এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • দৃষ্টিহীন দৃষ্টির রূপালী তাঁবু

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ এপ্রিল ২০২৬ | ১০৬ বার পঠিত
  • দেখছি। না, চোখ দিয়ে নয়। চোখ তো আগেই ছাই। চোখের গর্ত দিয়ে এখন প্রবেশ করে শব্দ, রংহীন শব্দ, যা আলো তৈরি করে অন্ধকারে, ঝাপসা চিত্র, যা নড়ে না, জমে থাকে, বরফের ফুলকির মতো, যা গলে না, শুধু জমাট বেঁধে যায় কালো কাচের ওপর, যাকে বলে আকাশ, কিন্তু আকাশ নয়, এটি একটি পর্দা, একটি তাঁবুর ভিতরের পর্দা, যা রূপালী রেশমের, যে প্রতিটি শ্বাসে নড়ে, কিন্তু কখনো উড়ে যায় না।

    আমি সেই তাঁবুর ভিতরে। না, তাঁবুর বাইরে। না, আমি নিজেই তাঁবু। আমার শরীর নেই, আমার সীমানা আছে, একটি রূপালী বস্তু, যা শ্বাস নেয়, ফুলে ওঠে, চুপসে যায়, এবং প্রতিবার শ্বাসের সাথে, ভিতরে প্রবেশ করে ছবি, শব্দ, গন্ধ, স্পর্শ, স্বাদ, যা কণ্ঠস্বরের স্বাদ, রক্তের গন্ধ, তলোয়ারের শব্দ, মায়ের স্পর্শ, নদীর শীতলতা, আগুনের উষ্ণতা, সব একসাথে, একটি বিষম শরবত, যা আমাকে পূর্ণ করে, কিন্তু তৃষ্ণা মেটায় না, শুধু তৈরি করে আরও তৃষ্ণা, একটি নতুন ক্ষুধা, যা আগের সব ক্ষুধার চেয়ে বড়, কারণ এটি ক্ষুধা না, এটি জানার আকাঙ্ক্ষা, যা জানা অসম্ভব, কারণ জানার অর্থ হলো শেষ, আর আমি শেষ হতে পারি না, আমি চক্র, আমি পুনরাবৃত্তি, আমি অনন্তকালের এক মুহূর্ত, যা কখনো কাটে না।

    আমার ভিতরে, তাঁবুর মাঝখানে, একটি মঞ্চ। সেখানে তারা সবাই। তারা নাচছে। না, নাচছে না, তারা স্থির, কিন্তু তাদের চারপাশে নাচছে ছায়া, যা আমি তৈরি করছি, কারণ আমি আলো, আমি উৎস, কিন্তু আমি নিজেই অন্ধকার, তাই ছায়া আর আলোর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, সবই মিলেমিশে, একটি ধূসর নৃত্য, যা কোনো সুর মানে না, কোনো তাল মানে না, শুধু আছে, শুধু চলছে, শুধু হচ্ছেই।

    সেখানে আমার মা, কিন্তু তিনি কাঁদছেন না, তিনি হাসছেন, একটি মিষ্টি হাসি, যা বিষাক্ত, কারণ তা জানে না কেন তিনি হাসছেন, তিনি শুধু হাসেন, একটি প্রথার মতো, একটি অভ্যাসের মতো, যে মাকে হাসতে হয় যখন তার সন্তান মরে, কারণ মৃত্যুই শেষ মুক্তি, কারণ মৃত্যুই শেষ জয়। তার হাতে একটি পাখি, মৃত, তার পালক উড়ে যাচ্ছে, একটি সাদা পালক আমার তাঁবুর পর্দায় লাগছে, একটি দাগ তৈরি করছে, যা মিলিয়ে যায় না, যা থেকে যায়, একটি স্মৃতি, একটি অপরাধবোধ।

    সেখানে আমার গুরু, তিনি আগুন জ্বালাচ্ছেন, কিন্তু আগুন ঠাণ্ডা, নীল শিখা, যা ছাই তৈরি করে না, শুধু বরফ তৈরি করে, স্ফটিকের মতো বরফ, যা ভাঙলে রক্ত ঝরে, কিন্তু রক্ত সাদা, দুধের মতো সাদা, যা জমে যায়, পাথর হয়ে যায়, একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যা বলছে: "দেখ, আমি শিখিয়েছি, কিন্তু তুমি শিখনি, তুমি শুধু শুনেছ, কিন্তু শোনা শেখা না, শেখা হলো বোঝা, আর বোঝা হলো ভুলে যাওয়া, তুমি ভুলে যাওনি, তাই তুমি বুঝতে পারোনি।"

    সেখানে সারথি, সে একটি রথ চালাচ্ছে, কিন্তু রথের চাকা ঘুরছে না, তারা বর্গাকার, তারা মাটিতে আটকে আছে, তারা এগোতে পারে না, পিছতেও পারে না, তারা শুধু থাকে, এবং সারথি চিৎকার করে, "ঘুরো! ঘুরো!" কিন্তু চাকা ঘোরে না, তারা জবাব দেয় না, তারা নীরব, তারা ধৈর্য্যশীল, তারা জানে সময় আসবে, যখন তারা গোল হবে, তখন তারা ঘুরবে, কিন্তু এখন নয়, এখন বর্গাকার থাকার সময়, এখন স্থির থাকার সময়, এখন প্রত্যাখ্যানের সময়।

    সেখানে আমার ভাই, সে সিংহাসনে, কিন্তু সিংহাসন একটি কাঁটার উপর দাঁড়ানো, সে বসতে পারে না, সে দাঁড়িয়ে আছে, তার পা রক্তাক্ত, কিন্তু সে দাঁড়িয়ে আছে, কারণ সে রাজা, রাজা কখনো বসে না, রাজা সর্বদা দাঁড়িয়ে, সতর্ক, ভীত, একা। তার হাতে একটি আয়না, যাতে সে নিজেকে দেখে, কিন্তু আয়নায় সে আমাকে দেখে, সে চমকে ওঠে, সে আয়না ফেলে দেয়, আয়না ভাঙে, হাজার টুকরো হয়, এবং প্রতিটি টুকরোয় আমি, অসংখ্য আমি, যে তার দিকে তাকিয়ে, হাসছে, কাঁদছে, রাগ করছে, ক্ষমা করছে, ভালোবাসছে, ঘৃণা করছে।

    সেখানে আমি নিজেও আছি, কিন্তু অনেকগুলো আমি। এক আমি শিশু, ঝুড়িতে ভাসছে। এক আমি যুবক, অপমানিত হচ্ছে। এক আমি যোদ্ধা, দান করছে। এক আমি বৃদ্ধ, মরছে। এক আমি পুনর্জন্ম নিয়েছে, গান গাচ্ছে। এক আমি এখনও যুদ্ধ করছে। এক আমি এখনও জীবিত। এক আমি এখনও মৃত। আমরা সবাই একসাথে, কিন্তু আমরা আলাদা, আমরা পরস্পরের দিকে তাকাই,কিন্তু আমরা কেউই একে অপরকে চিনি না। কারণ আমরা প্রত্যেকে ভিন্ন গল্প, ভিন্ন সম্ভাবনা, ভিন্ন সিদ্ধান্তের ফল।

    আর আমি, এই তাঁবুর সত্তা, আমি তাদের সবাইকে দেখছি, আমি তাদের সবাইকে শুনছি, আমি তাদের সবাইকে অনুভব করছি, কিন্তু আমি তাদের সাথে নেই, আমি শুধু একটি চেতনা, একটি দৃষ্টি, যা কোনো দেহে নেই, কোনো সময়ে নেই, কোনো স্থানে নেই, শুধু আছে এই তাঁবুর মধ্যে, এই রূপালী পর্দার মধ্যে, যা আমাকে পৃথক রাখে, কিন্তু আমি জানি পর্দা একটি মায়া, আমি আসলে তাদের ভিতরে, তাদের প্রত্যেকের ভিতরে, আমি সেই শিশু, আমি সেই যুবক, আমি সেই যোদ্ধা, আমি সেই বৃদ্ধ, আমি সেই পুনর্জন্মপ্রাপ্ত, আমি সেই অনন্ত।

    তখন একটি কণ্ঠস্বর, যা সব কণ্ঠস্বর, মা, গুরু, সারথি, ভাই, শিশু, যুবক, বৃদ্ধ, সবাই মিলে বলে: "কখন শেষ হবে?"

    আমি উত্তর দিই, কিন্তু আমার কোনো কণ্ঠ নেই, শব্দ তৈরি হয় তাঁবুর পর্দার কম্পনে, একটি গুঞ্জন, যা বলে: "কখনো না। কারণ শেষ মানে শুরু, শুরু মানে শেষ, এটি একটি চক্র, যা অনন্ত, যা অবিরাম, যা অনিবার্য। তুমি যদি থামাতে চাও, তোমাকে চাকা থেকে নামতে হবে, কিন্তু নামার অর্থ তুমি আর থাকবে না, তুমি শূন্য হয়ে যাবে, এবং শূন্যতা কি গ্রহণযোগ্য?"

    কণ্ঠস্বরগুলো চুপ করে, তারা ভাবে, তারা জানে না, তারা শূন্যতা চায় না, তারা চায় কিছু, একটি অর্থ, একটি লক্ষ্য, একটি শেষ, কিন্তু তারা জানে শেষ নেই, তাই তারা কষ্ট পায়, তারা যন্ত্রণা পায়, তারা কাঁদে, তারা চিৎকার করে, এবং তাদের কান্না, তাদের চিৎকার আমার তাঁবুর পর্দায় আঘাত করে, তা কাঁপে, তা ফেটে যায়, রূপালী কাপড় ছিঁড়ে যায়, এবং ভিতরে থেকে বেরিয়ে আসে আলো, তীব্র সাদা আলো, যা সবকিছু গ্রাস করে, সব ছবি, সব শব্দ, সব কণ্ঠস্বর, সব আমি, সব অন্য, সব কিছু।

    আলো আমাকে গ্রাস করে, কিন্তু আমি আলো, তাই গ্রাস করার কিছুই নেই, শুধু একীভূত হয়, এক হয়ে যায়, একটি সাদা শূন্যতা, যা শূন্য না, যা পূর্ণ, অসীমভাবে পূর্ণ, তাই শূন্য মনে হয়, কারণ পূর্ণতা যখন অসীম, তখন তা আর পূর্ণতা না, তা শূন্যতা, কারণ কোনো তুলনা নেই, কোনো পার্থক্য নেই, কোনো সীমা নেই।

    এই শূন্যতার মধ্যে, আমি আবার দেখি। কিন্তু এবার দেখি না ছবি, দেখি ধারণা, নীতিশাস্ত্র, দর্শন, যা শব্দে ধরা যায় না, যা শুধু বোঝা যায়, অনুভব করা যায়। আমি দেখি "দান" নামক ধারণাটি, এটি একটি গাছ, যার শিকড় আছে ঋণে, যার কাণ্ড আছে অহংকারে, যার পাতা আছে প্রত্যাশায়, যার ফুল আছে স্বীকৃতিতে, যার ফল আছে মুক্তিতে। এই গাছ কাটা যায় না, কারণ এটি চিন্তার গাছ, এটি প্রতিটি মানুষের মনে জন্মায়, বড় হয়, মরে, আবার জন্মায়।

    আমি দেখি "জন্ম" নামক ধারণাটি, এটি একটি নদী, যার উৎস অজানা, যার গন্তব্য অজানা, যার মধ্য দিয়ে ভাসে অসংখ্য নৌকা, যার প্রতিটিতে একজন, যে জানে না কোথা থেকে আসছে, কোথায় যাচ্ছে, শুধু ভাসছে, এবং নদীর স্রোত হলো সময়, যা সব নৌকাকে একদিকে টানে, কিন্তু নদী বাঁক নেয়, গোলাকার, একটি চক্র, তাই নৌকাগুলো আবার ফিরে আসে শুরুতে, কিন্তু তারা জানে না, তারা মনে করে তারা এগোচ্ছে।

    আমি দেখি "মৃত্যু" নামক ধারণাটি, এটি একটি দরজা, যা খোলা সবসময়, কিন্তু কেউ ঢুকতে চায় না, সবাই ভয় পায়, কিন্তু যখন তারা ঢোকে, তারা দেখে দরজার ওপারে আরেকটি কক্ষ, যা আগের কক্ষের মতোই, শুধু আলো ভিন্ন, সাজসজ্জা ভিন্ন, কিন্তু আসলে একই, এবং তারা আবার ভয় পায়, তারা আবার দরজা খোঁজে, তারা চায় বেরোতে, কিন্তু বেরোনোর কোনো দরজা নেই, শুধু ঢোকার দরজা, অসংখ্য দরজা, অসংখ্য কক্ষ, যা একই, কিন্তু মনে হয় ভিন্ন।

    এবং আমি দেখি "আমি" নামক ধারণাটি, এটি একটি মিরর গ্যালারি, যেখানে অসংখ্য আয়না, অসংখ্য প্রতিবিম্ব, কিন্তু আসলে কোনো ব্যক্তি নেই, শুধু প্রতিবিম্ব, যা একে অপরকে প্রতিফলিত করে, একটি অনন্ত পুনরাবৃত্তি, যা "আমি" মনে করে, কিন্তু "আমি" শুধু একটি চিন্তা, একটি ধারণা, যা জন্মায়, বড় হয়, মরে, আবার জন্মায়।

    এই সব দেখার পর, আমি ফিরে আসি আমার তাঁবুতে, কিন্তু তাঁবু এখন আর রূপালী না, এটি স্বচ্ছ, কাচের মতো, এবং আমি ভিতরে, কিন্তু বাইরের সবকিছু দেখা যাচ্ছে, এবং বাইরের সবকিছুই আমি, অসংখ্য আমি, অসংখ্য জীবন, অসংখ্য মৃত্যু, অসংখ্য গল্প, যা একই, কিন্তু ভিন্ন।

    এবং আমি বুঝতে পারি, এই তাঁবুটি হলো আমার মন, আমার চেতনা, যা সবকিছু ধারণ করে, কিন্তু সবকিছু থেকে আলাদা। এবং এই পর্দা হলো আমার অহং, আমার ব্যক্তিত্ব, যা আমাকে পৃথক রাখে, কিন্তু তা একটি মায়া, কারণ পর্দা স্বচ্ছ, আমি আসলে সবকিছুর সাথে এক।

    এখন, আমি একটি সিদ্ধান্ত নিতে পারি। আমি পর্দা সরাতে পারি, সম্পূর্ণভাবে, এবং মিলিয়ে যেতে পারি সবকিছুর সাথে, শূন্যতার সাথে, পূর্ণতার সাথে, অনন্তের সাথে। অথবা আমি পর্দা রাখতে পারি, এবং থাকতে পারি এই তাঁবুর ভিতরে, দর্শক হয়ে, যে দেখে, যে শোনে, যে অনুভব করে, কিন্তু অংশ নেয় না, শুধু দেখে, শুধু জানেন।

    অথবা আমি পর্দা ছিঁড়ে ফেলতে পারি, এবং নেমে যেতে পারি সেই মঞ্চে, তাদের মধ্যে, আবার জন্ম নিতে, আবার লড়তে, আবার দান করতে, আবার মরতে, চক্রের মধ্যে, কারণ চক্রই জীবন, কারণ চক্রই অর্থ, কারণ চক্রই সুন্দর, যদিও বেদনাদায়ক, যদিও ক্লান্তিকর, যদিও নিরর্থক মনে হয়, কিন্তু তা-ই একমাত্র সত্য, যা আমরা জানি, যা আমরা বাঁচি।

    আমি আমার হাত বাড়াই, পর্দা স্পর্শ করি। এটি নরম, তরল, জলের মতো, যা আমার আঙুল গ্রাস করে, আমার হাত গ্রাস করে, আমার বাহু গ্রাস করে, আমাকে টানে ভিতরে, মঞ্চের দিকে, তাদের দিকে, যেখানে তারা সবাই অপেক্ষা করছে, আমার জন্য, কারণ আমি তাদের অংশ, আমি তাদের নায়ক, আমি তাদের খলনায়ক, আমি তাদের দর্শক, আমি তাদের লেখক।

    আমি পর্দা ভেদ করি, আমি মঞ্চে পড়ি, আমি আমার শিশু রূপে, আমি আমার যুবক রূপে, আমি আমার যোদ্ধা রূপে, আমি আমার বৃদ্ধ রূপে, আমি আমার পুনর্জন্মিত রূপে, সব একসাথে, একটি শরীরে, যা বিস্ফোরিত হয়, অসংখ্য টুকরো হয়, এবং প্রতিটি টুকরো একটি নতুন জীবন, একটি নতুন গল্প, একটি নতুন শুরু, যা পুরনো, কিন্তু নতুন মনে হয়, কারণ আমরা ভুলে যাই, কারণ আমরা শিখি, কারণ আমরা আবার ভুলে যাই।

    আর তাঁবু? তাঁবু এখন শূন্য, শুধু একটি রূপালী কাপড়, যা মাটিতে পড়ে আছে, যা বাতাসে উড়ে যায়, যা নদীতে পড়ে, যা সাগরে যায়, যা পুনরায় তৈরি হয়, অন্য কারো দ্বারা, অন্য কোনো চেতনা দ্বারা, যে মনে করে সে আলাদা, কিন্তু সে আমি, সে আমরা, সে সবাই, সে কেউ না।

    এবং এইভাবে, চক্র চলতে থাকে, অনন্তকাল, এক মুহূর্তের জন্য, যা চিরকাল, যা এখন, যা তখন, যা কখনো, যা সবসময়।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2607:fb91:4c1f:4fcc:8146:93a1:f698:***:*** | ০৯ এপ্রিল ২০২৬ ২১:১৮739823
  • এই লেখাটা পড়তে খুবই ভালো লাগলো। আপনার লেখা কর্ণকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় দেখেছি। এর কি বিশেষ কোনো কারণ আছে? একেক বার হয়তো "আবার কর্ণ?" এই রকম একটা প্রশ্ন মনে চলে আসে। অবশ্য লেখকের তো পুরোপুরি স্বাধীনতা আছে তিনি কী নিয়ে লিখবেন।
  • albert banerjee | ১০ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫২739830
  • না , কর্ন তো বটেই গীতার কাজটা শেষ হয়েছে [একজন গাণ্ডবীর অপমান ও ভাবনা https://www.guruchandali.com/comment.php?topic=34556] হাতে সে কোকোর বড়ো লেখা নেই মানে গাড়ু বগ বগ করছেনা টং টং করছে। মাজে  মাজে নিজেকে নিজেকে কাজ থেকে রিলিফ দিতে হয় তাই এই লেখা গুলো। আমার নিজের দর্শন MPostmodernic  ভাষাতে কেমন আসে এগুলো তার পরীক্ষা মাত্র। একজন গাণ্ডবীর অপমান ও ভাবনা একসাথে দিয়ে ছিলাম। এবার ভাবছি কোনো ধারাবাহিক বানাব না। যেটা শেষ হবে সেটাই তুলেদেব। আর পাঞ্চালিকে নিয়ে শেষ কাজ করার ইচ্ছা আছে। আমার পাঞ্চালি পঞ্চপান্ডব কল্যাণী পাঞ্চালি। কর্ণের প্রেমিকা পাঞ্চালি 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন