েই থাকে। ওমা হঠাৎ  কলিং বেল।  আমি বঁটি হাতে তেল মাখাতে মাখাতেই বারান্দায় বেরিয়ে দেখি খান তিনেক মুশকোমত লোক আর একজন মহিলা।  একজন জিজ্ঞাসা করলেন আচ্ছা আপনাদের এই পাঁচিলে লিখবো? 
    আমি - কী লিখবেন? কার জন্য? 
    ভদ্রলোক - বিজেপীর দেওয়াল... 
    আমি - না না খবরদার না।  বিজেপীর লোক গেটই পেরোবেন না,  লেখার কথা ভাববেনই না। 
    ভদ্রলোক - তাড়াতাড়ি গেটের বাইরে গিয়ে হ্যাঁ সেজন্য জিগ্যেস করে নিলাম। লিখতে শুরু কিরলে তারপর যদি আপনি 
    আমি - হ্যাঁ ভীষণ ঝামেলা করব।  খবরদার লিখবেন না। 
     
    আমি তো ভেতরে এলাম। শুনি একজন বলছে  আমি শুনেছি এই বাড়ির মাসীমা ডেঞ্জার পাবলিক। 
     
  • একক | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৮:০৩550168
  • মধ্যবিত্তের সমস্যার বাইরে পা রাখলে,  এই এখানেই যে মধ্যবিত্তরা,  আমার ছোটব্যালার সিপুএম কই গ্যালো রে বলে কাঁদচেন,  তারাই আবার গাল দেবেন। মানে, আমিও দেবো।
     
    লোকে চায় টা কী??  পরিবেশ নিয়ে বড়সড় আন্দোলন করে রামসার জলাভূমির উপর যে এই নিউটাউন নামক ইঁটের তইরি ধাপার মাঠ টা হয়েচে,  সেটার অধিকাংশ বিল্ডিং এ ডিমলিশন অরডার জারি করা হোক??  
     
    ওরে প্রথমে যে কটা সারভিসেস কোম্পানি হাতে গোনা আচে, সেগুলো উঠে যাবে :))) এইসব চুল্কাতে গিয়ে দেবাশিস সেন সরলো,  জল শোভন কে নিয়ে এলো পট্টি জুড়তে। 
     
    লোকে কি চায়,  এই সময়ের সবচে বড় রাক্ষস হল গিগ ইকোনমি,  যার দরুন রাত দুটোয় বিরিয়ানি বসিয়ে আট মিনিটে জায়ফল আনাই, সেসব উঠে যাক? 
     
    সিপিএম শ্রমিকের স্বার্থ দেখতে শুরু করলে কি হবে কোনো আন্দাজ আচে?  এই কোম্পানিগুলোকে চাপ দেবে পিএফ-ইএসাই এর জন্যে,  ইউনিয়নবাজি করবে।  ব্যাস আন্দোলনের চোটে গীগ ইকিনমি সায়েস্তা,  পবর রিটেইল মারকেট ও হাঁসের পেছনে। 
     
    আপ্নারা কি সত্যি এসব চান না কী?  কেও বাল এসব চায় না। পাগল নাকি!  
     
    আমরা একটা পাতি সোশ্যাল ডেম গোছের পার্টি চাই যার কোনো আইডিওলজিক্যাল হ্যাংকি প্যাংকি নেই, জাস্ট ইস্যুভিত্তিক পসচারিং করবে আর ক্ষমতায় এসে পাঁচ বছর একটু কম চুরি করবে। ব্যাস, তারপর তারাও ডাকাত হয়ে যাবে। আবার অন্য পাট্টি কে আনবো। 
     
    ডিসি ও মনে হয় এটাই বলচে। সারা দেশে এটাই চলছে। আমিও তাই চাই।  এবার এই ছকে সিপিএম ফিপিএম এই  ফিট করে না।  বাই ডিজাইন আলাদা :) 
     
     
    আপনাদের সিপুএম এর পেছনে লেবার দিতে দেকলে  পেড্রোকে মনে পড়ে। 
    এক জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে গরুর দুধ দোয়ার কম্পিটিশন হচ্চে। সবাই বালতি বালতি দুধ দুয়ে স্কোর তুলচে। পেড্রো ও ঢুকেচে তাঁবুতে,  আর বেরোয় না।  আর বেরোয় না। 
     
    অনেএএএক ক্ষন বাদে হাঁপাতে হাঁপাতে এক্টাই মাত্র ছোট বালতি নিয়ে বেরিয়ে পেড্রো, বিচারকের সামনে রাখলো। ঘেমে গলদঘর্ম।  হাত ফাত লাল হয়ে গেচে। সবাই দ্যাখে,  বালতির তলায় দু মাগ মত থকথকে কী।
     
    গম্ভীরভাবে আড়চোখে তাকিয়ে পেড্রো বিচারক কে বল্লো : ইট ওয়াজ আ বুল।। 
     
     
    সিপিএম ইজ আ বুল। 
  • dc | 2402:3a80:461:91d6:bcfd:7582:68eb:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৭:৫৪550167
  • কিন্তু দ দি, ক্যাম্পেন করতে বেরিয়ে এরকম গম্ভীর প্রশ্নের মুখে পড়লে তো যে কোন ক্যান্ডিডেট ঘাবড়ে যাবে laugh
  • | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৭:৪২550166
  • পরিবেশ নিয়ে ওভারল মানুষ এত ক্যালাস এত্ত ক্যালাস যে কি বলব! আজ তো প্রার্থীতালিকা অনেকটাই ঘোষণা হয়ে গেছে।   লিবারেশান ১০টায় দাঁড়াবে দেখলাম। কোন ১০টায় জানি না। 
     
    যাই হোক আমাদের এলাকায় বহু দিন থেকেই গুজব যে উত্তরপাড়ায় মীনাক্ষী দাঁড়াবেন। তো মীনাক্ষী একেবারে প্রত্যেক পাড়ায় ঘুরে ঘুরে বাড়ি বাড়ি জনসং্যোগ ও অর্থসংগ্রহ করছেন প্রায় দুই মাস বা তার একটু বেশী। আমাদের পাড়ায় গত শুক্রবার এসেছিলেন। সন্ধ্যের দিকে, তখন বাইরে খুব বেশী লোক নেই। তো আমি দাঁড় করিয়ে প্রায় আধঘন্টা কথা বলেছিলাম।  আমার মুলত দুটো এরিয়া নিয়ে পলিসিলেভেলে প্রশ্ন ছিল। তার প্রথমটা পরিবেশ। 
     
    তো জিজ্ঞাসা করেছিলাম যে কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের অনেকটা তো ২০৫০ এর আগেই সমুদ্রের তলায় যাবার আশঙ্কা আছে। ইন্দোনেশিয়ায় তো সেই সংক্রান্ত প্ল্যানিং লোক সরাবার কাজ ইত্যাদি শুরু হচ্ছিল বলে পড়েছিলাম। এ সম্পর্কে আপনাদের পলিসি কী? তো উত্তরে বললেন বাংলা বাঁচাও যাত্রার সময় আমাদের উত্তরবঙ্গের নদী জমি জঙ্গল উপদ্রুত মানুষ ও জীবিকা  সব নিয়ে বিস্তৃত পরিকল্পনা  আমরা শেয়ার করেছি। আমি বললাম হ্যাঁ উত্তরবঙ্গ খুবই বিপন্ন তবে এই মুহূর্তে  আমার প্রশ্ন দক্ষিণবঙ্গ নিয়ে। তো উনি খুবই জোর দিয়ে বললেন যে না ওটা পুরো পশ্চিমবঙ্গ সম্পর্কে। 
     
    তক্ষুণি কাকে যেন ফোন করে আনালেন সেই ডকুমেন্ট। আমার হোয়াটস্যাপে পাঠিতেও দিল একটা বাচ্চা ছেলে। তারপর তো আরো কথাবার্তা বলে গেলেন। আমি ঘরে এসে পিডিএফ খুলে দেখি সেটা পুরোপুরিই উত্তরবঙ্গ স্পেসিফিক। -_- অস্যার্থ উনি নিজে পিডিএফটা সম্ভবত খুলে দেখেননি অথবা আমার প্রশ্নটাকে সাময়িক ধামাচাপা দিতে চেয়েছেন। 
     
    মোদ্দা লং টার্ম এফেক্ট নিয়ে কেউই ভাবে না। 
  • Manali Moulik | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৭:২৫550165
  • P .সহমত।
    পবর বাম ভীষণ মধ‍্যবিত্ত ও ভোটকেন্দ্রিক মানসিকতার
  • P | 2402:3a80:4318:f02:778:5634:1232:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৭:১৯550164
  • বামপন্থী দের প্রধান সমস্যা হল, তাত্ত্বিক দিক থেকে বামপন্থা ও মার্কস বাদের সঠিক বিশ্লেষন করতে না পারা। কোন উচ্চ মধ্যবিত্ত মানুষ যদি সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে, তাত্ত্বিক চর্চার মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। আমার মনে হয়ে না সেটা খুব একটা সমস্যার কিছু। প্রশ্ন হল, সেই ব্যক্তি যে তত্ত্ব নিয়ে চর্চা করছেন। সেটা কতটা সঠিক ভাবে বিশ্লেষন করতে পারছেন। এবং কোন্ উপলব্ধি সমাজের সামনে খাড়া করছেন, ও সমাজে তার ফল কী? পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থীরা কোন বিকল্প ব্যবস্থা খাড়া করতে পেরেছেন? 
     
    এই সময়ে বামপন্থী দের জন্য একটা ভাল তত্ত্ব হতে পারত, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে আন্দোলন। এবং এর উপর ভিত্তি করে আগামী দিনের নীতি নির্ধারন ও সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি। এবং এই জলবায়ু পরিবর্তন কৃষক, প্রান্তিক মানুষ, আদিবাসী দের কিভাবে প্রভাবিত করছে। ছোট ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। সমুদ্রের জেলেরা বড় বড় ট্রলারের জন্য কিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশও কিভাবে নষ্ট হচ্ছে। জঙ্গল কিভাবে কাটা হচ্ছে। এই সব বিষয় নিয়ে আওয়াজ তোলা। এর সাথে প্রকৃতিক সম্পদ ও ভূ-সম্পত্তির সঠিক বন্টন। এই সব বিষয় নিয়ে সারা বিশ্বের বাম মনোভাবাপন্ন মানুষেরা আন্দোলন করছেন। পশ্চিম বঙ্গের বামপন্থীরা এই একই পথে হাটলে। বিশ্বজোড়া সেই সব বাম মনোভাবাপন্ন মানুষদের সাথেও নিজেদের সম্পৃক্ত করতে পারতেন।
  • P | 2402:3a80:4318:f02:778:5634:1232:***:*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৬:৩৯550163
  • আগের সরকারগুলি প্রচন্ড সফল ছিল, বলছি না। কিন্তু সামন্ত তান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করার কিছু কৌশল আছে। যা বিজেপি সরকার করেই চলেছে। এবং সমাজ গভির থেকে গভিরতর এক সমস্যার মধ্যে প্রবেশ করছে। যেমন
     
    ১. মিশ্র অর্থ-ব্যবস্থায় মনে করা হয়, অল্প কিছু সংখ্যক ব্যক্তি বা সংস্থার হাতে বেশি ক্ষমতা আসা সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষে খারাপ। কিন্তু বিজেপির আমলে এক অতি-ক্ষুদ্র সরকারি কর্মীর বেতন বেড়েই চলেছে। অন্য দিকে বেসরকারি ক্ষেত্রে বেতন তুলনামূলক কমেছে। এই বিজেপি আবার বেসরকারি-করনে বিশ্বাসী।
     
    ২. এই উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মচারীরাই এখন আপনার আমার নাগরিকত্ব বিচার করছে।
     
    ৩. অন্য দিকে বেসরকারি ক্ষেত্রগুলিতে মনোপলি বাড়ছে। প্রশ্ন হল, যদি মনোপলিই হবে, তাহলে সেগুলি সরকারি হবে না কেন? মিশ্র অর্থ-ব্যবস্থায় বেসরকারি-করন করা হয় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি করার জন্য। আদানির মত সে দিনের লোক, অম্বুজার মত বড় কোম্পানি কিনে নিচ্ছে। চান্দা ধান্দা বাড়ছে।
     
    ৪. যার ফলে প্রশাসনিক ক্ষমতা, রাজনৈতিক ক্ষমতা, অর্থনৈতিক ক্ষমতা, একটি সীমিত অংশের মধ্যে জমা হচ্ছে। এগুলি সামন্ত তন্ত্রের পূর্ব-লক্ষন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত