এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কর্ণ এক অস্তিত্বের রথচক্র 

    albert banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১১ জানুয়ারি ২০২৬ | ৮৭ বার পঠিত
  • কর্ণ এক অস্তিত্বের রথচক্র

    আলবার্ট সিরাজ ব্যানার্জি

    (একটি প্রাচীন স্মৃতির ঘূর্ণিপাকে, ধূলিধূসরিত মাঠের প্রান্তে দাঁড়িয়ে, আমি। রথচক্রের শব্দ এখনো কানে, কিন্তু তা দূরাগত পায়ের পাতার শব্দের মতো, কখনো আসে কখনো যায়। আকাশে চিলের ডাক। মনে পড়ে, স্বর্ণকবচের ভার, সেই অভিশাপ, যেন মাথার খুলির ভিতরে শঙ্খের ধ্বনি।)

    সূর্য। সর্বদা সূর্য। অস্ত যায় না, কখনো অস্ত যায় না, শুধু ঘুরে ফিরে আসে পুবে, পশ্চিমে, আবার পুবে, সময়ের কাঁটার মতো নয়, বরং একই জায়গায় স্থির এক তাপ, এক আলো, যা রেখে যায় কালো ছায়া, আমার মতো। আমার চর্ম, স্বর্ণের মতো জ্বলজ্বলে, কিন্তু ভিতরে? ভিতরে কী? কুম্ভকারের চাকায় ঘূর্ণ্যমান মাটির দানার মতো, কখনো জমে ওঠে, কখনো ভেঙে পড়ে।

    নদীর ধারে সেইদিন। জল চিকচিক করছে, নিচে পাথরগুলো মসৃণ, কালো। হাত দুটি জলে ডুবিয়ে রাখি। ঠাণ্ডা। কিন্তু ঠাণ্ডাটা ভেদ করে না। কখনো কি ভেদ করেছে? সেদিনও, যখন সে, রথের সারথি, এসে দাঁড়ালো, চোখ দুটি বিশাল, গভীর, শান্ত, কিন্তু শান্তির নিচে স্রোত, ভয়ঙ্কর স্রোত, যেখানে ডুবে যাওয়া সহজ। কথা বললো। কণ্ঠে মধু, কিন্তু মধুর নিচে বিস্বাদ তিক্ততা, যে তিক্ততা আমি তখন চেখে দেখিনি, শুধু শুনেছি শব্দগুলো, শব্দের মোহনায় জড়ানো যুক্তির জাল।

    “তোমার জন্ম”, বললো সে, “কোনো সাধারণ জন্ম নয়। তোমার রক্তে রাজার রক্ত, কিন্তু তা অস্বীকৃত। তোমার গলায় হার, কিন্তু তা অদৃশ্য। তুমি দানবীর, কিন্তু তোমার দানের ফল ভোগ করবে অন্য কেউ। তুমি যোদ্ধা, কিন্তু তোমার যুদ্ধের ফল নির্ধারিত।”

    আমি শুনেছিলাম। সূর্য তখন মাথার উপর, তীব্র। আমার বর্ম জ্বলছিল। আমি বলেছিলাম, “কিন্তু আমি বন্ধুত্ব দিয়েছি। শপথ নিয়েছি। সে শপথ ভঙ্গ করা যায় না।”

    সে হেসেছিল। না, হাসি ছিল না, ঠোঁটের কোণে একটু টান, যেন শব্দের দ্বারা বেঁধে ফেলছে আমাকে। “শপথ? শপথ কি জন্মের চেয়ে বড়? ধর্ম কি পরিস্থিতির ঊর্ধ্বে? দেখো, সময় এসেছে। সময় সবকিছু পাল্টে দেয়। সূর্য ওঠে, সূর্য অস্ত যায়, কিন্তু পথ বদলায় না। তুমি পথ বদলাতে পারো।”

    কিন্তু আমি পারিনি। পারিনি। কেন? কেন? এখনো সেই প্রশ্ন। রাতের বেলা, যখন বাতাসে ভেসে আসে আহত ঘোড়ার হ্রেষাধ্বনি, আর ধনুকের ছিলার শব্দ, তখন মনে হয়, হয়তো শপথের কারণ নয়। হয়তো... অহংকার? না, অহংকার নয়। হয়তো... শুধুই ক্লান্তি। হ্যাঁ, ক্লান্তি। শুরু থেকেই ক্লান্ত। সূর্য আমাকে শক্তি দিয়েছে, কিন্তু সেই শক্তির ভার বহন করতে করতে ক্লান্ত। গুরু দেবতাকে দান করলাম, কিন্তু দানের পর যে শূন্যতা, তা পূরণ হয়নি। মা এসে বললেন, “তুমি আমার পুত্র।” কিন্তু সেই কথায় কি বদলায়? বছরগুলো তো ফিরে আসে না। বালির মধ্যে দিয়ে যাওয়া নদীর মতো, শুধু এগিয়ে যায়, শুকিয়ে যায়।

    সে, সারথি, বলেছিল, “তোমার মা তোমাকে চান। তোমার ভাইয়েরা তোমাকে চান।”

    আমি বলেছিলাম, “আমার ভাই? কারা আমার ভাই? যারা আমাকে যুদ্ধে আহ্বান করে, নাকি যারা আমাকে শিশুকালে নদীতে ভাসিয়ে দিয়েছিল?”

    “একই,” বললো সে, সহজভাবে, যেন সব পরিষ্কার। “জন্ম ও কর্ম আলাদা নয়। তারা একসূত্রে গাথা। তুমি যে নদীতে ভাসেছিলে, সেই নদীতেই তোমার জন্ম। তুমি যে মাকে চিনতে পারনি, তিনিই তোমাকে জন্ম দিয়েছেন। তুমি যে সূর্যকে পূজা করো, সেই সূর্য তোমার পিতা। সব মিলিয়েছে। শুধু তোমার চোখ খুলতে হবে।”

    কিন্তু চোখ খুললে কী দেখব? দেখব এক বিশাল মাঠ, যেখানে হাজারো রথ, হাজারো হাতি, হাজারো পা ধূলিতে মাখা। দেখব এক বৃদ্ধ, শুকিয়ে যাওয়া গাল, যিনি আমাকে অস্ত্র শিখিয়েও শেষ পর্যন্ত আমাকে প্রত্যাখ্যান করেন। দেখব এক যুবরাজ, সুন্দর, গর্বিত, যার সাথে আমার প্রতিদ্বন্দ্বিতা, কিন্তু যার প্রতি আমার ভালোবাসা, এক অদ্ভুত, অবোধ ভালোবাসা, যেন সে আমারই আরেক রূপ, যে রূপ আমি হতে পারতাম। দেখব এক নারী, কাঁদছেন, কিন্তু তার চোখের জলেও রাজনীতি, দূরত্ব। আর দেখব তাকে, সারথিকে, যে চক্র নিয়ে খেলে, যার হাসির মধ্যে শতযুগের পরিকল্পনা লুকানো।

    “তুমি কী চাও?” আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম।

    “চাই? আমি কিছু চাই না। আমি শুধু দেখাই। পথ দেখাই। পথ অনেকগুলো। একটিতে তুমি রাজা হবে। অন্যটিতে... অন্যটিতে তুমি মহান হবে। কিন্তু মরণ হবে।”

    “মহান? মরণের পর কী থাকে? নাম? যশ?”

    “নাম?” সে হেসেছিল, “নাম কি গুরুত্বপূর্ণ? তুমি কি নামে পরিচিত হতে চাও, নাকি কর্মে? দেখ, যারা নাম কুড়ায়, তারা ইতিহাসের পাতায় থাকে। কিন্তু যারা নাম বিসর্জন দেয়, তারা প্রবাহে মিশে যায়। সাগরে গিয়ে পড়া নদীর মতো। তুমি কী চাও?”

    আমি চুপ করে রইলাম। সূর্য পশ্চিমে হেলে পড়ছিল। আমার ছায়া লম্বা হয়ে পড়ে ছিল ধূলিতে, এক বিকৃত আকৃতি, যেন আমি নিজেই নই, অন্য কেউ।

    আর এখন, এখানে, এই মাঠে, আমার রথ ভেঙে পড়েছে। চাকা ঘুরছে বাতাসে। ঘোড়াগুলো মৃত, তাদের চোখে জমাট বাঁধা ভয়। আমার ধনুকের ছিলা ছিঁড়ে গেছে। বর্মে ফাটল। আর সেই... স্বর্ণকবচ? স্বর্ণকবচ তো ছিল না। সেদিনই দান করেছিলাম। দান করে কী পেলাম? এক শাপ। শাপ যে কথা দেয়, সেই কথা ভঙ্গ হয়। সে বলেছিল, “ব্রাহ্মণ তোমাকে ধন্যবাদ দেবে।” কিন্তু ব্রাহ্মণ কে? যে এলো, সে কি ব্রাহ্মণ? না, সে ছিল স্বয়ং, অন্য রূপে। ছলনা। সব ছলনা।

    তারপর সেই শেষ মুহূর্ত। সে আবার এলো। রথ থামলো না, সে লাফিয়ে নেমে এলো, ধূলি উড়লো, তার পায়ে লাগলো না। সে আমার কাছে এসে দাঁড়ালো। আমি তখন মাটিতে, পিঠে আঘাত, শ্বাস নিতে কষ্ট। আকাশে শকুনেরা চক্রাকারে ঘুরছে।

    “এখন বুঝতে পারছো?” বললো সে।

    আমি কিছু বলতে পারিনি। শুধু তাকিয়ে রইলাম।

    “তোমার জীবন,” বললো সে, “তোমার পছন্দ ছিল না। কিন্তু তুমি তা মেনে নিয়েছো। এটাই তোমার মহানত্ব। তুমি দানবীর। শেষ পর্যন্তও দান করে গেলে। তোমার জীবনটাই দান।”

    “কিসের বিনিময়ে?” আমি ফিসফিস করে বললাম।

    “বিনিময়? বিনিময় কী জিনিস? দান যদি বিনিময় চায়, তবে তা দান নয়, বাণিজ্য। তুমি বাণিজ্য করোনি। তুমি দিয়েছ। আর আমি... আমি শুধু দেখিয়েছি। পথ দেখিয়েছি।”

    “কোন পথ?”

    “যে পথে তুমি আজ মরবে। আর যে পথে তুমি চিরকাল বেঁচে থাকবে। মরণই তো শুরু। দেখো, সূর্য অস্ত যাচ্ছে। কিন্তু কাল আবার উঠবে। নতুন নামে। নতুন রূপে। তুমিও তেমনি।”

    তারপর সে হাত বাড়ালো। আমি ভেবেছিলাম, আমাকে তুলে নেবে। কিন্তু না। সে শুধু আমার কপাল স্পর্শ করলো। একটু ঠাণ্ডা, খুব ঠাণ্ডা স্পর্শ। তারপর সে চলে গেল। আমি শুনতে পেলাম রথের শব্দ দূরে সরে যাচ্ছে।

    আর এখন? এখন শুধু অপেক্ষা। কিন্তু কিসের অপেক্ষা? মরণের? মরণ তো এসে গেছে। আমি অনুভব করছি, শরীর ঠাণ্ডা হয়ে আসছে। কিন্তু মনে হচ্ছে, আমি উঠে দাঁড়াতে পারি। হাঁটতে পারি। কিন্তু কোথায় যাব? সেই নদীর ধারে? সেই গুরুগৃহে? সেই সভায়, যেখানে আমাকে অপমান করা হয়েছিল?

    না। যাব না। শুধু থাকব। এই ধূলিতেই। সূর্য আবার উঠবে। আমার চোখে পড়বে আলো। কিন্তু আমি কি দেখব? হয়তো দেখব, সে, সারথি, আবার কারো রথে চড়ে এসেছে। নতুন যুদ্ধ। নতুন মাঠ। নতুন নামহীন মুখ। আর সে বলবে, “দেখো, পথ অনেকগুলো। বেছে নাও।”

    কিন্তু বেছে নেওয়া... বেছে নেওয়া কি আমার পক্ষে ছিল? শুরু থেকেই তো সব ঠিক করা। জন্ম থেকে। মা আমাকে ভাসিয়ে দিলেন। সারথি আমাকে দীক্ষা দিলেন। গুরু আমাকে দান করতে শিখালেন। আর সে, সারথি, আমাকে বন্ধুত্ব দিলো, শপথ নেওয়ালো, শেষ পর্যন্ত আমাকে সেই শপথের মধ্যেই আবদ্ধ রাখলো।

    ছলনা। সব ছলনা। কিন্তু এমন ছলনা, যে ছলনা সত্যের চেয়েও বড়। এমন মিথ্যা, যে মিথ্যা ধর্মের চেয়েও সুন্দর।

    আকাশ গাঢ় লাল। পাখিরা ফিরে যাচ্ছে। বাতাসে গন্ধ, রক্তের, ধূলির, দূরের একটি নদীর।

    হয়তো সব ঠিকই হয়েছে। হয়তো আমিই রাজা হতে পারতাম। তার ভাগ্নে-পুত্র। কিন্তু ভাগ্নে হয়ে কী হবে? সে যে স্বয়ং, তার পরিবার, তার রক্ত, সবই তো এক খেলার অংশ। আমি হতাম আরেকটি ঘুঁটি। এখনো আমি ঘুঁটি। কিন্তু ঘুঁটি হয়েও আমি চাল চেলেছি, যে চালে সবাই অবাক।

    দেখি, আমার হাত। তীরের আঘাতে ক্ষতবিক্ষত। কিন্তু এই হাত দিয়েই আমি দান করেছি। এই হাত দিয়েই আমি শপথ নিয়েছি। এই হাতেই শেষ পর্যন্ত ধরা ছিল ধনুক। এখনো মনে হয়, আমি ধনুক ধরতে পারি। কিন্তু ধনুক নেই। শুধু ধূলি। ধূলি আর স্মৃতি।

    সে বলেছিল, “কাল সব বদলে যাবে।” কিন্তু কাল আসে না। কাল শুধু আজকেরই আরেক নাম। আজই কাল। কালই আজ। আমি সেই শিশু, নদীতে ভাসা। আমি সেই যুবক, গুরুগৃহে অস্ত্র শেখা। আমি সেই দানবীর, স্বর্ণ দান করছি। আমি সেই যোদ্ধা, মাঠে দাঁড়িয়ে। আমি এই মৃতদেহ, ধূলিতে লুণ্ঠিত।

    আর সে? সে সবখানে। সে শুরু, সে শেষ। সে পথ, সে পথিক। সে ছলনা, সে সত্য।

    ক্লান্তি। প্রচণ্ড ক্লান্তি। চোখ বুঝে আসে। হয়তো এবার ঘুম। না, ঘুম নয়। শুধু বন্ধ। আলো নিভে যায়। শেষ দৃশ্য: এক জ্যোতির্ময় রথ, আকাশে উঠছে, আর তাতে সে, সারথি, হাসছে, আর বলছে, “দেখলি তো? সবই খেলা। আর তুই ছিলি আমার প্রিয় খেলোয়াড়।”

    প্রিয়? প্রিয় কি জিনিস? শব্দ। শুধু শব্দ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • albert banerjee | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:৩২737810
  • হয়তো আবার পরে আসবে। 
  • Falguni Banerjee | ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:৫৯737812
  • অপেক্ষায় রইলাম
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন