এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • অধিকার? কার আছে, কার নেই? 

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২২০ বার পঠিত


  • চাকরিজীবী আর গায়েগতরে খেটে খাওয়া পরস্পরের মিত্র হবেন সেটাই স্বাভাবিক।
    কিন্তু এখন বেশ কিছু চাকরিজীবী নিজেদের অধিকার নিয়ে সচেতন, গরিব খেটেখাওয়া মানুষের বেলায় নির্মম।
    গরিবের কি অধিকার নেই সরকারের সহায়তা পাওয়ার?
    কমিউনিজম তো বলে সামর্থ্য অনুযায়ী দেবেন, চাহিদা অনুযায়ী পাবেন।
    তাহলে?

    দ্বন্দ্ব তো এখানেই।
    গরিবদের দিলে ভিক্ষা। চাকরিজীবীদের দিলে অধিকার ভাবা!

    বেকার ভাতা বিধবা ভাতা বামফ্রন্ট সরকার চালু করেছিল ১৯৭৭-এ।
    তখনকার ৫০ টাকা একজন খেতমজুরের আড়াই মাসের বেতনের সমান ছিল। দিনে ৬০ পয়সা বেতন ছিল ১৯৭৭ এ।
    এখনকার হিসেবে সেটা ১৫০০০ টাকার সমান।
    খেতমজুরের বেতন ধরলে।
    ১৯৭৮ এ খেতমজুর ধর্মঘট করে মজুরি বাড়ায় বামফ্রন্ট।
    তাকে মধ্যবিত্তরা পাইয়ে দেওয়া বলেছিল।
    কলেজ নির্বাচনে ১৯৮০র পর বেশিরভাগ জায়গায় এসএফআই হেরেছিল।
    পরে খেতমজুর সংগঠন অকার্যকর হয়ে ওঠে।



    বামফ্রন্ট সরকার বেকার ভাতা দিত। বিধবা ভাতা দিত।
    এখনকার সরকার দিচ্ছে বিধবা ভাতা কৃষক ভাতা বৃদ্ধ ভাতা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। এগুলোও ভাতা। এবং সাংবিধানিক অধিকার নয় কি?
    কমিউনিস্ট পার্টি পরিচালিত কিউবা তো এটাই দেয়।
    তা পশ্চিমবঙ্গের কিছু তথাকথিত বামপন্থী এগুলো ভিক্ষা বলে কেন?
    দুটোই ভাতা।
    দুটোই সাংবিধানিক অধিকার।



    কিউবার পদ্ধতি চালু হলে তো অনেকেই ক্ষেপে লাল হয়ে যাবেন!
    কীভাবে কাজ করে কিউবার রেশন:

    · প্রতিটি কিউবান পরিবারকে একটি "রেশন বই" (Libreta de Abastecimiento) দেওয়া হয়।
    · এই বইয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে বা নির্দিষ্ট সময়ে পরিবারের সদস্যদের সংখ্যা ও চাহিদা অনুযায়ী নানারকম নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য (যেমন: চাল, ডাল, তেল, চিনি, ডিম, মাংস ইত্যাদি) কিনতে দেওয়া হয়।
    · মূল্যগুলো সরকারিভাবে ভর্তুকি প্রাপ্ত, তাই বাজারের তুলনায় অনেক সস্তা।

    কিউবার রেশন পদ্ধতি, যা "লিব্রেটা" (Libreta) নামে পরিচিত, একটি রেশনিং বা কোটা ব্যবস্থা যা কিউবার কমিউনিস্ট সরকার ১৯৬২ সালে চালু করে। এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা নিশ্চিত করা এবং নাগরিকদের কাছে মৌলিক পণ্যের ন্যায্য বন্টন নিশ্চিত করা। নিম্নলিখিত বিষয়গুলো এই পদ্ধতির প্রধান বৈশিষ্ট্য:

    ১. ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:

    · ১৯৫৯ সালের কিউবান বিপ্লবের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক অবরোধ এবং সমাজতান্ত্রিক নীতি বাস্তবায়নের ফলে দেশে পণ্যের ঘাটতি দেখা দেয়।
    · এই পরিস্থিতিতে রেশন পদ্ধতি চালু করা হয় যাতে সব নাগরিকের কাছে খাদ্য ও প্রয়োজনীয় পণ্য পৌঁছানো নিশ্চিত হয়।

    তথ্য আন্তর্জালিক
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:3a80:198f:cc77:878:5634:1232:***:*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:২২738284
  • রাজ্যসরকারের অধীনে পাঁচ লক্ষাধিক পদ শূন্য; সেখানে নিয়োগ নেই কেন? সাধারণ মানুষের জীবিকাসংস্থান অধিকার নয়? 
    বিদ্যালয়ে শিক্ষক নেই, কর্মচারী নেই, গ্রন্থাগার নেই, গবেষণাগার নেই! এমনকি সাফাই কর্মীও নেই! বিদ্যালয় নিজস্ব তহবিল থেকে সাফাই কর্মীও নিয়োগ করেছে!
     সাধারণ মানুষের হাতে কাজ কোথায়? নাকি সেটা অধিকারের মধ্যে পড়েনা?
  • কৌতূহলী | 115.187.***.*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৬738286
  • ভাল লিখেছেন। 
    আমি নিজেও তৃণমূলের বিরোধী। 
    কিন্তু তাঁর জন্য সরকারি প্রকল্পের বিরোধীতা করাটা শুধু হাস্যকর নয়, রীতিমত অসংবেদনশীল। 
    তৃণমূল চাকরি দিচ্ছে না। সেই পয়সায় শিল্পপতিরা ট্যাক্স ছাড় পাচ্ছে, নেতাদের পেট মোটা হচ্ছে, এটা বিরোধীতার এঙ্গেল। যা দিচ্ছে না তা চাপ দিয়ে আদায় করা বিরোধীদের কর্তব্য। 
    যা দিচ্ছে সেটুকুরও বিরোধীতা করা, তাও আবার প্রাপকদের গালাগালি করা, এটা কোন বিরোধী রাজনীতিই নয় স্রেফ অসভ্যতা।  
    অবশ্য যারা মানুষের ভোটাধিকার হওয়ায়, অসহায় মানুষের বেনাগরিক হওয়াকে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করে, শ্রমজীবী বাঙালির ভিনরাজ্যে মারও খাওয়াকে জাস্টিফাই করে, সেইসব বাঙালি ভদ্রলোকদের থেকে মনুষ্যত্ব আশা করাই বৃথা। সে গায়ে যতই বামাবলী চাপিয়ে রাখুক না কেন। 
  • কৌতূহলী | 115.187.***.*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:১৯738287
  • ভোটাধিকার হওয়ায় ---->ভোটাধিকার হারানোয় 
  • Eman Bhasha | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৩৪738294
  • ধন্যবাদ
  • দীপ | 2402:3a80:1977:dd96:678:5634:1232:***:*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪২738295
  • হাইস্কুলের একজন পার্শ্বশিক্ষক বেতন পান ১৩,৮০০ টাকা।
    প্রাইমারি পার্শ্বশিক্ষক পান ৮,৮০০ টাকা।
    একজন আশাকর্মী ৫,৩০০ টাকা।
    মমতা এবার এঁদের ভিক্ষে বাড়িয়েছে ১০০০ টাকা।
    মনে রাখবেন শিক্ষক ও স্বাস্থ্য কর্মীদের বেতন। 
    এরপরেও বাংলার একদল শিক্ষিত (!!!) পাঁচালী গাইছে।
     
    ফেসবুক
  • swapan | 45.25.***.*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৯738297
  • গরীবরা যা পায় সব ভিক্ষা ! আর মধ্যবিত্তর পাওনা সব অধিকার। কেন ?
    এই চিন্তাধারা ফাঁপা মানুষের উন্নাসিকতার পরিচয়। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:d856:ab48:c891:***:*** | ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০৬738298
  • ওসব না, দীপচাড্ডি ফেবু থেকে এখানে কপিপেস্ট করলে পাঁচ টাকা করে পায়। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন