এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৯:০৪559554
  • হুইটম্যান, বর্হেস, রবীন্দ্রনাথ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
    ১৫ই সেপ্টেম্বর ছিলো শরৎচন্দ্রের সার্ধ শতবার্যিকী।
    তিন চাটুজ্যে বিষয়ে আরো এক চাটুজ্যের বক্তব্য প্রসঙ্গে গুরুCool এর মতামত জানার আগ্রহ রইলো।
     
  • তরমুজ | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০০:২৬559553
  • //প্রেডিকশন লেভেল নেক্সট পাঁচ বছরে রাহুল গান্ধী পিএম হওয়া থেকে এখন নেক্সট ৫০০ বছরে বিপ্লবে গিয়ে ঠেকেছে।//
     
    এর সাথে রাহুল গান্ধি, কংগ্রেস, বিজেপির কোন সম্পর্ক নেই। ভারতে পুঁজিবাদের মূল রচয়িতা কংগ্রেস। সেটা সম্পূর্ণ অন্য বিষয়।
  • তরমুজ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:৩৩559552
  • ***** বিশ্বে পুঁজিবাদকে টিকে থাকতে গেলে যে পরিমান উৎপাদন ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন, সেই পরিমান সম্পদ পৃথিবীতে নেই এবং পুঁজিবাদের ভার দীর্ঘ দিন ধরে সহ্য করার ক্ষমতা পৃথিবীর বা প্রকৃতির নেই।
     
    সেজন্য বিজ্ঞান থাকবে। কিন্তু পুঁজিবাদ থাকবে না। কারন একটা ছোট ল্যাবে কিছু পদার্থ নিয়ে গবেষণা করার মত সম্পদ পৃথিবীতে থাকবে। এবং এর ভার প্রকৃতি সহ্য করতে পারবে। কিন্তু বিপুল পরিমান পণ্য উৎপাদন করার মত অবস্থা থাকবে না। যা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ..... সুতরাং মানুষ আস্তে আস্তে মিনিমালিস্ট জীবন যাপন করতে আরম্ভ করবে। .... পুঁজির সাথে রাষ্ট্রের একটা গভীর সম্পর্ক আছে। কিন্তু পুঁজির অবসানের সাথে সাথে রাষ্ট্রের অবসান ঘটবে না। কারন বিশ্বে পুঁজিবাদ ও রাষ্ট্র বা জাতিয়তাবাদের ভিত্তি আলাদা আলাদা। সেজন্য পুঁজিবাদের পর সমাজতন্ত্র আসবে। কারন সমাজতন্ত্র রাষ্ট্রের ধারনা বহন করে। ..... এক সময় রাষ্ট্রের উপযোগিতাও কমবে। কারন পুঁজিবাদ বা কনজিউমারিজম ধ্বংস হলেও বিজ্ঞান ধ্বংস হবে না। বিজ্ঞানের অগ্রগতি হতে থাকবে। এবং এই বিজ্ঞানই এক সময় রাষ্ট্রকে অপ্রয়োজনীয় করে তুলবে। তখন বিশ্ব সাম্যবাদে প্রবেশ করবে। ..... কিন্তু এই পরিবর্তনের সময় ধর্মীয় শক্তি/সামন্ততন্ত্র/ফ্যাসিবাদ ও বৈজ্ঞানিক শক্তির এক প্রবল বিরোধ বাধবে। কারন বিজ্ঞান পণ্য উৎপাদন না করলে, একটা অংশের মানুষের কাছে বিজ্ঞান অপ্রয়োজনীয় হয়ে উঠবে। সুতরাং তারা ধর্মের দ্বারা আকৃষ্ট হবে। কিন্তু, যেহেতু রাষ্ট্র ব্যবস্থা থাকবে। এবং রাষ্ট্রের একটা নির্দিষ্ট কাঠামো থাকার কারনে একটা শোষক ও শোষিত শ্রেণি তৈরি হবে। এই শোষিত শ্রেণিই এক সময়ে বিজ্ঞানকে ব্যবহার করবে রাষ্ট্রের হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য। এই ভাবে বিজ্ঞানের হাত ধরে বিশ্ব সাম্যবাদের দিকে এগিয়ে যাবে। ..... সেজন্য আমার হিসেবে বিশ্ব যত সাম্যবাদের দিকে এগিয়ে যাবে সমাজে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও জ্ঞান চর্চা বাড়বে। এবং পণ্যের ব্যবহার কমবে। পণ্যের ব্যবহার কমার ফলে সেই স্থান পূরণ করবে বিজ্ঞান, গবেষণা, ধর্ম, রাজনীতি, সামন্ততন্ত্র, সমাজতন্ত্র। কিন্তু সব শেষে বিজ্ঞানের জয় হবে। কারন এগুলির মধ্যে বিজ্ঞান সব থেকে উন্নততর এবং শক্তিশালী।
  • @&$ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:২৮559551
  • যাক। প্রেডিকশন লেভেল নেক্সট পাঁচ বছরে রাহুল গান্ধী পিএম হওয়া থেকে এখন নেক্সট ৫০০ বছরে বিপ্লবে গিয়ে ঠেকেছে।
  • kk | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৩:১৫559550
  • মানালি আর তরমুজকে আবার এখানে পুরো দমে লিখতে দেখছি। তাহলে এই পাতার ওপর যে বিষম রাগ হয়ে গেছিলো তা পড়ে গেছে তো? বাঃ, ভালো ভালো।
  • r2h | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৫২559549
    • Manali Moulik | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩৮
     
    ওয়েলকামঃ)
  • তরমুজ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৪৩559548
  • //কিন্তু আপুনি তো পাঁচশো বছরের অনেক আগেই ফুটে যাবেন//
     
    তাতে কি হয়েছে। আমি কোনটা চাই। সেটা তো বলছি না। বৈজ্ঞানিক ও বস্তুগত ভাবে কোনটা হওয়া সম্ভব ও বাস্তবিক। সেটার কথা বলছি।
  • বিপ্লব এসে দরজায় (অ্যাই) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:২১559547
  • howling | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:১৯559546
  • কিন্তু আপুনি তো পাঁচশো বছরের অনেক আগেই ফুটে যাবেন
  • b | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:১৬559545
  • @১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫৪
    উনি বোধ হয় তান্ত্রিকদের কথা বলেছেন। সমাজ ধীরে ধীরে তন্ত্রে ঢুকছে এই আর কি।
  • তরমুজ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:১৫559544
  • না আমার এই হিসেব নিকেষগুলি খুব সহজ। আমি কোনো বিশেষ মতবাদ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বলছি না। আমার হিসেব পদার্থ বিজ্ঞানের। .... বিশ্বে পুঁজিবাদের মূল ভিত্তি হল কনজিউমারিজম। বিশ্বে পুঁজিবাদকে টিকে থাকতে গেলে যে পরিমান উৎপাদন ও প্রাকৃতিক সম্পদের প্রয়োজন, সেই পরিমান সম্পদ পৃথিবীতে নেই। এবং এই কনজিউমারিজমকে চালানোর মত বিকল্প প্রযুক্তিও এখন পর্যন্ত নেই। সুতরাং উৎপাদন কমলে অর্থের সার্কুলেশনও কমবে। পুঁজিও কমবে। সেই শূণ্যস্থান পূরণ করবে সমাজতন্ত্র। আমার হিসেবে পুঁজিবাদ আরো একশ বছর চলবে। তার পর আগামী একশ থেকে দুশো বছরের মধ্যে সমাজতন্ত্রের লক্ষনগুলি প্রস্ফুটিত হবে। এবং আজ থেকে দুশো বছর পর সমাজতন্ত্রের যাত্রা শুরু হবে। এবং আজ থেকে পাঁচশো বছর পর সামাজ তন্ত্রকে পিছনে ফেলে সাম্যবাদের পথচলা শুরু হবে। এটা আমি আগেও একবার আলোচনা করেছিলাম। ..... এবার সমাজ তন্ত্রই কেন? সেটা নিয়ে পরে আসছি। ..... আর বর্তমান বিশ্বের লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে, সমাজ তন্ত্রের আগমন প্রায় পঞ্চাশ থেকে পচাত্তর বছর এগিয়ে আসছে।
  • @&$ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৫৪559543
  • হ্যা। বিপ্লব এসে দরজায় কড়া নাড়লো বলে।
  • তরমুজ | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:৪৭559542
  • পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে পুরো বিশ্বই কোথাও না কোথাও সমাজ তন্ত্রের মধ্যে ঢুকতে আরম্ভ করেছে।
  • Manali Moulik | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩৮559541
  • ধন‍্যযোগ
  • Manali Moulik | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১২:৩৮559540
  • হুতোদা, ধন‍্যযোজ
  • r2h | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৩৭559538
    • Manali Moulik | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:০১
    • ...মেরী টাইলারের অনুবাদটা ...কেউ প্লিজ দিন।
     
    গুরুসন্ধানে সার্চ করলে লিস্টিতে এক নং আসছে।
  • r2h | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৩৬559537
  • কার কাছে বাঞ্ছনীয়, মানে, আপনার ব্যক্তিগত মনোবাঞ্ছা?

    আর, গদ্য কবিতা, না গদ্যকবিতা? প্রথাগত ছন্দ থাকলে তো সেটাকে গদ্যকবিতা বলার সম্ভাবনা কম। আর গদ্য কবিতা (মাঝে স্পেস, আলাদা শব্দ) হলে অন্য কথা, গদ্যেও ঠিক সেরকমভাবে ছন্দ থাকবে কেন, আর যদি থাকার পরেও সেটাকে গদ্য বলে চেনা যায় তাহলে ছন্দ বর্জন কেন করতে হবে, আর কবিতায় ছন্দ থাকলে কী ক্ষতি (না থাকলেও), এ মানে খুবই ঘেঁটে গেল।
  • :|: | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২২:৩২559536
  • "ছান্দসি" -- কে বা কী বা কেন?
  • albert banerjee | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:০৭559535
  • আর গদ্য কবিতায় ছন্দ পরিত্যাগ করাই বাঞ্ছনীয়। ছন্দের মুল কাজ মুখস্ত করানো দরকার পড়লে প্রজন্মের পর প্রজন্ম। বেদ। ছান্দসি। এলেবেলে বৈদিক ছন্দ আর তান্ত্রিক ছন্দের কি কোনো পার্থ্যক আছে ? যদি থাকে তার একটু ব্যাখ্যা দিলে ভালো হয়।
  • Manali Moulik | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১:০১559534
  • সাহায‍্য চাই
     
     
    মেরী টাইলারের অনুবাদটা পিডিএফের সমুদ্রে হারিয়ে গেছে। কেউ প্লিজ দিন।
  • albert banerjee | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২০:৪৯559533
  • /রবীন্দ্রনাথের লিরিক কবিতা সম্পর্কে বোর্হেসের সমালোচনা পড়লে বিষয়টা পরিষ্কার হবে।/
    একদম ঠিক অনুবাদ পড়লে সেই রকম কিছু মনে হবারই কথা। কারণ ছন্দ, যা অনুবাদে মোটেই বানানো সম্ভব নয়।
  • ফুটকড়াই | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৯:২৯559532
  • আচ্ছা এই মন্তব্যটা আমার লেখা নয়। এক সময় এই নিকে লিখতাম বলে আমার সঙ্গে গোলাবেন না।
     
    %% | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:০১
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৪:৪৪559531
  • @ রঞ্জন রায় এবং কৌতুহলীর মন্তব্যের সূত্র ধরে
     
    তুষার রায়ের কবিতা ব্যাণ্ডমাস্টার
     
    আমি অঙ্ক কষতে পারি ম্যাজিক
    লুকিয়ে চক ও ডাস্টার
    কেননা ভারী ধুন্ধুমার ট্রাম্পেটবাদক ব্যান্ডমাস্টার,
    তখন প্রোগ্রাম হয়নি শুরু – সারাহ্ টেম্পল নাম্নী ক্যাবারিনা
    তখন এমনি বসে ডায়াসের কোণে,
    আমি ড্রামে কাঠি দেওয়ামাত্র ওর শরীর ওঠে দুলে,
    ড্রিরি-ড্রাঁও স্ট্রোকেতে দেখি বন্যা জাগে চুলে,
    তিন নম্বর স্ট্রোকের সঙ্গে নিতম্বেতে ঢেউ
    চার নম্বর স্ট্রোকেতে ঝঞ্ঝা ওঠে গাউনের ফ্রীলে
    নম্বর পাঁচে শরীর আলগা, বুকের বাঁধন ঢিলে,
    আমি তখন ড্রাম বাজিয়ে নাচাই ওকে
    মারি এবং বাঁচাই ওকে,
    ড্রামের কাঠির স্ট্রোকে স্ট্রোকে
    যেন গলাই, এবং ঢালাই করি
    শক্ত ধাতু নরম করার কাস্টার,
    কেননা, ভারী ধুন্ধুমার ট্রাম্পেটবাদক ব্যান্ডমাস্টার।
    আবার বাজাই যখন স্যাক্সো-চেলো
    ক্যাবারিনার এলোমেলো
    ডিভাইস্-এ দ্বন্দ্ব এলো।
    আমার বাঁশির সুরের সুতোয়
    দেহের ফুলে মালা
    ট্রা রালা লি রালা লা
    ঠিক চাবি হাতে দেখি খুলে যায় তালা
  • সত্যেন্দু সান্যাল | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৩:২৬559530
  • %% | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:০১
     
    "ফলে হুইটম্যান বা বোর্হেস যে ধরণের কবিতা লিখেছিলেন, সেই বৌদ্ধিক দীপ্তি বাংলা কবিতায় কখনোই দেখা যায়নি।"
     
    উপরের মতামতটি কিঞ্চিৎ extreme মনে হ'লো।
    সুধীন্দ্র নাথ দত্তের কবিতায় এমন বৌদ্ধিক দীপ্তি যথেষ্ট বিদ্যমান।
    এছাড়া ওঁর কবিতার নির্মিতি অনেক বেশী সঙ্ঘবদ্ধ ও ঠাসবুনোট ঐ দুইজনের তুলনায়।
    যদিও সম্পূর্ন ভিন্ন স্তরের, সমর সেন এর কবিতায় ও শানিত দীপ্তি আছে।
     
    এই মন্তব্য অবশ্য নিজস্ব রসাস্বাদন থেকে বলা।
    %% যদি হুইটম্যান বা বোর্হেস এর কবিতা বেশী পছন্দ করেন সেটি ওঁর নিজস্ব মত।
  • ক | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১:৫০559529
  • বলাকা, শেষ সপ্তক, প্রান্তিক, আরোগ্য, শেষ লেখা, রবিবাবুর এই বইগুলো, ১৯১৫-১৬ পরবর্তী, এই মোটামুটি পড়া যায় এখন, মানে আমি পারি। আর হয়ত গীতাঞ্জলির কিছুটা। এইসব কবিতা, কবিতা থেকে ক্রমশঃ বাহুল্য ঝড়িয়ে ফেলে লেখা হয়েছে বলেই হয়ত পারি। তার আগের তিরিশ বছরের কবিতা, সে অবশ্য বাঙালীর সৌন্দর্যবোধ তৈরী করার কবিতা সব, সেসবের মূল্য তখন ছিল, কবিতা হিসেবে এখন আর নেই মনে হয়, বাংলা কবিতা অনেকদিনই এতটাই পালটে গেছে। জানা নেই, বোরহেস বলাকা পরবর্তী কবিতা পড়েছিলেন কিনা, খুব সম্ভবতঃ নয়। স্প্যানিশ সাহিত্যে রবিবাবুর কবিতা যা মূল্য পাচ্ছিল সেসবই মনে হয় গীতাঞ্জলির বা গীতাঞ্জলির আগের, বোরহেসের অগ্রজ লেখক, কবি, হিমেনেথ (সেই প্লাতেরো নামের গাধাকে নিয়ে যিনি কবিতার বই লিখেছিলেন) তো রবিবাবু প্রচুর অনুবাদ করেছিলেন, কিছু পরের নেরিদার কবিতাতেও তো রবিবাবুর ছাপ ছিল। স্বাভাবিকভাবেই রবিবাবুর কবিতা যা অনুবাদ হচ্ছে, বোরহেসের কবিতা বা লেখাসম্বন্ধীয় ধারণার সঙ্গে মিলবে না, সহজে বলতে গেলে মনে হয় বোরহেসের পছন্দ ক্লাসিকরীতি আর রবিবাবুর রোমান্টিকরীতি, অন্তত শুরুটা। বোরহেস তো বোদলেয়ারকে নিয়েও মনে হয়্না কিছু লিখেছিলেন, অথচ সেই বোদলেয়ার যিনি পুরো পশ্চিমী ও বিশ্বকবিতাকে বদলে দিলেন ! হয়ত কারণ ঐ, বোদলেয়ার তো শেষ রোমান্টিক (ও প্রথম আধুনিক), আতিশয্য তো তাঁর লেখায় ছিল ! কিন্তু আবার মালার্মে বা ভ্যালেরিকে বোরহেস মেনে নেবেন, আতিশয্য নেই এনাদের লেখায়, সেরিব্রাল, পার্ফেক্ট স্ট্রাকচারের কাছাকাছি ঐসব লেখা এবং ভাবনাপ্রতিভা ও দানবীয় ক্ষমতা লাগে ঐসব লেখা তৈরী করতে।
  • ক | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০:৩৬559528
  • কৌতহূলীকে বলার, যুগ বা কবি ধরে ধরে না পড়তে পারলে, মণীন্দ্র গুপ্ত সম্পাদিত আবহমান বাংলা কবিতা (৩ খণ্ড একত্রে) বইটা জোগাড় করে পড়ে নিন। চর্যাপদ থেকে আধুনিক যুগ, মোটমাট বাংলা কবিতা বস্তুটা কী সেটার আন্দাজ পাবেন। পড়ার সঙ্গে সঙ্গে নয় কিছু সমালোচনা পড়লেন (প্রেফারেবলি প্র‌্যাক্টিশনার অর্থাৎ কবিদেরই লেখা) আর ছ্ন্দ বিষয়ক প্রবোধচন্দ্র, অমূল্যভূষন ইত্যাদি। মণীন্দ্র গুপ্তর বইটা না পেলে নয় বাংলা আকাডেমির একটা বই আছে, মনে হয় অশ্রুকুমার সিকদারের সম্পাদনায়, সেটাও দেখতে পারেন।
  • :|: | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০৪:১১559527
  • ১৯টা ৪০: "বিরক্তি বেগুনী হয়" -- এক্কেবারে ঙ। মুচমুচে বেগুনী আদৌ বিরক্তিকে রিপ্রেজেন্ট করেনা।
  • একক | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:২৪559526
  • কবিতার ক্ষেত্রে, "কল্পনা " জিনিসটা স্টার্টআপ-এর "আইডিয়া " -র মতো। আইডিয়া আঁকড়ে আর যাই হোক ব্যাবসা হয়না। এমত। কবিতাও।
  • %% | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ০২:০১559525
  • এর উল্টোদিকেও কিছু যুক্তি আছে। যেমন, প্রিসিশন। বেশিরভাগ বাংলা কবিতায়, ইনক্লুডিং জীবনানন্দ, কোনো প্রিসিশন নেই। ফলে হুইটম্যান বা বোর্হেস যে ধরণের কবিতা লিখেছিলেন, সেই বৌদ্ধিক দীপ্তি বাংলা কবিতায় কখনোই দেখা যায়নি। রবীন্দ্রনাথের লিরিক কবিতা সম্পর্কে বোর্হেসের সমালোচনা পড়লে বিষয়টা পরিষ্কার হবে।

    Thirteen years ago I had a somewhat terrible experience meeting with the revered and sonorous-voiced Rabindranath. We were discussing Baudelaire's poems and someone recited the sonnet titled 'The Death of Lovers' several times. This particular poem was a jumble --- bed, divan, flower, fireplace, tablecloth, mirror and angels. After listening to the poem attentively, Rabindranath commented, "I do not like your poet of furniture". I fully agreed with him. By reading his works in recent times, I am becoming suspicious that Rabindranath was moved more by obscure, invincible love rather than by the terrors of those romantic bric-a-brac. The lack of precision in Tagore is beyond any correction. There is no lyrical tension in his thousand and one line verses; neither do they have any verbal diminution. In the introduction Rabindranath has commented, 'We should bathe in the oceanic depth of structure'. His metaphors are traditional; in the customary manner they are fluidic and devoid of structure.
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত