এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব   শোনা কথা

  • পার্টস অব স্পীচ

    বোদাগু
    বাকিসব | শোনা কথা | ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩৪৩৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রাজনৈতিক 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বোদাগু | 2402:3a80:1961:1d41:178:5634:1232:***:*** | ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৭:০৪746958
  • https://www.facebook.com/share/v/1812SGdQVX/
     
    মালদার বীর সাবরেজিস্ট্রার
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৮ মার্চ ২০২৬ ০৩:৩৬746975
  • - পশ্চিম মেদিনীপুরে একটি সাক্ষাৎকার দেবার সময়ে সেলিম একটা স্পেসিফিক অভিযোগ করেছেন। একটি গ্রামের নাম করে বলেছেন সেখানকার ব্লক অফিসার, under adjudication হিসেবে নাম থাকা নাগরিকদের অন্য কাজে বাধা সৃষ্টি করছেন।
    - কংগ্রেস নেতা ঈশা খান-রা ফর্মালি বলেছেন ভোটার লিস্ট নির্ভুল না করে ভোট করা যাবে না।
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৮ মার্চ ২০২৬ ০৩:৫২746976
  • উত্তরবঙ্গ তৃণমূলের একটি হ্যান্ডল এই numbers গুলি দিয়েছে, যেগুলো মোটামুটি মেনস্ট্রীম মেডিয়াতেই রয়েছে। রানিং নাম্বার বলে প্রাকটিকালি যা খুশি বলা যাচ্ছে কমিশনের পক্ষে, তাদের ডেটার ভেরিফায়েবেলিটি তারা নিজেরাই প্রমাণ করার দায় থেকে বহুদিন সরে এসেছে।
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৮ মার্চ ২০২৬ ০৩:৫৬746977
  • বিজেপি সিএএ নিয়ে একটি বিচিত্র যুক্তি দিচ্ছে এখন যে তৃণমূল নাকি মতুয়া কার্ড বন্টনে আর হিন্দুদের সঠিক সময়ে সিএএ ফর্ম ভরতি হতে দেয় নি। সে জন্যই নাকি মতুয়ারা বিপদে।
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৮ মার্চ ২০২৬ ১১:৫১746978
  • সেলিমের হরিশ্চন্দ্রপুর সম্পর্কে মন্তব্যটা দেখা যাচ্ছে আজ আনন্দবাজার খবর করেছে। যুবসাথী প্রকল্পের ব্যাঙ্ক আকাউন্টে গতকাল থেকে টাকা ঢোকার কথা, ধর্ণা মঞ্চ থেকে এটা মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা ছল, খবর পাওয়া গেছে হরিশ্চন্দ্রপুরের ব্লক প্রশাসন, under adjudication হিসেবে দাগানো প্রায় আঠাশ হাজার আবেদনকারীকে টাকা পাঠাতে চাইছেনা। রাজ্য সরকার তাকে ওভাররাইড করবে আশা করা যায়।

    আমার বক্তব্য হল এই যে তৃণমূলের pitch, যে সরকারি কর্মচারি রাজ্য সরকারের হলে বা বিচারবিভাগের হলে কেন্দ্র নিয়োজিত মাইক্রোঅবসার্ভার হলেই নাম বাতিল কম হবে, এটা ভুল ধারনা। নতুন ফিকির হবে মাত্র। কারণ লড়াইটা মতাদর্শগত লড়াই চলছে। প্রগতিশীল অন্তর্ভুক্তি এবং ধর্মনিরপেক্ষতার প্রশিনে সরকারি কর্মচারি কোন বিভাগে কাজ করেন তার ভিত্তিতে সাংবিধানিক সিদ্ধান্ত নেবেন এবং ব্যক্তিগত বায়াস ত্যাগ করবেন, এটা আশা করার কোনো কারণ আমি অন্ততঃ দেখতে পাচ্ছিনা। একথাটা আমি বহুদিন আগেই এখানে নয় ফেসবুকে রেকর্ড করেছি। তবে আমি গুরুত্বহীন চোদু হবার কারণে সেটা কেউ পড়েনি, কিন্তু জিম নওয়াজ এর মতো বিখ্যাত এবং অল্পবয়সীদের মধ্যে আশা জাগানো মানবাধিকার কর্মী ও একই কথা বলেছিলেন সেটা আশা করি কিছু লোক পড়েছে।
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৪:০২746979
  • - চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য কমিশনের সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, ডিলিশন রিকোয়েস্ট যা পড়েছে তার তুলনায় ডিলিশন বেশি, এবং অ্যাডিশন রিকোয়েস্ট যা পড়েছে তার তুলনায় অ্যাডিশন অনেক কম এবং কোনোটারই ডেমোগ্রাফিক ডেটা নেই, এবং সেক্স রেশিও নতুন পাবলিশড লিস্টে যা আছে তার সঙ্গে অন্য সরকারি হিসেবের মিল নেই। 
    - সেলিম ও শমীক লাহিড়ি কমিশনের সঙ্গে দেখা করে বলেছেন, ষাট লাখ ভোটারকে বাদ দিয়ে ভোট হবে না। আনম্যাপড আর ডিলিটেঢ ভোটারদের নতুন হিয়ারিং এর সুযোগ দিতে হবে। এবং বাংলার জনসাধারণকে শত্রু কেন ভাবছে কমিশন। 
    - বাংলা পক্ষ, suci, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস, আইএসএফ বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, মেডিয়া মিট করছে. মমতা নিজে বিশাল ধর্ণা মঞ্চ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। 
     
    আমার প্রশ্ন হল এই ঝুল কমিশনের ফাইভ স্টার এর বিল এর পয়সা ট্যাক্সপেয়ার দেবে কেন?
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৯:৪১746980
  • তৃণমূলের হ্যান্ডল থেকে নেওয়া স্টেটমেন্টঃ 
     
    কয়েক মাস ধরে আমরা বাংলায় চলা SIR প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে বারবার আমাদের গভীর উদ্বেগের কথা জানিয়ে আসছি। কিন্তু আবেদন জানানোর পরেও সুরাহা না হওয়ায়, টানা অনিয়ম চালানোয় এবং প্রশ্নের সদুত্তর না মেলায় শেষ পর্যন্ত আমরা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হয়েছি। সুস্থ গণতন্ত্রে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার দরকারই হয় না।

    তথ্যপ্রমাণ অত্যন্ত উদ্বেগের। আগেই প্রায় ৬৩.৬ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এরপর নাম বাদের জন্য 'Form-7' জমা পড়েছিল মাত্র ৪২,২৫১টি, কিন্তু নাম বাদ দেওয়া হয়েছে ৫.৪৬ লক্ষের। অন্যদিকে, ভোটার লিস্টে নতুন নাম তোলার জন্য ৬.৩৩ লক্ষ 'Form-6' আবেদন জমা পড়লেও নাম নথিভুক্ত হয়েছে মাত্র ১.৮২ লক্ষ। এখনও ৬০ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম Under Adjudication-এ রয়েছে।

    ERO-র ক্ষমতাকে উপেক্ষা করা হয়েছে, মাইক্রো-অবজার্ভারদের ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, বৈধ সরকারি নথি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। এমনকি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশগুলোও বেআইনিভাবে দেওয়া হয়েছে।

    যখন ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়াটি অস্বচ্ছ এবং বেআইনি হয়ে ওঠে, তখন নির্বাচনী গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই বিপন্ন হয়। স্বচ্ছতা ও বৈধতা ফিরিয়ে আনতে এবং প্রত্যেক নাগরিকের ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতে নির্বাচন কমিশনকে অবশ্যই সদর্থক পদক্ষেপ নিতে হবে।
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৯:৪৪746981
  • সিপি এম এর স্মারক লিপির বয়ান: 
     
    মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)-র চিঠির বয়ান:-

    ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী)
    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি
    মুজফ্ফর আহমদ ভবন
    ৩১, আলিমুদ্দিন স্ট্রিট, কলকাতা-৭০০ ০১৬
    তারিখ: মার্চ ০৯, ২০২৬

    প্রতি,
    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার,
    ভারতের নির্বাচন কমিশন,
    নির্বাচন সদন,
    অশোক রোড, নয়াদিল্লি ১১০০০১
    বিষয়: পশ্চিমবঙ্গে ৬০ লক্ষ ভোটারের সুপরিকল্পিত ভোটাধিকার হরণ এবং সাংবিধানিক আদেশের অবমাননার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ।

    মহাশয়,
    আমরা পশ্চিমবঙ্গের এক ভয়াবহ সাংবিধানিক সংকটের দিকে আপনার জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 'স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন' (SIR) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধন ২০২৬-এর নামে নজিরবিহীনভাবে ৬০ লক্ষ ভোটারকে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' (বিচারাধীন) নামক একটি আইনি ও প্রশাসনিক শূন্যতার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই বৈধ নাগরিকদের এইভাবে 'সন্দেহভাজন' হিসেবে তালিকাভুক্ত করা কেবল একটি পদ্ধতিগত ত্রুটি নয়; এটি ভারতীয় গণতন্ত্রের পবিত্রতার ওপর সরাসরি আঘাত। 
    আমাদের বক্তব্যগুলি নিচে দেওয়া হলো:

    ১. আইনগত ‘ধূসর অঞ্চল’ তৈরি করা
    বর্তমান আইন অনুযায়ী একজন নাগরিক হয় ‘ভোটার’ অথবা ‘অভোটার’। ৬০ লক্ষ মানুষের জন্য 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' (বিচারাধীন) নামে যে অবস্থান তৈরি করা হয়েছে তার  জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে কোনো ভিত্তি নেই। উদ্বেগজনক বিষয় হল, এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মধ্যে অধিকাংশই আর্থিক ও সামাজিকভাবে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু এবং মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ। নির্বাচনের ঠিক আগে তাদের কণ্ঠরোধ করার এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্রবিরোধী। ভোটার তালিকায় ‘Under Adjudication’ নামে কোনো শ্রেণি থাকা উচিত নয়।

    ২. পরিকল্পিতভাবে নাম বাদ দেওয়া ও তথাকথিত ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ বা 'যৌক্তিক অসঙ্গতি'
    ধর্মীয় সংখ্যালঘু ভোটারদের পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়ার ঘটনায় আমরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করছি। ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ নামে যে অযৌক্তিক ও অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, তার আড়ালে সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য স্পষ্ট। বহু সরকারি কর্মচারী এবং দীর্ঘদিনের যাচাইকৃত ভোটারদের উত্তরাধিকারীদের নামও এই তালিকায় চলে এসেছে, যা এক ধরনের ডিজিটাল জালিয়াতির ইঙ্গিত দেয়। যখন বুথ লেভেল অফিসার থেকে পর্যবেক্ষক পর্যন্ত প্রশাসনিক যন্ত্র নিরপেক্ষতা ত্যাগ করে রাজনৈতিক কর্মীর মতো আচরণ করে, তখন আমাদের সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

    ৩. আপিলের অধিকারে বাধা এবং ফর্ম-৬ এর বিভ্রান্তি
    জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৪ নম্বর ধারা অনুযায়ী, প্রতিটি নাগরিকের আপিল করার সংবিধিবদ্ধ অধিকার রয়েছে।তবে 'স্পিকিং অর্ডার' বা সুনির্দিষ্ট কারণসহ প্রত্যাখ্যানপত্র না দিয়ে প্রশাসন বিচারগত প্রতিকারের পথ বন্ধ করে দিচ্ছে। তদুপরি, প্রশাসন কৌতূহলজনকভাবে 'বাতিল' হওয়া ভোটারদের নতুন করে ফর্ম-৬ পূরণ করার পরামর্শ দিচ্ছে, যা আইনত ভিত্তিহীন  কারণ তাদের পূর্ববর্তী অবস্থার নিষ্পত্তি হয়নি। অনলাইন সুবিধা হঠাৎ বন্ধ করে দিয়ে দরিদ্র নাগরিকদের অফলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার জন্য দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে বাধ্য করা এক প্রকার রাষ্ট্রীয় হয়রানি।

    ৪. প্রাতিষ্ঠানিক সততার ব্যর্থতা
    এই বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়ার পেছনে যে প্রযুক্তিগত ‘ত্রুটি’ দেখানো হচ্ছে, তার জন্য একটি উচ্চস্তরের স্বাধীন তদন্ত শুরু করা আবশ্যক। মাত্র দুইজন নিম্নস্তরের কর্মচারীর বিরুদ্ধে এফআইআর করা অত্যন্ত অপ্রতুল পদক্ষেপ।মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট ভোটার তালিকা যাচাইয়ের জন্য বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের নিয়োগ করতে বাধ্য হয়েছেন—এই তথ্যটিই ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) এবং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসন উভয়ের নিরপেক্ষতার ওপর গুরুতর প্রশ্ন তোলে।

    আমাদের দাবি
    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পবিত্রতা রক্ষার জন্য আমরা নিম্নলিখিত দাবিগুলি জানাচ্ছি—
    * সার্বজনীন অন্তর্ভুক্তি ও ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা: কমিশনকে নিশ্চিত করতে হবে যেন চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে প্রতিটি প্রকৃত ও যোগ্য ভোটারের নাম পুনরুদ্ধার ও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সমস্ত ম্যাপ করা ভোটার এবং যাচাইকৃত ফর্ম-৬ আবেদনকারীদের অবিলম্বে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
     * 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' তকমা বিলোপ: নির্বাচন কমিশনকে সরকারিভাবে জনসাধারণের কাছে ঘোষণা করতে হবে যে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' তকমাকে কোনো সরকারি সুবিধা, সহায়তা বা পরিষেবা অস্বীকার বা বিলম্বিত করার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।
    * নাম বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা
    যে সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে তাদের প্রত্যেককে লিখিতভাবে সুনির্দিষ্ট কারণ জানাতে হবে এবং আপিল করার জন্য স্পষ্ট ও সহজলভ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। অনেক ভোটার SIR প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পরেও কোনো নোটিশ ছাড়াই তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন—এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
    *ভোটদানের জন্য অবিলম্বে নাম অন্তর্ভুক্তি
    আমরা দাবি করছি যে এই ৬০ লক্ষ নাগরিকের নাম পুনর্বহাল না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন ঘোষণা করা যাবে না। প্রশাসনিক শূন্যতা বা বাহ্যিক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এড়াতে 'আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন' অবস্থায় থাকা সমস্ত ভোটারকে আপাতত ভোট দেওয়ার জন্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। প্রয়োজনে চূড়ান্ত যাচাই নির্বাচন শেষে করা যেতে পারে, কিন্তু  কিন্তু ভোট দেওয়ার অধিকার স্থগিত রাখা যাবে না।
    *চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর কঠোর নজরদারি
    সব ধরনের স্বেচ্ছাচারী অবস্থান দূর করে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর নির্বাচন কমিশনকে কঠোর নজরদারি বজায় রাখতে হবে যাতে আর কোনো প্রযুক্তিগত বা প্রশাসনিক কারচুপি না হয়।

    শেষে আমরা জোর দিয়ে বলছি, নির্বাচন কমিশনকে তার সাংবিধানিক মর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক স্বার্থে কোনো প্রকৃত ভোটারের অধিকার বলি না হয়।

    শ্রদ্ধা সহ,
    মহম্মদ সেলিম
    রাজ্য সম্পাদক
    ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী), পশ্চিমবঙ্গ

    প্রকাশ: ০৯-মার্চ-২০২৬
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ০৯ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫২746983
  • কংগ্রেসের মালদার ধর্না চলছিল পাঁচ মার্চ থেকে।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abca:b32:1fb1:a4e6:***:*** | ১১ মার্চ ২০২৬ ০৮:৫২746991
  • 2002 এর ম্যাপিং না থাকার কারণে শোনা গেছিল 58 লাখ থেকে 65 লাখ মতো লোক বাদ পড়েছিল। তো তার মধ্যে নাকি 24 লাখ মৃত, বাকিরা ঠিকানা বদল করেছে। তো কমিশন কিছু জানালো না যে, ঠিক কাদের মৃত বলে তারা মনে করছে বা কেন মনে করছে, উকিলরা অ্যাক্টিভিস্টরা বিশ্লেষকরা একসঙ্গে তালিকাটা পেলো না।

    তৃণমূল কিছু জীবিত লোককে নিয়ে প্যারেড করলো, কিন্তু গত তিন চার দশকের ডেথ সার্টিফিকেট এর ডেটা পাবলিক ডোমেনে এনে চ্যালেঞ্জ করলো না। বললো না যে দুটো মৃত তালিকা মিলছে না।

    কমিশনও বললো না যারা অন্যত্র গেছে বলা হচ্ছে, তাদের নিজেদের রেকর্ডে বা আধার রেকর্ডে কতদূর ট্রেস করা যাচ্ছে।

    এমনকি এও জানালো না, কতজন কোন জেলা থেকে হিয়ারিং এর মাধ্যমে লিস্টে ফিরেছে, আর, মৃত বা ঠিকানা বদল বলে যারা গেছে তাদের সম্পর্কে তথ্যের ক্যাটিগোরি গুলি কি কি। হিয়ারিং এ আসেনি বলে ধরে নেওয়া হল তার তথ্য নেই, অথচ তার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।

    এই ডেটার ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্ট মনে করেছে তার কথা বলার এক্তিয়ার নেই। সে শুধু পদ্ধতি নিয়ে বলতে পারে, এখন নতুন ষাট লাখ লজিকাল ডিক্রিপান্সির কাজ যে এগোচ্ছে তার কোনো স্লাইসড ডেটা নেই, কাজ কি ভাবে হচ্ছে কেউ জানে না। এবার আপীল অথরিটি নাকি তৈরি হবে, হাইকোর্ট সবটা দেখবে। ধরুন কাকদ্বীপ বা কোচবিহারের যারা বাদ পড়লো তারা আপীল অথরিটির কি ভাবে নাগাল পাবে কেউ জানে না।

    তথ্য গোপন করে, স্বাধীন যাচাই এর সুযোগ না দিয়ে কিসের ভিত্তিতে কোন কাগজ কেন বাতিল হয়েছে না বলে, ইউনিফর্ম ভাবে হয়েছে কিনা তার প্রমাণ না দিয়ে, লজিকাল ডিক্রিপান্সি বা বিএলও অ্যাপের সফটওয়ার এর বিন্দুমাত্র ভেরিফায়েবিলিটি নেই, সেটা পদ্ধতি না ডেটা সেটাই ঠিক হলো না, এখন আবার সিসিটিভির ফুটেজ পরীক্ষার আর ইভিএম পরীক্ষার সুযোগের সাধের লাউ দেখানো হচ্ছে।

    মিনিস্ট্রি অফ প্রোপাগান্ডার দরকার নেই, গোটা কমিশনের ব্যবস্থাটাই যুক্তিহীন প্রোপাগান্ডার মতো, তারা লোককে ধমকে কাজ চালাচ্ছেন। আর যাদের নাম কোনোক্রমে উঠে গেছে - বাঃ বাকিদের বেশ শিক্ষে হল। বিরোধিতা জিনিসটা প্রাইভেট লিমিটেেড হয়ে গেলো, গণতন্ত্রের ভিত্তি যে ভোটাধিকার এবং নাগরিকত্ব সেটা লোকে ভুলে গেল বা হাল ছেড়ে দিল।

    তো আজি যত বা স্টার তব আকাশে। স্বর্গারোহনের আনন্দে আপামর বগল বাজান।

    Absolutely pathetic একটা রাজনৈতিক পদ্ধতি যেখানে গণতন্ত্রের বড়াই এবং একেবারে সাধারন্যের অধিকার সংকোচন একসঙ্গে ঘটে থাকে, এবং সেটাকেই আরো গণতন্ত্রের ভিত্তি বলে ধরা হয়। হাস্যকর।
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ১২ মার্চ ২০২৬ ০২:৪৯746996
  • বাঙালিকে বস্তুত অচেনার অনন্দ দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন।

    -- আটান্ন লক্ষ কেন ম্যাপিং এর সময় বাদ গেছিল, এ এস ডিডি, অ্যাবসেন্টই, শিফ্টেড, ডেড, ডুপ্লিকেটর ভাগ কি, জেলা অনুযায়ে কি, তালিকা বা তার ডেমোগ্রাফিক বিন্যাস কি কিছু জানার উপায় নেই।

    -- দেড় মাস ধরে হিয়ারিং চলার পরে, মোট সংখ্যাটা আরো পাঁচলক্ষ বেড়ে গেলো কিন্তু জোড়ার বা বাদ দেবার আবেদন কি জমা পড়ল, বিএলও অ্যাপের কোন ভারসনে কি নিয়ম জোড়া হল, সফটওয়ার কিসের ভিত্তিতে কাজ করলো জানার উপায় নেই। রাজ্য সরকার ও কমিশন পারশ্পরিক দোষারোপ চলছে।

    -- রাজ্য সরকার ও তথৈবচ, কিছু ভুত প্যারেড করালেও, মৃতদের পৌরসভাগুলির তালিকার সংগে মিলিয়ে কিছুই আপত্তি করলো না, অন্তত ভুতের উপদ্রবের স্কেল বোঝা যায় এরকম কিছু করলো না। ডুপ্লিকেশন কিসে বোঝা গেল তার ন্যুনতম উদাহরণও দেয় নি, শিফ্টেড এর খবর এর ভিত্তি কি তারও জানার উপায় নেই। হোয়াটসায়াপে কি অর্ডার এসেছে তার নমুনা কোর্টে পেশ করা হয়েছে শুনেছি, কিন্তু কয়েকটি বেআইনি অর্ডার নিয়ে রাজ্য সরকার বা আইপ্যাক বা তৃণমূল দলের উকিলরা মানুষকে আরো জানাতে পারতেন। যে সব মৃত্যুগুলি ঘটেছে তাতে কমিশনকে দায়ী করে এফ আই আর হয়েছে কিনা পরিষ্কার না।

    -- এর পরে আরো ষাট লাখ ডিস্ক্রিপেন্সি, কিসের ভিত্তিতে, কোন নিয়মাবলীর ভিত্তিতে লজিকাল ডিস্ক্রিপান্সি হল, তার প্রতিটির সাংবিধানিক ভিত্তি কি আর প্রতিটির জেলা ওয়ারি, বিধানসভা ও ব্লক ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউশন কি এটা কোর্টে আলোচিত হলেও প্রকাশিত হয় নি। কমিশন প্রকাশ করে নি, কোর্ট তাদের বাধ্য করে নি। কমিশন সুযোগ পেলেই নির্বাচনী তালিকা করার সাবিধানিক দায়িত্বের আড়ালে লুকিয়েছে, তেমনি সেই লুকোচুরিতে কোর্টের নীরবতা তাদের সাহায্য করেছে। পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলা যায় যদি, যে ডেটা ভিত্তিক নিয়মাবলীর ভিত্তিতে ডিলিশন বা আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন করা হল তাকে নিয়ে কেন প্রশ্ন করা যাবে না, বোঝাই গেল না। গোটাটাই মনে হছে বাঙলার ভোটারেরা ধোঁয়াশায় থাকতে চেয়ে আলাদা আবেদন করেছেন।

    -- এখানেই আসে ভাষার সমস্যা, নামকরণের সামাজিক মতাদর্শের কথা আর তার ঐতিহাসিক পরিবর্তনগুলির কথা এবং অবশ্যই পরিবারের সদস্য সংখ্যার বিষয়ে বিচিত্র নিয়মের কথা, যে নিয়মের ভিত্তিতে লজিকাল ডিসক্রিপান্সি গড়া হল, তার প্রতিটির সাংবিধানিক ভিত্তি বলে কিছুই নেই, লবডংকা।

    খুবই ছিরিয়াছ, কোট প্যান্টুলুন ফাইভ স্টার হোটেলকে দুর্গ বানিয়ে রসিকতা চলছে। রসিকতাটির নাম মুসলমান, আদিবাসী, মহিলা ও রিফিউজি বিদ্বেষ। তো যাঁরা নিপীড়িত তাঁরা একটু এক হোন, অনেক তো নিজেদের মধ্যে ঝগড়া করলেন।
  • বোদাগু | 2402:3a80:1969:7641:378:5634:1232:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৬ ১৫:২৮746997
  • সাবির আহমেদ এর সাক্ষাৎকার।
     
  • বোদাগু | 2402:3a80:1969:7641:378:5634:1232:***:*** | ১২ মার্চ ২০২৬ ১৫:৩০746998
  • X_
     
    ইউটি উবে দেখুন।
  • বোদাগু | 2401:4900:62e2:d2bf:d0d7:d594:205e:***:*** | ১৩ মার্চ ২০২৬ ২১:৫৭747002
  • একটা কিছুটা আনরিলেটেড কথা:

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলের সমর্থক কিনা সেটা নিয়ে গুরুচণ্ডালির একটা ইউজার বেস এর খুব দুশ্চিন্তা। কিন্তু একটা রাজনৈতিক দলকে একজন বুদ্ধিজীবি সমর্থন করবেন কিনা এতে নতুন কি? তাতে তো তার লেখার গুণ কমে বা বাড়ে না। একজন কলমচি ব্যক্তি রাজনৈতিক ইসুতে তৃণমূলকে সমর্থন করলে সেটা অন্ততঃ প্রথম হবে না।

    আমি তো রিসেন্টলি সৈকতকে, তার পুরোনো ইমেলে এসআইআর এর বিষয়ে প্রচার করার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি। এবার একটা সমস্যা হল সে নিজগুণে নিজ যোগ্যতায় বিখ্যাত ও আলোচিত ব্যক্তি হয়েছে। এ ই পোস্টটা পড়ে কিছু লোকের মনে হতে পারে আমি তার জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করে একটু মনোযোগ আকর্ষন করতে চাইছি। এবার আমার প্রথমতঃ লিখন প্রতিভা দ্বিতীয়তঃ যশপ্রার্থনা কোনোটাই নেই, তায় চেহারাটা একটু বেশিই সাহসী ও কাছাখোলা হবার কারণে সমস্যা হল লিখে বা নেচে বিখ্যাত হবার কোনো সম্ভাবনা নেই। কিন্তু একটা পুরোনো চেনা লোককে একটা দল করা বা না করার জন্য গাল খেতে হবে কেন এটা আমি বুঝিই নি।

    বাংলায় বামেদের মধ্যেকার সিপিএম বিরোধিরা এবং কমুনিস্ট বিরোধিরা বাঙালি জাতীয়তাবাদের নামে বাঙলা মেডিয়ায় একত্র হয়েছেন, এটা পঞ্চাশ বছর আগেকার খবর। এবং 64 বা 67 ছাড়াও খাস জমি বন্টনের সময় এবং বর্গা রেজিস্ট্রেশনের সময় মধ্যবিত্তদের মধ্যে বুদ্ধিজীবিরা ছাড়াও অনেকে সিপিএম বিরোধী হয়েছেন। অনেকেই অ্যালিয়েনেটেড হয়েছেন উচ্চশিক্ষায় পার্টির পাকামির জন্য। কিন্তু তারা একই সঙ্গে আকাদেমিক ডন দের পাকামি মেনে নিয়েছেন, আবার সিপিএম সরকার সার্ভিসেস শিল্পে প্রাইভেট সেক্টরকে গুরুত্ব দিয়েছে যখন তখন একদল তার সমর্থনে এসেছেন যারা জীবনে বামপন্থী হবার কথা ভাবতেন না অন্যদিকে ইউনিয়নএ জোর দেবার সময়ে একদল পার্টিকে আঁকড়েছেন আরেক দল ছেড়েছে। এর কোনটায় আবাক হবার মতো কি আছে। সৈকতের লেখায় দেখা গেছে সে সিপিএম পার্টির সর্বভারতীয়ত্ব পছন্দ করেনি, আমরা অনেকেই পার্টির অতিস্থানীয় হওয়া পছন্দ করিনি এবং মনে করেছি কলোনী পলিটিক্স থেকে বেরোনোর সময় এসেছে এবং অনেকেই সেটা মনে করেন নি। কি করা যাবে। এর কোনটার জন্য একজন প্রতিভাবান মানুষের উপরে রাগ করা যায়? যত আজে বাজে। আরেকটা কথা পরিষ্কার করি আমি গুরুচন্ডালিকে খুব ইন্টারেস্টিং প্রকাশনা বলে মনেই করিনা যদি ও তাদের এক দুটো বই আমার বেশ ভালো লেগেছে। আমি নিজে যদি কখনো লেখা ছাপার জন্য লিখি গুরুচণ্ডালি বা তার অ্যাফিলিয়েট কোনো অর্গানা ইজেশনের সঙ্গে লেখা জীবনে ছাপাবো না। আই জাস্ট ডোন্ট লাইক দেয়ার ম্যানিফেস্ট এডিটোরিয়াল ডিসিশনস অ্যান্ড প্রসেসেস। আই ডোন্ট থিঙ্ক দে আর ইন্টারেস্টিং। কিন্তু তাতে কি এসে যায় আমি তো জয়েস না। বরঞ্চ সৈকত ব্যক্তিগত ভাবে গুরুচণ্ডালিকে ছাপিয়ে তার বিতর্কিত অবস্থান নিয়ে লেখালিখি করে মানুষকে এসআইআর এর বিরুদ্ধে ভাবাতে পারলে আমি খুশিই হব। এবং অনেক তরুন গুরুসহ ইন্ডি পাবিলিশিংকে বেছে নিলে অখুশি হবারই বা কি আছে। যশপ্রার্থনাফ ট্রিপটা তো আলাদা বিষয়।

    এটা কেন লিখলাম জানি না, কিন্তু এত কমন বন্ধুদেরকে জাগোবাংলায় একটা ফেসবুক পোস্ট ছেপে দেওয়ায় এত দুশ্চিন্তা করতে দেখলে বা এমনকি একটি ছেলে একটা রাজনীতি করলে এত দুশ্চিন্তা কেন মানুষ কেন করছে এটা বুঝিনি। একজন ডাক্তার কেন বিজেপি এটা নিয়েই বা ভাবার কি আছে। একি নতুন নাকি। গোল্ড মেডেল বর্গ বিজেপিতে যাবেন না অথচ সময়টা একবিংশ শতক হবে এটাই অস্বাভাবিক। যার যা পছন্দ। আমি সিপিএম এর 'মধ্যমান' সমর্থক আমি আর যাই করি আনন্দবাজার গোত্রীয় কিসু করব না। :-)))
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abca:865:e44:f7a1:***:*** | ১৪ মার্চ ২০২৬ ০৬:১৬747007
  • বিখ্যাত গতযৌবন চাটুজ্যে সাবর্ণ বাঁড়ুজ্যে এবং বম্বে থেকে আগত কৃতি কেউটেরা সকলে ই স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপিকে চাইছেন। কারণ আক্রমণটা সর্বস্তরের মুসলমানের আর নীচু জাতের রিফিউজি আর গরীব আদিবাসি রাজবংশীদের বিরুদ্ধে। তদুপরি দাড়িবাবু ও পর্যায়ক্রমে টাকদা আসছেন ও আসবেন বাংলা ভাষা শুনে ই কিকরে বোঝা যাচ্ছে কি ডেমোগ্রাফিক পরিবর্তন হচ্ছে সেটা বোঝাতে, খুব স্বাভাবিক ভাবে ই এক বিন্দু বাঙলা না জেনে।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abca:865:e44:f7a1:***:*** | ১৪ মার্চ ২০২৬ ০৬:১৭747008
  • বিখ্যাত গতযৌবন চাটুজ্যে সাবর্ণ বাঁড়ুজ্যে এবং বম্বে থেকে আগত কৃতি কেউটেরা সকলেই স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপিকে চাইছেন। কারণ আক্রমণটা সর্বস্তরের মুসলমানের আর নীচু জাতের রিফিউজি আর গরীব আদিবাসি রাজবংশীদের বিরুদ্ধে। তদুপরি দাড়িবাবু ও পর্যায়ক্রমে টাকদা আসছেন ও আসবেন বাংলা ভাষা শুনেই কিকরে বোঝা যাচ্ছে কি ডেমোগ্রাফিক পরিবর্তন হচ্ছে সেটা বোঝাতে, খুব স্বাভাবিক ভাবেই এক বিন্দু বাঙলা না জেনে। 

    অন্যদিকে বাংলার প্যান্টখোলা অবস্থায় প্রতিপদে রাজ্যের অসাধারণ জয় দেখে দেখে যাদের চোখের কোণে কালি পড়েছে তারা বোধহয় এক কোটি কুড়ি লক্ষের ভোট ছাড়াই ভোটে জেতার চেষ্টায় মত্ত। 

    নির্লজ্জ উচ্চকিত চাটুকারিতা বনাম লাগামহীন জাতবিদ্বেষ মোটামুটি এটিই এবারের নির্বাচনী বোশেখের উপহার হিসেবে পেতে চলেছি আমরা। কল্পনা করা যায়না।

    বঙ্গবাসীকেকে এত নীতিহীন আর স্বার্থপর কূপমণ্ডুক আনন্দবাজারি মতাদর্শের অনুসারি রূপে ইতিহাসে বার বার দেখা যায়নি, এটুকুই বাঁচোয়া।
     
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ১৫ মার্চ ২০২৬ ১৭:০২747018
  • আনন্দ বাজারের আট এর পাতার adhudication progress সংক্রান্ত খবরঃ

    এই খবর অনুযায়ী, ষাট লক্ষের মধ্যে পনেরো লক্ষের তথ্য যাচাই হয়েছে। পঁয়তাল্লিশ লক্ষের নাগরিকত্বের ভাগ্য ছাড়া হচ্ছে উড়িষ্যা ঝাড়খন্ডের জুডিশিয়াল অফিসার দের হাতে। আগের আনম্যাপড সাতষট্টি লক্ষ ধরলে তাহলে এক কোটি বারো লক্ষের ভাগ্য ঝুলে।
    এই পরিস্থিতে নাড়ু ও প্রাক্তন আবাপ গাড়ু কাম সম্পাদক বলেছেন বাঙালির বিজেপি করা উচিত। সরু কবি এবং আবৃত্তি করতে গিয়ে বকুনি খাওয়া তরুন নেতা বলেছেন বাঙালির তৃণমূল করা উচিত কারণ সংখ্যাটা এক কোটি কুড়ি লক্ষ হতে পারতো, দয়ালু মহারানীর দয়ায় খাই শাঁকালু।
    ন্যূনতম আত্মসম্মান মানুষের থাকলে আদিবাসী, মতুয়া, রাজবংশী, রাষ্ট্রের কল্যাণধর্মের উতরে নির্ভরশীল নিম্নবর্গীয় মানুষ, যাদের কখনো হিংস্র কখনো পোষ্য মানবেতর বলে মনে করা হয় সেই মুসলমান, কখনো বিশ্বগুরুর মিথ্যাচার আর নর্তন কুর্দনে দেশের সম্মান ধুলোয় লুটোনো দেখে ন্যূনতম আত্মমর্যাদা সম্পন্ন পেশাদার সকলেরই উচিত তৃণমূল বিজেপির ঘটি বিদায় করা। এই নির্লজ্জ রাজনীতির অবসান মানুষকে ঘটাতে হবে এটা শুধু বামপন্থীদের কাজ না। গোপন খবর হলো শাসকের হাঁটু রীতিমতো কাঁপছে।
  • b | 117.238.***.*** | ১৫ মার্চ ২০২৬ ১৮:৩৬747019
  • "প্রাক্তন আবাপ গাড়ু কাম সম্পাদক"
    ইনি কে?
  • π | ১৫ মার্চ ২০২৬ ২১:৫৭747020
  • সুমন চট্টো।
  • b | 117.238.***.*** | ১৫ মার্চ ২০২৬ ২২:০১747021
  • ইনি কে? আমি তো ওই কবীর সুমনকেই জানতুম .
  • ^ | 148.113.***.*** | ১৫ মার্চ ২০২৬ ২২:৩৬747023
  • বোদাগু | 128.185.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১২:৩৩747031

  • Times of India
  • বোদাগু | 128.185.***.*** | ১৬ মার্চ ২০২৬ ১২:৪৭747032
  • সিএস | 49.37.***.*** | ১৭ মার্চ ২০২৬ ০১:০৫747034
  • ভোটের ঢাক বেজে গেছে, ভাজপাকে দেখাতে হবে সার নিয়ে চিন্তিত নয়, অতএব লিস্ট বেরিয়ে গেছে। সিপিএমের এই যেন শেষ সুযোগ, যোশ দেখাতে হবে, অতএব তাদেরও লিস্ট। তিনোরা মানুষের সঙ্গে আছে, কোর্টে মনে হয় একটা শুনানি আছে, তারপরে লিস্ট দেবে হয়ত। কোর্ট বলেছিল, ভোটের ঘোষণা হোক, তারপর ব্যবস্থা দেখব। ওদিকে সেকেণ্ডে এক লক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল গতিদিব্যতায় বিচারাধীনরা খালাশ পাচ্ছে, জজসাহেবদের চেষ্টায়। কেউ জানে না, তাদের সকলের কী হবে। ইঁদুর - বিলাই খেলা হয়ে চলেছে মানুষের সাথে, ইসির অগাধ ক্ষমতা আর এক জালি সফ্টওয়ারকে সুচারুভাবে ব্যবহারের মাধ্যমে।

    গতবারে আটদফা হয়েছিল কোভিডের মধ্যে, ভোটে জালি হয় যুক্তি দেখিয়ে, এবারে প্রথম থেকেই খুব কড়া, অতএব দুই দফা। বেশী দফা করলে নাম যোগ হওয়ার সুযোগ আরো বেশী থাকত না ?
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abca:52fa:79f3:65ae:***:*** | ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৪:২৫747035

  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abca:52fa:79f3:65ae:***:*** | ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৪:৩৫747036
  • https://www.facebook.com/share/v/1A7pARxW2h/
     
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের সাক্ষাৎকার, বর্তমান কে দেওয়া।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abca:52fa:79f3:65ae:***:*** | ১৭ মার্চ ২০২৬ ০৬:৪২747037
  • গতকাল পশ্চিমবঙ্গের সিইও সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন। সেখানে শশী পাঁজা/সি এম জাটুয়া? (তৃণমূল), আশুতোষ চ্যাটার্জি(কংগ্রেস), কল্লোল মজুমদার/পলাশ দাস (সিপি এম) উপস্থিত ছিলেন। পরে সব দলই নিজের মতো প্রেস কনফারেন্স করে।
    "দাস বলেন, বাদ দেওয়ার নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে। একটি সম্প্রদায়, বিশেষ কয়েকটি গোষ্ঠীকে নির্দিষ্ট করা হলো। একথা বলতেই সিইও যেভাবে উত্তেজিত হয়ে পড়লেন, যে ভঙ্গিমায় কথা বললেন ধমকের সুরে, তখন তাঁকে রাজনৈতিক দলের লোক বলে মনে হচ্ছিল না। বিজেপি ছাড়া অন্য সব দলের প্রতিনিধিরা বলেছেন যে আমরা আপনার অধীন নই। আমরা রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি।
    দাস বলেন, বিবেচনাধীন নামের প্রসঙ্গে সিইও আদালতের যুক্তি দেন। পলাশ দাস বলেন, আদালতে এই মামলা যেত না যদি না কমিশন ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপান্সি’ চালু করত। আদালত তা আবিষ্কার করেনি, করেছে নির্বাচন কমিশন। আর পর্দার পিছনে বিজেপি-আরএসএস’র ভূমিকা আছে। আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে সব মানুষের রায়ের ওপর দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকার তৈরি হবে। সেই নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে।
    এই প্রসঙ্গে একই কথা বলেছেন কংগ্রেস এবং তৃণমূলের প্রতিনিধিরাও।
    তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সর্বদলীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। কংগ্রেসের তরফ থেকে সর্বদলীয় বৈঠকে অংশগ্রহণ করে আশুতোষ চ্যাটার্জি। তাঁরাও সিইও-র আচরণে ক্ষোভ জানান।"
    নীচে একটা ভিডি ও লিংক
  • বোদাগু | 49.205.***.*** | ১৭ মার্চ ২০২৬ ১২:৪৮747043
  • মিথ্যার জাল এই ভাবে বোনা শুরু করেছিল শু বা কমিশন। নোটিফিকেশন প্রতিটি যোগাড় করতে হবে।
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন