এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মগজ বনাম মেশিন: এক যান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র ও নাগরিকত্বের ডিজিটাল প্রহসন

    অখিল রঞ্জন দে লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৯ মার্চ ২০২৬ | ২৫ বার পঠিত
  • মগজ বনাম মেশিন: এক যান্ত্রিক একনায়কতন্ত্র ও নাগরিকত্বের ডিজিটাল প্রহসন

    একটি স্বচ্ছ ও নির্ভুল ভোটার তালিকা যে সুস্থ গণতন্ত্রের প্রাথমিক শর্ত, সে কথা কেউ অস্বীকার করছে না। মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোটার কিংবা অস্তিত্বহীন ভোটারদের নাম সরিয়ে দিয়ে তালিকাটি পরিচ্ছন্ন করা নির্বাচন কমিশনের একটি আবশ্যিক ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬-এর এই বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়াটি যে কারণে বিতর্কের মুখে পড়েছে, তা হলো এর যান্ত্রিক ও অমানবিক পদ্ধতি। রাষ্ট্র যখন মানুষকে কেবল একটি ‘ডিজিটাল ডেটা’ বা অ্যালগরিদমের বিন্দুতে রূপান্তর করে, তখন জন্ম নেয় এক ভয়াবহ অস্তিত্বের সংকট।
     
    সবচেয়ে অদ্ভুত এবং করুণ বৈপরীত্য হলো ভারতের সংবিধান ও নির্বাচন কমিশনের সেই কালজয়ী আদি উদারতা। আমাদের গণতান্ত্রিক ঐতিহ্যে একসময় নিয়ম ছিল—কোনো নাগরিক যদি কোনো নির্দিষ্ট স্থানে, তা সে ফুটপাথ, কারো বারান্দা, খোলা মাঠ কিংবা রেল স্টেশন যেখানেই হোক না কেন, টানা তিন রাত ঘুমান, তবে বিএলও (BLO) তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখে সেই ঠিকানাতেই ভোটার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করবেন। অর্থাৎ, ভারতের গণতন্ত্রে নাগরিকত্বের অধিকার কোনো ধুলো জমা ফাইলের দয়া নয়, বরং মানুষের যাপনের স্পন্দনে নিহিত ছিল। যে কমিশন একসময় গৃহহীন মানুষকেওসসম্মানে বুথ পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়ার স্বপ্ন দেখত, আজ সেই কমিশনের চেয়ারে বসেই চলছে ভোটার তালিকা থেকে নাম ছেঁটে ফেলার এক কুটিল ডিজিটাল ষড়যন্ত্র। যে রাষ্ট্র একসময় ফুটপাথে শোয়া মানুষের নাসিকাগর্জন শুনেও তাঁর নাগরিকত্ব চিনতে পারত, আজ সেই রাষ্ট্রই এসি ঘরে বসে সফটওয়্যারের সূক্ষ্ম ছাঁকুনি দিয়ে ২০ বছরের ভোটারের পায়ের তলা থেকে মাটি কেড়ে নিতে চাইছে। ভাবা যায়, যে দেশে এক সময় ‘তিন রাত ঘুমানো’ই ছিল ভোটার হওয়ার ছাড়পত্র, আজ সেই দেশেই হাজারো নথির পাহাড়ে চাপা পড়ে মানুষের রাতের ঘুম উধাও হয়ে গিয়েছে!

    ২০০২ সালের সেই মানবিক বিএলও-রা আজ নির্বাসিত; তাঁদের জায়গায় সিংহাসনে বসানো হয়েছে এক আবেগহীন সফটওয়্যারকে, যার কাছে মানুষের রক্ত-মাংসের সম্পর্কের চেয়ে ‘কোডিং’-এর মাহাত্ম্য বেশি। এটি যেন এক আধুনিক ডিজিটাল অস্পৃশ্যতা—যেখানে পাড়া-প্রতিবেশীর দেওয়া ‘সামাজিক স্বীকৃতি’ বা ২০ বছরের ভোট দেওয়ার ইতিহাসও আজ মূল্যহীন; কেবল ‘সার্ভার’-এ তথ্য না থাকলে একজন মানুষকে নাগরিক সমাজ থেকে একঘরে করে রাখা হচ্ছে। গ্রামীণ বাংলার মুসলিম মহিলাদের নামের শেষে থাকা ‘খাতুন’, ‘বিবি’ বা ‘বেওয়া’ — এই সূক্ষ্ম সামাজিক পরিচয়গুলো সফটওয়্যারের কাছে হয়ে দাঁড়িয়েছে মারাত্মক ত্রুটি, আর হিন্দু বিবাহিত মহিলাদের বিয়ের আগের পদবি আর পরের পদবি আলাদা হওয়াকে যন্ত্রটি চিনেছে এক মহাজাগতিক রহস্য হিসেবে। কারো নাম বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু দলিলে ‘ব্যানার্জি’, কারো চট্টোপাধ্যায় কিন্তু রেকর্ডে ‘চ্যাটার্জি’ — এই সামান্য পদবিগত বৈচিত্র্যকে প্রতারণা ভেবে লক্ষ লক্ষ নাম ‘ডিলিট’ তালিকায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
     
    সবচেয়ে অদ্ভুত রাজকীয় রসিকতা চলল পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে। কোনো বাবার যদি ৬ বা তার বেশি সন্তান থাকে, তবে সেই প্রজনন ক্ষমতাকে যন্ত্রটি অস্বাভাবিক ধরে নিয়ে সবার নাম বিবেচনাধীন করে দিয়েছে। যেন একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে সফটওয়্যারই ঠিক করে দেবে কার পরিবার কত বড় হওয়া উচিত! কমিশনের বড় কর্তারা সম্ভবত ভুলে গেছেন যে, আগেকার দিনে এক একটি দম্পতির দশ-বারোটি পর্যন্ত সন্তান হওয়ার রেওয়াজ এই সমাজেই ছিল। শুধু তাই নয়, বাবা ও সন্তানের বয়সের পার্থক্য ১৫ বছরের কম বা ৫০ বছরের বেশি হওয়াকে যান্ত্রিকভাবে অসম্ভব বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখানে প্রশ্ন জাগে — ২০০২ সালের ভোটার তালিকা কি সম্পূর্ণ নির্ভুল ছিল? কমিশন কি হলফ করে বলতে পারবে যে সেই তালিকার প্রতিটি তথ্য ধ্রুবসত্য? সেই সময়ের ডাটা এন্ট্রির ভুলে বহু মানুষের তথ্যে বিচ্যুতি থাকতেই পারে। সেই ভুলগুলো সংশোধন করতে যেখানে অভিজ্ঞ মগজ প্রয়োজন ছিল, সেখানে যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করাটা কি হাস্যকর নয়? অবশ্যই, এদেশের ভোটার তালিকায় জালিয়াতির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। কিন্তু সেই বিচার তো হতে হবে সঠিক ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে। নির্বিচারে লক্ষ লক্ষ বৈধ নাগরিককে হয়রান করে কি সেই সমস্যার সমাধান সম্ভব?
     
    প্রহসনের এখানেই শেষ নয়; এই যান্ত্রিক যুদ্ধের সমান্তরালে চলেছে 'ফর্ম-৭'-এর এক নির্বিচার ও ভয়ংকর অপব্যবহার। মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের তালিকা থেকে সরানোর জন্য এই ফর্মের বিধান থাকলেও, বর্তমানে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের উচ্ছেদ-মারণাস্ত্র হিসেবে। অভিযোগ উঠেছে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মানুষদের টার্গেট করে একজন ব্যক্তিই স্বাক্ষর করে শতাধিক ফর্ম-৭ জমা দিয়েছেন—যেখানে অভিযোগের মূল ভিত্তি মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটার নয়, বরং একতরফাভাবে ভোটারদের নাগরিকত্বকে চ্যালেঞ্জ করা। এর থেকেও দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, কমিশন কোনো প্রকার সরজমিন তদন্ত বা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই কেবল এই গণ-আবেদনের ভিত্তিতে হাজার হাজার বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে মুছে ফেলেছে। এই 'অদৃশ্য ঘাতক' ফর্ম-৭-এর মাধ্যমে এক পরিকল্পিত ভোটব্যাঙ্ক নিধন অভিযান চালানো হয়েছে, যা আসলে গণতন্ত্রের বুকে এক মরণাঘাত ছাড়া আর কিছুই নয়।
     
    নথিপত্র নিয়ে যে তামাশা চলল তা-ও নজিরবিহীন; মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড থাকা সত্ত্বেও কেবল সার্টিফিকেট না থাকায় বহু মানুষকে ‘অযোগ্য’ ঘোষণা করার যে জেদ কমিশন ধরেছিল, তা ভাঙতে শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের কড়া ধমক খেতে হয়েছে। প্রশ্ন জাগে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ট্রাইব্যুনালে যে অতিরিক্ত ১২টি নথি (মোট ২৫টি) যোগ করা হলো, তা কেন শুরুতেই করা হলো না? কেন মানুষকে আদালতের দরজায় ভিখারির মতো নিজের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে হলো? এই অযথা হয়রানি কি কেবল অদূরদর্শিতা, নাকি নির্দিষ্ট ভোটব্যাঙ্ককে ভোটদান থেকে বিরত রাখার এক গভীর রাজনৈতিক চক্রান্ত? হোয়াটসঅ্যাপের (WhatsApp) মাধ্যমে অনানুষ্ঠানিক নির্দেশ পাঠিয়ে শাসন করা আসলে এক ধরণের দায়বদ্ধতাহীন শাসন—যেখানে কোনো দাপ্তরিক সিলমোহর নেই, শুধু মোবাইল অ্যাপের মেসেজ।
     
    কিন্তু সবথেকে ভয়ংকর এবং ক্ষমার অযোগ্য ‘পাপ’ সংঘটিত হয়েছে এই প্রজন্মের নতুন ভোটারদের ক্ষেত্রে। যারা প্রথমবারের মতো গণতন্ত্রের উৎসবে শামিল হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল, সেই তরুণ প্রজন্মের প্রায় আশি শতাংশ আবেদন বা 'ফর্ম-৬' কোনো এক অদৃশ্য ইশারায় বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। কমিশন যদিও এই গণ-বাতিলকরণের সঠিক তথ্য গোপন করতে মরিয়া, কিন্তু বিএলও-দের (BLO) অভিজ্ঞতায় উঠে আসছে এক চরম হাহাকার। বিগত বছরগুলোতে এই নতুন ভোটাররাই যেখানে ভোটের ময়দানে তুরুপের তাস হয়ে উঠেছে, সেখানে পরিকল্পিতভাবে এই নবীন রক্তকে প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা কি কেবল যান্ত্রিক ভুল? নাকি তরুণ প্রজন্মের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে এক নির্দিষ্ট রাজনৈতিক সমীকরণ মেলানোর নির্লজ্জ আয়োজন? গণতন্ত্রের আগামী কণ্ঠরোধ করার এই কৌশল আসলে এক ঐতিহাসিক অপরাধ।
     
    সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, যখন লক্ষ লক্ষ মানুষের নাম সংশোধনের অপেক্ষায়, তখন নির্বাচন কমিশন কোন আক্কেলে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন? ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচার করে নাম নথিভুক্ত করার মতো পর্যাপ্ত সময় কি আদৌ হাতে আছে? সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই তড়িঘড়ি ভোট ঘোষণা কি গণতন্ত্রের এক চরম প্রহসন নয়? উপসংহারে এসে বলতে হয়, নির্বাচন কমিশনের কাছে আজ প্রায়শ্চিত্তের সময় এসেছে।গণতন্ত্র কোনো যন্ত্রের খেলা নয়, এটি মানুষের আস্থার উৎসব। প্রায়শ্চিত্তের একমাত্র পথ হলো—ভোটের উৎসব শুরুর আগে প্রতিটি বৈধ নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করা এবং যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে হওয়া অপমান ও হয়রানির দায় স্বীকার করা। মানুষের হৃদস্পন্দন আর যান্ত্রিক টিকটিক শব্দের তফাৎ বুঝতে না পারলে, এই নির্বাচন ইতিহাসের পাতায় কেবল এক ‘ডিজিটাল প্রহসন’ হিসেবেই চিহ্নিত হয়ে থাকবে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে প্রতিক্রিয়া দিন