এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব   শোনা কথা

  • পার্টস অব স্পীচ

    বোদাগু
    বাকিসব | শোনা কথা | ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫ | ৩৪৪৪ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রাজনৈতিক 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:5957:4d6b:9867:***:*** | ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:২৫746685
  • রিপোর্টার্স কালেকটিভ তাদের তদন্তমূলক গবেষণার রিপোর্টে অভিযোগ করেছে যে পশ্চিমবঙ্গের ব্যাপারে কমিশন কোর্টে মিথ্যা বলেছে, অর্থাৎ তাদের দাবি যে বিএলও রা তাঁদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নাগরিকদের নোটিশ দিয়েছেন, এটি সর্বৈব মিথ্যা। কারণ তাঁরা সই করে কমিশনের জেনারেটেড নোটিশ বিলি করেছেন মাত্র।
  • বোদাগু | 2402:3a80:4304:a678:278:5634:1232:***:*** | ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫১746688
  • লিবারেশনের চিঠি, কালকের অবস্থান বিক্ষোভের পরের ডেপুটৃশনের চিঠি মনে হয়। আজ ফেসবুকে বেরিয়েছে। ওঁদের হ্যান্ডেলে। হ্যান্ডেল অফিশিয়াল সম্ভবতঃ। 
     
     
    প্রতি  
    মাননীয় চিফ ইলেক্টোরাল অফিসার  
    পশ্চিমবঙ্গ  

    বিষয়: ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ লঙ্ঘন, সংখ্যালঘু–মহিলা–গরিব মানুষের হয়রানি এবং ভোটাধিকার ও স্বচ্ছতা রক্ষার দাবিতে ডেপুটেশন।

    মাননীয় মহোদয়,

    পশ্চিমবঙ্গে চলমান ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া বর্তমানে সাধারণ প্রশাসনিক কাজের গণ্ডি ছাড়িয়ে একটি গভীর গণতান্ত্রিক সংকটের চেহারা নিয়েছে। এই প্রক্রিয়া কার্যত সংখ্যালঘু, মহিলা ও গরিব মানুষের ভোটাধিকার হরণের এক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) লিবারেশনের পক্ষ থেকে আমরা এই অভিসন্ধিমূলক প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আমাদের তীব্র প্রতিবাদ ও সুনির্দিষ্ট দাবি জানাচ্ছি।

    মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট সাম্প্রতিক নির্দেশ ও পর্যবেক্ষণে স্পষ্টভাবে বলেছে যে, ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা অসীম বা প্রশ্নাতীত নয়। আদালত উল্লেখ করেছে, এই ক্ষমতার প্রয়োগ স্বচ্ছতার সাথে, সংবিধান ও প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের সীমার মধ্যেই হতে হবে। অথচ বাস্তবে আমরা দেখছি, পশ্চিমবঙ্গে SIR প্রক্রিয়া সেই সীমারেখা অতিক্রম করে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

    আমরা নিম্নলিখিত গুরুতর বিষয়গুলি আপনার নজরে আনছি:

    ১. ‘Logical Discrepancy’-র নামে হয়রানি
    সুপ্রিম কোর্টে নির্বাচন কমিশন আশ্বাস দিয়েছিল যে সামান্য বানান ভুল বা তুচ্ছ কারণে ভোটারদের হয়রানি করা হবে না। অথচ বাস্তবে ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র মতো অস্পষ্ট তকমা লাগিয়ে গণহারে হিয়ারিং-এর নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। এর ফলে দীর্ঘদিনের বৈধ ভোটার, বিশেষত সংখ্যালঘু, মহিলা ও শ্রমজীবী মানুষরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।‌ এমনকি বহু বিএলও (BLO) নিজেরাই এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন এবং এই ধরনের কাজের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

    ২. ২০০২ তালিকাভুক্তদের সন্দেহ করা বা নথি চাওয়া
    আমরা লক্ষ্য করছি, নির্বাচনী আধিকারিকরা নির্দিষ্ট কিছু কাগজ দেখাতে না পারলে "ভোটার তালিকায় নাম থাকবে না"—এমন হুমকি বৈধ ভোটারদের দিচ্ছেন। আমরা কমিশনের এই মনোভাবের তীব্র বিরোধিতা করছি। কোনো নাগরিকের নাম বা তাঁর রক্তের সম্পর্কের কারো নাম যদি ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় থাকে, তবে তাঁর ভোটাধিকার বা নাগরিকত্ব নিয়ে নতুন করে সন্দেহ প্রকাশ করা বা বাড়তি প্রমাণ চাওয়া চলবে না। নির্বাচন কমিশন অতীতে নিজেই এই নীতি স্পষ্ট করেছিল। 

    ৩. ইআর‌ও-র ক্ষমতা খর্ব ও সমান্তরাল প্রশাসন
    জনপ্রতিনিধিত্ব আইন অনুযায়ী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক বা ERO-রাই ভোটার তালিকার চূড়ান্ত আইনসম্মত সিদ্ধান্তকারী। কিন্তু আমরা উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি, বিভিন্ন জেলায় ‘মাইক্রো-অবজারভার’-দের দিয়ে একটি সমান্তরাল ব্যবস্থা চালানো হচ্ছে। এরা ইআর‌ও-দের কাজে অনধিকার চর্চা করছেন এবং প্রক্রিয়াটিকে আরো জটিল ও অস্বচ্ছ করে তুলছেন।

    ৪. ‘Multiple’ ক্যাটাগরির ধোঁয়াশা
    ‘মাল্টিপল’ বা ‘একাধিক’ এন্ট্রির কথা বলে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়াই নাম দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এই ক্যাটাগরির সংজ্ঞা স্পষ্ট নয়। এই অস্পষ্টতার সুযোগ নিয়ে প্রশাসনের একাংশ নির্বিচারে ভোটারদের নাম ‘ডিলিট’ বা বাদ দেওয়ার তালিকায় ফেলছে, যা অত্যন্ত বিপজ্জনক প্রবণতা।

    ৫. হোয়াটসঅ্যাপ নির্ভর অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া
    গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা কোনো লিখিত সার্কুলার বা সরকারি পোর্টালে না দিয়ে, হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ ও মৌখিক নির্দেশের মাধ্যমে চালানো হচ্ছে। এতে জবাবদিহির কোনো দায় থাকছে না এবং পরবর্তীতে আইনি প্রতিকার পাওয়ার রাস্তাও বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও অসংখ্য নাগরিককে হিয়ারিং-এর রিসিট কপি দেওয়া হয়নি। হিয়ারিং-এর ফল‌ সম্পর্কেও তারা অন্ধকারে। এই অস্বচ্ছতা নিছক গাফিলতি, না কি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত -- নাগরিকদের মধ্যে এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক।

    ৬. ফর্ম–৭ এর অপব্যবহার ও তথ্যের লুকোছাপা
    ১৯ জানুয়ারি পর্যন্ত ফর্ম–৬ ও ফর্ম–৭ জমা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কমিশন জানায়নি যে কোন ব্লক বা জেলায় মোট কতগুলি এই ফর্ম জমা পড়েছে। এই গোপনীয়তা সন্দেহের অবকাশ তৈরি করছে। ভুয়ো বা বেনামী অভিযোগের ভিত্তিতে বৈধ ভোটারের নাম কাটার চক্রান্তের বিভিন্ন ঘটনা সামনে আসা সত্বেও এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কোনো পদক্ষেপ‌ও চোখে পড়েনি।

    আমাদের দাবি:
    উপরোক্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে আমাদের সুনির্দিষ্ট দাবিগুলি হলো—

    (১) ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি’-র অজুহাতে সংখ্যালঘু, মহিলা ও গরীব নাগরিকদের অযৌক্তিক হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।
    (২) অবিলম্বে ব্লক ও জেলাভিত্তিক ফর্ম–৬ ও ৭ জমা পড়ার পূর্ণাঙ্গ তালিকা জনসমক্ষে প্রকাশ করতে হবে।
    (৩) ফর্ম–৭ এর শুনানির সময় অভিযোগকারীকে সশরীরে উপস্থিত থেকে প্রমাণ দাখিল করতে হবে। অভিযোগ ভুয়ো বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রমাণিত হলে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে।
    (৪) সরকারি আবাসন, পাট্টা ও পুনর্বাসনের দলিলকে ঠিকানার বৈধ প্রমাণ হিসেবে মান্যতা দিতে হবে।
    (৫) নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় ইআর‌ও (ERO)-দের স্বাধীন সত্তা বজায় রাখতে হবে এবং বেআইনিভাবে মাইক্রো-অবজারভারদের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।
    (৬) ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পুরোনো এবং প্রতিষ্ঠিত ভোটারদের নতুন করে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো‌ চলবে না।

    আমরা আশা করি, নির্বাচন কমিশন তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করবে এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। অন্যথায়, রাজ্যের সাধারণ মানুষ এই অধিকার রক্ষায় আইনী পদক্ষেপ ও বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হবে।

    ধন্যবাদান্তে,

    অভিজিৎ মজুমদার  
    রাজ্য সম্পাদক  
    সিপিআই(এম‌এল) লিবারেশন
    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটি  
    ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:c0dc:a0c6:a657:***:*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:২৭746693
  • ম্যাপিং এবং লজিকাল ডিসক্রিপান্সির  পদ্ধতিগত পার্থক্য প্রসঙ্গে সবর ইনস্টিটিউট এর আরো কিছু বিশ্লেষণঃ 
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:c0dc:a0c6:a657:***:*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৫746694
  • https://ibb.co/SXW5zRXt
     
    Muslim Voters Disproportionately Affected by Logical Discrepancies Compared to Unmapping

    In the Assembly Constituency represented by WB CM Mamata Banerjee, Bhabanipur AC, voters removed for being Absentee, Shifted, Dead, Duplicate (ASDD) voters and those marked as unmapped broadly match the Muslim share of the population (around 20%). This suggests that routine processes, like deletions due to death, people moving houses, or progeny-linking errors, generally affect communities in similar proportions.

    The surname patterns support this. Common surnames such as Das, Singh, Roy, and Shaw, mostly non-Bengali Hindu surnames, dominate both the ASDD and unmapped lists. This shows that routine exclusions are not especially concentrated on Muslim voters.

    This changes sharply in the Logical Discrepancy list.
     
    Even though Muslims make up only about 20% of the electorate, they form over 51% of voters flagged under logical discrepancies.

    This imbalance is also clear from surnames. Muslim-associated surnames like Khatoon, Khan, Begum, Ali, and Ahmed appear far more often in the Logical Discrepancy list.

    Taken together, these patterns show that logical discrepancy checks are not neutral in how they work.

    Instead, they interact unevenly with people’s social and living conditions, leading to a different and more unequal kind of exclusion compared to routine deletions or unmapped cases.

    This is why the Logical Discrepancy category stands out as a serious and concerning form of voter filtering, not just regular electoral roll maintenance.
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:c0dc:a0c6:a657:***:*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৮746695
  • https://ibb.co/5gP9TVZ2
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:c0dc:a0c6:a657:***:*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫২746696
  • রিপোর্টার্স কালেকটিভ এর investigative journalism ধারার রিপোর্ট । পশ্চিমবঙ্গের এস আই এর বিষয়ে কমিশনের পক্ষ.থেকে কোর্টে পেশ করা তথ্যের গরমিল.সংক্রান্ত।
     
  • বোদাগু | 2402:3a80:1986:c3f2:478:5634:1232:***:*** | ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:১১746700
  • লিবারেশন নেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের এস.আই র বিষয়ক বক্তৃতাঃ 
     
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:6890:b824:c45f:***:*** | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৮746702
  • গণশক্তি লজিকাল ডিসক্রিপান্সির সিস্টেমিক বায়াস নিয়ে খবর করেছে। আজ 2 february 2026 
     
    মেটিয়াব্রুজ এবং ভবানীপুরের উদাহরণ দেওয়া হয়েছে। সবর ইনস্টিটিউট এর রিসার্চকে ব্যবহার করা হয়েছে, সূত্র উল্লেখ করে।
     
    নিজস্ব প্রতিনিধি: কলকাতা, ১ ফেব্রুয়ারি - শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারের ৮৮ শতাংশই সংখ্যালঘু! সেই কেন্দ্রেই অন্যান্য অংশের ভোটারদের মধ্যে পারিবারিক সূত্র ধরে অসঙ্গতি চিহ্নিত (লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি) হয়ে শুনানিতে মাত্র ১৩ শতাংশ ডাক পেয়েছে।

    কলকাতার উপকণ্ঠে ৬০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটারের বাস মটিয়াব্রুজ বিধানসভা কেন্দ্রে। সড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের এর সামনে আসে মৃত, স্থানান্তরিত, অনুপস্থিত ও একাধিক জায়গায় নাম থাকার সূত্রে এই মেটিয়াব্রুজ প্রানসভাতেই বাদ যায় ৫৮ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটারের। এই একই ক্যাটাগরিতে বাদ যাওয়া অমুসলমান গোষ্ঠীর নাম বাদ যাওয়ার হার
    ছিল ৪১.৪৯ শতাংশ।

    ২০০২ এমনকি সালের এরাজ্যে শেষবার আয়োজিত নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনে নাম না থাকা ভোটারদের হার এই মেটিয়াব্রুজেই সংখ্যালঘু জনতার মধ্যে ছিল ৬২ শতাংশ। 'আনম্যাপড' ভোটারদের অমুসমান ভোটারদের মধ্যে এই হার মেটিয়াব্রুজে ছিল ৩৭ শতাংশ।

    মেটিয়াব্রুজ বিধানসভায় সংখ্যালঘু ভোটারের শতকরা হার সর্বোচ্চ ৬৫ শতাংশ। রাজ্যে এসআইআর পর্বে এএসডিডি (অ্যাবসেন্ট শিপ্টেড ডেড ডুপ্লিকেট), নো ম্যাপিং ও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি এই তিন শব্দবন্ধ এখন রাজ্যবাসীর কাছে নির্বাচন কমিশনের দৌলতে পরিচিত। রাজ্যজুড়ে এখন

    চলছে পারিবারিক সূত্র ধরে অসঙ্গতি চিহ্নিত ভোটারদের শুনানি।

    এসআইআর পর্বে রাজ্যে অন্যতম সংখ্যালঘু নিবিড় বিধানসভা কেন্দ্র মেটিয়াব্রুজ ও মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের এসডিডি, নো ম্যাপিং ও লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি চিহ্নিত ভোটারদের নিয়ে সমীক্ষা করে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সবর ইনস্টিটিউট। দুই বিধানসভা কেন্দ্রের সমীক্ষাতেই তাৎপর্যপূর্ণভাবে সামনে এসেছে, নো ম্যাপিং ও এসডিডি ভোটারদের থেকে জনসংখ্যার আনুপাতিক হারে মুসলমান জনগোষ্ঠীর ব্যাপক হারে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য শুনানির ডাক পড়ছে। সমীক্ষক দলের অন্যতম গবেষক অশীন চক্রবর্তীর কথায়, “ মেটিয়াব্রুজের

    ভোটারদের মধ্যে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ সংখ্যালঘু মানুষ। ফলে খসড়া তালিকায় নাম না থাকা ৫৮ শতাংশ কিংবা নো ম্যাপিং'এ ৬২ শতাংশের উপস্থিতি মেনে নেওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ আছে। কিন্তু কোনও যুক্তিতেই শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারদের মধ্যে ৮৮ শতাংশই সংখ্যালঘু জনতার উপস্থিতি সন্দেহজনক।” নির্বিচারে সংখ্যালঘুদের ডাক পাওয়া নিয়ে সমীক্ষা করতে গিয়ে গবেষকদের স্থির বিশ্বাস, যেভাবে সংখ্যালঘুদের ডাক পড়ছে তা দেখে শুধুমাত্র এআই নির্ভরতার থেকে হচ্ছে না। মুসলমানদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য পক্ষপাতদুষ্ট, ম্যান মেড সফ্টওয়‍্যার তৈরি করে কম্পিউটারে ঢোকানো
    হয়েছে।

    একইভাবে সমীক্ষক দলের নজরে এসেছে কলকাতার অন্যতম হাইপ্রোফাইল বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুর। ২০ থেকে ২২ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটারের উপস্থিতি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে। নগন্য সংখ্যালঘু ভোটারের উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে সমীক্ষায়।

    ২০ শতাংশ মুসলমান ভোটারের ভবানীপুর কেন্দ্রে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর 'এএসডিডি' বাদ পড়ার বিচারে সংখ্যলঘু ভোটারদের হার ছিল ২২ শতাংশ। কিন্তু এই কেন্দ্রেই অমুসলমান ভোটারদের এই বাদ পড়ার শতাংশ ছিল ৭৭ শতাংশ। নো ম্যাপিং

    প্রথম পৃষ্ঠার পর
     
    ভোটারদের মধ্যে ভবানীপুরেই অমুসলমান শতাংশ যেখানে ৭৪ শতাংশ সেখানে সংখ্যালঘুদের হার দাঁড়ায় ২৬ শতাংশ।

    কিন্তু তারপরেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে ভোটারদের কাছে শুনানির নোটিস পৌঁছে দেওয়ার সময় হিসাব পুরো উলটে গেছে। সমীক্ষায় উঠে এসেছে ভবানীপুর কেন্দ্রেই ৫১ শতাংশ ভোটারকেই পারিবারিক সূত্র ধরে অসঙ্গতি চিহ্নিত করে ডাক দেওয়া হয়েছে শুনানিতে। সমীক্ষক দলের বক্তব্য, " ১০০ জন ভোটারের মধ্যে ৫২ জন মুসলমান ভোটারই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য শুনানিতে ডাক পাচ্ছে এটা খুবই উদ্বেগজনক বিষয়। ২০ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটারের কেন্দ্রে 'এসডিডি' ও 'আনম্যাপড' ভোটারদের শতাংশের বাস্তব ভিত্তি আছে। কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নামে শুধু যে সংখ্যালঘু ভোটারদের হয়রানি করা হচ্ছে তা ক্রমশ সামনে আসছে।”

    অথচ খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর পদবিকে ভিত্তি করে কলকাতায় বাদ পড়া ভোটারদের মধ্যে দাস পদবি মিলেছে ১৬.৭৩ শতাংশ। সিং পদবির বাদ পড়া ভোটারদের হার ১২.১১ শতাংশ, সাউ পদবির বাদ পড়েছে ৭.৮২ শতাংশ, যাদব ও রাম পদবির ভোটারদের বাদ পড়ার হার যথাক্রমে ৪.৮৪ ও৪.২৩ শতাংশ। অন্যদিকে আলম পদবি ৩.১২ শতাংশ, খান ৩.৭৫ শতাংশ। বাংলাভাষী পদবির বাদ পড়া ভোটারের মধ্যে দে ২.৪৯ শতাংশ, ঘোষ ৩.৮১ শতাংশ। অথচ লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির সময় ঠিক বিপরীত চিত্র উঠে এসেছে সমীক্ষায়।

    নাম, পদবি সহ ছোটখাট বিভ্রাটে ভোটারদের শুনানিতে ডাকার শতাংশ বিচারে শুনানির হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে সংখ্যালঘু মানুষকেই। ভবানীপুর বিধানসভাতেই পদবির ভিত্তিতে নাম বাদ পড়ার তালিকায় শীর্ষে ছিল 'সিং', 'দাস' ও 'যাদব'। অমুসলমান, হিন্দিভাষী এই তিন পদবি মিলিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার হার ছিল ৩৯ শতাংশ। সেখানে সংখ্যালঘু মহিলাদের মধ্যে 'খাতুন' ও 'বেগম' পদবির নাম বাদ পড়ার হার ছিল যথাক্রমে ৫.৪৯ ও ৩.৫ শতাংশ।

    কিন্তু লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নাম করে শুনানির নোটিস পাওয়া ভোটারদের মধ্যে ভবানীপুরে 'খাতুন' পদবির মহিলাদের ১৪.১৭ শতাংশ ডাক পেয়েছেন। একইভাবে 'বেগম' পদবির মহিলাদের সাড়ে ৮ শতাংশ ডাক পেয়েছেন শুনানিতে।

    গোটা দেশের অন্য কোনও রাজ্যে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নাম করে শুনানির ব্যবস্থা এসআইআর পর্বে হয়নি। একমাত্র ব্যাতিক্রম এ রাজ্য। একইসঙ্গে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির জন্য কমিশন জানিয়েছে বাবার সঙ্গে সন্তানের বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম, এক ব্যাক্তি ৬ জনের বেশি ভোটারকে লিঙ্ক ও ৪৫ বছর পার করা ভোটার পারিবারিক সূত্র ধরে লিঙ্ক করলে তাদের শুনানিতে ডাকা হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি। সামান্য নামের গোলমাল হলেই ডাক পড়ছে শুনানিতে। নির্বিচারে এরাজ্যের গ্রাম ও শহরের সংখ্যালঘু মানুষকেই ডাকা হচ্ছে। শুনানিতে তাদের কাছ থেকে চাওয়া হচ্ছে কমিশন নির্ধারিত ১৩ টি নথির কোনও একটি। অধিকাংশ সংখ্যালঘু ভোটাররই তা দিতে পারছেন না।
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:6890:b824:c45f:***:*** | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:০৯746703
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:36c9:9fbf:282c:***:*** | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০২746719
  • সুপ্রীম কোর্টের অর্ডার তো ঠিক ভাবে মানা হচ্ছেই না, কিন্তু নিজেদেরই কাজ শেষ করার কোনো আগ্রহ কমিশনের আছে বলে মনে হয় না। আজকে উত্তর চব্বিশ পরগণার খবর পাওয়া গেল, শুনানি কেন্দ্র আদৌ কত বেড়েছে বোঝা মুশকিল।

    সাড়ে ৪ লক্ষের বাবার নাম ভুল! তুঘলকি কমিশনে ক্ষুব্ধ ভোটাররা

    শ্যামলেন্দু গোস্বামী বারাসত

    বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন জেলা উত্তর ২৪ পরগনায় এসআইআর নিয়ে উদ্বেগ ক্রমশ গভীর হচ্ছে। ভোটারদের যাবতীয় দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের একের পর এক 'তুঘলকি' সিদ্ধান্ত। এই অবস্থায় জানা গিয়েছে, জেলার প্রায় সাড়ে চার লক্ষ ভোটারকে শুনানির নোটিস ধরানো হয়েছে স্রেফ বাবার নামে সামান্য ভুল বা গরমিল থাকার জন্য। তাছাড়া, এরকম ছোটোখাটো কারণে এক-একজনকে একাধিকবার শুনানিতে ডাকা হচ্ছে বলে অভিযোগ। তবে কমিশনের 'খামখেয়ালি' আচরণের এখানেই শেষ নয়! এই জেলার প্রায় ১৮ লক্ষ ভোটারকে এসআইআরে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। এদিকে, কমিশন জানিয়ে দিয়েছে, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে শুনানি। পর্ব শেষ করতেই হবে। কিন্তু শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত মাত্র প্রায় ৬ লক্ষ শুনানি হয়েছে বলে খবর। ফলে এই চার-পাঁচ দিনে প্রায় ১২ লক্ষ ভোটারের শুনানি কীভাবে সম্ভব, ভেবে কূলকিনারা পাচ্ছেন না এসআইআরের সঙ্গে যুক্ত কর্মী-আধিকারিকরা। প্রাতদিন এক করে কাজ করলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সবার শুনানি শেষ করা কার্যত অসম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা। ার্বিক অব্যবস্থা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন ভোটাররা। রাজ্যের মধ্যে উত্তর ২৪ পরগনায় জেলা থেকে সর্বাধিক মে বাদ যাওয়ার ইঙ্গিত মিলছে বলে দাবি ওয়াকিবহাল প্রলের। প্রতিদিন হাজারে হাজারে মানুষ শুনানি কেন্দ্রে লাইন

    দিচ্ছেন। দুর্ভোগে জেরবার হতে হচ্ছে তাঁদের। প্রশাসন সূত্রে খবর, একজন বাবার ছ'জনের বেশি সন্তান, এমন ৪ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭৫৬ ভোটারকে শুনানির নোটিস দেওয়া হয়েছে। বাবার নামে গরমিলের কারণে ডাক পেয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৬৮১ জন। তবে এক্ষেত্রে সিংহভাগই সামান্য ত্রুটির জন্য ডাক পেয়েছেন বলে খবর। যেমন, কোনো ক্ষেত্রে বাবার নামের আগে পূর্ণচ্ছেদ পড়ে গিয়েছে। কোথাও নামের মধ্যে 'চন্দ্র', 'কুমার' ইত্যাদি যুক্ত থাকায় গরমিল এসেছে। তাঁদের প্রত্যেককে 'সন্দেহজনক ভোটার' মনে করেছে কমিশন। বনগাঁ ও বসিরহাট মহকুমায় এসব কারণে নোটিস পাওয়া ভোটারের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এই জায়গা থেকেই তৃণমূলের প্রশ্ন, তাহলে কি ঘুরপথে নির্বাচন কমিশনের 'টার্গেট' মতুয়া ও সংখ্যালঘুরা?

    উত্তর ২৪ পরগনা

    জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরগনায় মোট ১৭ লক্ষ ২০ হাজার ৮৪ জনকে এসআইআরের নোটিস পাঠানো হয়েছে। তার মধ্যে হিয়ারিং সম্পন্ন হয়েছে মাত্র ৫ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৬৫ জনের। তাহলে ৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কীভাবে শুনানি শেষ হবে? চিন্তা বাড়ছে কর্মী-আধিকারিকদের। নথির ঘাটতির কারণে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়তে পারে, এই আশঙ্কায় বহু পরিবার উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছে। প্রতিবাদে জেলার বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বিক্ষোভ চলছে। কাজের চাপে নাজেহাল নির্বাচনি কর্মী-আধিকারিকদের কেউ কেউ শারীরিক ও মানসিকভাবে বিধস্ত হয়ে পড়ছেন। সবমিলিয়ে ভোটার তথা সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। 
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:36c9:9fbf:282c:***:*** | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৪746720
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:36c9:9fbf:282c:***:*** | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫১746721
  • কমিশন বেশ রসিয়ে একটা তথ্য পরিবেশন করছিলেন, হিয়ারিং এ কতজন আসেন নি। ধরেই নেওয়া হচ্ছিল যাঁরা হিয়ারিং এ আসেন নি, তাঁরা সন্দেহজনক ভোটার, এখন বেহালা থেকে খবর আসছে, ডিলিশন রিকোয়েস্ট জানিয়েছেন এরকম ফর্ম 7 এ সই করা লোকদের আবার খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। -:))))  
     
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:36c9:9fbf:282c:***:*** | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৮746722
  • এই ভদ্রলোক, প্রাক্তন নির্বাচন কমিশন আধিকারিক, যা বলছেন, সেটা সেন্সিবল। এবং একজন বৈধ ভোটার বাদ গেলেও এসআইআর বাতিল হওয়া উচিত। তবে তাঁর যুক্তির মূল আধার নাগরিকের বাসস্থান। এবং এটাই সমস্যা, আধার কার্ড এবং এসআইআর এবং মজার কথা হল যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন, সংক্ষেপে বলতে গেলে, আভ্যন্তরীন মাইগ্রেশনের বাস্তবকে, শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গী থেকেই অস্বীকার করে। 
     
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:2e9a:ff93:47e0:***:*** | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৪০746731
  • ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অভিযোগ করছে, কমিশনের দেওয়া দুটি নথি ও ঘোষণার মধ্যে ফারাক রয়েছে।
     
    সুপ্রীম কোর্টে কমিশনের জমা দেওয়া দেওয়া তথ্য বলছে ৫৮ লক্ষ মতো লোকের প্রোজেনি সমস্যা আছে। 
    অথচ কমিশনের পরবর্তী ঘোষণা বলছে এরকম সমস্যার কথা জানিয়ে 13 লক্ষ মতো নোটিশ জারি হয়েছে। 
     
    এটা পরিষ্কার হচ্ছেনা বাকি ৪৫ লক্ষ কে নোটিশ পাঠানো হবে নাকি প্রাথমিক সন্দেহর পরে 45 লক্ষের সমস্যা মিটে গেছে। 
     
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:b66b:f311:eb84:***:*** | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:০৮746738
  • গতকালকের এস আই আর সংক্রান্ত মামলার  প্রসিডিংস ভিডিও।
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:a6d0:3fa9:2cfc:***:*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০৬746740
  • গণশক্তি খবর করেছে যে সন্দেশখালির মতো হঠাৎই মধ্য হাওড়ায় নট ইন্ডিয়ান সিটিজেন নোটিশ পাঠানো শুরু হয়েছে। এবং এই নোটিশ কে পাঠাচ্ছে কি বৃত্তান্ত কোনো সই নেই। আরো মজা হল অভিযোগকারীর ঠিকানা অসম্পূর্ণ আছে, যার ভিত্তিতে নোটিশ পাঠানোটাই বেআইনি।
     
     নৈতিকভাবে নির্বাচন কমিশন 'ফর্ম ১৪' পাঠিয়েছে মধ্য হাওড়ায়

    নিজস্ব সংবাদদাতা: হাওড়া, ৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন পাঠানো ফরম ১৪ কে কেন্দ্র করে আতঙ্ক ছড়ালো মধ্য হাওড়া বিধানসভার বেশ কয়েকটি বুথ এলাকায়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই হাওড়া আদালত চত্বরে পুরানো কালেক্টরেট অফিসের সামনে ভিড় জমতে শুরু করে। নোটিস পেয়ে শুনানিতে হাজির হন বহু মানুষ। প্রত্যেকেই আতঙ্কিত। তাঁদের প্রশ্ন, তাঁরা কয়েক পুরুষ বসবাস করছেন এই শহরে। অনেকের জন্মই এই শহরে। কিন্তু তাঁদের নতুন করে প্রমাণ দিতে হবে যে তাঁরা ভারতীয়। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান শুনানিতে আসা মানুষজন।

    গত কয়েকদিন ধরে মধ্য হাওড়া বিধানসভার ১৩২, ১৭০, ১৭১, ২৮৩, ২৮৯, ৩০০, ৩০২, ৩০৪, ৩০৭, ৩০৮ এবং ৩০৯ নং বুথের দু'হাজারের বেশি ভোটারের কাছে নতুন করে ফরম ১৪ মারফত নোটিস যায়। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট ভোটারের নামে অভিযোগ জমা পড়েছে যে তিনি 'নট ইন্ডিয়ান সিটিজেন'। তাই সেই ভোটারকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে অভিযোগ সঠিক কিনা তার জন্য প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে। মধ্য হাওড়া বিধানসভার যে ১১ টি বুথে ফরম ১৪ ভোটারের নামে ইস্যু করা হয়েছে সেই সমস্ত বুথের অধিকাংশেই সংখ্যালঘু মানুষের বসবাস। ভোটারদের কাছে ফরম ১৪ মারফত যে নোটিস পাঠানো হয়েছে তাতে মধ্য হাওড়া বিধানসভার ইআরও'র কোনও স্বাক্ষর নেই। অধিকাংশ নোটিস অভিযোগকারীর নাম থাকলেও তাঁর ঠিকানা অসম্পূর্ণ। কিভাবে ইআরও'র স্বাক্ষর ছাড়া ও অভিযোগকারীর অসম্পূর্ণ ঠিকানায় একজন ভোটারকে শুনানিতে ডাকা যায় এই প্রশ্ন তুলছেন বৃহস্পতিবার শুনানিতে আসা মানুষজন। কিভাবে একজন বিএলও অসম্পূর্ণ নোটিস ভোটারের কাছে দিলেন সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঘটনা জানাজানি হতেই বুধবার রাতে শিবপুর মোল্লা পাড়ায় যান সিপিআই(এম) প্রতিনিধিরা। ছিলেন আইনজীবী ইমতিয়াজ আহমেদ, আইনজীবী সব্যসাচী চ্যাটার্জি ও স্থানীয় পার্টি নেতৃবৃন্দ। নোটিস পাওয়া আতঙ্কিত মানুষের কাছে গিয়ে আইনি সহযোগিতা ও পাশে থাকার বার্তা দেন নেতৃবৃন্দ। পরে বুধবার রাতে মোল্লাপাড়ায় সভা করেন পার্টি নেতৃবৃন্দ। সভায় যখন সব্যসাচী চ্যাটার্জি বক্তব্য রাখছিলেন সেই বক্তব্য ভিডিও যিনি করছিলেন তাঁর ওপর অর্তকিতে হামলা চালায় কিছু তৃণমূলের লোক। তারা বলতে থাকে, এই বক্তব্যের কোনও ভিডিও করা চলবে না। ভিডিও যা করা হয়েছে তা ডিলিট করতে হবে। সভায় উপস্থিত অন্যান্যরা ঘটনার প্রতিবাদ করলে পিছিয়ে যায় তৃণমূলীরা। রাতেই সমস্ত ঘটনা জানিয়ে শিবপুর থানায় অভিযোগ জানানো হয়।

    এই অনৈতিক নোটিসের ফলে সাধারণ মানুষের হয়রানি বন্ধ করার দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার হাওড়ার জেলা শাসকের কাছে চিঠি দেন সিপিআই (এম) হাওড়া জেলার সম্পাদক দিলীপ ঘোষ। মধ্য হাওড়া বিধানসভার ইআরও'র সাথে দেখা করে প্রতিবাদ পত্র জমা দেন আইনজীবী ইমতিয়াজ আহমেদ। দিলীপ ঘোষ বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয়ভীতি বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতেই এই অনৈতিক নোটিস। বিজেপি-তৃণমূল দুই দলই ভোটারদের ভয়ের মধ্যে রাখতে চায়। বামপন্থীরা মানুষকে সাথে নিয়েই বিজেপি-তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই জারি রেখেছে।
  • বোদাগু | 2405:201:8008:c019:a6d0:3fa9:2cfc:***:*** | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:০৩746741
  • চীফ জাস্টিসের কোর্টে বিহারের কেসে যোগেন্দ্র যাদবের অসাধারণ বক্তৃতা।
     
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:abe3:ce96:8bba:5acc:***:*** | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৩:০৩746749
  • খবরে প্রকাশ যে পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি সার্টিফিকেট গ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
     
     
    মুশকিল হল যাদের ইতিমধ্যেই এই কাগজ আপলোড করা সত্ত্বেও এই সার্টিফিকেট গৃহীত হয়নি বা আপলোড করাই হয়নি দেখানো সত্ত্বেও, তাদের কি হবে স্পষ্ট না।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:9a44:eb92:d662:617f:***:*** | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:৩৫746756
  • লাইভ ল সাইটটি খবর করেছে, জাস্টিস জয়মাল্য বাগচি গতকাল, সাধারণ বাঙালি নামের তারতম্যে অনর্থক লজিকাল ডিসক্রিপান্সির নোটিশ আসছে, উদাহরণ নিজেই দিয়েছেন কুমার থাকা না থাকা, রয়, রে আর রায় এর পার্থক্য থাকা ইত্যাদি। যদিও গতকালকের লিখিত অর্ডারে এই পর্যবেক্ষনটির সরাসরি উল্লেখ নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোর্টে নিজেই বলেছিলেন, ব্যানার্জি - বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদির সাধারণ ফারাকের কথা। চীফ জাস্টিসের আগের দিনের পর্যবেক্ষনের মধ্যেই ছিল দত্ত নামের নানা ভ্যারিয়েশনের কথা বা 2002 এর বাংলা মোটার তালিকা থেকে সফ্টওয়ার দিয়ে অনুবাদ করে তারপরে তার সঙ্গে 2025,এর তালিকার পার্থক্য খোঁজার। ফলে এটা হচ্ছে এটাও বলেছিলেন, এবং সকলেই বলছিলেন ইসিআই যে লজিকাল ডিসক্রিপান্সির কল এনেছে পশ্চিমবঙ্গের জন্য তাতে প্রচুর সমস্যা হচ্ছে যা হওয়ার কথা না। কপিল সিবাল বলেছিলেন লজিকাল ডিসক্রিপান্সি বা ম্যাপিং এর নিয়মাবলী যা ব্যবহৃত হচ্ছে সফটওয়ারে তার তালিকা দিক কমিশন, সেসব তারা দেয় নি, বিচারকদের লিখিত অর্ডারে বিষয়টি না থাকার কারণে।

    এইটা যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে ক্ষমতাসীনরা বুঝতে পারছেন এটা ভালো। তবে প্রথমতঃ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স যে ততটা ইন্টেলিজেন্ট হয় নি সেটা পরিষ্কার। দ্বিতীয়তঃ সাংবিধানিক পদে ক্ষমতাসীনরা, তাঁদের রেকর্ডেড বক্তব্যে উদাহরণ যা ব্যবহার করছেন সবই হিন্দু উচ্চ বা অগ্রণী বর্ণ নামের। বিচার ব্যবস্থায় বা প্রশাসনে, মতুয়া, রাজবংশী, আদিবাসী মুসলমানরা নেই বলেই তাঁদের নামের সাধারণ পার্থক্যের বিষয়টা মূলধারায় উঠে আসছে না। যেন তাঁরা পঞ্চভূতে মিলিয়ে আছেন। এই whitewash আমেরিকায় হলে রাল্ফ এলিসন রা অন্ততঃ উপন্যাস লিখতেন, ইনভিসিবল ম্যান, এখেনে তরুন গল্পকার সাদিক হুসেন একটা গল্পে লিখেছেন শহর, গ্রাম, ব্যক্তির নামের, পরিচিতির জন্মপূর্ব অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু সে তো সন্ত্রস্ত পলায়ন। নন ফিকশন সংবাদের জগতে তাই মূল ধারার বাইরের মানুষের হয়রানির খবর পেতে গেলে তিতিবিরক্ত জনতার সাধারন মানুষের বা পাড়ার উপকারি শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের সোশাল মেডিয়া ফীডের উপরে নির্ভর করতে হচ্ছে। তার মধ্যে একজন হলেন সাবির আলি। এঁদের ফীডগুলো দেখলে বোঝা যাচ্ছে মহম্মদ বা শেখ বা বেগম বা বিবি বা রব ইত্যাদি নামের বানামে সাধারণ বৈচিত্রের কথা। অবশ্য প্রক্তন ভাম রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বীরভূমে চেনা মুসলমান পাড়ায় চেনা নামে চোখ রেখে দেখেছি একই সমস্যা। এছাড়া সন্তান সংখ্যার সমস্যা তো আছেই। হিন্দু কাগজের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী বেশি সন্তান সংখ্যার সমস্যা বা বাবা মায়ের সঙ্গে বয়সের অপেক্ষাকৃত কম পার্থক্যে সমস্যার কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী গোটা রাজ্যে তেরো লক্ষ, অথচ নটিশ দেওয়া হচ্ছে এক কোটি তিরিশ লক্ষ ভোটারকে, মানে দশগুণ প্রায়। জাস্টিস বাগচি ও বলছেন ছয় না, চার বা পাঁচ জন সন্তান থাকলেও জবাব নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।

    আর দুজন হলেন মোস্তারি বানু, যিনি অভিযোগ করেছেন বাবার সঙ্গে 27 বছরের, মায়ের সঙ্গে বাইশ বছরের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও যিনি ভুল নোটিশ পেয়েছেন এবং অসংখ্য সাধারণ মুসলমান ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন ফেসবুকে বলছেন তাঁদের গ্রামের বা অঞ্চলের লজিকাল ডিসক্রিপান্সির ভুল এবং আজগুবি সব নিয়মের কথা। বহুনিন্দিত সিপিএম এর রাজ্য সম্পাদক মহম্ম্দ সেলিম, তিনি একটি প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলেন নামকরনের মতাদর্শের বদলের কথা, বাংলার মুসলমানদের নামে সেকুলার নামকরণের এক সময়কার জনপ্রিয়তার কথা। উদাহরণ দিচ্ছিলেন তাঁর এক আত্মীয়ার নামের যাঁর নাম শিউলি।

    কয়েকটি পদবী ধরে একটি গবেষণা সংস্থা এবং অন্তত একজন সোশাল কমেন্টেটর কিছু ডেমোগ্রাফিক অবসার্ভেশন করেছেন অবশ্য। কিন্তু খুব স্বাভাবিক ভাবেই সেই পদবী তালিকা নির্ভুল, আশানুরূপ ডেমোগ্রাফিক ক্যাটিগোরির নির্নায়ক হিসেবে তখনি ধরা যাবে যখন তার সেনসাস বা অন্য সমাজ বিজ্ঞান গবেষণার ভিত্তি থাকবে। যেমন ধরুন মাঝে দক্ষিনপন্থী ফিডগুলিতে খবর বেরোলো দাস এবং বিশ্বাস সন্দেহজনক, কারণ বিশ্বাস পদবী মুসলমান না হিন্দু না যম্ভাব্য অনুপ্রবেশকারী কেউ বুঝতে পারছে না আর দাস মানে তাকে বর্ণ ব্যবস্থায় বা সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ প্যাটার্নে কোথায় রাখা হবে বোঝা যাচ্ছে না।

    তো সবই কমিশন জানে, কোর্টে সাবমিশন, পর্যবেক্ষন অর্ডার সবই আসছে, কিন্তু সে মুখ লুকোচ্ছে একটি চার্টারে, যেখানে সংবিধান তাকে ভোটার তালিকা তৈরি করার একছত্র অধিকার দিয়েছে। তাই নাগরিকের হয়রানি শেষও হচ্ছে না, সামান্য বদলের ফলে যে ভুক্তভোগীদের নতুন আশ্বাস আসবে সেটাও আসছে না, সব্যসাচী চ্যাটার্জিরা চেষ্টা করছেন এটা বোঝাতে যে কোর্ট বলছেন হিয়ারিং এর বা নোটিফিকেশনের সাধারণ নিয়ম মেনে চলতে কিন্তু কোর্ট যেহেতু কমিশনের কর্মপদ্ধতির পুংখানুপুংখতে ঢুকতে চাইছে না তাই এটা কতদূর তাঁরা বোঝাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট সকলকে তাই নিয়ে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

    প্রতিটি রেফারেন্সের লিংকই পরবর্তীতে যোগ করে দেব, in order of reference in above text.
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:9a44:eb92:d662:617f:***:*** | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:৪৪746757
  •  তবে চীফ জাস্টিস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের পরে বলেন এবং অর্ডারে উল্লেখ করেন, বাংলা ভাষার অনুবাদ বা ট্রানসলিটারেশনের সমস্যার কথা বলতে গিয়ে dialect শব্দটি ব্যবহার করেন language এর বদলে। এর মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের আপত্তি করার কারণ খুঁজে পাওয়ার কথা যেহেতু শব্দটা ব্যবহার করছেন প্রধান বিচারপতি স্বয়ং, কিন্তু সেরকম কোনো নোট দেখি নি এখনো।
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:9a44:eb92:d662:617f:***:*** | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:০২746758
  • আগের আগের পোস্ট টাতে কিছু বদলালাম, বামানের গুষ্টিপুজো আর একটি ক্যাটিগোরির ভুলছিল। লসাগু স্মরণ ইত্যাদি, : 
     
    লাইভ ল সাইট টি খবর করেছে, জাস্টিস জয়মাল্য বাগচি গতকাল , সাধারণ বাঙালি নামের তারতম্যে অনর্থক লজিকাল ডিসক্রিপান্সির নোটিশ আসছে, উদাহরণ নিজে ই দিয়েছেন কুমার থাকা না থাকা , রয়, রে আর রায় এর পার্থক্য থাকা ইত্যাদি। যদিও গতকালকের লিখিত অর্ডারে এই পর্যবেক্ষনটির সরাসরি উল্লেখ নেই।   গত 4.2.2026 তারিখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোর্টে নিজে ই বলেছিলেন, ব্যানার্জি - বন্দ্যোপাধ্যায় ইত্যাদির সাধারণ ফারাকের কথা।
    চীফ জাস্টিসের আগের দিনের পর্যবেক্ষনের মধ্যেই ছিল দত্ত নামের নানা ভ্যারিয়েশনের কথা বা 2002 এর বাংলা ভোটার তালিকা থেকে সফ্টওয়ার দিয়ে অনুবাদ করে তারপরে তার সঙ্গে 2025 এর তালিকার পার্থক্য খোঁজার ফলে এটা হচ্ছে এটাও বলেছিলেন , এবং সকলে ই বলছিলেন ইসি আই যে লজিকাল ডিসক্রিপান্সির কল এনেছে পশ্চিমবঙ্গের জন্য তাতে প্রচুর সমস্যা হচ্ছে যা হওয়ার কথা না। 
    কপিল সিবাল.বলেছিলেন লজিকাল ডিসক্রিপান্সি বা ম্যাপিং এর নিয়মাবলী যা ব্যবহৃত হচ্ছে সফট ওয়ারে তার বিশদ তালিকা দিক কমিশন, তাহলে তার সাংবধানিক ভিত্তি বোঝা যাবে,  সেসব তারা দেয় নি, বিচারক দের লিখিত অর্ডারে বিষয়টি না থাকার কারণে সম্ভবতঃ। 

    তবে চীফ জাস্টিস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যের পরে বলেন এবং অর্ডারে লেখেন, বাংলা ভাষায় প্রকাশিত ভোটার তালিকা অনুবাদ বা ট্রানসলিটারেশনের ফলে বানানের সমস্যার কথা.. বলতে গিয়ে dialect শব্দটি ব্যবহার করেন language এর বদলে। এর মধ্যে বাঙালি জাতীয়তাবাদীদের আপত্তি করার কারণ খুঁজে পাওয়ার কথা যেহেতু শব্দ টা ব্যবহার করছেন প্রধান বিচারপতি স্বয়ং, কিন্তু সেরকম কোনো নোট দেখিনি এখনো।

     এইটা যে রাষ্ট্রের বিভিন্ন সাংবিধানিক পদে ক্ষমতাসীন রা বুঝতে পারছেন এটা ভালো। তবে প্রথমতঃ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স যে ততটা ইন্টেলিজেন্ট হয় নি সেটা পরিষ্কার। এবং আর্টিফিসিয়াল কিছু না এস.আই আর এর ছত্রে ছত্রে বাংলা প্রশাসনিক বায়াস রয়েছে, এটা লুকোনোর জন্য সরকার সমর্থকের ন্যারেটিভে প্রযুক্তির কথা বলা হচ্ছে যেন তার নিয়মাবলী স্বয়ংক্রিয় এবং সারল্যে ভরা। অনেকটা একজন অফিসারের সাক্ষাৎকার গুলির মতো।-:)))

     আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সীমাবদ্ধতার ব্যাপারে অরিজিত মুখার্জির লেখা পড়া যেতে পারে। 

     দ্বিতীয়তঃ সাংবিধানিক পদে ক্ষমতাসীন রা , তাঁদের রেকর্ডেড বক্তব্যে উদাহরণ যা ব্যবহার করছেন সব ই হিন্দু উচ্চ বা অগ্রণী বর্ণ নামের। বিচার ব্যবস্থায় বা প্রশাসনে, মতুয়া, রাজবংশী, আদিবাসী মুসলমান রা নে ই বলে ই তাঁদের নামের সাধারণ পার্থক্যের বিষয়টা মূলধারায় উঠে ই আসছে না। যেন তাঁরা পঞ্চভূতে মিলিয়ে আছেন। এই whitewash আমেরিকায় হলে রাল্ফ এলিসন রা অন্ততঃ উপন্যাস লিখতেন, ইনভিসিবল ম্যান, এখেনে তরুন গল্পকার সাদিক হুসেন একটা গল্পে লিখেছেন শহর, গ্রাম, ব্যক্তির নামের , পরিচিতির জন্মপূর্ব অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়ার কথা কিন্তু সে তো সন্ত্রস্ত পলায়ন।  নন ফিকশন সংবাদের জগতে তা ই মূল ধারার বা ইরের মানুষের হয়রানির খবর পেতে গেলে তিতিবিরক্ত জনতার সাধারন মানুষের বা পাড়ার উপকারি শিক্ষিত ছেলেমেয়েদের সোশাল মেডিয়া ফীডের উপরে নির্ভর করতে হচ্ছে। তার মধ্যে একজন হলেন সাবির আলি। এঁদের ফীড গুলো দেখলে বোঝা যাচ্ছে মহম্মদ বা শেখ বা বেগম বা বিবি বা রব ইত্যাদি নামের বানামে সাধারণ বৈচিত্রের কথা। অবশ্য প্রক্তন ভাম.রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে বীরভূমে চেনা মুসলমান পাড়ায় চেনা নামে চোখ রেখে দেখেছি এক ই সমস্যা।

    এছাড়া সন্তান সংখ্যার সমস্যা তো আছে ই। indian express কাগজের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী বেশি সন্তান সংখ্যার সমস্যা বা বাবা মায়ের সঙ্গে বয়সের অপেক্ষাকৃত কম পার্থক্যে সমস্যার কমিশনের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী গোটা রাজ্যে তেরো লক্ষ, অথচ নোটিশ গেছে 58 লক্ষ। তাহলে কি বাকি 45 লক্ষর সমস্যা মিটে গেল, জানার উপায় নেই

     জাস্টিস বাগচি ও বলছেন ছয় না, চার বা পাঁচ জন সন্তান থাকলে ও নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। 

    এটা পরিষ্কার নয় তাহলে লজিকাল ডিস্ক্রিপান্সিতে যদি মোট এক কোটি বত্রিশ.লক্ষ নাম এ  থাকে তাহলে তার কতটা শতাংশ এসেছে নামের সাধারণ পার্থক্যের জন্য? কমিশন সেটা স্বীকার করবে? হিসেব দেবে? তাতে অগ্রণী জাতি ছাড়া বাকিদের প্রতিনিধিত্ব রইলো কিনা তার হিসেবে কে দেবে? 

    আর দুজন হলেন মোস্তারি বানু, যিনি অভিযোগ করেছেন বাবার সঙ্গে 27 বছরের,  মায়ের.যঙ্গে বাইশ বছরের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও তিনি ভুল নোটিশ পেয়েছেন এবং অসংখ্য সাধারণ মুসলমান ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন ফেসবুকে বলছেন তাঁদের গ্রামের বা অঞ্চলের লজিকাল ডিসক্রিপান্সি র ভুল এবং আজগুবি সব নিয়মের কথা। বহুনিন্দিত সিপি এম এর রাজ্য সম্পাদক  মহম্ম্দ সেলিম, তিনি একটি প্রেস কনফারেন্সে বলেছিলেন নামকরনের মতাদর্শের নানা লকমের বদলের কথা, বাংলার মুসলমান দের নামে সেকুলার নামকরণের এক সময়কার জনপ্রিয়তার কথা।  উদাহরণ দিচ্ছিলেন তাঁর এক আত্মীয়ার নামের যাঁর নাম শিউলি। 

    কয়েকটি পদবী ধরে একটি গবেষণা সংস্থা এবং অন্তত একজন  সোশাল কমেন্টেটর কিছু ডেমোগ্রাফিক অবসার্ভেশন করেছেন অবশ্য। কিন্তু খুব স্বাভাবিক ভাবেই সেই পদবী তালিকা নির্ভুল, আশানুরূপ ডেমোগ্রাফিক ক্যাটিগোরির নির্নায়ক হিসেবে তখনি ধরা যাবে যখন তার সেনসাস বা অন্য সমাজ বিজ্ঞান গবেষণার ভিত্তি থাকবে। যেমন ধরুন মাঝে দক্ষিনপন্থী ফিড গুলিতে খবর বেরোলো দাস এবং বিশ্বাস সন্দেহজনক, কারণ বিশ্বাস পদবী  মুসলমান না হিন্দু না যম্ভাব্য অনুপ্রবেশকারী কেউ বুঝতে পারছে না আর দাস মানে তাকে বর্ণ ব্যবস্থায় বা সম্ভাব্য অনুপ্রবেশ প্যাটার্নে কোথায় রাখা হবে বোঝা যাচ্ছে না। 

    তো সব ই কমিশন জানে, কোর্টে সাবমিশন, পর্যবেক্ষন অর্ডার সব ই আসছে, কিন্তু সে মুখ লুকোচ্ছে একটি চার্টারে, যেখানে সংবিধান তাকে ভোটার তালিকা তৈরি করার একছত্র অধিকার দিয়েছে। তা ই নাগরিকের.হয়রানি শেষ.ও হচ্ছে না, সামান্য বদলের ফলে যে ভুক্তভোগীদের নতুন আশ্বাস আসবে সেটা ও আসছে না,  সব্যসাচী চ্যাটার্জি রা চেষ্টা করছেন এটা বোঝাতে যে কোর্ট বলছেন হিয়ারিং এর বা নোটিফিকেশনের সাধারণ নিয়ম মেনে চলতে কিন্তু কোর্ট যেহেতু কমিশনের কর্মপদ্ধতির পুংখানুপুংখ তে ঢুকতে চা ইছে না তা ই এটা কতদূর তাঁরা বোঝাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট সকল কে তা ই নিয়ে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।

    প্রতিটি রেফারেন্সের লিংক ই পরবর্তীতে যোগ করে দেব, in order of reference in above text.
    (আসলে প্রায় সব রেফারেন্স ই আগের ধারাবাহিক পোস্ট গুলিতে আছে।) 
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:ba0b:881a:6f99:b2ee:***:*** | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৪746770
  • মেনস্ট্রীম মিডিয়ার ছাগলের ডিবেট, গন্ডমুর্খের বা বিজেপির টাকা খাওয়া অ্যাংকরিং বা বিশ্লেষণে অথবা তৃণমূলের অন্ধ সমর্থন ইত্যাদিতে যারা বাঙলায় অভ্যস্ত তারা আজকাল নিউজ আইটেমে তথ্যানুগ বিশ্লেষণ দেখলে একটু অবাকই হই। অপিনিয়নে একই জিনিস থাকলে হয়তো এখনো সামান্য কম অবাক হই, বিহারের পরে যে SIR 2.0 বলে যে বস্তুটি সারা ভারতে হচ্ছে, তাতে সাড়ে ছ কোটি ভোটারের নাম কেটে দেওয়ার তাল হচ্ছে, বিহারে যদি ৮% ভোটারের নাম বাদ পড়ে থাকে, সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে সেটা 13% মতো। এই কথাটা আমার নজরে প্রথম আসে যোগেন্দ্র যাদবের লেখা পড়ে। তো তাতে চোখে পড়ে তামিলনাদুর 97 লক্ষ ভোটারের ড্রাফ্ট রোলে বাদ পড়ার কথা।

    তো সেসব বিষয় নিয়ে চমৎকার একটি নিউজ করেছিল the new indian express। সেখানে দেখানো হয়েছে, এরকম বুথও রয়েছে, যেখানে গত 2024এ সময় ভোট যা পড়েছে সংখ্যাটার 90% এর উপরে বা কাছাকাছি সংখ্যায় ভোটার ডিলিশন হয়েছে ড্রাফট রোলে। এবং তথ্য পরিবেশকদের মূল বক্তব্যটাই হল এটা ব্যক্তি বিএলও র ভুলের দ্বারা সংঘটিত হওয়া সম্ভব না। আগ্রহীরা দেখতে পারেন। এই সাংবাদিকদের একটা ভিডিও ও দেবো একটু পরে, যদি খুঁজে পাই। এটা স্পষ্ট বিজেপির বাঙালি মুসলমানদের এবং মতুয়া রাজবংশীদের দেশছাড়া করতে না পারুক, নাগরিকত্ব প্রশ্নে কোণঠাসা করাটা যেমন একটা উদ্দেশ্য, সার্বিক ভাবে রাষ্ট্রের কল্যাণমূলক পরিষেবার খরচ কমানো এবং নাগরিকের প্রতি দায়বদ্ধতাটা রাজনীতি থেকে মুছে দেওয়াটাও অন্যতম এবং ভূগোলের আন্দাজে বৃহৎ উদ্দেশ্য। বিহারে এ ভাবে জিতে এবং ভুলভাল মাস ডিলিশন করে হিয়ারিং এর সময় না দিয়ে ভোটে জিতে তাদের আস্পদ্দা বেশী বেড়েছে।

    https://www.newindianexpress.com/states/tamil-nadu/2026/Jan/18/sir-the-numbers-are-not-adding-up-in-tamil-nadu
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:7feb:8708:e1a1:***:*** | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:২৮746775
  • ভিডিও টাঃ  the numbers are not adding up
     
    প্রশান্ত ভূষণের পেজ থেকেঃ 
    RETWEETED Yogendra Yadav @_YogendraYadav
    “This series of articles in @NewIndianXpress is among the finest investigative reports on SIR in any mainstream newspaper. 
    This is what journalism used to be. And should be like.”

    https://www.facebook.com/share/v/1TS3FnLjxB/
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:f9a5:716e:226d:***:*** | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৬746776
  • সবর ইন্স্টিটিউটের ডেটা অ্যানালিসিস ব্যবহার করে টাইমস অব ইন্ডিয়া খবর করেছে। জনসংখ্যার অনুপাতের তুলনায় অনেক বেশি আনম্যাপড বা লজিকাল ডিসক্রিপান্সি নোটিশ পেয়েছেন মুসলমানেরা।
     
    এটা থেকে আরেকটা জিনিসও বোঝা উচিত, তৃণমূল রাজ্যের ক্যাডার এর অফিসার বা একটু নীচুতলার অফিসার এবং বিএল.এ টু দের উপর সরকারী বা সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ রেখে যে কাজটা করতে চাইছে সেটা হল ভোটে জেতা, সেটার প্রাথমিক উদ্দেশ্য নাগরিকত্ব হরণ আটকানো না। তাই এটাই হয়তো শেষ পর্যন্ত হবে, তৃণমূল ব্যাপক ভোটে জিতল, রাজনীতি আরো বাজে কমিউনাল মোবিলাইজেশনে গেল এবং অনেক মুসলমান, মতুয়া রাজবংশী আর আদিবাসী, সর্ব অংশে অধিকাংশ মহিলা ডি ভোটার হয়ে বসে রইলো। this is like a horrible prospect.
  • বোদাগু | 2406:b400:1a:e5f9:f9a5:716e:226d:***:*** | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩৭746777
  • Bratin Das | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:২০746781
  • আচ্ছা বোধি  দা, নাহয় টই টা খুলেছে। তা বলে আর কেউ লিখবেন না।এ কেমন  অন্যায় কথা। সামাজিক কর্তব্য বলেও তো একটা ব্যাপার আছে নাকি? অ্যাঁ? 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন