মামাবাড়ি ভারি মজা : শঙ্খ কর ভৌমিক
বুলবুলভাজা | গপ্পো | ১৪ নভেম্বর ২০১১ | ১৩৯৯ বার পঠিত
আমার বাবা আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে চিরকালই খুব সাবধানী। তার ফলে, সাইকেল চড়া থেকে সাঁতার- সবই আমি শিখেছি নির্ধারিত বয়েসের চেয়ে অনেক দেরিতে। পৃথিবীর ইতিহাসে আমিই সম্ভবত: একমাত্র মানুষ, যে ভারত মহাসাগরের জল মগে করে মাথায় ঢেলে স্নান করেছে। এহেন আমি মামাবাড়ি যাওয়াটাকে স্বাভাবিকভাবেই বহুবিধ অ্যাডভেঞ্চারের ছাড়পত্র পাওয়া বলে ধরে নিতাম। দাদুভাইয়ের প্রশ্রয়ে এবং উৎসাহে যেসব জিনিস জীবনে প্রথমবার করেছি তার মধ্যে ছিল সত্যিকারের খেলনা স্টিম ইঞ্জিন তৈরী করা, অন্ধকার ঘরে লন্ঠন জ্বেলে শ্যাডোগ্রাফি, মাটি দিয়ে ব্লক বানিয়ে খেলনা ছাপাখানা, নিজের হাতে তুবড়ি জ্বালানো। এমনকি একবার বাঁশ আর কাঠ দিয়ে নিজের হাতে বানিয়েছিলাম আস্ত একটা ঘর যার মধ্যে আমি নিজে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পর্যন্ত পারতাম। বাবাকে নিজের হাতে চিঠি লেখাও ওই মামাবাড়ি থেকেই প্রথম।
আমার পুজো : শঙ্খ কর ভৌমিক
বুলবুলভাজা | আলোচনা : বিবিধ | ২৯ মার্চ ২০১০ | ১৩৯৬ বার পঠিত
প্রতি বছর পূজো আসে, বাবার সঙ্গে নতুন জুতো কিনতে যাই। নতুন জুতো পরে বিছানার ওপর হাঁটাহাটি করি, কেউ বকে না। এলাকায় বারোয়ারী পূজো মাত্র দুটি, তারা বছর বছর নিজেদের মধ্যে রেষারেষি করে উঁচু উঁচু মূর্তি তৈরী করে- এ বছর এদের বারো হাত ঠাকুর তো ও বছর ওদের চৌদ্দ হাত প্রতিমা।