প্রসঙ্গতঃ দূরদর্শন এখন প্রচার করছে এই ভাবে যে কমিশন কত অসহায়, কতিপয় মানুষের অসততার কারণেই এত ডিসক্রিপান্সি। তাদের অসহায় শয়তানিতে ওদিকে কোটি লোকের হয়রানির একশেষ। নাগরিককে নিজেকে ভরতে হবে এনুমারেশন ফর্ম বলে কোনো বস্তুরই কোনো সাংবিধানিক ভিত্তি আছে কিনা তাই নিয়ে যেখানে সংশয়।
বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:245d:cd1:d43f:***:*** | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১৭746801
Outlier cases নিয়ে সরকারি প্রচার ও এম্বেডেড রিপোর্টিং অব্যাহত।
আজ হিয়ারিং এর শেষ দিনে ৫ লক্ষ গোটা রাজ্যে হিয়ারিং এ আসেননি জানা যাচ্ছে। হ্যাঁ হতে পারে এর একটা অংশ ভুয়ো ভোটার কিন্তু আরো অনেক কিছু হতে পারে, ভাইরে আজেম আসতে পারেন নি, স্বল্প শিক্ষিত/অসচেতন খবর রাখেন না হতে পারে এমন ভালে প্রচার করা হচ্ছে অনুপস্থিত মানেই অপরাধী বা বিদেশী নাগরিক।
বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:7c75:f6f6:d85d:***:*** | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:১০746805
হিয়ারিং পর্বের শেষে সামারি তা আপাতত এই, বলছে আনন্দবাজার টিভি
- ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার হিয়ারিং এ আসেন নি।
- দেড় লক্ষের ডকুমেন্ট স্ক্রুটিনি বাকি।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি খসড়া তালিকা বেরোবে। সেটা বের করে খুব কম লোকে যাতে আপীল করতে পারে সেটা ভেবে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করে দেবে ধরে নেওয়া যায় এটাই বিহারের প্লে বুক।
বিজেপি পন্থী ইন্টারনেট নিউজ পোর্টাল থেকে জানা যাচ্ছে, মুর্শিদাবাদে ২ লক্ষ ৬৮ হাজার মানুষের নামর তালিকা নাকি ঘুরছে, এক পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হচ্ছে সর্দার, দাস, বিশ্বাস এই নিমিনবর্গিয় পদবীগুলি নাকি সন্দেহজনক, কারণ এই পদবীগুলি লোকে ব্যবহার করে নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারীরা হিন্দু হয়ে যাচ্ছে।
বাংলার নামের সঙ্গে ন্যূনতম পরিচয় থাকলে প্রশাসন ও কমিশনের জানা উচিত পদবী এবং উপাধির ফ্লুইডিটি অতি সাধারণ বিষয়।
মোটামুটি আন্দাজে বলা যায় ৫৮ লক্ষকে আনম্যাপ করে বাদ দেওয়ার চেষ্টী করা হয়েছে, তাদের হিয়ারিং এ কিছুটা কমবে, সংখ্যাটা এর পরে পাঁচ লক্ষ যারা হিয়ারিং এ আসেন নি বা আসতে পারনে নি তাদের বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকবে।
এক কোটি বত্রিশ লক্ষের লজিকাল ডিসক্রিপান্সি নিয়ে অনেক নাটক হয়েছে ঃ
- কখনো খবর এসেছে সংখ্যাটা ৯৮ লক্ষে নেমে এসেছে
- কখনো বলা হয়েছে লজিকাল ডিসক্রিপান্সির নোটিশ যেয়েছেন ১ কোটি ২ লক্ষের মতো।
- কখনো মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ড নেওয়া হয়নি, পরে অর্ডার বেরোনোর পরে কত সমাধান হয়েছে জানা যায় নি।
- ডোমিসাইল সার্টিফিকেট নিয়ে গুজব চলছে।
- আরেকটা নতুন নাটক হয়েছে বলা হচ্ছে যেসব বিএলও-রা কোনো কারণে গ্রহণযোগ্য না এরকম ডকুমেন্ট আপলোড করেছেন তাঁদের শাস্তি দেওয়া হবে।
ইত্যাদি। এবং আউটলায়ার, ধরুন দুজনকে পাওয়া গেল যাদের আত্মীয়দের বয়স মিলছে না তাদের নিয়ে বিরাট খবর হবে। এই গোটা সংশয়টাই তৈরি হয়েছে নাগরিকত্ব এর এজেন্ডাকে সামনে রেখে সামারি জেলা বা ব্লক ভিত্তিক ডেটা সেট, মানুষের সামনে না এনে। কয়েক হাজার আউটলায়ার কেসের জন্য কোটি মানুষের হয়রানি।
শ্রী জিম নওয়াজের লজিকাল ডিসক্রিপ্যান্সির সাংবিধানিক ও আইনি বৈধতা সংক্রান্ত রিটপিটিশন বাতিল হয়েছে, জিম নওয়াজের হ্যান্ডেলের পোস্ট।
“করু মুতালিবা ক্যায়সে আপনে খুন কা উনসে;
ওহী কাতিল ওহী মুন্সিফ ওহী মেরি গোহি হ্যায়।”
অর্থাৎ, নিজের রক্তের দাবি (বিচার) আমি তাদের কাছে কীভাবে করব? যেখানে হত্যাকারীও সে, বিচারকও সে এবং সাক্ষীও সে।
গতকাল আমার রিট পিটিশনটি ভারতের সুপ্রিম কোর্ট খারিজ করে দিয়েছে। শুনানির শুরুতেই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত মন্তব্য করেছেন - “In Article 32 you want us to determine who is your father, mother etc. This is a mockery of Article 32 plea.” অর্থাৎ, আর্টিকেল ৩২-এর অধীনে আমি নাকি তাঁদের কাছে আমার বাবা-মায়ের পরিচয় জানতে চেয়েছি এবং এটি এই সাংবিধানিক অনুচ্ছেদের সাথে একটি তামাশা!
মাননীয় প্রধান বিচারপতির এই মন্তব্যটি কেবল বিভ্রান্তকর নয়, এটি আমাদের ন্যায়বিচারের সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠানের এক চরম ঔদ্ধত্য এবং বিচারিক দেউলিয়াপনার বহিঃপ্রকাশ। আমি আদালতের কাছে আমার পারিবারিক পরিচয় যাচাই করতে যাইনি। বাংলার লক্ষ লক্ষ মানুষের পক্ষে আমি চ্যালেঞ্জ করেছিলাম নির্বাচন কমিশনের সেই অমানবিক ও অঘোষিত শ্রেণিবিন্যাসকে, যাকে তারা নাম দিয়েছে “Logical Discrepancy”। এই অদ্ভুত শব্দবন্ধের কোনো আইনি ভিত্তি নেই, কোনো গেজেট নোটিফিকেশন নেই, এমনকি কোনো সংসদীয় আইনও নেই। অথচ এই মায়াবী ক্যাটাগরির দোহাই দিয়ে আমাকে সন্দেহজনক ভোটার হিসেবে চিহ্নিত করে নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
আমার প্রশ্ন ছিল অতি সাধারণ,
রাষ্ট্র কি কোনো নিয়ম প্রকাশ বা 'প্রমালগেট' না করেই নাগরিকের মৌলিক অধিকার হরণ করতে পারে? কিন্তু আমার প্রশ্নের আইনি ব্যাখ্যা এড়িয়ে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বরং নির্বাচন কমিশনের অসাংবিধানিক প্রশাসনিক খেয়ালখুশির পাহারাদারে পরিণত হয়েছে।
আমার দাবির সপক্ষে আমি সুপ্রিম কোর্টেরই নিজস্ব ঐতিহাসিক জাজমেন্টের নজির ব্যবহার করেছিলাম। 'Mohinder Singh Gill v. CEC (1978)' মামলায় এই আদালতই বলেছিল যে, নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা কোনোভাবেই সংসদীয় আইনের ঊর্ধ্বে হতে পারে না। আবার 'Harla v. State of Rajasthan (1951)' মামলায় স্পষ্ট করা হয়েছিল যে, কোনো নিয়ম জনসমক্ষে ঘোষিত না হলে তা জনগণের ওপর প্রয়োগ করা আইনত অবৈধ। আমার পিটিশনটি এই অকাট্য আইনি ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকা সত্ত্বেও প্রধান বিচারপতি এমন এক পর্যবেক্ষণ দিলেন যার সাথে মামলার মূল বিষয়ের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি সুকৌশলে বিষয়টিকে একটি সাধারণ পরিচয় যাচাইয়ের মামলা হিসেবে দাগিয়ে দিয়ে মূল সাংবিধানিক প্রশ্নটিগুলো ধামাচাপা দিলেন। এটি কি একজন বিচারপতির বিচারবুদ্ধির অভাব, নাকি স্বৈরাচারী নির্বাচন কমিশনকে সুরক্ষা দেওয়ার সুপরিকল্পিত কোনো কৌশল?
সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয় হলো, আমার আইনজীবী যখন বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন যে, আমরা নোটিশের তথ্য নয় বরং নোটিশ পাঠানোর ‘অবৈধ প্রক্রিয়া’ বা প্রসেসকে চ্যালেঞ্জ করছি, তখন আদালত সেই যুক্তি খণ্ডন করার নূন্যতম প্রয়োজনও বোধ করেনি। প্রধান বিচারপতি আমার পিটিশনের একটি আইনি পয়েন্টকেও ভুল প্রমাণ করতে পারেননি, বরং তাঁর ‘ডিসক্রিশন’ বা বিশেষ বিবেচনার ক্ষমতা ব্যবহার করে কোনো আইনি ব্যাখ্যা ছাড়াই মামলাটি বাতিল করে দিয়েছেন। যেখানে রাষ্ট্রের অসাংবিধানিক আচরণের বিরুদ্ধে আর্টিকেল ৩২ আমার শেষ আশ্রয় হওয়ার কথা ছিল, সেখানে সেই রক্ষকই আজ বিদ্রূপের বাণে আমাকে বিদ্ধ করে প্রমাণ করল যে, ভারতের সাধারণ নাগরিক আজ নিজ দেশে পরবাসী এবং বিচারহীন।
এই মামলা খারিজের ফলে ভয়াবহ কিছু ফলাফল দাঁড়িয়ে গেল -
সুপ্রিম কোর্ট PIL-কে প্রাইমারি আর ব্যক্তিগত রিটকে সেকেন্ডারি করে দিল, অথচ আইনত ঠিক উল্টো হওয়া উচিত ছিল। PIL নামক ছায়া-মামলা যেখানে দিনের পর দিন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা শুনানিতে গুরুত্ব পায়, সেখানে রক্তমাংসের ভুক্তভোগীর জীবন-মরণ সমস্যা আজ ব্রাত্য। রাষ্ট্রীয় সংস্থাগুলোকে কার্যত সংবিধান ও আইন বহির্ভূত অসীম ক্ষমতা প্রদান করা হলো, যেখানে তারা কোনো নিয়ম প্রমালগেট না করেই জনগণের উপর অসাংবিধানিক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারবে। অভিযোগকারীকেই আজ সেই অভিযুক্ত কর্তৃপক্ষের সামনে নতজানু হতে বাধ্য করা হলো, যারা নিজেরাই আইনলঙ্ঘনকারী। আর আদালত কোনো যুক্তি বা আইনি ব্যাখ্যা ছাড়াই, নিছক নিজের খুশিমতো সংবিধান প্রদত্ত আর্টিকেল ৩২ অনুযায়ী প্রাপ্ত একটি অধিকার সর্বস্ব বৈধ মামলা বাতিল করল।
এখানে ‘মকারি’ আমি করি নি। আমি Article 32 অনুযায়ী আমার সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করেছি। মকারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট নিজেই, পিটিশনের সঙ্গে সম্পর্কহীন মন্তব্য করে, নিজের প্রতিষ্ঠিত নজির উপেক্ষা করে এবং মৌলিক অধিকার রক্ষার আবেদনকে ব্যক্তিগত পরিচয় যাচাইয়ের মতো সস্তা বিষয়ে নামিয়ে এনে। সুপ্রিম কোর্টে আজ আমার পরাজয় হয়নি, পরাজয় হয়েছে সংবিধানের, পরাজয় হয়েছে আম্বেদকরের স্বপ্নের এবং সবচেয়ে বড় পরাজয় হয়েছে ভারতের সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকারের। আম্বেদকর বলেছিলেন, আর্টিকেল ৩২ হল সংবিধানের ‘হৃদয় ও আত্মা’, আজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ১ নম্বর এজলাসে সংবিধানের 'হৃদয় ও আত্মা' প্রধান বিচারপতির নিষ্ঠুরতায় প্রাণ হারাল।
পুনশ্চঃ রায় এখনো আপলোড হয়নি। আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। রায় হাতের পেলেই আমরা রিভিউ পিটিশন করবো। আমি জানি, রিভিউ পিটিশন করে পক্ষপাতদুষ্ট সুপ্রিম কোর্টের থেকে আমি ন্যায় বিচার পাবো না। এরপরে আমি রিভিউ করবো। কারণ আমি চাই, বর্তমান সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক নির্লজ্জতা ও বেহায়াপনা ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকুক।
✊
কালকে ভোট নিয়ে বোধি দার সাথে অনেক জ্ঞান গর্ভ আলোচনা হল....
বোধিসত্ত্ব দাশগুপ্ত | 49.205.***.*** | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৭746862
পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে একটি রায় বেরিয়েছে। মোদ্দা হল সুপ্রীম কোর্ট এসআইআর এর পদ্ধতিগত দেখাশুনো করার জন্য কলকাতা হাইকোর্টকে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে। ডিটেলে রায় পড়ে কিছু ইন্টারেস্টিং পেলে সামারি দেব। তবে নিঃসন্দেহে অদ্ভুত রায়। এরকম অন্য কোনো রাজ্যে ঘটে নি।
কালকের রায় নিয়ে, Zim Nawaz এর পর্যবেক্ষন। তাঁর আজকের পোস্ট থেকে
"নোটিশ পাওয়া সাধারণ প্রান্তিক অসহায় মানুষদের বিচারকদের মুখে ঠেলে দিল ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। আগে যে সিদ্ধান্ত জয়েন বিডিও, বিডিও, এসডিও বা তাদের সমপর্যায়ের অফিসাররা (AERO, ERO) নিতে পারতেন সেই সিদ্ধান্ত নেবেন এবার বিচারকরা।
বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের আশা ভরসা ক্রমান্বয়ে ক্ষীণ হতে হতে এখন শেষ পর্যায়ে। বিচারব্যবস্থার একটি বড় অংশের যে ভীষণ গেরুয়াকরণ হয়েছে, এনিয়ে কারও সন্দেহ থাকার কথা নয়। ফলে, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া মানুষ বিশেষ করে সংখ্যালঘু মুসলিমরা কতটা ন্যায় পাবেন, সেনিয়ে আমি বেশ সন্দিহান।
যেহেতু ফাইনাল ড্রাফট লিস্ট থেকে বাদ পড়াদের বিচার করবেন বিচারকরা, সেহেতু ফাইনাল ভোটার তালিকা থেকে বাদ যাওয়ার দায়ভার আর নির্বাচন কমিশনের উপর বর্তাবে না। বিচারপতি সূর্যকান্ত এখানেও নির্বাচন কমিশনকে অগ্রিম সেফগার্ড দিয়ে রাখলেন।
জয়েন বিডিও, বিডিও, এসডিও বা তাদের সমপর্যায়ের অফিসারদের আইনপ্রদত্ত অধিকার হরণ করে বিচারবিভাগের হাতে হস্তান্তর করাকে যারা জয় ভাবছেন, তাদের প্রতি সহানুভূতি জানানো ছাড়া আমার আর কোনো ভাষা নেই। এখন সময়ের দিকে চেয়ে থাকা ভিন্ন অন্যকোনো উপায় দেখতে পাচ্ছি না"
আমার সংযোজনঃ
Ageed and shared. আমার বিনীত সংযোজন হল এটা মনে করার কোনো কারণ নেই একজন অফিসার কোন cadre-এ আছেন বা কাকে রিপোর্ট করেন বা কার নিয়ন্ত্রনে আছেন তাই দিয়ে তাঁর নাগরকের অধিকারের বিষয়ে সমান ও সুস্থ সাংবিধানিক সচেতনতা আছে। অথচ প্রশাসনিক মামলাগুলো সেই আর্গুমেন্টেই হচ্ছে। রাজ্য সরকার বা জুডিশিয়াল অফিসার সবার মধ্যেই এই ধারণা থাকতে পারে যে মুসলমান, মতুয়া, আদিবাসী মহিলাদের মধ্যে অনেকের নির্বাচন কমিশনের আজগুবি নতুন নিয়মাবলী অনুযায়ী ভোটাধিকার থাকা উচিত না। লিস্ট প্রকাশের পরে আরবিট্রেশনের সময় কতটুকু পাওয়া যাবে? আসল কথা হল মানুষকে অন্যায় ভাবে বিদেশি বলা শুধু না, welfare state এর ঘাড় থেকে welfare এর দায় নামানোটাও এই কেন্দ্রীয় সরকারের লক্ষ। আনফরচুনেটলি সেটা cadre নিরপেক্ষে অনেক সরকারি কর্মচারি বিশ্বাস করলে অবাক হবার কিছু নেই। একেই আধিপত্যবাদী মতাদর্শ বলে। ট্রামপের 2020 র ইলেকশনের সম্পর্কে আজগুবি সব দাবিকে হাস্যকর প্রমাণ করতে সাহায্য করেছিলেন রিপাবলিকান পার্টির বহু রেজিস্টার্ড সদস্য যাঁরা সরকারি নির্বাচনী কর্মী ছিলেন। পরে বিষয়টা অন্য দিকে ঘুরেছে। সরকারের কাজে এই অফিসারদের এই বিবেক ও আইনি স্বচ্ছতা আমাদের দেশে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ক্রমাগত ফাল্তু রাজনীতি করে। thank you for your work Zim Nawaz
পশ্চিমবঙ্গের এস আই আর যারা ফলো করছেন তাঁরা দুটি তিনটি জিনিস খ্যাল রাখবেন।
- ৫৮ লক্ষ আনম্যাপড, অর্থাৎ যাদের লিনিয়েজ ২০০২ তে পাওয়া যায়নি বা যারা পার্মানেন্টলি ডিসপ্লেসড বা ইত্যাদি বা যারা মৃত যেটা নিয়ে লজিকাল ডিসক্রিপান্সির আগেই কথা হচ্ছিল তাদের বিষয়ে হিয়ারিংএ কি প্রোগ্রেস হল গত দেড় মাসে তা জানা যাচ্ছে না।
- আর হিয়ারিং স্টেশনের সংখ্যা বাড়ানো বা লজিকাল ডিসক্রিপান্সি কারণ সহ তালিকা প্রকাশ ব্লক স্তরে যেটা সুপ্রীম কোর্টের অর্ডারে সেটা কতটা কার্যকর হয়েছে তার ব্যাপারে কোনো কেন্দ্রীয় ঘোষনা সরকার বা কমিশনের তরফ থেকে চোখে পড়েনি।
- এমন কি, numbers গুলোকে এখন আর নাগরিকের সঙ্গে কমিশনের সমস্যা হসেবে দেখানো হচ্ছে না। দেখানো হচ্ছে কমিশনের কেন্দ্রীয় মাইক্রো অবসারভার আর রাজ্য সরকারের অফিসারদের মধ্যে ডিসপিউট হিসেবে। রাজ্য সরকারের গোটা আশাটাই হচ্ছে তার ক্যাডার হিসেবে সে লিস্ট তৈরিতে ফাইনাল কথা বলবে এবং শুধু সে কারণেই বাঙালির নাগরিকত্ব রক্ষা হোক বা না হোক ভোটে জেতা যাবে। এবং বিজেপির আহ্লাদ হলো যত লজিকাল ডিসক্রিপান্সির বাদ হবার সম্ভাবনা যেটা বাড়িয়ে রাখতে হবে যাতে রাজ্য সরকার সংখ্যা কমালেও যাতে সেটা এক কোটির উপরে থাকে। this is easy to read between lines. This is incredibly cynical and and actually sad. শুধু কয়েকশো বা কয়েক হাজার আউটলায়ারের গল্প শুনিয়ে এ জিনিসের legal justification করা হচ্ছে।
বোদাগু | 49.205.***.*** | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৮746897
গত কাল 250 জনের মতো বিচারক সিস্টেম অ্যাকসেস পেয়েছিলেন। আজ কোর্টে অর্ডার হয়েছে ঝাড়খন্ড এবং ওডিশা থেকে জজ / জুডিশিয়াল অফিসার আনা হবে। কাজ নাকি এতটা বাকি।
বোদাগু | 128.185.***.*** | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:২৬746898
ডকুমেন্ট রিভিউ এর নোটিশ:
ইশা খান চৌধুরির চিঠিঃ ফেসবুক হ্যান্ডল থেকে সংগৃহীত। ২৪০২২০২৬
প্রতি: শ্রী মনোজ আগরওয়াল, আইএএস মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক, পশ্চিমবঙ্গ তারিখ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বিষয়: মালদা জেলায় SIR প্রক্রিয়ার অধীনে গণ “নথি পর্যালোচনা” নোটিশ সংক্রান্ত জরুরি হস্তক্ষেপ প্রার্থনা।
শ্রদ্ধেয় স্যার,
মালদা জেলায় চলমান SIR (Special Intensive Revision) প্রক্রিয়া সংক্রান্ত এক অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতির বিষয়ে আপনার সদয় ও অবিলম্বে দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য এই পত্র প্রেরণ করছি। গত দুই দিনে মালদা জেলার প্রায় প্রতিটি ব্লকে বিপুল সংখ্যক ভোটার—প্রতি ব্লকে আনুমানিক ৩০,০০০ থেকে ৫০,০০০ জন—কে “ডকুমেন্ট রিভিউ” শিরোনামে পুনরায় নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এঁদের অনেকেই পূর্বে নির্ধারিত শুনানিতে উপস্থিত থেকে প্রয়োজনীয় নথিপত্র যথাযথভাবে জমা দিয়েছেন। তা সত্ত্বেও পুনরায় সমন জারি হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ ও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জেলা শাসক, মালদা, এক সর্বদলীয় বৈঠকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানান যে প্রায় ৫.৯১ লক্ষ মামলা পুনরায় পর্যালোচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়েছে এবং এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ নির্ধারিত সময়সীমা হওয়ায়, এত বিপুল সংখ্যক মামলার সুষ্ঠু নিষ্পত্তি অবশিষ্ট সময়ে সম্পন্ন করা বাস্তবসম্মত কি না, সে বিষয়ে জনমনে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে। উপরন্তু, জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সব মামলার নিষ্পত্তির কোনও সুস্পষ্ট নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। অভিযোগ রয়েছে যে সফ্টওয়্যার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর প্রক্রিয়ায় বিশেষত বাংলা থেকে ইংরেজিতে নাম ও অভিভাবকের তথ্য অনুবাদের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রযুক্তিগত ত্রুটি ঘটেছে। এই ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যার জন্য প্রকৃত ভোটারদের পুনরায় হয়রানির সম্মুখীন হওয়া কোনওভাবেই কাম্য নয়। প্রযুক্তিগত ত্রুটির দায়ভার নাগরিকদের উপর বর্তানো উচিত নয়।
এছাড়াও, একাধিক বুথে শুনানির সময় জমা দেওয়া নথিপত্র যথাযথ কারণ দর্শানো ছাড়াই ফেরত পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা, ক্ষোভ এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতির দ্রুত ও সুবিবেচিত সমাধান না হলে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত সমস্যারও আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। এই প্রেক্ষাপটে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সাংবিধানিক অধিকারের সুরক্ষার স্বার্থে, আপনার নিকট বিনীতভাবে প্রার্থনা করছি— ১. বিষয়টির উপর অবিলম্বে প্রশাসনিক পর্যালোচনা করা হোক; ২. প্রযুক্তিগত ত্রুটিজনিত মামলাগুলির জন্য পৃথক ও স্বচ্ছ সমাধান প্রক্রিয়া নির্ধারণ করা হোক; ৩. প্রয়োজনে নির্ধারিত সময়সীমা পুনর্বিবেচনা ও বৃদ্ধি করা হোক; ৪. কোনও যোগ্য ভারতীয় নাগরিক যেন তাঁদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত না হন, তা নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ জারি করা হোক। আপনার সদয় ও দ্রুত হস্তক্ষেপের মাধ্যমে এই সংকটজনক পরিস্থিতির ন্যায্য ও মানবিক সমাধান হবে বলে আমি আন্তরিকভাবে প্রত্যাশা করছি।
আন্তরিক শুভেচ্ছা সহ, জনাব ইশা খান চৌধুরী সংসদ সদস্য সভাপতি, মালদা জেলা কংগ্রেস
বোদাগু | 2406:b400:1a:e509:5e04:c1e1:c51d:***:*** | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:১৩746901
মহুয়া মৈত্র-র স্টেটমেন্ট:
বক্তব্যের সামারি
- জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং কোর্টের রায় মানা হয় নি
- লজিকাল ডিসক্রিপান্সির সমস্ত ভোটারকেই বাদ দেবার চক্রান্ত চলছে
বোদাগু | 128.185.***.*** | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩২746909
তো মোটীমুটি গতকদিনের নাটকের সার সংক্ষেপ এইঃ
- লজিকাল ডিসক্রিপান্সির তালিকা বা নিয়মাবলী বা প্রতি ব্যক্তির ক্ষেত্রে অ্যাট্রিবিউশন এবং ভুল অ্যাট্রিবিউশনের স্বীকার ও সমাধান কোনোটাই তেমন এগোয় নি।
- রাজ্য সরকার ও কমিশনের মধ্যে পরষ্পরের বিশ্বাসযোগ্যতার অভাব আছে বলে মন্তব্য করে জুডিশিয়াল অফিসার নিয়োগের কথা বলেছে কোর্ট যেটা এক কথায় অভূপপূর্ব। এবং জুডিশিয়াল অফিসার নাকি পশ্চিমবঙ্গে যথেষ্ট নেই তাই ঝাড়খন্ড ও উড়িষ্যা থেকে অফার নিয়োগ হবে বলা হয়েছে।
- নাম 2002 এর বাংলা তালিকা থেকে সফ্টওয়ার দিয়ে ট্রান্সলিটারেট করে 2025 এর লিস্টের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, তাতেও এত যখন ভাষা ভিত্তিক বিশেষ বিপত্তি তখন যে দুটো রাজ্যে বাঙালি ঘটি মুসলমান গিয়ে বাংলা বলার জন্য মার খায় নিয়মিত সেখান থেকে অফিসার কেন আনা হয়েছে তিনদিনে কাজ শেষ করার জন্য তা ঈশ্বর এবং কমিশন জানেন।
- যাই হোক এর পরে কথা উঠেছে, 28 তারিখ একটা তালিকা ছাপানো হবে। তারপরে সাপ্লিমেন্টারি কিছু তালিকা ছাপানো হবে। আর সাপ্লিমেন্টারি তালিকা কটা লাগবে কেউ জানে না। এবং শুনানিগুলি কতদিন চলবে তাও কেউ জানে না।
- শুধু সবাই জানে যে কোনো দিন ভোট ঘোষণা হবে।
- এটা মনে হওয়া অস্বাভাবিক না, যে নানাবিধ টানা পোড়েনে একটা গ্রহণযোগ্য সংখ্যার বিয়োজনে এসে পৌঁছলে সবাই শুধু ভোটৃর কথা বলবে, নির্ঘন্ট ঘষনা হবে। পড়ে থাকবে কিছু ভীতি, কিছু কাগজহীন জীবন এবং তৎসংলগ্ন মায়া। ভাষার এবং নির্বাক শ্রমের স্মৃতিসৌধে সেগুলিই সমীচীন অন্তর্ভুক্তি ধরে নিতে হবে আপাতত।
4th pillar we the people পডকাস্ট চ্যানেলের আলোচনা। আজকে হয়েছে সম্ভবতঃ।
কয়েকটি প্রশাসনিক প্রশ্ন তুললো।
- জুডিশিয়াল অফিসাররা ভোটাধিকার নিয়ে রায় দিলে তা আর আপিল করা যাবে না।
- এবং সরকারের মেয়াদ যদি আটই মে হয়, তার মধ্যে সবকটা সাপ্লিমেন্টারি রোল প্রকাশ করতে, প্রতি দিন বারো ঘন্টা করে কাজ করলেও কয়েক মিনিটের বেশি এই জেলা জজরা পাবেন না মাথাপিছু নাগরিকের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে।
যাঁরা আলোচনা করছেন একজন অবসরপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল অফিসার, আরেকজন অবসর প্রাপ্ত উচ্চপদস্থ অফিসার।
রাষ্ট্র পরিচালনার নিয়মাবলীর অন্ধগলিতে নূরিক আলচক হারাতে চাইলে ও সুস্থ মস্তিষ্কে যে এই কমিশনের অপদার্থতা এবং অতি রাজনীতিকরণ যে এই মানুষের হয়রানি এবং সাংবিধানিক সংকটের জন্য দায়ী সেটা আড়াল আর যাচ্ছে না। এই আপাত নির্বিষ ওবং উত্তেজনাপূর্ণ ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোরহীন আলোচনাতে এটা স্পষ্ট।
বিয়োজন এর বিষয়টা এমন ভাবে উচ্চারিত হচ্ছে গোটাটা যেন স্থির হয়ে রয়েছে।
আনম্যাপড যদি ৫৮ লক্ষ হয় তাহলে তার কতদূর হিয়ারিং এ সমাধান হয়েছে তার হিসাব নেই।
এক কোটি তিরিশ লক্ষ যদি লজিকাল ডিসক্রিপান্সি থাকে, সেটারও প্রথম দিকে বেরোনো নোটিশগুলির একাংশের সমাধান হবার কথা।
এখন আবার নট ইন্ডিয়ান সিটিজেন এবং/বা পুনর্বিবেচনার নোটিশ আসছিল যেটার আগে কোনো কথা ছিলই না। এবং অ্যাপে কি আপলোড আর কি রিজোলিউশন হচ্ছে বা হচ্ছে না তার কোনো মাথামুন্ডু জানার উপায় নেই। এই সুপ্রীম কোর্ট পর্যন্ত বলছে, কমিশনের তরফে স্বচ্ছতার অভাব আছে আর রাজ্য সরকার সহযোগিতা করে নি। আর রাজ্য সরকার তার অধীনস্থ অফিসার থাকলেই ভাবছে বাদ পড়া আটকানো যাবে। এর কোনোটারই কোনো যৌক্তিক ভিত্তি নেই বা এর মুলে রাষ্ট্রীয় অন্তর্ভুক্তির কোনো ধারণা নেই। মোটামুটি সহজ বানানের নামওয়ালা, আদি অনন্ত কাল থেকে একই ঠিকানায় থাকা, আর আজকের হ্যাপি ফ্যামিলির সংজ্ঞা অনুযায়ী উচ্চবর্ণ সরকারি চাকুরে হিন্দু পুরুষ ছাড়া সকলেরই নানা চাপ। :-)))
- ইন্ডিভিজুয়াল epix number ভিত্তিক সার্চ উত্তর দিচ্ছে, ডিসেম্বর এর তালিকার ভিত্তিতে, এবং যা ইনফরমেশন আসছে, তালিকা download করলে updated information আসছে।
- তাতে ঠিকানার অংশ নং এর ইনকনসিসটেনসি রয়েছে। অর্থাৎ নাম থাকলেও খুঁজে পাওয়া কঠিন।
আচ্ছা একটা কারেকশন আছে, ৫৮ লক্ষ টা হিয়ারিং এর পরে বেড়ে ৬৩ লক্ষ হয়েছে, এদের বলা হচ্ছে ডিলিটেড। এঁরা election commission এর পুরোনো নিয়ম অনুযায়ী আপীল আর মামলা করতে পারবেন।
এছাড়া adjudication এ আছে ৬৬ লক্ষ এর মতো। এটার বিচার জুডিশিয়াল অফিসাররা করবে।
আনম্যাপড ৫৮ অর্থাৎ net ৬ লাখ মতো বেড়ে গেছে। কিন্তু সেটা কি করে হয়েছে, মূলতঃ ডিলিশন রিকোয়েস্ট এর জন্য বলে মনে হচ্ছে আর হিয়ারিং এ কিছু লোক আসে নি। তবে আজ প্রেস কনফারেন্স শুনে মনে হয়েছে বাল্ক ডিলিশন নোটিশ টার্গেটেড জায়গা ছাড়া পড়েনি বা ডেটা বলা হচ্ছে না।
বোদাগু | 2402:3a80:1968:fe38:378:5634:1232:***:*** | ০১ মার্চ ২০২৬ ২১:৪৯746924
From Sabar Institute's feed:
বোদাগু | 2402:3a80:1968:fe38:378:5634:1232:***:*** | ০১ মার্চ ২০২৬ ২১:৫০746925
These two charts are almost mirror images and that’s the story.
In Muslim-majority constituencies, most voters are mapped ie. they can be traced back to the 2002 voter list, either by their own name or a family member's.
Yet a much larger share are still placed “under adjudication” facing prolonged verification.
This isn’t about missing lineage or unavailability of documents in Muslim-majority seats.
It points to potential bias in flagging “logical discrepancies”, not missing data. #DataForBetterLives
বোদাগু | 2402:3a80:1968:fe38:378:5634:1232:***:*** | ০১ মার্চ ২০২৬ ২১:৫৪746926
আমার মন্তব্যঃ
In a time when the competitive 'private limited' culture permeates the new media, even at face of all out comms blitzkreig for the powerful in mainstream media, Sabar's work will be remembered primarily because of its analytical content and its success in appearing to help the otherwise hapless opposition. Its stories have been shared in the media which has to play soft ball at times or put forward metics of destruction for the consumption of the glee in right quarters , and also by party organ like Ganashakti and Akhilesh s handle. The work of course will possibly amount only to writing on ghetto walls while the helpless are pushed to the abyss but at least that fight is on.
বোদাগু | 128.185.***.*** | ০২ মার্চ ২০২৬ ২১:১৯746928
- অভিষেক ব্যানার্জি স্টেটমেন্ট দিয়ে দেখিয়েছেন যে যেখানে যেখানে বিজেপি কম ভোট পেয়েছে সেখানে সবচেয়ে বেশি নাগরিক লজিকাল ডিসক্রিপান্সির জন্য চিহ্নিত হয়েছে। মালদার পাঁচটা বিধানসভা নিয়ে বলেছে।
- মমতা ধর্ণায় বসছেন ছয় তারিখ।
- বিমান বসু দলমত নির্বিশেষে নির্বাচন কমিশন অভিযানের ডাক দিয়েছেন, বলেছেন এই ৬০ লাখ যারা আনম্যাপড না এবং হিয়ারিং এ এসেছে, তাদের সরাসরি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, অর্থাৎ লজিকাল ডিসক্রিপান্সি রোল ব্যাক করতে হবে। সিপিএম নলহাটি, কালিয়াচক ইত্যাদিতে কিছু ডেমো করেছে। লালবাগে দলমতহীন বড় ডেমো হয়েছে মুর্শিদাবাদে।
- মতুয়া-দের সংগঠনগুলি গাইঘাটায় বড় ডেমো করেছে।
- প্রচুর বিএলও এবং জজ সাহেব দের under adjudication নোটিশ এসছে।
- প্রচুর তৃণমূল কাউন্সেলর, বিধায়ক এবং অন্ততঃ কিছু বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্য ও কাউন্সেলররা এরকম নোটিশ পেয়েছে।
- সবর ইন্স্টিটিউট এর ডিরেক্ট ফিড দিয়ে আবাপতে বিধানসভা ভিত্তিক অ্যানালিসিস করেছে। তাদোর কাজে আরো আরো পরিষ্কার করে বোঝা যাচ্ছে এই পরিস্থিতিতে কমিশন কিভাবে বাংলাকে এনে ফেলেছে।
বোদাগু | 128.185.***.*** | ০২ মার্চ ২০২৬ ২১:২৪746929
বোদাগু | 2406:b400:1a:912:264c:2e60:c2f7:***:*** | ০৩ মার্চ ২০২৬ ০০:২১746934
বোদাগু | 2402:3a80:1961:1d41:178:5634:1232:***:*** | ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৬:৪৯746956
মালদা থেকে খবর এসেছে যে, কোনো এক সাবরেজিস্ট্রার, ক্রেতা বা বিক্রেতা কারো নাম adjudication এ থাকলে জমি রেজিস্ট্রেশন হতে দিচ্ছেন না। প্রশাসনের যক্ষ থেকে খোঁজ নেওয়া জরুরি। এ কাজ তো আর যাই হোক বহিরাগতর না। https://www.facebook.com/share/v/1Zc9Cj3Uqh/
--
এসআইআর 2026 প্রসঙ্গে মৌলিক প্রশ্নগুলো ভুললে চলবে না। কে ভোটে জিতবে বা হারবে তার নিকুচি করেছে, নাগরিকত্ব প্রশ্নে চ্যাংড়ামি চলবে না। এবং এই আনম্যাপড আর লজিকাল ডিসক্রিপান্সিকে ভিত্তি করে অন্য অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অর্ডার থাকলে তার তদন্ত চাই। মালদা থেকে খবর আসছে, under adjudication থাকলে কিছু সাবরেজিস্ট্রার জমি রেজিস্ট্রেশন হতে দিচ্ছেন না।
- এনুমারেশন ফর্ম নামক বস্তুটার আইনি ভিত্তি কি? তার দ্বিতীয় পাতার রহস্যটি কি?
- যে সফ্টওয়ার আর বিএলও অ্যাপ দিয়ে এসব কান্ড ঘটানো হল তার সমস্ত ভার্সন চেঞ্জ হিস্টরি এবং সমস্ত স্পেক ও ডিজাইনকে পাবলিক ডিসক্লোজার করতে হবে। এটা সুপ্রীম কোর্টে আলোচিত হওয়া সত্ত্বেও করা হয় নি এবং নিয়মাবলী over interpret করা হয়েছে। যেমন ছয়জনের বেশি সন্তান থাকলে নতুন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, আবার তিন বা চারজন সন্তান থাকলেও একই প্রশ্ন করা হয়েছে। আর সন্তানের সংখ্যা কবে মানুষকে বিচারাধীন করেছে?
- সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি নির্দেশ যা বিএলও-রা ইআরও-রা পেয়েছেন তা প্রকাশ করতে হবে।
- লজিকাল ডিসক্রিপান্সির বর্তমান চেহারার জন্য কি কি দায়ি তার তদন্ত করতে হবে।
- আনম্যাপড এ যাদের মৃত বলা হচ্ছে তাদের প্রতিজনের সম্পর্কে কি থথস্ক্র সরকারের কাজে আছো, ডেথ রেজিস্ট্রি আছে কিনা দেখতে হবে।
- ডুপ্লিকেট কার্ড ইসু করার কি কি চক্রান্ত কমিশনের মধ্যেই রয়েছে বা তার নকল কিভাবে হচ্ছে তার তদন্ত করতে হবে।
- পার্মানেন্টলি শিফটেড যারা তাদের তথ্য নাগরিক কে জানাতে হবে।
- ডিলিশন রিকোয়েস্ট আর নাম তোলার আবেদন কি জমা পড়েছে তার বিষয়ে বিশদে তদন্ত করতে হবে, এর বাইরে কিসের ভিত্তিতে নাম বাদ পড়েছে বা নাম উঠেছে জানাতে হবে।
- লজিকাল ডিসক্রিপান্সির বিষয়টা সম্পূর্ণ ভাবে প্রত্যাহার তো করতেই হবে, তাছাড়া আনম্যাপড যাদের বলা হচ্ছে হঠাৎ, তাদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করতে হবে।
#নির্ভুলভোটারলিস্ট
বোদাগু | 2402:3a80:1961:1d41:178:5634:1232:***:*** | ০৬ মার্চ ২০২৬ ১৬:৫৩746957
যে কলোনি বা বস্তিতে কখনও থেকেছে, এই দিদির কান্নায় তার বুক ফেটে যাওয়ার কথা। কত কথাই তো বলি, 'হ্যায়াগো কোনো মায়া নাই?' এই বাক্যটার মতো একটা বাক্য তো সারাজীবনে লিখতে পারলাম না। সম্পূর্ণ ব্যর্থ এই জীবন।
কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে এককালীন বা ধারাবাহিক ভাবে গুরুভার বহন করুন।
বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে,
মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা,
কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
আমাদের কথা
আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের
কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি
জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
বুলবুলভাজা
এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ।
দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও
লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
হরিদাস পালেরা
এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে
পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান
নিজের চোখে...... আরও ...
টইপত্তর
নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান।
এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর।
... আরও ...
ভাটিয়া৯
যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই,
সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক
আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
টইপত্তর, ভাটিয়া৯, হরিদাস পাল(ব্লগ) এবং খেরোর খাতার লেখার বক্তব্য লেখকের নিজস্ব, গুরুচণ্ডা৯র কোন দায়িত্ব নেই। | ♦ :
পঠিত সংখ্যাটি ১৩ই জানুয়ারি ২০২০ থেকে, লেখাটি যদি তার আগে লেখা হয়ে থাকে তাহলে এই সংখ্যাটি সঠিক পরিমাপ নয়। এই বিভ্রান্তির জন্য আমরা দুঃখিত।
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক।
অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি।
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি
বার পঠিত
সকলকে জানান
উপরে যে কোনো বোতাম টিপে পরিচিতদের সঙ্গে ভাগ করে নিন
গুরুচন্ডা৯ বার্তা
গুরুতে নতুন?
এত নামধাম দেখে গুলিয়ে যাচ্ছে? আসলে আপনি এতদিন ইংরিজিতে সামাজিক মাধ্যম দেখে এসেছেন। এবার টুক করে বাংলায়ও সড়গড় হয়ে নিন। কটা তো মাত্র নাম।
গুরুর বিভাগ সমূহ, যা মাথার উপরে অথবা বাঁদিকের ভোজনতালিকায় পাবেনঃ
হরিদাসের বুলবুলভাজা : গুরুর সম্পাদিত বিভাগ। টাটকা তাজা হাতেগরম প্রবন্ধ, লেখালিখি, সম্ভব ও অসম্ভব সকল বিষয় এবং বস্তু নিয়ে। এর ভিতরে আছে অনেক কিছু। তার মধ্যে কয়েকটি বিভাগ নিচে।
শনিবারের বারবেলা : চিত্ররূপ ও অক্ষরে বাঙ্ময় কিছু ধারাবাহিক, যাদের টানে আপনাকে চলে আসতে হবে গুরুর পাতায়, ঠিক শনিবারের বারবেলায়।
রবিবারের পড়াবই : পড়া বই নিয়ে কাটাছেঁড়া সমালোচনা, পাঠপ্রতিক্রিয়া, খবরাখবর, বই নিয়ে হইচই,বই আমরা পড়াবই।
বুধবারের সিরিয়াস৯ : নির্দিষ্ট বিষয় ধরে সাপ্তাহিক বিভাগ। ততটা সিরিয়াসও নয় বলে শেষে রয়ে গেছে ৯।
কূটকচা৯ : গুরু কিন্তু গম্ভীর নয়, তাই গুরুগম্ভীর বিষয়াশয় নিয়ে ইয়ার্কি ফুক্কুড়ি ভরা লেখাপত্তর নিয়েই যতরাজ্যের কূটকচা৯। কবে কখন বেরোয় তার কোনো ঠিক ঠিকানা নেই।
হরিদাস পাল : চলতি কথায় যাদের বলে ব্লগার, আমরা বলি হরিদাস পাল। অসম্পাদিত ব্লগের লেখালিখি।
খেরোর খাতা : গুরুর সমস্ত ব্যবহারকারী, হরিদাস পাল দের নিজের দেয়াল। আঁকিবুঁকি, লেখালিখির জায়গা।
টইপত্তর : বিষয়ভিত্তিক আলোচনা। বাংলায় যাকে বলে মেসেজবোর্ড।
ভাটিয়া৯ : নিখাদ ভাট। নিষ্পাপ ও নিখাদ গলা ছাড়ার জায়গা। কথার পিঠে কথা চালাচালির জায়গা। সুতো খুঁজে পাওয়ার দায়িত্ব, যিনি যাচ্ছেন তাঁর। কর্তৃপক্ষ দায়ী নন।
লগিন করে থাকলে ডানদিকের ভোজনতালিকায় যা পাবেনঃ
আমার গুরুঃ আপনার নিজস্ব গুরুর পাতা। কোথায় কী ঘটছে, কে কী লিখছে, তার মোটামুটি বিবরণ পেয়ে যাবেন এখানেই।
খাতা বা খেরোর খাতাঃ আপনার নিজস্ব খেরোর খাতা। আঁকিবুকি ও লেখালিখির জায়গা।
এটা-সেটাঃ এদিক সেদিক যা মন্তব্য করেছেন, সেসব গুরুতে হারিয়ে যায়না। সব পাবেন এই পাতায়।
গ্রাহকরাঃ আপনার গ্রাহক তালিকা। আপনি লিখলেই সঙ্গে সঙ্গে গ্রাহকরা পাবেন নোটিফিকেশন।
নোটিঃ আপনার নোটিফিকেশন পাবার জায়গা। আপনাকে কেউ উল্লেখ করুক, আপনি যাদের গ্রাহক, তাঁরা কিছু লিখুন, বা উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটুক, জলদি পেয়ে যাবেন নোটিফিকেশন।
বুকমার্কঃ আপনার জমিয়ে রাখা লেখা। যা আপনি ফিরে এসে বারবার পড়বেন।
প্রিয় লেখকঃ আপনি যাদের গ্রাহক হয়েছেন, তাদের তালিকা।