এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মুসলিম ভ্রাতৃত্ব একটি মিথ

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৫ জুন ২০২৫ | ৭৫৩ বার পঠিত
  • জর্ডান ইজরায়েলের পক্ষে কাজ করছে। ইরানের পাঠানো দ্রোন জর্ডান নামাচ্ছে। অথচ ইজরায়েলের বিমান যাচ্ছে অবাধে ইরানে হামলা করতে।
    ইসলামি ভ্রাতৃত্ব একটা মিথ।
    ইরাক কুয়েত লড়াই
    ইরান ইরাক লড়াই
    সৌদি আরব ইয়েমেন লড়াই

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কৌতূহলী | 115.187.***.*** | ১৫ জুন ২০২৫ ১০:৫৫732016
  • ধর্ম দিয়ে ভ্রাতৃত্ব ব্যাপারটাই মিথ। ক্যাপিটালিস্ট ইন্টারেস্ট বিভিন্ন রাষ্ট্রের তথাকথিত বন্ধুতা বা শত্রুতা নির্ণয় করে। শ্রেণী দিয়ে ভ্রাতৃত্ব নির্মাণ করতে হবে। পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে নিপীড়িতের পক্ষে থাকতে হবে
  • :|: | 2607:fb90:bdc2:f34:2d15:2bc5:e417:***:*** | ১৫ জুন ২০২৫ ১১:১৪732018
  • দশটা ৫৫ -- নিপীড়িত বলে কিছু হয়না। সাপেক্ষে আর প্রেক্ষিতের ঘোলা জলে সকলেই নিপীড়নকারী। তাই নিরপেক্ষ থাকাই ভালো।
  • PRABIRJIT SARKAR | ১৫ জুন ২০২৫ ১১:২৯732019
  • ওই ইসলামিক ভ্রাতৃত্ব এত তীব্র নয় যে একটা শক্তিশালী দেশের বিরুদ্ধে লড়াই এ নামবে। প্রথম দিকে অনেক মুসলিম দেশ একজোট হয়ে ইহুদি রাষ্ট্র ধ্বংস করতে চেয়েছিল। একাধিক যুদ্ধে ইসরাইল জিতে ওদের বিষ দাঁত ভেঙে দিয়েছিল। ইরান ছাড়া সব পশ্চিমের মুসলিম দেশ ইসরাইলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। ফেসবুকে কিছু বাংলাদেশির উল্লম্ফন দেখে এই ভ্রাতৃত্ব আছে মনে হতে পারে। ভারত পাক যুদ্ধে বাংলাদেশিদের ইচ্ছা ছিল সেভেন সিস্টার্স দখল করতে লড়াই করবে। ভারতের আগ্রাসন দেখে ওদের সরকার দমে গেছে।
  • কৌতূহলী | 115.187.***.*** | ১৫ জুন ২০২৫ ১৪:১০732025
  • ১১.১৪, নিপীড়নকারী থাকলে নিপীড়িতও থাকবে তো। নাহলে নিপীড়নকারী নিপীড়ন চালায় কার ওপর?
  • PRABIRJIT SARKAR | ১৫ জুন ২০২৫ ১৪:৩১732026
  • ভাতৃত্ব এর চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেশের স্বার্থ কূটনীতি। ভারতে যদি ব্যাপক মুসলিম নিধন শুরু হয় বিশ্বের মুসলিম দেশ ভারত কে আক্রমণ করবে না যদি ভারত ওই সব দেশকে রসে বশে রাখে। চীন উইঘুর দের মাথা থেকে ধর্মের ভুত নামাচ্ছে। পাকিস্তান তার জন্য প্রকাশ্যে কখনো কিছু বলেছে?
  • দীপ | 2402:3a80:198f:86cd:878:5634:1232:***:*** | ১৩ নভেম্বর ২০২৫ ১৩:৫২735737
  • মুসলমান সন্ত্রাসীরা মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করে। বিশ্বের সভ্য দেশগুলোয় মানুষ কোনও মুসলমান দেখলেই আজকাল সন্দেহ করে, এ বোধহয় সন্ত্রাসী, এ বোধহয় আত্মঘাতী বোমা! গোঁফ নেই দাড়ি আছে, বস্তিতে বাস করা কিছু অশিক্ষিত কট্টর মুসলমানকে সন্ত্রাসী বলে ভাবার দিন শেষ হয়েছে, এখন বিজ্ঞানের সর্বোচ্চ ডিগ্রি পাওয়া স্যুটেড বুটেড ডাক্তাররাও দেখিয়ে দিয়েছে তারাও চরম সন্ত্রাসী হতে পারে। বিজ্ঞান পড়ে তারা মানুষ হয় না, কারণ বিজ্ঞানের পাশাপাশি তারা ইসলামটাও পড়ে। বিজ্ঞান তাদের বলে মানুষকে বাঁচাতে, ইসলাম তাদের বলে মানুষকে মারতে। বিজ্ঞান বিশ্বাস করলে ইহলোকে আরাম আয়েশ জুটবে। কিন্তু ইসলামে বিশ্বাস করলে পরলোকে আরাম আয়েশ জুটবে। ইহলোক ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু পরলোক অনন্তকাল। পরলোকের প্রতি তাই আকর্ষণটা বেশি।

    তসলিমা নাসরিন
  • দীপ | 2402:3a80:1975:798d:678:5634:1232:***:*** | ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫২737788
  • "আমরা মুসলমান না আমরা পার্সিয়ান" এটা ধারণ না করলে ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক ধ্বংস করা যাবে না। এটা ইরানি তরুণ তরুণীরা বুঝেছে। এটা বুঝতে তাদের ইসলামী শাসনে যেতে হয়েছে। আধুনিক একটা দেশকে মধ্যযুগীয় শাসন সহ্য করতে হয়েছে। যে দেশে মাঠে গিয়ে মেয়েরা খেলা দেখতে পারতো না, মাথা খোলা রাখতে পারতো না।

    বাংলাদেশের তরুণ তরুণীরা যেদিন বলতে শুরু করবে "আমরা মুসলমান না আমরা বাঙালি" সেদিন এই দেশের মুক্তি মিলবে মৌলবাদ আগ্রাসন থেকে।

    সমস্যা হচ্ছে পার্সিয়ান ও বাঙালিদের মধ্যে পার্থক্য আছে। পার্সিয়ানরা মুসলমান হলেও কোনদিন আরবি ভাষার উপনিবেশ গ্রহণ করেনি। অগ্নি উপাস্য থাকার সময় তারা প্রার্থনাকে নামাজ বলেছে, উপোসকে রোজা বলেছে ইসলাম গ্রহণের পরও নিজেদের ভাষায় সেটাই বলেছে। সালাত, সওম বলেনি আরবিতে। আল্লা না বলে খোদা বলেছে। কিন্তু বাঙালি মুসলমান হওয়ার পর আরবি ফারসি উর্দু গ্রহণ করাকে মুসলমানিত্ব মনে করেছে। এদের মধ্যে যারা সাহিত্য চর্চা করে তারাই সবচেয়ে বড় মুসলমান! এখন আবার নতুন করে স্বাধীনতাকে আজাদী বলছে। বিপ্লবকে ইনকিলাব বলছে! বাঙালি জাতির বড় কোন সমস্যা আছে মনে হয় যা জেনেটিক। বাংলাদেশের হিন্দু বাঙালি ও ভারতের হিন্দু বাঙালি ভিন্ন দুই কারণে অলরেডি কালচারাল মুসলমান হয়েই গেছে। বাংলাদেশের হিন্দুরা মুসলমান সমাজে নিগৃহীত না হতে এটা কৌশল হিসেবে নেয়, বিশেষত শিক্ষিত সেলিব্রিটি বড় চাকুরে মিডিয়া পার্সোন যারা। আর ভারতের হিন্দু বাঙালি কালচারাল মুসলমান হয় অতি লিবারেল সেক্যুলার বাম সাজতে গিয়ে বাঙালির হিন্দুয়ানীকে অস্বীকার করতে চায়।

    ©সুষুপ্ত পাঠক
  • দীপ | 2402:3a80:197f:e695:878:5634:1232:***:*** | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৪737891
  • Sweden is facing a major political debate after its Deputy Prime Minister made a strong statement about immigrants and national values. She said that those who do not integrate into Swedish society must leave the country.

    The statement highlighted serious issues like honour killings, violence, and strict religious laws, saying such practices have no place in Sweden. She stressed that everyone must follow Swedish laws and respect the country’s values.
  • albert banerjee | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:২৭737902
  • ইসলামভীতি হল ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ নামক সেই অস্পষ্ট ও অন্তহীন সংঘর্ষের অপরিহার্য আদর্শিক ইন্ধন। এই যুদ্ধ লাভবান করে একাধিক শিল্পখাতকে: অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সংস্থা, ও ‘হোমল্যান্ড সিকিউরিটি’ শিল্প-পরিসরকে।

    একীভূত ‘ইসলামী হুমকি’র প্রতি এক গভীর, অন্তর্নিহিত ভয় ছাড়া, ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট, বৈদেশিক হস্তক্ষেপ ও গৃহোত্তর নজরদারি যন্ত্রের নৈতিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি ভেঙে পড়ে। ইসলামভীতি এই পণ্য ও সেবার চাহিদাকে সৃষ্টি ও টিকিয়ে রাখে। এটি ভোটার ও আইনপ্রণেতাদের কাছে ভীতিকর এক আবেগ হিসেবে বিপণনযোগ্য করে তোলে। ফলাফল? সরকারি করের রাজস্ব—যা মধ্যবিত্ত ও শ্রমজীবী মানুষের কষ্টার্জিত অর্থ—একটি প্রবাহ হিসেবে প্রবাহিত হয় সেইসব ব্যক্তিগত কর্পোরেশনের ভাণ্ডারে, যারা নিজেরা কর ফাঁকি দেয়ার জন্য লবিং করে। একটি অদ্ভুত দ্বৈততা: যেসব প্রতিষ্ঠান কর হ্রাসের জন্য চাপ সৃষ্টি করে, তারা একটি রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা যন্ত্র থেকে লাভবান হয়, যা আবার তাদের এড়িয়ে যাওয়া কর থেকেই অর্থায়িত হয়।

    তদুপরি, ইসলামভীতির অজুহাতে তৈরি গৃহোত্তর নিরাপত্তা রাষ্ট্র শুধু মুসলিম সম্প্রদায় নয়, বরং সকল নাগরিকের নজরদারিকে স্বাভাবিক করে তোলে। এর প্রভাব পড়ে প্রতিবাদের সংস্কৃতিতে, যার মধ্যে অর্থনৈতিক ও শ্রমিক অধিকারের আন্দোলনও অন্তর্ভুক্ত। মুসলিমদের লক্ষ্য করে তৈরি সরঞ্জাম ও আইনী যুক্তি (যেমন প্যাট্রিয়ট অ্যাক্ট) পরিবেশবাদী কর্মী, অধিকার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধেও প্রয়োগ করা হয়েছে। একটি নজরদারির মধ্যে থাকা, ভীত সমাজ কর্পোরেট ক্ষমতার বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে সংগঠিত হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

    একটি উচ্চ মুনাফা, কর-ফাঁকিবাজ পুঁজিবাদ তার সাফল্যের জন্য একটি নমনীয়, পরিবর্তনযোগ্য ও অধিকার-বিহীন শ্রমশক্তির উপর নির্ভর করে। ইসলামভীতি এই লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করে সার্বজনীন মানবিক ও নাগরিক অধিকারের ধারণাকে ক্ষয়시키ার মধ্য দিয়ে। যখন কোনো সমাজ মান্য করে যে ধর্ম বা উৎসের ভিত্তিতে একদল মানুষের উপর বিশেষ নিবন্ধন, ‘নো-ফ্লাই’ তালিকা বা বৈষম্যমূলক পুলিশি তৎপরতা চালানো যাবে, তখন সকলের জন্যই অধিকারের ভিত্তি দুর্বল হয়ে পড়ে।
     
  • albert banerjee | ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ২২:৩২737903
  • কারো জবাবের অপেক্ষায় আছি?
  • দীপ | 2402:3a80:1971:18ed:578:5634:1232:***:*** | ১৪ মার্চ ২০২৬ ২৩:৪৬739181
  • The Telegraph reports certain schools are being warned that children’s drawings could be considered 'blasphemous' under Islamic law. They're also told music and dance classes could be 'contrary' to the teachings of Islam.

    I am absolutely sick of this, to be entirely honest.

    Rupert Lowe
    MP, Great Britain
  • দীপ | 2402:3a80:198b:eb73:678:5634:1232:***:*** | ১৭ মার্চ ২০২৬ ১০:৫০739224
  • “ একাত্তরের রাজাকারগুলো অনেক ভালো ছিল আজকের গুলোর থেকে, সেগুলোর ছদ্মবেশ ছিলো না, দেখলেই চেনা যেতো।
    আজকের রাজাকারগুলো ব্ল্যাক ম্যাজিক চলচ্চিত্রের শয়তানের মতো, প্রথম যখন দেখা হয় মনে হয় একান্ত আপনজন, কিন্তু কিছুক্ষন পরেই তার ভয়ংকর মুখটি দেখা যায়।”

    – হুমায়ুন আজাদ
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল প্রতিক্রিয়া দিন