ছাদের ফুটো দিয়ে জল ঝরে পড়ে নোংরা অ্যালুমিনিয়ামের জামবাতিতে,
সেখানে জীবাণু জন্মায়,বেড়ে ওঠে।
ওরা কি জানে,ওরা অ্যালুমিনিয়ামের জামবাটিতে থাকে?
ওদের ভবিতব্য কে লিখে?
আমার মৃত্যুর পরোয়ানা আজ সাতাশ বছর আগে লেখা হয়ে গেছে,
যখন ন মাস গর্ভাবাসের পর আমি ভূমিষ্ঠ হলাম,
আমি জানতাম না,আমার মাও আমার মুখ দেখে যখন খুশি হয়েছিল,
সেও কি জানত?
জানলে কি আমায় খুন করত তক্ষুনি?
তাহলে এই এখনকার যন্ত্রণা থেকে তো মুক্তি পেত!
জানি না।
শীতের নিঃস্বতার পর বসন্ত তার বিষাক্ত বাতাস নিয়ে আসে।
কেউ জলবসন্তে পড়ে,কেউ হামে,আর বাকিরা প্রেমে।
অসহ্য লাল - হলুদ তীব্র রং সব আমার চোখ ঝলসে দেয়।
আমি এখন প্রেমের নাম শুনলে ভয় পাই।
আমার বুকের উপর সব স্মৃতি চেপে বসে ক্রমশ,
আমার দম বন্ধ হয়ে আসে,আমার গলার পেশী শক্ত হয় ক্রমে।
আতঙ্কে আমার চোখ বিস্ফারিত হয়,
আমি সুস্থতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে পাগল অমিকে দেখি।
সে আমায় মুখ ভ্যাংচায়।
আমি কবে মুক্তি পাব?
পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।