এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পরাণ বাগ্দী - ১২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৯ জুন ২০২২ | ৯০৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • খালি খাতা জমা দেবার কথা শুনে কলতান বলল, ' এ..টাই আমি ভাবছিলাম। গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়ে তুই যে রোবট হয়ে যাসনি এটা প্রমাণ হল। সোদপুরে শান্তনীড় আবাসনে ইনভেস্টিগেট করতে গিয়ে আমারও এরকম রেভেলেশান হয়েছিল। ঠিক আছে ... নেভার মাইন্ড ... যা করেছিস বেশ করেছিস ... তুই পারলে কাল সকালের দিকে একবার আয় ... '
    মৌসুমী মৃদুস্বরে বলল, ' আ..চ্ছা '
    ফোন রেখে দেবমাল্যর দিকে ফিরল কলতান।
    ----- ' মৌসুমী ওভারলোডেড হয়ে গেছে। লোড থেকে রিলিভ করতে হবে এনিহাউ ... বুঝলে ?
    ----- ' হ্যা ... ঠিক কথা ... '
    ----- ' তুমি হিয়ারিং-এর ডেটটা বার করার চেষ্টা কর ... '
    ----- ' কালই ডেট জেনে যাব আশা করি ... '
    ----- ' এভিডেন্স তোমার হাতে তুলে দেব এর কয়েকটা কপি বার করে নিয়ে। আমার কাজ এখানেই শেষ। কারণ এটা বিচারাধীন প্রক্রিয়া। এবার বাকি কাজ তোমাদের, মানে আইনজীবিদের। তোমার সিনিয়রের সঙ্গেও কনসাল্ট করতে পার ‌... '
    ----- ' অ্যবসোলিউটলি ... এখন ডিসাইড করতে হবে মৌসুমীর ভয়েস পার্টটা রাখা হবে কি হবে না ... ' দেবমাল্য বলল।
    ----- ' সেটা ভেবে দেখ কোনটা লস্যুটের দিক থেকে টেনেবল হবে ... তবে আমার মনে হয় রেকর্ডেড ম্যাটারটা এডিট করলে ইস্যুটা কমপ্লিকেটেড হয়ে যাবে ‌... তার চেয়ে এটা ইনট্যাক্ট রাখাই ভাল। মৌসুমী দরকার পড়লে কোর্টে অ্যপিয়ার করবে। আমরা তো ওর সঙ্গে আছি। ও সোজাসুজি সবকিছু বলে দিলে, মানে ফ্যাকচুয়াল অ্যন্ড স্ট্রেটফরোয়ার্ড স্টেটমেন্ট দিলে ফেভারেবল টার্নঅ্যরাউন্ড হতে বাধ্য মামলাটায় ‌... '
    ------ ' ও শিওর ... এই মেটিরিয়াল সাবমিট করার পরও যদি লোয়ার কোর্টের ভার্ডিক্ট কমিউটেড না হয়, আমি আর এই পেশায় থাকব কিনা চিন্তা করতে হবে ... '
    ---- ' না না ... এত পেসিমিস্টিক হচ্ছ কেন তুমি ? আমি মোস্ট অ্যসার্টিভলি বলছি এ কেস আমরা জিতবই। আমার হাতে আর একটা এস্ উইটনেস আছে ... দরকার পড়লে প্লেস করব ... '
    ----- ' কে ... ? '
    ----- ' সেটা সময় এলে ... '
    কলতানের কথা শেষ হবার আগেই মৌসুমী আবির্ভূত হল। তার সঙ্গে এক ক্ষুদে। ক্ষুদের নাম গুল্টু।
    মৌসুমীর ভাব ভঙ্গীতে কোন মানসিক জড়তা বা চাপের লক্ষ্মণ দেখা গেল না। গুল্টু তার স্বভাবসিদ্ধ অভ্যাসে ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র নেড়েচেড়ে দেখতে লাগল।
    কলতান মৌসুমীকে সাবলীল অবস্থায় দেখে মনে গভীর স্বস্তি পেল।
    ------ ' কি রে ... দুই তো দিব্যি আছিস। আমি কিন্তু বেশ চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম ... '
    মৌসুমী অবাক হয়ে বলে, ' কেন স্যার ... কাল আপনাদের কথা রাখতে পারিনি বলে ? ' কলতান কোন কথা না বলে মৌসুমীর দিকে তাকিয়ে রইল তার বাকি কথাগুলো শোনার জন্য ...
    ' ... আসলে অতটা হার্শ হতে পারলাম না ... ওটা একটু বাড়াবাড়ি হয়ে যেত বলে মনে হল ... তুরুপের তাস তো হাতে পেয়েই গেছি ... কি দরকার প্রয়োজনের বেশি কিছু করার ... ভুল কিছু বললাম স্যার ? '
    ------ ' ও ...হ্যা ... মানে, ঠিকই বলেছিস ... অতিরিক্ত কিছু করার দরকার কি .... আইন আইনের পথে চলবে ... আননেসেসারি হার্শনেস এড়িয়ে চলাই উচিৎ ...'
    ------ ' আমার ছোট বুদ্ধিতে যা বুঝেছি তাই বললাম স্যার ... '
    ----- ' কোন ভুল নেই তোর বোঝায় ... এখন একটা সোজা কথা বলতো ... কোর্টে হাজিরা দিতে হলে তোর আপত্তি নেই তো ..... '
    ----- ' না না ... আপত্তি কেন থাকবে ... একটা কাজ শুরু করেছি ... শেষ তো করতেই হবে ... পরাণ বাগ্দীর কথা আমার সব সময় মনে হয় ... যতদিন না ও মুক্ত হচ্ছে আমি লড়াই ছাড়ব না ... '
    ----- ' জানি ... '
    ----- ' কি স্যার ... '
    ----- ' জানি যে তোর এ স্পিরিট আছে। তোর সাহায্য ছাড়া আমরা একচুলও এগোতে পারতাম না ... '
    মৌসুমী চুপ করে বসে রইল।

    এর দিন সাতেক পরে হাইকোর্টে শুনানির দিন পড়ল। সেখানে যথাযথভাবে এ মামলার যাবতীয় প্রেক্ষাপট এবং এতদিন ধরে ভুল পথে মামলার অগ্রগতির বিরুদ্ধে জোরালো সওয়াল
    রাখার পর তার বহ্মাস্ত্রটা, মানে বসন্তর স্বীকারোক্তি ধরে রাখা ছোট্ট যন্ত্রটা সম্পূর্ণ অসম্পাদিত অবস্থায় বিচারকের হাতে তুলে দিল দেবমাল্য। দেবমাল্য তাদের মোডাস অপারেন্ডি হিসেবে মৌসুমীকে কাজে লাগানোর কথাও গোপন করল না।
    স্থানীয় থানার মাধ্যমে হৃদয় মন্ডলের বাড়িতে কোর্টে পরবর্তী শুনানীর দিনে পিতা পুত্রের হাজির হবার সমন যখন এসে পৌঁছল তখন বেলা দেড়টা বাজে। আকাশে গনগনে রোদ্দুর।
    হৃদয় মন্ডল সুশীল আর গোবিন্দর সঙ্গে বসে পরবর্তী পথসভার দিন ক্ষণ নিয়ে আলোচনায় ব্যস্ত ছিল। এইসময়ে সিল করা খামে কোর্টের সমন এল। আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটায় ভীষণ বিরক্ত হয়ে হৃদয় খাতায় সই করে খামখানা নিল। বলল, ' আবার বোধহয় ট্যাক্সের ঝামেলা ... আমাদের উকিলটা যে কি করছে ... ব্যাটা বসে বসে গাদা গাদা টাকা খাচ্ছে .... ও : ... বসন্ত ... এ..ই বসন্ত ... এদিকে আয় তো একবার ... '
    হৃদয়ের মতে তার ছেলে এমনিতে মাথামোটা হলেও এসব ব্যাপার বোঝে ভাল।
    বারবার ডাকার পর বসন্ত বিরক্ত মুখে সেখানে হাজির হল। তার সঙ্গে দেখা সাক্ষাতের ব্যাপারটা মৌসুমী গত পনের দিন ধরে ... কখনও মায়ের শরীর খারাপ, কখনও পড়ার চাপ ... এইসব নানা অজুহাতে এড়িয়ে যাওয়ায় তার মন মেজাজ এমনিতেই তেঁতো হয়ে আছে। পরশুদিন বলল ---- অত অস্থির হচ্ছ কেন ? ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় দেখা হবে। তার ওপর এইসব ডাকাডাকি হাঁকাহাঁকি ...
    ------ ' কি ... কি হয়েছেটা কি ? তখন থেকে চেল্লাচ্ছ কেন ... একটা কাজ করছি ... '
    কাজ বলতে মৌসুমীর মোবাইল নম্বরটা কাল থেকে কি করে ব্লক হয়ে গেল এবং নানা চেষ্টা করেও কেন খোলা যাচ্ছে না সেটা বার করার চেষ্টা চালাচ্ছিল।
    ----- ' এই এটা দিয়ে গেল ..... দ্যাখ তো খুলে ... যত্ত ঝামেলা ... '
    বসন্ত বেজার মুখে ওপর দিকে সরু করে খামটা ছিঁড়ে ভিতরের কাগজটা বার করল। ওপর থেকে তলা পর্যন্ত পড়তে পড়তে একসময়ে পড়া শেষ হয়ে গেল। তার হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেল মুহুর্তের মধ্যে। রুদ্ধশ্বাসে আরও একবার পড়ল।
    তার মুখ দিয়ে একটা অস্ফূট আর্তনাদ বেরিয়ে এল ---- ' এ কি ! ... '
    গত পরশুদিন মৌসুমীর বলা কথাটা তার মনে পাক খেতে লাগল ----- ' অত অস্থির হচ্ছ কেন ... ঠিক সময়ে ঠিক জায়গায় দেখা হবে ... '
    দমকা হাওয়ার মতো উড়ে এল নারকেল গাছের সারিওয়ালা কুলতলার মাঠটার স্মৃতি যেখানে বসে মৌসুমী একটা ঘাসের ডগা ছিঁড়ে দাঁতে কাটছিল আনমনে ...
    সুশীল আর গোবিন্দ গতিক তেমন সুবিধের নয় আন্দাজ করে বলল, ' এখন তা'লে আমরা আসি হৃদয়দা ... আবার পরে কথা হবে'খন ... '
    *********** ********** ************
    থানার আই সি স্বরূপ রাউথ হাইকোর্টে পার্টি হতে রাজি হয়েছেন স্বতপ্রণোদিতভাবে। তিনি শুনানির পাঁচ দিনের মাথায় এজলাসে দাঁড়িয়ে বয়ান দিলেন যে, চক্রবর্তীপাড়ায় শিবমন্দিরের পিছনের বড় পুকুরের জলের তলায় অনন্ত মন্ডলকে খুন করার ধারালো অস্ত্রটা আছে। ওটা খুনের দিন রাত্রে পুকুরের জলে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল এই খুনের মামলার অন্যতম অভিযুক্ত বসন্ত মন্ডল। আদালত অনুমতি দিলে এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করা যেতে পারে।
    এ ব্যাপারে এজলাস রেজিস্টারে সাক্ষীর নামটা নথিবদ্ধ করা হল। সাক্ষীর নাম সত্যবান সামন্ত। বয়স আট বছর। লিংগ -- পুরুষ ইত্যাদি ইত্যাদি ...। রেজিস্টারে লেখা থাকল না, তার স্মৃতির তীক্ষ্ণতা এবং সত্যকথন প্রবণতা সম্পর্কিত কোন তথ্য।
    কলতানের জায়ান্ট ম্যাগনেটের প্রস্তাব স্বরূপবাবু আদালতে তুলেছিলেন। কিন্তু প্রযুক্তিগত সংস্থানের অভাবে তা বাতিল হয়ে গেল। বিচারপতি আটচল্লিশ ঘন্টার মধ্যে পুকুরে ডুবুরি নামাবার নির্দেশ দিলেন।

    গুল্টুকে তার বাবা কোলে করে সাক্ষীর কাঠগড়ায় তুলে দিল। দেবমাল্য পরম কৃতজ্ঞতায় গুল্টুর বাবা দিবাকরের হাত চেপে ধরল।
    গুল্টু তার নির্বিকার এবং নির্ভেজাল অকপটতার জন্য অনেকের কাছেই পরিচিত। আদালতের কাঠগড়াতেও তার বিন্দুমাত্র ব্যতিক্রম হল না। সে তিনবছর আগে মাঝরাতে বাবার কোলে চড়ে হিসু করতে গিয়ে কি দেখেছিল তার হুবহু বর্ণনা দিল এতটুকু হোঁচট না খেয়ে। স্বরূপবাবুর অবশ্য চিন্তা হতে লাগল যদি পুকুরের তলা থেকে অস্ত্রটা উদ্ধার না হয় তাহলে 'কনসিকোয়েন্স ' টা কি দাঁড়াবে ভেবে। তারপর ভাবলেন একেবারে কোন সম্ভাবনা না থাকলে কলতান গুপ্ত নিশ্চয়ই তাকে প্ররোচিত করতেন না।

    হৃদয় এবং বসন্তকে কোর্ট সমন পাঠিয়েছে তিনদিন পরে হাজিরা দেবার জন্য। বিচারকের নির্দেশ অনুসারে বসন্ত মন্ডলের গলার আওয়াজ রেকর্ড করা হবে। তারপর দেবমাল্যর দেওয়া ডিভাইসের সঙ্গে ল্যবরেটরিতে পাঠানো হবে নিশ্চিতকরণের জন্য।
    যথারীতি হৃদয়দের উকিল পনের দিন সময় চাইল মক্কেলের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে। জজসাহেব সাতদিন সময় অনুমোদন করলেন।

    একসপ্তাহ বাদে ওই দিনই মৌসুমীরও আদালতের কাঠগড়ায় বয়ান দিতে আসার কথা। কলতান স্বরূপ রাউথকে জানাল, ' মৌসুমীর কিন্তু ক'দিনের জন্য পুলিশ প্রোটেকশানের দরকার হবে ... দে আর সো ডেঞ্জারাস ... '
    স্বরূপবাবু বললেন, ' সে আর বলতে ... জাজ তো আগেই, যেদিন ডিভাইসটা সাবমিট করা হল, সেদিনই এই অর্ডারটা দিয়ে দিয়েছেন ... '
    ( আগামী পর্বে সমাপ্য )
    ************************************************************************************

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন