এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দত্ত জুয়েলার্স - ৭ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৯৯৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কলতান সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দিল না। পরের দিন সকাল পর্যন্ত মুলতুবি রাখল চিন্তাভাবনা করার জন্য। তার গোয়েন্দা মন জানে, অত সহজে কাউকে বিশ্বাস করা যায় না। একজন বিবাহিতা মহিলা একা আসতে চাইছে প্রকাশ্য স্থানে কিছু বলবার জন্য এটা শিশুসুলভ সরলতায় গ্রহণ করাটা অবিমৃশ্যকারিতা হতে পারে। তাছাড়া দেখা যাচ্ছে ভদ্রমহিলা নিউ হরাইজনের কথা জানেন। এখানেই ব্যাপারটা
    আরও জটিল লাগছে। হয়ত তিনি মহুয়া মিত্রের ব্যাপারটাও জানেন।
    প্রিয়দর্শিনীকে ফোন করাটা ওনার পক্ষে নিরাপদ হবে কিনা বলা মুশকিল। তাই ভোরবেলায় কলতান প্রিয়দর্শিনী দত্তকে একটা মেসেজ পাঠাল ----- "বেটার টু মিট অ্যট মাই প্লেস ইফ পসিবল ফর ইউ, অ্যট এনি টাইম "
    বেলা এগারোটা পর্যন্ত এর কোন জবাব এল না।
    কলতান চুপচাপ বসে ভাবছে কি করা যায়। এমন সময়ে দীনবন্ধু জানার ফোন এল .....
    ----- ' ভাল আছেন স্যার ..... কাজটা কিছু এগোল ? খুব ভয়ে ভয়ে আছি .... আর তো একদিন বাকি ক্যাভিয়েটের ..... পুলিশে ছুঁলে .... সবই তো জানেন ..... '
    ----- ' অত ভয় পেয় না ..... আমার ওপর ভরসা রাখ। কোথা থেকে কথা বলছ ? '
    ---- ' দোকানে এসেছি। বাইরে বেরিয়ে একটু দূরে গিয়ে কথা বলছি .....'
    ---- ' মালিকরা কেউ দোকানে এসেছেন ? '
    ----- ' হ্যা .... একজনকে তো আসতেই হবে ....
    নইলে তো দোকান খোলা যাবে না ..... আজ বড়বাবু এসেছেন ..... ছোটবাবু আজকে আসবেন না শুনলাম .... '
    ----- ' তাহলে এইসময়ে ফোন করতে গেলে কেন ? অন্যসময়ে করতে পারতে ..... '
    ----- ' মনটা বড় অস্থির হয়েছে ..... তাই .... কেউ জানতে পারবে না ..... দোকান থেকে অনেকটা
    দূরে আছি ..... '
    ----- ' দোকানের স্টাফরা সবাই এসেছে ? '
    ----- ' হ্যা .... মোটামুটি সবাই এসেছে। শুধু বিষ্ণুপদ ভড় আসেনি ..... জ্বর হয়েছে .... '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে .... সাবধানে থেক .... চিন্তা কোর না ..... আমি আছি ..... রাখছি এখন.... দরকার হলে ফোন কোর .... '
    কলতানের মনে হল, শুধু অপারেশন ফ্ল্যাট নাম্বার ফাইভ সি, নিউ হরাইজনটাই বাকি। মানে, মিশন মহুয়া মিত্র। কলতান ঠিক করল, আজকের মধ্যেই এই কাজটা সেরে ফেলতে হবে। ছদ্মবেশে, ছদ্ম পরিচয়ে হানা দিতে হবে। বলা যায় না, মহুয়া মিত্রের চোখেও হয়ত ধরা পড়ে গেল কলতান গুপ্ত।
    এই সময়ে কুলচা এসে হাজির হল হঠাৎ।
    ----- ' আরে আরে ..... হোয়াট আ প্লেজেন্ট সারপ্রাইজ .....মাই ডিয়ার অ্যসিস্ট্যান্ট .... কতদিন পরে ..... '
    ----- ' আর কথা বোল না ..... কত গুরুত্ব দাও আমায় জানাই আছে .... '
    ----- ' কেন ..... কি হল ? '
    ----- ' এতগুলো কেস হয়ে গেল ..... জানতে পর্যন্ত পারলাম না .... '
    ----- ' আরে কি বলব ..... নিঃশ্বাস ফেলার ফুরসত পর্যন্ত পাইনি ..... এত প্রিঅকুপায়েড ছিলাম ..... যাক, তোর মাস্টার্স তো কমপ্লিট হয়ে এল ..... '
    ------ ' হ্যা ..... আর দুমাস .....'
    ----- ' প্রিপারেশান কেমন হচ্ছে ? '
    ----- ' ঠিক আছে। এখন কি কেস হ্যান্ডল করছ ? '
    ----- ' মিসিং অফ আ ডায়মন্ড নেকলেস ..... '
    ----- ' আচ্ছা ! কতটা এগোলে ? '
    ----- ' তিন স্টেপ এগিয়েছি। ফোর্থ স্টেপ মানে, ফাইনাল স্টেপটা বাকি ..... '
    ----- ' করে ফেল ..... দেরি কেন ? '
    ------ ' একটু বুঝেসুঝে করতে হবে। টার্গেট মিস হয়ে গেলে মুশ্কিল ..... '
    ------ ' আচ্ছা ..... পরে শুনব তা'লে ..... এখন ভেতরে যাচ্ছি ..... তবে তোমাকে আর আমি কি বোঝাব ..... অনেক সময় আমরা দূরে হাতড়ে বেড়াই ..... কিন্তু টার্গেট হয়ত নিজেই কাছে আসতে চাইছে ..... '
    কুলচার একটা অতি সাধারণ কথা, যাকে বলে 'ক্যাজুয়াল স্টেটমেন্ট ' বিঁধে গেল কলতানের মনে। প্রিয়দর্শিনীর কথা মনে পড়ে গেল কলতানের। ভাবল, ভদ্রমহিলাকে তো অবশ্যই 'এক্সপ্লোর' করার দরকার। কি করা যায় ..... ভাবতে লাগল। সে কি আর একটা মেসেজ করবে ..... নাকি একটা মিসকল দেবে। সে মিনিট দুই চিন্তা করার পর প্রিয়দর্শিনীকে একটা কল দিল। ভাবল, থানায় একটা ইনটিমেশান দিয়ে, যদি তিনি এখন রাজি থাকেন ..... সাদার্ন এভিনিউতেই দেখা করার কথা বলবে। প্রিয়দর্শিনী দত্তর বয়ানটা পাবার জন্য মন ছটফট করছে .....
    তিনবার রিং হবার পর প্রিয়দর্শিনী ফোন তুলল।
    ----- ' হ্যালো .... '
    ----- ' ম্যাডাম ....আমি কলতান গুপ্ত বলছি .... '
    ----- ' হ্যা ..... দরজাটা খুলুন .... আমি বাইরে দাঁড়িয়ে আছি .... '
    এই অভিনব প্রত্যুত্তরে কলতান চমকে গেল। সে গিয়ে দরজা খুলল। সামনে দাঁড়িয়ে প্রিয়দর্শিনী দত্ত। কাঁধে একটা লেদারের সাইড ব্যাগ।
    ----- ' আসুন .... আসুন .... '
    প্রিয়দর্শিনী মুখে স্নিগ্ধ হাসি ফুটিয়ে ঘরে ঢুকলেন।
    ------ ' খুব অবাক হলেন ..... না ? '
    ----- ' তা একটু হয়েছি ..... মিথ্যে কথা বলব না। তবে এরকম অবাক হওয়ার অভ্যেস আছে আমার ..... হাঃ হাঃ .... '
    ----- ' প্রথমেই বলি আপনাকে চিনতে পারা বা এই বাড়ির হদিশ জানাটা কোন রহস্যময় ঘটনা নয়। আমি আপনার কাছাকাছি পাড়ার মেয়ে। আমহার্স্ট স্ট্রীটের চোরবাগানে আমার বাপের বাড়ি। চালতাবাগানে একটা মার্ডার কেসের ব্যাপারে আপনি এসেছিলেন ..... অনেক বছর আগে ..... তখন আপনাকে দেখেছিলাম। এত দিন পরে দেখেও চিনতে কোন অসুবিধে হয়নি। আপনার বাড়িটা অবশ্য ঠিক চিনতাম না। পজিশানটা জানতাম। এখানে এসে লোককে জিজ্ঞেস করে জেনে নিলাম। আমিও স্বর্ণকারের মেয়ে। সোনাদানা দেখা ছোটবেলা
    থেকে অভ্যেস আছে। তা .... সাদার্ন এভিনিউতে গেলেন না কেন ? সন্দেহে না অবিশ্বাসে ? পুলিশ প্রোটেকশান নিয়ে আসতে পারতেন ..... হাঃ হাঃ .... '
    ------ ' আমাদের পেশায় সন্দেহ এবং অবিশ্বাস
    শব্দ দুটো জীবনের অঙ্গ ..... পুলিশ প্রোটেকশান নেওয়া সাধারণতঃ আমার স্বভাববিরুদ্ধ কাজ ...... আমি নিজেকে নিজেই সামলাই ..... প্রোটেকশান চাইলে সেটা ক্লায়েন্টের জন্য চাই .....'
    বলে, কলতান আচমকা অন্য কথায় চলে গেল..... ' সতীনাথবাবু তো আজ দোকানে যাননি ..... বাড়িতেই আছেন ? কি বলে বেরোলেন ? '
    ----- ' সবই তো জানেন দেখছি ..... ঠিক কথা ..... দোকানে যাননি ..... আবার দোকানে গেছেনও ..... বোধহয় নিউ হরাইজনের ঝাঁ চকচকে দোকানে ..... সেই জন্যই তো বেরোতে পারলাম .... '
    ----- ' বাড়ির গাড়িতে এসেছেন ? '
    ------ ' না না ..... ট্যাক্সিতে এসেছি। বলে এসেছি চোরবাগানে যাচ্ছি .... '
    ----- ' সতীনাথবাবুকে কি বিয়ের পর থেকেই এরকম দেখছেন ? '
    ------ ' হ্যা ... কি বললেন ? হ্যা .... বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই বুঝতে পারলাম যে আমার বিয়েটা ভাল হয়নি। বাবা মা দুঃখ পাবে বলে আজ পর্যন্ত বাড়িতে কিছু বলিনি। শুধু তো মেয়েছেলের দোষ না, আরো অনেকরকম দোষ আছে ওর ...... জালিয়াতি, চুরি, তহবিল তছরুপ আর সবচেয়ে খারাপ দোষ হল নিজের অপরাধ চাপা দেওয়ার জন্য অন্য কাউকে ফাঁসানো ..... অনেক চেষ্টা করেছি শোধরাবার কিন্তু কোন লাভ হয়নি। মেয়েটা হবার পর সাময়িক একটা পরিবর্তন এসেছিল ওর। আমার মনেও একটা আশা জেগেছিল। কিন্তু সে আশা মরীচিকায় পরিণত হতে বেশিদিন সময় লাগেনি। আসলে কি জানেন, মানুষের বেসিক নেচার কখনও বদলায় না ..... জীবনের কোন কোন সময়ে পরিস্থিতির চাপে তার বহিরঙ্গের আচরণ কিছুটা অন্যরকম মনে হয়, তার অন্তস্তল কিন্তু একইরকম থাকে। সে তার মূল স্বভাবে ফিরে যাবার জন্য ছটফট করতে থাকে। '
    ----- বা : ..... ভারি সুন্দর বললেন তো ..... '
    ----- ' তা .. যা বলেন..... জ্ঞানী গুণী লোক আপনারা ..... তবে স্কুল কলেজের বই পড়ে এসব শেখা যায় না, নিজের জীবনের রক্ত মজ্জা দিয়ে এসব শিখতে হয় ..... '
    কলতান দেখল, এক সম্পূর্ণ অজানা নারী, গোপনীয়তার অলঙ্কার আস্তরণ ভেদ করে ধীরে ধীরে উন্মোচিত হচ্ছে তার সামনে।
    কলতান তার পেশাগত কর্ত্তব্য ভুলে গিয়ে মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল প্রিয়দর্শিনীর দিকে।
    ---- ' হমম্ ...... বুঝলাম। মিসেস দত্ত ..... আপনি নিউ হরাইজন এবং মহুয়া মিত্রের কথা জানলেন কি করে ? '
    ----- ' যেভাবে আপনি জেনেছেন ..... '
    ----- ' মানে, ফলো করে ? '
    ----- ' হ্যা ..... তবে আমি নিজে ফলো করিনি। আমাদের বাড়ির যে নেপালি দারোয়ান ভাই আছে...... সেদিন দেখেছেন হয়ত ..... ওই ফলো করে সব দেখে এসে আমাকে খবর দেয়।বীরবাহাদুর আমাকে দেবীর মতো শ্রদ্ধা করে। আমার জন্য জান দিতেও পারে নিতেও পারে। আপনি শুনলে অবাক হবেন ..... মহুয়া আমার মাসতুতো বোন .... '
    ----- ' বলেন কি ! ' প্রিয়দর্শিনীর কথাবার্তা শুনে
    কলতানের তাক লেগে যেতে থাকে।
    প্রিয়দর্শিনী কিন্তু জীবনের ময়দানের পোক্ত খেলোয়াড়ের মতো অকম্পিত ভঙ্গীতে তার সংসার অভিজ্ঞতার খতিয়ান দিয়ে যেতে থাকে।
    ----- ' ওর স্বভাব ছোটবেলা থেকেই এরকম। বোধহয় কনজিনেটিক প্রবলেম। ওর সঙ্গে ফ্যামিলির কারো কোন সম্পর্ক নেই। কারো সঙ্গেই বেশিদিন লিভ ইন করে না। ফ্রিকোয়েন্টলি পার্টনার পাল্টায় আর তাকে এক্সপ্লয়েট করে। সতীনাথ দত্ত বুঝতে পারছে না চুষে ছিবড়ে করে দিয়ে মহুয়া খুব শিগ্গীর তাকে ফেলে দিয়ে চলে যাবে ..... এর জন্য কখনও কোন কমপ্লেন্ট লজড হয়নি কারণ .....'
    ___ ' ...... কারণ তাতে নিজেদেরই ইজ্জত নিয়ে টানাটানি পড়বে ..... তাই তো ? ' কলতান প্রিয়দর্শিনীর কথার শূন্যস্থান পূরণ করে।
    ----- ' ঠিক তাই ..... এরা সকলেই অভিজাত পরিবারের সন্তান। বংশমর্যাদা রক্ষার কাজ তাদের কাছে সবার আগে .... সুতরাং .... '
    কলতান এসব কথা শুনে রোমাঞ্চিত হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু তার মাথায় আছে, তার আসল কাজ হচ্ছে হীরের নেকলেসটা উদ্ধার করা চোর সমেত। কিন্তু কথা তো ক্রমাগতই অন্যদিকে যাচ্ছে।
    কলতান কথাটা বিষয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে ফিরিয়ে আনার জন্য গড়িয়ে দিল, ' ম্যাডাম ..... আপনার কি তাহলে মনে হয় নেকলেসটা নিউ হরাইজন-এর ফ্ল্যাটেই আছে ? '
    ----- ' হ্যা ..... হয়ত থাকতে পারে ....তার আগে দেখতে হবে জিনিসটা ওখানে পৌঁছেছে কিনা ..... সেই জন্যই তো আপনাকে ওখানে ডেকেছিলাম ..... আপনি তো এলেন না ..... এলে দুজনে মিলে রেইড করতাম ..... যাক, যা হয়নি তা নিয়ে আর ভেবে লাভ কি .... '
    কলতান ভাবল ---- ব্বা...বা ! এতো দেখছি আমারও ওপরে যায় ..... কথায় কথায় হেঁয়ালি। ওর জীবনই বোধহয় ওকে এরকম করে তুলেছে।
    কলতান ভদ্রমহিলাকে যত দেখছে ততই অবাক হচ্ছে।
    প্রিয়দর্শিনী দেবী আবার বললেন, ' বালীগঞ্জের বাড়ির তিনতলায় একটা দারুণ শ্বেতপাথরের স্ল্যাব আছে .....স্ল্যাবটা যে আলাদা বোঝবার কোন উপায় নেই ..... '
    ----- ' মানে ? '
    ----- ' আপনাকে পরে বুঝিয়ে বলব'খন ..... '
    তারপর বলল, ' নির্দোষ লোককে ফাঁসানো তো ঠিক না ..... কাকে কবে চলে যেতে হয় এ দুনিয়া থেকে কেউ বলতে পারে ..... '
    প্রিয়দর্শিনী এক দৃষ্টে তাকিয়ে আছে কলতানের মুখের দিকে।
    কলতান মহা ফাঁপরে পড়ল। ভাবছে, ভদ্রমহিলা নির্ঘাৎ ছিটগ্রস্ত। নাকি .... এর কথাগুলোর কোন আলাদা তাৎপর্য্য আছে ?
    কলতান অপেক্ষা করতে লাগল প্রিয়দর্শিনীর পরের হেঁয়ালির জন্য।
    ( পরের পর্বে সমাপ্য )


    ************************************************************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Mousumi Banerjee | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২১:৪২512413
  • একটু বেশী তাড়াতাড়ি হয়ে যাচ্ছে সমাপ্তি পর্ব।
  • Anjan Banerjee | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২৩:৪০512419
  • হ্যা .... তা ঠিক। কিছুদিন অপেক্ষা করুন তা'লে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন