এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • আর জি কর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • . | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৭:১৬536504
  • "সে হয়ত ফাইন আর্টস এ ঢুকতে চায়, শিল্পী হতে চায়। অথবা সে হয়ত সাংবাদিক হতে চায়।"
    আজব বোকা বোকা যুক্তি তো!
    এসব কোথা থেকে জানা গেল? ফাইন আর্টস এর "ক‍্যালিবার" কম লাগে?  মাইরি!
    অঙ্ক বা সায়েন্স সাবজেক্ট পড়া লোকজন হেবি ক‍্যালিবারওয়ালা? দারুণ ইন্টেলিজেন্ট কোশেন্টওয়ালা? এই গাধার মতো যুক্তিগুলো জাস্ট জায়নবাদী কলোনিয়াল হ‍্যাংওভার।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৭:০৪536503
  • এদিকে টিআইএফারের এলিভেটরে ওঁর ভূত দেখেছেন (টের পেয়েছেন) কেউ কেউ। উনি যে সাবান ব্যবহার করতেন, সেই সাবানের গন্ধ পাওয়া যায়। নেমে এসে উনি সমুদ্রতীরের দিকে চলে যান। ( এই ভূতদেহে নির্ঘাৎ উড়েই নামতে পারেন, কিন্তু মায়াভরে লিফটে চড়ে নামেন )
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:৫৪536502
  • ভাবার ডেড বডি পাওয়া যায়নি। খারাপ আবহাওয়ার জন্য বেশি খোঁজেনি। এখন বরফ গলছে আর অনেক ডকুমেন্ট গয়না গাটি পাওয়া যাচ্ছে।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:৪৩536501
  • এমনও হতে পারে ওরও মোটেই জিনিসটা ভালো লাগে না। সবার টেকনিকাল দিকে ঝোঁক থাকে না। অঙ্ক, জ্যামিতি, নানা ধরণের ইকোয়েশন, স্লোপ, ইন্টিগ্রাল - এই বিষয়গুলো সবার পছন্দ হয় না, মনের গঠনের ব্যাপার। বাবামা জোর করে ইলেক্ট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াতে ঢোকাতে চাইছিলেন, ছেলেটি নিজে হয়ত মোটেই ইচ্ছুক ছিল না। সে হয়ত ফাইন আর্টস এ ঢুকতে চায়, শিল্পী হতে চায়। অথবা সে হয়ত সাংবাদিক হতে চায়।
  • . | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:৩৩536500
  • "সিলিকন ভ্যালির এক ধনী চাইনিজ পরিবার বিরক্ত হয়েছিল, তাদের ছেলেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে অ্যাডমিশন দেওয়া হয় নি বলে, তারা সেই এলিট ইউনিভার্সিটির এনডাওমেন্টে কন্ট্রিবিউট করবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন, ইউনি কর্তারা বাবা-মাকে বুঝিয়েছিলেন, আপনাদের ছেলে তো পাশ করতে পারবে না, একটা সেমিস্টারে ক্লাস করে দেখতে পারে, কিন্তু ওর ক্যালিবারে তো হবে না।"
    বাপ্পো ইউনিভার্সিটি ঠিক করে দেবে কে জীবনে কী হবে! ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে ক‍্যালিবার লাগে?
    কত কী শিখি প্রত‍্যহ।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:৩২536499
  • আমাদের এক বন্ধুনি ছিল, সে বলত ব্যাপারটা খুবই রহস্যময়! কারণ বিমান দুর্ঘটনার পর ভাবার দেহ নাকি পাওয়া যায় নি। ওর বানানো গল্পও হতে পারে। ও বলত ওদের একটা বাড়ি লন্ডনে আর আরেকটা বাড়ি প্যারিসে। লন্ডনের বাড়িতে একটা ছুঁচ ঢুকলেও সঙ্গে সঙ্গে স্ক্রীনে ধরা পড়বে। প্যারিসের বাড়ি অবশ্য তেমন না, হট্টমেলা, লোক আসছে যাচ্ছে। ঃ-)
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:২৭536498
  • আগেকার দিনে কলেজে টলেজে পড়াশোনা ব্যাপারটাই ছিল এলিটবাড়ির ব্যাপার, ইউনিভার্সিটিগুলো ছিল ধনী স্পনসরদের দাতব্য প্রতিষ্ঠানের মত। কতিপয় খুব মেধাবী দরিদ্র পড়াশোনায় সুযোগ পেত। বাকীটা সবটাই ছিল অভিজাতদের ব্যাপার। এই ব্যাপারটা সম্ভবত বদলাতে থাকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে, যখন প্রচন্ড ওলোটপালোট হয়ে সারা দুনিয়া ভোল বদলে ফেলতে থাকে। তখন উচ্চশিক্ষার সঙ্গে প্রযুক্তির বা চিকিৎসার চাকরি ইত্যাদির লিংক হতে থাকে, দরিদ্র মেধাবীরা সব ডাক্তারি ইঞ্জিনিয়ারিং এর দিকে ছুটতে থাকে (খেয়াল করে দেখুন দর্শন , ইতিহাস ভাষাবিদ্যা ইত্যাদি তথাকথিত শৌখীন বিষয়ে পড়াশোনা কিন্তু দরিদ্র মেধাবীরা আদপেই করেন না, কারণ সহজবোধ্য)। ধনী আর কত থাকে, তাদের ছেলেপিলেই বা কত? তাই স্রোতের মতন মেধাবী মধ্যবিত্ত ছুটতে থাকে ডাক্তারি ইঞ্জিনিয়ারিং এ আর লোকে হাঁ হয়ে বলে হায় হায়, কেন এমন দৌড়? এদেরটাই তো চোখে পড়ে, ধনী সেলিব্রিটিরা তো উচ্চস্থানে, মিডিয়ায়, গল্পে! দৌড়বে না কেন? এদের তো সিরিয়াস ব্যাপার, শখের পড়া তো না!
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:২১536497
  • হোমি ভাবা নিজের মৃত্যু ডেকে এনেছিলেন সন্দেহ করা হয়। উনি বলে ফেলেছিলেন ভারত চাইলে যে কোন সময় পরমাণু বোমা বানানোর ক্ষমতা ধরে। আল্পসে ওর প্লেন ক্র্যাশ সন্দেহজনক। সি আই এ বা চীন ছিল এর পিছনে।
  • পাপাঙ্গুল | 103.24.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:১৪536496
  • আর আগেকার দিনে বাইরে পড়তে গেলে পরিবারের টাকাপয়সা তো লাগবেই। তখন ব্যাংক ঋণ এত সুলভ ছিল না। 
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:১৪536495
  • রবীন্দ্রনাথ কৃষি বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করতে ছেলেকে আমেরিকার আর্বানা শ্যাম্পেন উনিভার্সিটিতে পাঠিয়েছিলেন। এই স্মৃতিতে ওখানে কিছু একটা আছে শুনেছি।
     
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:১৩536494
  • হোমি জাহাঙ্গীর ভাবার খুব মৌলিক কাজকর্ম আছে কোয়ান্টাম ইলেক্ট্রোডাইনামিক্সে। তাঁর নামে একরকম স্ক্যাটারিং এর নামও আছে। এমনিতে তো ভারতে যা করেছেন, অতুলনীয়।   
  • পাপাঙ্গুল | 103.24.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৬:০০536493
  • সে তখন ভারতে আধুনিক জিনিসপত্র শেখার ব্যবস্থা ছিল না। এখনো হয়ত উচ্চশিক্ষায় অনেক ক্ষেত্রে নেই। সেজন্য কেউ স্নাতকোত্তর বা গবেষণার জন্য বাইরে যেতেই পারেন। ইউজি ভারতে না পড়ার কোনো অজুহাত নেই , ধরে নিতে হবে নিরাপত্তা বা অন্য কোনো ব্যাপার।
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:৪৬536492
  • ভারত যে আজ পরমাণু শক্তিধর এর পিছনে এই পার্সিদের সুদূর প্রসারী চিন্তা ভাবনা ছিল। এই নিয়ে কর্নেল থেকে বই ছেপেছে। ফ্রী তে ডাউনলোড করে পড়া যায়। কারুর আগ্রহ থাকলে লিঙ্ক খুঁজে দেব।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:৪০536491
  • টাটাদের সঙ্গে কী যেন একটা সম্পর্ক আছে ভাবাদের পরিবারের। এঁরা পার্শী। প্রসঙ্গত, পার্শীদের অনেকেই বিরাট ধনী আবার পড়াশোনায়ও রীতিমত ভালো। উইন-উইন সিচুয়েশন মনে হয়। ঃ-)
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:৩৫536490
  • তবে খুব বড়লোকের সন্তানও অনেক সময় সিরিয়াস পড়াশোনা ও গবেষণা করেন। যেমন হোমি জাহাঙ্গীর ভাবা। বিশাল ধনী পরিবারের ছেলে, হাত ঝাড়লে পর্বত টাইপ অবস্থা। অথচ তিনি পড়াশোনা করেছেন অত্যন্ত সিরিয়াসলি, বিজ্ঞানী হয়ে ভারতে ফিরে যা করেছেন সে তো আজ ইতিহাস।
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:৩২536489
  • রাহুল গান্ধী ছদ্ম নামে (নিরাপত্তার কারণে)আমেরিকায় গ্রাজুয়েট হন। আমাদের বি এ ডিগ্রির সমতুল। কেমব্রিজে এম এ পড়ানো হয় না। কেউ ভাল বি এ ডিগ্রি ধারী হলে এম ফিল করতে পারে। এমন কি পি এইচ ডি ও করতে পারে। যদ্দুর জানি কোর্স ওয়ার্ক করতে হয় না। ছোট খাট term পেপার লিখলেই চলে।
     
    অমর্ত্য সেন ভারত থেকে এম এ করে কেমব্রিজে পি এইচ ডি করেন এক বিখ্যাত অর্থনীতিবিদের কাছে। দেশে ফিরতেই বিধান রায় যাদব পুরের অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর এবং হেড করে দেন।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:৩১536488
  • বাপরে! যমজ ভাই!
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:২২536487
  • অসীম দাশগুপ্ত যার কাছে পি এইচ ডি করেছেন এবং এম এ ক্লাসে যা পড়াতেন তার মধ্যে কোন মার্কসীয় ব্যাপার ছিল না। বাজার ব্যবস্থার গুণ গান গাওয়া তত্ব আর তাতেই নোবেল। বামরা আসার পর বিপ্লব দাশগুপ্ত সাসেক্স থেকে দেশে ফেরেন। তার চক্করে খুব সম্ভবত অসীম বাবু বাম পন্থী প্রজেক্ট শুরু করেন। অশোক মিত্র উগ্র বাম অর্থ মন্ত্রী জ্যোতি বসুকে বিব্রত করতে শুরু করেন। উনিও নম্র ভদ্র উচ্চ ডিগ্রি ধারী অসীম বাবুকে অর্থমন্ত্রী করে দেন। ওর যমজ ভাই অবশ্য বাম রাজনীতি করতেন। আই এস আই তে নেতা ছিলেন। হয়তো সেখান থেকে অলিমুদ্দিনে হট লাইন ছিল।
  • পাপাঙ্গুল | 103.24.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৫:১৩536486
  • এটা ভাল হয়েছে। পুরো বেইজ্জ্তি  laughlaugh
  • lcm | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৫৭536485
  • হ্যাঁ, এই ধনী স্বচ্ছল বা সেলিব্রিটি ব্যক্তিদের আইভি লিগ বা এলিট কলেজে পড়তে যাওয়ার ব্যাপার তো আছেই।

    বিল ক্লিন্টনের মেয়ে স্ট্যানফোর্ডে ভর্তি হয়েছিল, স্যাট স্কোর নিয়ে অত মাথাব্যাথা নেই, মিডিয়া জিগ্গেসও করে নি, তবে হ্যাঁ একটা ব্যাপার আছে, সেলিব্রিটি /ধনী ফ্যামিলির মেম্বাররা অ্যাডমিশন পান ঠিকই, তবে কি পড়বেন, বা কি পড়লে পাশ দিয়ে ডিগ্রি নিয়ে বেরোবেন, সেটা ইউনিই মোটামুটি ঠিক করে দেয়।
    মনে আছে, একবার সিলিকন ভ্যালির এক ধনী চাইনিজ পরিবার বিরক্ত হয়েছিল, তাদের ছেলেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং সাবজেক্টে অ্যাডমিশন দেওয়া হয় নি বলে, তারা সেই এলিট ইউনিভার্সিটির এনডাওমেন্টে কন্ট্রিবিউট করবেন না বলে হুমকি দিয়েছিলেন, ইউনি কর্তারা বাবা-মাকে বুঝিয়েছিলেন, আপনাদের ছেলে তো পাশ করতে পারবে না, একটা সেমিস্টারে ক্লাস করে দেখতে পারে, কিন্তু ওর ক্যালিবারে তো হবে না।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৫৪536484
  • এই যে রাহুল গান্ধী টান্ধী, এরা তো টাকার জোরেই কেম্ব্রিজে টেন্ব্রিজে পড়তে যেতেন শুনতাম। স্কুল লেভেলে তো শোনা যায় খুবই সাধারণ মানের ছাত্র ছিলেন। ওই লেভেলের লোকেদের অন্য ব্যাপার। নইলে যে কেম্ব্রিজ বলতে সারা দুনিয়া নিউটন নিউটন ডিরাক ডিরাক হকিং হকিং করে মাথা নোয়ায়, সেখানে রা গা টাইপরা ঢোকেন কী করে?
  • পাপাঙ্গুল | 103.24.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৫৩536483
  • সুকুমার রায় ছাপাখানা, ছবি তোলার প্রযুক্তি ইত্যাদি পড়তে গেছিলেন। 
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৪৯536482
  • অভিজাতরা অনেকেই মহাঋষি টাইপের জায়গায় নিয়ে ফুল মস্তি করে ডিগ্রি নিয়ে ফিরে আরেক মস্তি শুরু করে। ওদের তো পুরো রাস্তাটাই অন্য। দুন স্কুলে যাবে ছোটোবেলা, ঘোড়া পোলো টোড়া পোলো খেলে মস্তি করে বেরোবে, সোজা চলে যাবে বিলেতে, সেখানে দেদার ফূর্তি করবে। তারপরে ডিগ্রি নিয়ে বা না নিয়েও ফিরে একটা কোনো বড় ব্যব্স্থার টপে চড়ে যাবে।
  • lcm | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৪৯536481
  • অফ কোর্স। ফ্যাকাল্টি রিক্রুটমেন্ট তো অন্য ব্যাপার। সেখানে তো জিআরই এসবের ব্যাপার নেই। কোথা থেকে পিএইচডি করেছেন, কি কাজ করেছেন, ইত্যাদি।
  • পাপাঙ্গুল | 103.24.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৪৪536480
  • আগে অভিজাত বাঙালিদের মধ্যে বিলেত ফেরত ব্যাপারটা তো খুবই চালু ছিল। ব্যারিস্টারি বা আইসিএস পড়তে রবীন্দ্রনাথ , শ্রীঅরবিন্দ থেকে সুভাষ সবাই গেছিলেন কোনো না কোনো সময়। এখন সৌরভ গাঙ্গুলির মেয়ে , অতিদেব সরকার এরা যায়।
     
    নারায়ণমূর্তি একবার বলেছিলেন তার ছেলে আইআইটিতে পায়নি বলে তাকে হার্ভার্ডে পাঠিয়েছিলেন। আর বলিউডের নেপো বাচ্চারা মস্তি করতে আমেরিকায় গিয়ে একটা যা ইচ্ছে ইউজি ডিগ্রি নিয়ে দেশে ফিরে সিনেমায় নেমে যায়।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৪০536479
  • কী হারে টাইপো হচ্ছে! স্মরণীয়
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩৯536478
  • অমন বরণীয় স্মরনীয় জায়্গায় পড়েশুনে পাশ করে তারপর পলিটিক্সে চলে গেলেন? (অবশ্য সেই আমলে পলিটিক্স অন্যরকম ছিল শোনা যায়)
  • PRABIRJIT SARKAR | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩৭536477
  • বাম আমলের অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্ত আমাদের শিক্ষক ছিলেন। তিনি খুব মেধাবী ছিলেন আমার ক্লাসমেটের মত। উনি এম আই টি তে পি এইচ ডি করেছিলেন। নোবেল পুরস্কার প্রাপ্ত অর্থ বিজ্ঞানী ছিলেন তার গাইড।
     
    অভিজিৎ এম আই টি তে পড়ায়। জি আর ই দিয়ে ওখানে বা হার্ভার্ডে পড়েছে কিনা জানি না। অমর্ত্য সেন ও হার্ভার্ডে পড়ান কিন্তু ওখানে জি আর ই দিয়ে পড়তে যান নি।
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩৬536476
  • এর সমাধান আছে। সিইও মশাই তাঁর চারশোগুণ মাইনের অর্ধেকটা বা আরও বেশি কোম্পানির কমনফান্ডে দিয়ে দিলেন, সেখান থেকে ভাগ টাগ করে কোম্পানি বাকী সব নিম্ন আয়ের কর্মীদের বোনাস দিয়ে দিল! বেশ একটা  ফ্রেন্ডলি গোছের সাম্য মৈত্রী স্বাধীনতা 
  • &/ | 151.14.***.*** | ২২ মার্চ ২০২৫ ১৪:৩১536475
  • এইসব বড়লোকদের ছেলেপিলেরাই মনে হয় মহাঋষি ইউনিতে গিয়ে নানা গবেষণা করেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত