এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Bratin Das | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৭:০৭559973
  • মানালি, কি দু রকমের হয় . কী এবং কি !
     
    যখন কোন প্রশ্ন করা হচ্ছে যার উত্তর হ্যাঁ baanaai
     
    তখন "কি " ব্যবহার করা হয়
  • Manali Moulik | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:০৮559972
  • একা তো আমরা চিরকাল কৌতুহলী, সবাই থাকলেও কী হয়? আমার কাছে তো কোলাহলও ঝিম দুপুরের গৌড় সারং। আসলে বুঝি, এই পৃথিবী এক পান্থনিবাস। শুধু চেক-আউট করার দিন যেন কেউ না বলে, "এই বোর্ডারটা খারাপ ছিলো"! এইটুকু চেষ্টা। তাতেও মাঝেমাঝে বিফল হই
  • কৌতূহলী | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৫:৩১559971
  • প্রয়াত নানা পাটেকর। সবাই চলে যাচ্ছেন, বড় একা হয়ে পড়ছি।
  • তরমুজ | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:৫২559970
  • //পারসেন্টেজের বিচারে আন্দামানে সবথেকে বেশি সিপিএমের তাড়া খাওয়া উদ্বাস্তুরা রয়েছে। //
     
    অর্থাৎ রাজ্যের মোট জনসংখ্যার পারসেন্ট। ওড়িশা বনাম আন্দামান।
  • Bratin Das | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:১৪559969
  • একটা শ্যাওলা, এক ঝলক নীল আলো, আর ২০২৬-এর মেডিসিন নোবেল !

    পুকুরের জলে ভাসা এককোষী একটা সবুজ শ্যাওলা। আর এক ঝলক নীল আলো। এই দুটো জিনিস জুড়ে আজ মেডিসিনে নোবেল এল।

    আজ, ৫ই অক্টোবর ২০২৬, স্টকহোমের Karolinska Institutet ঘোষণা করেছে, এ বছর Physiology or Medicine-এ নোবেল পাচ্ছেন তিনজন: Stanford University-র Karl Deisseroth (৫৫), বার্লিনের Humboldt University-র Peter Hegemann (৭২) এবং জার্মানির University of Würzburg-এর Georg Nagel (৭৩)। কারণ: "light-gated ion channels" আবিষ্কার এবং Optogenetics।

    খবরটা পড়ে প্রথম প্রশ্ন আসে . Optogenetics জিনিসটা কী? আর একটা শ্যাওলার সঙ্গে মানুষের মস্তিষ্কের সম্পর্ক কোথায়?

    গোড়া থেকে বুঝি।

    মস্তিষ্ক চলে বিদ্যুতে

    আমাদের মস্তিষ্কে প্রায় ৮৬০০ কোটি নিউরন। প্রতিটা নিউরন অন্যটার সঙ্গে যোগাযোগ করে ছোট ছোট বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে। নিউরনের গায়ে থাকে প্রোটিনের তৈরি অসংখ্য সূক্ষ্ম ছিদ্রপথ, যার নাম Ion Channel। ছিদ্রপথ খুললে সোডিয়ামের মতো ধনাত্মক আয়ন ভেতরে ঢোকে, কোষের ভোল্টেজ বদলায়, নিউরন "fire" করে। স্মৃতি, ভয়, খিদে, আনন্দ, প্রতিটার পেছনে আছে কোনো না কোনো নিউরন-দলের firing pattern।

    সমস্যা ছিল এখানে। কোন নিউরন-দল ঠিক কোন কাজের জন্য দায়ী, সেটা প্রমাণ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। Electrode দিয়ে কারেন্ট দিলে আশপাশের নানা রকম কোষ একসঙ্গে সাড়া দেয়। ওষুধ দিলে কাজ হয় ধীরে, আর ছড়িয়ে পড়ে গোটা মস্তিষ্কে। বিজ্ঞানীরা দেখতে পাচ্ছিলেন কোন অংশ সক্রিয় হচ্ছে, কিন্তু সেটাই যে আচরণটার কারণ, সেটা বলতে পারছিলেন না।

    আমার ছাত্রছাত্রীরা Statistics-এ যে কথাটা শোনে, Correlation is not Causation, মস্তিষ্ক-গবেষণা কয়েক দশক ঠিক এই জায়গাতেই আটকে ছিল।

    শ্যাওলা আলো দেখে কীভাবে?

    গল্পে এবার ঢোকে Chlamydomonas reinhardtii। এই এককোষী শ্যাওলার গায়ে একটা ছোট লাল "eyespot" থাকে। তা দিয়ে সে আলো টের পায় আর আলোর দিকে সাঁতরে যায়।

    Peter Hegemann বছরের পর বছর একটাই প্রশ্ন নিয়ে কাজ করেছেন: এই শ্যাওলা আলো টের পায় কীভাবে? মানুষের মস্তিষ্ক বা কোনো রোগ সারানোর কথা তখন এই কাজের ধারেকাছে ছিল না।

    ২০০২-০৩ সালে Hegemann, Georg Nagel এবং Ernst Bamberg মিলে শ্যাওলার আলো-সংবেদী প্রোটিনের জিন ঢুকিয়ে দিলেন ব্যাঙের ডিমকোষে। দেখা গেল, আলো পড়লেই প্রোটিনটা নিজেই খুলে যায়, আয়ন ঢুকতে শুরু করে। আলো ধরার রিসেপ্টর আর Ion Channel, দুটোই একটা প্রোটিনে! এমন জিনিস আগে কেউ দেখেনি। নাম হল Channelrhodopsin।

    নীল আলোয় সাড়া দিল নিউরন

    তৃতীয় চরিত্র Karl Deisseroth। তিনি একসঙ্গে সাইকিয়াট্রির অধ্যাপক আবার Bioengineering-এরও। একজন সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে প্রশ্নটা খুব বাস্তব: ডিপ্রেশনের রোগীর মস্তিষ্কে ঠিক কোন সার্কিট গোলমাল করছে? উত্তর কারও জানা ছিল না।

    ২০০৫ সালে Deisseroth-এর দল Channelrhodopsin-2-এর জিন ঢোকাল ইঁদুরের নিউরনে। তারপর নীল আলো ফেলা হল। নিউরন fire করল। আলো জ্বললে সংকেত, আলো নিভলে চুপ, মিলিসেকেন্ডের হিসেবে। পরে সরু optical fibre দিয়ে জীবন্ত ইঁদুরের মস্তিষ্কে আলো পাঠিয়ে নির্দিষ্ট নিউরন সক্রিয় করা গেল।

    আসল কৌশলটা এখানে। জিনটা ঢোকানো হয় শুধু বেছে নেওয়া এক ধরনের কোষে। আলো পড়লে সাড়া দেয় শুধু সেই কোষগুলো, পাশের কোষ চুপ থাকে। ফলে বিজ্ঞানী এবার নিশ্চিত করে বলতে পারেন: "এই কোষগুলো চালু করলাম, প্রাণীটা এই আচরণ করল।" Correlation থেকে এবার সরাসরি Causation-এর প্রমাণ।

    তারপর কী কী হল?

    গত দুই দশকে Optogenetics পৃথিবীর নিউরোসায়েন্স ল্যাবে একটা standard পদ্ধতি হয়ে গেছে। কয়েকটা উদাহরণ দিই।

    ১. ২০১২ সালে MIT-তে Susumu Tonegawa-র ল্যাব ইঁদুরের hippocampus-এর একটা নির্দিষ্ট কোষগোষ্ঠীতে আলো ফেলে একটা পুরনো ভয়ের স্মৃতি জাগিয়ে তুলেছিল। নিরাপদ জায়গায় দাঁড়িয়েও ইঁদুরটা ভয়ে স্থির হয়ে গিয়েছিল।

    ২. খিদে, তৃষ্ণা, উদ্বেগ, সামাজিক আচরণ, এমনকি বাবা-মায়ের সন্তান লালনের আচরণ, প্রতিটার পেছনের সার্কিট খোঁজা হচ্ছে এই পদ্ধতিতে।

    ৩. ২০২১ সালের মে মাসে Nature Medicine-এ একটা গবেষণা বেরোল। রোগী ৫৮ বছরের এক ব্যক্তি, ৪০ বছর আগে তাঁর Retinitis Pigmentosa ধরা পড়েছিল, চোখে প্রায় কিছুই দেখতেন না। প্যারিস ও বাসেলের গবেষকরা (José-Alain Sahel ও Botond Roska) তাঁর একটা চোখে Channelrhodopsin পরিবারের একটা প্রোটিনের জিন ঢোকালেন, সঙ্গে দিলেন বিশেষ goggles। কয়েক মাস পর তিনি টেবিলে রাখা জিনিস খুঁজে পেলেন, ছুঁতে পারলেন, গুনতে পারলেন। টেবিলের গ্লাস গুনতে বলা হলে ৬৩% বার সঠিক উত্তর দিয়েছেন। দৃষ্টি পুরোপুরি ফেরেনি। তবু মানুষের কোনো রোগে Optogenetics কাজ করে, তার প্রথম প্রমাণ এই রোগী।

    যাঁরা তালিকায় নেই

    নোবেলের নিয়মে একটা পুরস্কার সর্বোচ্চ তিনজনের মধ্যে ভাগ হতে পারে। মেডিসিনে এ পর্যন্ত নোবেল দেওয়া হয়েছে ১১৭ বার, তিনজনে ভাগ হয়েছে ৪১ বার। কিন্তু Optogenetics-এর গল্পে তিনজনের বেশি মানুষ আছেন। ২০০২-০৩ সালের সেই ব্যাঙের ডিমকোষের পরীক্ষায় Ernst Bamberg ছিলেন। ২০০৫ সালের পরীক্ষায় Deisseroth-এর সঙ্গে ছিলেন Ed Boyden আর Feng Zhang। Oxford-এর Gero Miesenböck আলো দিয়ে নিউরন নিয়ন্ত্রণের প্রথম দিকের পরীক্ষাগুলো করেছিলেন। ২০১৩ সালে ডেনমার্কের Brain Prize এই ছয়জনকে একসঙ্গে সম্মান দিয়েছিল। বিজ্ঞান দলবদ্ধ কাজ, পুরস্কারের নিয়ম সবসময় সেটা ধরতে পারে না।

    এবার একটা অস্বস্তিকর প্রশ্ন

    ভাবুন, আমাদের দেশে কোনো ছাত্র যদি বলে "আমি সারাজীবন গবেষণা করব শ্যাওলা আলো দেখে কীভাবে," বাড়িতে কী প্রতিক্রিয়া হবে? প্রথম প্রশ্ন আসবে, "এটা পড়ে চাকরি পাবি?"

    দোষ শুধু অভিভাবকের নয়। আমি নিজেও ক্লাসে বহুবার বলেছি, "এটা বোর্ডে আসবে না, বাদ দাও।" পরীক্ষার সিলেবাসের বাইরের প্রতিটা "কেন" আমরা শিক্ষকরাই প্রথম কেটে দিই।

    দ্বিতীয় প্রশ্ন Deisseroth-কে নিয়ে। একজন ডাক্তার, যিনি Engineering-এর অধ্যাপকও। আমাদের সিস্টেমে ১৫-১৬ বছর বয়সেই ঠিক করে ফেলতে হয় PCM না PCB। প্রতি বছর শুনি, "অঙ্ক ভয় লাগে, তাই বায়োলজি নিয়েছি।" অথচ আজকের নোবেলটা দাঁড়িয়ে আছে আয়নের প্রবাহ, ভোল্টেজ, মিলিসেকেন্ডের টাইমিং আর বিপুল ডেটা বিশ্লেষণের ওপর। মানে ফিজিক্স আর অঙ্কের ওপর। আধুনিক বায়োলজিতে অঙ্ক থেকে পালানোর রাস্তা আর নেই।

    অভিভাবকদের জন্য তিনটে কাজের কথা:

    ১. বাচ্চা "কেন" জিজ্ঞেস করলে "পড়ায় মন দাও" বলে থামিয়ে দেবেন না। উত্তর না জানলে একসঙ্গে খুঁজুন।
    ২. বায়োলজি বা মেডিসিনে যেতে চাইলেও Class 10-এর পর অঙ্ক ভয়ে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবেন না। দুর্বলতা থাকলে সেটা সারানোর ব্যবস্থা করুন।
    ৩. আজ রাতে nobelprize.org-এ গিয়ে এ বছরের "Popular information" পাতাটা বাচ্চার সঙ্গে বসে পড়ুন। ছবি দিয়ে বোঝানো, ১৫-২০ মিনিট লাগবে।

    Hegemann যখন শ্যাওলার eyespot নিয়ে কাজ শুরু করেছিলেন, কেউ জানত না একদিন সেই প্রোটিন একজন অন্ধ মানুষকে টেবিলের গ্লাস গুনতে সাহায্য করবে।

    আমাদের ক্লাসরুমে কতগুলো এমন প্রশ্ন "সিলেবাসে নেই" বলে রোজ মারা যাচ্ছে. সেই হিসেব কেউ রাখে না!

    শুভদীপ শোম
    MathSense Academy

    #Nobel2026 #Optogenetics #NobelPrize #Neuroscience #MathSenseAcademy #অঙ্কশিখবেসহজভাবে
  • তরমুজ | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৪:০২559968
  • পশ্চিমবঙ্গের বাইরে সব সেটেলমেন্টই কংগ্রেস করিয়েছে। কারন পশ্চিমবঙ্গের বাইরে বাম সরকারের জুরিসডিকশন ছিল না। পারসেন্টেজের বিচারে আন্দামানে সবথেকে বেশি সিপিএমের তাড়া খাওয়া উদ্বাস্তুরা রয়েছে। ঝাড়খন্ড, ছত্তিশগড়, দিল্লী, আসাম, ত্রিপুরাতেও রয়েছে। সেটা অন্য কনটেক্সট। এছাড়া আগেরদিন সৈকতবাবুর টইতে মরিচঝাপির বিষয়টা আমিই তুলেছিলাম। সেই সূত্রেই ঐ কথাটা বলেছিলাম। সময় পেলে বিস্তৃত আসব।
  • জিলিপি | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:১১559967
  • কাল ধ্রুব রাথির সিজেপি আন্দোলনের সাথে যুক্ত হওয়ার ভিডিওটা ঘ্যামা লাগল।
  • জিলিপি | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:০৮559966
  • সুপ্রভাত
     
    বাঙালি বিশেষ করে बंगाल দের কাছে চ্যাট কথাটা অতি অশ্লীল!
     
    এটা তো শুনিনি? এটা কী কেস?
  • qwerty | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ১১:১৭559965
  • জয়া চ্যাটার্জীর পার্টিশন এপিসোড নিয়ে দ্বিতীয় বইটা — স্পয়েলস অফ পার্টিশন, বা একদম রিসেন্ট শ্যাডোজ অ্যাট নুন।
     
    পঞ্চাশের দশক থেকে উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে জানতে চাইলে ক্রেডিবল ঐতিহাসিকের লেখা পড়া যেতে পারে। নইলে ধুমধাড়াক্কা ১০:২০ হয়ে যায়।
  • b | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:২৯559962
  • নানা পাটেকার .
  • Bratin Das | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৮:১০559961
  • সুপ্রভাত গুরু
  • ভুলভাল | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০৭:১৮559960
  • একটা অনুরোধ। একটু সময় করে এই ভিডিও টা দেখুন। মতামত দিন। একটু সময় লাগবে, ধৈর্য্য ধরে শুনতে হবে। ফারমি' প্যারাডক্স নিয়ে। অমর খুন ভালো লাগল।
  • অয়নেশ | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৫২559959
  • ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২০

    মরিচঝাঁপি থেকে অধিকাংশকে আবার দণ্ডকারণ্যে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। কিছু মানুষ বারাসাতে মরিচঝাঁপি কলোনিতে থাকেন। আর কিছু দক্ষিণ ২৪ পরগনার এদিক ওদিকে ছড়িয়ে পড়েন।
    আর আন্দামানে পাঠানোর প্রথম পর্ব ১৯৪৯ বিধান রায়ের আমলে। আবার ১৯৫১তে দ্বিতীয় পর্ব শুরু হয়। ১৯৬১র মধ্যেই উত্তর, দক্ষিণ ও মধ্য আন্দামানে সেটেলমেন্ট ব্যাপক ভাবে হয়ে যায়।
    আবার ১৯৬২ সালে সেন্ট্রাল মিনিস্ট্রি অফ রিলিফ এন্ড রিহাবিলিটেশন নতুন করে সেটেলমেন্ট শুরু করে লিটল আন্দামান, নিল আইল্যান্ড ও গ্রেট নিকোবারে যা ১৯৮০ পর্যন্ত কার্যকর ছিল। মূলত কংগ্রেস পিরিয়ড জুড়ে এই পাঠানোর প্রক্রিয়া চলে। সিপিএম এর বিরোধিতা করে এলেও তাদের আমলেও এই প্রক্রিয়া চালু রাখে। না হলে আন্দামানে বাঙালি উদ্বাস্তুর সংখ্যা ১৯৭১ -এ ৩৫০০০ থেকে ১৯৯১ তে ৬৪০০০ -এ পৌঁছতে পারতো না।
  • ক | ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৪১559958
  • দিল্লীতে মিলিটারি নামানোটাই বাকি আছে।
  • X | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২৩:১২559957
  • বাংলার গত পাঁচ মাসের রিপোর্ট কার্ড- সাকেত গোখলের RTI টুইট
  • Manali Moulik | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২১:৪৯559956
  • The Conversation জার্ণালে টি.এস.এলিয়টের রচনার আজকের যুগে অনন‍্য গ্রহণযোগ্যতার উপর একটা দারুণ আর্টিকেল পেলুম
  • Bratin Das | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ২০:৩৯559955
  • "ওহ ক্যালকাটা" অনুকরণে এখানে  
    একটা "ওহ বালী" রেস্টুরেন্ট খুলেছে ​​​​​​​দেখলাম .
     
    পুরো "পাগল করে দে মা,  কাগজ কুড়িয়ে খাই "
    অবস্থা 
  • Ranjan | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৬:৪৮559953
  • চ্যাট রুম!
    ,বাঙালি বিশেষ করে बंगाल দের কাছে চ্যাট কথাটা অতি অশ্লীল!
  • Manali Moulik | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৩:২৮559952
  • বিলম্বিত সুপ্রভাত
  • তরমুজ | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৫৯559951
  • সঠিক। আন্দামান।
  • :|: | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০:৩০559950
  • আন্দামান?
  • তরমুজ | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ১০:২০559949
  • একটা প্রশ্ন। বাম আমলে সিপিএমের তাড়া খেয়ে একটা বড় অংশের হিন্দু উদ্বাস্তু পশ্চিমবঙ্গ ছেড়ে পালিয়ে ভারতের কোন স্থানে বর্তমানে বসবাস করছে? কেউ জানেন?
  • Bratin Das | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৯:১৩559948
  • smiley
  • :|: | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ০৩:৪৯559947
  • লিপি-জি বললেই আটকাচ্ছে কে!
  • জিলিপি | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ০২:২৭559946
  • এক জায়গায় দেখলাম অমিত শাহ বলছে আনপড় লোগ দেশকে উপর বোঝ বনকে বেঠে হ্যায়।
     
    আর এক জায়গায় মোগিজি বলছেন মোটাপা এক বিমারি হ্যায় জো অন্দর সে শরীর কো খা জাতা হ্যায়।
     
    সাধে কি বলে, রতনে রতন চেনে।
  • ক | ০৭ অক্টোবর ২০২৬ ০০:৪৭559945
  • ১০ তারিখ মহালয়া না ? সেদিনই দিল্লীতে মিছিল না ? দুই মক্কেলের অতএব কলকাতা আসা ক্যান্সেল।

    হ্যা হ্যা হ্যা, ফিরে গিয়ে যদি দেখে চেয়ারদুটো নেই !
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : guruchandali@gmail.com ।


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত