দেড়শ আসনে সিপিএম-তৃণমূল জোট হোক : কল্যাণ সেনগুপ্ত
বুলবুলভাজা | ভোটবাক্স : বিধানসভা-২০২১ | ১৫ জানুয়ারি ২০২১ | ৪০০৮ বার পঠিত | মন্তব্য : ১০
আব্দুস সাত্তার, আমডাঙার সিপিএম নেতা, প্রাক্তন এমএলএ এবং মন্ত্রী। কিন্তু তিনি দল বদলে কংগ্রেসে চলে গেলেন, কেন? আর সিপিএম থেকে তো বিজেপিতে যাওয়ার কোন বিরামই নেই। এর পরেও কি নীতি-আদর্শের বাগাড়ম্বর চলে? রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী কতবার দল বদলেছেন? নকশাল থেকে সিপিএম হয়ে আরএসপি এবং অবশেষে কংগ্রেস। তাঁর রাজনৈতিক জীবন কি যথেষ্ট আদর্শ মেনে চলেছে? সুতরাং, দল ভাঙানোর অভিযোগ তুলে তৃণমূলকে ব্রাত্য করে রেখে বিজেপিকে তোল্লা দেওয়া বর্তমান রাজনীতিতে হবে এক অমার্জনীয় অপরাধ।
২৪-এ হবে কর্পোরেট-সমর্থিত ধর্মীয় বিভাজনের বিরুদ্ধে দেশরক্ষার লড়াই : কল্যাণ সেনগুপ্ত
বুলবুলভাজা | আলোচনা : রাজনীতি | ২১ অক্টোবর ২০২২ | ১৯০৫ বার পঠিত | মন্তব্য : ৪
বিজেপিকে টক্কর দিতে কংগ্রেসের দায়িত্ব সবচেয়ে বেশি, প্রায় দুশো আসনে মুখোমুখি লড়াই। বাকি আঞ্চলিক দলদের অনেকটাই কম। কিন্তু বিগত ১৯-এর নির্বাচনে কংগ্রেস বিজেপির কাছে সম্পূর্ণ পর্যুদস্ত হয় এবং তার ফলেই বিজেপি এতবড় সাফল্য পায়। এটা ভাবার কোনো কারণ নেই, যে, কংগ্রেস ৫০/৫২তেই আটকে থাকবে ও আঞ্চলিক বা অন্যান্য দলেরা এতটাই ভালো ফল করবে, যে, বিজেপি ২০০র নীচেই থেমে যাবে। গণিত কিন্তু তা বলছে না।
সামাজিক সংগঠনের আন্দোলন ও কর্ণাটকের জয় : কল্যাণ সেনগুপ্ত
বুলবুলভাজা | আলোচনা : রাজনীতি | ০৮ জুন ২০২৩ | ১৭৪৭ বার পঠিত | মন্তব্য : ১
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—অনেকে জানলেও, এখনও বেশিরভাগ মানুষই জানে না, যে—এই ভারত জোড়ো অভিযান ছিল যোগেন্দ্র যাদবের ‘ব্রেন চাইল্ড’। তিনি জানতেন এই অভিযান রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে করা সম্ভব হলে সমাজে ও রাজনীতিতে তার প্রভাব হবে অপরিসীম এবং নির্ণায়ক। সেই উদ্দেশ্যকে বাস্তবায়িত করতে দীর্ঘদিন যোগেন্দ্র যাদবের টিম অসীম ধৈর্য সহকারে রাহুল, প্রিয়াঙ্কা ও তাঁদের মা সোনিয়া গান্ধীকে বুঝিয়েছেন, আশ্বস্ত করেছেন এর সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক সুফল সম্পর্কে। কারণ, কংগ্রেস নেতৃত্বের একটা বড় অংশ বিষয়টিকে খুব একটা সুনজরে দেখেননি এবং এক অজানা আশঙ্কায় এটিকে অনাধিকার চর্চা বলেই মনে করেছেন। এমনটা যে বাস্তবে সম্ভব—অনেকেই তা ভাবতে পারেননি। এই যাত্রার সাফল্য নিয়ে সংশয় ছিল খোদ রাহুলের ও তাঁর পরিবারেরও।