এই সাইটটি 37,602,014 বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  আলোচনা   সমাজ

  • নয়া বাংলাস্তান(১)

    দীপ
    আলোচনা | সমাজ | ০৬ ডিসেম্বর ২০২৪ | ১২৭৬ বার পঠিত
  • বাংলাদেশের বিপ্লব(!!!) ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করলেন তসলিমা নাসরিন। যদি এসব পড়ে পশ্চিমবঙ্গের মহাবিপ্লবীদের সামান্য কাণ্ডজ্ঞান আসে, সেই আশায় লেখাগুলো দিলাম। অবশ্য এরপরও একশ্রেণীর বিপ্লবী(!!!) এগুলো অস্বীকার করবে, কেউ বা ইতরের মতো রসিকতা করবে!
    লেখিকা দীর্ঘদিন ধরেই এই মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লেখালেখি করছেন, আমাদের সজাগ করার চেষ্টা করছেন! আর আমরা তাঁর ব‌ই নিষিদ্ধ করে তাঁকে কলকাতা থেকে তাড়িয়েছি! মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে লড়াই করে এই পাপের প্রায়শ্চিত্ত আমাদের করতে হবে!
    লেখিকাকে সশ্রদ্ধ নমস্কার!
     
    (১)
     
    ছদ্মবেশী বিপ্লব কী রকম হয়, আগে জানিনি, এবার জানা হলো। 
     
    জিহাদি-চাষ কী করে হয়, কী করে জিহাদিতে দেশ গিজগিজ করে, জানা ছিল না, এবার জানা হলো। 
     
    জিহাদিরা বাংলাদেশের মাটিতে কী করে মিছিল করে, নারায়ে তাকবির স্লোগান দেয়, আর তাদের কালিমা লেখা পতাকা ওড়ায়, আগে দেখা হয়নি, এবার দেখা হলো। 
     
    জিহাদিরা কী করে রাষ্ট্রের উপদেষ্টা হয়, শপথ নেয়, প্রেস কনফারেন্স করে, জংগীদের জেল থেকে মুক্তি দেয়, আগে দেখিনি, এবার দেখা হলো। 
     
    জিহাদিরা কী করে পুলিশ খুন করে, ছদ্মবেশে ছাত্র খুন করে, কী করে ভাস্কর্য ভাঙ্গে, জাদুঘর পোড়ায়, হিন্দুদের বাড়িঘর লুঠ করে, আগুন দেয়, তাদের সমাবেশ নষ্ট করে, নেতাকে গ্রেফতার করে, কী করে মাজার গুঁড়ো করে, কী করে লালন মেলা, বাউল উৎসব বন্ধ করে, কী করে কাওয়ালী গায়, কী করে মুসলমান আইনজীবিকে খুন করে হিন্দুদের ওপর দোষ চাপায়, আগে জানা ছিল না, এবার জানা হলো।  
     
    জিহাদিরা কী করে বিরোধী দলের লোকদের মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, কী করে তাদের খুন করে, হত্যা মামলার আসামী করে, জানা ছিল না। কী করে গণতন্ত্রের গলা টিপে মারে, বন্ধুরাষ্ট্র ভারতকে শত্রুরাষ্ট্র ঘোষণা করে, আগে আইডিয়া ছিল না, এবার হলো। 
     
    জিহাদিরা কী করে মাইকে ঘোষণা করে মেয়েদের দোকানপাটে প্রবেশ নিষেধ, তা আগে দেখিনি, এবার দেখা হলো।
     
    (২)
     
    যে ভারতের ১৭ হাজার সৈন্য মারা গিয়েছিল বাংলাদেশকে তার শত্রু পাকিস্তানের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে, সেই মিত্র-ভারত নাকি আজ শত্রু। 
    যে ভারত এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছিল, খাইয়েছিল, পরিয়েছিল, সে ভারত নাকি আজ শত্রু। 
     
    যে ভারত মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র দিয়েছে, অস্ত্র চালনা শিখিয়েছে পাকিস্তানী সেনাদের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্য, সেই ভারত নাকি আজ শত্রু। 
     
    আর যে পাকিস্তান দেশের ৩০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিল, ২ লক্ষ মেয়েকে ধর্ষণ করেছিল, সেই পাকিস্তান নাকি আজ বন্ধু দেশ। 
     
    যে পাকিস্তান জঙ্গি উৎপাদনে এক নম্বরে, সেই পাকিস্তান নাকি আজ বন্ধু।   
     
    যে পাকিস্তান আজ অবধি একাত্তরের নৃশংসতার জন্য বাংলাদেশের কাছে ক্ষমা চায়নি, সেই পাকিস্তান নাকি আজ বন্ধু রাষ্ট্র!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • দীপ | 42.***.*** | ০৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৭:৫৫744379
  • "বাংলার মানুষ কখনোই বাঙলাতেই বহিরাগত হইতে পারে না।
    ১৯৪৬ সালে কলকাতা ও নোয়াখালীতে নিরপরাধ, নিরস্ত্র মুসলমানদের উপর নারকীয় অত্যাচার চালানোর মাধ্যমে হিন্দুত্বসন্ত্রাসীরা পূর্ববাংলার মূল ভূখণ্ড থেকে পশ্চিমবাংলাকে আলাদা কইরা দিল্লির গোলামে পরিণত করেসিল।
     
    কিন্তু, দুই বাংলার মুসলমানদের নির্ভীক চরিত্র ও দৃঢ় ঈমান কখনোই মাথা নোয়ায় নাই মুশরিকদের সামনে। ইসলামিক জমীনের এই হিন্দুসাম্প্রদায়িক বিভাজনকে কখনোই মাইনা লয় নাই দুই পারের মুসলমানরা।
     
    আজ পূবের স্বাধীন মুসলিমবঙ্গ থেকে সাহসী মুসলমানরা হিন্দুত্বসন্ত্রাসের চোখে চোখ রেখে যাইতেসেন পশ্চিমবঙ্গে এবং পুরা ইন্ডিয়ায়।
    কাঁটাতার, মুশরিক ইন্ডিয়ান BSF এর গুলিবারুদ, ইন্ডিয়ান পুলিশ, গোয়েন্দা, প্রশাসন সকলে মিলে সেই নির্ভীক মুজাহিদদের আটকানোর শত চেষ্টা কইরাও বিফল হইতেসে।
     
    অখণ্ড বাংলা-সালতানেত আবারও কাফেরদের অন্যায্য দখল থেকে মুক্ত কইরা ফিরায়ে লইবে মুসলমানরা, ইনশাল্লাহ্।"
     
    জনৈক বাংলাদেশী ছাগুর ইতিহাসচর্চা!
  • দীপ | 42.***.*** | ০৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৭:৫৮744380
  • তবে পশ্চিমবঙ্গেও এদের সহযোগীদের অভাব নেই!
  • দীপ | 2402:3a80:196c:1072:778:5634:1232:***:*** | ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ ১১:১৭744394
  • আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
    নষ্টদের দানবমুঠোতে ধরা পড়বে মানবিক
    সব সংঘ-পরিষদ; চলে যাবে, অত্যন্ত উল্লাসে
    চ’লে যাবে এই সমাজ-সভ্যতা-সমস্ত দলিল
    নষ্টদের অধিকারে ধুয়েমুছে, যে-রকম রাষ্ট্র
    আর রাষ্ট্রযন্ত্র দিকে দিকে চলে গেছে নষ্টদের
    অধিকারে। চ’লে যাবে শহর বন্দর ধানক্ষেত
    কালো মেঘ লাল শাড়ি শাদা চাঁদ পাখির পালক
    মন্দির মসজিদ গির্জা সিনেগগ পবিত্র প্যাগোডা।
    অস্ত্র আর গণতন্ত্র চ’লে গেছে, জনতাও যাবে;
    চাষার সমস্ত স্বপ্ন আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে একদিন
    সাধের সমাজতন্ত্রও নষ্টদের অধিকারে যাবে।
     
    আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
    কড়কড়ে রৌদ্র আর গোলগাল পূর্ণিমার চাঁদ
    নদীরে পাগল করা ভাটিয়ালি খড়ের গম্বুজ
    শ্রাবণের সব বৃষ্টি নষ্টদের অধিকারে যাবে।
    রবীন্দ্রনাথের সব জ্যোৎস্না আর রবিশংকরের
    সমস্ত আলাপ হৃদয়স্পন্দন গাথা ঠোঁটের আঙুর
    ঘাইহরিণীর মাংসের চিৎকার মাঠের রাখাল
    কাশবন একদিন নষ্টদের অধিকারে যাবে।
    চলে যাবে সেই সব উপকথাঃ সৌন্দর্য-প্রতিভা-মেধা;
    এমনকি উন্মাদ ও নির্বোধদের প্রিয় অমরতা
    নির্বাধ আর উন্মাদদের ভয়ানক কষ্ট দিয়ে
    অত্যন্ত উল্লাসভরে নষ্টদের অধিকারে যাবে।
     
    আমি জানি সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে।
    সবচে সুন্দর মেয়ে দুইহাতে টেনে সারারাত
    চুষবে নষ্টের লিঙ্গ; লম্পটের অশ্লীল উরুতে
    গাঁথা থাকবে অপার্থিব সৌন্দর্যের দেবী। চ’লে যাবে,
    কিশোরীরা চ’লে যাবে, আমাদের তীব্র প্রেমিকারা
    ওষ্ঠ আর আলিঙ্গন ঘৃণা ক’রে চ’লে যাবে, নষ্টদের
    উপপত্নী হবে। এই সব গ্রন্থ শ্লোক মুদ্রাযন্ত্র
    শিশির বেহালা ধান রাজনীতি দোয়েলের স্বর
    গদ্য পদ্য আমার সমস্ত ছাত্রী মার্ক্স-লেনিন,
    আর বাঙলার বনের মত আমার শ্যামল কন্যা-
    রাহুগ্রস্ত সভ্যতার অবশিষ্ট সামান্য আলোক
    আমি জানি তারা সব নষ্টদের অধিকারে যাবে।
     
    --- হুমায়ুন আজাদ
     
    সত্যদ্রষ্টা কবিকে সশ্রদ্ধ প্রণাম!
  • দীপ | 42.***.*** | ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:১৪744402
  • লেখাটি তিনবছর আগের। বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির প্রমাণ!
  • দীপ | 42.***.*** | ১৭ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:১৫744403
  • খুব ভয়ংকর সময়ে চলে এসেছে বাংলাদেশ। 
    আজকের ঘটনা বলি।
    আমি রামপুরা থেকে এয়ারপোর্টে যাচ্ছিলাম। আমি বাসের পেছনের দিকে বসেছিলাম। বাস রামপুরা ব্রিজ পার হওয়ার পরে বাসের সামনে একটু হইচই হচ্ছে শুনতে পেলাম। একটু খেয়াল করে দেখলাম বাসের সামনের একটি মেয়ে সালোয়ার কামিজ পড়া এবং পাশে কিছু হিজাবি বোরখাওয়ালি ছিল। 
    ওই হিজাবি বোরখাওয়ালিরা সালোয়ার কামিজ পড়া মেয়েটিকে বলছে যে তুমি এই অবস্থায় কেন বাসে এসেছ? তুমি কেন পর্দা করো নাই? তোমার মাথার চুল দেখা যাচ্ছে কেন? 
    মেয়েটি উত্তরে বলল আমি কি পোশাক পরবো সেটা আপনি ঠিক করে দিবেন? আপনি যে পোশাক পড়ে আছেন সেখানে আমার কোন সমস্যা নেই তাহলে আমি কি পড়ছি সেটা নিয়ে আপনার এত মাথাব্যথা কেন? 
    তখন বাসের অন্যান্য ছেলেরা বোরকাওয়ালী দের পক্ষ নিল এবং মেয়েটিকে নানান ভাবে নোংরা কথা বলতে থাকলো।
    এক পর্যায়ে হাতাহাতির পর্যায়ে চলে গেল।
    আমি আমার সিট ছেড়ে সামনে গিয়ে প্রতিবাদ করলাম। 
    কিন্তু এতে বাসের ৫০ ৬০ জন লোক প্রায় সবাই আমার বিরুদ্ধে চলে গেল। ‌ উল্টা আমাকে প্রশ্ন করছে বাসের মধ্যে এতগুলি পুলিশ থাকতে কেউ মেয়েটির পক্ষ নিল না আমি কেন নিলাম? 
    আমি বললাম যে একটি মানুষ কি পোশাক পরবে সেটা নিশ্চয়ই কেউ ঠিক করে দেবে না, আপনার এই মেয়েটিকে একা পেয়ে তার সাথে খারাপ আচরণ করছেন।
    বাসের মাঝখান থেকে একজন বলে বসলো বাংলাদেশে থাকতে হলে হিজাব বোরকা পড়েই থাকতে হবে না হলে যেন ভারতে চলে যায়।‌ আমি বললাম মেয়েটি কেন ভারতে যাবে? তাছাড়া বাংলাদেশ কবে থেকে আফগানিস্তান হয়ে গেল? ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানীদের পিটিয়ে খেদানো হয়েছিল যাতে এই দেশে সব মানুষ থাকতে পারে।
    এরমধ্যে আযানের শব্দ এল। সাথে সাথে বাসের কন্ডাক্টর এবং বোরখাওয়ালিরা বাসের অন্যান্য মানুষকে ডেকে বলল দেখেন দেখেন এই মেয়ে নামাজের সময় মাথায় কাপড় তোলে না, এই মেয়ে কেমন সেটাই বুঝাই যাচ্ছে। 
    আমি প্রতিবাদ করলাম। আযানের শব্দ শুনলে কেন মেয়েটিকে মাথায় কাপড় দিতে হবে? তাছাড়া মেয়েটি হিন্দু না মুসলিম সেটা আপনারা জানেন না। তখন বাসার সবাই বলে উঠলো এই দেশে থাকতে হলে সব মেয়েদেরই আজানের সময় মাথায় কাপড় দিতে হবে। আমি বললাম না এটা হবে না এটা হতে দেওয়া যাবে না।
    এই কথা বলার পরে পেছনে লোকজন আরো বেশি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠলো এবং তারা আমাকে নাস্তিক বলতে থাকলো। তারপরে শুরু হলো তুই তোকারি।‌ এরপর কিছু লোক বলল এই নাস্তিককে বাসে থাকতে দেওয়া যাবে না।
    কিন্তু আমিও কাউকে ছাড় দেইনি। ‌ কারণ আমি তখন বের হয়ে গেলে ওরা মেয়েটাকে অপদস্থ করতো। 
    তবে একটা বিষয় খুব ভালো লেগেছে মেয়েটি দমে যায়নি।
    একবার ভাবুন এই ঢাকা শহরেই এমন হচ্ছে তাহলে সারা দেশের অবস্থা কি? 
    আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশের অমুসলিমরাও বোরখা হিজাব ছাড়া বেরোতে পারবে না। আপনি যে ধর্মেরই হন আপনার মা বোন এবং স্ত্রী এখন আর ঢাকায় একা চলাচল করতে পারবে না। 
    এই অবস্থার জন্য করা দায়ী?
    বিগত ১৫ বছর ধরে এই দেশের রাজনীতিতে কারা আছে? 
    এই দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার ইসলামিকরণ কারা করেছে?
    বিগত ১৫ বছরে এই দেশে স্কুল-কলেজ সহ সাধারণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেন বৃদ্ধি পায়নি?
     
    Rezaul Manik
     
     
    লেখাটি তিনবছর আগের। বাংলাদেশের অসামান্য অগ্রগতির প্রমাণ!
  • দীপ | 42.***.*** | ২২ জানুয়ারি ২০২৫ ১৮:৪৩744415
  • এতকাল পর বাংলাদেশে কাজী নজরুল ইসলাম কাগজেকলমে জাতীয় কবি হিসেবে স্বীকৃতি পেলেন। ভাল কথা। কিন্তু বিদ্রোহীকবির এই জাতীয় কবির সম্মানপ্রাপ্তিতে যে সকল বাংলাদেশী খুবই আনন্দিত হচ্ছেন তাদের একাংশ সুযোগ পেলেই রবীন্দ্রনাথের প্রতি বিষোদগার করেন তাদের একটি কথা জানাই, কাজী নজরুল ইসলাম চিরকাল বিশ্বকবিকে নিজের ঈশ্বরের আসনে বসিয়েছেন। এমনকি তিনি নিজে বারংবার বলেছেন আমি যদি জীবনে একটি শব্দও না লিখতাম তাতেও কিছু এসে যেত না কারণ আমাদের মাথার ওপর রবীন্দ্রনাথ রয়েছেন। বিশ্বকবিকে অন্তর থেকে তিনি যে আজীবন শ্রদ্ধা করেছেন, তাঁর অপমানে তিনি কখনও চুপ থাকেননি সেটা কি এই বিষোদগারকারীরা জানেন? রবীন্দ্রনাথকে অপমান করলে তা যে বাংলাদেশের জাতীয়কবিকে অপমান করা হয় সেটা কি তারা বোঝেন? 
     
    লিখেছেন বিনোদ ঘোষাল।
  • দীপ | 42.***.*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১১:৩২744437
  • এই যে আদিবাসীবিদ্বেষী কর্মকাণ্ড দেখতে পাচ্ছেন, দৃশ্যত এইটাই হচ্ছে বর্তমান সরকার, বিগত আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী ও সমর্থক সংগঠন ও ব্যক্তিসমুহ এদের সকলেরই নীতির প্রতিফলন। কেননা উপরে যাদের কথা বললাম ওদের কেউই স্পষ্ট করে বলেননি এখনো যে ওরা এই কাণ্ডটি সমর্থন করেন না বা ওরা আদিবাসী অধিকারের পক্ষে। এইখানে তো অস্পষ্টতার কিছু নাই। আপনারা একসাথে আন্দোলন করেছেন, আন্দোলনের ফলে যে সরকার এসেছে ওদেরকে সমর্থন করছেন। এর মধ্যে কোন বিশেষ কাণ্ড যদি আপনি সমর্থন না করেন তাইলে সেটা মুখ ফুটে বলতে অসুবিধা কি? সেটা বলেন না কেন?
     
    আন্দোলনের সময় আদিবাসী মানুষের সমর্থন পাওয়ার জন্যে খুব করে 'কল্পনা চাকমা কোথায়' শ্লোগান দিলেন, আদিবাসীদের পক্ষে নানারকম কথা বললেন, সকল ধর্ম জাতিসত্বা সকলের ঐক্য ও সমঅধিকারের কথা বললেন। আন্দলন শেষ হওয়ার পর ঝাঁপিয়ে পড়লেন সংখ্যালঘু মানুষের উপর। হিন্দুদের বাড়িঘর ভাঙলেন, মানুষকে মারধোর করলেন, আগুন দিলেন, লুটপাট করলেন। পাহাড়ে আদিবাসীদের উপর হামলা করলেন। রাঙামাটি শহরে ছোট ফুটফুটে ছেলেটাকে মেরে ফেললেন পিটিয়ে। মাজার, বাউল আখড়া এইসব ভাংচুর করতে থাকলেন। আর এখন? একটা বইয়ের শেষ প্রচ্ছদে একটা গ্র্যাফিটির ছবি কথা ছিল যেখানে আদিবাসী শব্দটা মাত্র ছিল, সেটাও তুলে দিলেন। 
     
    শুধু আদিবাসীবিদ্বেষি তো নয়। বেগম রোকেয়ার ছবি বিকৃত করে গালি লিখে দেওয়া, নাওয়াব ফয়জুন্নেসার ছবি বিকৃত করলেন। এইগুলি তো হচ্ছে নারীবিদ্বেষের প্রকাশ আরকি। মানুষের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতার কথা কিছু বললাম না। কেবল মতপার্থক্যের জন্যে কতজন সাংবাদিক জেলে আছে বা মামলা মাথায় নিয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আজকেই দেখলাম আন্দোলনকারীদের গঠিত সংগঠনের মুখ্য নেতা সাংবাদিকদের হুমকি দিয়েছেন, ওদের অপছন্দের কিছু লিখলে সাংবাদিকদের কলম ভেঙে দিবেন। এই নেতা এর আগেও টেলিভিশনের অফিসে গিয়ে ওদের অপছন্দের সাংবাদিকদের লিস্টি দিয়ে ওদেরকে চাকুরিচ্যুত করার নির্দেশ দিয়েছে। 
     
    আদিবাসী তরুণরা তো আপনাদের সাথে একসাথে আন্দোলনেও ছিল। ওরা জানতো যে কোটা হ্রাস বা বিলোপ যাই হোক সেটা ওদের স্বার্থের বিপক্ষে যাবে। তথাপি সেই আন্দোলনে গেছে। কেন গেছে? ওরা গোটা দেশ এবং দেশের সকল মানুষকে নিয়ে ভেবেছে- দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা ভেবেছে। স্বৈরশাসন উৎখাত হলে সকলের জন্যেই ভালো সেটাই ভেবেছে। ওরা তো ভাবেনি যে আন্দোলনের বিজয় লাভের পরেই আপনারা খাগড়াছড়িতে আর রাঙামাটিতে আদিবাসীদের উপর হামলা শুরু করে দিলেন। দাঁড়িয়েছিলেন আপনারা আদিবাসীদের পাশে? দাড়াননি। কেননা হামলাকারী সেটেলাররা আপনাদেরই লোক। 
     
    আদিবাসী শব্দটি সংবিধান বিরোধী কিছু না, বেআইনি কিছু না। আপনি যদি ভেবে থাকেন যে আদিবাসী শব্দটা ব্যবহার করলেই বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব চিলে যাবে, পার্বত্য চট্টগ্রাম আলাদা হয়ে যাবে তাইলে আমি বিনয়ের সাথে বলবো যে আপনি একটি গাধা। জাতিসংঘের ২০০৭ সনের ঘোষণা ও সেই সাথে আইএলওএর কনভেনশনগুলি পড়ে দেখুন, আদিবাসী মানেই হচ্ছে একটি স্বাধীন দেশে সংখ্যালঘু সেইসব জনগোষ্ঠী যাদের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধরণ, নৃতাত্বিক পরিচয় ইত্যাদি সংখ্যাগুরুর চেয়ে ভিন্ন। এর মানে হচ্ছে যে একটি জনগোষ্ঠী যখন বলে যে আমরা আদিবাসী, সে কিন্তু রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও নিজের সংখ্যালঘু অবিস্থান সেটা মেনেই এই দাবী করে। 
     
    শোনেন, আদিবাসী মানুষের ভূমির অধিকার, ভূমি ব্যাবহার ও সকল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধরণ রক্ষা করার অধিকার এইগুলি আজকে দুনিয়াব্যপি স্বীকৃত সার্বজনীন অধিকার। সেই সাথে আছে দেশের সারবভমিত্বের মধ্যেই সীমিত আকারে আত্মনিয়ন্ত্রণের এইসব তো পৃথিবীর প্রায় সকল দেশই এখন স্বীকার করে। আমরা কেন আমাদের আদিবাসী বন্ধুদের প্রতি কলোনাইজারদের মতো আচরণ করবো? আপনি যখন আপনার কোন চাকমা গারো সাঁওতাল মারমা বা ত্রিপুরা বন্ধুর দিকে তাকান, আপনার বুকের মধ্যে কি একটুও গ্লানি আসে না? আপনার কি মনে হয় না যে আমরা আমাদের এই ভাইবোনদের সাথে অন্যায় করছি? মনে হয় না? একটুও লজ্জা পান না? 
     
    লিখলেন ইমতিয়াজ মাহমুদ।
     
    অসামান্য প্রগতিশীল বাংলাদেশ!
  • দীপ | 2402:3a80:198d:c044:778:5634:1232:***:*** | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২১:২৬744461
  • সংবাদকর্মী বন্ধুরা কেউ কি কয়েকটা তথ্য জানাতে পারেন ? অন্য কারো যদি জানা থাকে, জানাবেন।
     
    - সরকারের পক্ষ থেকে একবার জানানো হয়েছিল যে সাম্প্রদায়িক হামলা ও মূর্তি ভাংচুরের জন্যে কিছু মামলা হয়েছে এবং এইসব সাম্প্রদায়িক হামলায় জড়িত থাকার জন্যে সারা দেশে কিছু লোককে গ্রেফতার করা হয়েছিল। মামলাগুলির কি অবস্থা? যাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল তাদের কি অবস্থা? তাদের সবাই কি জামিনে ছাড়া পেয়েছে? 
     
    - অভিনেত্রীদের অনুষ্ঠানে বিঘ্ন ঘটানো এবং অনুষ্ঠান করতে বাধা দেওয়ার জন্যে কি কার বিরুদ্ধে কোন মামলা হয়েছে? কাউকে গ্রেফতার করা হয়েছে? 
     
    - মাজার, কনসার্ট, বাউল গান; এইসবে হামলা করার জন্যে কি কাউকে গ্রেফতার করা হয়ছে? দেশের কোথাও কোন মামলা হয়েছে? সরকার করেছে? পুলিশ করেছে? 
     
    - মতিঝিলে টেক্সটবুক বোর্ডের কাছে আদিবাসী ছেলেমেয়দের উপর যে হামলা হয়েছে সেজন্যে তো হত্যাচেষ্টার মামলা হওয়ার কথা। পুলিশ একটা মামলা করেছে বলে শুনেছি। মামলাটা কিসের মামলা? দুইজন গ্রেফতার ছিল, আর কেউ গ্রেফতার হয়েছে? যাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছিল তারা কি ছাড়া পেয়ে গেছে? 
     
    - রাঙামাটিতে সেটেলাররা অনিক চাকমাকে হত্যা করেছিল প্রকাশ্যে দিনের বেলায়। ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ভিডিও আছে, ঘাতকদেরকে সনাক্ত করা যায়। সেই হত্যাকাণ্ড নিয়ে কি কোন মামলা হয়েছে? গ্রেফতার করা হয়েছে কাউকে? 
     
    শুধু তথ্যগুলি জানতে চাই। মতামত নয়। খবরের কাগজে বা টেলিভিশনে এইসব সংবাদ দেখিনি। 
    অগ্রিম ধন্যবাদ।
     
    বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ইমতিয়াজ মাহমুদ।
     
     
  • দীপ | 42.***.*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৪:৩৫744464
  • শোনো এভাবে হবে না। বাংলাদেশকে রেখে ৩২ নম্বর পুড়িয়ে ভেঙে বিশেষ লাভ হবে না। 

    শহীদ মিনার, স্মৃতিসৌধ ভাঙতে হবে। 

    শিখা চিরন্তন না নেভালে নিয়াজির আত্মসমর্পণের গ্লানি না মুছলে 'মুক্তিযুদ্ধের ফ্যাসিবাদ' কি করে উপড়াবে?

    রায়েরবাজার বধ্যভূমি না ভাঙলে এই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস 'মুক্তিযুদ্ধের ফ্যাসিবাদ' প্রমাণ থেকে যাবেই। 
    টুঙ্গিপাড়া পোড়াও! 
    অপরাজেয় বাংলা ভাঙো!
    রাজুতে আয় বলে লোক জড়ো করে রাজু ভাস্কর্য ভাঙো!

    সবার আগে বাংলাদেশের নাম পূর্ব পাকিস্তান করো।

    তারপরও দেখবি শান্তি নেই মনে! খালি ভয়! 

    হাতে রক্ত! রক্তের গন্ধ! লেডি ম্যাকবেথের মত আতর সুগন্ধি ঢেলেও সে গন্ধ যাবে না। 

    তারপর নিজেরাই ঝুলে পড় ৩২ নম্বরের কোন একটা গাছের ডালে!

    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | 42.***.*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১৯:২৪744465
  • রাখঢাক করা ছাগুরা ইনিয়ে বিনিয়ে বলছে হাসিনা কেন ভারতে বসে ভাষণ দিল, ওতেই নাকি বাবুসোনাদের রাগে মাথা নষ্ট হয়ে যায়, গিয়ে মুজিবের বাড়ি ভেঙে দেয়। এই যদি মবের মুলুকের দশা হয় যে শেখ হাসিনা এপার থেকে দুটো ভাষণ দিলেই ওপারে খোকাখুকুরা ভাঙচুর করবে, তাহলে বলব ভারতের উচিত শেখ হাসিনাকে প্রতি সপ্তাহে ভাষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া। এরকম ৬ মাস চললে সন্টা মনারা ভাঙবার অন্য কিছু না পেয়ে একে অপরের বাড়ি ঘর ভাঙা শুরু করবে। 

    এদের চেয়ে গর্বিত ছাগুরা ভালো, বুক ফুলিয়েই বলছে যে ভেঙেছি বেশ করেছি, মুক্তিযুদ্ধ ব্যাপারটাই ধোঁকা ছিল, পাকিস্তান আমাদের বাবা।
     
     
    লিখলেন পুরন্দর ভাট।
  • দীপ | 2402:3a80:198d:4e0:778:5634:1232:***:*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ২০:০২744467
  • ঘটনাগুলো পরপর সাজালাম। গাজীপুরে সাবেক মন্ত্রী মোজাম্মেলের বাসভবনে হামলা করতে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা গিয়েছিল। তখন ফ্যাসিবাদের পক্ষের স্থানীয়রা ওদের পাল্টা হামলা করে ফেরত পাঠায়। আমরাও আশা করে বসে ছিলাম এখানেও ঘর থেকে খাটপালং আলমারি টেলিভিশন সোফাসেট ব্রা পেনটি নিয়ে বের হয়ে আসবে একেকজন সমন্বয়ক। নারী প্রতিনিধিত্ব মেনে একজন মেয়ে থাকবে যে মোজাম্মেলের স্ত্রী বা ভাড়াটিয়াদের শাড়ি গয়না হাতে সেলফি দিবে। তারপর আগুন দিবে। একপাশে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দাঁড়িয়ে থাকবে।

    কিন্তু গাজীপুরে গৃহস্থ এমন মার দিলে যে লুটপাট তো দূরের কথা জান নিয়ে পালাতে হলো। এখন পুলিশ বলছে, এই হামলাকারীদের আমরা ধরতে সন্ধ্যায় চিরুনি অভিযান চালাবো। ফ্যাসিবাদী আস্তানা গাজীপুরে রাখবো না। একটি শান্তিপূর্ণ হামলা লুটপাট না হওয়ার কারণে আজ সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট ঘোষণা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে অপারেশন সফল হলে আর কেউ শান্তিপূর্ণ হামলা লুটপাটে বাধা দেওয়ার সাহস করবে না।  

    যা ঘটছে নিজেকেই বিশ্বাস করাতে পারছি না! 

    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | 2402:3a80:198b:e1b2:678:5634:1232:***:*** | ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:৩১744468
  • আধুনিক প্রগতিশীল বাংলাদেশ!
     
     
    https://fb.watch/xE31suE_cO/?mibextid=Nif5oz
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি 37,602,017 বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন