এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ডিজিটালাইজেশন হুজুগে SIR

    SHANKAR BHATTACHARYA লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ | ২২ বার পঠিত
  •  
    এই আর্টিকল #: 34090
    প্রযুক্তির আড়ালে যান্ত্রিক শাসন: নাগরিকত্ব সংকট ও তথাকথিত শিক্ষিতদের দায়বদ্ধতা
    ***********************
     
    ১. সূচনালগ্ন: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও যান্ত্রিক যুক্তির বিভ্রম
     
    বর্তমান যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI-কে একটি পরম সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে। কিন্তু বাস্তব সত্য হলো, AI কোনো জৈবিক চেতনা নয়; এটি স্রেফ কিছু সাজানো সংকেত এবং যান্ত্রিক নির্দেশের সমষ্টি। মানুষের বুদ্ধি যেখানে প্রেক্ষাপট, ইতিহাস এবং মানবিক সংবেদনশীলতাকে গুরুত্ব দেয়, AI সেখানে কেবল সংখ্যা এবং অক্ষরের মিল খোঁজে। ভারতবর্ষের মতো একটি বিশাল এবং বৈচিত্র্যময় দেশে, যেখানে মানুষের পরিচয় বহুলাংশে মৌখিক এবং হস্তলিখিত নথির ওপর নির্ভরশীল, সেখানে এই "নিরস যুক্তি" প্রয়োগ করা এক ভয়াবহ লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি বা যৌক্তিক অসামঞ্জস্য তৈরি করেছে।
    একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা প্রযুক্তির জয়গান যখন আকাশচুম্বী, ঠিক তখনই ভারতবর্ষের প্রশাসনিক অলিন্দে এক ভয়াবহ সংকটের মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে। ভোটার তালিকা বা নাগরিকত্বের নথিতে ‘Special Intensive Revision’ বা বিশেষ সংশোধনী প্রক্রিয়ার নামে যা চলছে, তাকে সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে ‘ডিজিটাল একনায়কতন্ত্র’ বলে অভিহিত করা যায়। ডিজিটালাইজেশন (Digitalization) হলো দৈনন্দিন কাজ, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া বা যোগাযোগ ব্যবস্থায় আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেগুলোকে আরও দক্ষ ও সুক্ষ্ম, দ্রুত এবং কার্যকর করার পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া। এটি মূলত এনালগ বা কাগজের কাজ কমিয়ে ডিজিটাল মাধ্যম (যেমন- ইন্টারনেট, সফটওয়্যার, এআই) ব্যবহার করে কার্যপদ্ধতি উন্নত করে এবং রাজনৈতিক সহায়তায় কর্পোরেট দানবরা অদৃশ্য ভাবে দেশের  বাজার দখল করে। দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণে ডিজিটালাইজেশন হুজুগে অভিযোগ উঠছে, প্রযুক্তির তথাকথিত যৌক্তিকতাকে ঢাল করে এক সুপরিকল্পিত চাল —- চালিয়াতির মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে চরম বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
     
    ২. "শিক্ষিত অশিক্ষিত" আমলাতন্ত্র: এক সুপরিকল্পিত চালিয়াতি
     
    সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা, ভুল ভ্রান্তির চেয়েও বড় বিপদ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রশাসনের শীর্ষস্তরে থাকা তথাকথিত শিক্ষিতদের আচরণ। এই পদাধিকারীরা উচ্চশিক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও শাসকের তুঘলকি নির্দেশ পালন করতে গিয়ে নিজেদের বিচারবুদ্ধি বিসর্জন দিয়েছেন।
     
    অন্ধ অনুসরণ: প্রযুক্তি যখন কোনো নাগরিকের নথিতে সামান্য অমিল খুঁজে পায়, তখন এই শিক্ষিত শ্রেণী সেই যান্ত্রিক ত্রুটিকে সংশোধনের বদলে সেটিকে "অমোঘ রায়" হিসেবে গ্রহণ করছে।
     
    দায়িত্ব এড়ানো: "নানা অজুহাতে তারা লাখ লাখ মানুষের দীর্ঘদিনের নাগরিক অস্তিত্বকে অস্বীকার করছেন। এটি শিক্ষার অপমান; কারণ প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে প্রশ্ন করতে শেখায়, যন্ত্রের দাস হতে নয়। এই শিক্ষিত অশিক্ষিতরাই আসলে আধুনিক "ডিজিটাল কুসংস্কারের" ধারক ও বাহক হয়ে উঠেছেন।
    শিক্ষিতদের এই বিবেকহীন অন্ধ অনুসরণ আসলে ‘বৌদ্ধিক অশিক্ষা’রই নামান্তর। প্রযুক্তিকে এখানে নাগরিক অধিকার হরণের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে, যা প্রকৃত শিক্ষার উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।
     
    ৩. Special Intensive Revision: প্রান্তিক মানুষের অস্তিত্বের লড়াই
     
    ভোটার তালিকা বা নাগরিকত্বের নথির এই বিশেষ সংশোধনী প্রক্রিয়া (Special Intensive Revision) আজ এক আতঙ্কে পরিণত হয়েছে। ভারতের কোটি কোটি সাধারণ মানুষ, যারা জীবিকার তাগিদে স্থান পরিবর্তন করেন বা যাদের পূর্বপুরুষদের নথিতে বানানের ভিন্নতা রয়েছে, তারা আজ এই যান্ত্রিক ফিল্টারের শিকার।
    প্রশাসনিক এই চালে বা চালিয়াতিতে প্রযুক্তিকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করা হচ্ছে যাতে তা বর্জনমূলক (Exclusive) হয়। সামান্য নামের বানান বা বয়সের পার্থক্যকে "ডিস্ক্রিপেন্সি" হিসেবে চিহ্নিত করে মানুষকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে একজন প্রকৃত নাগরিক রাতারাতি রাষ্ট্রহীন হওয়ার আশঙ্কায় দিন কাটাচ্ছেন। এটি কোনো ভুল নয়, বরং প্রযুক্তির মোড়কে একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র।
    আমাদের দেশে নামের বানান বা ঠিকানার সামান্য বিচ্যুতি একটি সাধারণ বাস্তবতা। কিন্তু প্রযুক্তির কাছে এই সামান্য বিচ্যুতিই হয়ে উঠছে ‘লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি’ বা যৌক্তিক অসামঞ্জস্য। এই নিরস যুক্তি প্রয়োগের ফলে একজন ভূমিপুত্র রাতারাতি নিজের দেশে পরবাসী হয়ে পড়ার উপক্রম হচ্ছে।
     
    ৪. লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সি ও মানবিকতার পরাজয়
     
    যুক্তি যখন কেবল শুষ্ক গাণিতিক সমীকরণে সীমাবদ্ধ থাকে, তখন তা আর ন্যায়বিচার করতে পারে না। মানুষের জীবনে আবেগ, পারিপার্শ্বিকতা এবং সামাজিক বাস্তবতা থাকে। AI বা যান্ত্রিক সিস্টেমের সেই "জৈব রসায়ন" নেই যা দিয়ে সে বুঝবে যে একজন ভূমিহীন শ্রমিকের নথিতে কেন অসামঞ্জস্য থাকতে পারে। শিক্ষিত আধিকারিকরা যখন এই অভাবটি অনুধাবন না করে কেবল ওপরতলার নির্দেশ পালনে ব্যস্ত থাকেন, তখন তা এক অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। এই যান্ত্রিকতা মানুষকে মানুষ হিসেবে নয়, কেবল কিছু ডেটা পয়েন্ট হিসেবে বিচার করে।
     
    ৫. বিচারবিভাগের হস্তক্ষেপ: অন্ধকারের মধ্যে আলোর দিশা
     
    এই চরম অরাজকতা ও "তুঘলকি কাণ্ড" যখন সাধারণ মানুষের জীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে, তখন ভারতবর্ষের মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট রক্ষাকর্তা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন। আদালত বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছে যে:
    শুধুমাত্র নথির সামান্য ভুল বা যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে একজন মানুষের মৌলিক অধিকার এবং নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া যায় না।
    প্রযুক্তি মানুষের জন্য, মানুষ প্রযুক্তির জন্য নয়।
    সুপ্রিম কোর্টের এই কঠোর অবস্থান প্রমাণ করে যে, প্রযুক্তির চেয়ে মানবিক ন্যায়বিচার অনেক বেশি শক্তিশালী। বিচার বিভাগ এই যান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার গালে এক চপেটাঘাত করে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।
     
    ৬. বিচারবিভাগীয় হস্তক্ষেপ: যান্ত্রিক একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে আইনি ঢাল
    ভারতবর্ষের সুপ্রিম কোর্ট বিভিন্ন সময়ে স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, প্রশাসনের "শিক্ষিত অশিক্ষিত" কর্মকর্তাদের যান্ত্রিক গোঁড়ামি সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার হরণ করতে পারে না। 
     
    এই প্রসঙ্গে নিচের পয়েন্টগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
     
    নথির তুচ্ছ ভুল বনাম নাগরিকত্ব (Minor Discrepancies):
     
    সুপ্রিম কোর্ট তার বিভিন্ন রায়ে (যেমন- রাজু বনাম ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া বা অসমের এনআরসি সংক্রান্ত পর্যবেক্ষণ) বারবার বলেছে যে, ভারতের মতো দেশে নামের বানানে সামান্য হেরফের, পদবি ব্যবহারে বৈচিত্র্য বা বয়সের কিছু পার্থক্য থাকা অত্যন্ত স্বাভাবিক। কেবল নথিতে 'A' এর বদলে 'E' থাকার কারণে কাউকে 'বিদেশি' বা 'অনুপ্রবেশকারী' ঘোষণা করা একটি তুঘলকি কাণ্ড। আদালত স্পষ্ট করেছে যে, কর্মকর্তাদের উচিত তথ্যের "সারমর্ম" দেখা, যান্ত্রিক অক্ষরের গরমিল নয়।
     
    প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা স্বীকার:
     
    আদালত লক্ষ্য করেছে যে, অনেক সময় ডিজিটাল পোর্টাল বা সফটওয়্যারে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ডেটা এন্ট্রি হয় না বা ভুল দেখায়। এর ফলে নাগরিকদের যে দুর্ভোগ হয়, তাকে সুপ্রিম কোর্ট "প্রশাসনিক নিপীড়ন" হিসেবে গণ্য করেছে। আদালত নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রযুক্তির ভুলের মাশুল কোনোভাবেই সাধারণ নাগরিককে দিতে হবে না।
    কর্মকর্তাদের মনে রাখা উচিত, তারা সংবিধানের কাছে দায়বদ্ধ, কোনো সফটওয়্যারের কাছে নয়।
     
    ভোটার তালিকা থেকে নাম কাটার কড়া হুঁশিয়ারি:
     
    নির্বাচন কমিশনের 'Special Intensive Revision' প্রক্রিয়ায় যখন গণহারে নাম কাটার অভিযোগ ওঠে, তখন আদালত কঠোরভাবে জানায় যে, "Right to Vote" বা ভোটাধিকার একটি সাংবিধানিক অধিকারের সমতুল্য। পর্যাপ্ত কারণ দর্শানোর সুযোগ (Opportunity of being heard) না দিয়ে এবং কেবল যান্ত্রিক ফিল্টারিংয়ের মাধ্যমে নাম বাদ দেওয়া অসাংবিধানিক। সুপ্রিম কোর্ট এখানে 'মানবিক বিবেক' প্রয়োগ করে নির্দেশ দিয়েছে যে, প্রতিটি নাগরিকের তথ্য পরিবর্তনের আগে তাকে সশরীরে উপস্থিত হওয়ার এবং আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।
     
    শিক্ষিত আধিকারিকদের প্রতি সতর্কবার্তা:
     
    আদালত অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে যে, সরকারি আধিকারিকরা যখন যন্ত্রের মতো সংবেদনহীন আচরণ করেন, তখন তারা তাদের সাংবিধানিক শপথ ভঙ্গ করেন। সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান এটাই যে—প্রশাসন যদি প্রযুক্তির দোহাই দিয়ে কাউকে ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত করে, তবে আদালত তার অন্তর্নিহিত ক্ষমতা ব্যবহার করে সেই যান্ত্রিক সিদ্ধান্ত বাতিল করে দেবে।
     
    ৭. উপসংহার: মানবিক জৈব রসায়নের জয়
     
    ভারতবর্ষের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ডিজিটাল ডাটাবেস কখনোই শেষ কথা হতে পারে না। শাসক এবং তাদের অনুগত শিক্ষিত আমলারা যখন প্রযুক্তিকে একটি ভয়ের হাতিয়ারে পরিণত করেন, তখন সুপ্রিম কোর্টের এই অবস্থানই সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়ায়। মানুষের রক্ত-মাংসের সম্পর্ক, তার বংশপরম্পরা এবং তার অস্তিত্বের প্রমাণ কোনো "নির্জীব অ্যালগরিদম" দিতে পারে না।
    এই লড়াই আসলে যান্ত্রিক যুক্তি বনাম প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের। এবং সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপে এটি স্পষ্ট যে, কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য কোনো অশিক্ষিত বা বিবেকহীন যান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর ছেড়ে দেওয়া হবে না।
     
    যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাইরেও একটি উল্লেখযোগ্য লক্ষণীয় প্রক্রিয়া —- যে রাজনৈতিক দলগুলো কথায় কথায় আদালতে আসেন কিন্তু এই সময়ে মানুষের অস্তিত্বের চরম সংকটে একটি মাত্র রাজনৈতিক দল ছাড়া কোনো দল আসেনি দেশের সর্বোচ্চ আদালতের কাছে SIR নিয়ে ন্যায় বিচার চাইতে — প্রমাণিত হলো যন্ত্র বিবেকহীন হতে পারে, তৎসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোও বিবেকহীন হয়ে অন্ধকূপে ঢুকে পড়ে ক্ষুদ্র স্বার্থে। 
     
    এই অন্ধকূপে, ক্ষুদ্র স্বার্থপর রাজনৈতিক ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে, দলগুলো স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছে। প্রকৃত অর্থে এরা মানুষের সংকট তারিয়ে উপভোগ করতে দ্বিধা করে না, যদি না তারা রাজ্যে ক্ষমতার আসনে থাকে। অত্যন্ত নিম্নমানের রাজনীতি।
     
    সাধারণ মানুষের গভীর সংকটময় মুহূর্তেও এই রাজনৈতিক দলগুলো মজা দেখে, অপেক্ষা করে, নাগরিকত্ব বাতিলের জালিয়াতি সমর্থন করে এবং তারা ভাবে এই পথেই গদি উল্টে যাবে, সহজেই তারা ক্ষমতায় আসাবে !! মজা দেখা ও অপেক্ষা করাই তাদের রাজনীতির নৈতিকতা নামে চিত্রায়িত!!
     
    রাজ্যে বিরোধী দলগুলোর রাজনীতির এই চিত্রটি এমন এক সময়ের বাস্তবতাকে তুলে ধরলো যা আগামী দিনের রাজনীতিতে তাদের মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতিকে আরও হাস্যকর করে তুলবে।
     
    —- শংকর ভট্টাচার্য ✍️ ২৩/০১/২৬

    #DigitalDictatorship #CitizenshipRights #SupremeCourtOfIndia #HumanVsMachine #SpecialIntensiveRevision #JusticeForCommonMan
    #SabitaEunoiaworldviews 
    —---
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন