হল্লোবীন : অভীক কুমার মৈত্র
বুলবুলভাজা | কূটকচালি | ২২ নভেম্বর ২০১১ | ১৪৯০ বার পঠিত | মন্তব্য : ২
ক্রমে২ সন্ধ্যা হয়ে গ্যালো। শিশুদের ভিড় চাঁদাপার্টির মতো দোর থেকে দোরে ছুটে ব্যাড়াচ্চে বাবুরা ফটাফট্ বীয়রের বোতল খুলে আয়েশ করে বসেচেন ও একে অপরের সহিত শেয়ারের দাম, গদ্দাফির মৃত্যু ও বিনেপয়সার পানুসাইটের দুÖপ্রাপ্যতা লয়ে আলোচনা কর্চেন বিবিরা পড়্শীদের ডিভোর্স্ ও পরকীয়ার কিস্যার সঙ্গে২ সুচিত্রা ভট্চাজের নতুন উপন্যাসের প্লট্ লয়ে তর্কাতর্কিতে মশগুল চারিদিকে হো২ হাসি ও সিগ্রেটের ধোঁয়ার মেঘ - ওরি মদ্যে বেচেলর তরুণরা একটু আবডালে বসে বৌদিদের বুক ও কোমরের খাঁজ দেকে কিঞ্চিৎ সুখ নিচ্চে, এবং বেঙ্গলি মেট্রিমনিতে রাখা প্রোফাইলের ছবিটি পাল্টানো উচিৎ কিনা, সেই লয়ে মনে২ জল্পনা কর্চে। খ্রীষ্টমাসের আগে আর পরব নাই, তাই সকলেরই মন একটু ভার।
ইশক কি আহ : অভীক কুমার মৈত্র
বুলবুলভাজা | আলোচনা : সিনেমা | ২৩ আগস্ট ২০১০ | ১৪৩৯ বার পঠিত
এভাবেই দর্শকদের প্রথম পরিচয় ঘটে কৃষ্ণা বর্মার সাথে, যাকে আপাত দৃষ্টিতে স্বামীসোহাগে তৃপ্ত, ঘরকন্নায় পারদর্শী, সাধারণ উত্তর ভারতীয় গ্রাম্য গৃহবধূ ছাড়া আর কিছুই মনে হয়না। বলা বাহুল্য, এই ভ্রান্তি সাময়িক। কৃষ্ণার চরিত্রটি প্রকৃতপক্ষে noir ধারার femme fatale-এর দক্ষ রূপায়ণ। সিনেমার ইতিহাসে অনেক ক্ষেত্রেই এ ধরণের চরিত্র পিতৃতান্ত্রিকতার হাতের পুতুল, কিন্তু কৃষ্ণা বহির্জগতের কার্য্যকারণ সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত, এবং এ ছবির নায়কদের থেকে সে সবসময়ই এক ধাপ এগিয়ে। নায়কের প্রসঙ্গে চলে আসে মুখ্য জুটির কথা। ছিঁচকে অপরাধী এবং ইফতিকার ও বব্বনের সঙ্গে দর্শকের পরিচয়ের মুহূর্তটিও বিশেষ উল্লেখের দাবী রাখে - ছবির তথাকথিত নায়কদের আমরা আবিষ্কার করি মদ্যপ এবং প্রায় উন্মত্ত অবস্থায়, এবং পেছনে বেজে চলে কোনো এক তৃতীয় শ্রেণীর ব্যান্ডের গলায় গাওয়া "অজীব দাস্তাঁ হ্যায় ইয়ে' গানটি। এই ভবিষ্যদ্বাণীকে সত্য প্রমাণিত করতে নায়কদ্বয়ের দ্রুত ভাগ্য পরিবর্তন হয়। জীবন্ত সমাধিস্থ হওয়ার হাত থেকে এক চুলের জন্য বেঁচে যাওয়া নাসিরুদ্দিন-আরশাদ পালিয়ে যায় গোরখ্পুরে, আশ্রয় নেয় পূর্বপরিচিত বিদ্যাধর বর্মাঞ্চর (আদিল হুসেন) বাড়িতে।