অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কে? তাহলে আমি তো ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি। আমাকে লম্বা বলা যাবে? ... ...
প্রশ্নফাঁস ইস্যুটা শুধুমাত্র ছাত্রদের ইস্যু নয়। এটা একটা জাতীয় ইস্যু। তাই এই ইস্যু শুধুমাত্র ছাত্রদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না। ছাত্রদের শক্তিশালী করতে জাতি-ধর্ম-রাজনীতি নির্বিশেষে এক ছাতার নীচে সংঘবদ্ধ হতে হবে। রাজপথে নামতে হবে। অভিভাবকদেরও ঘর থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। শাসকের বুকে কাঁপুনি ধরিয়ে দিতে হবে। কোনো শাসকই অপরাজেয় নয়। কোনো শাসকই সর্বশক্তিমান নয়। শেষ কথা বলে জনগণ। রাহুল গান্ধি, প্রিয়াঙ্কা গান্ধি, সোনিয়া গান্ধি, মল্লিকার্জুন খাড়গেরা দিল্লি পৌঁছে গেছে, অখিলেশ যাদব পৌঁছে গেছে, উদ্ভব ঠাকরে পৌঁছে গেছে। মহুয়া মৈত্র পৌঁছে গেছে বটে, মমতা-অভিষেক কেন এখনো কলকাতায় বসে আছেন? বামেদের নতুন প্রজন্মের বিপ্লবী নেতানেত্রীরা কোথায়? দিল্লির ময়দানে কাউকে তো দেখছি না। ... ...
দিল্লির যন্তরমন্তরে অভিজিৎ দিপকে-এর নেতৃত্বে ককরোচ জনতা পার্টি নিট দুর্নীতির বিরুদ্ধে হ্যাঙ্গার স্ট্রাইক চলছে। সোনম ওয়াংচুর মতো ব্যক্তিত্বও সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আদালত সরকারকে তাঁর স্বাস্থ্যের দিকে যত্ন নিতে বলেন। সরকার পুলিশ দিয়ে সোনমকে হাসপাতালে তুলে নিয়ে যায়। অভিজিৎ দিপকে মুখে কালি ছিটিয়ে দেয় এক মহিলা। না অনশনকে ব্রতকে ভাঙতে পারেনি বিজেপি সরকার। উল্টে অসংখ্য যুবক-যুবতী অনশনে বসে পড়েন। অতঃপর ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে আন্দোলনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে। বিজেপি কখনো আন্দোলন, ধর্না, বিক্ষোভ পছন্দ করে না। মানে গণতান্ত্রিক এই ব্যবস্থাটাই ওদের পছন্দ নয়। এটা মোদি বলে নয়। বাজপেয়ীজিও এমন ছিলেন। ওনার সময়ে সারা দেশজুড়ে পোস্ট ... ...
তৃণমূলের পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া নেতারা সবাই অভিষেককেই দোষারোপ করছে। অভিষেক এত খারাপ, অভিষেকের নেতৃত্ব মেনে নেওয়া যায় না, তাহলে পরাজয়ের আগে পর্যন্ত চুপ ছিল কেন? অভিষেকের বিরোধিতা করলে শুভেন্দুর গুডবুকে থাকা যাবে, তাই তো? ইডি, সিবিআই, জেলহাজত সব দূরে থাকবে। তাই তো? তাই অভিষেককে যত হ্যাটা করা যাবে, ততই শুভেন্দু খুশি হবে। অভিষেক শুভেন্দুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। কারণ শুভেন্দুর স্বপ্ন ছিল মমতার পরেই উনি মুখ্যমন্ত্রী হবে। হঠাৎ অভিষেকের উত্থান শুভেন্দুর সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। শুভেন্দু বুঝে নিয়েছিল তৃণমূলে থাকলে তার পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া কোনোমতেই সম্ভব নয়। শিকে যদি ছেঁড়ে, সেই ভরসায় থাকলে ইডি/সিবিআইয়ের তাড়া ... ...
২১ শে জুলাই কার? তিন পক্ষের দড়ি টানাটানি। বির্তকের কোনো অবকাশ নেই, ২১ শে জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কারণ ওই আন্দোলনটা মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে হয়েছিল, সচিত্র ভোটার কার্ডের দাবিতে। খুব জোর কংগ্রেস ২১ শে জুলাই পালন করতে পারে। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সময় কংগ্রেসের যুবনেত্রী ছিলেন। ঋতব্রতরা কোন্ অধিকারে ২১ শে জুলাই পালন করতে পারে? ঋতব্রতের দল সিপিএম তথা বামফ্রন্ট সরকারের পুলিশই তো তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্দেশে ওইদিন ১৩ জন যুবককে গুলি করে হত্যা করেছিল। ২১ জুলাই বলতে সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে পালিত তৃণমূল কংগ্রেসের ঐতিহাসিক 'শহিদ দিবস' বা সাধারণ অর্থে ২১শে জুলাই তারিখটিকে বোঝায়। ১৯৯৩ সালের ২১শে জুলাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যুব কংগ্রেসের ... ...
২০০ পুলিশের এসকটের মধ্য দিয়ে ওই ছোকরাকে থানা থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মধ্যরাতে। এই বিশাল বাহিনীর মধ্য থেকে কেউ পালাবার চেষ্টা করবে, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয়। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট বলছে তাঁকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করা হয়েছে এবং গুলি লেগেছে পিঠে। অর্থাৎ অতর্কিতে পিছন দিকে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করা হয়েছে। অথচ এক শ্রেণির মিডিয়া বলছে অন্ধকারের মধ্যে পুলিশকর্মীর কী অব্যর্থ নিশানা! বীর উপাধি দেওয়া হচ্ছে তাঁকে। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে পিছনে গুলি করলে কারোকে বীর বলা যায় কি না জানা নেই। অভিযুক্তের সঙ্গে পুলিশের সংষর্ষ বা গুলি বিনিময় হওয়ার ন্যূনতম সম্ভাবনা নেই। তারপরেও প্রথম দিন থেকে উপর্যুপরি বলা হচ্ছে এনকাউন্টার। ... ...
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ধর্ষণ করলে সকালে জমা বিকেল খরচ করা হবে। তেমনটা হোক বা না হোক, যদি অভিযুক্তকে খরচ করতে হয়, তাহলে খুন করতে হয়। পুলিশ চাইলে প্রকাশ্যে অভিযুক্তকে গুলি করে হত্যা করতে পারে, আইনের তোয়াক্কা না করে। যদি এইভাবে খরচ করার কথা ভাবা হয়, কখনই তাকে এনকাউন্টার বলা যায় না। সাধারণ অর্থে 'এনকাউন্টার' (Encounter) শব্দটির অর্থ হল কোনো কিছুর সঙ্গে আকস্মিকভাবে মুখোমুখি হওয়া বা কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া। যাই হোক, আইনি ও অপরাধের প্রসঙ্গে, বিশেষ করে ভারতের প্রেক্ষাপটে 'এনকাউন্টার' বলতে সাধারণত পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে কোনো সশস্ত্র অপরাধী বা সন্ত্রাসবাদীর সরাসরি বন্দুকযুদ্ধ বা সংঘর্ষকে বোঝায়। ধৃত অভিযুক্তের সঙ্গে এমনটা ... ...
নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারকে সফলভাবে ফলপ্রসূ করতে হলে অবশ্যই এক দেশ এক দলের শাসন আবশ্যিক। বহুমতে সেটা সম্ভব নয়। তাই আন্তর্জাতিক মহাজনরা ভারতে যেমন বিজেপি দলকে বেছে নিয়েছে, তেমনি বাংলাদেশে বিএনপিকে বেছে নিয়েছে। পাশাপাশি অন্য দেশে তাদের পছন্দমতো রাজনৈতিক দল বেছে নিয়েছে। ভারতে অবিজেপি যে-কটা রাজ্য আছে, সেখানে নিউ ওয়ার্ল্ড প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে না। যদি অবিজেপি কোনো রাজ্য নিউ ওয়ার্ল্ড অর্ডারের নির্দেশমতো চলে, তাহলে বিজেপি সেই রাজ্য দখল করবে না। তবে টাইমলাইন কিন্তু ২০৩০। অনন্তকাল নয়। এই ২০৩০ সালের মধ্যেই আন্তর্জাতিক মহাজনেরা তাদের উদ্দেশ্য কায়েম করে ফেলবে। বিজেপিকেও ছুঁড়ে ফেলে দেবে ডাস্টবিনে। তার আগে কারোর কিচ্ছু করার নেই। ২০১৪ সালে ... ...
শেখর দেবনাথের বিরুদ্ধে মন্দিরের প্রণামী বাক্সের সব টাকা তার বাড়িতে জমা রাখার অডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ সবাইকে থ্রেট দিয়ে বললেন, আমাকে যারা বিরক্ত করবে তাঁর বাড়ির ঠিকানা বদলে দেব। ভিডিও করে প্রকাশ্যে থ্রেট দিলেন। রাজ্য সরকারের নতুন গুণ্ডা দমন আইন প্রয়োগ হবে কি না আমি জানি না। তবে ২০২৪ সালে যে রাজ্যে আট থেকে আশি সবাই রাত দখল করেছিল যাতে আর একটাও অভয়া না হয়, যাতে আর একজনকেও থ্রেট কালচারের বলি হতে না হয়। রত্না দেবনাথ নিজেও থ্রেট কালচারের তীব্র বিরোধিতা করছিলেন। আজ সেই রাজ্য বিস্মিত রত্নাদেবীর থ্রেট শুনে। থ্রেট কালচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে করতে কবে ... ...
অনেক লোকেরাই আজ বুলডোজার, হকার তথা দখলদার উচ্ছেদ করে গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। এই দৃশ্য দেখে এক শ্রেণির মানুষ খুবই উদ্বেলিত, উল্লসিত। গরিবরা মার খেলে এক শ্রেণির মানুষ পৈশাচিক আনন্দ পায়। বরাবর। আমরা কোভিডের সময়েও লকডাউন পরিস্থিতিতে দেখেছি, গরিবদের উপর যখন পুলিশি অত্যাচার ও নির্যাতন চলছিল, তখনও ওই শ্রেণির মানুষরাই উল্লসিত হত। পুলিশ লেলিয়ে দিত। ঘুঁটে পুড়লে যখন গোবর হাসে, তখন গোবর ভুলে যায় একদিন তাঁরও পরিণতি ঘুঁটে হতে পারে। ... ...