এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Manali Moulik | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০১:১০552905
  • প্রেমে পড়ে নম্বরের কথা একেবারে ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না!
     
     
    হুম এটার সতর্কীকরণ তো আছেই। প্রচেষ্টায় থাকবো ৮০% এর নীচে না নামার...বরং ওঠার। ধন‍্যবাদ।
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০১:০৩552904
  • চারিদিকে এই ভোটযুদ্ধের মাঝে নতুন প্রেমের খবর খুব ভালো লাগল। অভিনন্দন মানালিকে।
  • একক | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০০:৪২552903
  • তামিলনাড়ুতে পোলিং এর কারনে কোল্কাতায় পোলাচ্চি থেকে নারকেল এসে পৌঁছচ্চেনা।
     
     
    এই মর্মে গুগুল এয়াই আমার কাছে মূহুর্মূহু ক্ষমা চেয়ে চলেচে।
    আমি কি পোলাচ্চির নারকেল খেতে চেয়েছিলুম।
    বা চাই!
     
    এই এয়াই আরোপিত কুইক্সোটিক এনটাইটেলমেন্ট আমি কোথায় রাখি! ?
     
    :((
  • একক | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০০:৩১552902
  • কোনোদিন কোনো নারীজাতিকে প্রেমে পড়ে রেজাল্ট খ্রাপ কত্তে দেখি নি। উল্টো টা দেখেচি। এসব ব্যাপারে মেয়েদের নাড়ীজ্ঞান টনটনে। সেটা ভালো :)
  • শুভেচ্ছা | 165.*.*.* | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০০:২৫552901
  • মানালিকে অভিনন্দন, অনেক শুভেচ্ছা রইল।
     
    ইসে, তাও একটা কথা বলার ছিল। প্রেম সম্পর্কে যদিও আমি এককের সাথে একমত যে দুনিয়ে একদিকে ও প্রেম অন্যদিকে, তবুও, বলি কি, প্রেমে পড়ে নম্বরের কথা একেবারে ভুলে যাওয়া ঠিক হবে না!
     
    জমিয়ে ভালবাসুন!
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০০:২৩552900
  • নিয়মিত ভাটিতে (laugh) আসা হয়না, মার্জনা লাগে। গুরুরা দেখছি অভিনন্দন জানাচ্ছেন। চণ্ডালের পক্ষ থেকেও অভিনন্দন।
  • একক | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০০:১৭552899
  • সেকি শেষে সুখের লাগি প্রেম? না না, নিশ্চয়ই তা না!
  • syandi | 159.*.*.* | ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ০০:০৯552898
  • এটা দারুণ খবর। আনন্দে দুটো চকলেট খেয়ে ফেললাম। বাড়িতে মিষ্টি নেই,হায়! আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
  • r2h | 134.*.*.* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:৪৮552897
  • ওহো মানালির প্রেম হল? বাহ বাহ, খুবই সুসংবাদ। অভিনন্দন জানাই। আপনারা সুখী হ'ন।
  • kk | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:২২552896
  • মানালি,
    খুব ভালো খবর। অভিনন্দন! এরপরে আর ওভারথিংক না করে এইটা উপভোগ করুন প্রাণ ভরে।
  • মানালিকে | 14.*.*.* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:১৬552895
  • বাঃ, অভিনন্দন।
  • . | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৫552894
  • মানালি,
    সেলিব্রেট করো।
  • একটু অন্যরকম আলোচনা হোক | 14.*.*.* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৩:০৩552893
  • Last night my sister sent me the following English poem and asked me whether I knew the original from which it was translated :
     
    "Where roads are made I lose my way.
     
    In the wide water, in the blue sky there is no line of a track.
     
    The pathway is hidden by the birds' wings, by the star-fires, by the flowers of the wayfaring seasons.
     
    And I ask my heart if its blood carries the wisdom of the unseen way."
     
    I could not identify the original. But I did what would have never occurred to me a few years ago. I asked Gemini for help.
     
    Of course, it returned the following answer at lightning speed.
     
    "The lines you quoted are from Poem VI (6) of Rabindranath Tagore's collection "Fruit-Gathering" (1916).
     
    This specific English poem is Tagore's own translation/recreation of the Bengali song "পথ বেঁধে দিল বন্ধনহীন গ্রন্থি" (Path bendhe dilo bandhan-heen granthi)."
     
    The first identification is completely correct. It could identify the source precisely. The second identification of the original was completely wrong. I could tell because I know the poem Gemini quoted. Wrong on multiple counts; wrong poem, not a song etc. Now this is not surprising. In mathematics, inverse problems are harder that direct ones. Division is harder than multiplication. Integration is more difficult than differentiation.
     
    So, I tried a different route. I asked which Bengali poetry collection did "Fruit-Gathering" correspond to. Here I got a useful answer. It told me that it did not correspond to a single Bengali collection, but the poems were taken from multiple books -Geetanjali, Geetimalya and Balaka.
    It decided to look again in Geetimalya, but made a mistake in remembering the name. I remembered it had a Geet in it, so remembered it as Geetali. So I looked through the poems in Geetali, and as luck would have it, lo and behold, there it was! The 92nd poem of the Geetali collection. A beautiful poem indeed.
     
    এখানে তো বাঁধা পথের অন্ত না পাই, চলতে গেলে পথ ভুলি যে কেবলি তাই।
     
    তোমার জলে, তোমার স্থলে, তোমার সুনীল আকাশতলে, কোনোখানে কোনো পথের চিহ্নটি নাই।
     
    পথের খবর পাখির পাখায় লুকিয়ে থাকে।
     
    তারার আগুন পথের দিশা আপনি রাখে।
     
    ছয় ঋতু ছয় রঙিন রথে যায় আসে যে বিনা পথে, নিজেরে সেই অচিন-পথের খবর শুধাই।
     
    Found the original, and then looked back at the translation and was very impressed. It was Tagore's own translation. I have occasionally been critical of his translations, but this one was superb indeed. It stands on its own as an English poem, and in places I actually felt that it surpasses the original, yet retaining its spirit, though of course, the meter and rhyme could not be retained. It is shorter than the original, and by shedding embellishments, and retaining the heart, it has a different impact.
     
    It is also very interesting that in the Bangla original he has written তোমার জলে, তোমার স্থলে, তোমার সুনীল আকাশতলে (your/thy water, earth and blue sky), which has reference to a supreme being, whereas he has dispensed with it altogether in the translation, alluding only to Nature. In many of the Geetanjali poems he has used the reverent thee and thy when referring to a divine force/being, whereas in Bangla, it is always the intimate tumi /তুমি, which changes the tone completely and made me somewhat uncomfortable. He could have easily done it here as well, but chose to refrain from it.
     
    While Al has progressed in leaps and bounds in the direct problem of translation since its primitive beginning, I wonder whether it will eventually catch up with the inverse problem, or will humans with their fallibility and intuition still have a role in supplementing its ability.- Dr. Sukanya Sinha
     
    Additional perspectives from Supurna Sinha:
    Great detective work partially aided by a ChatBot! I personally felt that the translation had gone beyond his original in quality. By trimming the lines he has actually brought out the depth of his ideas - especially the inimitable first and the last lines : 'Where roads are made I lose my way.' and `And I ask my heart if its blood carries the wisdom of the unseen way'. In fact last night when Sam brought a truncated version of the English version of the poem (which had been used in someone's memorial meeting) to my attention and asked me who the author was my guess was Rumi. Rabindranath of course was a philosopher of a similar kind.
     
     
     
     
    এই যে এনারা এই আলোচনাটা লিখেছেন, এটা পড়ে আমারো কিছু কথা মনে হল, সেটাই একটু লিখে জানাই। এই কবিতাটার মূল বাংলাটা আমি তো আগে পড়িনি, ইংরাজিটা পড়ে থাকতেও পারি কারণ fruit gatherings বা crescent moon পড়েছি কিন্তু এই মূহূর্তে মনে নেই। এই কবিতাটি সুন্দর, তেমনি সুন্দর ইংরাজি অনুবাদটি। আমার যেখানে আরো আশ্চর্য লাগল, এই সুকন্যা দেবী (উনি সম্ভবত ফিজিক্স নিয়ে পড়াশোনা করে ব্যাঙ্গালোরে কিছু কাজ করছেন বিজ্ঞান বা প্রযুক্তি বিদ্যার ক্ষেত্রে, শান্তিনিকেতনেই পড়াশোনা করেছেন) কবিতা দুটির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর, যে ইংরাজি অনুবাদে কতো crisp লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ প্রথম লাইনটাকে- বাংলায় লিখেছেন যা তার মধ্যে ক্লান্তি, ক্ষোভ, শ্লথতা ফুটে ওঠে, অনেক মন্থর আর অভিযোগে পূর্ণ শোনায়, আর ইংরাজিতে সেখানে বলছেন- যখনি পথ তৈরি হয়, আমি আমার রাস্তা খুইয়ে ফেলি, পাকা রাজপথ যেন আমার পায়ে চলার ছন্দে তৈরি হতো যে পথ, তাকে দম আটকে দেয়, যে পথ আগেই তৈরি হয়ে গেছে, তাকে আর আমার খুঁজে বার করা হয় না নিজের মতো করে, অনেকটাই এখানে নিজের গভীরে ডুব দিচ্ছেন। তারপর ইংরাজিতে বলছেন বিস্তৃত অগাধ জলরাশির মধ্যে, সুনীল আকাশে কোথাও তো বাঁধাধরা ধরাকাঠের পথ পাতা নেই। কিন্তু পরের লাইনেই সেই দাবি খণ্ডিত করে বললেন- সেসব জায়গাতেও পথ আছে, লুকোনো-কিন্তু আছে।বিশেষত আকাশে। সেখানে পাখির ডানায় পথ ঢাকা( এখানে লুকোনোর জায়গায় যেই ঢাকা শব্দটা দিলাম, সঙ্গে সঙ্গে যেন ঝাঁক ঝাঁক পরিযায়ী পাখিদের ডানায় যে পথের খবর থাকে, মানসযাত্রী হংসবলাকা শ্রেণীর সেই ডানার ঝাপটে থাকা পথটা ফুটে উঠল চোখের সামনে।) এর পরের অংশেই চলে গেছেন তারার আগুনে ঢাকা পথ- এটা বাংলা ইংরাজি দুটোতেই এক ভাবে লেখা, কিন্তু ইংরাজিতে তারার‌ আগুন ও পথ ঢেকে রাখে নিজের মধ্যে এই কথা বলায় এমন একটি গূঢ় মহাজাগতিক রহস্যের আভাস আসে- ধূমকেতু নীহারিকাদের ল্যাজের ঝাপটায়, ছায়াপথের ঘূর্ণিতে এই পথের রহস্য লুকিয়ে আছে এ কথা যেন ইংরাজিতে বেশি পরিষ্ফুট। আবার ইংরাজি বাংলা দুয়েতেই এই এক ভাব আসছে- এই যে আকাশে পাখির ডানায় ঢাকা, জ্যোতিষ্কদের আগুনে ঢাকা যে পথ, এটি একটিই পথ। এই পথ বেয়ে চলাচল করে "ছয় ঋতুর ছয় রঙিন রথ", সত্যি বলতে বাংলায় এই কথাটা একটু খেলো শোনায়, খুব কাব্যিক নয় কথাটা‌। ইংরাজিতেও যখন বলছেন এই পথের নিয়মিত যাত্রী ছয় পথিক ঋতুরা যখন যায় এ পথ বেয়ে, তাদের "ফুলে ফুলে" পথের রেখা গোপিত থাকে। কথাটা অসম্পূর্ণ হল,‌কারণ সব ঋতুর ফুলের সম্ভার নেই পথ ঢেকে দেওয়ার মতো, শরৎ বসন্ত ছাড়া। কিন্তু কবিতার ভাবেই স্পষ্ট, এই পথ শুধু ফুলে ঢাকা পথ না, এখানে বৈশাখের দুপুরে যে শুকনো পাতা ঝরে তার তলা দিয়ে পথ যায়, যায় বর্ষার নবজলধর মেঘের সারিদের গন্তব্যের দিকে, হেমন্তের শুকনো ঘাসে, বাঁশের শুকনো ধারালো খসখসে পাতা আর ধুলোর তলায় ঢাকা থাকে। এই পথকে সূর্যের অয়নপথ বলেও চিহ্নিত করতে পারছি তাহলে, যে পথেই ছয় ঋতুর আসা যাওয়া। কিন্তু সেটি সম্পূর্ণ পথ না, তার অংশমাত্র। এপর্যন্ত আমরা এই লুকানো পথের অনেক বিস্তৃত পরিচয় পেলাম, তার ব্যাপ্তি, তার যাত্রীদের সম্পর্কে জানলাম, কিন্তু ঠিকানা পাইনি। সে ব্যর্থতার বেদনাই ফুটে ওঠে শেষ পংক্তিতে। বাংলায় এই বেদনাটি শুধু মাত্রা পেয়েছে, "নিজেরে সেই অচিন পথের খবর শুধাই।" এখানে ধাঁধাঁ লাগে, পথের সন্ধান যখন জানি না কিন্তু বর্ণনা জানি আমরা, সাধারণত অন্য‌ কাউকে জিজ্ঞাসা করি পথের দিকনির্দেশ। কিন্তু নিজেকেই নিজে জিজ্ঞাসা করে কি অচেনা পথের সন্ধান পাওয়া যায়? এখানে ইংরাজি অনুবাদে উত্তর পাচ্ছি। ইংরাজিতে যখন বলছেন যে আমি আমার হৃদয়কে প্রশ্ন করি তার রক্তের মধ্যে রয়েছে কি না সেই অদেখা পথের জ্ঞান- এইসব শব্দ জ্ঞান আর রক্ত, আমাদের নিয়ে যায় অন্য এক দিশাতে। এই হৃদয়ের মধ্যে তো দৌড়চ্ছে সেই তপ্ত শোণিতধারা, যার কণায় কণায় সঞ্চিত আছে প্রজন্মান্তরে প্রবাহিত জ্ঞানের ভাণ্ডার। আমাদের পূর্বেও যারা ছিলেন, তাঁদের মনেও হয়তো এক‌ই প্রশ্ন জেগেছে, উত্তর খোঁজার চেষ্টা করেছেন তাঁরা, সেইসব হদিশ রয়েছে নিজের‌ই মধ্যে। সেইসব বিস্ময়, বিপন্নতা ও তা অতিক্রমের প্রয়াস, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সঞ্চারিত হয়েছে ও সঞ্চিত রয়েছে আমার মধ্যে, তাই আমি নিজের অন্তরে ডুব দিতে পারি সেই পথের হদিশ খোঁজার জন্য, যেমন খুঁজেছেন বুদ্ধ, জগতের দুঃখ মোচনের উপায়, দুঃখীর মুখের কথা শুনে, সন্ধান করেছেন নিজের মধ্যে, আত্মদীপ হয়ে উঠেছেন। এখানেই অনুবাদটির একটি স্বতন্ত্র শিল্পসৃষ্টি ও মূলরচনাকে অতিক্রম করার সার্থকতা।
  • :|: | 2607:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২২:২৬552892
  • আন্তরিক অভিনন্দন জানবেন!
  • Manali Moulik | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২২:১৮552891
  • গুরুচন্ডালদের মতামত সত‍্যি জীবনে গুরুত্বপূর্ণ।  
    সাহস অবলম্বন করে কাজটি করেই দেখলাম।
     
    সফল হয়েছি..................       
  • . | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২১:১৮552890
  • একজিট পোল
  • . | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২১:১৮552889
  • ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৩
     
    এক্জিট পোলে এরকম কিছু বলছে?
  • . | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২১:১০552888
  • আজ একটাও মার্ডার হয় নি। আশ্চর্য।
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০৩552887
  • anti BJP গণভোট, পঃবঃ - এ।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ২০:০১552886
  • ডিএমকের একজন বন্ধুর থেকে দুরকম ভিউ পেলাম। এমনিতে খুব হাই ভোটার টার্নআউট হলে ধরা হয় সরকার পাল্টাবে। কিন্তু ডিএমকে এবার ডিলিমিটেশান নিয়ে লাস্ট কয়েকদিন খুব প্রচার চালিয়েছিল, তো বিজেপিকে শিক্ষা দেওয়ার জন্য অনেকে ভোট দিয়েছে, এরকমও হতে পারে। দেখা যাক।
  • | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৫০552885
  • হ্যাঁ কুমারগঞ্জের ভিডিওটা দেখে ভীষণ খুশী হয়েছি।
  • | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৯552884
  • বিহারে তো রাত ৯টা না ১১টার সময় ইসিয়াই % বাড়িয়ে দিয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গে না কমিয়ে দেয় বসেদের জন্য।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৪552883
  • তামিল নাড়ুতে এখনও অবধি ৯০% এর হিসেব দিয়েছে। বলছে এবার নতুন ভোটার, মানে ইয়ং ভোটারদের, সংখ্যা খুব বেশী।
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪১552882
  • final figure হয়ত ৯৫% আসবে, যদি ইসি এবার সেই ফিগার দেয়।
  • Debanjan Banerjee | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩৩552881
  • বিজেপি তো বিহারেও সুইপ করেছিলো তখন তো এতো লোক ভোট দেয়নি !
  • ss | 2a09:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২১552880
  • ভোটের হার বেশি হলে সুইপ হবার সম্ভাবনা বাড়ে মনে হয়।
  • Debanjan Banerjee | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৭552879
  • SIR হবার পরে বিহারে মাত্র ৬৮ - ৬৯ শতাংশ ভোট পড়েছিলো, তা আজকে বাংলায় এতো ভোট কেন পড়লো ? তামিলনাড়ুতেও অনেক ভোট পড়েছে দেখছি l
  • b | 117.*.*.* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৫৩552878
  • ভোটের হার বেশী হলে ক্লোজড রেস।
  • তরমুজ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:১১552877
  • //লিস্ট ছোট হওয়াটা ফ্যাক্টর কিন্তু ভাজপাকে কানমলা দেওয়াটাও কারণ, এতকিছুর পরেও।//
     
    ভাজপা যে কানমোলা খাচ্ছে এটা কি কোন ঘটনা থেকে বোঝা গেছে?
  • সিএস | 2401:*:*:*:*:*:*:* | ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:০২552876
  • লিস্ট ছোট হওয়াটা ফ্যাক্টর কিন্তু ভাজপাকে কানমলা দেওয়াটাও কারণ, এতকিছুর পরেও।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত