এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ফিল্ডার - ৪ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ জুলাই ২০২২ | ৮৭২ বার পঠিত | রেটিং ৪ (২ জন)
  • পরের ব্যাটসম্যান সুমিত পাঁজা ব্যাট করতে নামছে। সুমিত ব্যাটিং অলরাউন্ডার। মাঝারি মানের অফস্পিনার। কিন্তু রীতিমতো ভাল ব্যাটসম্যান। ফুটওয়ার্ক খুব ভাল।
    বিতান কাঞ্জিলালের ওভারের পঞ্চম বল। সন্ময় টোপাইকে স্কোয়্যার লেগ থেকে সরিয়ে লেগ স্লিপে নিয়ে এল।
    লেগ অ্যন্ড মিডলে পুরো লেংথের ইনসুইং। একটু জড়সড় ভঙ্গীতে হাফকক মতো খেলল সুমিত। ব্যাটের বাইরের দিকের কানায় লেগে উইকেটকিপারের পাশ দিয়ে বল বেরিয়ে গেল বাউন্ডারিতে তড়িৎগতিতে, লেগস্লিপ থেকে টোপাই নড়বার আগেই।
    শেষ বল লেংথে ছোট। অফস্টাম্পের বাইরে। সুমিত ব্যাকফুটে গেল। নিখুঁত পাঞ্চ। কভার আর এক্স্ট্রাকভারের মাঝখান দিয়ে চার। তিন উইকেটে তেইশ।
    ক্যাপ্টেন শৌভিক রায়ের স্ট্রাইক। মারকুটে ব্যাটসম্যান। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকা ধাতে নেই। সন্ময় ভাবল, এটাকে তুলতে পারলেই মোটামুটি কাজ শেষ। একটা টোপ ফেলে যদি খেলিয়ে তোলা যায়।
    সে অফস্পিনার সৌম্য বসাককে ডাকল। সৌম্যর বোলিং খুব আঁটোসাঁটো ‌। লুজ ডেলিভারি নেই বললেই চলে। হাতে বড় টার্নও
    আছে।
    শৌভিক সাইড অন স্টান্সে দাঁড়িয়ে বোলারের দিকে ক্রূর যোদ্ধার দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। জিভ দিয়ে মাঝে মাঝে শুকিয়ে যাওয়া ঠোঁট চাটছে। নিশ্চিতভাবেই পাল্টা মার দেবার জন্য তৈরি।
    প্রথম বল ... অফ অ্যন্ড মিডলে একটু ছোট লেংথের ধীর গতির ডেলিভারি। সৌম্যর বোধহয় উদ্দেশ্য ছিল বড় করে বল ঘোরানোর।
    শৌভিক স্টেপ আউট করল। বাঁ হাঁটু মুড়ে, ডান পা পিছনে রেখে উইথ দা টার্ন ব্যাটে বলে করল। লং অনের ওপর দিয়ে বল উড়ে গেল। সন্ময় সৌম্যর কাছে এসে আলতো করে পিঠ চাপড়ে দিয়ে বলে গেল, ' ঘাবড়াসনি ..... এই ওভারেই পাবি ওকে ... অফের বাইরে থেকে ভেতরে টান .... '।
    পরের বল কম লেংথের, অফ স্টাম্পের সাত আট ইঞ্চি বাইরে। স্পিন করে ভিতরে আসছিল। শৌভিক একটু অপেক্ষা করে বলটা আসতে দিল। তারপর ভয়ঙ্করভাবে গাঁইতি চালাল। বল পয়েন্ট আর থার্ডম্যানের মাঝখান দিয়ে মাঠের বাইরে। আবার ছয় !
    সন্ময় আবার এগিয়ে এল। সৌম্যর কাঁধে হাত রেখে বলল, ' কোন চিন্তা করিসনি .... এই ওভারেই ওকে পাবি .... অত বাইরে না ... ভেতরে রাখ ... প্লেন অফব্রেক মার .... লেংথ অত ছোট না .... বড় রাখ ..... '
    সন্ময় এবার ফিল্ডিং সাজাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল। আশ্চর্যজনকভাবে অফের দিক প্রায় ফাঁকা।
    একটা ডিপ থার্ডম্যান আছে শুধু। একটা সেকেন্ড স্লিপও আছে। টোপাইকে পাঠাল মিড উইকেট বাউন্ডারিতে। এছাড়া ডিপ স্কোয়্যার লেগ আছে, লং অন আছে, একটা শর্ট ফাইন লেগ আছে। সন্ময় নিজে গিয়ে দাঁড়াল মিড অন অঞ্চলে, একটু পিছিয়ে।
    সৌম্যর এই ওভারের তৃতীয় বল। অফ স্টাম্পের ওপর। বড় লেংথের। শৌভিক জ্বলন্ত প্রতিশোধস্পৃহাবশত: ক্রিজের লাইনের ওপর দাঁড়িয়েই উইথ দা টার্ন বল তুলল মিড উইকেটের ওপর দিয়ে উপর্যুপরি তৃতীয় ছক্কাটা পাবার উদ্দেশ্যে।
    বড় অফব্রেক ছিল। ব্যাটের কাঁধের একটু নীচে লাগল। কিন্তু ব্যাটস্পীড এত বেশি ছিল যে, বলটা নিশ্চিতভাবেই ওভারবাউন্ডারি পার হবার লক্ষে ধাবিত হচ্ছিল। সৌম্য কাঁচুমাচু মুখে ওইদিকে তাকিয়ে ছিল। টোপাই পিছোতে পিছোতে বাউন্ডারি লাইনের একফুটের মধ্যে এসে পৌঁছেছে। আর পিছোবার জায়গা নেই। খাদের কিনারায় এসে থিতু হয়েছে জীবনে ফিরে যাবার চূড়ান্ত লাফটা মারার জন্য। ডিপ মিড অনে দাঁড়িয়ে ক্যাপ্টেন আকুল দৃষ্টিতে নির্নিমেষে তাকিয়ে আছে তার দিকে। বল উড়ে যাচ্ছে টোপাইয়ের মাথার প্রায় সাড়ে তিন ফুট ওপর দিয়ে। মাঝ সমুদ্রের অপার জলরাশি থেকে একটা ডলফিন তীব্র গতিময় শরীর নিয়ে ভেসে উঠল বায়ুতরঙ্গে।
    দুহাতের তালুতে বলটা আটকে বাঁ দিকে শরীর ফেলে তিনটে চারটে ওলোটপালোট খেল টোপাই বাউন্ডারির দাগ বাঁচিয়ে।
    ক্যাপ্টেন গন .... চার উইকেটে পঁয়ত্রিশ। বোলার সৌম্য বসাক নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। ব্যাটসম্যান যখন হাঁটতে শুরু করেছে, সৌম্য সম্বিত ফিরে পেল। সে মিড উইকেট বাউন্ডারির দিকে ছুটতে লাগল। ক্যাপ্টেন মিড অনে দাঁড়িয়ে ক'বার হাততালি দিল। তার যেন আগেই জানা ছিল সব। সে বোধহয় ভাবল, যারা জানলে কাজের কাজ হবে তারা তাড়াতাড়ি জানলেই মঙ্গল .....
    পিন্টু প্রামানিক ব্যাট করতে নামছে। পিন্টু শিবাজীর উইকেটকিপার। ব্যাটের হাত যথেষ্ট ভাল।
    ওদের সামনে দুটো রাস্তাই খোলা আছে। এক, ধরে খেলে ইনিংসটা যতটা সম্ভব টেনে বড় করা। উইকেটে থাকলে কিছু রান তো আসবেই। আর দুই, পাল্টা আক্রমনে গিয়ে কিছু রান তুলে নিয়ে ইনিংসটাকে কিছুটা ভদ্রস্থ করে তোলা। কারণ, এরপর একটা উইকেট পড়ে গেলে শেষের শুরু হয়ে যাবে এই ইনিংসে, ভদ্রস্থ হবার আর সম্ভাবনা থাকবে না। তাই মাঠের দুই ব্যাটসম্যান শলাপরামর্শ করে বোধহয় সিদ্ধান্ত নিল যে তারা প্রতি আক্রমণের রাস্তাতেই যাবে .... তবে বেহিসেবী ঝুঁকি নিয়ে নয়।

    ঠিক এই নক্সাতে খেলেই এই দুটো ব্যাটসম্যান কুড়ি ওভার পর্যন্ত টেনে নিয়ে গেল
    দলের ইনিংস আর কোন উইকেট না হারিয়ে। রান হয়ে গেল পঁচাত্তর। মাত্র দুটো বাউন্ডারি হয়েছে। বাকি সব খুচরো রান। উইকেটকিপার পিন্টু বেশ আত্মবিশ্বাসী ইনিংস খেলে দিচ্ছে। সুমিত পাঁজাও বেশ জমাট ব্যাট করছে। না খেলবার কিছু নেই অবশ্য। শক্ত মসৃন উইকেট। ভাঙবার কোনো লক্ষ্মণ এখনও পর্যন্ত নেই। শিবাজীর উইকেটগুলো পড়েছে স্রেফ টোপাইয়ের অবিশ্বাস্য ক্যাচগুলোর জন্য।
    সন্ময়কে এখন পর্যন্ত তেমন চিন্তিত দেখাচ্ছে না। আর একটা উইকেটই দরকার। বিশেষ করে পিন্টুর উইকেটটা। তারপর ওদের ইনিংস গুটিয়ে দিতে অসুবিধে হবে না। কিন্তু স্কোরটা একশোর মধ্যে রাখতে পারলে ভালো হয়। ফাঁসটা যেন আলগা হয়ে যাচ্ছে। যেভাবে চেপে ধরা হয়েছিল তাতে অন্তত আটটা উইকেট নেমে যাওয়ার কথা এতক্ষণে। কিন্তু ক্রিকেট এরকমই খেলা। রাশ আগাগোড়া নিজের হাতে রাখা যায় না।
    সন্ময় মিড অফে দাঁড়িয়ে দাড়ি চুলকোতে চুলকোতে চিন্তা করতে লাগল পিন্টুর উইকেটটা এক্ষুণি তোলার দরকার। কিন্তু কিভাবে ?
    সন্ময় অমিতকে নিয়ে এল আবার। অমিতের বোলিং খুব টাইট। ওদের এরকম স্বচ্ছন্দে সিঙ্গল নেওয়া আটকাতে হবে। ওদের অন্য কোন রাস্তা খুঁজতে বাধ্য করতে হবে। একটা কিছু ঘটার দরকার। অফ, লেগ দুটো দিকই 'সিঙ্গল সেভিং ' ফিল্ডিং দাঁড় করিয়ে দিল সন্ময়। টোপাইকে রাখা হল মিড উইকেটে মাঝামাঝি জায়গায়। কাছেও নয়, খুব দূরেও নয়।
    অমিতকে বলল, ' স্টাম্পের মধ্যে ফুল লেংথে বল রাখ। একদম সোজা সোজা .... যাতে স্ট্রোক নিতে না পারে ... '
    প্রথম বল। অফ অ্যন্ড মিডলে। মিড অফের বাঁ দিকে বল ঠেলেই ছুটতে যাচ্ছিল। সন্ময় দুর্দান্ত ফিল্ডার। শরীর ছুঁড়ে বলের ওপরে গিয়ে পড়ল। তারপর দুটো সমারসল্ট। বল নিয়ে হাঁটু গেড়ে বসে রইল। সুমিত পিন্টুকে জোরালো কল দিল ..... ' নো ..... '
    পিন্টু ক্রিজে ফেরত গেল।
    পরের বল আবার একই স্পটে। পিন্টু জোরালো ড্রাইভ নিল। কপাল খারাপ .... সোজা কভারের হাতে। রান হল না।
    পরের বল মাপা লেংথের লেগ অ্যন্ড মিডলে। পিন্টু ফ্লিক করল মিড উইকেটে। টোপাইয়ের অন্তত ছ ফুট ডান দিকে। পিন্টু তড়িঘড়ি ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে পড়ল। টোপাইকে নড়তে দেখে সুমিত আবার চেঁচাল ... ' নো ..... '
    কিন্তু পিন্টু ততক্ষণে অনেকখানি এগিয়ে গেছে। পিছন ফিরে আবার ক্রিজের দিকে হুমড়ি খেয়ে দৌড়তে লাগল। মিড উইকেটের ছেলেটা যদি উইকেটকিপারের গ্লাভসে ভাল থ্রো পাঠাতে পারে কিপার বল ধরে বেল ফেলতে যে সময় নেবে, ব্যাট সামনে ফেলে ঝাঁপ মারলে তার বেঁচে যাওয়ার কথা। কিন্তু হা হতোস্মি .... ঘটনাটা সেরকম ঘটল না। টোপাইয়ের ডানদিকে শরীর ফেলা, ডান হাতে বল তোলা, তিরিশ ডিগ্রীতে কোমর তোলা এবং রকেট গতির রিটার্ন পাঠানোর মধ্যে সময়ের ব্যবধান বার করতে হলে ডিজিটাল প্রযুক্তির সাহায্য নিতে হবে। তাছাড়া বলটা কিপারের গ্লাভসে নয়, একটা মিউজিক্যাল জিঙ্গল তুলে মাটির সমান্তরালে গিয়ে সোজা স্টাম্পে গিয়ে লাগল পিন্টু ঝাঁপ মারার আগেই। সে তখন অন্তত দেড়ফুট বাইরে। পাঁচ উইকেটে পঁচাত্তর....

    সূর্য এখন মধ্য গগনে। দীপেন মল্লিক বাকরুদ্ধ অবস্থায় প্রবল উত্তেজনায় কুলকুল করে ঘামতে লাগলেন একটা বড় ছাতার তলায় বসে।
    সন্ময় ধীর গতিতে হেঁটে টোপাইয়ের কাছে গিয়ে শান্তস্বরে বলল, ' করে যা ... এটাই তোর কাজ ... '
    এরপর উদয়ন স্পোর্টিং- এর দুটো স্পিনার বলকে কথা বলাতে লাগল । দুটো কট বিহাইন্ড হল, একটা লং অফে উঁচু ক্যাচ, একটা কট অ্যন্ড বোল্ড এবং একটা রান আউট। শিবাজী সংঘের ইনিংস গুটিয়ে গেল পঁচানব্বই রানে।
    সন্ময় মাঠের বাইরে হাঁটতে হাঁটতে ভাবল এই রানটা তার একারই করে দেওয়া উচিত।
    টোপাইয়ের মনে হল, তার মায়ের শরীরটা এখন কেমন আছে কে জানে। বাড়ি ফিরে মাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে ...
    ( ক্রমশ )
    ************************************************************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন