আল্টিমেট রোমান্স বলতে গেলে এটাই বোধহয় সেই গান। হ্যাঁ এখানে কোত্থাও 'জীবনদেবতা' বা 'তাঁকে' জবরদস্তি করে ঢোকাতে পারবেন না!একদম মানসিক প্রেম, মানসীর সঙ্গে। তবে মজার কথাটা হল পাঁচ স্তবকের এই গানের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ স্তবকদুটি এই গানে স্থান পায়নি যা কবিতায় পেয়েছে মানসী কাব্যগ্রন্থে।'বলিতে বাজিবে না নিজ কানে,চমক লাগিবে না নিজ প্রাণে।সে কথা আঁখিনীরে মিশিয়া যাবে ধীরেএ ভরা বাদলের মাঝখানে।সে কথা মিশে যাবে দুটি প্রাণে।'এবং,' আছে তো তার পরে বারো মাস;উঠিবে কত কথা কত হাস।আসিবে কত লোক কত না দুখশোক,সে কথা কোন্খানে পাবে নাশ।জগৎ চলে যাবে বারোমাস।'এই দুই স্তবক একই সঙ্গে 'যে কথা'র কথা বলছে তা যে জগৎ সংসারের চলনবলনের জন্য ... ...
এই গানের সর্বনাশ করে দিয়ে গেছেন শ্রদ্ধেয় পঙ্কজ কুমার মল্লিক। পঙ্কজ কুমার মল্লিক এই কাণ্ড এর আগে 'দিনের শেষে'র সঙ্গেও করেছেন। এমনভাবে সুরটা দিয়েছেন যে অজ্জিনাল ভদ্রলোকও সেটা করতে পারতেন কি না প্রশ্ন থেকে যায় (অপরাধ নেবেন না)। যদিও ১৯৩৭এ 'মুক্তি' সিনেমার জন্য ব্যবহৃত 'শেষ খেয়া' কবিতার শেষাংশ নিয়ে রবি ঠাকুর একটু দ্বিধাগ্রস্ত ছিলেন। কিন্তু গানটি শোনার পর আপত্তি করেননি। বরং 'চোখের জল ফেলতে হাসি পায়' জায়গাটি উনি পরিবর্তন করে দেন নিজে থেকেই, 'অশ্রু যাহার ফেলতে হাসি পায়'!অথবা ওই গানগুলো চিন্তা করুন, বাণী ঠাকুরের প্রযোজনায়, মহালয়ায় বিশেষত দুটি গানের কথা। 'ইয়া চণ্ডী' আর 'জয় জয় হে মহিষাসুরমর্দিনী'। এই দুটো স্তোত্র ... ...
এ গল্পের নায়িকার নাম বিলি। বিলি নামটা আমার মেয়ের দেওয়া।আমরা যখন রামকৃষ্ণ পুরম সেক্টর নয়-এ থাকতাম তখন এই গল্পের সূত্রপাত।বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিরছিলেন পার্শ্ববর্তিনী। হঠাৎ চমকে ওঠেন পায়ের কাছে কেউ একটা বেড় দিয়ে ঘুরছে। রোঁয়া রোঁয়া গাঁ! শাপ ভেবে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখেন কুট্টি একটা বেড়াল। মুখের দিকে তাকিয়ে ম্যাও করছে আবার ঘুরছে। হাত দিয়ে তুলতে যেতেই পালিয়ে গিয়ে শুকনো ড্রেনে ঢুকে গেল সে। মনে হয় কুট্টি বয়সেই মাকে হারিয়েছে।এভাবেই পার্শ্ববর্তিনীর সঙ্গে আলাপ হয়ে গেল, তিনি আমাদের সঙ্গেও আলাপ করালেন। কিন্তু আদর করতে গেলেই পালিয়ে যায়। তারপর কী হল বেশ কিছুদিনের মতো গায়েব হয়ে গেল!আমাদের ফটিক, আমাদের আদা! এই নিয়েই সময় ... ...