গুরুংবাবুরা ফতোয়া জারি করে সমতল বাসীদের যখন পাহাড়ে ঢোকা নিষিদ্ধ করলেন তখন নিঃশব্দে হয়ে গেল তার জন্ম শতবর্ষ। ফতোয়া না থাকলে হয়ত আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হত। সুন্দর করে সেজে উঠতো সে, বিশেষ বিশেষ অতিথিরা আসতেন, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হত, কেক কাটা হত আরও কত কিছু হতে পারত।কথা হচ্ছে, কেভেন্টার্স রেস্তোরাঁ নিয়ে। হ্যাঁ, দার্জিলিং এর সেই বিখ্যাত কেভেন্টার্স। যার পথচলা শুরু হয় ১৯১১ সালে।আমি আবার স্রোতের বিপরীতে যাওয়া সৃষ্টি ছাড়া এক মহিলা । এই যেমন, আমি একা একা বেড়াতে ভালোবাসি। আর সেই জায়গা গুলো যদি ইতিহাসের গন্ধ মাখা হয় তাহলে তো কথাই নেই। আমি একবার হলেও একা যাবোই যাবো। অন্তত যাওয়ার ... ...
খোলা ছাদে মাদুরের ওপর বাবার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে বাঁশ বাগানের মাথার ওপর চাঁদের খেলা দেখতে দেখতে শুনতাম রেলগাড়ি আর তার ছোটো ভাই ট্রামের গল্প। কলকাতা নামের একটি শহরের নামও শুনেছিলাম তখনই। তার আবার একটা ভালো নামও আছে "ক্যালকাটা"। জাদু ঘর, মনুমেন্ট, প্রিন্সেপ ঘাট, তারামন্ডল, বিধানসভা, রাইটার্স বিল্ডিং, হাওড়া ব্রিজ- আরও কত কিছু - জানতাম বাবার ওই ছবি আঁকার মতো করে গল্প বলার কৌশলে। গড়ের মাঠ, ময়দান, ব্রিগেড এই তিনটি মাঠ ই নাকি ভিক্টোরিয়ার উল্টোদিকে। ময়দান তো এত্তোবড়ো যে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত দেখাই যায় না। - "ব্রিগেডের সমাবেশে জ্যোতি বাবুর বক্তৃতা ... ...
যেই না শীত বাক্স প্যাঁটরা গোছানো শেষ করল - অমনি ন্যাকা ন্যাকা চেহারা নিয়ে 'টুউউকি' বলে উঁকি দিলেন তিনি।তিনি কে মানে? তেনাকে চেনেন না? আপনাদের তো মশাই নাগরিকত্ব কাটা যাবে!ওই যে ফাগুন, আগুন, প্রেম আর একগাদা উটকো আদিখ্যেতা! যাকে ভালোবেসে 'বসন্ত' নামে ডাকেন সবাই!ফাল্গুন আসার মাসখানেক আগে থেকেই 'প্রেমের কবিতা', 'প্রেমের লেখার' জন্য যেভাবে হুমকি আসা শুরু হয়, তাতে মনে হয় প্রেমটা বুঝি কোনো মিউনিসিপ্যালিটির ট্যাক্স - ভ্যালেন্টাইন ডে থেকে দোল, এই সময়ের মধ্যে প্রেম না করলে রোমিও-জুলিয়েট এসে বাড়িতে ফাইন করবে।শাস্ত্রে বলে "ভজন, ভোজন, খাজানা অউর ইয়ারি - ইয়ে সব পর্দে কি অধিকারি"। এখানে 'ইয়ারি' শব্দটি নারী-পুরুষের প্রেম কে ... ...