সোভিয়েত এর এগ্রি কালচারাল কালেকক্টভাইজেশনের সময় বড় দুর্ভিক্ষ হয়, এগুলো অস্বীকার কেউই আর করে না। চীনে এরকম অনেক কিছুই বেরোবে। একটা রাষ্ট্রকে অন্ধের মতো ডিফেন্ড করা আজকাল আর পোষায় না। সিআইএ আর তালিবান খচ্চর বলে সোভিয়েত এর আফগানিস্তান দখলকে সমর্থন করা এ বয়সে আর সম্ভব না। নিজেদের মধ্যে কথাবার্তার সময়ে ফরেন ডেস্ক এর মতো পশ্চারিং করে লাভ কি। তাও আবার অন্যের দেশের।
রাষ্ট্রকে বাজে ডিফেন্ড করা, এসব মোদিজির লোকেরা করে আর সঞ্জয় গান্ধীর আমলে কংগ্রেস করতো। এসব ঘোড়া রোগ তোমায় ধরেছে দেখে খুবই দুঃখ পেলাম।
১৯৫৫-৫৬ নাগাদ এরিক হবসবমের নেতৃত্বে একটা হিস্টোরিয়ানদের দল সোভিয়েত যায়, এসে রিপোর্ট যা দেন ওরা সেটা নিয়ে হবসবম রা সারাজীবন এমব্যাররাসড হয়েছেন।
আবার বার্লিন ওয়াল পড়ার সময় কার বা পোল্যান্ডের রেজিম বদলের সময়ের সিআইএ এবং পোপের ইনভল্ভমেন্ট যেমন অনস্বীকার্য।
কিন্তু তা দিয়ে 1932-1937 এর পার্জ, 1905 থেকে 1917 একটা ভাইব্রান্ট পলিটির বারোটা বাজানো (এই সময়্টা নিয়ে হব্সবমের লেখা, ভিক্টোর সার্জের লেখা পড়তে পারো, আমি চ্যাটজিপিটি দিয়ে সংসার চালাই না, স্বছন্দে ভেরিফাই করতে পারো, কিন্তু তাই বলে প্রোডাকশন ইঁজীনীয়ারিং এর ফলে দুর্ভিক্ষ ডিফেন্ড করা যায় না। আবার এটা ও ঠিক সোভিয়েত স্টেট নিজের চরম দুর্দিনেও স্পেন সহ সারা পৃথিবীর স্বাধীনতা আন্দোলনের জন্য যা করেছে চীনকে সেটা ম্যাচ করতে সময় লাগবে।
আমি ব্রিটিশ কেন, ইউরোপিয়ান বা আমেরিকান লেফ্ট কারোর জ্ঞান দেওয়াই পছন্দ করি না। জার্নালগুলো পয়সা দিয়ে মাঝে মাঝে পড়ি। সে তো কত ভাটই পড়ি ;-)
যেমন ধর সারা উন্নত বিশ্বের ট্রটস্কিয়িস্ট লেফ্ট স্তালিনের নিন্দে করে ভুত ভাগিয়ে দিয়েছে কিন্ত সেটা মূলতঃ 1945 এর পরে। মানে ইউরোপে শান্তি ফেরার পরে। অর্থাত লেট দ্য রেড আর্মি অ্যাডভান্স, ক্রিয়েট ইউরোপিয়ান সেটলমেন্ট, তার পরে নিন্দে করব স্তালিনের ইত্যাদি।
স্বয়ং জর্জ অরওয়েল এই দোষে অল্প হলেও খানিকটা দুষ্ট, বলে মনে করি।
ডয়্শার এর লেখা ট্রটস্কির যে জীবনী, সেটা ফ্রাংকলি হাজিওগ্রাফি। ওরকম ইতিহাস রচনার মানে হয় না। কিন্তু ট্রটস্কির নিজের লেখা ওর চেয়ে অনেক ভালো এবং সত্যি বলতে কি বলা হয়, এক দিনে বিপ্লবের ইতিহাসের মূল ড্রাফ্ট করেছিলেন, সেটা অভাবনীয় ইন্টেলেকচুয়াল কেপেবিলিটি না থাকলে সম্ভব না। আবার ক্রন্স্টাডে যখন ১৯১৯ নাগাদ শ্রমিক আন্দোলন হয়, প্রাকটিকালি নির্মম ভাবে দমন করার সিদ্ধান্ত গুলো ট্রটস্কি নেন। অতএব হোয়াইট লেফ্ট এর ট্রাটস্কি বন্দনায় সমস্যা আছে। স্তালিন নিন্দে তেও সমস্যা আছে, তাই দিয়ে স্টেট ক্রিমিনালিটি গুলির ডিফেন্স হয় না। স্তালিনের বিধাতা হবার শখ আমাদের অনেক এম্বারাস করেছে। তিনি ন্নিজে শস্তাকোভিচ শুনবেন, বুল্গাকোভ কে থিয়েটার এর কাজ করতে দেবেন, কিন্তু মান্দেলস্তাম একটা ছ লাইনের ক্যারিকেচার লিখেছেন বলে তাকে সাইবেরিয়া পাঠাবেন আবার পাস্তের নাক কে ফোন করে জিজ্ঞেস করবেন, এসব নিয়ে ইনটেলেকচুয়াল রা কি ভাবছেন, এসব মানা সম্ভব না।
তো বলছিলাম, স্টেট আর্কাইভ খোলা হলে অনেক কিসুই সব জায়্গায় বেরোবে। শুধু এই জন্যেই আমার দেশ চীনের থেকে এগিয়ে যে এখানে আর্কাইভ্স সার্চ আছে, আর টি আই এখনো পুরো গিলে নিতে পারে নি। কিন্তু অন্ধ প্রশংসা করলে খাবে, অবশ্য বিল তো এনেই দিয়েছে। বিংশ শতাব্দীর মাঝা মাঝি স্বাধীন হওয়া বড় এবং কলোনী দ্বারা চুষে শেষ হয়ে যাওয়া কিন্তু ঘুরে দাঁড়ানোর দেশ গুলোর মধ্যে টেরিবল ফ্লজ, টেরিবল স্টেট ক্রাইম্স এর পরেও, বিশেষতঃ পূর্বাঞ্চলে, ভারতই সবচেয়ে প্রমিসিং ডেমোক্রাসি ছিল। এই টাক দাড়ি কম্বো দেশ নিয়ে ইনক্লুসিভ প্রোগ্রেসিভ স্বপ্ন দেখাটাকেই ক্রিমিনালাইজ করে দিলো।
বোদাগু