এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • শ্লেষ যাদের সম্পদ

    Suvasri Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ অক্টোবর ২০২৪ | ৯৫১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • জিনিসপত্র নিজের হাতে বেছে দেখেশুনে কিনতে আমার ভালো লাগে। আজ অবধি অনলাইন কিছু কিনিনি। কিন্তু অনেকেই আজকাল অনলাইন কেনাকাটা করেন। নজমাআ ডেলিভারির ব্যবস্থা এখন হাতেহাতে। তার ওপর অনলাইন কেনাকাটার বেশিটাই নগদ অর্থ বর্জিত। কড়কড়ে নোটগুলো থেকে যাচ্ছে। যাঁরা অশক্ত শুধু তাঁরা নন, রীতিমতো হাঁটাচলা করার ক্ষমতা আছে তেমন লোকজনের অনেকেও এ দোকান সে দোকান করতে চান না।

    চারপাশ দেখে বুঝি, অনেকে বিশেষ করে সঙ্গতিসম্পন্ন মানুষজন পাড়ার দোকান থেকে এক পয়সারও কেনেন না। তাঁরা অনলাইনে জিনিসপত্র কেনেন বা শপিং মল থেকে। তারপর দারিদ্র্য ও ক্রমবর্ধমান বেকারত্বের জন্য সরকারের মুণ্ডপাত করেন। আগে কেন্দ্র তারপরে রাজ্য সরকারের সমালোচনা দিয়ে মৌখিক আইনসভা শুরু হয়।

    ধাপে ধাপে নিন্দার সুর চড়ে। শেষের দিকে এসে বাঙালি যুবকদের অকর্মণ্য, অপদার্থ, নির্বোধ বলে গালাগালি দেন। এত পরিশ্রম করে তর্কাতর্কি করার পর উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন, গলাও শুকিয়ে যায়। তখন বাঙালি হওয়ার অপরাধ স্খালন করার জন্য ফ্রিজ থেকে একটা ঠান্ডা পানীয় বা স্কচ বার করে পান করে ফেলেন। বরাবরের মতো অনলাইন অর্ডার করে স্কচটা আনানো হয়েছে। ঠান্ডা পানীয়র বিরাট বোতলটা মিসেস পাড়ার বড়সড় মুদীর দোকান থেকে নিয়ে এসেছে। ওঁদের স্ট্যান্ডার্ডের দোকান নয় ওটা, তবুও বাধ্য হয়ে।

    ওঁরা জিরে পর্যন্ত অনলাইন কেনেন বা সুপারমার্কেট থেকে নিয়ে আসেন এবং গর্ব করে সেটা বলেনও! পাড়ার দোকানে আজেবাজে লোকের সঙ্গে দাঁড়িয়ে জিরেমরিচ কেনা যায় নাকি? তাছাড়া গ্রসারির জন্য ঘেমেনেয়ে একশা হওয়ার দরকারটাই বা কি!

    আমাদের পাড়ায় একটি উৎসাহী তরুণ সুস্বাদু খাবারের দোকান খুলেছিল। পাড়ার লোক ধারে খেয়ে খেয়ে দোকানটা উঠিয়ে দিল। যাদের সঙ্গতি আছে তারাও পয়সা দিত না। এমন অনেক ঘটনাই দেখেছি। কাছেই এক দম্পতি ক' দিন রুটি তড়কা করছিল। দারুণ স্বাদ। দলের দাদাদের ভাগে যথেষ্ট যাচ্ছিল না বলে দু' মাস যেতে না যেতেই তাদের সরিয়ে দেওয়া হ'ল। আরে বাবা সবে তো খাবারের দোকান করেছে। একটু লাভটাভ করতে দে! তা না প্রথম থেকেই বেশি বখরা চাই।

    বখরা চাইবার পক্ষ কিন্তু অনেক। গুন্ডারাও নিয়মিত বখরা নেয়। গুন্ডাদের অবশ্য রকমফের আছে। কোনো কোনো গুন্ডা উর্দি পরে, কোনো কোনো গুন্ডা পরে না।

    এমন করে করে ব্যবসার কত ছোটখাটো উদ্যম শেষ হয়ে যাচ্ছে। তারপর বাঙালির দারিদ্র্য নিয়ে নিত্য আলোচনা। ব্যঙ্গবিদ্রূপ। সোশাল মিডিয়ায় কটাক্ষ। সত্যি বটে বাঙালি সম্পদ বানাতে জানে না। ব্যবসা করে বড়লোক হ'তে জানে না। যে চেষ্টা করে তাদের বসিয়ে দিতে নিশ্চয় জানে। আর জানে তলিয়ে যাওয়ার উপযোগী রাজনীতি করতে। ছোটখাটো ব্যবসা করে যারা টিকে রয়েছে তাদের অসীম মনের জোরকে আমার কুর্নিশ।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • শুভশ্রী রায় | 2402:3a80:42e8:d045:378:5634:1232:***:*** | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১২:৪৮540183
  • @r2h
    অত্যন্ত জরুরি কথাবার্তা বলেছেন। ভেবে দেখার মতন। নিঃসন্দেহে আপনি শুধুই দেখেন না, পর্যবেক্ষণ করেন। অফুরন্ত শুভেচ্ছা। 
  • . | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৬:৩৬540184
  • আপনার এই লেখাটি এবং মতামতগুলো পড়তে পড়তে বুঝলাম যে সঠিক দৃষ্টিভঙ্গীর অভাব রয়েছে ক্রেতা এবং বিক্রেতা দুতরফেই, অন্ততঃ এই লেখা ও তার মতামতের শতকরা ৮০ ভাগে যেটুকু দেখলাম।
    দেখুন, ব্যবসা কিন্তু ক্রেতার দয়ার ওপরে ভিত্তি করে চলে না, অন্ততঃ দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসার ক্ষেত্রে। পাড়ার লোকে দয়া করে পাড়ার ছলেদের দোকান থেকে বরাবর কিনবে, সেটা ধরে নিয়ে এগোলে মূর্খামি করা হয়।
    যেকোনও বিজনেসের ক্ষেত্রে যেটা খাটে ফোর/ফাইভ পি প্রিন্সিপল, যেটা বিজনেস ম্যানেজমেন্টের গোড়ার এবং শেষের কথা, সেটা মেনে চলতেই হবে। প্রোডাক্ট( অথবা সার্ভিস), প্লেস, প্রাইস এবং প্রোমোশন।
    এছাড়া রয়েছে প্রোডাক্ট/সার্ভিসের সঙ্গে মার্কেটের সম্পর্ক। এই দুটো ব্যাপার ঠিকঠাক স্টাডি না করে, অ্যানালিসিস না বানিয়ে, স্রোতে গী ভাসিয়ে বিজনেস করতে বসলে মুশকিল।
    মোটামুটি বড়ো শহরগুলোতে (ভারতের) "নিউ মানি" (হুট করে বড়োলোক বা উচ্চমধ্যবিত্ত হয়ে গেছে) গোত্রের লোকজন পাড়ার দোকানে যায় টায় বেশ কম। এদের পাড়াগুলোও একটু স্বতন্ত্র গোছের, একই পালকের পাখীদের ঝাঁক বেশি। এরা সুপারমার্কেটের ট্রলি হাতে নিয়ে প্যাকেটে ভরা সামগ্রী কিনতে পছন্দ করে, সঙ্গে থাকে ত্রেডিট/ডেবিট কার্ড, এবং ঐ সমস্ত সুপারমার্কেট স্টোরের নিজস্ব কার্ড (পয়েন্ট্স সংগ্রহের লোভে যেখানে স্পেন্ডিং হ্যাবিটস এর ডেটা ক্রেতা সহজেই তুলে দেয় বাজারে)। ঐ সব লোকেদের পাড়ায় দোকান দিলে মুশকিল।
    দেখুন প্রোডাক্ট এর কোয়ালিটি যদি খুব ভালো হয়, তারপরে মনে করুন ইকো ফ্রেন্ডলি, তাহলে অধিক বড়োলোক শ্রেণী সেটার প্রতি ঝুঁকবে, দাম ভালো রাখতে হবে, কম রাখার প্রশ্নই নেই। অধিক বড়োলোকেরা সুপারমার্কেট থেকে বিশেষ কেনে টেনে না। তারা কিনলেও অরগ্যানিক খাবার দাবারের ওপর ঝোঁকে বেশি (দুএকটা একসেপশন তো থাকবেই)। সমস্ত কিছুর ক্ষেত্রেই যে একই নিয়ম হবে, তা কিন্তু নয়। আমি ছোটো একটা উদাহরণ দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলাম। আপনি যে ব্যবসাটা করতে চান, সেব্যাপারে জেনে নিন, আপনার প্রোডাক্ট যে টার্গেট ক্রেতাদের বেচবেন বলে বেছেছেন, তারা কেমন ধরণের জিনিস পছান্দ করে, আপনার প্রোডাক্টের কোয়ালিটি কেমন, যে পাড়ায় বেচতে যাচ্ছেন পাড়ার লোকজন মাস্তান পুলিশ কাউন্সিলর লোকাল কমিটি কাটমানি ইত্যাদির ট্র্যাকরেকর্ড কেমন, নইলে সুইসাইড করবার মত ব্যাপার হবে। নিজেকেও জেনে নিন। ব্যবসা কিন্তু ২৪ ঘন্টার কাজ। ফাঁকিবাজি চলে না, নিজের সঙ্গে তো একেবারেই না। পুঁজি জিনিসটা খুব বেশি লাগে না। লাভ হতে শুরু করলেই নিজেকে হনু মনে করলেও বিপদ হবে। ক্রেতাকে ঠকাবেন না, আবার ধারবাকিতেও দেবেন না। ওভাবে ক্রেতা টানা যায় না। প্রোমোশনের জন্য একেক প্রোডাক্টের একেক রকমের ব্যবস্থা। আবার অনেক সময় এই ব্যাপারে মাথা না ঘামিয়ে মালের কোয়ালিটি ভালো রাখলে বিজ্ঞাপনের দরকার হয় না। পুঁজি সামলে রাখুন। দেনা করে ব্যবসা শুরু করলে দেনা শোধের দিকে প্রায়োরিটি রাখুন।
  • . | ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ১৭:৩৩540185
  • সেই পুরোন বাঁধা গৎ মনে করিয়ে দিই আরেকবার। কক্ষনো বেশি রিস্ক নিতে নেই ফশ করে।
    ওল্ড প্রোডাক্ট ইন ওল্ড মার্কেত
    ওল্ড প্রোডাক্ট ইন নিউ মার্কেট
    নিউ প্রোডাক্ট ইন ওল্ড মার্কেট এবং
    নিউ প্রোডাক্ট ইন নিউ মার্কেট
    এগুলোর রিস্ক কোনটায় সর্বোচ্য তা তো বোঝাই যাচ্ছে, - শেষেরটা। তবে অনেকে পারে, ঐ শেষেরটা ধরে নিয়েই বাজিমাৎ যারা করে, তারা নমস্য হয়ে যায়।
    আর জানতে হয় মার্কেটে প্রতিযোগিতায় কারা রয়েছে, তাদের মালের কোয়ালিটি কেমন, দাম কেমন নিচ্ছে, সময় মত সাপ্লাই দিচ্ছে কি?
    আপনি রোলের দোকান খুললে ততটুকুই তৈরি করুন যতটুকু বিক্রি হবে। মাখা ময়দার দলা, কাটা পেঁয়াজ, মাংসের কাবাব যেন নষ্ট না হয়। যদি বোঝেন পোষাচ্ছে না পাবলিক মাথায় চাঁটি মেরে ধরবাকিতে খেয়ে হাওয়া হয়ে যাচ্ছে, তাহলে আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। হয় রুখে দাঁড়ান, নয় ব্যবসা বন্ধ করে দিন।
    এইসমস্ত আর কি।
    তবে করাপশান যে সমাজের সর্ব স্তরে এবং রন্ধ্রে রন্ধ্রে, সেখানে প্রস্তুত থাকতে হবে সবরকমের বিপদের জন্য। পরশ্রীকাতরতার জন্যেও বাঙালি প্রসিদ্ধ। ক্ষতি করবার লোকের অভাব হবে না।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন