এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০৩:২০434341
  • "সে তো মেয়েটি বলবে।
    সমাজের এত শিরঃপীড়া কেন!"
    সত্যি তো! ধর্ষণ হলে সমাজের কেন শিরঃপীড়া হয়? শরীর তো মেয়েটির-্সে বুঝবে!!
    সেজন্যেই বোধহয় পন্ডিতেরা কেউ তাপসী মালিকের জন্য "ইনসাফ চাহিয়ে" বলেনা!!
  • aranya | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০৩:১৭434340
  • লীলেনের টইতে যে পোস্ট-্টির উল্লেখ করেছি, তাতে তিনটি পয়েন্ট ছিল, গালাগাল ইঃর সাথে, হিন্দুদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণের কারণ হিসাবে -
    ১। মুঘল যুগে ধনসম্পত্তি-র লোভে
    ২। মৃত্যুভয় বা চাপের কাছে নতি স্বীকার করে
    ৩। পুরুষ-দের মেরে ফেলে, মেয়েদের ধর্ষণ করে, জোর করে বিবাহ করা, ধর্মান্তর করানো

    উপরের তিনটি পয়েন্টেই কিছুটা সত্যতা আছে, এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। গালাগাল ইঃ বাদ দিলে এই পয়েন্টগুলো ই পড়ে থাকে।

    আমাদের একটা সমস্যা হল, বাক স্বাধীনতা নিয়ে অনেক কচকচানি হলেও ধর্ম ব্যাপারটা এলেই আমরা কুঁকড়ে যাই। দুই বা চার অক্ষরের বিবিধ স্ল্যাং অন্য ক্ষেত্রে ব্যবহার চলবে - তখন আমজনতার মুখের ভাষা বা সাব- অল্টার্ণ ভাষা ইঃ যুক্তি আসবে।
    কিন্তু আল্লা বা মহম্মদ-্কে নিয়ে কোন স্ল্যাং ব্যবহার করা যাবে না। তখনই চাপাতির কোপ পড়বে বা শার্লি হেবদো-র সাংবাদিকদের মত গুলিতে উড়ে যাবে মানুষ।
  • অর্জুন | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০৩:১৫434339
  • সবাইকে দোলৎসবের রঙিন শুভেচ্ছা।

  • অর্জুন | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০৩:১৩434338
  • বাড়ির শিক্ষা মানেই রক্ষণশীল তা নয়। বাবা, মা ছেলে মেয়েকে খিস্তি শেখাচ্ছে সেটাও খুব আধুনিক এমনও নয়। সমকালীনতা অর্থই আধুনিক নয়। আধুনিকতা একটা দর্শন যেটা আত্মস্থ করতে হয়। তবে পারিবারিক কিছু ঐতিহ্য থাকেই যেটার দায়ভার উত্তর প্রজন্মের। এ ঐতিহ্য রক্ষণশীলতা, গোঁড়ামো নয়।

    আমার মনে হয় সন্তান কোনো খিস্তি শিখে এসে বাবা, মা'কে বললে তার অর্থ বলে দিয়ে এটাও বলে দেওয়া কর্তব্য এ সব শব্দ ব্যবহার না করা। এটাই বলতে চাইছি। কে বলতে পারে, বাইরের লোককে বলেছে বলে আজ ডাক দিলাম না। কাল হয়ত মতে না মিললে আমারই অপর আমার সন্তান অসব বর্ষণ করবে।

    সেক্স এডুকেশন নিয়ে পরে আলোচনা হবে।

    @অরিন-দা, আপনার মেসেজ গুলো আপনার সিগ্নেচর বহন করে। আমি সারা জীবনে বন্ধু বান্ধব বাদ দিলে খুব কম সংখ্যক মানুষকে 'তুই' বলে সম্বোধন করেছি। আমি আমার কোনো ছাত্র, ছাত্রীকেও 'তুই' বলিনি কখনো। আমার এক বান্ধবী আছেন, সামান্য বড় আমার চাইতে। গান শিখতে গিয়ে আলাপ হয়েছিল। আমরা পরস্পরকে এখনো 'আপনি' বলি। She is one of my closest friends, confidante বললেও ভুল হবেনা।

    আমার বাবা অ্যাকয়াগার্ড সার্ভিস করতে আসা ২৩/২৪ বছরের ছেলেটিকেও 'আপনি' বলেন।

  • aranya | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:৫৯434337
  • দু, লীলেনের টইয়ের পোস্ট-্কে আমি অশ্লীলতার উদাহরণ হিসাবে উল্লেখ করি নি। ওটা হেট স্পীচ।
    ওটা আমি উল্লেখ করছি দুটো কারণে -
    ১। লাইন টানা এবং নীতিপুলিশি যে কোন না কোন সময়ে আমরা অনেকেই করে থাকি, তার প্রমাণ হিসাবে।
    ২। রোদ্দূর রায় তার ইন্টারভিউতে একটা যুক্তি দিয়েছেন যে রবীন্দ্রনাথ-্কে অপমান করা তার পক্ষে সম্ভব নয়, একই যুক্তিতে আল্লা-কে অপমান করাও কারও পক্ষে সম্ভব নয় - এটা বোঝাতে।
  • সে | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:৫৩434336
  • সবসময় যে বাড়ির শিক্ষাটাই রক্ষনশীল হলে খুব ভাল হবে এমন নয়।
    রক্ষনশীল বাড়িতে (আফ্রিকান অরিজিনের) একটা মেয়েকে গোপনে FGM করিয়ে আনলে তা দণ্ডনীয় অপরাধ। মেয়েটির মৃত্যু হতে পারে বা বেঁচে গেলেও সে সারাটা জীবন যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচবে।
    কিংবা রক্ষনশীলবাড়ির মেয়ে কারও সঙ্গে যৌন সম্পর্ক করলে তাকে মারধোর করাও দণ্ডনীয় অপরাধ। এদেশে বাবার হাতে মেয়ে খুন হয় পাকিস্তানি বা তুর্কী পরিবারে। অনার ক্রাইম। রক্ষনশীলতা এর কারণ।
  • aranya | 173.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:৫১434335
  • হুতো, মেহবুব লীলেনের টইতে আল্লাকে গাল দেওয়া নিকে যে পোস্ট-টা ছিল, তা অবশ্যই উস্কানিমূলক। কিন্তু সেটা ডিলিট করতে চাওয়ার মানে হল, সেখানেই তোমার লাইন ড্র করছ।
    পূর্ণ বাক স্বাধীনতা বলে কিছু হয় না, তাই তাহলে দাঁড়াল।
    আর উস্কামি মূলল পোস্ট যদি ডিলিট করতে হয় তাহলে ঈশেনের নাজি দখিন দুয়ার খোলা গানটাকেও তো কেউ উস্কানিমূলক বলতে পারে। বিজেপি মেম্বার -সমর্থক দের চাড্ডি বলে গাল দেওয়া হচ্ছে এবং লিটারালি তাদের চাড্ডি বা জাঙিয়া খুলে নেওয়ার কথাও প্রীচ করা হচ্ছে - হাল্কা উস্কানি বলে ধরাই যায়।
    তাহলে ঐ গানের লিঙ্ক-ও গুরু থেকে ডিলিট করা হোক। নাকি শিল্পের মোড়কে উস্কানি জায়েজ?
    আমার মূল বক্তব্য ছিল লাইন টানা। উচিত- অনুচিত নিয়ে মানুষ সর্বদাই লাইন টেনে চলে। তার থেকে বেরনো সহজ নয়
  • অরিন | 198.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:৪৬434334
  • “খুব দরকারি খিস্তি শেখা। ভাষার একটা অঙ্গ তো! ওটা বাদ দিলে ভাষা পুরোপুরি শেখা হবে না। সাহিত্যেও লাগবে”

    অবশ্যই। একটা সিস্টেমেটিক শিক্ষাপ্রণালীর মধ্যে দিয়ে না গেলে বোধটাই তো তৈরী হবে না। স্কুল হচ্ছে মনের জিম! একটা সেফ এনভায়রনমেন্ট যেখানে শিশুরা চ্যালেনজের মধ্যে দিয়ে যেতে বড় হয়। তার পরেও কি কম ঝনঝাট পোহাতে হয়?
  • একলহমা | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:৪২434333
  • অরিন | 198.41.238.123 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৪৫
    ভালো লাগল‌। এর থেকে গুছিয়ে বলতে পারতামনা।
  • সে | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:৩৩434332
  • অর্জুন,
    বাড়ির শিক্ষা যেরকমই হোক না কেন, সেক্স এডুকেশন ম্যান্ডেটরি। পরীক্ষাও আছে।
    অভিবাবকদের জানিয়ে দেওয়া হয় যে সব শেখানো হবে ক্লাসে, কোনও ওজর দিয়ে সেই ক্লাসগুলো বাচ্চাদের স্কিপ করাবেন না।
    ঠিক যেমন সাঁতার শেখার ক্লাসে সুইম সুট পরে ছেলেমেয়েরা সাঁতার শিখবে, রক্ষনশীলতার দোহাই দিয়ে ইস্কুল কামাই করা চলবে না।
    এদেশে এসে বড্ড অদ্ভূত লেগেছিল আমার মেয়ের। কেউ হাত চালাচ্ছে না দেখে। আমিও যখন প্রথম রুশদেশে যাই হুব্বা হয়ে গেছলাম নিরাপদে পথে চলতে পেরে। কেউ আওয়াজ দেয় নি, বুক পেছন কোনওটাই প্রোটেক্ট করে চলতে হতো না।
    কবে আমরা ভারতীয়রা ভদ্র সভ্য হব ভাবতুম।
    এ জন্মে আর সেসব দেখে যাওয়া হবে না।
  • সে | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:২৩434331
  • অর্জুন,
    খুব দরকারি খিস্তি শেখা। ভাষার একটা অঙ্গ তো! ওটা বাদ দিলে ভাষা পুরোপুরি শেখা হবে না। সাহিত্যেও লাগবে। সাহিত্য তো আসছেই সমাজ থেকে, সেখানে খিস্তি থাকবেই।
    এদেশে ইস্কুলে সেক্স এডুকেশনের কোর্সে খিস্তি শেখাটা মাস্ট। না শিখলে ঐগুলোর ওপরে নিষিদ্ধের প্রতি আকর্ষণের মত ব্যাপার থাকবে।
    ভারতে কটা ইস্কুলে প্রপার সেক্স এডুকেশন আছে আমি জানি না। ২০০৪ সালে (এব সাইটের জন্মের আগে) অন্য একটা সাইটে সেক্স এডুকেশনের দরকার ব্যাপারে বলেছিলাম, স্বভাবতই রক্ষনশীলরা রে রে করে তেড়ে আসেন।
    কন্ডোমের ব্যবহার থেকে শুরু করে সমস্ত কিছু শেখানো দরকার। নিজেকে চিনবার জন্যও দরকার। যে গে/লেসবিয়ান সে ঐ ক্লাস করার পরে আর কনফিউজড থাকে না, নিজেকে জেনে ফেলে। এটাও জেনে ফেলে যে তার কোনও অসুখ নেই, সে স্বাভাবিক। সমস্তটাই শিখিয়ে দেন ক্লাস টিচার।
    দরকার আছে বৈকি। শুধু ভাল ভাল শব্দ শিখলেই চলবে?
    শিশু এবং কিশোর বয়সে জানতে হবে না কে তাকে অ্যাবিউস করছে? আত্মরক্ষার জন্যও দরকার।
  • অরিন | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:১১434330
  • "কাল মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের বইটা থেকে আপনাকে অংশ বিশেষ তুলে পাঠালাম @ অরিন-দা। কিছু রেসপণ্ড করলেন না। ভাল জিনিসের কদ্র ভীষণ কমে যাচ্ছে। "

    রেসপন্স করার মাঝেই তো কতরকম বাগ্বিতণ্ডা হয়ে গেলো, দেখলেই তো!
    তারপর তো "মেঘ-রৌদ্র" ইত্যাদির খেলা, :-)
    খুব ব্যক্তিগত কথা মনে হয় গুরুচন্ডালীতে বলা উচিত না, তাহলেও বলতে হয়, আমি পারতপক্ষে কাউকে "গালাগালি" দিই না, প্রায় কখনো মনে পড়ে না, কালক্রমে কোন কথা লেখার পূর্বে আরো দু একটা প্রতিশব্দ ভেবে বলতে হয়। এটাকে ভদ্রতা বল, এলিটিজম বলো, "ন্যাকামি" বল, আমি নাচার। বেশ কয়েকদিন ধরে না চিনলে জানলে আমি চট করে কাউকে "তুই" সম্বোধন ও করতে পারি না (গত সপ্তাহে পাইকে "তুই" বলে লিখেছিলাম, কারণ পাই-এর সঙ্গে বহুদিনের backchannel যোগাযোগ )। এখন এটা আমার সংস্কার, খুব গোলমালের মুহূর্তেও "F ", "S " শব্দগুলো বেরোয় না। কলকাতায় যখন থাকতাম, বাড়িতে যাঁরা কাজ করতে আসতেন, তাঁদের "আপনি" করে সম্বোধন করতাম আমরা, তাঁরা প্রথম দিকে একটু অবাক হয়ে যেতেন, পরে দেখতেন, এটাই আমাদের কথা বলার স্টাইল।

    উল্টোদিকে কেউ যদি অন্যরকম বাক্যালাপ করেন, তাহলে সেটা তাঁর ব্যাপার, ও নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন কি? দেখে চিনে, মন খারাপ হলেও তাকে হালকা করে উড়িয়ে দিতে শিখে গেছি।
    :-)
  • এলেবেলে | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:০৮434329
  • আমি না আর কিছু বলছি না মানে ক্লান্ত হয়ে গেছি বলে বলে। তো এই সুযোগে টুক করে দাড়িদাদুর দুটো বাণী রেখে যাই। দেখুন তো রোদ্দুরকে উনি কীভাবে নিতে পারতেন?

    ১. প্রবলপক্ষেরা সর্বদাই স্বাধীনতার অপব্যবহার লইয়া খোঁটা দিয়া স্বাধীনতাকে খর্ব করিতে চেষ্টা করিয়া থাকে। কিন্তু স্বাধীনতার অপব্যয় করিবার যদি অধিকার না থাকে তবে তাহাকে স্বাধীনতাই বলা যায় না। অপব্যয়ের দ্বারাই সদ্ব্যয়ের যে শিক্ষা হয় তাহাই খাঁটি শিক্ষা। অন্তত আমি একথা জোর করিয়া বলিতে পারি -- স্বাধীনতার দ্বারা যেটুকু উৎপাত ঘটিয়াছে তাহাতে আমাকে উৎপাত নিবারণের পন্থাতেই পৌঁছাইয়া দিয়াছে। শাসনের দ্বারা পীড়নের দ্বারা কান-মলা এবং কানে মন্ত্র দেওয়ার দ্বারা আমাকে যাহা কিছু দেওয়া হইয়াছে তাহা আমি কিছুই গ্রহণ করি নাই

    ২. একবার যেটা অভ্যাস হইয়া যায় সেটাতে আর নাড়া দিতে ইচ্ছা হয় না। কেননা স্বভাবের চেয়ে অভ্যাসের জোর বেশি। অভ্যাসের মেঠো পথ দিয়া গাড়ির গোরু আপনিই চলে, গাড়োয়ান ঘুমাইয়া পড়িলেও ক্ষতি হয় না। কিন্তু ইহার চেয়ে প্রবল কারণ এই যে, অভ্যাসের সঙ্গে সঙ্গে একটা অহংকারের যোগ আছে। যেটা বরাবর করিয়া আসিয়াছি সেটার যে অন্যথা হইতে পারে এমন কথা শুনিলে রাগ হয়

  • একক | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০২:০২434328
  • @টি
    না, সব হোয়ে গ্যাচে এরোম কিচু মনে করিনা। বাঙ্গলা সাহিত্য নিয়ে পাঠকের এক্সপেক্টেশনে সমস্যা আচে। লোকে হাঁ হাঁ করে চিল্লাচ্চে ঃ যুব সমাজ অপসন্স্ক্রিতি তে ভেসে গ্যালো, এদিকে বাচ্চার হাতে এতো বাজে লেখা দিনের পর দিন তুলে দেয় যে কহতব্য না। কুতসিত সিনেমা বাচ্চাদের সিনেমার নামে কাটচে, বাপ মায়েরা জেহেতু পকেট কেটে পয়্সা খর্চা করে ফেলেছে, নিজেদের স্তোক দিচ্চে এই বোলে যে আহা বাচ্চার তো ভাল্লেগেছে !! আরে বাচ্চার তো লাল রঙ্গ দেওআ আলুকাব্লি ও ভাল্লাগে, তাহোলে সে জন্ডিস বাধালে এতো কান্নাকাটি কেনো ? পাঠক হিসেবে এক্স্পেক্টেশন , দর্শক হিসেবে এক্স্পেক্টেশন এগুলো ছোটোবেলা থেকে তঐরী হয়, টেস্ট গ্রো করে, এক টা ডাম্ব জেনেরেশন গড়ে তুল্লে তারা পাঠক হিসেবেও ডাম্বার হবে।

    কিছু প্রিভিলেজ্ড আল্টিমেটলি ইঙ্গ্রিজিতে নিজের টেস্ট গ্রো করে নেবে, আর বাকি রা সস্তার আচার -চাটনি তে মাতবে আর তাই দেখে কাল্চার দাদু রা চোখ কপালে তুলে নাটক কর্বে। বাড়ি ফেরার পথে এটোম বম্ব বাঁধা গোয়েন্দা কহিনি কিনে নাতিকে উপহার দেবে।
  • অর্জুন | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৫৩434327
  • কাল মোহনলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের বইটা থেকে আপনাকে অংশ বিশেষ তুলে পাঠালাম @ অরিন-দা। কিছু রেসপণ্ড করলেন না। ভাল জিনিসের কদ্র ভীষণ কমে যাচ্ছে।

    @সে, কিছু মনে করবেন না, খিস্তিটা কি খুব শেখাবার ব্যাপার! কে জানে! হবেও বা!

    পিসতুতো দিদি ক্লাস টেনে 'চোতা' শব্দটা আম্মার সামনে বলায় বকুনির সঙ্গে কড়া বার্তা পেয়েছিল। ছোটবেলা থেকে শব্দ ব্যবহার নিয়ে বড়ই সাবধানতা ছিল বাড়িতে। আমার মনে হয় ছোটবেলায় আমরা গুরুজনের অধীনে যে ভাবে বড় হই, সেই ঐতিহ্য রক্ষার দায় আমাদের থেকেই যায়।

  • অরিন | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৪৫434326
  • "গাঁজা, খিস্তি, খিল্লি, যৌনাঙ্গ কিছু লোকের হাত ধরে এখন সংস্কৃতির অঙ্গ! "

    যদি হয়, তাই না হয় হোক। তাকেও বাদ দিয়ে তো সৃষ্টি হয় না।

    যাই কর, যে কথাই ভাব অর্জুন, বড় ছৱি টা চোখের সামনে থেকে হারিয়ে ফেলো না।

    আসলে সংস্কৃতি এতো বিশাল একটা ব্যাপার, যে এতে সব কিছু আসে। সমস্ত কিছুর একটা পার্সপেক্টিভ থাকে। সুকুমার রায়ের লাইন গুলো মনে করো, "নিরীহ কলম নিরীহ কালী, \\ নিরীহ কাগজে লিখিলো গালি " ; আসলে আমরা এমন একটা সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি যেখানে অনেকে খুব protective হয়ে পড়ি। ছোট বাচ্চাদের যেমন ধুলোর মধ্যে খেলা করতে দিতে হয়, না হলে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা জন্মায় না, ঠিক সেই রকম একটা সমাজে মানুষকে নানারকম অভিজ্ঞতার নানারকম "ভালো" "মন্দ" সুকৃতি অপকৃতির মধ্যে দিয়ে না গেলে কোনটা রাখবো কোনটা রাখবো না, কোনটা নেবো কোনটা নেবো না, এই বোধটাই জন্মায় না যে। চিন্তার জগতে, একদম বিপরীত, বিরক্ত লাগছে, এমনতরো ধারণাগুলোকেও না গ্রহণ করতে শিখলে ভারী মুশকিল হয়। তখন যেটা হয়, মানুষ ছোট করে "gut feeling " টাকেই validate করতে থাকে। রবীন্দ্রনাথ স্বয়ং এ ব্যাপারে লিখেছিলেন যে বহু সমালোচক "আমি যেটা নাহি বুঝি করি ছারখার " করতে থাকেন, অন্যের পার্সপেক্টিভ, অন্যের চোখ দিয়ে জগত দেখার চেষ্টাটাই হারিয়ে যায়। এই করে করে কালক্রমে একটা আমরা ভালো লোক, ওরা দুষ্টু লোক, এই রকম একটা সাদা কালোর জগত গড়ে ওঠে।

    যাকগে।
  • o | 173.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৩৭434325
  • বাংলায় নতুন কিছু লেখার একটা মুশকিল আছে। সেটা হচ্ছে এখন জগতটাই ইংরিজি হয়ে যাচ্ছে। এত এত টেকনোলজি, এইসব লেখায় আনতে গেলে প্রচুর ইংরিজি শব্দ ব্যবহার করতে হবে। ফলে লেখা প্লাস্টিক হয়ে যাবে। অগত্যা ইতিহাসের বিষয়/ নস্ট্যালজিয়া/ গ্রামের বর্ণনা ইত্যাদি পুরনো জিনিস নিয়ে চর্বিত চর্বণ। সমসাময়িক নতুন লেখা বিড়াল থেকে বিড়ালতর। :-)
  • T | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৩২434324
  • একক, বস খচে যেও না। চ্রম ক্রাফটস্ম্যান, ফর্মও নতুন এবং কন্টেন্টও তুখোড় এরম পাবে কোথায়। যা আবিস্কার হওয়ার সব হয়ে গেছে। :))
  • অপু | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৩২434323
  • না অর্জুন, PM কিন্তু ও ভাবে কথাটা বলেন নি।তোমার খারাপ লাগা টাকেই বলতে চেয়েছিলেন।
  • sm | 141.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৭434322
  • মুক্তি কি সে? না,সিগারেট খেলে আর খিস্তি দিতে পারলে।
    এই হলো গিয়ে যুক্তির বহর!
  • অর্জুন | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৬434321
  • এই যে @PM ট্রোলিং এর সংখ্যাতত্ত্বে নয়। অন্যের ট্রোলিং এ আপনার আমোদ পাওয়ার ঘটনাটা অবাক করেছিল।

    @dc, কে অনেকদিন বাদে দেখে খুব ভাল লাগল। কিন্তু ওঁর কিছু মেসেজ পড়ে আজ আমি মর্মাহত হয়েছি।

  • একক | 141.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৩434320
  • খুব বেশিদুর হাঁকা মুশ্কিল। বাঙ্গলা সাহিত্য বেশ ওনেক্দিন হল মোটমুটি দুদল খেচরের হাতে গঙ্গাপ্রাপ্ত। তার কোন একটায় ভিরে জাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। রোদ্দুর হোক বা যেই হোক। পার্সোনলি কারো ক্ষমতা মাপতে জাবোনা, কিন্তু পরিবেশ ম্যটার করে তো !

    এক নম্বর দল ঐ যগ্গ্যের কোনে নয়টি বেড়াল বাঁধা জনগন। গুরুমশাই পিত্রিশ্রাদ্ধের সময় নয়্টী বেড়াল বেঁধেছিলেন তো যগ্গ দেক্লেই ন টা বিলাইবাচ্চা খুঁজতে বেরো ঃ)) শিল্পের কোন অনুষঙ্গ কেনো লাগে সেটা বোঝার কোন এব্স্ট্রাক্ট সেন্স নেই, শুধু বিলাই কপি এবোঙ্গ সেতাকেই শিল্পের মুল ভেবে মতোব্বোরি করা। কারো বিলাই সিল্কের ধুতি তো কারো ফাটা জিন্স। এদের খপ্পোরে পড়লে ওখানেই মাটিঙ্গ চকার !

    অরেক দলের বিলাই নাই, মেসেজ আছে। এই মেসেজমারানির দল, অখাদ্য পাতে দেওআ যায়্না এরোকোম সব কাজকে শুধু নানান আইডেন্টিটির নামে মাথায় তুলে রেখেছে। এদের না অছে স্ট্রক্চর বা স্টাইল নিয়ে ধারনা, এস্থেটিক্স বোঝার ইচ্চে, এরা যা না মুল বই পড়ে তাচ্চে বুক্স এবউট বুক্স এবউট বুক্স পড়ে দশগুন। তন্ত্র চর্চার মেকি পরিমন্ডল তৈরী করে খুব এক্টা প্যট্রিঅর্কল ইউটিলিটরিঅন এপ্রোচ থেকে শিল্পের চ্যঙ্গারি পাকাচ্চে। নারীবাদ, বাম, দলিত, রাস্ট্রবিরোধি ইত্যদি কোন এক্টা মলম বেচতে পার্লেই হোল।

    তো এই দুদল বোদ্ধার কোন এক্টায় এন্ট্রি পেয়ে জাওয়ার সম্ভবনা রোরার প্রবল।

    যদিও, এই দুদলের পাল্লায় পড়েই আজকের ব্ল্যান্ড বাজে লেখার গোবোর তৈরী হয়েচে চার্পাশে, যুব সমাজের মধ্যে ক্রমবর্ধমন ক্রিন্জ -প্রীতির কারন ও সেটাই। তোমার ভাত -তর্কারি বাজে স্বাদ হলে তখন লন্কা টিপে - তৈলাক্ত আচার মেখে খেতে হয়। সে যতই অস্বাস্থকর হোক।

    যুব্সমাজ এখন টোকো পচা পান্তায় রোদ্দুরের আচার মাখিয়ে এক্টু মুখসই করে নিতে চাইচে। এর বেশি কিছু না। আশা ও করি না।
  • S | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৩434319
  • তাহলে গুরুই বঙ্গে গাঁজার প্রবর্তন করেছে।
  • T | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৩434318
  • এইসব খিস্তির সোশিওলজিক্যাল অ্যাক্সেপ্টেন্স জেনারেশন ভেদে নেই, সেটা ঠিকই। পাঠ্যপুস্তক মধ্যবিত্ত সমাজ এখনো সেইরূপ লিবারাল নয়, ফাক ইউ একটা কালচারাল শক। তারওপর আবার মেয়েরা খিস্তোচ্চে। এমনিতেও মেয়েরা সিগারেট খেলেই হুলিয়ে লোকে ঘুরে ঘুরে দেখতে আরম্ভ করে সেখানে খিস্তি তো আরেক কাঠি উপরে। আরও দশ বিশ বছর হয়ত লাগবে। লোক সংস্কৃতিতে কিন্তু এই বৈষম্য সেরকম নেই, ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে ভাবের সম্প্রসারণ বেশ মোটা দাগের (আপাত অর্থে), যদিও সে তো আবার ঠাকুরবাড়ির দাপটের চোটে পিছনের সারিতে। এলেবেলে য্যামন লিখেছেন।
  • sm | 141.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২১434317
  • কিন্তু দিন কয়েক আগেই বিরাট কোহলি খেলার মাঠে একটি খিস্তি দিয়েছে বলে গেলো গেলো রব উঠলো কেন?
    এই গুরুতেই যুক্তি আসছে,লোকে যখন খিস্তি মারে,তখন ভেবে বলে না।কি তুল তুলে ব্যাপার সব!
    তবে হাফ প্যান্ট, বেশ যুক্তি রাখছে দেখছি আজকাল।ভালো।
  • অর্জুন | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২১434316
  • না। ন্যাড়া বাবু, আমি যদ্দুর শুনেছি যদুনাথ বসু পঞ্চম জর্জের হাত থেকে বি এ ডিগ্রির সার্টিফিকেটটি নিয়েছিলেন।

    উনি তো আপনার পূর্ব পুরুষ !
  • অর্জুন | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:১৮434315
  • গাঁজা, খিস্তি, খিল্লি, যৌনাঙ্গ কিছু লোকের হাত ধরে এখন সংস্কৃতির অঙ্গ!

  • S | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:১৩434314
  • ঠাকুড়বাড়িতে তো আমার নামে নালিশ হয়ে গেছে। তাই খুব চিন্তায় আছি। যদি ওঁরা আমাকে নোবেল ছুঁড়ে মারেন?
  • অরিন | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:১১434313
  • "ওয়েস্টার্ন দুনিয়ার ফাক ইউ বা ফাকড আপ আর বাঙ্গলার চুদে গেছি, এক নয়। মানে সোশিওলজিকাল অ্যাক্সপটেন্সের জায়গা থেকে। তো যারা সেই অ্যাক্সপটেন্স আনার জন্য বিপ্লব করছেন, তাদের তো প্রাথমিক পিউরিটান সমাজের ব্যাকল্যাশ সহ্য করতে হবে। "

    দুদিন ধরে যা দেখছি মনে হচ্ছে এসব ব্যাপার মশাই কলোনিয়াল হ্যাংওভার , কুকুরের নামের মতন। বাংলায় বলে ফেললেই সব শেষ হয়ে গেলো গেলো রব।
  • aka | 162.*.*.* | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:০৯434312
  • সে তো বটেই জনগণ মন গাইয়ে খুচিয়ে খুচিয়ে মারলে তা অশ্লীল নয়, কিন্তু বোকাচোদা বললে অশ্লীল। ফাক দেম, কিন্তু দুনিয়ায় এত যুদ্ধু, কতদিক আর সামলাব, তাই আজগাল পিক মাই ব্যাটেল কেয়ারফুল্লি।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত