এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • মঙ্গল পাণ্ডের শাহাদাত

    upal mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ এপ্রিল ২০২৬ | ৩৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • মঙ্গল পাণ্ডের শাহাদাতের সাংকেতিক তাৎপর্য আছে বলে গদরের সেনানী আর ফিরিঙ্গী দমনকারী সবাই মানে। তাঁর নামের অপভ্ৰংশ - পান্ডি বলতে সাহেবরা সাধারণভাবে বিদ্রোহী সেপাই বোঝাচ্ছে। তাই মঙ্গল পাণ্ডে এক নন। লাখো মঙ্গল আছে ।

    ইতিহাসকার জন উইলিয়াম কে হুগলী নদীর পাড়ে কোম্পানি ফৌজের প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের কেন্দ্র এক স্নিগ্ধ, আনন্দময়, বসবাস উপযোগী সেনা ছাউনি হিসেবে ব্যারাকপুরের বর্ণনা করলেন। কলকাতা শহরের ধুলো আর চিৎকার চেঁচামেচির ষোল মাইল দূরে ওখানে দুদণ্ড শান্তিতে কাটাতে অসামরিক সাহেব–মেমও আসে ফুর্তির লোভে। ঊনিশ নম্বর নেটিভ ইনফ্যান্ট্রি ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার দুদিনের মাথায় সেই সাহেবি গ্যারিসন টাউন বদলে গেলো।

    সেদিন সকাল থেকে সব যখন ঠিকঠাকই চলছে হঠাৎই বিকেল চারটে নাগাদ চৌত্রিশ নম্বর নেটিভ ইনফ্যান্ট্রির জনৈক সেপাই মঙ্গল পাণ্ডেকে তলোয়ার-মাস্কেটে রণসাজে সেজে, ভাঙে চুরচুর হয়ে রেজিমেন্ট্যাল ময়দানে দেখা যাবে। ফিরিঙ্গী ফৌজি উর্দি গায়ে চাপিয়ে পাতলুনের বদলে ধূতি পরেই তিনি চলে এসেছেন আর নিজেই কম্যান্ডারের মতো হুকুম করছেন প্যারেডের ব্যান্ড বাজাতে আর দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন মাঠময়। ব্যান্ডবাদক বুঝতেই পারে না কিসের ব্যান্ড বাজবে আর তার আদেশ এক দেশী সেপাইবা দিতে যাবে কেন, এক নেটিভ সেপাই, যার কাজ হলো সাহেবদের হুকুম তামিল করা সে হঠাৎ হুকুম দেবে কেন? সেসব তো গেলো ছবির কথা, সম্ভাব্য যা দেখা গিয়েছিল সেদিন কিন্তু মঙ্গল পাণ্ডে কী কিছু বলছিলেন, বলেই চলেছিলেন যার মানে আছে, নইলে আর হুমুকবরদারি হবে কী করে? মঙ্গল পাণ্ডে যা বলেছিলেন তার লক্ষ্য ছিল সুস্পষ্ট, তার লক্ষ্য ছিল দেশী সেপাইরা, “সামনে আয়, ব্যাহেনচোতরা, সাহেবরা আসছে ! তোদের ধম্মের কসম ! ওই কার্তুজ কাটলে জাত-ধম্ম সব যাবে! তৈয়ার হো! বেরিয়ে আয় সব্বাই! তোরা আমাকে তাতালি ব্যাহেনচোতরা, নিজেরা কেটে পড়বি !” "সামনে আও রে ব্যাহেনচোদওয়া, সাহেব লোগ আইল হই! তোর ধরম কসম! ওই কার্তুজ কাট দিলে জাত-ধরম সব নাস্ত হো যাই! তৈয়ার হো যা রে! সব বাহার নিকল আও! তোরা হামারে তাতালি ব্যাহেনচোদ বোলতা, আপনা কাট কে পলাই যাইহা!"

    মঙ্গল পাণ্ডেজির আহ্বান ব্যারাকপুর সেনা ছাউনির তৈরি করা সাহেবী কেতা,কলোনির কেতাকে পেড়ে ফেলতে লাগে। আর সাহেবরা ছেড়ে দেবে কেন? আশপাশের পাহারায় যে সেপাইরা ছিল তারা কেউ কিছু বলছে না মঙ্গল পাণ্ডেকে কিন্তু তাঁর সঙ্গে ভিড়ে যাবারও কোনো লক্ষণ দেখা যায় না সেপাইদের মধ্যে। এ ধরণের খুল্লাম খুল্লা চেতাবনি দেওয়া সেপাইদের পক্ষে অত্যন্ত গর্হিত এরকমও মনে করে থাকবে কেউ কেউ আর তাদেরই একজন জনৈক নায়েক গিয়ে সার্জেন্ট মেজর হিউসন কে রিপোর্ট করে, “স্যার এক ভয়ানক কাণ্ড!”
    • কী ?
    • সেপাই মঙ্গল ভাঙ খেয়ে মিউটিনির কল দিচ্ছে হুজুর।
    • - কিসের কল ?
    • - মিউটিনির কল হুজুর, সে এক হুজ্জুতি কাণ্ড স্যার তলোয়ার-বন্দুক তাক করছে আর চেঁচাচ্ছে।
    • - সব্বনাশ! কী বলছে?
    • - বারবার বলছে স্যার!
    • - কিসের কথা?
    • - কার্তুজের কথা, জাত যাবার কথা হুজুর।
    • - আর তোমরা দাঁড়িয়ে দেখছো! ডরপুক! চলো দেখি!

    ফৌজি ধরাচুড়ো পরে হাতিয়ারবন্দ হয়ে হিউসন সাহেব চললেন প্যারেডের মাঠে। সেখানে প্রথমে তিনি কোম্পানির জমাদারকে ধরেন, ''এক্ষুনি পাকড়াও বেয়াদবকে!''। জমাদার আমতা আমতা করতে থাকে, "আমি কী করব হুজুর ! নায়েক গেছে এডজুট্যান্ট সাহাবের কাছে, হাবিলদার গেছে ফিল্ড অফিসার সাহেবের কাছে। আমি কী একা ধরতে যাবো হুজুর?"। হিউসন জমাদারকে সশস্ত্র সেপাই নিয়ে পিছু পিছু আসতে বলে এগোলেন। পরে তিনি বলছেন সেপাইরা আসতে গাঁইগুঁই করতে থাকে আর জমাদারও তাদের হুকুম করেনি গুলি ভরে সাহেবকে কভার করতে। এই কভার ছাড়া এগোনোর ফল হলো মারাত্মক, বেপরোয়া মঙ্গোল পাণ্ডের ছোঁড়া গুলি তাঁর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সাহেব শিউরে উঠে বেল অফ আর্মসের আড়ালে কভার নিলেন। টানটান উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিছু সেপাই মঙ্গল পাণ্ডেকে অস্ত্রসংবরণ করার কথা বোঝাতে গিয়ে গালি খাচ্ছে। এইসময় সেখানে এডজুট্যান্ট লেফট্যানেন্ট বাউ ঘোড়ায় চড়ে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি আরো ঘোরালো হয়ে উঠলো। বাউ চিৎকার করতে করতে আসছিলেন, "লোকটা কোথায়! লোকটা কোথায়!"। আড়াল নেওয়া হিউসন তাঁকে বলতে থাকেন, "আপনার বাঁয়ে স্যার! বায়ে! ডান দিকে আসুন, মারা পড়বেন যে! সেপাইটা গুলি করে দেবে!"। হিউসন যা ভাবছিলেন তাই হলো, মঙ্গল পাণ্ডের গুলি গিয়ে লেগেছিল বাউয়ের ঘোড়ার গায়ে আর সে সওয়ার নিয়ে উল্টে পড়ে। বাউ ঘোড়ার জিনের সঙ্গে লাগানো হোলস্টার থেকে একটা পিস্তল নিয়ে ছুটলেন গুলি ভরায় ব্যস্ত মঙ্গলের দিকে। বাউ কুড়ি গজের মধ্যে পৌঁছে গুলি চালালে তা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। তখন তিনি তলোয়ার বের করে তেড়ে গেলেন। অর্ধেক যেতে না যেতে মঙ্গলকেও তলোয়ার বার করে তেড়ে আসতে দেখা গেলো। বিপদ বুঝে বাউ পেছনে তাকিয়ে হোলস্টারের আর একটা পিস্তল নেবার মতলব করতে গিয়ে দেখেন ঘোড়া ছুটে পালিয়েছে। মুখোমুখি তলোয়ারের লড়াই লেগে যায় আর সেই দেখে হিউসনও খোলা তলোয়ার নিয়ে সাহায্যে এগিয়ে আসেন। পরের ঘটনা কী ঘটে তা হিউসন আর বাউয়ের সাক্ষ্য থেকে জানা যায়। মঙ্গলের তলোয়ারবাজির ওস্তাদিতে হিউসন এক আলতো খোঁচা খাচ্ছেন কিন্তু জোরে নয় সে আঘাত। মারটা খেললেন বাউ। তারপর আরেক খোঁচা খাচ্ছেন হিউসন, সেসময় কোনো অজানা এক সেপাই তাঁকে মাস্কেটের কুঁদো দিয়ে বার দুই ধাক্কা মেরে ফেলে দেয় তার পরনে ছিল রেজিমেন্ট্যাল উর্দি। তারপর হিউসন ছুটে গিয়ে মঙ্গলের কলার ধরলে তলোয়ার মারামারি শুরু হচ্ছে আর তখন আবার তাঁকে পেছন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। বাউ সাহেব বাঁ হাতে রীতিমতো অবশ করা কোপ খেয়েছিলেন ফলে এক হাতেই তাঁকে লড়তে হচ্ছিল। আবার তিনি গলায় জোরালো কোপ খাচ্ছেন আর পেছন থেকে কেউ তাঁকে মাস্কেটের কুঁদো মেরে মাথায় আঘাত করছে। দুই সাহেব হয়তো মারাই পড়তেন যদি না শেখ পল্টু বলে এক সেপাই পেছন থেকে মঙ্গল পাণ্ডেকে পাঁজাকোলা করে টেনে ধরতো। সুযোগ বুঝে ওঁরা পালিয়ে বাঁচেন। পল্টুর হাত থেকে মঙ্গলকে ছাড়ানোর জন্য তার কানের গোড়ায় রীতিমতো বন্দুক ঠেকাতে হয়।

    ইতিমধ্যে বেল অফ আর্মসের আশপাশে অন্য রেজিমেন্টের সেপাইরাও ভিড় করে এসেছের। মেজর জেনারেল হারসির কাছে খবর হতে তিনি চৌত্রিশ নেটিভ ইনফ্যান্ট্রির, মঙ্গল পাণ্ডে যার সঙ্গে যুক্ত তার কম্যান্ডিং অফিসার লেফট্যানেন্ট কর্নেল হুইলারকে আদেশ দিচ্ছেন অবিলম্বে বাগী সেপাইকে গ্রেফতার করতে অন্যথায় গুলি করে মারতে। হুইলার জমাদারকে আদেশ করলে প্রথমে সে বলে, "কেউ রাজি হবে না স্যার"। তার দিকে কটমট করে তাকিয়ে আবার অর্ডার করতে জমাদার ঠেলেঠুলে সেপাইদের পাঠালে তারা মাঝপথে গিয়ে আবার বেঁকে বসছে। হুইলার সাহেব পরে কোর্ট অফ এনকোয়ারির সামনে জানিয়েছিলেন যে তিনি এক উর্দি না পরা নেটিভ সেপাইয়ের কাছে জানেন যে মঙ্গল পাণ্ডে ব্রাহ্মণ হওয়ায় কেউ ব্রহ্মশাপের ভয়ে ব্রহ্মহত্যার অখণ্ড নরক বাসের ভয়ে তাঁকে ধরতে এগোয়নি কারণ এগোলেই সংঘর্ষ ছিল অনিবার্য। হুইলার আরো জানাচ্ছেন যে কোনো মারমুখী সেপাইয়ের সামনে ইউরোপীয়কে পাঠিয়ে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিতে তিন চাননি। অতএব কম্যান্ডিং অফিসার হয়ে পড়েন কিংকর্তব্যবিমূঢ়।

    এরমধ্যে হাতে পায়ে রক্তমাখা অবস্থায় এক লেফট্যানেন্ট, হয়ত ঘোড়ার চড়েই হবে, হাঁফাতে হাঁফাতে আসে জেনারেল হারসির কাছে। তার অবস্থা দেখে পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে হারসির মাখায় গেলো খুন চেপে। তিনি অন্য নেটিভ ইনফ্যান্ট্রির দুই অফিসার,তাঁর দু ছেলেকে নিয়ে ঘোড়ায় চড়ে অকুস্থলে চলে এলেন। সেখানে তখন ব্রিগেডিয়ার চার্লস গ্র্যান্ট, স্টেশন কম্যান্ডার মেজর রস সহ সব হোমড়াচোমড়ারা দাঁড়িয়ে মাথা চুলকোচ্ছেন। জেনারেলকে বলা হচ্ছে সেপাইরা রাজি না হওয়ায় মঙ্গলকে গ্রেফতার করা যায়নি। এইসব দেখে ও শুনে হারসির মেজাজ নিশ্চয়ই আরো বিগড়ে গিয়ে থাকবে তিনি নিজেই পিস্তল হাতে সেপাইদের দিকে এগোচ্ছেন, ''দেখি কে কথা না শোনে!" বলতে বলতে। কেউ একজন তাকে পেছন থেকে বলেছিল, "স্যার, ওর মাস্কেটে গুলি ভরা আছে!"। হারসি বললেন,"মারো গুলি !"। তাঁর এক ছেলে সাবধান করলো, "বাবা, তোমার দিকে নল তাক করছে কিন্তু !"। উত্তরে সাহেব বলে উঠেছেন, "জন, আমাকে আগে গুলি করলে ওকে নিকেশ করবি তুই !''। এই বলে হারসি সোজা জমাদারের দিকে পিস্তল ধরে বলছেন, ''প্রথম যে আমার আদেশ অমান্য করবে যার জান যাবে! কুইক মার্চ !''। এই বলে হারসি মঙ্গল পান্ডের দিকে এগোচ্ছেন আর দেখা গেলো অন্য সেপাইরা তাঁকে কভার করতে এসে গেছে। তার দুই ছেলে জমাদারকে কভার করেছিল। টানটান উত্তেজনার মধ্যে মঙ্গল পাণ্ডের আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন দেখা গেলো যা হাসির বর্ণনা থেকে পরে জানা যাচ্ছে।আর উপায়ন্তর না দেখে মঙ্গল পাণ্ডে হাতের মাস্কেট নিজের বুকেই ঠেকিয়ে গোড়ালি দিয়ে ঘোড়া টিপে দিতে দড়াম করে গুলি বেরিয়ে বন্দুকটা ঘুরে গুলি গিয়ে বুক থেকে কাঁধ গলা ফুঁড়ে বেরিয়ে তাঁকে পেড়ে ফেলে। তাঁকে ঘিরে তখন চারপাশে এক ব্যূহ আর সেই ব্যূহ থেকে আওয়াজ ওঠে, "নিজেকে গুলি করেছে"। এক শিখ সেপাই মঙ্গলের রক্তাক্ত দেহের তলা থেকে সাহেবদের খুনে রাঙা তলোয়ারটা বার করে নিয়ে আসে। মঙ্গল পাণ্ডের তলোয়ার। তবে ওই আঘাতে মঙ্গল মরেন নি,তাঁকে হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়। যথারীতি সুস্থ করে তুলে এক অনুষ্ঠানিক বিচারে মঙ্গলের ফাঁসি হচ্ছে আটয়ই এপ্রিল বা মতান্তরে ছয়ই এপ্রিল আঠেরোশো সাতান্ন। যে জমাদারের প্রসঙ্গ বারবার এসেছে, যে খানিকটা ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিল মঙ্গল আর সাহেবদের মধ্যে, আরেক পূর্বাইয়া ব্রাহ্মণ সেই ঈশ্বরী পাণ্ডেরও বিচারে ফাঁসি হয় একুশে এপ্রিল।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন