দুটি লেখা : শর্মিষ্ঠা রায়
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ২৫ আগস্ট ২০১৬ | ২২৩৩ বার পঠিত
এমন এক বিচিত্র সময়ে কী করছিলেন নবারুণ? যে মৃত্যু উপত্যকাকে নিজের দেশ বলে মানতে তীব্র অস্বীকার করেছিলেন তিনি, সেই মৃত্যু উপত্যকাই তাঁর সাহিত্যের জরুরি মোটিফ হয়ে রইল সারা জীবন। বহু ব্যর্থতা, অনাচার, জীর্ণ পোকায় কাটা অস্তিত্ব দেখেও আমরণ বামপন্থায় আস্থা হারাননি তিনি। তাঁর সাহিত্যের পাত্ররা তাই সময়মতো পাল্টে নিয়েছে নিজেদের একটু একটু করে। হারবার্টের বিনুর মতো তারা আর গুলি খেয়ে মরার মতো বোকামি করে না। ভূতের সঙ্গে কথা বলে বলে ক্লান্ত হারবার্ট কবজির শিরা কেটে বরফ জলে হাতটা ডুবিয়ে দিয়েছিল। তার বিছানার নীচে রাখা ডিনামাইট চুল্লির ভিতর বিস্ফোরণ ঘটিয়ে কী হুলুস্থূল বাধিয়ে দিল তা আর দেখে ওঠা হয়নি হারবার্টের। অতখানি কল্পনাশক্তিও ছিল না তার।
অন্তর্জলি যাত্রায় অপেক্ষমান যাত্রী : শর্মিষ্ঠা রায়
বুলবুলভাজা | আলোচনা : অর্থনীতি | ১০ আগস্ট ২০২১ | ৪০৯৯ বার পঠিত | মন্তব্য : ১৪
লাইফ ইনশিওরেন্স কর্পোরেশন, মানে এলআইসির কথাই বলছি। সেই মানুষটির কথা ভাবুন - অফিস-ফেরত এক-কাপ চায়ের খরচ বাঁচিয়ে, সস্তা সাবানে দাড়ি কামিয়েও, প্রতিটি পাই-পয়সা তুলে রেখেছেন প্রভিডেন্ট ফান্ডে - যাতে শেষ বয়সে টাকার জন্য বৃদ্ধ মা-বাবার চিকিৎসা, ছেলেমেয়ের উচ্চশিক্ষা - আটকে না যায়। কোনও এক শুভ্র, নির্মল সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি তিনি জানতে পারেন - এই প্রতিষ্ঠানগুলি বেমালুম ভ্যানিশ হয়ে গেছে, তাহলে তো তাঁর মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ারই কথা।
হ্যাঁ, এটাই ঘটতে চলেছে। আমাদের আপাত-নিশ্চিন্ত জীবনযাপনের আড়ালে নিঃশব্দে মাথা তুলেছে এক সর্বগ্রাসী সর্বনাশের আয়োজন। পড়তে থাকুন...