এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aka | ২১ জুন ২০২০ ২৩:৩৮448301


  • চেনা? চেনা লাগলে একটা মুভির নাম বলব পরে।
  • জয়প্রকাশ সারস্বত | ২১ জুন ২০২০ ২৩:২৭448300
  • @রঞ্জন বাবু
    অভিনন্দন কে নিয়ে সংবর্ধনা হয়েছিল কেননা পাকিস্তান ওনার ভিডিও বানিয়ে নিজেরা ছড়িয়েছিলো
    অনেকটা পৃথিবীকে দেখানোর জন্য যে হামনে কাঈদ করকে কামাল কর দিয়া অউর ইসিলিয়ে নবীজি সবসে বাড়া হায় ,

    এছাড়া কূটনৈতিক স্তর এ আলোচনা হয় যেটা আর্মি টু আর্মি আলোচনার ওপরের লেভেল এর,

    তার বদলে ভারতীয় সরকার সংবর্ধনা ও আনুষ্ঠানিক মুক্তি র আয়োজন করেছিল
    ধরা পড়া, ছাড়া পাওয়া এগুলোতে সৈনিক এর পরিচিতি প্রকাশ করা হয়না, আর্মি র নিজস্ব নীতি আছে, সৈনিক একজন সংখ্যা (যেটা অভি ভিডিও তে বলেছিলেন বারবার )

    অন্যদেশ প্রকাশ করলে আলাদা ব্যাপার, চীন সেটা করেনি, এক্ষেত্রে ওনারা ভারতীয় সৈনিক, রাঙ্ক এবং নম্বর জানতে RTI করতে পারেন, কিন্তু সেটা জেনে লাভ হবে কি ?, ধরুন জানলেন সুবেদার x2345, তাতে আপনার কৌতূহল নিরসন হবে কি ? বা ল্যান্স নায়েক y 6789 ?

    ভালো থাকবেন

  • রঞ্জন | ২১ জুন ২০২০ ২৩:১৮448299
  • এলেবেলে,

    ঠিক আছে। সেপ্টেম্বরই সই। ২২শে সেপ্টেম্বর নাগাদ ভারতে করোনা কার্ভ ফ্ল্যাট হবে বলে প্স্ট্যারতিরোধটিসটিক্যাল মডেল বলছে। ততদিনে নাকি 'যূথবদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা' তার খেল দেখাবে। আশায় আশায় থাকি।

  • রঞ্জন | ২১ জুন ২০২০ ২১:৩৩448297
  • @জয়প্রকাশবাবু,

    একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এবং দুজন মেজর সমেত যে দশজন সৈনিককে ওরা মুক্তি দিল তাঁরা কেমন আছেন? যদি বালাকোটের সময় মুক্ত হওয়া বৈমানিক অভিনন্দনজীকে অমন সম্বর্ধনা দেওয়া হল তাহলে এই দশজনেরও তো প্রাপ্য়, ওঁদের কবে দেওয়া হবে জানেন কিছু?

  • avi | ২১ জুন ২০২০ ১৯:২২448295
  • হুঁ। কিছুদিন আগে কোভিড সতর্কতা হিসেবে এগুলো গুয়াম থেকে বোধ হয় সরানো হয়েছিল। আবার গুয়ামে ফিরে এসেছে, এবং ড্রিল শুরু হয়েছে ফিলিপিন সাগরে। একসঙ্গে তিনটে মিলে ড্রিল করা অবশ্যই প্রেসার ট্যাকটিক্স। কিন্তু আজকের জাপান টাইমসেও তো বলছে এরা ফিলিপিন সাগরেই আছে, যেটা কোনোভাবেই চীনের ধারেকাছে নয়। জায়গাটার পূর্বে গুয়াম, পশ্চিমে তাইওয়ান, দক্ষিণ পশ্চিমে ফিলিপিন্স, উত্তরে জাপান। চীন সীমান্তের কাছে তো নয়ই, দক্ষিণ চীন সাগরেও নয়।

  • b | ২১ জুন ২০২০ ১৯:১৯448294
  • হ্যাঁ। চন্ডী লাহিড়ীও হতে পারেন। মনে নেই এখন।
    তবে ৬-টা ১০ বাবু মনে আছে। সেই যারা প্রচন্ড গুল দেয় তারা খুব শক পেলে কোমর থেকে শরীরের উর্দ্ধাংশটা ষাট ডিগ্রী কোণে বেঁকে যায়। তাদের দেখতে হয় ৬টা ১০ এর মতো।
  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৮:১০448292
  • হ্যাঁ, কলকাতায় আলাদিনের জিন!
    ওটা অহিভূষণ মালিক? চণ্ডী লাহিড়ী না?
  • b | ২১ জুন ২০২০ ১৮:০৪448291
  • আর টু এইচ,
    অহিভূষণ মালিকের ঐ সিরিজটা ছিলো 'কলকাতায় আলাদিনের জিন'।
    শুকতারায় কি সুফির কার্টুন বেরোতো? তাতে একবার ছিলো, একজন এলিয়েন কলকাতায় এসেছে, তাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সব দেখাচ্ছে এক গাইড। যেমন কালো কাদামাখা একজনকে আঁকশি দিয়ে কুয়ো থেকে টেনে তোলা হচ্ছে, তার দিকে তাকিয়ে গাইড বলছে, এর নাম পাতাল রেল। লাস্ট প্যানেলটা এখোনো মনে আছে। গাইড নাকে রুমাল চাপা দিয়ে আছে, আর এলিয়েন লাফিয়ে স্পেসশিপে উঠছে। মাঝে নোংরার গাদা। সেদিকে আঙুল দেখিয়ে গাইড বলছে, এর নাম ডাস্টবিন, অতিথি তাড়াবার জন্যে লাগে।
  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৭:৫৬448290
  • হ্যাঁ, পাণ্ডব গোয়েন্দা। আনন্দমেলার মান আস্ত আস্তে পড়ছিল (অথবা/ এবং বড় হচ্ছিলাম), তখন শবাধারের শেষ কীলক হিসেবে এলো পাণ্ডব গোয়েন্দাঃ)।
    পাণ্ডব গোয়েন্দা শুকতারায় বেরুতো আগে, তাই তো?
    তবে আনন্দমেলার আগের পান্ডব গোয়েন্দা তাও একটা শিশুপাঠ্য নাইভিটি ছিল, খারাপ লাগতো না পড়তে। কিন্তু জ্ঞান এবং সুন্দরী মেয়ের সহ আনন্দমেলা পুজাসংখ্যায় প্রবেশের পর থেকে অন্য লেভেলে নেমে গেল।
  • avi | ২১ জুন ২০২০ ১৬:৫৯448289
  • কলকাতা কেন্দ্রিকতা কাটিয়েও কত খাজা সিরিজ তৈরি করা যায়, তার নিদর্শন হিসেবে পরের দিকে আমেলায় বেরোতে শুরু করে দড়িছেঁড়া পাণ্ডব গোয়েন্দা। রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, অন্ধ্র কোথায় না কোথায় যেত। ট্রেন, স্কুটার, কুকুর, কিডন্যাপ, হট গার্ল, হিন্দি ভিলেন, পুলিশ মিলিটারি মিলে সে একেবারে যশোবন্ত দারোগা, রোমহর্ষক ডিটেকটিভ নাটক।

    একটা বস্তু কাল থেকে ফেসবুকে টুইটারে লক্ষ্য করলাম। প্রধানমন্ত্রী সেমসাইড গোল দেওয়ামাত্র কী সুন্দর লাদাখ চীন সংক্রান্ত সমস্ত আলোচনা স্রেফ উবে গেল। ভক্তরা তো চুপ করে যোগব্যায়াম বা সূর্যগ্রহণ শুরু করে দিলেনই, উল্টোদিকের লোকজনও আর ওই প্রসঙ্গে গেলেন না বিশেষ। অখণ্ড শান্তি।

    আবার সংঘ যা বিষয় উত্থাপন করবে, সে নিয়ে বিতর্ক হবে।

  • S | ২১ জুন ২০২০ ১৬:৩৫448288
  • একটা গল্পে কেল্টোদা দাবী করেছিল যে ব্রুস লীকে নাকি কেল্টোদাই কুংফু শিখিয়েছিল। কিন্তু তারপর সিনেমা টিনেমা করে ছেলেটা বখে গেল।
  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৬:২৯448287
  • হ্যাঁ, সে তো আমারও ভালো লাগে। কিছু কিছু ডায়ালগ যুগ পেরিয়েও মনে আছে, দাদা তোমার পায়ের কাদা বা মাথা গরম পদা, এই নাও গদা, 'মন ছুটে যায় তেপান্তরে এ এ' - 'তেপান্তরে যেতে হবে না, সাহস থাকে তো এ পান্তরে এসে এই বেলুন নিয়ে যা'।
    তবে গল্প ঘুরে ফিরে একই রকম, তাই গোটা দশেক পড়ে ফেললে বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি ধরনের ব্যাপার হয়ে যায়ঃ)
  • S | ২১ জুন ২০২০ ১৬:২০448286
  • আমার নন্টে ফন্টে, হাঁদা ভোঁদা, বাঁটুল সবই খুব ভালো লাগতো পড়তে। এখনও সুযোগ পেলেই নন্টে ফন্টে পড়ি। প্রতি গল্পের শেষে সুপারিন্টেন্ডেন্ট স্যার কেল্টোদাকে তাড়া করছে, এটা দারুন লাগতো।
  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৬:১৮448285
  • আর জানা টানার ব্যাপারই যদি হয় তবে কাকাবাবু তো গোসাবা ক্যানিং বিজয়নগর নেপাল কত জায়গায় গেলেন। আর ত্রিপুরার ধর্মনগর কৈলাশহর ঐসব জায়গায় আর কোন সাহিত্যের চরিত্র অ্যাডভেঞ্চার করতে গেছেন কিনা জানি না। একটা গল্প পড়েছিলাম আনন্দমেলায় ক্লাইভ যুদ্ধে হেরে পালাতে পালাতে মুদী দোকানির বাড়ি এসে পান্তা ভাত খাচ্ছে, সুন্দরবনে নোনা হয়ে যাওয়া মাটিতে তরমুজের চাষ, ঐসব গল্পও আনন্দমেলায় পড়েছি, তো ঐসব জ্ঞানগম্যি ছোটদের লেখায় সব প্রকাশকই অল্পবিস্তর দিয়েছেনঃ)
  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৬:০৫448284
  • কিশোর মনে চন্ডী লাহিড়ির অনিয়মিত কমিক্স বেরুতো বোতলের জিন নিয়ে। অসাধারন লেগেছে ওটা যে কয়েকটা পর্ব পড়েছি।
    আনন্দমেলায় অহিভূষণ মালিকের নোলেদা ছিল।

    আসলে আমরা আলাদা আলাদা সময়ে আলাদা আলাদা জিনিস পড়েছি বোধয় যদিও হরেদরে বয়েস ধারে কাছে। আমি যেমন ঐ কাগজকুড়ুনি ছেলের চোখে কলকাতা ভ্রমণ বললাম। যদিও তারপর আমিও ডিজনিল্যান্ড ভ্রমণ টমন পড়েছি। ছোট্ট মোদের জগৎখানা যাই বলো অনুবাদটা মনে ছিল, কয়েক দশক পেরিয়ে জখন মেয়েকে নিয়ে ডিজনিল্যান্ড বেড়াতে গেলাম, তখন বলছিলাম, ছোটবেলায় এই জিনিসটা, এই গানটা শুনে খুব কৌতুহল হয়েছিল। ভেতরে ভেতরে অ্যাসপিরেশনও তৈরী হয়েছিল কিনা কে জানে, তবে ব্যাক্তিগত প্রসঙ্গেই যদি যেতে হয় তাহলে দেব সাহিত্য কুটীরের পাঠকরা সব অ্যাসপিরেশনহীন বা আমি খুব সাফল্যের কুমীর তা নাঃ)
  • কলোনি | ২১ জুন ২০২০ ১৫:৫৮448283
  • টিনটিনের ধারেকাছে আর কোনো কমিক্স লাগে নি। নন্টে ফন্টে সামান্য পড়েছি, হাঁদা ভোঁদা বাঁটুল দেখে পাতা ওলটাতেও ইচ্ছা করেনি। যেমন বাজে ছবি তেমন বাজে গল্প। সে যতই দেশজ হোক। টিনটিনের বাংলা অনুবাদ অরিজিনালের থেকেও বেটার। আর সমাজ সচেতন লেখা কিভাবে লিখতে হয়, সেটার জন্য মতি নন্দীর কলাবতী পড়ে নিন। একজন মেয়ে ক্রিকেটার, তাতে ময়দানের রাজনীতি থেকে আকচাআকচি সব এসেছে। কিন্তু গুরু লেখার কায়দায় পড়তে একটুও বাজে লাগে না। এরকম ভাল লেখা আনন্দমেলা ছাড়া কোথাও পাইনি। জমাটি করে না লিখতে পেরে চাট্টি জ্ঞান ফলালে বাচ্চারা পাতি কাটিয়ে দেবেই।

  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৫:৫৪448282
  • বাঁটুল হাঁদা ভোঁদা ইত্যাদির টিনটিন এট আলের সঙ্গে দূর দূরান্তে কোন তুলনা হয় না। বৈচিত্র নেই, কোন জটিলতা নেই, অনেকাংশে বিদেশী কমিকস থেকে ফ্রেম ধরে টোকা। নারায়ণ দেবনাথ বাংলায় কমিকস চর্চার পথিকৃৎদের মধ্যে একজন, তার জন্যে তাঁর যথাযোগ্য সম্মান প্রাপ্য। কিন্তু ঐ দুইয়ের মধ্যে তুলনা জাস্ট হয় না। ময়ূখ চৌধুরী বিরাট বড় শিল্পী, কিন্তু ওঁর কমিকস গুলো কমিক্সের থেকে বেশি গ্রাফিক নভেল। এবার জনপ্রিয় গ্রাফিক নভেল হয়ে ওঠার জন্যে বাকী মেটিরিয়াল যথাযথ ছিল কিনা সেইটা প্রশ্ন। ওদিকে আনন্দমেলায় সদাশিব, বিমল দাসের মত শিল্পীর তুলিতে, কিন্তু অন্যগুলির সঙ্গে তুলনীয় নয়। কমিক্স মাধ্যমটাই যেহেতু ওদিক থেকে আসা... আবার ছবিতে গল্প বলার চল তো আমাদেরও ছিল, পট টট, ঐ, মাঝখানে ভোগে গেছে।

    ওদিকে কিশোর ভারতীতেও জাঙ্গল বুক কমিক্সের অনুবাদ বেরুতো, ডিজনির। অনুবাদের কোয়ালিটি শতহস্ত দূরে।

    আর বড়দের লেখকদের ছোটদের লেখক করে তোলা এইটা পড়ে ভয়ানক অবাক হলাম। বড় বড় লেখকরা ছোটদের জন্যে লিখছেন এ তো খুবই ভালো ব্যাপার। শক্তি, নীরেন্দ্রনাথ, শরৎ মুখোপাধ্যায় এঁরা সব ছোতদের জন্যে লিখছেন, এতে আপত্তিটা কী কে জানে।

    আবাপ বদের বাসা তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু প্রতিযোগীরা শক্তিশালী ছিলনা, আপডেটেডও ছিল না। এ পক্ষ যদি আমেরিকাকে কপি করে নিজেদের সংস্কৃতি গড়তে চায়, ওপক্ষ সোভিয়েতকে কপি করতে চেয়েছে।
  • Dipanjan | ২১ জুন ২০২০ ১৫:৪৩448281
  • ঠিক, আনন্দমেলার প্রথমেই যে ভ্রমণ কাহিনীটা থাকতো তার বেশির ভাগই বিদেশ নিয়ে | নীল ও ব্রায়েন এর কুইজ এর অধিকাংশ প্রশ্নই পশ্চিমের সংস্কৃতি নিয়ে | পুরো পত্রিকার মধ্যেই নাগরিক সমকালীনতা আর পাশ্চাত্যঘেঁষা উচ্চাশার একটা মোড়ক থাকতো | তুলনায় ছোটবেলায় পড়া দুটো লেখার কথা মনে পড়ছে চট করে |

    কিশোর ভারতীতে 'বানভাসি' বলে একটা উপন্যাস পড়ে চমকে গিয়েছিলাম | বাংলাদেশের দক্ষিণের যে অঞ্চলগুলোতে প্রায়ই সাইক্লোন আর বন্যা হয় সেখানকার গল্প | কিভাবে এক গ্রামের কিছু কিশোরের সহমর্মিতা, প্রস্তুতি আর প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারে |

    দ্বিতীয় গল্পের নাম ভুলে গেছি | দেব সাহিত্য কুটিরের কোনো এক শারদীয়ায় একটা ডিটেক্টিভ গল্প | নুসরাত শাহ এর সভাসদদের মধ্যে কেউ এক জহরত চুরি করবেন | সন্দেহভাজনরা সব আমির উজির ইত্যাদি | মনে আছে সেই গল্পটা পড়ার আগে পর্যন্ত বাংলার সুলতানি আমলের ইতিহাস সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না | নবাব সিরাজদৌল্লার নামটা শুধু অস্পষ্ট জানতাম | এই প্রসঙ্গে, আনন্দমেলায় পড়া কোনো মুসলিম চরিত্র মনে করতে পারছি না | সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজেরও গোয়েন্দা নীলাদ্রি সরকার আর সাংবাদিক জয়ন্ত |

    কলকাতা কেন্দ্রিকতা বলতে স্থান কালের এই বিস্তৃতির অভাবটার কথা বলছিলাম | শীর্ষেন্দুর লেখা কলকাতার বাইরে হলেও তাতে ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক স্পেসিফিসিটি খুব একটা থাকতো না, চরিত্রের কোয়ার্কের জোরেই চলে যেত |
  • S | ২১ জুন ২০২০ ১৫:৩৯448280
  • পূজাবার্ষিকী শুকতারায় একটা গল্প পড়েছিলাম। যতদূর মনে পড়ছে উত্তরবঙ্গের বা উত্তরপূর্বের একটা কোল মাইনের গল্প। স্বাধীনতার আগে, দেশে তখন ইংরেজদের ভীষণ শাসন। একটা ট্রেন রোজ কয়লা নিয়ে একটা ব্রিজ পার করতো। দারুন লেগেছিল। ইস্কুল জীবনের গল্প নিয়ে শিব্রামের লেখাগুলো চমৎকার লেগেছিল। আমার অবশ্যি ইস্কুল জীবনের সব গল্পই খুব পরিচিত মনে হয়।
  • S | ২১ জুন ২০২০ ১৫:২৯448279
  • আমার আবার ঐ প্রতি সপ্তাহে দুপাতা করে কমিক্স পোষায় না। ঐ পুরো টিনটিন কমিক্স গুলো খুব ভালো লেগেছিল। রোভার্সের রয় কোনওদিনও বুঝতেই পারতাম না। তখন চুটিয়ে ফুটবল খেলছি। ফলে সেটাকে কমিক্সের পাতায় দেখতে ভালো লাগতো না। এরপর আর্চিজ পড়েছি, মজা পাইনি। আরো অনেক পরে কিছু অ্যাস্টেরিক্স পড়েছিলাম। মজার ছিল। ওটাতে বোধয় কিছু নাম আর টার্মস বাংলা করে দিয়েছিল।
  • S | ২১ জুন ২০২০ ১৫:১৫448278
  • আমি আনন্দমেলার গল্পের খুব কমই পড়েছি। জিকের জন্য কয়েক্পাতা উল্টাতাম মাঝেমধ্যে। তখন বোধয় কুইজ, এর ওর সম্বন্ধে জানো, তারপর ভ্রমণ নিয়ে কিছু সেকশান ছিল। সেগুলোতে দেখি প্রচুর বিদেশি জিনিসপত্তর নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি।
  • Dipanjan | ২১ জুন ২০২০ ১৫:০৭448277
  • "কিন্তু বিদেশী নাম... তাৎক্ষণিকভাবে মনে পড়ছে না অন্তত" - S মনে হয় কমিক্সগুলোর কথাই বলছেন প্রধানত | পাক্ষিক আনন্দমেলার সেন্টারপিস্ কমিক্স তিনটে আশির দশকে ছিল রোভার্সের রয়, টিনটিন আর বিশ্বকাপ ফুটবল | এর কোনোটাতেই ভারতীয় নাম বা চরিত্র ছিল না একটাও | কিন্তু নারায়ণ দেবনাথ বাঁটুল, কৌশিক, হাঁদাভোঁদা বা নন্টেফন্টের কাহিনী সূত্র আর চরিত্রের কাঠামো বিদেশী কমিক্স থেকে নিলেও চরিত্রগুলোকে বাঙালী নাম দিয়ে বাঙালীদের কাছে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছিলেন | এই তফাৎটা ছিল |
  • PT | ২১ জুন ২০২০ ১৫:০১448276
  • আনন্দমেলার সব চাইতে খারাপ কম্মটি হল দেশজ কোন কমিক্সকে তুলে না আনা। গাবলু, অরণ্যদেব ইত্যাদি দিয়ে কাজ চালাত। অথচ সেই সময়েই শহরতলীর বা গ্রামীণ পড়ুয়াদের কাছে বাঁটুল, হাঁদা-ভোঁদা, নন্টে-ফন্টে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়েছ। এমনকি আনন্দমেলা ময়ূখ চৌধুরীর মত ক্ষণজন্মা শিল্পীকেও জায়্গা দেয়নি নিজেদের পেটোয়া লোককে দিয়ে লেখানোর জন্য। আমার আরো একটা ব্যাপার মনে হয়েছে আনন্দমেলা জোর করে বড়দের লেখকদের ছোটদের লেখকে পরিণত করেছে। সেটা সকলের ক্ষেত্রে যে খুব একটা কাজ করেছে বলে মনে হয় না। শিশু-কিশোর সাহিত্যের প্রকাশ ভঙ্গী বোধহয় অন্যরকম হওয়ার কথা। এমনকি শুকতারা প্রকাশনীর বিশ্ব-সাহিত্যের অনুবাদের ভাষাও আনন্দমেলার ভাষাপ্রকাশভঙ্গীর থেকে সম্পূর্ণ আলাদা ছিল।
  • r2h | ২১ জুন ২০২০ ১৪:২০448275
  • স্মার্ট ঝকঝকে ছেলেমেয়ে তাও মানছি, কিন্তু বিদেশী নাম... তাৎক্ষণিকভাবে মনে পড়ছে না অন্তত। শুকতারায় বরং মলাটে কৌশিকের কমিকস পুরো জেমস বন্ড।
    অবশ্য আমি অন্য রাজ্যে থাকতাম যেহেতু তাই আবাপ ছাড়া অন্য কিছু নিয়মিত ছিল না, খুব একটা পেতামও না। যেকোন জায়গায় বেড়াতে গেলেই কলকাতা হয়ে যেতে হত, তখন কিশোর ভারতী কিশোর মন এসব পেতাম। বাড়িতে আনন্দমেলা, আর লাইব্রেরীতে শুকতারা পাওয়া যেত। আর চাঁদমামা, ওটা চিরকালই ম্যাগো চোখে দেখতাম।

    তো কথা হলো, আনন্দমেলায় বিদেশী বলতে কমিক্সগুলো ছিল, কিন্তু ঐ মানের অনুবাদ বাংলায় আর হয়েছে কিনা জানি না। ওদিকে শীর্ষেন্দু বেশিরভাগ সময় কলকাতার বাইরের পটভূমিকা। একেবারে উবের ঝকঝকে স্মার্ট হলো বুগুর চরিত্রগুলি। উনি আবার ঋভুর শ্রাবণ, বুলবুলির চরিত্রও লিখেছেন। আর মজার ব্যাপার হলো আমি (এবং আমরা) থাকতাম পঃবঙ্গের বাইরে, মফস্বল জেলা সদরে। কিন্তু ঠিক 'কানেক্ট' করার সমস্যা হয়নি। মানে, অপু দুর্গা, পাগলা দাশু, রিদয়ের সঙ্গেও কি আমরা সেই অর্থে কানেক্ট করতে পারি? সেই তুলনায় বরং অন্যত্র চরিত্রদের অবাস্তব, দূরের মনে হতো। মানে সন্তু, গোগোল আর সাধু কাঁলাচাঁদ যদি দেখি, তাহলে কোনটা বেশি একটা ছেলে স্কুলে যাচ্ছে, টিউশন যাচ্ছে, বাবা চাকরী করে এইটা, একটা ছেলে স্কুল পালায় দিনের পর দিন ফেল করে, মোষের শিঙে চীনে তেজস্ক্রিয় ব্যাপারস্যাপার, এইসব থেকে বেশি বাস্তব মনে হতো। ততদিনে শ্রীকান্ত প্রথম পর্ব পড়ে নিয়েছি, মাছ চুরি টুরি ছমছমে ব্যাপার, কিন্তু ওসব শরৎচন্দ্রের আমলের ব্যাপার, আর খুব একটা ভালো কাজ নয় ঐসব জ্ঞান হয়ে গেছে তো। এবার যারা গ্রামে বা আরো গঞ্জে মফস্বলে থাকতো তাদের কাছে হতেই পারে সাধু কালাচাঁদ বা অনুরূপ চরিত্র বেশি কাছের। আবার যখন টেনিদা বা লীলা মজুমদার পড়তাম তখন ঐ বাস্তব অবাস্ত্বরে ব্যাপারটা আদৌ কোন বাধা হতো না।

    সোশ্যাল কন্টেন্টের ব্যাপারটা বাস্তব, কিশোর মন বা ভারতীতে শক্তিবদ রাজগুরুর গল্প পড়েছিলাম পশুবাক, ঠিক ওরকম কন্টেন্ট কখনো আনন্দমেলায় পাইনি। আবার অন্যদিকে আনদমেলায় শ্রী থেকে ঈশ্বর বা মিলি ও কবিরাজমশাই ঐসব গল্প পড়েছি, এমনকি এত অপছন্দের পরও বুগু'র ঋভুর শ্রাবণ - এইসব কন্টেন্ট বয়ঃসন্ধিকালীন এমপ্যাথিচর্চার জন্য ভালো জিনিস বলে মনে হয়েছে। টিটিচিকোরী বলে একটা গল্প পড়েছিলাম।

    আর আনন্দমেলায় যতদূর মনে পড়ে মৌলিক কন্টেন্ট অন্য পত্রিকার তুলনায় বেশি ছিল। অনুবাদ ইত্যাদির কথা ভেবে বলছি।

    লেট সত্তর বা আর্লি আশি মনে নেই, মানে ঐসময় আমি নিরক্ষর, পরে পড়েছি - নীরেনবাবু বা শক্তির লেখা ভ্রমণকাহিনী। একটি ছোট ছেলে কাগজ কুড়োয়, তার দেখা কলকাতা। আমাদের সীমান্ত নিকটবর্তী শহর, কাগজকুড়নো ছেলেমেয়ে দেখলেই হেনস্তা এবং বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী চোরেদের শাগরেদ বলে পিটিয়ে দেওয়ার চল ছিল। ঐরকম বৃত্তের মাঝে থেকে একজন মেজর কবির কলমে কাগজকুড়ুনির ক্যাজুয়াল জবানী পড়া কিন্তু দুরন্ত ঈগলের থেকে খুব কম হার্ড হিটিং না।
  • সম্বিৎ | ২১ জুন ২০২০ ১৩:৩৫448274
  • স্টুডিও রেকর্ডিং শুনিনি। নেই বলেই মনে হয়। পরে ওনার যেসব অখাদ্য প্রাইভেট রেকর্ডিং বেরিয়েছে, তাতে আছে কিনা জানিনা। থাকলেও দুদুভাতু।

  • b | ২১ জুন ২০২০ ১৩:২২448273
  • বিসওয়াস জী গায়া নেহি ক্যা?
  • সম্বিৎ | ২১ জুন ২০২০ ১৩:০০448272
  • ইয়ে গানা তো হামারা মল্লিকমশাইকা সিগনেচার। সুবিনয় রায়মশাইকা ভি হ্যায়। দেওব্রতজীকা সুনা হ্যায় কে ঠিক সে ইয়াদ নেহি আতা।

  • b | ২১ জুন ২০২০ ১২:৩৬448271
  • দেওব্রৎ কা গলে মে "ভয় হতে তব অভয় মাঝে" ইয়ে গানা হ্যায় ক্যা?
  • কলোনি | ২১ জুন ২০২০ ১১:৫৬448270
  • ভাবছিলাম ন্যাড়াদার মন্তব্য কখন আসবে। সন্দেশ টপ। কোনো কথা হবে না।

    কেউ একটা বললেন আনন্দমেলা কলকাতা কেন্দ্রিক। ভাগ্যিস! ওই জন্যই পড়তাম। অন্য ম্যাগাজিনে হাবিজাবি সোশ্যাল কন্টেন্ট, গেরাম ফেরামের সমাজসচেতন গপ্পো, বুগু সুলভ জ্ঞান বর্ষণ দেখলেই আর ছায়া মাড়াতাম না।

  • সম্বিৎ | ২১ জুন ২০২০ ১১:৩৮448269
  • সন্দেশ - সত্যজিৎ রায়

    আনন্দমেলা - ঋতুপর্ণ ঘোষ

    শুকতারা - প্রভাত রায়

    কিশোরভারতী - অঞ্জন চৌধুরী

    চাঁদমামা - প্রকাশ মেহেরা

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত